Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Iran War: ভরসা সেই ভারতই, তীব্র জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে হাত পাতল বাংলাদেশ-মলদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা

    Iran War: ভরসা সেই ভারতই, তীব্র জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে হাত পাতল বাংলাদেশ-মলদ্বীপ-শ্রীলঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদে পড়ে সাধুও কলার খোসা খায়! তেমনই দশা হয়েছে বাংলাদেশ, মলদ্বীপের। মাস কয়েক আগেও ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান দিচ্ছিল (Iran War) যারা, তারাই (Energy Crisis) ফের হাত পাতছে ভারতের কাছে। পশ্চিম এশিয়ায় ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট চরমে। এমতাবস্থায় ভারতের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশ এবং মলদ্বীপকে। শ্রীলঙ্কাকেও জ্বালানি দেবে নরেন্দ্র মোদির ভারত। যে ভারতের বিরুদ্ধে এক সময় কুকথা বলেছিল বাংলাদেশের মৌলবাদীরা, বয়কটের ডাক দিয়েছিল ভারতীয় পণ্য, জ্বালানি সঙ্কটের জেরে সেই মোদি সরকারের কাছেই হাত পাততে হল বাংলাদেশ-মলদ্বীপকে। আর ভারত? যাবতীয় তিক্ততা ভুলে গিয়ে সে বাড়িয়ে দিয়েছে সাহায্যের হাত। এটি তার ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অংশ।

    হরমুজ প্রণালী (Iran War)

    অবশ্য একটি কঠিন সত্য হল, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এশিয়ার দেশগুলির জন্য নির্ধারিত। এতে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মতো জ্বালানি আমদানি-নির্ভর দেশগুলির দুর্বলতা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে ইরান ভারতের “বন্ধু” হিসেবেই চিহ্নিত। তাই তেল এবং এলপিজি  ট্যাঙ্কারগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। যার ফলে স্বস্তিতে নয়াদিল্লি। জানা গিয়েছে, সঙ্কটকালে ভারত ইতিমধ্যেই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পাঠিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায়। বিবেচনা করা হচ্ছে মলদ্বীপের অনুরোধও। যদিও ভুটান ও নেপালে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে নরেন্দ্র মোদির দেশ (Iran War)।

    কী বললেন রণধীর জয়সওয়াল

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ওই দেশগুলি ভারতের কাছে সাহায্য চেয়েছে (Energy Crisis)। অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন বিবেচনা করেই নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত। বর্তমানে ভারতের কাছে প্রায় দু’মাসের জ্বালানি মজুদ থাকায় আতঙ্কের পরিস্থিতি নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সঙ্কটকালে দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত অপরিহার্য শক্তি। ইরান-যুদ্ধজনিত সঙ্কটের সব চেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। দেশটি ৯৫ শতাংশ তেল এবং ৩০ শতাংশ গ্যাস আমদানি করে। গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাংলাদেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। দেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস খাত ডিজেলের অভাবে হুমকির মুখে।

    বাংলাদেশকে সাহায্যের হাত বাড়াল ভারত

    বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে, স্থগিত করা হয়েছে পাঁচটির মধ্যে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানার কাজকর্ম।এই সঙ্কট-পর্বের মোকাবিলা করতে ভারতের সাহায্য চেয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার। ভারত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। অসমের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকেও জ্বালানি পাঠানো হচ্ছে (Energy Crisis)। জানা গিয়েছে, ১০ মার্চ ভারত বাংলাদেশকে ৫,০০০ টন ডিজেল পাঠিয়েছে। এটি ১৫ বছরের চুক্তির অংশ। পরবর্তী সপ্তাহে আরও ১০,০০০ টন এবং নতুন করে ৭,০০০ টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে। এই সহযোগিতার ঘটনা এমন একটি সময়ে ঘটছে, যখন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নয়া সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে (Iran War)।

    “বয়কট ইন্ডিয়া” স্লোগান

    ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের জমানায় তলানিতে পৌঁছয় ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক। সেই সময় “বয়কট ইন্ডিয়া”-সহ ভারতবিরোধী মনোভাব বেড়ে গিয়েছিল। সেই আবহে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হয় গভীর। বিএনপি সরকারের উদ্যোগে অবশ্য ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের লেখচিত্র ফের ঊর্ধ্বমুখী। এক বছর আগেও ভারতের কড়া সমালোচক ছিল মলদ্বীপ। এখন জ্বালানি সঙ্কটে পড়ে দ্বারস্থ হয়েছে ভারতের। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু “ইন্ডিয়া আউট” প্রচারের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার করেন এবং চিনের দিকে ঝোঁকেন। তবে বর্তমান সঙ্কটের প্রেক্ষিতে মলদ্বীপ আবার ভারতের কাছে সাহায্য চাইতে বাধ্য হয়েছে। পর্যটননির্ভর অর্থনীতির এই দেশ মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে (Iran War)। পেট্রোল, ডিজেল ও এলপিজির ঘাটতিতে দৈনন্দিন জীবন প্রায় স্থবির। মলদ্বীপ এখন ভারতের কাছে জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ করেছে, যা বিবেচনা করছে দিল্লি (Energy Crisis)।

    জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারতের ভূমিকা

    শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি ২০২২ সালের অর্থনৈতিক সংকটের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। তখন দেশটি চিনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল এবং ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষা করে চিনা জাহাজকে বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দেয়। বর্তমান ইরান যুদ্ধ আবারও শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। দেশটি তার ৬০ শতাংশ জ্বালানি আমদানি করে, যার বড় অংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। সঙ্কটের কারণে জ্বালানির দাম ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে হয়েছে (Iran War)। মার্চের মাঝামাঝি প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করেন। এর পরেই ভারত দ্রুত ২০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল ও ১৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল পাঠায়। দিসানায়েকে বলেন, “ভারতের দ্রুত সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।” প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতের প্রতিবেশী অঞ্চলের পরিস্থিতি অস্থির ছিল। যার প্রমাণ মলদ্বীপে “ইন্ডিয়া আউট” প্রচার বা বাংলাদেশে ভারতবিরোধী শক্তির মাথাচাড়া দেওয়া। কিন্তু ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সঙ্কট একটি কঠিন বাস্তবতা সামনে এনে দিয়েছে। এটি হল, রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, ভৌগোলিক বাস্তবতাই গুরুত্বপূর্ণ (Iran War)। এই বাস্তবতায় (Energy Crisis) দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত এখনও কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।

  • PM Modi: চিন থেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের অনুমতি দিল কেন্দ্র, কারা পাবে এই সুযোগ?

    PM Modi: চিন থেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের অনুমতি দিল কেন্দ্র, কারা পাবে এই সুযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) থেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। অবশ্য এই অনুমতি সবাইকে নয়, ভারত (PM Modi) হেভি ইলেকট্রিক্যালস এবং স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার মতো কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে। সরকারি সূত্রের খবর, এটি করা হয়েছে আগের বিধিনিষেধ শিথিল করার পর।

    শিথিল করা হল বিধিনিষেধ (PM Modi)

    গত মাসে একটি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছিল, ২০২০ সালের প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের পর চিনা সরঞ্জাম কেনার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, ভারত তা শিথিল করতে যাচ্ছে। এর ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ ও কয়লা কোম্পানিগুলি সীমিত পরিসরে আমদানি শুরু করতে পারবে, কারণ যন্ত্রপাতির ঘাটতি ও প্রকল্প বিলম্ব ক্রমেই বাড়ছিল। এরপরেই ভারত চিনের ওপর বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিধিনিষেধও শিথিল করেছে। নয়া নিয়ম শিথিলের আওতায়, ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ সরঞ্জাম নির্মাতা ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস চিন থেকে ২১ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করতে পারবে বলে সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে। একই ধরনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়াকেও। অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকেও কয়লা-গ্যাসিফিকেশন (coal-gasification) সরঞ্জাম সংগ্রহের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর।

    ভারত-চিন সেনা সংঘর্ষ

    ২০২০ সালে হিমালয় সীমান্তে গলওয়ানে ভারত ও চিনের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর নয়াদিল্লি চিনা পণ্য ও বিনিয়োগের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছিল। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির কারণে বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যের পুনর্বিন্যাস শুরু হওয়ায়, সরবরাহ শৃঙ্খল স্থিতিশীল রাখা এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ভারত এখন চিনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের কথা বিবেচনা করছে (PM Modi)। গত বছরের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাত বছর পর প্রথমবার চিন সফর করেছিলেন। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করে সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা করেছিলেন তিনি। এর পর দুই দেশ সরাসরি ফ্লাইট চালু করে এবং নয়াদিল্লি চিনা ব্যবসায়িক পেশাজীবীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করে।

    চলতি মাসে জারি করা সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত চুক্তিতে অংশ নেওয়া চিনা দরদাতাদের (bidders) আর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা অনুমোদনের জন্য সরকারি কমিটির কাছে রেজিস্ট্রি করতে হবে না। এর আগে এই মাসের শুরুতে নয়াদিল্লি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে চিনা বিনিয়োগের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। মূলধন সঙ্কট কমাতেই এটি করা হয় (China)। অর্থনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দেয় এই বিধিনিষেধ শিথিল করা (PM Modi)।

     

  • PM Modi: জনমত সমীক্ষায় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা মোদি, অনেক পিছিয়ে ট্রাম্প

    PM Modi: জনমত সমীক্ষায় বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা মোদি, অনেক পিছিয়ে ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার নিরিখে আবারও এক নম্বর স্থান দখল করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আন্তর্জাতিক সমীক্ষা সংস্থা ‘মর্নিং কনসাল্ট’ (Morning Consult)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের তাবড় তাবড় রাষ্ট্রনেতাদের পিছনে ফেলে জনসমর্থনের নিরিখে শীর্ষস্থান (Most Popular Leader) ধরে রেখেছেন তিনি।

    মোদির ক্ষেত্রে বিরোধিতার হার (PM Modi)

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক এই সংস্থাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানদের জনপ্রিয়তা নিয়ে নিয়মিত ট্র্যাকার পরিচালনা করে। তাদের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ৬৮ শতাংশ ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং’ নিয়ে তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মোদির ক্ষেত্রে বিরোধিতার হার (Disapproval Rating) অত্যন্ত কম, যা তাঁর প্রতি জনগণের আস্থার (Most Popular Leader) প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    অন্যান্য রাষ্ট্রনেতা

    তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সুইৎজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন (৬২ শতাংশ রেটিং)। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কিংবা ঋষি সুনাকের মতো নেতারা জনপ্রিয়তার দৌড়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন।

    বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জি-২০ (G20) সম্মেলন পরবর্তী সময়ে ভারতের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক প্রভাব এবং দেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডই মোদির (PM Modi) এই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার (Most Popular Leader) মূল কারণ। ভারতের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    পূর্ববর্তী রেকর্ড

    তবে এটা প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিকবার ‘মর্নিং কনসাল্ট’-এর সমীক্ষায় বিশ্বের জনপ্রিয়তম নেতার তকমা পেয়েছেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। অতিমারি পরবর্তী সময়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের শক্ত অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক সংকটে মোদীর গঠনমূলক ভূমিকা তাঁকে এই বিশেষ সম্মানের অধিকারী করেছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এই সাফল্যকে ‘নতুন ভারতের’ জয় হিসেবে দেখছেন। তাঁদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বই ভারতকে বিশ্বমঞ্চে (Most Popular Leader)  এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

    কোন বিশ্ব নেতার জনপ্রিয়তা কেমন?

    নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভারত- ৬৮%
    গাই পারমেলিন (সুইৎজারল্যান্ড) – ৬২%
    লি জে-মিউং (দক্ষিণ কোরিয়া) – ৬২%
    আন্দ্রেজ বাবিস (চেক প্রজাতন্ত্র) – ৫৭%
    হাভিয়ের মিলেই (আর্জেন্টিনা) – ৫৬%
    ​​সানায়ে তাকাইচি (জাপান) – ৫৬%
    ​​মার্ক কার্নি (কানাডা) – ৫৫%
    ক্লডিয়া শেইনবাম (মেক্সিকো) – ৪৭%
    বার্ট ডি ওয়েভার (বেলজিয়াম) – ৪২%
    লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা (ব্রাজিল) – ৪২%
    জর্জিয়া মেলোনি (ইতালি) – ৪০%
    রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান (তুরস্ক) – ৪০%
    ডোনাল্ড টাস্ক (পোল্যান্ড) – ৪০%
    ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) – ৩৯%
    উলফ ক্রিস্টারসন (সুইডেন) – ৩৮%
    অ্যান্থনি অ্যালবানিজ (অস্ট্রেলিয়া) – ৩৭%
    জোনাস গার স্টোর (নরওয়ে) – ৩৬%
    পেদ্রো সানচেজ (স্পেন) – ৩৬%
    সিরিল রামাফোসা (দক্ষিণ আফ্রিকা) – ৩৩%
    ক্রিশ্চিয়ান স্টকার (অস্ট্রিয়া) – ৩৩%
    রব জেটেন (নেদারল্যান্ডস) – ৩২%
    কিয়ার স্টারমার (যুক্তরাজ্য) – ২৪%
    ফ্রিডরিখ মের্জ (জার্মানি) – ২০%
    এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ (ফ্রান্স) – ১৭%

  • All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    All Party Meet: ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয় ভারত’, সর্বদলীয় বৈঠকে সাফ জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভারত কোনওভাবেই পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ নয়।’ বুধবার সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meet) সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র। পশ্চিম এশিয়ায় যে সংঘাত চলছে, সেখানে পাকিস্তানের কথিত মধ্যস্থতার (Pakistan) প্রসঙ্গে একথা জানিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। সংসদ ভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আটজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিরোধী দলের একাধিক সদস্য। বৈঠক বয়কট করে তৃণমূল।

    বিরোধীদের প্রশ্ন, জয়শঙ্করের উত্তর (All Party Meet)

    বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে আর ভারত নীরব দর্শক হয়ে রয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “১৯৮১ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে ব্যবহার করে আসছে। তাই এই ধরনের মধ্যস্থতা নতুন কিছু নয়।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা কোনও দালাল রাষ্ট্র নই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে আলাপচারিতা নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে জয়শঙ্কর জানান, প্রধানমন্ত্রী পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। কারণ এই সংঘাত সবার পক্ষেই ক্ষতিকর। সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাসের প্রশ্ন ছিল, “সরকার কি এই সংঘাতে নীরবতাকেই কূটনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে?” জয়শঙ্কর বলেন, “নয়াদিল্লি নীরব নয়, বরং আমরা মন্তব্য করছি এবং প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছি।” সূত্রের খবর, ব্রিটাস উল্লেখ করেন যে কাতার, যেখান থেকে ভারত প্রায় ৪০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তারাও স্বীকার করেছে উৎপাদন স্থিতিশীল করতে তাদের বহু বছর লাগবে (All Party Meet)।

    এনসিপি (এসপি) সাংসদের প্রশ্ন

    এনসিপি (এসপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের প্রশ্ন ছিল, “ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সম্পর্কের বিশেষ সুবিধা কী?” উত্তরে জয়শঙ্কর বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা অংশীদার। ইরানও আমাদের আচরণে সন্তুষ্ট।” বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, ভারত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর ঘটনায় দ্রুত শোক প্রকাশ করেনি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, ইরানি দূতাবাস খোলার পরপরই বিদেশসচিব সেখানে গিয়ে শোকপুস্তকে স্বাক্ষর করেছিলেন (Pakistan)। সরকার এও জানায়, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করাই প্রধান লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে সরকার এখন পর্যন্ত সফলই হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে (All Party Meet)।

    সংসদে আলোচনার দাবি

    বিরোধীরা অবশ্য সরকারের দেওয়া উত্তরকে “অসন্তোষজনক” বলে অভিহিত করেন। তাঁরা লোকসভা ও রাজ্যসভা—সংসদের উভয় কক্ষেই পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনার দাবি জানান। সরকারকে নিশানা করে কংগ্রেস নেতা তারিক আনোয়ার বলেন, “লোকসভা ও রাজ্যসভায় এই বিষয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। বিরোধী দলগুলি সরকারের জবাবে সন্তুষ্ট নয়।” ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির অন্তর্ভুক্ত সকল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এদিনের বৈঠকে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও উপস্থিত ছিলেন। বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি বৈঠকে একটি প্রেজেন্টেশন দেন (All Party Meet)। বৈঠকে উপস্থিত বিরোধী নেতাদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের তারিক আনোয়ার ও মুকুল ওয়াসনিক, সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব এবং বিজু জনতা দলের সাস্মিত পাত্র প্রমুখ (Pakistan)। তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধি সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দেননি।

     

  • PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন?

    PM Modi: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট (West Asia Conflict) নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র। বুধবার বৈঠক হবে বিকেল ৫টায়। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করতে পারেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। উপস্থিত থাকতে পারেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

    সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক কেন্দ্রের (PM Modi)

    পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে এই বৈঠক (PM Modi) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের ওপর। উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। মঙ্গলবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল অনিল চৌহান, তিন বাহিনীর প্রধান, ডিআরডিওর চেয়ারম্যান সমীর কামাত-সহ অন্যরা। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির (CCS) বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের পরিস্থিতি এবং তার মোকাবিলায় নেওয়া প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলি পর্যালোচনা করেন। তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মন্ত্রী ও সচিবদের একটি বিশেষ দল গঠনের নির্দেশও দেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় ভাষণের পর আয়োজিত হচ্ছে এই সর্বদলীয় বৈঠক। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “জ্বালানি, সরবরাহ ব্যবস্থা, সার-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশল তৈরির জন্য সরকার সাতটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করেছে, যাতে ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাতের প্রভাব কমানো যায়।” সোমবার লোকসভায় তিনি বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতজনিত কঠিন বৈশ্বিক পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এজন্য দেশকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রস্তুত থাকতে হবে, যেমনটি কোভিড-১৯ অতিমারির সময় ছিল। পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘাত এখন চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে, ব্যাহত হয়েছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজের অনায়াস যাতায়াত। ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর উত্তেজনা আরও বেড়েছে (PM Modi)।

    বৈঠকে থাকছেন না রাহুল

    এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। যার ফলে সামুদ্রিক পথে জাহাজ চলাচল আরও বিঘ্নিত হয়। এর ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর (West Asia Conflict)। এদিনের সর্বদলীয় বৈঠকে হাজির থাকবেন না লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি জানান, কেরালায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে এই সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, এর আগে কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেছিল, “সঙ্কট নিয়ে তাঁর বক্তব্য ছিল নিজের প্রশংসায় ভরা আগেভাগেই তৈরি করে দেওয়া একটি লেখা”। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “পশ্চিম এশিয়া ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রায় এক কোটি ভারতীয় সেখানে বসবাস ও কাজ করেন। তাছাড়া এই অঞ্চলের সমুদ্রপথে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নাবিকও কাজ করেন (PM Modi)।”

    ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত বার্তা দিতেই বৈঠক

    তিনি এও বলেন, “এই বিভিন্ন কারণেই ভারতের উদ্বেগ স্বাভাবিকভাবেই বেশি। তাই এই সঙ্কট নিয়ে ভারতের সংসদ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত বার্তা বিশ্বে পৌঁছনো অত্যন্ত জরুরি।” ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময়ও হয়েছে তাঁদের মধ্যে। তিনি বলেন, “ভারত দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের এবং শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ এবং সকলের জন্য সহজলভ্য রাখা (West Asia Conflict) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টায় আমরা যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়েছি (PM Modi)।”

  • Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে সংঘাত। এহেন আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে। উভয় নেতাই হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সদ্য প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন।

    কী জানালেন প্রধানমন্ত্রী (Donald Trump)

    এরই কিছুক্ষণ পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানান, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেছেন। এক্স-এ করা পোস্টে তিনি লেখেন, “ভারত উত্তেজনা প্রশমন এবং দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজলভ্য রাখা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এই ফোনালাপের সময়ই প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে কোনও বিঘ্নই মেনে নেওয়া যায় না।” লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং বৈশ্বিক নৌপথে বিঘ্ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং (PM Modi) হরমুজ প্রণালীর মতো আন্তর্জাতিক জলপথে বিঘ্ন মেনে নেওয়া যায় না। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত কূটনৈতিক উপায়ে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহণে ব্যবহৃত হয় হরমুজ প্রণালী। তাই এটি বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথে সাম্প্রতিক বিঘ্ন বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সঙ্কটের সৃষ্টি করেছে (Donald Trump)। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “এই সঙ্কট বিশ্ব অর্থনীতিকে নড়িয়ে দিয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অনেক সময় লাগতে পারে।”

    দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর

    তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। যুদ্ধ আমাদের বাণিজ্যিক পথগুলিকে প্রভাবিত করেছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সারের নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।” তিনি অবশ্য আশ্বাস দেন, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ করছে। এই পরিস্থিতিটি এমন একটি সময়ে সামনে এল, যার ঠিক একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করার কথা ঘোষণা করেন (PM Modi)। তিনি জানান, তাঁর সরকার তেহরানের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা করেছে এবং যদি হরমুজ প্রণালী ফের চালু না হয়, তবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিকল্পিত হামলা পাঁচ দিন পিছিয়ে দেওয়া হবে।

    আমেরিকার দাবি খারিজ

    ইরানি আধিকারিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন (Donald Trump)। তাঁদের দাবি, তেহরানের কঠোর সতর্কবার্তার পরেই পিছিয়ে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরানের সংসদের স্পিকার মোহম্মদ বাঘের গালিবাফ ট্রাম্পের এই দাবিকে ভুয়ো খবর আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “এটি আর্থিক ও তেলবাজারে প্রভাব ফেলতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি সরাতে করা হয়েছে।”

    এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি ()। আর্থিক ও তেলবাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে পড়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা হিসেবেই ছড়ানো হচ্ছে ভুয়ো খবর (Donald Trump)।”

     

  • PM Modi: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটে নড়ে গিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি”, দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটে নড়ে গিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি”, দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নাড়িয়ে দিয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।” ঠিক এই ভাষায়ই দেশবাসীকে সতর্ক করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি এও বলেন, “দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত (West Asia Crisis) বিশ্বজুড়ে গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।” মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ ইতিমধ্যেই বড় ধরনের জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে, ব্যাহত করেছে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথগুলিতে চলাচল। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানির একটি গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। আমাদের বাণিজ্য পথগুলি প্রভাবিত হয়েছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সার সরবরাহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। ভারতের ওপর এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপও করছে। তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তি শক্তিশালী। সরকার প্রতিটি পরিবর্তিত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।” তিনি বলেন, “এই সঙ্কট ভিন্ন ধরনের এবং এর সমাধানও ভিন্নভাবে খোঁজা হচ্ছে। আমাদের প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে ধৈর্য, সংযম এবং শান্তভাবে।” এর পরেই দেশবাসীকে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে থাকতে পারে। তবে সরকার এ ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজও করছে।” প্রধানমন্ত্রী রাজ্যগুলিকে কালোবাজারি ও প্রয়োজনীয় পণ্যের মজুতদারির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। দরিদ্র এবং অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য আগাম উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন।

    কোভিড পরিস্থিতির পদক্ষেপের কথা স্মরণ করালেন প্রধানমন্ত্রী

    কোভিড পরিস্থিতির পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বর্তমান সঙ্কটেও একই ধরনের ‘টিম ইন্ডিয়া পদ্ধতি’ অবলম্বন করার আহ্বান জানান (West Asia Crisis)। তিনি বলেন, “প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত (PM Modi)।” প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতিকে বড় উদ্বেগ হিসেবে তুলে ধরেন। এই প্রণালীতে আটকে রয়েছে বহু আন্তর্জাতিক জাহাজ, সেগুলিতে রয়েছেন ভারতীয় নাবিকরাও। তিনি বলেন, “বিশ্বের অনেক জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকে রয়েছে এবং সেগুলিতে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় ক্রু সদস্য রয়েছেন।” তিনি জানান, ভারত কূটনৈতিকভাবে কাজ করছে যাতে জাহাজগুলি নিরাপদে চলাচল করতে পারে এবং অঞ্চলে উত্তেজনা কমানো যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হল উত্তেজনা কমানো এবং হরমুজ প্রণালী চালু করা (West Asia Crisis)।” উপসাগরীয় দেশগুলিতে প্রায় এক কোটি ভারতীয় বসবাস ও কাজ করেন। সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সঙ্কটের সময় দেশে ও বিদেশে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”

    আত্মনির্ভর হওয়ার ডাক

    তিনি জানান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৩,৭৫,০০০-এর বেশি ভারতীয় নিরাপদে দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ইরান থেকে ১,০০০-এরও বেশি জন। তাঁদের মধ্যে ৭০০ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া। প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত ইরান, ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কাজ করছে (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধে মানবজীবনের কোনও হুমকি মানবতার স্বার্থে নয়। ভারত সব পক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগিয়ে নিতে ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” তিনি জানান, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে তিনি বিভিন্ন বিশ্বনেতার সঙ্গে এই সঙ্কট নিয়ে আলোচনা করেছেন। সরকার জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উৎস থেকে তেল ও গ্যাস সংগ্রহের চেষ্টা করছে (West Asia Crisis)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সম্ভাব্য সব উৎস থেকে গ্যাস ও অপরিশোধিত তেল জোগাড়ের চেষ্টা করছি। এই প্রচেষ্টা আগামী দিনগুলিতেও চলবে।” তিনি জানান, গত ১১ বছরে ভারত ৫৩ লাখ মেট্রিক টন কৌশলগত তেল মজুত করেছে।  আরও ৬৫ লাখ মেট্রিক টন সংরক্ষণ ক্ষমতার ভাণ্ডার তৈরি করার কাজ চলছে। আগে ২৭টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করা হত। এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪১ করা হয়েছে। তিনি ৭০,০০০ কোটি টাকার জাহাজ নির্মাণ প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন এবং আত্মনির্ভরতার ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আত্মনির্ভর হওয়া ছাড়া ভারতের সামনে আর কোনও বিকল্প নেই (PM Modi)।”

  • Assembly Election 2026: ভোটে হাই-ভোল্টেজ ভবানীপুর! বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ প্রচার কেন্দ্র স্থির করল বিজেপি

    Assembly Election 2026: ভোটে হাই-ভোল্টেজ ভবানীপুর! বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ প্রচার কেন্দ্র স্থির করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটের বাদ্যি বেজে গিয়েছে। ঘোষণা হয়েছে নির্বাচনের দিন। ভোটের (Assembly Election 2026) দিনক্ষণ ঘোষণার পর এখনও বাংলায় প্রচারে আসেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Bengal)। তিনি বাংলায় কবে প্রথম প্রচার শুরু করবেন, তা এখনও নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। তবে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে মোদির শেষ কর্মসূচি কোথায় হতে চলেছে, তার আঁচ পাওয়া গেল। হাইভোল্টেজ ভবানীপুরে তাঁর নির্বাচনী প্রচার শেষ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এবার ভোটে রাজ্যে সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। এই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একুশের নির্বাচনে যে দ্বৈরথ পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে দেখা গিয়েছিল, সেটাই এবার হচ্ছে ভবানীপুরে। গতবার নন্দীগ্রামে এই দ্বৈরথে মমতাকে টেক্কা দিয়েছিলেন শুভেন্দু।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মসূচি

    রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর,পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026)  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কী কী কর্মসূচি থাকবে, তার রূপরেখা চূড়ান্ত করার আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সে আলোচনার শুরুতেই নির্ধারিত হয়েছে শেষ কর্মসূচিটি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয় বা শেষ দফার নির্বাচনী প্রচারে শেষ রোড শো কোথায় করবেন, স্থির করে ফেলেছে বিজেপি। এ যাত্রায় প্রধানমন্ত্রী মোদির অন্তিম রোড শো-টি ভবানীপুর ছুঁয়ে যাবে। ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। সে দফায় কলকাতায় ভোট হচ্ছে না। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৪২টি আসনে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল। তাই ২৪ থেকে ২৭ এপ্রিলের মধ্যেই এই অঞ্চলে ভোটের প্রচার তুঙ্গে উঠবে। ওই সময়েই প্রধানমন্ত্রী মোদি কলকাতায় রোড শো করবেন। সেটিই হবে পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনে তাঁর শেষ রোড শো। কোন পথ দিয়ে বা কলকাতার কোন কোন অ়ঞ্চল হয়ে প্রধানমন্ত্রীর রোড শো এগোবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সে কর্মসূচি যে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে অবশ্যই ছুঁয়ে যাবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে।

    ভবানীপুরে শেষ রোড-শো!

    বিজেপি সূত্রে খবর, বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচার মোদি শেষ করতে পারেন ভবানীপুরে। এই নিয়ে জোর আলোচনা চলছে পদ্মশিবিরে। কলকাতার দুই প্রান্তে দুটি রোড শো করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (Modi in Bengal)। তবে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অনুমোদন, এসপিজি-র ছাড়পত্র— এমন অনেকগুলি বিষয়ের উপরে যাত্রাপথ চূড়ান্ত হওয়া নির্ভর করছে। সূত্রের খবর, উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায় মোদি রোড শো, মিছিল করবেন। তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। মোদির ভোট প্রচারের শেষ কর্মসূচির আভাস পাওয়া গেলেও প্রথম কর্মসূচি সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব চাইছেন, আগামী ২৬ মার্চ বঙ্গে ভোট প্রচার শুরু করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও প্রধামন্ত্রীর দফতর থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি। শোনা যাচ্ছে, এপ্রিলের শুরুতেই উত্তরবঙ্গে আসবেন মোদি। শিলিগুড়িতে করতে পারেন রোড শো।

     

     

     

     

     

  • PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দেশের ইতিহাসে নয়া নজির গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি। এদিন তিনি সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন কুমার চামলিংকে (Pawan Kumar Chamling) ছাপিয়ে গিয়েছেন। প্রথমে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং পরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোট ৮,৯৩১ দিন দায়িত্ব পালন করে মোদি ভেঙে দিয়েছেন চামলিংয়ের ৮,৯৩০ দিনের রেকর্ড। এই মাইলফলক ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক জনসেবা ও নেতৃত্বের প্রতিফলন। মোদি এর আগেও গুজরাটের দীর্ঘতম মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি এমন এক প্রধানমন্ত্রী, যাঁর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    মোদির রেকর্ড (PM Modi)

    তিনি স্বাধীনতার পর জন্ম নেওয়া প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪- পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে নিজের দলকে জয়ী করেছেন। গত বছরের অক্টোবরে, সরকারের প্রধান হিসেবে ২৫তম বর্ষে পদার্পণের সময় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানান। ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে নিজের যাত্রার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং জাতীয় অগ্রগতিতে অবদান রাখা আমার নিরন্তর প্রচেষ্টা। আমি অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম—যখন গুজরাট ভয়াবহ ভূমিকম্প, সুপার সাইক্লোন, ধারাবাহিক খরা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছিল।”

    রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প

    মোদি জানান, এই চ্যালেঞ্জগুলিই তাঁকে নতুন উদ্যম ও আশায় রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প দিয়েছে। একটি ব্যক্তিগত স্মৃতি তুলে ধরে তিনি জানান, তাঁর মা তাঁকে সবসময় গরিব মানুষের জন্য কাজ করতে এবং কখনও ঘুষ না নিতে পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা তাঁর জীবনের পথপ্রদর্শক হয়ে রয়েছে (PM Modi)। তিনি তাঁর আমলে গুজরাটের রূপান্তরের কথাও তুলে ধরেন, যেখানে খরাপ্রবণ ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল একটি রাজ্য থেকে “সুশাসনের শক্তিকেন্দ্রে” পরিণত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে কৃষি, শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে।

    বিকশিত ভারত গড়ার প্রতিশ্রুতি

    ২০১৩ সালে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়, যাকে তিনি “বিশ্বাস ও শাসনের সংকটে”র সময় হিসেবে উল্লেখ করেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর দলকে নিরঙ্কুশ সমর্থন করার কৃতিত্ব তিনি দেন দেশবাসীকে। তিনি জানান, গত ১১ বছরে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন এবং বিশ্ব অর্থনীতির মধ্যে ভারত একটি উজ্জ্বল অবস্থানে পৌঁছেছে (Pawan Kumar Chamling)। ক্ষমতায়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন উদ্যোগ নারী শক্তি, যুব  শক্তি এবং কৃষকদের উপকার করেছে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সেবা করা তাঁর কাছে সর্বোচ্চ সম্মানের বিষয় এবং সংবিধানের মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত “বিকশিত ভারত” গড়ার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি (PM Modi)।

     

LinkedIn
Share