Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Amit Shah: বুধে রাজ্যে অমিত শাহ, তার আগে দিল্লিতে বৈঠক শুভেন্দুর সঙ্গে, কী নিয়ে হল কথা?

    Amit Shah: বুধে রাজ্যে অমিত শাহ, তার আগে দিল্লিতে বৈঠক শুভেন্দুর সঙ্গে, কী নিয়ে হল কথা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার অমিত শাহের (Amit Shah) সফরের আগেই দিল্লিতে শাহের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বাড়িতে আধ ঘণ্টা বৈঠক করেছেন। সূত্রে জানা গিয়েছে, দুজনের মধ্যে কথা হয়েছে রাজ্যের বিধানসভা ভোটের প্রধান প্রধান ইস্যু নিয়ে। মমতা সরকারকে অপসৃত করে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে সর্ব শক্তি নিয়োগ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ২ ঘণ্টা থাকার কথা রয়েছে (Amit Shah)

    ভোটের মুখে রাজ্যে ফের আসবেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মায়াপুরের ইসকনে যাবেন তিনি। বুধবার কলকাতা থেকে কপ্টারে মায়াপুর যাবেন। তবে এই সফরে কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকবে না বলে জানা গিয়েছে। দুপুর দেড়টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামবেন। এরপর কলকাতা বিমানবন্দর থেকে মায়াপুরে যাবেন। সেখানে ২ ঘণ্টা থাকার কথা রয়েছে। বিকেলে মায়াপুর থেকে কলকাতায় ফিরবেন। তবে দলীয় কোনও কর্মসূচি না থাকলেও ভোটের আবহে রাজনীতির আঙ্গিনায় শোরগোল পড়েছে।

    নতুন বছরের শুরুতে এক মাসে দুই বার পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন। বঙ্গ রাজনীতিতে বিজেপি যে ভোটের দৌড়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পিছিয়ে থাকতে চাইছে না তাও এখানে স্পষ্ট। প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah) বাংলার বিজেপি নেতৃত্বকে ২০০ সিটের টার্গেট দিয়ে দিয়েছেন। ২০২১ সালে বিজেপি দুই তৃতীয়াংশ আসনের কথা বলে ছিলেন। এইবার কলকাতা এবং কলকাতার আশেপাশের ২৮টি সিটের মধ্যে ২০টিতে জয়ের টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন।

    আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বাড়বে

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “মাননীয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) আসবেন। মায়াপুরে গৌড়ীয় মঠ সম্প্রদায়, অন্যান্য সম্প্রদায়ে সন্ন্যাসী সাধুগুরু বৈষ্ণব যাঁরা আছেন তাঁদের সঙ্গে বসবেন। মাননীয় অমিত শাহজির বহুদিনের ইচ্ছে ছিল আসার। এর আগেও একবার তাঁর আসার ব্যবস্থা হয়েছিল। কিন্তু প্রোগ্রাম কোনও কারণে বাতিল হয় একটা দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার জন্য। মাননীয় গৃহমন্ত্রী আসবেন, এর ফলে আমাদের বাংলার যে বৈষ্ণব আন্দোলন, এবং অন্যান্য সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ যারা তাঁদের আত্মবিশ্বাস ও মনোবল বাড়বে বলে আমার মনে হয়।”

  • Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাবানীপুরে আতঙ্কিত তৃণমূল। বিজেপির পতাকা ছেঁড়ার ভিডিও প্রকাশ্যে এনে বিস্ফোরক হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূল কংগ্রেস যে নিজের পায়ের তলার মাটি হারাতে বসেছে তা আরও একবার প্রমাণিত হয়। রাজ্যজুড়ে লাগাম ছাড়া দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, চাকরি চুরি সহ একাধিক ইস্যতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরাট অসন্তোষ জমা হয়েছে জনমনে। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে বিজেপির (Bengal BJP) পতাকা ছিঁড়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে একটি ভিডিওকে ঘিরে।

    তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত (Suvendu Adhikari)

    সামনেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এই অবস্থায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক (Bengal BJP) অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “ভাবানীপুরে পরাজয়ের ভয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত। ভাবানীপুরের তৃণমূল নেতাকর্মীরা বিজেপির পতাকায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুর এখন আর নিরাপদ আসন নয়। এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে দলের অন্দরে ভয়ের বাতাবরণ কতটা প্রকট।”

    বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস গভীর রাতে বিজেপির পতাকা খুলে ফেলছে এবং আগুনে পোড়াচ্ছে, যাতে ভোটারদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও তৃণমূলকে পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হবে। যত বেশি গেরুয়া পতাকা খোলা ও পোড়ানো হবে, ততই বেশি ব্যবধানে বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে।”

    পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, রাত ২টো ৪৫ মিনিটে তিনজন ব্যক্তি বিজেপির পতাকা ছিঁড়ে নিচ্ছে। একজন ভিডিও করেছেন। এরপর পতাকাগুলিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পতাকা ছিঁড়ে বা আগুনে পুড়িয়ে বিজেপিকে (Bengal BJP) কতটা আটকাতে পারবে তৃণমূল তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এমনটাই মত রাজনীতির একাংশের মত।

  • BJP MLA’s Car Attacked: ‘পুড়িয়ে মারার চেষ্টা’! বিজেপি বিধায়কের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা, আক্রান্ত পরিবার

    BJP MLA’s Car Attacked: ‘পুড়িয়ে মারার চেষ্টা’! বিজেপি বিধায়কের গাড়িতে তৃণমূলের হামলা, আক্রান্ত পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বিজেপি বিধায়কের (BJP MLA’s Car Attacked) পরিবারের উপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর। পুড়িয়ে মারার চেষ্টার বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আনলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বনগাঁ উত্তর বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার পরিবার এবং বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারে শাশুড়ির উপরে আক্রমণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর থানার বেলডাঙায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    কী ঘটেছিল, জানালেন বিধায়ক

    বিধায়ক অশোক কির্তনীয়ার দাবি, তাঁর পরিবারকে পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত করা হয়েছিল। অভিযোগ, যে গাড়িতে করে বিধায়কের পরিবার ভ্রমণ করছিল, তাতে ভাঙচুর চালানো হয়। কয়েক মাস আগে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর ওপরেও হামলার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আর এবার হামলার শিকার হল বিজেপি বিধায়কের পরিবার। জানা গিয়েছে, গোপালনগরের বেলডাঙায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার পরিবার এবং বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক স্বপন মজুমদারের শাশুড়ি। সেই অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথেই বিধায়কের পরিবারের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর চালানো হয় গাড়িতে। অশোক কীর্তনিয়া বলেন, “আমার স্ত্রী একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেখানে উপস্থিত তৃণমূলের গুন্ডারা আমার স্ত্রীকে গাড়ির ভেতরে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করেছিল। তারা পুরো গাড়িটিকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সঠিক বিচার না হলে বনগাঁর স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হবে।

    শুভেন্দুর দাবি, পরিকল্পিত আক্রমণ

    এদিকে এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের যুক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে দলের স্থানীয় নেতা। গোপালনগর ব্লক ১ তৃণমূলের সভাপতি তাপস পাল দাবি করেন, এসআইআর আতঙ্কে এলাকার একজন আত্মহত্যার চেষ্টা করেন সম্প্রতি। এই নিয়ে বিধায়কের গাড়ি দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন স্থানীয়রা। তবে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এরপরই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “অশোক কীর্তনীয়ার গাড়ি বলে আক্রমণ করা হয়েছে। বিধায়কের দুটি একই রকমের গাড়ি ছিল। অশোক কীর্তনিয়া গাড়িতে আছেন ভেবেই পরিকল্পনা করে হামলা করা হয়। গাড়িতে স্ত্রী এবং পরিবারের সদস্যরা ছিলেন, মূলত মহিলারা ছিলেন। প্রকাশ্যে লোক দেখেছে কারা হামলা চালিয়েছে। তিনটি মুসলিম ছেলে ছিল, দুটি হিন্দু ছেলে। প্রত্যেকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতি।” রাজ্যে বিধানসভা ভোট আসন্ন। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতেই তৃণমূলের এই কৌশল বলে মনে করেন শুভেন্দু।

  • Suvendu Adhikari: “এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এসআইআর (SIR) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান,” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করেছে। কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে। তমলুক কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    বহু ক্ষেত্রে নির্দেশিকা লঙ্ঘন (Suvendu Adhikari)

    কমিশনের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে রাজ্য সরকারকে। সাংবিধানিক উপায়ে ভোটার তালিকা (SIR) সংশোধনে কোনও বাঁধাকে অমান্য করতে করতে পারবে না রাজ্য প্রশাসন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জমা দেওয়া তালিকায় বহু ক্ষেত্রে নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে প্রকৃত গ্রুপ-বি কর্মীদের পরিবর্তে অন্যান্য স্তরের কর্মচারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কিছু কিছু জায়গায় অবসর প্রাপ্ত পঞ্চায়েত স্তরের কর্মচারীদের নামও তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এই তথ্য আদালতে জমা দেওয়া হলে আদালত অবমাননার পর্যায়ে পড়তে হবে। দরকার হলে আইনি পদক্ষেপও গ্রহণ করা হবে।”

    “নির্বাচন কমিশন বিশেষ নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে ইআরও ও এআরও-দের আইন ও কমিশনের নির্দেশিকা মেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনও রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপে প্রভাব পড়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা নির্দেশিকা উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের নজর দারিতে আসবে সম্পূর্ণ বিষয়টি।”

    সুপ্রিম কোর্ট তৃণমূলের প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি

    তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া বন্ধ করার উদ্দেশে বিভিন্ন স্তরে চাপ সৃষ্টি করা হলেও সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও কর্তৃত্ব পুনরায় নিশ্চিত করেছে। ভোটার তালিকায় ছোট খাটো ত্রুটি দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে শুনানি কেন্দ্রে আনিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে। অবশ্য এর মূলকারণ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করা, কিন্তু আদালতের নির্দেশে এই অপচেষ্টা সঠিক ভাবে সফল হয়নি।”

    স্থায়ী সমাধানের কোনও রোড ম্যাপ নেই

    ভোটের আগে মমতা সরকার অন্তর্বর্তী বাজেট বরাদ্দ করেছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বাজেটের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, “চার মাসের এই অসম্পূর্ণ বাজেটে কর্মসংস্থান বা শূন্যপদের পূরণের কোনও সুস্পষ্ট বাজেট নেই। রাজ্যের বিপুল পরিমাণে শূন্যপদ থাকলেও নিয়োগ নিয়ে কোনও সম্পূর্ণ ইঙ্গিত নেই। কাজ না দিয়ে ১৫০০ করে ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এই রাজ্যে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার কোনও ইঙ্গিত নেই। স্থায়ী সমাধানের কোনও রোড ম্যাপও নেই।”

    রাজ্যের মমতা সরকার আগেও বেকার ভাতা বা যুবকল্যাণ প্রকল্পের অনেক যোজনাকে বাস্তবায়ন করতে পারেনি। ফলে নতুন করে ভোটের আগে ভাতার নামে প্রলোভন এবং যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করছে। সরকারের তরফে শূন্যপদ পূরণ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরির কথা বলা হচ্ছে না। তবে বিজেপি বিরোধী দল হিসবে কর্মসংস্থান, নিয়োগ প্রক্রিয়া, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে আগামী দিনেও গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ (SIR) সঠিক ভাবে কার্যকর হচ্ছে কিনা তাও নজরে রাখবে বলে দাবি করেছে বিজেপি।

  • Suvendu Adhikari: “এপ্রিলে বিজেপির সরকার হলে, ১ মে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে”, বড় কথা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “এপ্রিলে বিজেপির সরকার হলে, ১ মে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে”, বড় কথা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এপ্রিলের মধ্যে বিজেপির সরকার হলে, ১ মে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে।” বীরভূমের (Birbhum) সভা থেকে এমন আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট ঘোষণা করেছে মমতা সরকার। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ৫০০ টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে প্রতি মাসে মহিলারা পাবেন ১৭০০ টাকা করে। তৃণমূলের এই বাজেটকে টার্গেট করে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যে ভোট প্রচারের ভরকেন্দ্র হতে চলেছে তা অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন। অপর দিকে পুলি সরে দাঁড়ালে জনগণই সোজা করে দেবে কাজল-কেষ্টকে, নাম নিয়েই সোজা হুঁশিয়ারই শুভেন্দুর।

    সংকল্প পত্রে অঙ্গীকার থাকবে ৩০০০ টাকা (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এপ্রিল মাসে যদি বিজেপির সরকার হয় তাহলে ১ মে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। আর যদি মে মাসে বিজেপির সরকার হয় তাহলে জুন মাসে টাকা ঢুকবে। শুধু মাহিলা নয়, বার্ধক্য ভাতা বিধবা ভাতা, দিব্যাঙ্গ ভাতা, তফশিলি ভাতা, তফশিলি উপজাতি ভাতা, লোকপ্রসার শিল্পীর ভাতা— সব ভাতা বিজেপির সংকল্প পত্রে অঙ্গীকার ঘোষণা করব।”

    অনুব্রত-কাজলকে হুঁশিয়ারি

    একই ভাবে বীরভূমের (Birbhum) সভা থেকে অনুব্রত মণ্ডল এবং কাজল শেখের নাম করে চরম হুঁশিয়ার দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “পুলিশ যদি সরে দাঁড়ায়, তাহলে এদের জনগণই সোজা করে দেবে। বন্ধু ভদ্র হয়ে যান। কেষ্ট-কাজলের বাহিনী একটু ভদ্র হয়ে যান, ভদ্র না হলে এপ্রিল মাসের পরে বদলও হবে, বদলাও হবে। রামপুরহাটের পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন বাবু ব্যাগ গোছান, এপ্রিল মাস এসে গিয়েছে। আপনার নেতা কেষ্ট ঘুরে এসেছে, এবার আপনার পালা।

    একই ভাবে এদিন দেঁউচা পাচামি (Birbhum) নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধী দলনেতা বলেন, “দেউচা পাচামির কী হল মুখ্যমন্ত্রী? কোথায় গেল এক লক্ষ চাকরি? সাংসদ সামিরুল ইসলামের ২২ জন আত্মীয়ের চাকরি হয়েছে। বিজেপিকে আনুন। ৬ বছরের আদিবাসী কন্যাকে ধর্ষণ করে যারা খুন করেছে, সকালে জমা নিয়ে বিকেলে খরচ করে দেব।

    তৃণমূলের থেকে বিজেপি বেশি টাকা দিচ্ছে

    রাজ্যের তৃণমূল সরকারের ভাতা প্রসঙ্গে বাজেট নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিজেপি তো বলছে, আমরা তো স্পষ্ট বলছি, তাদের থেকে বেশি টাকা আমরা দেব। আমাদের রাজ্য সভাপতি ঘোষণা করেছেন। আমি আগে যখন রাজ্য সভাপতি ছিলাম, তখন ঘোষণা করেছি আমরা। আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে শুধু চালুই রাখব তা নয়। তৃণমূল কংগ্রেস যে টাকা দিচ্ছে, তার থেকে বেশি টাকা আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে দেব। আমরা বিভিন্ন রাজ্যে দিচ্ছি। এ তো নতুন কিছু নয়। অনিশ্চয়তার বিষয়ই নেই।

    আমরা ৫০০ টাকায় গ্যাসের সিলিন্ডার দিচ্ছি বহু রাজ্যে। আপনারা মাত্র দেড় হাজার বা ১৭০০ টাকার কথা বলছেন। এখনই ইন্টারনেটে খুঁজুন, আমি আপনাদের মাধ্যমে বলছি, হরিয়ানার সরকার বার্ধক্যভাতা কত দেয়? ৩২০০ টাকা। এখনই খুঁজলে পাবেন। প্রতিবছর বাড়ে ২৫০ টাকা করে। ইনক্রিমেন্ট হয়। যেরকম সরকারি চাকরিতে ইনক্রিমেন্ট হয়, সেরকম বার্ধক্যভাতায় ইনক্রিমেন্ট হয়। বিজেপি শাসিত রাজ্যে। তো আমরা কীভাবে দিচ্ছি? প্রত্যেক জায়গায়, তৃণমূল কংগ্রেস যে টাকা দেয় তার থেকে বেশি টাকা আমরা দিই। আমাদের অরুণোদয় প্রকল্প আছে অসমে। তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে বেশি টাকা দিতাম আমরা

  • Laxmi Bhandar: মমতার দেড় হাজার নয়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের দেবে তিন হাজার টাকা, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    Laxmi Bhandar: মমতার দেড় হাজার নয়, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের দেবে তিন হাজার টাকা, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের তৃণমূল সরকার বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) প্রকল্পে টাকা বৃদ্ধি করেছে। এবার তাকে চ্যালেঞ্জ করে তিন হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে বঙ্গ বিজেপি। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে মন্ত্রীসভার অনুমোদনের পর পেশ হয়েছে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট। তাতে দেখা গিয়েছে জনমোহিনী প্রকল্পের জোয়ার। ভোটের আগে রাজ্যের মহিলা ভোটকে টার্গেট করে যেন কল্পতরু হয়ে উঠেছেন। তবে বিজেপি এই ঘোষণার পাল্টা ঘোষণা করেছে।

    বাংলার মহিলাদের সঙ্গে বৈষম্য কেন? (Laxmi Bhandar)

    এদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ভাতার পরিমাণ আরও ৫০০ করে বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অসংরক্ষিত ক্যাটাগরির মহিলা পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। তফশিলি জাতি-উপজাতি পাবেন ১ হাজার ৭০০ টাকা।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই টাকা বৃদ্ধি করে তিন হাজার করা হবে। আমি আমাদের সংকল্প কমিটির কনভেনারকে পাশে দাঁড় করিয়ে বলছি, এপ্রিল মাসে বিজেপি সরকার এলে পয়লা জুন আগে আপনাকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউণ্টে তিন হাজার করে টাকা দেবো। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) কেবলমাত্র ভোটের কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে। সিভিক, প্যারা টিচার এবং যুবশ্রী এপ্রিলে হবে। কিন্তু লক্ষ্মী ভাণ্ডার আই প্যাকের বুদ্ধিতে মার্চের মধ্যেও ঢুকিয়ে দেবে। উদ্দেশ্য একটাই ভোট অন অ্যাকাউন্টটা পেশ হয়েছে। গোয়াতে গিয়ে মহিলাদের পাঁচ হাজার টাকা দেবে বলে ঘোষণা করেছিল তৃণমূল। ফলে বাংলার মহিলাদের সঙ্গে বৈষম্য কেন? অধিবেশনে আমি এই মর্মে প্রশ্ন তুলেছিলাম।”

    পয়লা জুনের আগে ঢুকে যাবে টাকা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মমতাকে তোপ দেগে আরও বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) প্রকল্প নাকি এই সরকার দেশে প্রথম চালু করেছে। এই ধরনের প্রকল্প প্রথম চালু হয় মধ্যপ্রদেশে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান লাডলি বহেনা চালু করেছিলেন। তারপরে আসামে সর্বানন্দ সোনোয়াল চালু করেন। পরে বিজেপি সরকার থাকা অনেক রাজ্যে এটা চালু হয়েছে। লাখপতি দিদি কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছে। ওড়িশায় সুভদ্রা যোজনায় এককালীন ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। মহারাষ্ট্রে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়। হরিয়ানায় ২১০০ টাকা দেওয়া হয়। ২১ টি রাজ্যে এরকম মহিলাদের নিয়ে স্কিম রয়েছে। আমি আমাদের সংকল্পপত্র কমিটির কনভেনরকে পাশে দাঁড় করিয়ে বলছি, আমরা অনেক এটা আগেই বলেছি। এপ্রিল মাসে বিজেপি সরকার এলে মে মাসের ক্যাবিনেটে সিদ্ধান্ত নিয়ে পয়লা জুনের আগে আপনাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে ঢোকাব। এটা মিনিমাম। এটা আরও বাড়তে পারে, কমবে না।”

  • Governor CV Ananda Bose: মাত্র ৫ মিনিটেই রাজ্যপালের ভাষণ শেষ! শুভেন্দু বললেন, “কুর্ণিশ জানাই”

    Governor CV Ananda Bose: মাত্র ৫ মিনিটেই রাজ্যপালের ভাষণ শেষ! শুভেন্দু বললেন, “কুর্ণিশ জানাই”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রীতি মেনে ভাষণ শুরু করলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই বক্তব্য শেষ করে দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। রাজ্যের বাজেট অধিবেশনে এমন ঘটনা নজির বিহীন। রাজ্যপাল বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জানিয়ে দেন, আর পড়বেন না। রাজ্য বিধানসভায় এই ঘটনা বেনজির। তবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যপালের সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল নিজের মেরুদণ্ড সোজা রেখে, সংবিধান এবং ভারত সরকারকে মর্যাদা দিয়ে যেটা করেছেন, তার জন্য হ্যাটস অফ টু গভর্নর অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালকে কুর্ণিশ জানাই।”

    পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই থেমে যান (Governor CV Ananda Bose)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) মমতা সরকারকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “সরকারের লেখা মিথ্যা ভাষণ পড়তে চাননি রাজ্যপাল। তামিলনাড়ুর পর বাংলাতেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছে। বিধানসভায় রাজ্যপাল লে করা মানেই ভাষণটি গ্রহণ করেননি।” জানা গিয়েছে রাজ্যপালের (Governor CV Ananda Bose) ভাষণের জন্য বরাদ্দ সময়ছিল প্রায় ৪৫ মিনিট। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে চার থেকে পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই থেমে যান। রাজ্য সরকারের দেওয়া ভাষণে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়েছে। তবে এই সব বক্ত্যব্যের পিছনে কোনো সঠিক তথ্য ছিল না। আর সেই কারণেই হয়তো রাজ্যপাল ভাষণের অংশ পাঠ করেননি।

    কথা অসত্য তাই পড়া যাবে না

    বিধানসভায় যখন রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) ভাষণ পড়ে থেমে যান সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন ভাষণ পড়বেন না, রাজ্যপাল তখন নির্দিষ্ট লাইন তুলে ধরে বলেন এই কথা অসত্য, পড়া যাবে না। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে অনুরোধ না শুনে বাইরে বেড়িয়ে যান রাজ্যপাল।

    এর বেশি আমি পড়ব না!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভাষণে লেখা ছিল, ‘দ্য ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হেল্ড আপ বাই দ্য সেন্টার ফর এ লং টাইম’ অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকার দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রেখেছে। উনি ঠিক এই জায়গাতেই থামেন এবং বলেন, ‘আই উইল নট রিড মোর’, এর বেশি আমি পড়ব না। এরপরই তিনি বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম করেন। রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) ভাষণে রাজ্যের বকেয়া বা ঋণের বিষয়ে আপত্তি জানাননি। কিন্তু যখনই ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’-এর প্রসঙ্গ আসে, তখনই তিনি বেঁকে বসেন। এখানেই থেমে থাকেননি শুভেন্দু, তিনি আরও বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার তো আগেই ৫০:৫০ অংশীদারিত্বে এই সেচ প্রকল্পটি করতে বলেছিল। শর্ত ছিল, জমি অধিগ্রহণের পর স্কিম পাঠাতে হবে। রাজ্য সরকার তো জমি অধিগ্রহণই করেনি। রাজ্যপাল কেন এমন একটি বিষয় পড়বেন, যার স্বপক্ষে কোনও ডকুমেন্ট রাজ্যের কাছে নেই? সরকার যা লিখে দেবে, তিনি কি তাই পড়তে বাধ্য?’’

  • Suvendu Adhikari: “আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুল প্রমাণিত হলেন”, ডিএ মামলার রায়ের পর প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুল প্রমাণিত হলেন”, ডিএ মামলার রায়ের পর প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায় (DA Verdict) সামনে আসতেই তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে একেবারে ধুয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে তিনি এই জয়কে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সম্মিলিত লড়াইয়ের জয় বলে অভিহিত করেছেন। তিনি লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারংবার বলে এসেছেন ডিএ কর্মচারীদের অধিকার নয়। আজ(বৃহস্পতিবার) দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিল ডিএ হল আইনসিদ্ধ ন্যায্য অধিকার, কোনও অনুদান নয়।”

    শুভেন্দুর অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দুর অভিযোগ, কলকাতা হাইকোর্টে হারের পর রাজ্য সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে বড় বড় উকিল দাঁড় করিয়ে কর্মচারীদের বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছে। আন্দোলনকারীদের ধৈর্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “পুলিশের লাঠির ঘা উপেক্ষা করেও, যাঁরা আইনি পথে লড়াই চালিয়েছেন, এই জয় তাঁদেরই।” সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ একটি পোস্টে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লেখেন, “ডিএ মামলায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করলেন মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট। আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুল প্রমাণিত হলেন, নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার জন্য তিনি বারবার বলে এসেছেন যে ডিএ কর্মচারীদের অধিকার নয়।” পরে তিনি (Suvendu Adhikari) লেখেন, “দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর, বহু বছরের সংগ্রামের পর অবশেষে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা মহামান্য আদালতের নির্দেশে তাঁদের ন্যায্য অধিকার অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা পেতে চলেছেন।”

    তৃণমূল সুপ্রিমোকে নিশানা

    তৃণমূল সুপ্রিমোকে নিশানা করে শুভেন্দু লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসংবেদনশীল সরকার দীর্ঘ দিন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের তাঁদের প্রাপ্য ন্যায্য মহার্ঘ ভাতা থেকে বঞ্চিত করেছেন। ট্রাইব্যুনাল থেকে মহামান্য কলকাতা হাইকোর্ট, একের (DA Verdict) পর এক আইনি লড়াই জেতার পরেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কোটি কোটি টাকা ধ্বংস করে দেশের তাবড় আইনজীবীদের দাঁড় করিয়েছেন শুধুমাত্র প্রাপ্য মহার্ঘ ভাতা থেকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে। কর্মচারীরা আন্দোলন করলে পুলিশের লাঠির আঘাত ধেয়ে এসেছে, তবুও তাঁরা ধৈর্য ধরে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে গিয়েছেন ও দেশের আইনি ব্যবস্থার ওপর ভরসা করে আইনি পথে লড়াই এই জয় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের লড়াইয়ের জয়, ন্যায্য অধিকারের জন্য আপসহীন এই লড়াইকে আমি কুর্নিস করি। রাষ্ট্রবাদী মনোভাবাপন্ন-সহ সকল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের প্রতিক্রিয়া

    দেশের শীর্ষ আদালতের রায়ের পরেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। মঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, “১১০৬ দিন পরে আজ আমাদের লড়াই সার্থকতা পেল। আমরা এই রায়কে স্বাগত জানাই, তবে আমাদের নজর থাকবে রাজ্য সরকার আদালতের এই নির্দেশ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (Suvendu Adhikari) কার্যকর করে কিনা, সেদিকে।” বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মীরা ১৮ শতাংশ হারে ডিএ (DA Verdict) পান। আর কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ডিএ পান ৫৮ শতাংশ হারে। ফারাক ৪০ শতাংশের।

    ডিএ সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকার

    বৃহস্পতিবার রায় দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দেয়, রোপা রুল অনুযায়ী ডিএ সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকার। বকেয়া ডিএর ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে। বাকি বকেয়ার ৭৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার জন্য নয়া কমিটি গঠনের কথাও বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই কমিটিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রা এবং আরও দুই বিচারপতি। এই কমিটিই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে বকেয়া ডিএ কীভাবে এবং কতগুলি কিস্তিতে দিতে হবে। সূত্রের খবর, আদালতের নির্দেশ মেনে এই (Suvendu Adhikari) ডিএ মেটাতে গেলে রাজ্যকে দিতে হবে ১০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা (DA Verdict)।

     

  • TMC: ভাঙড়ে জলাশয় ভরাট করছে তৃণমূল আশ্রিত জমি মাফিয়ারা, অভিযোগ শুভেন্দুর

    TMC: ভাঙড়ে জলাশয় ভরাট করছে তৃণমূল আশ্রিত জমি মাফিয়ারা, অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে জলাশয় ভরাট করছে তৃণমূল (TMC) আশ্রিত জমি মাফিয়ারা (Land Mafia)। প্রকাশ্যে এই জলাশয় বোঝানোর কাজ চললেও, প্রশাসন কোনও পদক্ষেপই করেনি বলে অভিযোগ। সোমবার বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে জলাশয় ভরাট করার একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটি শেয়ার করে তিনি লেখেন, “এই মুহূর্তে ভাঙড়ে যা ঘটছে, তা মানুষের জীবন ও পরিবেশের বিরুদ্ধে এক সুস্পষ্ট অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। আর তৃণমূল সরকারই এর সবচেয়ে বড় সহায়ক।”

    চোখে আঙুল দিয়ে দেখালেন শুভেন্দু (TMC)

    শুভেন্দু জানান, ওই পুকুরটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সম্পত্তি। তিনি বলেন, “ঘন অন্ধকার রাতের আড়ালে তৃণমূল-মদতপুষ্ট জমি মাফিয়ারা ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারের প্রবেশপথে অবস্থিত একটি বিশাল জনসাধারণের পুকুর নির্লজ্জভাবে ভরাট করছে। এটি কোনও সাধারণ জলাশয় নয়, এই জমিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের অধীন বলে সরকারিভাবে নথিভুক্ত।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “তবুও মাটি বোঝাই ডাম্পার এবং জেসিবি মেশিন সম্পূর্ণ দায়মুক্তির সঙ্গে সেখানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ জলসম্পদ ধ্বংস করা হচ্ছে, আর প্রশাসনের অনুপস্থিতি চোখে পড়ার মতো—তারা সব কিছু দেখেও না দেখার ভান করছে (TMC)।”

    শুভেন্দুর সতর্ক বার্তা

    বিজেপি নেতা সতর্ক করে বলেন, “এই ধরনের কার্যকলাপ মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে—যেমনটি কয়েক দিন আগে আনন্দপুরে দেখা গিয়েছিল।” শুভেন্দু বলেন, “এখানেও কার্যত বেআইনি নির্মাণ, নিয়ন্ত্রণহীন কার্যকলাপ এবং সরকারি দফতরগুলির কোনও নজরদারি ছাড়াই সব কিছু চলার জন্য ভিত গড়ে তোলা হচ্ছে। এটি কোনও শাসনব্যবস্থা নয়, এটি মাফিয়ারাজ (Land Mafia)। ব্যক্তিগত মুনাফা ও রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য পরিকল্পিত ভাবে জলাশয়, পরিবেশ এবং জন-নিরাপত্তা ধ্বংস করা হচ্ছে (TMC)।”

     

  • Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ (Swami Suryananda)। রবিবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর এলাকায়। গুরুতর জখম হন ওই হিন্দু সাধু (Suvendu Adhikari)। হিন্দু সম্মেলন চলাকালীনই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও লক্ষ্যভিত্তিক হিংসার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবানপুরে আয়োজিত ওই হিন্দু সম্মেলনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ভক্তরা শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হয়েছিলেন। তবে সমাবেশস্থলে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যার পরিপ্রেক্ষিতে স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ গুরুতর জখম হন। তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয় স্থানীয় একটি হাসপাতালে।

    হিন্দু সন্ন্যাসী আক্রান্ত (Swami Suryananda)

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামীজি একাধিক আঘাত নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। তাঁকে দেখতে যাঁরা হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তাঁদের মতে, মহারাজের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল। মহারাজের ওপর হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করা হয়নি। ধর্মীয় সমাবেশে কীভাবে হিংসা ছড়াল, সে বিষয়েও রাজ্য পুলিশ-প্রশাসন নীরব। ঘটনার প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের হয়েছে কি না, অথবা ঘটনাটিকে মারধর, দাঙ্গা নাকি হত্যার চেষ্টার মামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তা-ও স্পষ্ট নয়। হিন্দু সন্ন্যাসীর আক্রান্ত হওয়ায় খবর পেয়েই মহারাজকে দেখতে হাসপাতালে ছোটেন শুভেন্দু। মহারাজের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনাটির বিশদ বিবরণ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Swami Suryananda)।

    ‘জয় শ্রী রাম’

    শুভেন্দুর দাবি, ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দেওয়ায় সম্মেলনের সময় ওই সাধুর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, “এটি (জয় শ্রীরাম ধ্বনি) হিন্দু ধর্মীয় পরিচয়ের প্রকাশমাত্র।” তাঁর দাবি, হাসপাতালের বেড থেকেই স্বামীজি তাঁকে ঘটনার ধারাবিবরণী দেন (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “বুনো জন্তুর মতো তারা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। স্বামীজির গলায় ফাঁস লাগিয়ে তাঁকে হত্যার চেষ্টাও করেছিল। ঘুষি, লাথি ও বুকে আঘাত করাও হয়েছে। হয়েছে মারধর করাও।” নন্দীগ্রামের বিধায়কের অভিযোগ, হামলাকারীরা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের মধ্যে যাদের তিনি “জেহাদি” বলে উল্লেখ করেন, তারাও ছিল। তাঁর মতে, এটি কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত ও ঠান্ডা মাথার হত্যার চেষ্টা।

    “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু এই ঘটনাকে “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস” বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসা চালাতে রাজ্য প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে মদত দিচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এটি নিছক আইনশৃঙ্খলার অবনতি নয় (Suvendu Adhikari)। এটি হিন্দু গর্ব প্রকাশের সাহস দেখানো যে কাউকে লক্ষ্য করে সংগঠিত সন্ত্রাস।” তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের রাজত্বে হিন্দু সাধুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর এবং ভক্তদের ভয় দেখানো নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজ্য পুলিশকে নীরব দর্শক বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার একটি পরিচিত ধারারই পুনরাবৃত্তি হয়েছে (Swami Suryananda)।

    সভ্যতার সঙ্কট!

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দু জাতপাত ও আঞ্চলিক বিভাজন ভুলে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন। তাঁর মতে, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের ওপর হামলা আসলে সমগ্র হিন্দু বিশ্বাস ও পরিচয়ের ওপর আঘাত। তাঁর প্রশ্ন, “আর কতদিন হিন্দুরা নীরবে অত্যাচার সহ্য করবে?” শুভেন্দুর মতে, ঘটনাটি কোনও বিচ্ছিন্ন হিংসার ঘটনা নয়, এটি একটি বৃহত্তর সভ্যতার সঙ্কট।এদিকে, হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের শারীরিক অবস্থার ওপর চিকিৎসকেরা কড়া নজর রাখছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে (Suvendu Adhikari) কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও ক্রমশ জোরালো হচ্ছে (Swami Suryananda)।

     

LinkedIn
Share