Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: ক্ষমতা থাকলে ২৬ সালের ভোটে আর একবার লড়াই করুন, নন্দীগ্রামে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ক্ষমতা থাকলে ২৬ সালের ভোটে আর একবার লড়াই করুন, নন্দীগ্রামে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে ফের একবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের নন্দীগ্রামে দাঁড়ালে ২০ হাজার ভোটে হারাব। ক্ষমতা থাকলে ২৬ সালের ভোটে আর একবার লড়াই করুন। তখন শুধু হিন্দুরা ছিলেন, এবার মুসলমানরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন। গরিব মুসলমানরা দেবে ভালো করে।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মুসলিম ভোট ভাগ হবে, আর তার ফয়দা লুটবে বিজেপি। ফলে সমীকরণ বদলে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

    হিন্দুত্বই বড় বিষয় (Suvendu Adhikari)

    ২০১৪ সালের পর থেকে বঙ্গে বিজেপির পালে হাওয়া লেগেছে। দিলীপ ঘোষের আমলে ২০১৯ সালে বিজেপি সব থেকে বেশি ১৮টি আসন পেয়েছিল লোকসভায়। ২০২১ সালে বিজেপি হিন্দুত্বের জোয়ারে ভেসে ৩ থেকে ৭৭টি  বিধানসভার আসন পেয়েছে। কিন্তু মমতার সীমাহীন মুসলিম তোষণ একদিকে যেমন হিন্দু জনমনে বিরাট অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে, একইভাবে আবার বহু মুসলিমের বিরুদ্ধে হিন্দুকে খেপিয়েও তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রগতিশীল মুসলিম এবং রাষ্ট্রবাদী মুসলমান সমাজের অবশ্য দাবি, মুসলিম সমাজের উন্নয়নের নামে আদতে একটি পরিবারের শুধু আয় বেড়েছে। আপামর জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান বদলায়নি। তবে বঙ্গ বিজেপি হিন্দুত্বকেই বড় বিষয় হিসেবে প্রচারের আলোয় নিয়ে আসতে চাইছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) খুব স্পষ্ট করে বলেছিলেন, “আমরা ৩৯ শতাংশ আছি, আর ৫-৬ শতাংশ হিন্দুরা একজোট হলেই ক্ষমতায় আসা সম্ভব হবে।”

    এক সঙ্গে লড়াই করার আহ্বান

    দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে শমীক ভট্টাচার্যও (BJP Bengal) তৃণমূলকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। দল-মত সব কিছু ভুলে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিকেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। হিন্দুরা সুরক্ষিত থাকলে তবেই বাংলায় গণতন্ত্র থাকবে। এই লড়াই হিন্দু অস্তিত্বের বড় লড়াই। লাগামছাড়া দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, বেকারত্ব, কয়লা, বালি, পাথর, মাটি চুরি এখন চরম শিখরে। বাংলায় কর্মসংস্থান নেই। কলকারখানা নেই। তাই বাংলাকে ফেরাতে বিজেপিকেই চাই। এইভাবেই বাংলায় রাজনৈতিক বদলের কথা প্রচার করছে বিজেপি। ২০২৬ সালে এর প্রভাব কতটা ভোট বাক্সে পড়ে, এখন তা-ই দেখার।

  • Suvendu Adhikari: “হিন্দুরা একজোট না হলে পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশ হবে”, দীপু দাস হত্যার কথা স্মরণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হিন্দুরা একজোট না হলে পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশ হবে”, দীপু দাস হত্যার কথা স্মরণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে উত্তরে আলিপুরদুয়ারে যখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করছেন, অপর দিকে দক্ষিণে তাঁকে আক্রমণ করে নন্দীগ্রামের সভা থেকে একাধিক ইস্যুতে বক্তব্য রাখলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “নন্দীগ্রামে (Nandigram) যেভাবে হিন্দুরা একজোট হয়েছেন ঠিক একই ভাবে সারা পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের একজোট হতেই হবে।” হিন্দু মানুষের প্রতি সহানুভূতির মন্ত্রই বাংলাদেশ হওয়া থেকে রক্ষা করবে পশ্চিমবঙ্গকে। এমন ভাবেই বিস্ফোরক হয়েছেন শুভেন্দু।

    বাংলাদেশকে দেখলেই বোঝা যায় (Suvendu Adhikari)

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) সভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, “এখানে হিন্দুদের সংখ্যা কম, তাই চাপের মধ্যে থাকতে হয়। এই চাপ অস্বীকার করার উপায়ও নেই। হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ না হলে অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়বে। এমন কি খুনের ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই সব ভেদাভেদকে ভুলে সকলকে এক হওয়ার বার্তা দিতে হবে। হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ না হলে কি অবস্থা হয় তা বাংলাদেশকে দেখলেই বোঝা যায়।”

    পুলিশ দুষ্কৃতীদের মতো আচরণ করছে

    মমতার বিরুদ্ধে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তোপ দেগে বলেন, “বাংলাদেশে এক সময় হিন্দু ছিল ৩৩ শতাংশ। এখন ৭ শতাংশের নিচে এসে নেমেছে। বাংলাদেশে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। তাই এক না হলে জামত মানসিকতার গুন্ডারা একই ভাবে অত্যাচার করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ দুষ্কৃতীদের মতো আচরণ করছে। দুষ্কৃতীদের জায়গায় এখন পুলিশরা নিয়ে নিয়েছে। এলাকার কিছু দুষ্কৃতীকে কৃতকর্মের জন্য দেড় বছর জেল খাটিয়েছি। ফলে একটু চাপে আছে তৃণমূলের নেতারা। তবে ভোটের সময় এপ্রিল মাসে ফের তাণ্ডব করতে পারে। তাই এখন থেকে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।”

    একই ভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, “২০১১ সালের আগে অভিষেক নাবালক ছিলেন। মমতাকে মেদিনীপুর, নন্দীগ্রাম আমি চিনিয়েছি। উত্তরের চা বাগানে মমতা মদ বিক্রির লাইসেন্স দিয়েছেন। অভিষেক মিথ্যা ভাষণ দেন। এইবারে নন্দীগ্রামে (Nandigram) দাঁড়ালে মমতাকে আরও একটি শূন্যের অঙ্ক বাড়িয়ে হারাব।

  • Suvendu Adhikari: ২০০ নয়, ২২০ আসন পাবে বিজেপি, চাঁচলের সভা থেকে সরকার গড়ার ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ২০০ নয়, ২২০ আসন পাবে বিজেপি, চাঁচলের সভা থেকে সরকার গড়ার ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে তিন দিনের সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ। তিনি বঙ্গ বিজেপির নেতাদের টার্গেট আসন সংখ্যা দিয়ে গিয়েছেন ২০০। তবে শুক্রবার মালদার (Malda) চাঁচলে বিজেপির এক জনসভা থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোষণা করেন ২০০ নয়, ২২০ আসন পাবে বিজেপি। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের গত ১৫ বছরের শাসনে নারী ধর্ষণ, চাকরি চুরি, কয়লা-বালি-মাটি-পাথর পাচার চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। ২৬০০০ স্কুল শিক্ষকের চাকরি চলে গিয়েছে মমতার শাসনে। ফলে সবটা মিলিয়ে আপামর জনসাধারণের তীব্র ক্ষোভ, অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় আসার বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদী বলে মনে করছেন বঙ্গবিজেপির নেতারা।

    মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ (Suvendu Adhikari)

    শুক্রবার চাঁচলের (Malda) জনসভা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তার ইস্যুতে স্বমহিমায় মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি আগত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বলেন, “ঠিক সময়ে দলটা ছেড়েছিলাম। দেশের হাল নরেন্দ্র মোদি ছাড়া গতি নেই। আগামী বিধানসভায় বিজেপি ২২০টি আসন পাবে। সরকার বিজেপিই গড়বে। রাজ্যের সমস্ত সনাতনীরা এগিয়ে আসলে ২২০ আসন হবেই।”

    ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মে ভোট

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূলকে সমালচনা করে বলেন, “চোরের দলে গেলে সবাই বদলে যাবে। আগে বুঝেছিলাম বলে ৬ বছর আগেই পালিয়ে এসেছি। একে একে সবাই এসেছে গেরুয়ার নিচে, কারণ মোদিজি ছাড়া দুর্বৃত্তদের আর কেউ আটকাতে পারবে না। পশ্চিমবঙ্গের দুটি লোকসভায় হিন্দুদের জোট চোখে পড়ার মতো ছিল। উত্তর মালদায় (Malda) হিন্দুরা অনেক বেশি সংঘবদ্ধ। ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মে ভোট দিয়েছেন। সকল সনাতনীদের এগিয়ে আসতে হবে।”

    প্রশাসন চরম অসহযোগিতা করে

    রাজ্যে বাকি সমস্ত রাজনৈতিক দলের দলীয় কর্মসূচিতে অনুমতি দিলেও বিজেপির ক্ষেত্রে মমতা প্রশাসন চরম অসহযোগিতা করে বলে তোপ দাগেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মালদার (Malda) চাঁচলের সভা থেকে শুভেন্দু তৃণমূলের বিরুদ্ধে বলেন, “এই নিয়ে ১০৪ বার সরকারের বিরোধিতার জন্য আদালত থেকে সভা করার অনুমতি করতে হয়েছে। তবে প্রশাসনের এই অসহযোগীতাও বেশিদিন থাকবে না। আগামী এপ্রিল মাসের পর রাজ্যের বিরোধী দল হয়ে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ে হিসেব হবে। রাজ্যের চটিচাটা পুলিশের নাম লিস্ট করে রেখেছি। সবাইকার নাম লেখা রয়েছে, সবার হিসেব তোলা থাকবে।”

    ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মফুলে ভোট দেবে

    হিন্দু ভোটের ঐক্যের কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “২০২১ সালে নন্দীগ্রামে হিন্দুভোট একত্রিত হয়েছিল। সেই সময় ৬৫ শতাংশ ভোট একত্রিত হয়েছিল। মমতাকে প্রায় ২০০০ ভোটে হারিয়েছিলাম। ২০২৪ সালে নন্দীগ্রামে হিন্দুভোট হয়েছিল ৭২ শতাংশ। আবার লোকসভার ভোটে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ১২০০০ ভোটে লিড পেয়েছিলেন। হাতে মাত্র ৩ মাস। এখানেও উত্তর মালদার মতো ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মফুলে ভোট দেবে। বিজেপি প্রার্থী ২০ হাজার ভোটে জয়ী হবেন। ২৪ সালে জয় জগন্নাথ বলে ওড়িশায় বিজেপি সরকার গড়েছে। এবার বাংলার পরিবর্তন হবে। নাগরাকাটায় খগেন মুর্মুর আক্রান্ত হওয়া নিয়েও সরব হন শুভেন্দু। তিনি ত্রাণ দিতে গিয়েছিলেন, ভোট চাইতে যাননি, খগেন মুর্মুর রক্ত হবে না ব্যর্থ। পাশের জেলা হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাসকে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। হিন্দু অস্তিত্ব অত্যন্ত সঙ্কটের। অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গের জয় হবেই।”

    ১০ শতাংশের তফাত

    উল্লেখ্য বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ ভোটের পার্থক্য রিয়েছে। এদিকে ২০২১ সালে বিজেপি আসন পেয়েছিল ৭৭টি, তৃণমূল পেয়েছিল ২১৩টি। তৃণমূলের ভোট শতাংশ ছিল ৪৭.৯৪ এবং বিজেপির ছিল ৩৮.১৩ শতাংশ। সংযুক্ত মোর্চার দিকে ছিল ৮.৬ শতাংশ। যদিও এসআইআর-এর কাজে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। ফলে শতাংশের বিচারে বিজেপির সম্ভাবনাও ব্যাপক রয়েছে। ২০০ বা ২২০ আসন বিজেপি পাওয়ার সম্ভাবনাকেও গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন ওয়াকিবহাল মহল।

  • Amit Shah: ২০০ আসনের লক্ষ্যেই অটল বিজেপি, কর্মী সম্মেলন থেকে বার্তা অমিত শাহের

    Amit Shah: ২০০ আসনের লক্ষ্যেই অটল বিজেপি, কর্মী সম্মেলন থেকে বার্তা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গ সফরে এসে ফের একবার ‘২০০ আসন’-এর লক্ষ্যে দলকে নির্বাচনী ময়দানে নামার বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার সায়েন্স সিটিতে আয়োজিত বিজেপির কলকাতা জোনের কর্মী সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানিয়ে দেন, বাংলায় বিজেপি কোনও ভাবেই থামার দল নয়। মঞ্চ থেকে কর্মী ও নেতৃত্বকে উদ্বুদ্ধ করে শাহ বলেন, “আমরা যদি ৩টি আসন থেকে ৭৭টি আসনে পৌঁছতে পারি, তাহলে ৭৭ থেকে ২০০টি আসনে পৌঁছনো অসম্ভব কেন হবে?” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের লড়াইয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার বার্তা দেন।

    চার সাংগঠনিক জেলায় ২০ আসনের লক্ষ্য (Amit Shah)

    এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, কলকাতা উত্তর শহরতলি (দমদম লোকসভা এলাকার অন্তর্গত বিধানসভাগুলি) এবং যাদবপুর – এই চারটি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি কর্মী ও নেতানেত্রীরা। এই চার জেলায় মোট ২৮টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। সেখান থেকেই শাহ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে অন্তত ২০টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেন। দলীয় সূত্রে খবর, এদিন সকালে অমিত শাহ বিজেপির সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকও করেন। সেই বৈঠকে বিশেষভাবে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে আলোচনা হয়। রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্র ঘিরে দলের কৌশল নিয়েও কথা হয়।

    দলীয় পুনর্গঠনের ইঙ্গিত

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সায়েন্স সিটির এই কর্মী সম্মেলনে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত একাধিক প্রাক্তন বিধায়ককেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, এটি রাজ্যে বিজেপির সংগঠন পুনর্গঠনের স্পষ্ট ইঙ্গিত। সব মিলিয়ে, রাজ্যে বিজেপির নির্বাচনী প্রস্তুতি যে নতুন করে গতি পাচ্ছে, তা স্পষ্ট শাহের এই সফর ও তাঁর বক্তব্যে।

     ‘সবচেয়ে বড় বিপদ’

    এদিন বক্তৃতা দিতে গিয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে দু’টি বিষয় যে সব চেয়ে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে, এদিন তাও জানিয়ে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই রাজ্যে দু’টো জিনিস মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, একটা অনুপ্রবেশ, আর একটা দুর্নীতি।” শুধু রাজ্যের প্রশাসনিক পরিস্থিতি নয়, কলকাতার নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন শাহ। তিনি বলেন, “কলকাতা আর আগের মতো নিরাপদ নয়। অনুপ্রবেশের দাপট ক্রমেই বাড়বে। এর ফলে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষই বিপদের মুখে পড়বেন।” এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে বর্তমান সরকারকে সমূলে উৎপাটিত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    বিজেপি কর্মীদের শাহি নির্দেশ

    ভাষণ দেওয়ার সময়ই বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে একাধিক সাংগঠনিক নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, দলের প্রতিটি কর্মীর সঙ্গে আর এক কর্মীর যোগাযোগ আরও বাড়াতে হবে। “সবাইকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাড়ি-বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। সাধারণ মানুষের আরও কাছে পৌঁছনো এখন সবচেয়ে জরুরি”।

    ‘মা-মাটি-মানুষ’ স্লোগান নিয়ে কটাক্ষ

    তৃণমূল সরকারের জনপ্রিয় স্লোগান ‘মা-মাটি-মানুষ’কে কটাক্ষ করে শাহ বলেন, “মা আজ বিপন্ন, মাটিতে অনুপ্রবেশের দাপাদাপি চলছে। তাই মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছনো এখন বিজেপির দায়িত্ব।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি রাজ্যের সামাজিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। দলীয় কর্মীদের চাঙা করতে আত্মবিশ্বাসের সুরে শাহ বলেন, “কোনও কিছুর সঙ্গে আপোস করা যাবে না। এবারের লক্ষ্য একটাই, বাংলায় বিজেপির সরকার গঠন।” তিনি বলেন, প্রার্থী যেই হোক না কেন, সবাইকে জেতাতে হবে। লিখে রাখুন, পশ্চিমবঙ্গে আমাদেরই সরকার হবে।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কলকাতায় নির্দিষ্ট আসনভিত্তিক লক্ষ্য স্থির করে দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে নতুন করে সাজানোই এখন দলের পাখির চোখ। রাজ্যের শহর ও গ্রাম, দুই জায়গায়ই সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর কৌশলেই এগোচ্ছে গেরুয়া শিবির। তৃণমূলের সঙ্গে যে কোনও সমঝোতা নেই, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছে শাহ। এদিকে, এদিন বঙ্গ বিজেপির চার মুখ শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার এবং দিলীপ ঘোষকে নিয়ে আলাদা করে বৈঠকে বসেন শাহ। সঙ্গে ছিলেন ভূপেন্দ্র যাদব, সুনীল বনসল এবং বিপ্লব দেব।

  • Suvendu Adhikari: যুবভারতীকাণ্ডে যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: যুবভারতীকাণ্ডে যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের পাশে থাকার বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলার ঘটনায় যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে এ কথা ঘোষণা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Mesi Mess Case)। শুভেন্দু বলেন, “যুবভারতীকাণ্ডে যাঁদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তাঁদের সবাইকে সম্পূর্ণ আইনি সহায়তা দেবে বিজেপি।” দর্শকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর এবং গ্রেফতারির সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদও করেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “ধৃতদের সম্পূর্ণ লিগ্যাল সার্পোট দেবে বিজেপি। আমাদের আইনজীবীরা এই তথাকথিত ভুয়ো এফআইআরগুলিতে স্থগিতাদেশ চাইবেন। জামিন করানো থেকে শুরু করে আইনি লড়াই, সব দিকেই বিজেপি পাশে থাকবে। এ নিয়ে আমরা একটি জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করেছি।”

    মেসিকাণ্ডের জের (Suvendu Adhikari)

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মেসিকাণ্ডের জেরে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রী যে বেশ বেকায়দায়, তাও জানান জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু। তবে রাজ্যের সাদা কাগজে সই করা পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যে মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিতে চাইছেন, সে কথাও জোর গলায় জানিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা কোনও অপরাধ করেননি। তাঁরা টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছেন। অনেকেই মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত ও উচ্চশিক্ষিত। অথচ যাঁরা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হল না।” তাঁর প্রশ্ন, “মেসিকে প্রথমে ২৫ কোটি টাকা অগ্রিম দিয়েছে কে? এতে তো পুরো দলটাই জড়িত (Suvendu Adhikari)।”

    ঢুকতে বাধা রাজ্যপালকেও

    এদিকে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের পর এবার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ঢুকতে দেওয়া হল না রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে। এদিন বেলা ১২টা নাগাদ (Mesi Mess Case) স্টেডিয়ামে পৌঁছন শুভেন্দু। সেখানে তাঁকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এর কিছুক্ষণ আগেই অবশ্য রাজ্যের তৈরি করা সিট-এর পদস্থ পুলিশ কর্তারা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে ফিরে যান। তার পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় স্টেডিয়ামের গেট। অগত্যা সঙ্গী বিধায়কদের নিয়ে স্টেডিয়ামের বাইরেই দাঁড়িয়ে থাকেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বলেন, “আমরা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি করে দেওয়া কমিটিই মানি না। সেই কারণেই আদালতে গিয়েছি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ঘরে মামলা রয়েছে। আমরা চাই রাজ্য সরকারের প্রভাবমুক্ত তদন্ত কমিটি। মূল অভিযোগ তো রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধেই। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব ছিল পুলিশের। সেই পুলিশের বিরুদ্ধেই অভিযোগ। অভিযোগ ক্রীড়া দফতরের বিরুদ্ধেও।” তিনি বলেন, “গেট বন্ধ তো রাজ্যপালকেও করে দিয়েছিল। রাজ্যপালকে যদি করতে পারে, তাহলে বিরোধী দলনেতাকেও করতে পারে।” তিনি বলেন (Mesi Mess Case), “ওঁরা নিজেরাই দরজা বন্ধ করে পালিয়ে গিয়েছেন (Suvendu Adhikari)।”

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আর ভোট ব্যবধান নেই”, এসআইআর নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আর ভোট ব্যবধান নেই”, এসআইআর নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরে খসড়া তালিকা প্রকাশ হতেই ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই আবহে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তাঁর সাফ কথা, “নিবিড় সংশোধনীর খসড়া ভোটার তালিকা (SIR) প্রকাশিত হওয়ার পর তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির খুব বেশি পার্থক্য রইল না। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চূড়ান্ত তালিকায় আরও বাদ যাবে।” বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। ফলে ভোটের বিচারে তৃণমূলের সঙ্গে ভোটের ফারাক খব কম, ফলে এসআইআরে মৃত, ঠিকানা বদল বা একাধিক জায়গায় নাম এবং জাল ভোটারদের নাম বাদ গেলে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে বিরাট প্রভাব ফেলবে। আর তাহলেই বাজিমাত করবে বিজেপি।

    ব্যবধান ছিল ২১ লক্ষ (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু এদিন বলনে, “২০২৪ এর লোকসভা ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির ভোট ব্যবধান ছিল ২১ লক্ষ। আমরা পেয়েছিলাম ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ২৭ হাজার। আর ওরা ২ কোটি ৭৫ লক্ষের আশপাশে। অর্থাৎ ৪১ লক্ষের মতো ভোটারের গ্যাপ ছিল। সরাসরি লড়াইয়ে সিপিএম, কংগ্রেস ভোট কাটার কাজটা করে। মূলত, তৃণমূল ভার্সেস-বিজেপির যে লড়াই বাংলায় হচ্ছে তাতে আমাদের সঙ্গে ওদের তফাৎ ২১ লক্ষ। ৫৮ লক্ষ ভোট বাদ দেওয়ার মধ্যে থেকে প্রমাণ হয়েছে বিজেপির সঙ্গে ওদের কোনও তফাৎ এই মুহূর্তে নেই। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (SIR) বেরলে আরও তালিকা বাদ যাবে। আগে যে বাদ যাওয়ার সংখ্যা বলেছিলাম তার থেকেও বাড়বে।”

    কোথায় কোথায় দেখা যাবে তালিকা?

    গত ২০২৪ সালের লোকসভায় তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ২১ লক্ষ। এখন তা কমে গিয়েছে। এসআইআরের ফলে তৈরি হওয়া খসড়া তালিকা দেখা যাচ্ছে স্থানীয় বুথ, পঞ্চায়েত অফিস, পুরসভা দফতর, মহকুমা শাসক, জেলা শাসক, বিডিও-র অফিসে। সর্বত্র লিস্ট (SIR) দেখা যাবে। এছাড়াও ন্যাশনাল ভোটার সার্ভিস পোর্টালে ভোটার তালিকায় পাওয়া যাবে। তবে আগামী বিধানসভার নির্বাচন নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অবশ্য বিশেষ ভাবে আশাবাদী।

  • Suvendu Adhikari: ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ ক্রীড়ামন্ত্রীর, সাদা কাগজে ইস্তফা কেন?

    Suvendu Adhikari: ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ ক্রীড়ামন্ত্রীর, সাদা কাগজে ইস্তফা কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ‘মেসি-মেসে’র পর পদত্যাগ করেছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। অরূপের (Arup Biswas) পদত্যাগকে নাটক বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর পদত্যাগ নিয়েই প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলনেতা। তিনি অরূপের এই পদত্যাগকে সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করেছেন। শুভেন্দু বলেন, “এটা নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়। এই নাটক অনেক পুরানো নাটক।” তিনি বলেন, “সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই মেসিকাণ্ডে মুখ পুড়েছে মমতা সরকারের। তাই এখন নিজেদের ভাবমূর্তি বজায় রাখতে এই নাটক করছেন মমতা।

    শুভেন্দুর বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আন্তর্জাতিক প্লেয়ার মেসিকে নিয়ে কী যে হল আপনারা তা দেখলেন। তবে এটায়ও কয়েকশো কোটি টাকা চুরি হয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের পদত্যাগে কিছুই হবে না মুখ্যমন্ত্রী। আমরা অরূপের গ্রেফতারি চাই। অরূপ বিশ্বাস ও সুজিত বসুর গ্রেফতারি চাই।” তিনি বলেন, “আপনারা যুবক ছেলের ইমোশন নিয়ে খেলা করেছেন। তাই টাকাগুলো ফেরত দিন। টাকা আপনাকে ফেরত দিতেই হবে। আপনার পুলিশ দর্শকদের পিটিয়েছে। যাঁদের জেলে ভরেছেন, আগে তাঁদের জামিন দিন। তারপর আপনার সঙ্গে কথা হবে।”

    এ কোন নাটক!

    রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ইস্তফা প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা যে মন্তব্য করেছেন, তা নিছক কথার কথা নয়। কারণ তিনি পদত্যগপত্র লিখে পাঠিয়েছেন একটি সাদা কাগজে। সেই চিঠি পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। সেই চিঠির ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটমাধ্যমে। যা নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই চিঠির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করছেন নেটাগরিকরা। কেন অরূপ বিশ্বাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের একজন মন্ত্রী পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ এমন ‘সাদা কাগজে’ পদত্যাগপত্র লিখলেন? কারণ মন্ত্রী স্থানীয় কেউ যদি ইস্তফা দেন তাহলে তাঁকে অবশ্যই নিজের বা মন্ত্রীর লেটারহেডে পদত্যাগপত্র লিখতে হবে (Suvendu Adhikari)। এভাবে সাদা পাতায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানো (Arup Biswas) যায় কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দ্বিতীয়ত, কোথাও অরূপ বিশ্বাসের নাম নেই। এমনকি চিঠির শেষে অরূপ বিশ্বাসের সইও দেখা যাচ্ছে না। গোটা চিঠির একটি জায়গায় মাত্র লেখা রয়েছে, ‘তাই নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে আমি ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে আপনার কাছে অব্যাহতি চাইছি।’ এছাড়া আর কোথাও ক্রীড়ামন্ত্রী বা অরূপ বিশ্বাসের নামোল্লেখ দেখা যায়নি।

    নেটিজেনদের প্রশ্ন

    নেটিজেনদের তৃতীয় প্রশ্ন হল, ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের কাছে যদি ব্যক্তিগত বা অফিশিয়াল লেটারহেড নাও থেকে থাকে, তাহলে তিনি এই ডিজিটাল যুগে মেইল করে বা কেন পদত্যাগপত্র পাঠালেন না? এখন ইমেইল করে পদত্যাগ পাঠানো অনেকক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য (Suvendu Adhikari)। নেটিজেনদের অনেকে সাদা পাতায় পদত্যাগপত্র লেখার বিষয়টি নিয়ে তুলোধনা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে। অনেকে অবার বলেছেন, রাজ্যের মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্যই এই কারসাজি। কেউ আবার বলেছেন, অভিষেক আর আইপ্যাকের চাপে বাধ্য হয়েই অরূপ পদত্যাগ করেছেন। আবার কারও মতে, মেসি-মেস থেকে আমজনতার দৃষ্টি ঘোরাতে এই নাটকের অবতারণা। যদিও অরূপ এখনও এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি (Arup Biswas)।

    এখন দেখার, সাদা কাগজে অরূপের পাঠানো এই পদত্যাগপত্র মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেন কি না (Suvendu Adhikari)!

  • Suvendu Adhikari: “বদলও হবে বদলাও হবে”, ২০২৬ সালের নির্বাচনে বদলের ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “বদলও হবে বদলাও হবে”, ২০২৬ সালের নির্বাচনে বদলের ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলও হবে, বদলাও হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জনসভা থেকে তৃণমূলকে সরিয়ে বিজেপিকে সরকারে বসানোর ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ২০১১ সালে ৩৪ বছরের বাম শাসনকে সরাতে বদলা নয় বদল চাই বলে ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু একটানা প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, হত্যা, খুন এবং সম্পত্তি লুট সহ একাধিক দুর্নীতির ইস্যুতে তৃণমূলের অপশাসন এখন চরম শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। তাই বিজেপির সভায় বদলা এবং বদলের স্লোগান উঠেছে।

    বাংলাকে এখন বাঁচানো দরকার (Suvendu Adhikari)

    মমতার (Mamata Banerjee) শাসন রাজ্যবাসীর কাছে এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এক দিকে লাগাম ছাড়া দুর্নীতি এবং অপর দিকে বিরোধীদের প্রতি হিংসাত্মক আচরণের কারণে শাসক দলের প্রতি জনবিদ্বেষ চরমে পৌঁছে গিয়েছে। মমতাকে আক্রমণ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের অধঃপতন হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে জাতীয়তাবাদ এখন সর্বাত্মক ভাবে বিপন্ন। বিকাশবাদকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলায় পরিবর্তন আনতে হবে। এখানে বদল হবে আবার বদলাও হবে। পশ্চিমবঙ্গ জামাতদের হাতে চলে গিয়েছে। সেই জন্য বাংলাকে এখন বাঁচানো দরকার। ওপারের বাংলাদেশের কালচারকে এইপারেও চালু করতে চাইছেন মমতা। বাংলার রেল প্রকল্প জমি জটে আটকে গিয়েছে। কিন্তু মমতা জমি দেবেন না। ৯১ হাজার কোটি টাকা দিতে চান প্রধানমন্ত্রী। আরও একাধিক বিমান বন্দর গড়তে চেয়েছেন। কিন্তু রাজ্য সরকার জমি দিচ্ছেন না।”

    উন্নয়নকে ধ্বংস করে দিয়েছেন

    রাজ্যে গত ১৫ বছরে কোনও কর্মসংস্থান হয়নি। টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২৬০০০ শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়েছে। তাই এই তৃণমূল সরকারকে সরানো একান্ত আবশ্যক। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমতা, উদয়নারায়ণপুরে কাজ নেই। বাড়ি ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে গেছেন লোকজন। এর জন্য দায়ী মমতাই। রাজ্যে শিল্পের বেহাল দশা। পরপর জুটমিল বন্ধ। বাংলায় আয়ুষ্মান ভারতকে লাগু করতে দেননি, উন্নয়নকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। রাজ্যের অধঃপতন হয়েছে। তাই পরিবর্তন দরকার। বিজেপি এলে মাফিয়া, সিন্ডিকেট রাজ থাকবে না।”

  • SIR Hearing Process: শুভেন্দুর দাবি মানল কমিশন, ওয়েবকাস্টিং-এর নজরদারিতেই হবে যাচাই ও শুনানি পর্ব

    SIR Hearing Process: শুভেন্দুর দাবি মানল কমিশন, ওয়েবকাস্টিং-এর নজরদারিতেই হবে যাচাই ও শুনানি পর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর প্রক্রিয়ায় খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে ১৬ ডিসেম্বর। ওই তালিকা স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে ব্লক অফিস এবং ডিইও অফিসে টাঙানো থাকবে। সূত্রের খবর ওই দিন থেকেই শুরু হয়ে যাবে যাচাই ও শুনানি (SIR Verification and Hearing) পর্ব‌। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, শুধুমাত্র জেলাশাসকের দফতরেই হবে যাচাই ও শুনানি পর্ব। এরই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই শুনানি পর্বের ওয়েবকাস্টিং এবং ভিডিয়ো রেকর্ডিং করতে হবে। এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা পর্যন্ত সেই সব ভিডিয়ো সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ইসিআইকে চিঠি লিখে এই দাবি জানিয়েছিলেন।

    শুনানি পর্ব- নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন

    বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, এনুমারেশন পর্ব (Enumeration Phase) শেষ হচ্ছে। ঠিক চার দিন পরে, ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তারপরই শুরু হবে শুনানি পর্ব- এই প্রস্তুতি নিতে আজ থেকেই কমিশন তৎপরতা শুরু করেছে। কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যে মোট ফর্মের ৯৯.৭৫ শতাংশ ডিজিটাইজ করা হয়েছে, অর্থাৎ ৭ কোটি ৬৪ লক্ষ ৪৪ হাজার ২৮১টি ফর্ম অনলাইনে রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এখনও ৯ হাজার ৬৩টি এনুমারেশন ফর্ম বিতরণ করা যায়নি। রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলায় ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের আবহে এখনও পর্যন্ত বাদ যেতে পারে ৫৭ লাখেরও বেশি ভোটারের নাম। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই তথ্যই জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। যত দিন যাচ্ছে, ততই এই সংখ্যাটা বাড়ছে। রিপোর্টে দাবি করা হল, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজ্যে আনকালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা ৫৭ লক্ষ ১ হাজার ৫৪৮।

    আনকালেক্টবল ফর্মের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে

    কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত আনকালেক্টবল ফর্মের তথ্য থেকে জানা গিয়েছে মৃত ভোটারের সংখ্যা ২৪ লক্ষ আট হাজার ৫৭৪। এছাড়া স্থানান্তরিত ভোটার ১৯ লক্ষ ৮০ হাজার ৩৯৩, নিখোঁজ ভোটার ১১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬৪৩, ডুপ্লিকেট ভোটার ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ২৩২, এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে আনকালেক্টবল ফর্মের সংখ্যা ৫০ হাজার ৭০৬। এদিকে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও বেশ কিছু জায়গায় আনকালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা আপলোড করা হয়নি। এই আবহে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হতে হতে আনকালেক্টবল ফর্মের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

    জাল নথি পেশ করলে শাস্তি ভোগ করতে হবে

    অন্যদিকে, ২০০২ সালের পুরনো ভোটার তালিকার সঙ্গে মিল না থাকায় এখন রাজ্যে প্রায় ২৯ লক্ষ মানুষ ‘আনম্যাপড’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। অর্থাৎ তাঁদের নাম ২০০২ সালের তালিকায় নেই, তাদের সবাইকে শুনানির মুখোমুখি হতে হবে। খসড়া তালিকা প্রকাশ হওয়া মাত্র সংশ্লিষ্ট ইআরও (ইলেকশন রিটেনিং অফিসার) নোটিস পাঠাতে শুরু করবেন। নোটিস পেলে নির্দিষ্ট দিন ওই অফিসে গিয়ে কমিশনের নির্ধারিত ১১টি নথি-র মধ্যে কমপক্ষে একটি দেখাতে হবে। যারা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে পারবেন না, তাদের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ যাবে। এছাড়াও, এমন অনেক ভোটার আছেন, যাদের নাম ২০০২ সালের তালিকায় থাকলেও কমিশন ‘সন্দেহজনক’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাদেরকেও শুনানির জন্য ডাকা হতে পারে। এই ক্ষেত্রে তাদের ফর্মে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপযুক্ত প্রমাণ দেখাতে হবে এবং কমিশনের প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। কমিশন একথাও মনে করিয়ে দিয়েছে, এসআইআরে যদি কেউ জাল নথি পেশ করে, তাহলে আইন অনুযায়ী শাস্তি ভোগ করতে হবে। তথ্যের জালিয়াতির অভিযোগে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত জেল ও জরিমানা হতে পারে।

    সিসিটিভি-র নজরদারিতে শুনানি পর্ব

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ইসিআইকে চিঠি লিখে এই দাবি জানিয়েছিলেন যে শুনানি পর্ব যেন সিসিটিভি-র নজরদারিতে হয়। সেই সঙ্গে তাঁর আরও দাবি ছিল যে, সম্পূর্ণ শুনানি পর্ব মাইক্রো অবজার্ভারদের উপস্থিতিতে করতে হবে। প্রথম বিষয়টি অর্থাৎ সিসিটিভির নজরদারি কমিশন মেনে নিলেও দ্বিতীয় বিষয়টি অর্থাৎ মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে এখনও কমিশন (ECI) কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। কমিশনের দফতর থেকে জেলাগুলিতে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘যাচাই ও শুনানি’ পর্ব শুধু এবং শুধুমাত্র জেলাশাসকের দফতরেই করতে হবে। অন্য কোনও সরকারি বা বেসরকারি অফিসে এই শুনানি করা যাবে না। সেই সঙ্গে সঙ্গে এটাও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে এই পুরো যাচাই এবং শুনানি পর্ব, বিশেষ করে শুনানি পর্বের ওয়েবকাস্টিং ও ভিডিও রেকর্ডিং করতে হবে। যতদিন না পর্যন্ত এই এসআইআর পর্ব শেষ হয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (Voter List) প্রকাশ করা হচ্ছে অথবা কমিশন নির্দেশ দিচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত এই ভিডিও সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। কমিশন মনে করছে, এভাবে কাজ করলে আশা করা যায় খসড়া থেকে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা হওয়া পর্যন্ত পুরো কাজ নির্ভুল হবে।

  • Suvendu Adhikari: “গীতার ক’টি অধ্যায় তা বলতে পারবেন না মমতা”, ‘বাবরি’ নামে আপত্তি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “গীতার ক’টি অধ্যায় তা বলতে পারবেন না মমতা”, ‘বাবরি’ নামে আপত্তি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সল্টলেক থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। গীতা পাঠ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর না যাওয়া নিয়ে সরব হন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে হিন্দু-বিরোধী। তিনি গীতার ক’টি অধ্যায় তা বলতে পারবেন না। আয়োজকরা কেন ওনাকে ডেকেছিলেন তা আমি জানি না।” একই সঙ্গে মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “মসজিদ নিয়ে কোনও আপত্তি নেই। নামকরণে আমাদের আপত্তি আছে।”

    নামকরণে আমাদের আপত্তি

    এদিন সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু (Suvendu Attacks Mamata) বলেন, “বাবর একজন লুটেরা, ধর্ষণকারী ছিলেন। ভারতের কেউ ছিলেন না। দেশ দখল করতে এসেছিলেন। তার নাম নিয়ে আমাদের আপত্তি আছে। মসজিদ আপনারা নিজেদের অর্থ জোগাড় করে করুন। কিন্তু এই যে আস্ফালন দেখানো হচ্ছে। সরকারি মদতে পুলিশ বাহিনী দিয়ে যে উল্লাস করানো হল। কোনও পারমিশন নেওয়ার দরকার হচ্ছে না। এগুলিতে আমার আপত্তি আছে।” শুভেন্দুর কথায়, “ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে আমাদের পার্টির সকলে অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। আমিও বলেছি, নামকরণে আমাদের আপত্তি আছে। বাবর একজন ধর্ষণকারী ছিলেন, লুটেরা ছিলেন। তিনি ভারতের কেউ ছিলেন না। তিনি ভারত দখল করতে এসেছিলেন। ভারতের মন্দিরগুলো ভেঙে-গুঁড়িয়ে, আদিবাসীদের ধর্ম পরিবর্তন করতে এসেছিলেন। ভারত থেকে লুটে নিয়ে ভারতের সোনা-হীরে-মণি-মাণিক্য সব আরবে নিয়ে চলে যেতে এসেছিলেন। তাঁর নামকরণে আমাদের প্রত্যেকের আপত্তি রয়েছে। এটা একটি বাংলাদেশের মৌলবাদীদের যে আস্ফালন তার প্রভাব সীমান্তবর্তী মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মুর্শিদাবাদে দেখানো হচ্ছে। এটি প্রতীকী কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তৈরি করার কোনও উদ্যোগ নয়। আমরা আবারও বলি, মন্দির-মসজিদ-গির্জা-গুরুদ্বার তৈরি করুন। বৈধভাবে করুন। নিজেদের জায়গায় করুন। নিজেদের সম্প্রদায়ের লোকেরা অর্থ জোগাড় করে করুন।”

    মৌলবাদীদের আস্ফালন

    শুভেন্দুর সংযোজন, “বাবরের নামে করব, কিছু করতে পারবে না…আমরা করব, করে দেখাব। মাইক বাজাব, লক্ষ লোকের জমায়েত করব…অনুমতি নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই…। হুমায়ুন কবীরের ভাষা ঠিক মহম্মদ আলি জিন্নাদের মতো। যেখানে সরস্বতী পুজো যোগমায়া দেবী কলেজে করতে গেলে হাইকোর্টে যেতে হয় ছাত্রীকে। আমাকে দোলের দাহন করতে গেলে ভবানীপুরে রাতে ৯টার পর গিয়ে গলির মধ্যে করতে হয় হাইকোর্টের অর্ডারে, কলকাতা পুলিশের আপত্তিতে। মা কালীকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় একচোখ বন্ধ করে ওখানে এগুলোর অনুমতি দিলেন। এটা মৌলবাদীদের আস্ফালন।”

    ‘‘উত্তরবঙ্গে ৯-০ করব’’

    অন্যদিকে গীতা পাঠ অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ না দেওয়া প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “গীতা পাঠের মঞ্চে বিজেপির কেউ ছিল না। ওখানে যে সাধুরা বক্তব্য রেখেছেন তাঁদের কি বিজেপি বলা যায়? আমরা যারা গিয়েছি, তাঁরা হিন্দু হিসেবে গিয়েছি। আমি মনে করি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোনও হিন্দু অনুষ্ঠানেই ডাকা উচিত নয়। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দুদের রীতি নীতি মানেন না।” এই সাংবাদিক বৈঠক থেকে অন্য একাধিক প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য যে ৩৯ শতাংশ ভোট আমরা পেয়েছি, তা ৫১ শতাংশে নিয়ে যাওয়া।” এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গ সফর নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর প্রশ্ন কেন মুখ্যমন্ত্রী আজ বেলডাঙা গেলেন না? পাশাপাশি তিনি তোপ দেগে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গে গিয়ে কোনও লাভ হবে না। কোচবিহারে আমরাই জিতব। আমরা ৯-০ করব।”

LinkedIn
Share