মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের এখনও নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেনি। তবে তার আগেই রাজ্যে আছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর (Election Commission) সূত্রে খবর, শুক্রবার থেকেই ধাপে ধেপে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) রাজ্যে ঢুকবে। যদিও ২৮ ফেব্রুয়ারিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসার কথা ছিল রাজ্যে। নির্ধারিত দিনের আগেই রাজ্যে বাহিনী ঢুকে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। আসুন এক নজরে দেখে নিই কোন জেলায় কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রাথমিকভাবে ৪৮০ কোম্পানি রাজ্যে আসবে।
কোথায় কত বাহিনী (Election Commission)?
কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে কলকাতায় মোতায়েন করা হবে ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) ৷ একইভাবে মালদায় ১২ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হবে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার তিন পুলিশ জেলা এবং দুই কমিশনারেট মিলিয়ে মোট ৩০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে ৯, বারাসতে ৬, বনগাঁ ৪, বসিরহাট ৭ এবং বিধাননগরে ৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
সবচেয়ে বেশি বাহিনী মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুরে মোট ৮ কোম্পানি করে জেলায় মোট ১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে ৷ জেলাভিত্তিক বাহিনী মোতায়েনের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৷ হাওড়াতেও কমিশনারেট এবং পুলিশ জেলা মিলিয়ে ১৫ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তিন পুলিশ জেলা মিলিয়ে মোট ১৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ১৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে ৷ হুগলি গ্রামীণ ও চন্দননগরে ৬ ও ৮ কোম্পানি মোতায়েন করা হচ্ছে ৷
মালদায় ১২ কোম্পানি উত্তর দিনাজপুর ১১ কোম্পানি ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০ কোম্পানি থাকবে৷ একইভাবে দার্জিলিং ও কোচবিহারে ৯ কোম্পানি করে বাহিনী থাকবে৷ পূর্ব বর্ধমানে আনা হচ্ছে ৮ কোম্পানি বাহিনী ৷ পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, জলপাইগুড়ি, বাঁকুড়া ও বীরভূমে মোতায়েন করা হবে ৭ কোম্পানি ৷ পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও আলিপুরদুয়ারে থাকবে ৫ কোম্পানি করে। সবচেয়ে কম ৩ কোম্পানি বাহিনী থাকবে কালিম্বং জেলায় ৷
চূড়ান্ত তালিকার পর অশান্তির আশঙ্কা!
এসআইআর-এর (Election Commission) কাজে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনী তালিকা প্রকাশিত হবে। ভোটার তালিকাকে ইস্যু করে জেলায় জেলায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাজ্যের শাসক দল অবশ্য প্রথম থেকেই নাম বাদ যাওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উল্টো মেরুতে অবস্থান করছে। অপরে কেন্দ্র সরকার এবং শাসক দল বিজেপির দাবি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই স্বচ্ছ ভোটার তালিকা হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন চূড়ান্ত তালিকা ঘিরে নান জায়গায় অশান্তি এবং হিংসার ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশন আঁচ করে বাহিনী (Central Forces) নিয়ে তৎপর হয়েছে।

Leave a Reply