SIR: সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট! সেটা আবার কী? তাজ্জব রোল অবজার্ভাররা

blood relationship certificate is a document proving the relationship a controversial document in sir

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর (SIR) শুনানি শেষ হয়েছে। বৈধ ভোটাররা নিজেদের নথিপত্র জমা দিয়েছেন। এবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের অপেক্ষা মাত্র। সব নথি ভালো করে খতিয়ে দেখার জন্য আরও এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে চলছে সুপার চেকিং (Election Commission)। আর তাতেই উঠে এসেছে বিরাট চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাবা অথবা মায়ের সঙ্গে ছেলে-মেয়ের সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণের জন্য জমা নেওয়া হয়েছে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট বা রক্তের সম্পর্কের শংসাপত্র!

রোল অবজার্ভাররা তাজ্জব (SIR)

একজন বললেন, “বার্থ সার্টিফিকেটর নাম শুনেছি আমরা, তবে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট আবার কী?” এই নিয়ে ওয়াকিবহাল মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। এবার এই সার্টিফিকেট ইস্যু করে এসআইআর–এর তালিকায় গ্রহণ করার কথা জানা গিয়েছে। সুপার চেকিং করতে গিয়ে এই তথ্য সম্পর্কে জানা গিয়েছে। রোল অবজার্ভাররা (SIR) তাজ্জব। ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট কী? উত্তর খুঁজছেন অবজার্ভাররা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে এক ব্যাক্তিকে দেওয়া হয়েছে এই ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট। এই ধরনের সার্টিফিকেটের কোনও বৈধতা আদৌ রয়েছে কিনা? না থাকলে কেন জমা নেওয়া হয়েছে এই সার্টিফিকেট। তবে এখানেই নয়, সুপার চেকিং করতে গিয়ে এমন কিছু কিছু তথ্য এসেছে যার কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। কোথাও বার্থ সার্টিফিকেট ইস্যুর (Election Commission) মতো অনেক ঘটনা সামনে এসেছে। কোথাও দেখা যাচ্ছে ভাই-বোনের বয়সের ফারাক মাত্র ১ মাস।

দুই সন্তানের বয়সের ফারাক ২৭ দিন

উল্লেখ্য সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র একটি প্রতিবেদনে এসআইআর (SIR)  নিয়ে কিছু অসঙ্গতির তথ্য সামনে এসেছে। যেমন মেটিয়াবুরুজে ১০ জন ভোটার নিজের বাবার নাম হিসেবে আবদুল হায় নামে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন। ফর্ম খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, দুই সন্তানের বয়সের ফারাক ২৭ দিন, আর দুজনেরই বাবা-মায়ের নাম আব্দুল হায় ও আনোয়ারা বিবি।

এসআইআরের শুনানিতে কমিশনের বেঁধে দেওয়া নথির তালিকায় রয়েছে জন্মের শংসাপত্র, পাসপোর্ট, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জাতিগত শংসাপত্রের মতো নথি। অনেক নথিতে অনেক গরমিল খুঁজে পাচ্ছেন কমিশন নিযুক্ত পর্যবেক্ষকেরা। কোথাও দেখা যাচ্ছে, জন্মের আগেই জন্মের শংসাপত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার এনুমারেশন ফর্মে (Election Commission) জন্মের তারিখই লেখেননি ভোটার। কী ভাবে সেই ফর্ম জমা নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share