Tag: South 24 Parganas

South 24 Parganas

  • Bomb Blast: ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ থেকে বাদ গেল না স্কুলও, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Bomb Blast: ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ থেকে বাদ গেল না স্কুলও, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুলিশের অধীনে আনার পরও শান্তি ফিরল না ভাঙড়ে। ভাঙড় যে ভাঙড়েই আছে, তা আরও একবার প্রমাণ মিলল মঙ্গলবার। এবার রাজনৈতিক কোনও হিংসার ঘটনা নয়। বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটল স্কুল চত্বরের ভিতরে। তাও আবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার দিনেই। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় হাইস্কুলে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bomb Blast)

    ভাঙড় হাইস্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছিল। মঙ্গলবার ইতিহাস পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষ হয়েছে মাত্র ১০ মিনিট আগে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা বেরোচ্ছেন পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে। এক পরীক্ষার্থী বাথরুমে গিয়েছিল। সেখানে একটি বোমায় আগুন জ্বলতে দেখে সে। এরপরই ছুটে এসে বাইরে সকলকে চিৎকার করে বলতেই বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। আচমকা প্রবল শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা স্কুলবাড়ি। শুরু হল দৌড়ঝাঁপ। পরীক্ষার্থীদের কয়েকজন বলে, মঙ্গলবার পরীক্ষা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরই একটি বোমা ফাটে শৌচাগারে। ঘটনাস্থলের দিকে দৌড়ে যান নিরাপত্তারক্ষীরা। খবর পেয়ে পৌঁছে যায় পুলিশ। সূত্রের খবর, একটি সুতলি বোমা রেখে গিয়েছিল কেউ বা কারা। সেটাই ফেটেছে। কিন্তু, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলের শৌচাগারে কে বিস্ফোরক রেখে গেল, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানাচ্ছে, বিস্ফোরণ ঘটানোর নেপথ্যে কোনও পরীক্ষার্থীও থাকতে পারে। এখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    শুরু রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা নিয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতা সুনীপ দাস বলেন, “আরাবুল ইসলাম গ্রেফতার হয়ে গিয়েছেন। ভাঙড়ে এখনও শান্তি ফেরেনি। তৃণমূল জমানায় বোমা, বন্দুক, গুলি সর্বত্র পাওয়া যায়। স্কুলও ছাড় পাচ্ছে না। এরজন্য পুলিশ-প্রশাসনই দায়ী। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক দলের কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে শাসকদল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: মৃত বৃদ্ধার বার্ধক্যভাতার টাকা মাসের পর মাস তুলে নেওয়া হচ্ছে! কাঠগড়়ায় তৃণমূল

    South 24 Parganas: মৃত বৃদ্ধার বার্ধক্যভাতার টাকা মাসের পর মাস তুলে নেওয়া হচ্ছে! কাঠগড়়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে মাসের পর মাস উঠে যাচ্ছে বার্ধক্য ভাতার টাকা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মন্দির বাজার বিধানসভার কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। তৃণমূলের পঞ্চায়েত হাতছাড়়া হতেই এই দুর্নীতি সামনে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,  মৃত বৃদ্ধার নাম অনুমতি হালদার। তাঁর বয়স ৭৫ বছর। ২০২০ সালের ৪ঠা জুন তাঁর মৃত্যু হয়। সেই মর্মে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) সেই পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে তাঁর ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর কয়েক মাস পরেও তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে  প্রতিমাসেই বার্ধক্য ভাতার টাকা তুলে নেওয়া হয়। আর যা দেখে চক্ষু চরক গাছ তার পরিবারের লোকেদের। শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলিতে দুর্নীতির আঁতুরঘর, এমনটাই অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। জানা গিয়েছে, এতদিন গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল বোর্ড ছিল। গত পঞ্চায়েতে বিরোধী জোট পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় আসে। স্থানীয় এক ব্যক্তি আরটিআই করেন। আর তাতেই পরিষ্কার হয়ে যায় সমস্ত বিষয়টি। জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    অনুমতি হালদার হালদারের নামে শুধুমাত্র একটি বার্ধক্য ভাতার অ্যাকাউন্ট নয়। রয়েছে দু দুটি বার্ধক্য ভাতার অ্যাকাউন্ট। একটিতে তাঁর নামের সঙ্গে তাঁর অ্যাকাউন্ট নম্বর দেওয়া থাকলেও অন্যটিতে তাঁর নামের পাশে অ্যাকাউন্ট নম্বরটি অন্যজনের। কিন্তু সেই নম্বরটি কার তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। মৃতের ছেলে সঞ্জীবন হালদার বলেন, এই বিষয় নিয়ে সঠিক তদন্ত হোক। কে বা কারা আমার মায়ের নাম করে দুটি  অ্যাকাউন্ট থেকে দিনের পর দিন টাকা তুলছে তার অবিলম্বে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা মোহন হালদার বলেন, এই সমস্ত কিছুই হয়েছে তৃণমূলের বোর্ডে। সেই সময়ে পঞ্চায়েতের দায়িত্ব থাকা প্রধান ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির মদতে এসব দুর্নীতি হয়েছে। আমরা দোষীদের শাস্তি দাবি জানাচ্ছি। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় পাইক বলেন, এখনও আমাদের কাছে এই ধরনের কোনও অভিযোগ আসেনি। এমন যদি হয়ে থাকে তার সঠিক তদন্ত করা হোক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    South 24 Parganas: পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যাগ বা একশো দিনের কাজ নয়, এবার অর্থ কমিশনের লক্ষ লক্ষ টাকা নয় ছয়ের অভিযোগ সামনে এলো রাজ্যে। আবাস যোজনায় ব্যাপক দুর্নীতির পর এবার কেন্দ্রের বরাদ্দ পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকায় নয়ছয় হয়েছে। আর এই ঘটনায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) নামখানা ব্লকে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। যদিও বিডিও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে এই দুর্নীতিকে হাতিয়ার করে সরব হয়েছে বিজেপি। অপর দিকে পালটা তৃণমূল তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। কিন্তু ফের একবার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

    মূল অভিযোগ কী (South 24 Parganas)?

    স্থানীয় (South 24 Parganas) সূত্রে জানা গিয়েছে, নামখানা ব্লকের পাঁচটি পঞ্চায়েত এলাকায় ২০২২-২৩ অর্থ বর্ষে ১৫ লক্ষ টাকার বেশি নয়ছয় হয়েছে। এই অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ব্লকের নামখানা পঞ্চায়েতের বাসিন্দা স্নেহাশিস গিরি। তিনি বলেন, “এক্ষেত্রে ব্লকের নামখানা, বুধাখালি, হরিপুর, শিবরামপুর ও নারায়ণপুর পঞ্চায়েত অঞ্চলে ২০২২-‌২৩ অর্থবর্ষে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা সঠিকভাবে ব্যবহার করেনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। অর্থ কমিশনের টাকা এলাকার রাস্তা, নিকাশি এবং পানীয় জলের প্রকল্পে খরচ হওয়ার কথা। কিন্তু কাজের টেন্ডার এবং লেনদেনে মোট ১৬৫টি বেনিয়ম হয়েছে।” এবার এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এলাকার বিডিও। যদিও ব্লকের তৃণমূল নেতৃত্ব দুর্নীতি মানতে নারাজ।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির মথুরাপুর (South 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার জেলা সম্পাদক বিপ্লব নায়েক বলেন, “এই যোজনার টাকা সবটাই লুট হয়েছে। অবিলম্বে চোরেদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। বিডিও দুর্নীতির বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে তৃণমূলেরই পক্ষ নিয়েছেন।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    নামখানার (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতা অভিষেক দাস এই আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে বলেছেন, “পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকাকে প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে নিয়ম মেনে কাজের জন্য খরচ করা হয়েছে। কোনও অভিযোগের বাস্তব ভিত্তি নেই। তদন্ত হলে সত্যতা প্রমাণ হবে।”     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের দাদাগিরি! তেরঙ্গা ঝান্ডা লাগিয়ে অসহায় বৃদ্ধার জমি দখল, হুঁশ নেই পুলিশের

    South 24 Parganas: তৃণমূলের দাদাগিরি! তেরঙ্গা ঝান্ডা লাগিয়ে অসহায় বৃদ্ধার জমি দখল, হুঁশ নেই পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতাদের দাদাগিরি জেরেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপে এক বৃদ্ধার তাঁর বাস্তু-সহ ২৬ শতক মূল্যবান জমি হারাতে বসেছে। জমিতে বেড়া দিয়ে ঘিরে তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে দখল নেওয়ার অভিযোগ। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে প়ড়েছে। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে থানার দ্বারস্থ হয়েছেন কমলা প্রধান নামে ওই বৃদ্ধা।

    ঠিক কীভাবে তৃণমূল দখল নিল জমি? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কমলাদেবীর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপের বুধাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজনগর-শ্রীনাথ গ্রামে। দু’বছর আগে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়। বাড়িটিও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর অসুস্থতার জন্য বাড়ি ছেড়ে পাথরপ্রতিমায় বাপেরবাড়ি চলে যান তিনি। অভিযোগ, তাঁর বাস্তু ও লাগোয়া চাষজমির ওপর নজর পড়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের। কারণ,জমিটি স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড ও বাজার লাগোয়া হওয়ায় বাজারদর বেশ চড়া। সবমিলিয়ে জমির পরিমান ২৬ শতক। এই জমির মূল্য অনেক। অভিযোগ,সেই মূল্যবান জমিটি দখল করার জন্য বারে বারে চাপ দিচ্ছিলেন শাসকদল তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা। কিন্তু, ওই বৃদ্ধা সেই জমি দিতে রাজি হননি। অভিযোগ, তাতেই বাড়ি, জমি বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে জোর করে দখল করে নিয়েছে বলে অভিযোগ। অসহায় বৃদ্ধা বলেন, থানায় অভিযোগ করার পর পুলিশ এলাকা থেকে ঘুরে গিয়েছে। কিন্তু জমির বেড়া ও পতাকা কিছুই সরানোর উদ্যোগ নেয়নি তারা।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বুধাখালি অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি বাবলু প্রধান বলেন, এই ঘটনা আমার জানা নেই। এরকম হয়ে থাকলে দল যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। এই ধরনের অন্যায় কাজকে দল সমর্থন করে না। বিজেপির কাকদ্বীপ মণ্ডল ২ ইনচার্জ শিবপ্রসাদ প্রামাণিক বলেন, সন্দেশখালির মতো শেখ শাহজাহান সব জায়গায় রয়েছে। সন্দেশখালিতে যেভাবে জমি হাতানো হয়েছে, এখানেও সেই চেষ্টা করছে তৃণমূল নেতারা। আমরা চাইছি অবিলম্বে এফআইআরে নাম থাকা নেতাদের গ্রেফতার করুক পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: রাতের অন্ধকারে সবুজ সাথী সাইকেল পাচারের চেষ্টা! জেলাজুড়ে শোরগোল

    South 24 Parganas: রাতের অন্ধকারে সবুজ সাথী সাইকেল পাচারের চেষ্টা! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের অন্ধকারে সরকারি সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল তছরুপের অভিযোগ উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বাসন্তীতে। বাসন্তী থানার উত্তর মোকামবেরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পালবাড়ি এলাকায় এক মহিলার বাড়ি থেকে ১৯ টি সবুজ সাথী প্রকল্পের সাইকেল উদ্ধার হয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    পুলিশ ও বাসন্তী ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বাসন্তীর ঢুঁড়ি জনপ্রিয় নগর স্কুল থেকে বাসন্তী ব্লকের বিভিন্ন স্কুলে সবুজ সাথী সাইকেল পাঠানো হচ্ছিল। সেই মোতাবেক বাসন্তীর কুলতলি নারায়ণতলা রামকৃষ্ণ বিদ্যামন্দির স্কুলেও ২৩৯ টি সাইকেল আসার কথা ছিল। রাতে সুব্রত নামে ওই ট্রাক চালককে সেকারণে ঢুঁড়িতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তাঁর গাড়িতেই সাইকেল আসে। কিন্তু স্কুলে ২৩৯ টি সাইকেল নামিয়ে দিয়েও ১৯ টি সাইকেল বেশি হয়। সেই বাড়তি সাইকেল ওই ট্রাক চালক বাসন্তীর পালবাড়ি এলাকার বাসিন্দা শিখা সাউয়ের বাড়িতে রেখে যায়। যদিও এই ঘটনা সম্পর্কে বাড়ির মালিক কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন। মিনি ট্রাক চালক সুব্রত রাউত নামে এক ব্যক্তি শনিবার রাত ১২টা নাগাদ এই সাইকেলগুলো তাঁর বাড়ির একটি ফাঁকা টিনের ঘরে সেগুলি রেখে যায় বলে বাড়ির মালিক শিখা সাউয়ের দাবি। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই রবিবার সকালের মধ্যে ৬ টি সাইকেল নারায়ণতলা রামকৃষ্ণ বিদ্যামন্দির স্কুলে দিয়ে আসে সুব্রত। তবে, ঘটনার কথা জানতে পেরে বাসন্তী থানার পুলিশ বাকি ১৩ টি সাইকেল উদ্ধার করেছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এই সাইকেলগুলি চুরি করে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল অভিযুক্তদের। তাই, সরকারি প্রকল্পের সাইকেল রাতের অন্ধকারে পাচার করে এনে শিখা সাউ নামে স্থানীয় এক মহিলার বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। আসলে সরকারি এই সাইকেল হাতিয়ে বিক্রি করার চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অবিলম্বে এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছে, তাদের সকলকে গ্রেফতার করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তিনি নাকি ভাঙড়ের বেতাজ বাদশা! ৩ ঘণ্টা পুলিশি জেরায় ঘেমে-নেয়ে একশা আরাবুল

    South 24 Parganas: তিনি নাকি ভাঙড়ের বেতাজ বাদশা! ৩ ঘণ্টা পুলিশি জেরায় ঘেমে-নেয়ে একশা আরাবুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভাঙড়ে তিনি নাকি বেতাজ বাদশা। তাঁর কথায় এলাকা কাঁপে। দাপুটে সেই তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের একী হাল। কাশীপুর থানায় ডেকে তাঁকে টানা তিনি ঘণ্টা জেরা করা হয়। পুলিশি জেরায় তিনি কার্যত ঘেমে যান। বার বার তিনি জল চান। দাপুটে নেতার অবস্থা দেখে তাঁর অনুগামীরা হতবাক হয়ে যান।

    থানায় এনে জেরা করল পুলিশ (South 24 Parganas)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর পঞ্চায়েত ভোট উপলক্ষে মনোনয়ন পর্বের শেষ দিন, ১৫ জুন দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভাঙড় বিজয়গঞ্জ বাজার মেলার মাঠে আইএসএফ ও তৃণমূলের বোমা-গুলির সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছিল তিন জনের। এঁদের মধ্যে দু’জন তৃণমূল কর্মী, রশিদ মোল্লা ও রাজু নস্কর। অন্য দিকে মৃত্যু হয় আইএসএফ কর্মী মহিউদ্দিন মোল্লার। মহিউদ্দিনের বাবা কুতুবুদ্দিন মোল্লার অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশের ডিটেক্টিভ ডিপার্টমেন্ট গত বৃহস্পতিবার ভাঙড় ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূলের বেতাজ বাদশা আরাবুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। আপাতত তিনি লালবাজারে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। গ্রেফতারের প্রায় এক সপ্তাহ পর আরাবুলকে কাশীপুর থানায় আনা হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী ছিল। ওসির ঘরে তাঁকে দফায় দফায় তদন্তকারী জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জানা গিয়েছে, সে দিন ভাঙড় বিজয়গঞ্জ বাজারে ঘটনা নিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রশ্ন করেন তদন্তকারী অফিসারেরা। প্রশ্ন বাণে কার্যত ভেঙে পড়েন দাপুটে তৃণমূল নেতা। থানা থেকে লালবাজারে যাওয়ার আগে আরাবুলের অনুগামীরা থানার বাইরে ভিড় জমান। কিন্তু কড়া পুলিশি বেষ্টনীর মধ্যে কেউ ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি।

    পরিবারের লোকজনের সঙ্গে থানায় কথা

    আরাবুল গ্রেফতার হওয়ার পরে তাঁকে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য ভাঙড় বিজয়গঞ্জ বাজারে আনার কথা ছিল। কিন্তু এ দিন থানাতেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লালবাজারে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। থানায় পরিবারের লোকজন এসেছিলেন। বিশেষ করে তাঁর স্ত্রী ছিলেন। পরিবারের বিষয়ে কিছু কথা হয়। তারপর পুলিশি নিরাপত্তায় তাঁকে ফের লালবাজার নিয়ে চলে যায় পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের যুব বনাম মাদারের গোষ্ঠী সংঘর্ষে চলল গুলি, উদ্ধার বন্দুক!

    South 24 Parganas: তৃণমূলের যুব বনাম মাদারের গোষ্ঠী সংঘর্ষে চলল গুলি, উদ্ধার বন্দুক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল গভীর রাত্রে বেলেগাছি এলাকায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এক পক্ষ অপর পক্ষকে হামলা করে গুলি চালানোর অভিযোগ তুলেছে। ইতিমধ্যে গুরুতর জখম এক তৃণমূল কর্মী। আহত ব্যক্তির নাম শহিদুল মোল্লা। এলোপাথাড়ি ধারালো অস্ত্রের আঘাত করা হয় এবং সেই সঙ্গে গুলিও চালানোর চেষ্টা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। গুরুতর আহত ওই তৃণমূল কর্মীকে বারুইপুর (South 24 Parganas) মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি আগ্নেয়াস্ত্র। এলাকায় এই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল।

    আহত তৃণমূল কর্মীর বক্তব্য (South 24 Parganas)

    এলাকায় (South 24 Parganas) গোষ্ঠী সংঘর্ষে গুলির আঘাতে আহত তৃণমূল কর্মী শহিদুল মোল্লা বলেন, “এক রাউন্ড গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। কিন্তু আমাকে টার্গেট করে গুলি করতে আসলে আমি হাত দিয়ে ধরে ফেলি। তাতে আমিও আহত হই। ওরা সকলে যুব তৃণমূলের কর্মী। রেজাউল এবং কুতুব মিস্ত্রি মূলত আক্রমণ করে। আমিও নিজে তৃণমূল করি।” আবার আক্রান্তের দাদা আরও বলেন, “এলাকায় আমার ভাই প্রধানের সঙ্গে ওঠাবসা করেন। মূলত মাদার এবং যুব তৃণমূলের মধ্যে একটি রাস্তা নিয়ে বিবাদ। আগেও আমাদের বাড়িতে আক্রমণ করেছিল বন্দুক নিয়ে। আজ কুতুব মিস্ত্রি যুব তৃণমূলের সভাপতি এলাকার তাঁর নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। গুলি চালিয়েছিল কিন্তু লাগেনি শরীরে। তবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়েছে ঘাড়ে এবং কোমড়ে। আমরা বন্দুকটি উদ্ধার করতে পেরেছি। পুলিশের কাছে জমাও দিয়েছি। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে।”

    যুব বনাম মাদার সংঘর্ষ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যুব তৃণমূল কংগ্রেস নেতা করিমুল্লা মোল্লা ও মাদার তৃণমূল কংগ্রেস সাইফুদ্দিন মোল্লার মধ্যে বিবাদ। সেই জেরে ব্যাপক হামলার অভিযোগ উঠেছে। আহত তৃণমূল কর্মীরা মাদার তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক। পুলিশ এখন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। অপরে যুব তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।  

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপি কর্মীর নামে থাকা বার্ধক্য ভাতা হাতিয়ে নিতেন তৃণমূল নেতা!

    South 24 Parganas: বিজেপি কর্মীর নামে থাকা বার্ধক্য ভাতা হাতিয়ে নিতেন তৃণমূল নেতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্ধক্য ভাতা নিয়ে বড়সড় দুর্নীতি অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তৃণমূল পঞ্চায়েতকে হাত করে একসঙ্গে দুটি বার্ধক্য ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন এক তৃণমূল নেতা। হাতিয়ে ছিলেন অন্যের আবাস যোজনার বাড়িও। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার বাবুরমহল গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপুর গ্রামে। এতদিন এই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল। এবার পঞ্চায়েতে ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। আর তার পরই দুর্নীতি পর্দাফাঁস হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার বাবুরমহল গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপুর গ্রামে স্থানীয় তৃণমূল নেতার নাম বাসুদেব মাইতি। তাঁর দাদা বসুদেব মাইতি বিজেপি কর্মী। তৃণমূল নেতা নিজের নামে বার্ধক্য ভাতার ব্যবস্থা করেন। আর তাঁর দাদা বার্ধক্য ভাতার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু, তাঁর নামে কোনও টাকা এলেও তিনি তা পেতেন না। সরাসরি সেই টাকা তৃণমূল নেতার অ্যাকাউন্টে ঢুকে যেত। বিজেপি কর্মী বসুদেব মাইতি বলেন, বহুবার এই বিষয়ে পঞ্চায়েতে আবেদন করেছি। কিন্তু, কোনও লাভ হয়নি। এমনকী তাঁর আরও অভিযোগ, আমার নামে আসা আবাস যোজনার বাড়িও হাতিয়ে নিয়ে তৃণমূল নেতা ভাই। তবে, এই বিষয়ে তৃণমূল নেতা বাসুদেব মাইতির সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে তিনি কোনও কিছুই বলতে রাজি হননি। বিজেপি বোর্ড ক্ষমতায় এসে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গিয়ে জানতে পারেন, তালিকায় নাম আলাদা হলেও অ্যাকাউন্ট নম্বর তৃণমূল নেতার ছিল। ফলে, বিজেপি কর্মী ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কুলপির বিডিও সৌরভ গুপ্ত বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে কুলপি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা কুলপি ব্লকের শিক্ষার কর্মাধ্যক্ষ সুপ্রিয় হালদার বলেন, এই ধরনের কোনও অভিযোগ এখনও আমাদের কাছে এসে পৌঁছায়নি। তবে, ওই ব্যক্তি ব্লকে এসে যোগাযোগ করলে অবশ্যই তিনি তাঁর টাকা ফেরত পাবেন। বিজেপি নেতা বিকাশ মণ্ডল বলেন, ওই বৃদ্ধ আমাদের দলের কর্মী বলে তাঁর বার্ধক্য ভাতা পরিকল্পিতভাবে বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া অন্য কোনও কিছুই কারণ নয়। আমাদের দাবি, বকেয়া সমস্ত টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ১০০ দিনের তালিকায় স্কুল ছাত্রের নাম, সরকারি কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ

    South 24 Parganas: ১০০ দিনের তালিকায় স্কুল ছাত্রের নাম, সরকারি কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০০ দিনের জব কার্ডের বেনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকার মহিলারা। শনিবার দিন করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁটাবেনিয়া এলাকায় কুলপি ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের প্রতিনিধিরা ১০০ দিনের জব কার্ডের লিস্ট নিয়ে যায়। আর সেখানেই ঘটে বিপত্তি। সরকারি কর্মীদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান।

    এলাকাবাসীর কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার করঞ্জলী পঞ্চায়েত এলাকায় ১০০ দিনের তালিকায় রয়েছে একাধিক বেনিয়ম। যাঁরা কাজ করেছেন তাঁদের অনেকেরই নাম নেই, আবার যাঁরা কাজ করেননি এমন অনেকের নাম রয়েছে তালিকায়। তালিকায় নাম রয়েছে, বরণ হালদার। সে একাদশ শ্রেণির ছাত্র। স্কুলে যায়। কখনও কোদাল হাতে ধরেনি। অথচ তার নাম রয়েছে। আর চন্দনা সরকার, প্রভুরানি শিকারির মতো বাসিন্দার তালিকায় নাম নেই। আর তালিকার বিষয়টি জানতে পেরেই মহিলারা রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের বক্তব্য, যাঁরা কাজ করেছেন অবিলম্বে তাঁদেরকে বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমরা এই তালিকা মানি না।

    দলের প্রাক্তন প্রধানের বিরুদ্ধে সরব পঞ্চায়েত সদস্য

    করঞ্জলী পঞ্চায়েতেরই কাটাবেনিয়া এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যার পাশাপাশি তাঁর  স্বামী বুবুন চক্রবর্তী বলেন, প্রাক্তন প্রধান ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে নিজের স্বার্থে লাগিয়েছে। এমনকী নিজের ব্যক্তিগত কাজ এই ১০০দিনের মাধ্যমে তিনি করিয়েছেন। আবাস যোজনার বাড়ি তৈরির টাকাও আমরা পাইনি। কুড়ি হাজার টাকা করেও তিনি দেননি। পরে,  ঘটনাস্থলে কুলপি থানার পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করলে বিক্ষোভ ওঠে। করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান শান্তনু কয়াল বলেন, এলাকার মানুষ যে অভিযোগ করছেন তা সম্পূর্ণ সঠিক নয়।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী  আম্বিয়া বিবি বলেন, তৃণমূল টাকা লুটের জন্য এই তালিকা তৈরি করেছে। প্রশাসন ওদের হয়ে কাজ করছে। মানুষ আর ওদের মেনে নিচ্ছে না। তাই, ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন। যারা এই তালিকা তৈরি করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: গ্রেফতার হলেন ভাঙড়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল, নিয়ে যাওয়া হল লালবাজার

    Arabul Islam: গ্রেফতার হলেন ভাঙড়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল, নিয়ে যাওয়া হল লালবাজার

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ের বেতাজ বাদশা আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে, সঠিক কী কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, দাপুটে এই নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে একাধিক ঝামেলার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে গ্রেফতার হয়েছিলেন ভাঙড়ের এই দাপুটে নেতা। বোমাবাজি, তোলাবাজি, খুনের চেষ্টার অভিযোগ ছিল। লোকসভা ভোটের আগে আরাবুলের গ্রেফতারি নিয়ে জোর চর্চা শুরু।

    কেন গ্রেফতার আরাবুল? (Arabul Islam)

    সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত ভোটে ঝামেলার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় তাঁকে। একইসঙ্গে আইএসএফ কর্মী খুনের ঘটনাতেও আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) গ্রেফতার বলে পুলিশ সূত্রে খবর। দু’টি ঘটনাতেই আরাবুলের নামে অভিযোগ দায়ের হয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়ার সময় ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারে যে ঝামেলা হয়েছিল তাতেই এই গ্রেফতারি বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি বৈদিক ভিলেজে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বামনঘাটায় রেজ্জাক মোল্লাকে মাথা ফাটানোর অভিযোগ রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষে খুন হয়। তাতেও নাম জড়ায় তাঁর। গত বছর ১৫ জুন বিজয়গঞ্জ বাজারে গন্ডগোলের ঘটনায় খুন, অস্ত্র আইন, খুনের চেষ্টা, সরকারি কর্মচারীদের কাজে বাধা-সহ একাধিক ধারায় মামলা হয়। সেই সূত্রে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর কাশীপুর থানায় তাঁকে ডাকা হয়। আরাবুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে আসেন উত্তর কাশীপুর থানায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভাঙড় ডিভিশনের ডিসি সৈকত ঘোষ। মূলত, ১৫ জুন সেই পুরানো মামলায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় আরাবুলকে। গ্রেফতারের পর লালবাজারে আনা হয় তাঁকে। পঞ্চায়েত ভোটে অশান্তির মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে খবর। শুক্রবার তাঁকে বারুইপুর আদালতে পেশ করা হবে।

    নিছক লোক দেখানো গ্রেফতারি, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    আরাবুল (Arabul Islam) প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই বিষয়টিকে খুব বেশি গুরুত্ব দেননি। বরং, তিনি বলেন, “এই গ্রেফতারিকে নিছক লোক দেখানো। পুলিশ গ্রেফতার করেছে। একটু বিরিয়ানি দেবে, ভাল কম্বল দেবে। ও ওখানে ভালভাবেই থাকবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share