Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Mithun Chakraborty: ক্যাবিনেট মন্ত্রীর মর্যাদা! শুভেন্দুর সরকারে নয়া দায়িত্বে মিঠুন

    Mithun Chakraborty: ক্যাবিনেট মন্ত্রীর মর্যাদা! শুভেন্দুর সরকারে নয়া দায়িত্বে মিঠুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিনেমার জগতের পাশাপাশি এবার সরাসরি রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty as Cultural Advisor)। রাজ্য তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উপদেষ্টা পদে নিয়োগ করা হল মহাগুরুকে। শুভেন্দু সরকারের এই নয়া পদে মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়োগের ঘোষণার পাশাপাশি সরকার জানিয়েছে, এবার থেকে মিঠুন, এই পদাধিকারে রাজ্যের পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদাও পাবেন। খুব শীঘ্রই নয়া পদে মিঠুন দায়িত্ব নেবেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। বর্তমানে আলিপুরদুয়ারে রয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী। সেখান থেকেই এই নয়া দায়িত্ব দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মিঠুন।

    প্রশাসনিক ভূমিকায় মহাগুরু

    রূপোলি পর্দার ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ থেকে শুরু করে রাজনীতির আঙিনা—বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এবার এক্কেবারে নতুন ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন তিনি। নতুন এই দায়িত্ব সম্পর্কে মিঠুন চক্রবর্তী বলেছেন, ‘‘আমি খুব খুশি, মুখ্যমন্ত্রী আমাকে উপযুক্ত ভেবেছেন। আমি একই রকম থাকব, কাজ করব। মুখ্যমন্ত্রীর পাশে থেকে যতটা পারব সাহায্য করব।” রাজ্যের কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের আইএএস সেলের তরফ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেই বিজ্ঞপ্তিতেই মিঠুন চক্রবর্তীর নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে যে, রাজ্যপালের সসম্মান অনুমোদনক্রমেই অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে এই পদে বসানো হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়ালের সই করা এই বিজ্ঞপ্তির কপি ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতর ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর এবং স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এই নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে।

    দীর্ঘ ও সফল পথচলা

    অভিনয়ের দীর্ঘ ও সফল পথচলার পাশাপাশি বিগত কয়েক বছর ধরে সক্রিয় রাজনীতির ময়দানেও অত্যন্ত জোরালোভাবে নিজের উপস্থিতি বজায় রেখেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। প্রাক্তন বলিউড সুপারস্টার এবং বাংলার আইকন ৭৬ বছর বয়সী চক্রবর্তী ৭ মার্চ, ২০২১ এ কলকাতার একটি সমাবেশে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন। এরপর বিজেপির সঙ্গে দীর্ঘ পথ চলেছেন তিনি। পাশাপাশি বাংলায় একাধিক ছবিতেও অভিনেতা মিঠুনকে সমান তালে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে। পদ্মশিবিরের এই তারকা নেতার সঙ্গে রাজ্য সরকারের এই প্রশাসনিক মেলবন্ধন রাজনৈতিক মহলেও এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এতদিন তাঁকে বাংলা তথা ভারতীয় সিনেমার আইকন এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেই দেখেছে মানুষ। তবে এবার থেকে সরকারি নীতি নির্ধারণ এবং সাংস্কৃতিক পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে।

  • CM Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির বড় জয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু, তীব্র কটাক্ষ সেলিমকে

    CM Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির বড় জয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু, তীব্র কটাক্ষ সেলিমকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের দুই হাইভোল্টেজ বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে বিজেপির বিপুল জয় নিয়ে একশো শতাংশ আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাতে কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, দুই কেন্দ্রেই বিরোধী হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বামেদের কার্যত কোনও অস্তিত্ব নেই (CM Suvendu Adhikari)। রেজিনগরে পরিযায়ী শ্রমিকদের একটি বড় অংশ (Nandigram Rejinagar By-Polls) এবার ভোট দিতে না আসায় গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় ভোটদানের হার প্রায় ১৩ শতাংশ কমেছে বলে জানান শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তা সত্ত্বেও ওই কেন্দ্রে ৭৯ থেকে ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু মহিলা ও যুব সম্প্রদায়ের ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছে বলেই দাবি তাঁর। শুভেন্দুর কথায়, “নন্দীগ্রাম তো ২০২১ সাল থেকেই বিজেপির সঙ্গে আছে। রেজিনগরে তৃণমূল বা বামেদের কোনও অস্তিত্ব ছিল না। সিপিএম পঞ্চম বা ষষ্ঠ স্থানে নোটার নীচেও থাকতে পারে।”

    সংখ্যালঘু ভোটে উন্নয়ন প্রকল্পের প্রভাব (CM Suvendu Adhikari)

    সংখ্যালঘু ভোট নিজেদের দিকে টানার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বয়স্ক সংখ্যালঘু ভোটারদের একটি অংশ কংগ্রেস অথবা হুমায়ুন কবীরের ছেলেকে ভোট দিয়ে থাকতে পারেন। কিন্তু সংখ্যালঘু মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে সমর্থন করেছেন বলে দাবি তাঁর। বিরোধীদের দাবি খারিজ করে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, অন্নপূর্ণা বা আবাস যোজনার মতো সরকারি প্রকল্পে কোনও ধর্মীয় ভেদাভেদ করা হয়নি। তাঁর দাবি, “এক কোটি ৫৮ লাখ অন্নপূর্ণা প্রাপকের মধ্যে ২৪ লাখ মুসলিম মহিলা রয়েছেন। আমার বিশ্বাস ৯০ শতাংশ মুসলিম মহিলা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন।”

    আবাস যোজনার ১৭ হাজার বাড়ির তালিকাতেও ১০ হাজারের বেশি সংখ্যালঘু পরিবার এবং ৬-৭ হাজার সনাতনী পরিবার রয়েছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের প্রভাবেই রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী এক লাখ ২০ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হবেন। নন্দীগ্রামেও গতবারের তুলনায় পাঁচ-ছ’গুণ বেশি ব্যবধানে বিজেপি জিতবে বলে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন (CM Suvendu Adhikari) শুভেন্দু।

    সেলিমকে নিশানা শুভেন্দুর

    বামেদের ভোটপ্রাপ্তি এবং সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের ভোটে কারচুপির অভিযোগ নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। সেলিমের রাজনৈতিক পরাজয়ের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর দাবি, ২০১৯ সালে রায়গঞ্জ, ২০২১ সালে চণ্ডীতলা এবং ২০২৪ সালে মুর্শিদাবাদে পরাজিত হয়েছেন সেলিম।

    শুভেন্দু বলেন, “যেখানে মুসলমান ভোট বেশি আছে, বেছে বেছে সেখানে গিয়ে দাঁড়াতে হয়। অথচ মুখে বলেন ধর্মনিরপেক্ষ পার্টি!”

    সেলিমকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমি ওঁকে বলব কলকাতা কর্পোরেশনের নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে লড়তে। যদি জমানত রাখতে পারেন, তাহলে বুঝব উনি একটা বিরাট মাপের নেতা হয়েছেন।”

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের বার্তা

    অন্যদিকে, আইনি লড়াই নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। তৃণমূলের তথ্যপ্রযুক্তি শাখার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে তাঁর দাবি, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টার নামে মিথ্যা অভিযোগ তোলার ঘটনায় নির্দিষ্টভাবে মানহানি ও অপরাধমূলক মামলা করা হয়েছে।

    আসন্ন পুরসভা নির্বাচন নিয়েও রাজ্য প্রশাসনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ফেব্রুয়ারি মাসে (Nandigram Rejinagar By-Polls) মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই রাজ্যের সব পুরসভায় নির্বাচন সম্পন্ন করার সময়সীমা তৈরি হচ্ছে।

    ভোটযন্ত্রের ঘাটতি বা নির্বাচন সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে শুভেন্দুর বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন। রাজ্য সরকার শুধুমাত্র পরিকাঠামোগত সহায়তা (CM Suvendu Adhikari) করে। নির্বাচন পরিচালনায় মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের কোনও ভূমিকা থাকে না বলেও স্পষ্ট করে দেন তিনি।

     

  • By Election: উপনির্বাচনেও ব্যাপক ভোট পড়ল নন্দীগ্রামে, রেজিনগরেও হাত উপুড় ভোটারদের

    By Election: উপনির্বাচনেও ব্যাপক ভোট পড়ল নন্দীগ্রামে, রেজিনগরেও হাত উপুড় ভোটারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসনে উপনির্বাচনকে (By Election) ঘিরে সকাল থেকেই উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল তুঙ্গে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ভোট পড়েছে (Latest Update) ৭৯.৩৯ শতাংশ। খুব একটা পিছিয়ে নেই রেজিনগরও। সেখানে ভোটদানের হার ৭৮.৪২ শতাংশ।

    নন্দীগ্রাম (By Election)

    নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের হয়ে রবিবার পদযাত্রা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হাসিরানি নিহত বিজেপি নেতা চন্দ্রনাথ রথের মা। প্রচারে গিয়ে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিশানা করেন শুভেন্দু। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। শুভেন্দুর অভিযোগ, একুশের ভোটের সময় মমতার পায়ে চোট লাগার দাবি “মিথ্যা” ছিল। সেই ঘটনার পর খুনের চেষ্টার একটি মামলায় বিজেপি নেতাদের ফাঁসানোর জন্য তৎকালীন তৃণমূল সরকার সিআইডির “অপব্যবহার” করেছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এদিন টোটোয় চড়ে নন্দীগ্রামের একটি বুথে গিয়ে ভোট দেন মুখ্যমন্ত্রী। আজীবন এই কেন্দ্রের ভোটার থাকতে চান বলেও জানান তিনি

    রেজিনগর

    এদিকে, রেজিনগর আসনটি ফাঁকা হয়েছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরের কারণে। তিনি একই সঙ্গে রেজিনগর ও নওদা—দুই কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর নওদা আসনটি ধরে রাখেন। ফলে রেজিনগর আসনে উপনির্বাচন হয়েছে। এই কেন্দ্রে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হয়ে (By Election) লড়ছেন তাঁর ছেলে গোলাম নবী আজাদ। রেজিনগরে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবিরের প্রার্থী রাবিউল আলম চৌধুরী। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের প্রার্থী সাফিউজ্জামান শেখও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আবদুল্লাহিল কাফি। ফলে এই কেন্দ্রে বহুমুখী লড়াইয়ের ছবি স্পষ্ট।

    তামিলনাড়ুতেও জমজমাট লড়াই

    তামিলনাড়ুর মাদুরান্থকম এবং ধরাপুরম আসন দুটিতেও উপনির্বাচন হয়েছে। অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা সি জোসেফ বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কাজাগমে যোগ দেওয়ার পর এই দুই আসন ছেড়ে দেন প্রাক্তন এআইএডিএমকে বিধায়ক কে মারাগাথাম কুমারাভেল এবং পি সত্যবামা। তাঁদের নিজেদের পুরনো কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী করেছে বিজয়ের দল। মাদুরান্থকমে প্রাক্তন বিধায়ক আই পরন্থামেনকে এবং ধরাপুরমে সুগণ্যাকে প্রার্থী করেছে ডিএমকে। ধরাপুরমে সত্যবামার হয়ে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথজুড়ে প্রচার চালান বিজয়। ডিএমকেকে নিশানা করে তিনি অভিযোগ করেন, ওই দল মহিলাদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করছে। তাঁর দাবি, মহিলাদের বিরুদ্ধে এই ধরনের আক্রমণ সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই বিষয়ে আর নীরব থাকবেন না বলেও জানান বিজয়।

    অসমেও উপনির্বাচন

    অসমের নাগাঁও লোকসভা আসনটি মার্চ মাসে ফাঁকা হয়। কংগ্রেস সাংসদ প্রদ্যুৎ বরদলৈ দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এপ্রিলের বিধানসভা নির্বাচনে দিসপুর আসন থেকে জয়ী হন। ফলে নাগাঁও লোকসভা আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন আমলা দেবাশিস শর্মার হয়ে প্রচার করেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। নাগাঁওয়ে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা বেশি হওয়ায় বিজেপির সামনে নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে কার্যত স্বীকার করলেও, হিমন্তর দাবি, শেষ পর্যন্ত বিজেপি বড় ব্যবধানে জয় পাবে (Latest Update)। তাঁর পূর্বাভাস, জয়ের ব্যবধান আড়াই লাখ থেকে তিন লাখ ভোটের হতে পারে (By Election)।

     

  • Suvendu Adhikari: টোটোয় চেপে বুথে শুভেন্দু, নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে জয় নিয়ে ‘শতভাগ’ আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: টোটোয় চেপে বুথে শুভেন্দু, নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে জয় নিয়ে ‘শতভাগ’ আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইভোল্টেজ উপনির্বাচনে (By-Poll) উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু নন্দীগ্রাম বিধানসভা। সেই নন্দীগ্রামেই মঙ্গলবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তবে এদিন তাঁর বুথে পৌঁছনোর ধরন ছিল একেবারেই অন্যরকম। প্রচলিত প্রোটোকল ও কনভয় দূরে সরিয়ে সাধারণ মানুষের মতোই টোটোয় চেপে ৭৯ নম্বর বুথে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে এভাবে বুথে আসতে দেখে স্থানীয় ভোটার, কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। এদিন সকালে কনভয় থেকে নেমে টোটোয় চেপে সরাসরি বুথ চত্বরে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। বুথে ঢোকার আগে এবং ভোটদান পর্ব শেষ হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে দেখা যায় তাঁকে। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ভোট দিয়ে স্থানীয় মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘আইন সকলের জন্যই সমান’ (Suvendu Adhikari)

    ভোট দিয়ে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নন্দীগ্রামের পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বার্তা দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৫০ শতাংশের বেশি ভোটার ভোট দিয়ে দিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, শেষ পর্যন্ত প্রায় ৮৫ শতাংশ ভোট পড়বে।” এদিন সকালে আইনভঙ্গের অভিযোগে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের গ্রেফতারির প্রসঙ্গও ওঠে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আইন সকলের জন্যই সমান। আইন ভাঙলে নির্বাচন কমিশন বা প্রশাসন পদক্ষেপ করবেই।”

    ‘শতভাগ’ আত্মবিশ্বাসী

    নন্দীগ্রামের মানুষের উপর তাঁর পূর্ণ আস্থার কথাও জানান শুভেন্দু। তিনি জানান, আজীবন নন্দীগ্রামের ভোটার হয়েই থাকতে চান। নন্দীগ্রামে জয় নিয়ে তিনি ‘শতভাগ’ আত্মবিশ্বাসী বলেও দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যে বর্তমানে যে উন্নয়নের গতি চলছে, মানুষ ভোটবাক্সে তারই প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন (Suvendu Adhikari)।

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ের পর শুভেন্দু ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম আসনটি ছেড়ে দেন। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন। বিজেপি এখানে হাসিরানি রথকে প্রার্থী করেছে। ফলে নন্দীগ্রামের লড়াইকে শুভেন্দুর রাজনৈতিক প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতারও পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এদিকে ভোটের দিন সকাল থেকেই নন্দীগ্রামে বিভিন্ন অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে (By-Poll)। বিরোধীদের তরফে অনিয়ম ও এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলেও, বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন (Suvendu Adhikari)।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘এক্স-রে, এমআরআই দেখালে বাড়ি থেকে বেরতে পারবেন না’! পায়ের চোটকাণ্ডে মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘এক্স-রে, এমআরআই দেখালে বাড়ি থেকে বেরতে পারবেন না’! পায়ের চোটকাণ্ডে মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল প্রার্থী তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পায়ের হাড় আদৌ ভেঙেছিল কি না, তা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দাবি করেন, মমতার পায়ে হাড় ভাঙার প্রমাণ মেলেনি। এ নিয়ে নথিও প্রকাশ্যে আনেন তিনি। এর পরেই চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যক্তিগত নথি কীভাবে প্রকাশ্যে এল, তা জানতে এসএসকেএম হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন মমতার আইনজীবী।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ((Suvendu Adhikari))

    সোমবার নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই বিতর্কে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার আইনি নোটিস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভুল করছেন উনি। স্বাস্থ্য দফতরকে বলব, যে অভিযোগ উনি করেছেন সেটা আমার কাছে পাঠাতে। উনি বোধহয় জানেন না, উনি কী করেছিলেন। উনি নিজে এফআইআর করেছিলেন সব বিজেপি নেতাদের নামে। সিআইডি তদন্ত করছিল।” এর পরেই আরও কড়া সুরে শুভেন্দু বলেন, “আমি ওঁর আইনজীবীকে বলব, এসব নিয়ে বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না। উনি ভেবেছিলেন চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তাই সব কাগজপত্র ওঁর ড্রয়ারে ছেড়ে গিয়েছিলেন।” তবে সেই ড্রয়ার থেকেই চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি পেয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

    প্রয়োজনে আরও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি প্রকাশ করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “এক্স-রে প্লেট এবং এমআরআই রিপোর্ট যদি আমি দেখাই, তাহলে উনি বাড়ি থেকে বেরতে পারবেন না।” পাশাপাশি নথিগুলি কোথা থেকে পেয়েছেন, প্রয়োজন হলে তা প্রকাশ করবেন বলেও জানান তিনি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে প্রচারের সময় বিরুলিয়া বাজারের কাছে মমতার পায়ে চোট লাগে। এসএসকেএমে প্লাস্টার করিয়ে হুইলচেয়ারে বসেই সেবার নির্বাচনী প্রচার করেছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর চোটের ঘটনা নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছিল। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেবার সহানুভূতির হাওয়ায় সওয়ার হয় তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছিলেন মমতা।

    সম্প্রতি শুভেন্দু যে নথি প্রকাশ্যে আনেন, সেটি ২০২১ সালের ১১ মার্চ বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেসের তেজস্ক্রিয় রোগনির্ণয় বিভাগের প্রতিবেদন বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ওই প্রতিবেদনে পায়ে হাড় ভাঙা বা হাড় সরে যাওয়ার কোনও প্রমাণ মেলেনি। এই নথির ভিত্তিতেই মমতার তৎকালীন পায়ের চোটের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

    চিকিৎসা-তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন

    এদিকে, মমতার আইনজীবীর পাঠানো আইনি নোটিসে প্রশ্ন তোলা হয়েছে চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে। কীভাবে ২০২১ সালের চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর হাতে পৌঁছল এবং পরে তা প্রকাশ্যে এল, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। নোটিসটি এসএসকেএম হাসপাতালের অধিকর্তা ও চিকিৎসা-প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের পাশাপাশি বাঙুর ইনস্টিটিউটের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছেও পাঠানো হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের মুখ্যসচিবকেও নোটিসের একটি প্রতিলিপি দেওয়া হয়েছে। নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে, কোনও আদালতের নির্দেশে ওই চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি প্রকাশ করা হয়েছিল কি না। যদি তা না হয়ে থাকে, তাহলে নথি যাঁরা সরবরাহ করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সেই ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে। প্রকাশ্যে আসা নথিগুলি আদৌ মূল চিকিৎসা নথি কি না, সেটিও স্পষ্ট করতে বলা হয়েছে। আইনজীবীর তরফে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে, সরকারি দফতর বা তদন্তকারী সংস্থা আইন মেনে নথি সংগ্রহ করলেও তা সাধারণের সামনে প্রকাশ করার অনুমতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাওয়া যায় কি না। ভবিষ্যতে মমতার চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনও ব্যক্তিগত নথি যাতে অনুমতি ছাড়া প্রকাশ্যে না আসে, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। ফলে ২০২১ সালের নন্দীগ্রামকাণ্ডে মমতার (Mamata Banerjee) পায়ের চোটের সত্যতা নিয়ে পুরনো রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন করে সামনে আসার পাশাপাশি, চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে প্রকাশ্যে এল এবং সেই নথি প্রকাশের আইনগত বৈধতা কী, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের পাশাপাশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জবাবের দিকেও এখন নজর (Suvendu Adhikari) রাজ্যবাসীর।

     

  • Suvendu Adhikari: পুজোর আগেই বড় ঘোষণা, রাজ্যে ১৪,৪৫৪ পদে নিয়োগের ছাড়পত্র, ১২ হাজার পুলিশকর্মীকে নিয়োগপত্র ১১ অক্টোবর

    Suvendu Adhikari: পুজোর আগেই বড় ঘোষণা, রাজ্যে ১৪,৪৫৪ পদে নিয়োগের ছাড়পত্র, ১২ হাজার পুলিশকর্মীকে নিয়োগপত্র ১১ অক্টোবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই রাজ্যবাসীর জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, বিভিন্ন সরকারি দফতরে মোট ১৪ হাজার ৪৫৪টি নতুন পদে নিয়োগের প্রস্তাবে মন্ত্রিসভা ছাড়পত্র দিয়েছে। ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে (Police Recruitment)। রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের প্রায় ১২ হাজার কনস্টেবল নিয়োগের প্রক্রিয়াও এগিয়েছে। আগামী ১১ অক্টোবর প্রথম দফায় যোগ্য প্রার্থীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কর্মসংস্থান নিয়ে মানুষের বিরাট প্রত্যাশা আছে। আগের সরকার চাকরি চুরি করেছে, চাকরি দেয়নি, আপনার চাকরি ওবিসির জট পাকিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে। কিন্তু এই সরকার ১২ হাজার কনস্টেবলের নিয়োগ করেছে। পিএসসির পরীক্ষা চালু হয়েছে। আপনারা তো নেতিবাচক হলেই দেখান যে, পরীক্ষা শুরু হল না! কিন্তু অনেকগুলো পরীক্ষা হয়ে গিয়েছে। পিএসসি এখন সমস্ত বাকি পড়ে যাওয়া পরীক্ষা নিচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা ১ লাখ  চাকরি দেব। একদম নিশ্চিন্তে থাকুন। সব মিলিয়ে ১ লাখ চাকরি দেবে রাজ্য সরকার। এই অর্থবর্ষে আমরা নিয়োগপত্র দিয়ে দেব।”

    বিভিন্ন দফতরে ১৪,৪৫৪ পদে নিয়োগ (Suvendu Adhikari)

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিভিন্ন দফতর মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৪৫৪টি নতুন নিয়োগের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, রাজ্য লোকসেবা কমিশন এবং পুলিশ নিয়োগ পর্ষদের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, আইন, গণশিক্ষা, সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার পরিষেবা, বন, অগ্নিনির্বাপণ ও জরুরি পরিষেবা, সংশোধনাগার-সহ একাধিক দফতরে নিয়োগ হবে। কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের বিভিন্ন শাখাতেও নিয়োগ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগামী ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে।

    ১১ অক্টোবর পুলিশের প্রথম দফার নিয়োগপত্র

    পুলিশে নিয়োগের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা দেবীপক্ষে সব করব। পিতৃপক্ষে শুভ কাজ হয় না। দেবীপক্ষ শুরু হয়ে যাবে ১০ তারিখ। ১১ তারিখে আমরা পুলিশের প্রথম ব্যাচকে নিয়োগপত্র তুলে দেব। আমি নিজে থাকব সেখানে।” প্রায় ১২ হাজার পুলিশকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই অধিকাংশ প্রার্থীর বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। যাঁদের শারীরিক পরীক্ষা, নথিপত্র যাচাই-সহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা ১১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ হবে, তাঁদের হাতে ওই দিন নিয়োগপত্র ও পুলিশের পোশাক তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ভগিনী নিবেদিতা প্রকল্পেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী অবিবাহিতা ছাত্রীরা এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তা পাবেন। প্রথম ও দ্বিতীয় বছরে ১৭ হাজার টাকা করে এবং তৃতীয় বছরে ১৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে। অর্থাৎ তিন বছরে মোট ৫০ হাজার টাকা সহায়তা পাবেন উপযুক্ত ছাত্রীরা। আগামী জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের অর্থ দেওয়া শুরু হবে (Police Recruitment)।কর্মবন্ধুদের মাসিক ভাতাও বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এতদিন তাঁরা মাসে ৫ হাজার টাকা করে পেতেন। সেই ভাতা বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা করা হয়েছে। চলতি অক্টোবর মাস থেকেই বর্ধিত ভাতা কার্যকর হবে।

    তফশিলি পড়ুয়াদের খাবারের বরাদ্দ বাড়ল

    হস্টেলে থাকা তফশিলি জাতি ও উপজাতি পড়ুয়াদের খাবারের জন্য বরাদ্দও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। মাসিক খাবারের ভাতা ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ হাজার ৩০০ টাকা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের তফশিলি জাতি এবং উপজাতি পড়ুয়া যারা হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে, তাদের খাওয়ার জন্য বরাদ্দ আমরা অনেকটাই বৃদ্ধি করলাম।”

    ১০ অক্টোবর থেকে ১১২ জরুরি পরিষেবা

    রাজ্যে দ্রুত পুলিশি পরিষেবা পৌঁছে দিতে ১১২ নম্বরের জরুরি পরিষেবা চালুর কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর, মহালয়ার দিন থেকে এই পরিষেবা চালু হবে। এর মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশের সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে (Police Recruitment)। সব মিলিয়ে পুজোর আগে নিয়োগ, শিক্ষা, কর্মবন্ধুদের ভাতা এবং পুলিশি পরিষেবা—একাধিক ক্ষেত্রে একগুচ্ছ ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। এর মধ্যে ১৪ হাজার ৪৫৪টি নতুন নিয়োগ এবং চলতি অর্থবর্ষে মোট ১ লাখ চাকরি দেওয়ার ঘোষণা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ (Suvendu Adhikari)।

     

  • Nandigram Rejinagar Bypolls: পাঁচ মাসের মাথায় ফের ভোটের সকাল বাংলায়, নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে চলছে উপনির্বাচন

    Nandigram Rejinagar Bypolls: পাঁচ মাসের মাথায় ফের ভোটের সকাল বাংলায়, নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে চলছে উপনির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের পর পাঁচ মাসও কাটেনি। তার মধ্যেই ফের ভোটের মুখে পশ্চিমবঙ্গ। মঙ্গলবার নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়েছে উপনির্বাচন (Nandigram Rejinagar Bypolls)। কড়া নিরাপত্তায় সকাল থেকেই চলছে দুই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ (Voting)। এই উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক মহলের বিশেষ নজর রয়েছে নন্দীগ্রামের দিকে। কারণ, এই কেন্দ্রের ভোটার স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্রেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে নিজের পুরনো ও পরিচিত কেন্দ্র নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে থেকে যান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেওয়ার কারণেই সেখানে উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়। ফলে এবার ফের নন্দীগ্রামে ভোট দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে আরও একটি বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা রয়েছে। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার করা নিয়ে বিষয়টি গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন তিনি। প্রচারে পুরোপুরি অংশ নিতে না পারলেও জেলের বাইরে থেকেই নির্বাচনে লড়াই করছেন মিলন। অন্যদিকে, রেজিনগরেও উপনির্বাচনের নেপথ্যে রয়েছে বিধায়ক পদ ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা। এই কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর। পরে তিনি নওদা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে লড়ে জয়ী হন এবং রেজিনগরের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেই কারণেই রেজিনগরে ফের ভোটগ্রহণ হচ্ছে।

    কড়া নিরাপত্তা (Nandigram Rejinagar Bypolls)

    ভোটের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই কেন্দ্রেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ৩৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নন্দীগ্রামে মোতায়েন রয়েছে ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    মোট ভোটার

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৫৭ হাজার ৬৫৭। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪ জন এবং মহিলা ভোটার ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩৮ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন পাঁচ জন। এই কেন্দ্রে ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সি নতুন ভোটারের সংখ্যা ২ হাজার ৪৪৫। শারীরিক প্রতিবন্ধী ভোটার রয়েছেন ৩ হাজার ২৩১ জন। ৮৫ বছরের বেশি বয়সি ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ৬৯৭। শতায়ু বা ১০০ বছরের বেশি বয়সি ভোটার রয়েছেন ৩৬ জন। এছাড়া সার্ভিস ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ১১১। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার ১৫৭। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৭ এবং মহিলা ভোটার ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৭৯ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন এক জন। নন্দীগ্রামে ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সি ভোটারের সংখ্যা ২ হাজার ১৬। শারীরিক প্রতিবন্ধী ভোটার রয়েছেন ২ হাজার ১৮০ জন। ৮৫ বছরের বেশি বয়সি ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ৮৮৪। শতায়ু বা ১০০ বছরের বেশি বয়সি ভোটার রয়েছেন ৪২ জন। এছাড়া ৭৩৮ জন সার্ভিস ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন (Nandigram Rejinagar Bypolls)।

    বাংলার পাশাপাশি আরও তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচন

    পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের পাশাপাশি এদিন উপনির্বাচন হচ্ছে অসমের নগাঁও লোকসভা কেন্দ্র এবং তামিলনাড়ুর দু’টি বিধানসভা কেন্দ্রেও। নগাঁওয়ের কংগ্রেস সাংসদ প্রদ্যুৎ বরদোলই বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর লোকসভা কেন্দ্রটি ছেড়ে দেন। বর্তমানে তিনি বিজেপির বিধায়ক। তাঁর ছেড়ে দেওয়া নগাঁও লোকসভা কেন্দ্রেই আজ উপনির্বাচন হচ্ছে। এদিকে, এআইএডিএমকের দুই বিধায়ক ইস্তফা দেওয়ায় তামিলনাড়ুর মাদুরান্থকম এবং ধারাপুরম বিধানসভা কেন্দ্রেও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে (Voting)। ফলে বাংলার দুই কেন্দ্রের পাশাপাশি দেশের আরও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে আজকের ভোটের ফলাফলের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের (Nandigram Rejinagar Bypolls)।

     

  • Suvendu Adhikari: বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ল্যান্ড জিহাদ’ নিয়ে কড়া আইন, ছ’মাস সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ল্যান্ড জিহাদ’ নিয়ে কড়া আইন, ছ’মাস সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউনিফর্ম সিভিল কোড) চালুর পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আগামী ছ’মাসের মধ্যে ‘লাভ জিহাদ’ এবং ‘ল্যান্ড জিহাদে’র বিরুদ্ধে কড়া আইন আনার কথাও জানিয়েছেন (UCC) তিনি। রবিবার কলকাতায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি অশোক সিঙ্ঘলের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    বাংলাতেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু জানান, উত্তরাখণ্ড ও গুজরাটের মডেল অনুসরণ করে বাংলাতেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের। তাঁর কথায়, “আমাদের ছ’মাস সময় দিন। লাভ জিহাদ এবং ল্যান্ড জিহাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনও আনা হবে।”

    বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধির খসড়া তৈরির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে রাজ্য সরকার। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার এবং দত্তক গ্রহণ সংক্রান্ত নাগরিক আইনগুলিকে অভিন্ন করার লক্ষ্যেই প্রস্তাবিত বিধির খসড়া তৈরি করা হচ্ছে।

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। এদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, তাঁর সরকার সংবিধান মেনেই কাজ করবে। তবে ভারতীয় সংস্কৃতি, সনাতন ঐতিহ্য, মন্দির, মঠ এবং দেশের ঐতিহ্যের উপর কোনও ধরনের আক্রমণ বরদাস্ত করা হবে না বলেও জানান তিনি।

    বাংলায় কোনও দেশবিরোধী কার্যকলাপ সরকার মেনে নেবে না বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু। সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং বিভাজনকারী শক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান তিনি।

    শুভেন্দুর বক্তব্য, স্বামী বিবেকানন্দ এবং মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য যে আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেছিলেন, সেই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের উপর কোনও আঘাত বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর দাবি, সংবিধানের প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রেখেই সরকার কাজ করবে।

    তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী

    এদিন পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, আগের সরকারের পতনের একাধিক কারণ ছিল। তবে হিন্দুদের আবেগ, সংগঠন, দেবদেবী এবং সনাতন ঐতিহ্যকে বারবার আঘাত করার অভিযোগ তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলে দাবি করেন তিনি। দীর্ঘদিন মানুষ এসব সহ্য করার পর শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকে বিদায় জানিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ছাত্রজীবনে রাম জন্মভূমি আন্দোলনের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত ছিলেন তিনি। ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন রাজ্যে হিন্দুদের উপর কথিত অত্যাচারের বিভিন্ন অভিযোগের বিরুদ্ধেও আন্দোলন করেছেন।

    ধর্মীয় পর্যটন নিয়েও এদিন বড় ঘোষণা করেন শুভেন্দু। রাজ্যে প্রস্তাবিত ধর্মীয় পর্যটন পরিক্রমা প্রকল্পের কাজ আগামী দু’বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এই প্রকল্পের জন্য প্রায় ১,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষের পরামর্শ ও সহযোগিতাও চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    একাধিক কর্মসূচির কথাও ঘোষণা

    এদিন আগামী দিনের একাধিক কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করেন শুভেন্দু। নভেম্বর মাসে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে প্রায় ২০ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে হনুমান চালিসা পাঠের আয়োজন করা হবে বলে জানান (UCC) তিনি। পাশাপাশি আগামী ২৯ ডিসেম্বর প্রায় ১০ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে গণগীতা পাঠের পরিকল্পনার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    আগামী বছরের গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) দাবি, আগামী বছরের গঙ্গাসাগর মেলায় আন্তর্জাতিক মানের পরিকাঠামো ও পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

     

  • India vs Brazil: মাঠ ফুটবলারের, রাজনৈতিক নেতাদের নয়! যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ সুষ্ঠ আয়োজন করে দেখিয়ে দিল শুভেন্দু-প্রশাসন

    India vs Brazil: মাঠ ফুটবলারের, রাজনৈতিক নেতাদের নয়! যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ সুষ্ঠ আয়োজন করে দেখিয়ে দিল শুভেন্দু-প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঠ ফুটবলারের, রাজনৈতিক নেতাদের নয়। মাঠে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী থেকে সুকান্ত মজুমদার। ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী-সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। কিন্তু ফুটবলারদের বিব্রত করে মাঠে নেমে সেলফি তুলতে দেখা যায়নি কাউকে। বিনা ঝঞ্ঝাটে ভারত বনাম ব্রাজিল ম্যাচ সম্পন্ন হওয়ার পর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)  বললেন, এটাই আসল পরিবর্তন। মেসিকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তি ব্রাজিলের বিরুদ্ধে বহুল প্রতীক্ষিত আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলে হার স্বীকার করতে হল ভারত দলকে (India vs Brazil Match)।

    মেসি-ম্যাচে বিশৃঙ্খলা, মন্ত্রীদের সেফলি

    তৃণমূল আমলে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে চরম বিশৃঙ্খলার জেরে ভেস্তে গিয়েছিল লিওনেল মেসির ম্যাচ। মাঠে নেমেও ভিড় ও ধাক্কাধাক্কির মধ্যে পড়ে ফিরে যান লিওনেল মেসি। ওই ঘটনায় ম্যাচ ও অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তৎকালীন রাজ্য সরকারের দিকেই অভিযোগের আঙুল উঠেছিল। একাধিক নেতা-মন্ত্রীরা মাঠে নেমে মেসির সঙ্গে সেলফি তোলেন বলেও অভিযোগ উঠে। মোটা টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও হাজার হাজার দর্শক মেসিকে দেখতে না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরেছিলেন। ক্ষোভে ভাঙচুর করা হয় স্টেডিয়াম। সেই সময় রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। শনিবার যুবভারতীতে সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয় ব্রাজিল-ভারতের খেলা।

    কোনও নেতা-মন্ত্রী সেলফি তোলেনি

    এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমরা অনেক সাবধানে করেছি, ফিফার নিয়ম মেনে করেছি। ফুটবল মানে কলকাতা। আমাদের কোনও মন্ত্রী থেকে শুরু করে পুলিশ কাউকেই দেখেননি সেলফি তুলতে। আমরা বলেছিলাম, সব টিকিট সেল করবেন না। যাতে ডিসিপ্লিন ভাবে সবটা কন্ট্রোল করা যায়।” যুবভারতী স্টেডিয়ামের দর্শকাসন প্রায় ৬৬ হাজার। শনিবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হল যে, ৫১,৪০২ দর্শক খেলা দেখছেন। ম্যাচের শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, মেসি-কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রুখতে ২০ হাজার টিকিট কম বিক্রি করা হয়েছিল। অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী, ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বসে খেলা দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী। ম্যাচের শেষে মাঠ ছেড়ে বেরনোর সময় তিনি বললেন, ‘আমরা ২০ হাজার আসন ফাঁকা রেখেছিলাম, যাতে বিশৃঙ্খলা না হয়। আমাদের কোনও নেতা-মন্ত্রী বা প্রশাসনিক কর্তা সেলফি তোলার চেষ্টা করেনি। মেসি কাণ্ড আর হতে দেব না, এ নিয়ে বদ্ধপরিকর ছিলাম আমরা। সেই কারণেই ৫১ হাজার আসনে দর্শক ছিলেন, আর ২০ হাজার টিকিট ছাড়া হয়নি।’

    উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যে টিকিট

    ব্রাজিল-ভারতের খেলা শেষে সুখবর ঘোষণা করেন মুখ‍্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, রাজ্য মন্ত্রিসভায় আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত পাস করানো হবে। সূত্রের খবর, মেসি ম্যাচের টিকিট যাঁরা অনলাইনে কেটেছিলেন, তাঁদের কাছে উরুগুয়ের ম্যাচের বিনামূল্যের টিকিটের নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে। যুবভারতীতে লিওনেল মেসিকে দেখতে গিয়ে যাঁরা টিকিট কেটেও প্রতারিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত। সেই ম্যাচে ২২ হাজার টিকিট বিনামূল্যে বিতরণ করবে রাজ্য সরকার। লিওনেল মেসিকে দেখতে যাঁরা অনলাইনে টিকিট কেটেছিলেন, তাঁদেরকেই ওই বিনামূল্যের টিকিট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

  • India vs Brazil: ভারত-ব্রাজিল মহারণে মাঠে মুখ্যমন্ত্রী! তিন স্তরের তল্লাশি, ৩০০-র বেশি সিসিটিভি-তে নজরদারি

    India vs Brazil: ভারত-ব্রাজিল মহারণে মাঠে মুখ্যমন্ত্রী! তিন স্তরের তল্লাশি, ৩০০-র বেশি সিসিটিভি-তে নজরদারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল (India vs Brazil) ফুটবল দলের মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই উত্তেজনায় ফুটছেন ফুটবলপ্রেমীরা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার ৩ অক্টোবর কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে ভারত-ব্রাজিল আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ দেখতে যাবেন। শুক্রবার আলিপুরদুয়ারে বন দফতরের একটি অনুষ্ঠানে তিনি নিজেই এ কথা জানান। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এই ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা। এই ম্যাচকে ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ম্যাচ দেখতে বিপুল দর্শক সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় প্রায় ২ হাজার পুলিশকর্মী এবং ৪০০-র বেশি সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে বিধাননগর পুলিশ।

    স্টেডিয়ামে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    ভারতীয় মাটিতে দুই দেশের সিনিয়র পুরুষ দলের এটাই প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ হওয়ায় ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমি বাঙালিদের মধ্যে তৈরি হয়েছে তুমুল আগ্রহ। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিল বর্তমানে পঞ্চম স্থানে রয়েছে, অন্যদিকে ভারত রয়েছে ১৩৮ নম্বরে। ম্যাচকে কেন্দ্র করে রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সল্টলেক স্টেডিয়াম এবং কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ যাতায়াতের জায়গাগুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দর্শকদের বিপুল ভিড়ের কথা মাথায় রেখে যান চলাচল ও প্রবেশপথ নিয়েও বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর আগে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনের জন্য সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে রাজ্য সরকারের তরফে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার নিজেই স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ঐতিহাসিক এই ম্যাচ দেখার কথা জানালেন তিনি।

    জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    শনিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে ব্রাজিল ও ভারতের ফুটবল ম্যাচকে ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ম্যাচ দেখতে বিপুল দর্শক সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় প্রায় ২ হাজার পুলিশকর্মী এবং ৪০০-র বেশি সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে বিধাননগর পুলিশ। শহরে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় ফুটবল ম্যাচ হিসেবে এই ম্যাচকে ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দর্শকদের ভিড় এড়াতে বিকেল ৫টার মধ্যে স্টেডিয়ামে পৌঁছনোর পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। দর্শকদের প্রবেশের জন্য আলাদা আলাদা গেট ও চ্যানেল নির্দিষ্ট করা হয়েছে। লাইনে ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং প্রবেশ ও বেরনোর পথ আলাদা রাখতে গার্ডরেল ও ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। স্টেডিয়ামে প্রবেশের আগে দর্শকদের তিন স্তরের তল্লাশি করা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল টিকিট যাচাইয়ের পরই দর্শকদের ভিতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে। গোটা এলাকায় নজরদারির জন্য ৩০০-র বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।

    মেসি সফরের কথা মাথায় রেখে নিষেধাজ্ঞা

    নিরাপত্তার কারণে স্টেডিয়ামের ভিতরে বাইরে থেকে খাবার বা জলের বোতল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। আতশবাজি, স্মোক ক্যান্ডেল, লাইটার, সিগারেট-সহ সমস্ত ধরনের দাহ্য সামগ্রী নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও লেজার লাইট, ব্যানার, পোস্টার, ধারালো বস্তু, অস্ত্র, মদ ও মাদকদ্রব্য নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। ব্যানার ও ঢাক-ঢোলও নিষিদ্ধ তালিকায় রয়েছে। মাঠে ছুড়ে দেওয়া যেতে পারে এমন কোনও বস্তু যাতে দর্শকরা সঙ্গে না আনেন, সে বিষয়েও নজর রাখবেন নিরাপত্তাকর্মীরা। গত ডিসেম্বরে লিওনেল মেসির কলকাতা সফরের সময় স্টেডিয়ামে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে এবার প্রবেশপথ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত নিয়ম মেনে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে এবং পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে দর্শকদের অনুরোধ করা হয়েছে। মোবাইল ফোনও পর্যাপ্ত চার্জ দিয়ে রাখার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।

    গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামেও ম্যাচ দেখানোর ব্যবস্থা

    সল্টলেক স্টেডিয়ামের পাশাপাশি কলকাতা পুরসভার উদ্যোগে শনিবার কসবার অ্যাক্রোপলিস মলের পিছনে গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে জায়ান্ট স্ক্রিনে ব্রাজিল-ভারত ম্যাচ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরসভা সূত্রে খবর, সেখানে প্রায় ৩ হাজার দর্শকের বসার ব্যবস্থা থাকবে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু হবে ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার। অনুষ্ঠানটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ভিড় সামলানো এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    কোথায় দেখা যাবে ম্যাচ?

    ব্রাজিল ম্যাচের টিকিট না পেলেও সমস্যা নেই। অনায়াসে টিভিতেই দেখতে পারেন ম্যাচটি। সেক্ষেত্রে সোনি স্পোর্টসের চ্যানেলগুলিতে এই খেলা দেখা যাবে। ফুটবলের আবেগে যে কোনও জাতিকে টেক্কা দিতে পারে বাংলা। তাই ভারতের সঙ্গে ব্রাজিলের ম্যাচ হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। আর এই খেলাটি বাংলা কমেন্ট্রিতেও দেখতে পারেন। টিভিতে সোনি আট চ্যানেলে বাংলায় এই খেলাটি দেখতে পারেন। তাই যাঁরা বাংলায় ব্রাজিল ম্যাচটি দেখতে চাইছেন, তাঁরা সোনি ৮ চ্যানেলে টিউন করুন। এখন অনেকেই আর টিভির দিকে চোখ রাখেন না। তাঁদের কাছে মোবাইলটাই জগৎ। সেখানেই খেলা থেকে ফিল্ম, ওয়েব সিরিজ দেখেন তাঁরা। আর এই দলের মানুষকে নিরাশ হতে হবে না। কারণ, মোবাইল ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও দেখা যাবে খেলাটি। এক্ষেত্রে সোনি লিভ অ্যাপে খেলাটি দেখতে পারেন। যাঁদের এই অ্যাপের সাবস্ক্রিপশন আসে, তাঁরা দেখতে পাবেন। এই অ্যাপে এইচডি কোয়ালিটিতে ম্যাচ দেখা যাবে। সেই সঙ্গে ইংরেজি, হিন্দি, বাংলা সহ বেশ কিছু ভারতীয় ভাষায় শোনা যাবে কমেন্ট্রি। তাই যাঁর মোবাইলে খেলাটি দেখতে চাইছেন, তাঁরা অবশ্যই এই অ্যাপটি ইনস্টল করে নিন। তাহলেই টেনশন ফ্রি।

     

     

     

LinkedIn
Share