Tag: South 24 Parganas

South 24 Parganas

  • South 24 Parganas: নরেন্দ্রপুর স্কুলে ‘গুন্ডাগিরি’, গ্রেফতার দুই তৃণমূল কর্মী

    South 24 Parganas: নরেন্দ্রপুর স্কুলে ‘গুন্ডাগিরি’, গ্রেফতার দুই তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) নরেন্দ্রপুরের বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দির স্কুলে ব্যাপক উত্তেজনা। অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে স্কুলের শিক্ষক তারক দাসের বিরুদ্ধে। তার জেরেই স্কুলে ঢুকে গুন্ডাগিরি করার অভিযোগ উঠেছিল বহিরাগতদের বিরুদ্ধে। পরে, শিক্ষামন্ত্রী পুলিশ প্রশাসনকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পরই ন়ড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। অবশেষে গ্রেফতার করা হয় দুজন তৃণমূল কর্মীকে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম মহেশ্বর নাড়ু ও সোনু মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, তৃণমূল কর্মীরা নিজের হাতে আইন তুলে নিয়েছে। স্কুলের ভিতরে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করেছে তৃণমূল। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) নরেন্দ্রপুরের বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দিরে তৃণমূল কর্মীরা ঢুকে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেধড়ক মারধর করে। ৫০-৬০ জন বহিরাগত হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, স্টাফ রুমে ঢুকে শিক্ষকদের ওপর হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি স্কুলের ভিতরে ভাঙচুর করা হয়। কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মোবাইল ফোন ভেঙে দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের মদতে এই মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ তোলেন। আক্রান্ত এক শিক্ষার বক্তব্য, প্রধানশিক্ষকের দুর্নীতির তথ্য আমরা সামনে এনেছি। পালটা চাপ সৃষ্টি করতে এই ধরণের ঘটনা ঘটিয়েছেন। ধর্ষণের বিষয় এখানে অন্য প্রসঙ্গ। স্কুলের ভিতরে তৃণমূলীদের তান্ডবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। পরে, ঘটনাস্থলে নরেন্দ্রপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে, থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। শিক্ষকদের প্রশ্ন, ধর্ষণের অভিযোগ এনে এভাবে স্কুলে তাণ্ডব চালিয়ে তৃণমূলের লোকজন সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইল। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় তৃণমূল এই হামলা চালিয়েছে। আমরা হামলাকারী সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, স্কুলে চলল ব্যাপক মারধর, ভাঙচুর

    South 24 Parganas: অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, স্কুলে চলল ব্যাপক মারধর, ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দির স্কুলে ব্যাপক উত্তেজনা। অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ স্কুলের শিক্ষক তারক দাসের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র স্কুল চত্বরে বিরাট গোলমাল বাধে। প্রায় ৫০-৬০ জন বহিরাগত লোক ঢুকে একাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকাকে মারধরের ঘটনা ঘটায়। ঘটনাস্থলে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ পৌঁছে উত্তেজনার পরিস্থিতিকে সামাল দেয়।

    স্কুলের আক্রান্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার বক্তব্য(South 24 Parganas)?

    নরেন্দ্রপুরের (South 24 Parganas) বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দিরে শিক্ষক শিকিকাদের বক্তব্য হল, স্কুলে বহিরাগতরা ঢুকে বেধড়ক মারধর করে। পাশাপাশি স্কুলের ভিতরে ভাঙচুর করা হয়। কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মোবাইল ফোন ভেঙে দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের মদতে এই মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ তোলেন। আক্রান্ত এক শিক্ষার বক্তব্য, প্রধানশিক্ষকের দুর্নীতির তথ্য আমরা সামনে এনেছি। উনি পালটা চাপ সৃষ্টি করতে এই ধরণের ঘটনা ঘটিয়েছেন। ধর্ষণের বিষয় এখানে অন্য প্রসঙ্গ। কান্না করে আরও এক শিক্ষিকা জানান, আমাদের শারীরিক ভাবে হেনস্থা করা হয়েছে।

    স্কুলে ঢুকতেই দেখা যায়, স্কুলের স্টাফ রুমে শিক্ষিকারা ভীত মুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মেঝেতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে কাগজপত্র। শিক্ষিকা অভিযোগের সুরে জানিয়ে বলেন মোবাইল ছিনিয়ে নিয়েছে।’ যদিও প্রধান শিক্ষক ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন। ঘটনা স্থলে নরেন্দ্রপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। কার্যত স্কুলের ভিতরেই আটকে পড়ে রয়েছেন আক্রান্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

    প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য

    স্কুলের (South 24 Parganas) প্রধান শিক্ষক সৈয়দ ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “বিদ্যালয়ে এক ছাত্রীর উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। যে শিক্ষক অভিযুক্ত তিনি স্কুল আসছেননা। স্কুল পরিচালন কমিটির সঙ্গে মিটিং করে তাঁকে আমরা চিঠি দেব।” এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, “শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপর হামলার ঘটনা একটা জনরোষের প্রকাশ মাত্র। পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে যা করণীয় তাই করবো।” পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য

    নরেন্দ্রপুর (South 24 Parganas) স্কুলের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘‘১০০ শতাংশ কড়া পদক্ষেপ করা হবে। আমি আগে বিষয়টা জানতাম না। কোনও আক্রমণকারীদের ছাড়া হবে না। এখনই রিপোর্ট তলব করব। যা পদক্ষেপ করার করব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: কেন্দ্রের দেওয়া গোয়ালঘরের লক্ষ লক্ষ টাকা খেল তৃণমূল! জেলাজুড়ে শোরগোল

    South 24 Parganas: কেন্দ্রের দেওয়া গোয়ালঘরের লক্ষ লক্ষ টাকা খেল তৃণমূল! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু থাকার বাসস্থান গোয়ালঘর তৈরির জন্য কেন্দ্রীয় সরকার অর্থ বরাদ্দ করেছিল। সেই টাকাতেও থাবা বসিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত সমবায় সমিতি। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা (South 24 Paraganas) জেলার মথুরাপুর ২নম্বর  ব্লকের ২৩ নম্বর লাট কৃষি সমবায় উন্নয়ন সমিতির বিরুদ্ধে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Paraganas)

    গোয়াল ঘর তৈরির জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ করা হয়েছিল। এরমধ্যে উপভোক্তাদের ১ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Paraganas) তৃণমূল পরিচালিত সমবায়ের মাধ্যমে উপভোক্তাদের সেই কাজ করে দেওয়ার কথা ছিল। প্রায় ৩০০ জন উপভোক্তার তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। তাঁরা সকলেই ১ হাজার জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু, বাস্তবে ১০টি গোয়াল ঘর তৈরি হয়েছিল। সেটাও আবার ৬০ হাজার করে খরচ হয়েছিল। বাকি লক্ষ লক্ষ টাকার কোনও হিসাব নেই। আর গোয়াল ঘর তৈরি না হওয়ায় উপভোক্তারা সরব হয়েছে। তৃণমূল বোর্ডের দিতে আঙুল তুলেছেন। জানা গিয়েছে, সমবায়ের তৎকালীন সম্পাদক ছিলেন উৎপল তাঁতি। তাঁর হাত ধরেই লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হয়েছিল। সমবায়ের এই দুর্নীতির টাকায় নিজে বিশাল বাড়িও করেছেন বলে অভিযোগ। সমবায়ের পুরানো বোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন বোর্ড হয়েছে। নতুন বোর্ড দুর্নীতির দায় নিতে চাইছে না। সমবায়ের প্রাক্তন ম্যানেজার রবীন্দ্রনাথ হালদার বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিলেও সেই টাকার কোনও হিসাব নেই। লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে সমবায়ের সম্পাদক। এর তদন্ত হওয়ার দরকার।

    সমবায়ের অভিযুক্ত প্রাক্তন সম্পাদক কী সাফাই দিলেন?

    অভিযুক্ত সমবায়ের প্রাক্তন সম্পাদক তথা তৃণমূল নেতা উৎপল তাঁতি বলেন, উপভোক্তার কাছে থেকে হাজার টাকা করে নিয়েছিলাম। ঠিকাদাররা গোয়াল ঘর তৈরি করা শুরু করেছিল। কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকার টাকা না দেওয়ায় সব ঘর করা যায়নি। কোনও দুর্নীতি হয়নি।

    দুর্নীতি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল বিধায়ক অলোক জলদাতা বলেন, সমবায়ের উপভোক্তাদের টাকা আত্মসাৎ করার কোনও ঘটনা ঘটেনি। তবে, যদি দুর্নীতি হয়ে থাকে তা সঠিক তদন্ত হবে। তবে এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির কনভেনার অরুনাভ দাস বলেন, যেখানে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী,খাদ্যমন্ত্রী জেল খাটছেন, তাঁদের দলের নিচুতলার নেতারা এই ধরনের ঘটনা ঘটাবেন, এটাই তো স্বাভাবিক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saokat Molla: “জিনা হারাম করে দেব”, ভাঙড়ে তৃণমূল বিধায়কের মুখে এ কেমন কথা!

    Saokat Molla: “জিনা হারাম করে দেব”, ভাঙড়ে তৃণমূল বিধায়কের মুখে এ কেমন কথা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার (Saokat Molla) ফের বেফাঁস মন্তব্য “জিনা হারাম করে দেব”। একজন জনপ্রতিনিধি, তাও আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার তৃণমূল কংগ্রসের বিধায়ক! এমন মন্তব্য কীভাবে করতে পারেন? ভাঙড়ে এক প্রকাশ্য সভায় দলীয় পতাকা লাগানোকে ঘিরে গোলমাল হলে বিরোধী দলের কর্মীদের উদ্দেশ্য করে এই মন্তব্য করেন তিনি। যেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশে গণতন্ত্র নেই বলে রোজ সংবাদ মাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেন, আর সেখানে তাঁর দলেরই এক বিধায়ক বিরোধী দলের কর্মীদের এই রকম হুমকি দিচ্ছেন! এই ঘটনা ভাঙড় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। এলাকার মানুষের বক্তব্য, রাজনৈতিক হিংসা ছড়াতে উস্কানি দিচ্ছেন তৃণমূলের এই বিধায়ক।

    কেন করেছেন এমন মন্তব্য(Saokat Molla)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিং পূর্ব বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla) প্রতিবাদ সভার নামে এই মন্তব্য করেন। ভাঙড়ের বোদারা অঞ্চলের খড়গাছিতে একটি প্রকাশ্য সভায় এই রকম হুমকি দিয়ে বক্তব্য রাখেন। আরও জানা গিয়েছে, তৃণমূল এবং বিরোধীদের মধ্যে দলের পতাকা লাগানো ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এবং সেই সঙ্গে শাসক-বিরোধী দলের বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছিলেন। এরপর বিরোধীদের উদ্দেশ্যে এমন মন্তব্য করেন। 

    ঠিক কী বলেছেন?

    এই প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শওকত (Saokat Molla) বলেন, “প্রশাসন যদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করে তাহলে এই এলাকার মানুষ তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করবে। বোদরা এলাকায় তাদের জিনা হারাম করে দেব। এই কথা আমি দায়িত্ব নিয়ে বলে যাচ্ছি।” এই বক্তব্যে এলাকায় শাসক দলের আগ্রাসী মনোভাবের পরিচয় যে ফুটে উঠেছে সে কথা রাজ্যের বিরোধী দলের কর্মীরা মনে করছেন। উল্লেখ্য মাত্র কয়েকদিন আগে মালাদা জেলার তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুল রহিম বক্সি বলেন, “বিরধিতা করলে সমাজ থেকে বহিষ্কার করে গ্রামছাড়া করা হবে।” আর এই মন্তব্যে রাজনীতির আঙিনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    বিরোধীদের বক্তব্য

    ঘটনায় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে স্থানীয় বিজেপি নেতা বলেন, “মানুষ আর তৃণমূলের সঙ্গে নেই। পুলিশ এবং প্রশাসনকে ব্যবহার করে একযোগে অত্যাচার করা হচ্ছে।” ঘটনায় আইএসএফের এক তৃণমূল নেতা বলেন, “রক্তারক্তি না হলে ভাঙড়ের মাটিতে তৃণমূল থাকতে পারবে না। তাই আগে থেকে ভয় পেয়ে শওকত মোল্লারা (Saokat Molla) এই সব কথা বলেছেন। শান্তিপূর্ণ ভোট হলে ভাঙড়ে তৃণমূল একটাও ভোট পাবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের জমানায় চালু হওয়া স্কুলে ১০ বছরেই বন্ধ হল ঝাঁপ! কেন জানেন?

    South 24 Parganas: তৃণমূলের জমানায় চালু হওয়া স্কুলে ১০ বছরেই বন্ধ হল ঝাঁপ! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর ঘটা করে স্কুলের উদ্বোধন করা হয়েছিল। কিন্তু, স্কুলে কোনও স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ করেনি রাজ্য সরকার। আর তার জেরেই এবার আর কোনও পড়ুয়া স্কুলে ভর্তি হল না। অবশেষে লালবাতি জ্বলল দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার (South 24 Parganas) পাথরপ্রতিমা ব্লকের দক্ষিণ শিবগঞ্জ জুনিয়র হাই স্কুলে।

    এবছর স্কুলে কোনও পড়ুয়া ভর্তি হয়নি (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার (South 24 Parganas) দক্ষিণ শিবগঞ্জ জুনিয়র হাইস্কুলটি ২০১৩ সালে চালু করা হয়েছিল। অবসরপ্রাপ্ত দুজন শিক্ষককে অতিথি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করে স্কুলটি চালু করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে এলাকার চারজন শিক্ষিত যুবককে আংশিক সময়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়। তখন ছাত্র সংখ্যা ছিল ৪৮ জন। পরবর্তীকালে অতিথি শিক্ষক দুজন অবসর নেন। আর একজন যুবককে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে স্কুল চালানো শুরু হয়। কিন্তু, স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় মিড ডে মিল থেকে আরম্ভ করে সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে থাকে ছাত্র-ছাত্রীরা। ২০২৩ সালে পড়ুয়ার সংখ্যা দাঁড়ায় মাত্র ১৭ জন। আর ২০২৪-এ এসে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা শূন্য। কারণ, এবার পরিকাঠামোহীন এই স্কুলে কেউ আর ভর্তি হননি। ফলে, স্কুলটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেল।

    অভিভাবকদের কী বক্তব্য?

    অভিভাবকদের বক্তব্য, এলাকায় কোনও স্কুল ছিল না। তাই, স্কুলটির প্রয়োজন ছিল। এলাকার মানুষের দাবি মেনে স্কুল শুরু করার পর আমাদের আশা ছিল, স্কুলের উন্নয়নের বিষয়ে উদ্যোগী হবে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, কিছুই ব্যবস্থা নেয়নি। কোনও স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় এই অবস্থা। আর তার জন্য দায়ী সরকার। অতিসত্বর  শিক্ষক নিয়োগ করে  স্কুল চালু করার দরকার। বিরোধীদের বক্তব্য, দশ বছর ধরে রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নেই। শিক্ষকের অভাবেই ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ওই স্কুলে কোনও ছাত্রই ভর্তি হল না। আর সেটাই হল কাল, পাকাপাকিভাবে বন্ধ হয়ে গেল স্কুল। এটা তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতা। একটি স্কুলকে ঘটা করে চালু করে টিকিয়ে রাখতে পারল না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gangasagar: কোটালের জল ঢুকল গঙ্গাসাগর মেলায়, প্লাবিত একাধিক দোকান-ক্যাম্প

    Gangasagar: কোটালের জল ঢুকল গঙ্গাসাগর মেলায়, প্লাবিত একাধিক দোকান-ক্যাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গাসাগরে (Gangasagar) পুণ্যস্নানের আগে বড়সড় বিপত্তি! অমাবস্যার কোটালে সমুদ্রের জলে প্লাবিত হল বেশ কয়েকটি দোকান সহ অস্থায়ী ক্যাম্প। চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। কারণ, মেলা চত্বরে সাগরের জল যাতে ঢুকতে না পারে, তার জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোটি কোটি খরচ করে বাঁধ দেওয়া হয়েছিল। সেই বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। জলে চলে যায় কোটি কোটি টাকা।

    কত দোকান প্লাবিত হল? (Gangasagar)  

    মূলত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অমাবস্যার কোটালের কারণে সাগরের জলে গঙ্গাসাগরে (Gangasagar) প্লাবিত হয়ে যায় ৫ নম্বর ঘাট সংলগ্ন দোকান ও অস্থায়ী স্বেচ্ছাসেবী ক্যাম্প। সব মিলিয়ে ২০টি দোকানে জল ঢুকে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাঁচটি স্বেচ্ছাসেবী ক্যাম্প। তৎক্ষণাৎ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরিয়ে আনা হয় সেখানকার মানুষজনকে। তবে, পুণ্যস্নানের আগে দোকানে জল ঢুকে যাওয়ায় চিন্তিত ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, সমুদ্র এগিয়ে আসছে শুনেছিলাম। তবে, এভাবে দোকানে জল ঢুকে যাবে তা ভাবতে পারিনি।  

    গতবারের তুলনায় সাগর ২০০ মিটার এগিয়ে এসেছে

    বিপজ্জনক অবস্থায় গঙ্গাসাগরের কপিল মুনির আশ্রম (Gangasagar)। সাগর ক্রমশ এগিয়ে আসায় এই বিপদের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গতবারের মেলায় সাগরের যা দূরত্ব ছিল, এবার এই দূরত্ব ২০০ মিটার এগিয়ে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সাগরের আগ্রাসন ঠেকাতে পাঁচ ফুটের শালবল্লা, জিও ব্যাগ, ইট-বালি দিয়ে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে সাগরপাড়ে বাঁধ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। বাঁধের কাজ করা স্থানীয় ঠিকাদার কর্মী মানিক খাঁড়া বলেন, যেভাবে সমুদ্র এগিয়ে আসছে, তাতে আগামী দিনে বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে আরও একটি মন্দির (Gangasagar) সমুদ্রগর্ভে চলে গিয়েছে। এবার কি এটাও যাবে? বৃহস্পতিবারের ঘটনা সেই আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    সব টাকা তৃণমূল নেতাদের পকেটে গিয়েছে, কটাক্ষ বিজেপি-র

    এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। বিজেপি-র মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার কনভেনার অরুণাভ দাস বলেন, গঙ্গাসাগর মেলার জন্য যা খরচ করা হয়েছে, তা বিন্দুমাত্র কাজে লাগেনি। কাজও ঠিকমতো হয়নি। সমস্তটাই তৃণমূল নেতাদের পকেটে গিয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছে মানুষ। না হলে বড়সড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটে যেত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gangasagar: কপিল মুনির আশ্রমের দিকে এগিয়ে আসছে সাগর, বিপদের হাতছানি?

    Gangasagar: কপিল মুনির আশ্রমের দিকে এগিয়ে আসছে সাগর, বিপদের হাতছানি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপজ্জনক অবস্থায় গঙ্গাসাগরের কপিল মুনির আশ্রম (Gangasagar)। সাগর ক্রমশ এগিয়ে আসায় এই বিপদের সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। গতবারের মেলায় সাগরের যা দূরত্ব ছিল, এবার এই দূরত্ব ২০০ মিটার এগিয়ে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সাগরের আগ্রাসন ঠেকাতে পাঁচ ফুটের শালবললি, জিও ব্যাগ, ইট-বালি দিয়ে বাঁধ দেওয়া হিয়েছে। রবিবার রাজ্যের সেঁচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক এবং তৃণমূলের পঞ্চায়েত মন্ত্রী পুলক রায় এসেছিলেন গঙ্গাসাগরে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে মেলার উদ্বোধন করেছেন গতকাল সোমবার। গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে সাগর পাড়ে বাঁধ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। তৎপর হয়েছে উপকূলরক্ষীও।

    স্থানীয় ঠিকাদার কর্মীর বক্তব্য (Gangasagar)

    বাঁধের কাজ করা স্থানীয় ঠিকাদার কর্মী মানিক খাঁড়া বলেন, “ডিসেম্বরের ১৭ তারিখ থেকে এখানে কাজ করছি। যেভাবে সমুদ্র এগিয়ে আসছে তাতে আগামী দিনে বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে আরও একটি মন্দির (Gangasagar) সমুদ্র গর্ভ চলে গিয়েছে। এবার কি এটাও যাবে?” আবার কপিল মুনির আশ্রমের সামনে ২ নম্বর গেটে ফুচকা বিক্রি করেন সুকেশ মণ্ডল বলেন, “আমরা ছোট বেলা থেকে দেখেছি আশ্রম থেকে এক ঘণ্টা পায়ে হেঁটে সমুদ্রের জল পায়ে ঠেকাতে হত। এখন মাত্র ২ মিনিট হেঁটে গেলেই সমুদ্রের জল। উত্তরের হাওয়ার দাপট, বর্ষার সময় পূবালী হাওয়ায় এখন সমুদ্রের ঢেউ প্রবল করে হিয়েছে। সাগরের আগ্রাসনে আমরা অনেক আতঙ্কে রয়েছি।”

    ৩০ কিমি বাই ১১ কিমি আয়তন সাগর তট

    গঙ্গাসাগরের কপিল মুনির (Gangasagar) আশ্রমের সমুদ্র সৈকতের বিস্তৃতি হল ৩০ কিমি বাই ১১ কিমি। এলাকার হারাধনপুরের এক স্থানীয় ঝরু জানা বলেন, “আমার বয়স এখন ৫৫। ছোটবেলা থেকে দেখছি সাগর ক্রমশ এগিয়ে এগিয়ে আসছে। গত ২ বছরে প্রায় ২০০ মিটার এগিয়ে এসেছে জলের স্তর। ফলে দিন যত এগিয়ে যাচ্ছে সমুদ্রের ঢেউয়ের দাপট আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।”

    তৎপর উপকূলরক্ষী বাহিনী

    মন্দিরকে (Gangasagar) ঘিরে সমুদ্রের আগ্রাসনের রীতিমতো তৎপর রয়েছে উপকূলরক্ষী বাহিনী। বাহিনীর পক্ষ থেকে জেমিনি ক্রাফট দিয়ে টহল দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে এলাকায় ৬ জন করে ডুবুরি নজর রেখে চলেছেন। একই ভাবে মোতায়েন করা হয়েছে হোভারক্রাফট। চলছে আকাশ পথ থেকে বিশেষ নজরদারি। ২ নম্বর ঘাটের কাছে বিপজ্জনক বলে সতর্ক বার্তা লেখা হয়েছে। আগত পুণ্যার্থীরা বলেছেন সাগরের এই ভয়ঙ্কর দৃশ্য আগে দেখা যায়নি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: সহায়ক মূল্যে চাষিদের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের থেকে ধান কেনা হচ্ছে! চাঞ্চল্য

    South 24 Parganas: সহায়ক মূল্যে চাষিদের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের থেকে ধান কেনা হচ্ছে! চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের উদ্যোগে রাজ্যজুড়ে চাষিদের থেকে সহায়ক মূল্যে ধান কেনা চলছে। এনিয়ে ঘটা করে সরকারের পক্ষ থেকে প্রচারও চালানো হচ্ছে। কিষাণ মান্ডিতে কাউন্টার খুলে চাষিদের থেকে সরাসরি ধান কেনা হয়। রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) জেলায় চাষিদের থেকে ধান কেনা শুরু হয়েছে। এই জেলার পাথরপ্রতিমা ব্লকের গঞ্জের বাজার কিষাণ মান্ডিতে চাষিরা ধান বিক্রি করতে চরম তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হচ্ছেন। চাষিদের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের থেকে ধান কেনা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার পাথরপ্রতিমা ব্লকের গঞ্জের বাজার কিষাণ মান্ডিতে সরকারি উদ্যোগে সহায়ক মূল্যে চাষিদের থেকে ধান কেনা চলছে। সেই মতো এই ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম থেকে চাষিরা ধান নিয়ে এসে সেখানে হাজির হয়েছেন। চাষিদের সকাল থেকে বসিয়ে রেখে ব্যবসায়ীদের ধান আগে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি বস্তায় অতিরিক্ত মাপের ধান আনলে চাষিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাষিদের থেকে ধান নেওয়ার কথা বলা হলেও ফড়ে, ব্যবসায়ীদের থেকে বেশি করে ধান কেনা হচ্ছে।

    চাষিরা কী বললেন?

    বাবলু জানা, তপন বারিক, সুমিত মণ্ডল নামে চাষিদের বক্তব্য, সকাল থেকে আমরা ধান বিক্রয় কেন্দ্রে বসে রয়েছি। ব্যবসায়ীদের থেকে ধান কেনা হচ্ছে। আমাদের মতো চাষিরা কেউ ধান বিক্রি করতে পারছে না। আগে অতিরিক্ত ধান নেওয়া হত। রাজ্য জুড়ে চাষিরা আন্দোলন করার পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এখন তা বন্ধ হয়েছে। তবে, ধান কেনা নিয়ে দুর্নীতি বন্ধ হয়নি। অনেকে ধান বিক্রি করতে না পেরে ফের বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

    কর্তৃপক্ষ কী সাফাই দিলেন?

    ধান বিক্রয় কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক প্রকাশ মণ্ডল বলেন, ৫০ কেজির বেশি হলে শ্রমিকরা অনেক সময় টাকা দাবি করছেন। অভিযোগ আসলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চাষিদের সঙ্গে কিছু ব্যবসায়ী হয়তো আসছেন। তবে, চাষিদের আমরা বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি। ধান কেনার ক্ষেত্রে কোনও দুর্নীতি করা হচ্ছে না।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ‘সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র’ সরকারি অবহেলায় আজ ভুতুড়ে বাড়ি! কোয়ার্টার তৃণমূলের দখলে

    South 24 Parganas: ‘সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র’ সরকারি অবহেলায় আজ ভুতুড়ে বাড়ি! কোয়ার্টার তৃণমূলের দখলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মগরাহাট প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় ১০ শয্যার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উদ্বোধনী ফলক পড়ে রয়েছে মাঠে। ভাঙা জানালা, ভেতরে নেই কোনও সরঞ্জাম, দেওয়াল জুড়ে আগাছা, স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিণত হয়েছে ভুতুড়ে বাড়িতে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সরকারি কোয়ার্টারগুলি পরিণত হয়েছে গোয়ালঘর ও মুরগির খামারে। এমনই বেহাল অবস্থা দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার মোহনপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের। চিকিৎসা পরিষেবা না পেয়ে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা।

    দীর্ঘদিন বেহাল স্বাস্থ্য কেন্দ্র (South 24 Parganas)

    জানা যায়, প্রায় পাঁচ বিঘা জমির উপর অবস্থিত মোহনপুর (South 24 Parganas) প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এলাকার মানুষকে প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য ২০১১ সালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি তৈরি হয়। এলাকার বাসিন্দা ভীম হালদার বলেন, “নামেই উদ্বোধন হয়েছিল স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির। কিন্তু কখনও পরিষেবা চালু হয়নি। মোহনপুর এলাকাসহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের বাসিন্দাদের প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য কোনও হাসপাতাল নেই। ইমারজেন্সি রোগীদের নিয়ে যেতে হয় ২০ কিলোমিটার দূরের হাসপাতালে। এনিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে বেশি শয্যাবিশিষ্ট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু করার জন্য প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দরবার করা হলেও দীর্ঘদিন বেহাল অবস্থায় রয়েছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি।

    ফার্মাসিস্ট দিয়ে চলে চিকিৎসা

    বর্তমানে শুধুমাত্র আউটডোর পরিষেবা পাওয়া যায় মোহনপুর (South 24 Parganas) সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে। তাও সপ্তাহে মাত্র দুদিন চিকিৎসক আসেন, আর বাকি দিনগুলো ফার্মাসিস্ট দিয়ে চলে চিকিৎসা পরিষেবা। তাতেও অনিয়মিত পরিষেবা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন এলাকার বাসিন্দারা। এবিষয়ে মোহনপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট দেবাশীষ রাউত বলেন, “মগরাহাট দু নম্বর ব্লকে চিকিৎসকের অভাব রয়েছে, তাই সপ্তাহে দুদিন চিকিৎসক আসেন। এমনকী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেহাল অবস্থার কথাও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু আজও একই অবস্থাতে রয়েছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    স্বাস্থ্যকেন্দ্রের (South 24 Parganas) বেহাল অবস্থা নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রচ্ছন্ন ভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিকে শেষ করে দেওয়া হচ্ছে। অবিলম্বে সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা পরিষেবা চালু করতে হবে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কোয়ার্টারগুলি তৃণমূলের লোকজন দখল করে রয়েছে।

    জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বক্তব্য

    ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্য জেলার (South 24 Parganas) মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার জয়ন্ত সুকুল বলেন, “মোহনপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রতে খুব শীঘ্রই পরিষেবা চালু করা হবে। তবে মগরাহাট দু’নম্বর ব্লকে চিকিৎসকের ঘাটতি থাকায় সপ্তাহে দুদিন আউটডোর পরিষেবাতে চিকিৎসক যান।” অবশ্য স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান জুলফিকার আলি মণ্ডল জানান, “এলাকার বেশ কিছু মানুষ সরকারি কোয়ার্টার দখল করে রয়েছে, আমরা চেষ্টা করছি সবকিছু ঠিক করার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: রাম মন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণপত্র পেয়ে উচ্ছ্বসিত গঙ্গাসাগরের সাধু-সন্ন্যাসীরা

    South 24 Parganas: রাম মন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণপত্র পেয়ে উচ্ছ্বসিত গঙ্গাসাগরের সাধু-সন্ন্যাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরাণ অনুযায়ী সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর, কলি-এই চার যুগের মধ্যে দ্বাপর যুগের শ্রেষ্ঠ পীঠস্থান কুরুক্ষেত্র। একই ভাবে কলি যুগের শ্রেষ্ঠ পীঠস্থান হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) গঙ্গাসাগর। এই গঙ্গাসাগরেই গঙ্গা এবং বঙ্গোপসাগরের মিলন সঙ্গমস্থল পুণ্য তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিনের পরই মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নান করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সন্ন্যাসীরা এসে ভিড় জমাবেন। লক্ষ লক্ষ ভক্তদের সমাগম হবে এই তীর্থধামে। এবার অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের নিমন্ত্রণপত্র পেয়ে সাধু সন্ন্যাসীদের মধ্যে তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    কী বলেন গঙ্গাসাগরের সন্ন্যাসীরা (South 24 Parganas)?

    রাম মন্দিরের নিমন্ত্রণ পেয়ে গঙ্গাসাগরের (South 24 Parganas) সন্ন্যাসী কৃষ্ণানন্দ গিরি বলেন, “রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে, এটা আমাদের কাছে খুশির খবর। হিন্দু সমাজের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই মন্দির দীর্ঘ দিনের আন্দোলনের ফসল। অনেক সাধু, সন্ন্যাসী আগেও মন্দিরের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন। একটা সময় ‘কর সেবকরা’ মন্দির নির্মাণের জন্য ইট নিয়ে গিয়েছিলেন। শিলাপুজো করে অনেক আগেই মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনা করা হয়েছিল। সময় বদলে যাবে, মানুষ বদলে গেলেও অযোধ্যা শ্রীরামের অযোধ্যা হিসাবেই থাকবে। ঈশ্বরের বিগ্রহ নির্মাণের খবরে আমরা অনেক খুশি। প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন, এটা খুব আনন্দের কথা। তবে সামনেই মেলা, ফলে মেলার ব্যস্ততা রয়েছে। আমাদের নিমন্ত্রণপত্র এবং প্রসাদী চাল দিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।”

    আগামী ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন রাম মন্দিরের

    ২২ শে জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে গঙ্গাসাগর মেলায় আসা সাধু-সন্ন্যাসীদের হাতে এসে পৌঁছাল মন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণপত্র। আমন্ত্রণপত্র পেয়ে খুশি গঙ্গাসাগর মেলায় আসা সাধু-সন্ন্যাসীরা। গঙ্গাসাগরকে নিয়ে যেমন রয়েছে হিন্দুদের একাধিক পৌরাণিক কাহিনী, ঠিক তেমনি অন্যতম পীঠস্থান অযোধ্যার শ্রীরামকে ঘিরে রয়েছে ঐতিহাসিক নানান কাহিনী। হিন্দু ধর্ম চেতনায় একে অপরের সাথে যেন অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। সমানেই গঙ্গাসাগর (South 24 Parganas) মেলা। কিন্তু তাঁরা সেই অযোধ্যায় গিয়ে পৌঁছাতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে অনেকটাই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে এমন আমন্ত্রণপত্র তাঁদের  কাছে অনেকটাই গর্বের বলে জানাচ্ছেন সাধু-সন্ন্যাসীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share