Author: pranabjyoti

  • Dilip Ghosh: “তৃণমূলে মুষলপর্ব শুরু, যত তাড়াতাড়ি দলটা উঠে যায়, ততই মঙ্গল”, বললেন দিলীপ

    Dilip Ghosh: “তৃণমূলে মুষলপর্ব শুরু, যত তাড়াতাড়ি দলটা উঠে যায়, ততই মঙ্গল”, বললেন দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুরো পার্টিটাই জালি। আর কী আশা করা যাবে! মুষলপর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। যত তাড়াতাড়ি দলটা উঠে যায়, বাংলার পক্ষে ততই মঙ্গল।” তৃণমূল (TMC) ভাঙনের জল্পনা প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সইকাণ্ডে মুখ খোলায় তৃণমূল বহিষ্কার করেছে বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে। তারপরেই জল্পনা ছড়ায়, ৫০ বিধায়ককে নিয়ে ‘নতুন তৃণমূল’ গড়ছেন ঋতব্রতরা। শোনা যাচ্ছে, নিজেদের প্রধান বিরোধী দল দাবি করে তাঁরা স্পিকারের কাছে চিঠিও দেবেন। এমতাবস্থায় ভাঙনের মুখে পড়তে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের তৃণমূল। সেক্ষেত্রে তাঁর দল বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদাও খোয়াতে পারে। কারণ বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা ধরে রাখতে প্রয়োজন ৩০ বিধায়কের সমর্থন। নতুন করে এই প্রক্রিয়া শুরু হলেও, তৃণমূল তা আদৌ জোগাড় করতে পারবে কিনা, সেটাই বড় প্রশ্ন। আজ, মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের এই হতশ্রী দশা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন দিলীপ।

    “নেত্রী সবাইকে চুরি করতে শিখিয়েছেন” (Dilip Ghosh)

    রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রী বলেন, “যেমন যেখান যেখান থেকে লোকজন একসময় তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছিল, এখন তেমন তেমন সেখানে চলে যাচ্ছে। প্রয়াত সুব্রত মুখার্জি একবার আমায় গল্পচ্ছলে বলেছিলেন, তৃণমূল আসলে একটা প্ল্যাটফর্ম। সবাই দাঁড়িয়ে আছে। যার যেমন ট্রেন আসছে, সে তেমন চলে যাচ্ছে। আজ উনি বেঁচে নেই। কিন্তু, ওঁর কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাচ্ছে। শুধু পয়সা কমানোর জন্য লোকগুলো এসেছিল। দুনিয়ার ক্রিমিনাল, অ্যান্টি সোশ্যাল এসেছিল। এখন যার যার মতো পালিয়ে যাচ্ছে। দলটা বিধানসভায় ঢুকলই না, তার আগেই দু’জন সাসপেন্ড হয়ে গেল। আমার ভাবতে অবাক লাগে, এই দলটাকে বাংলার মানুষ ১৫ বছর ধরে সহ্য করেছে! দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “নেত্রী সবাইকে চুরি করতে শিখিয়েছেন। এখন তার ফল ভোগ করতে হবে। ছোটবেলায় একটা গল্প পড়েছিলাম। রাখাল স্কুলে সবার খাতা, বই, পেনসিল চুরি করত। যেদিন ধরা পড়ল সেদিন মাসির কানে কথা বলার বাহানায় মাসির কান কামড়ে ছিঁড়ে দিয়েছিল। বলল, মাসি তুমিই আমায় চুরি করতে শিখিয়েছ। এই মাসির কান কাটা এখনও বাকি আছে।”

    ‘দুই সাংসদ পালিশ খেয়েছেন’

    তিনি বলেন, “ওদের দু’জন সাংসদ পাবলিকের কাছে অলরেডি পালিশ খেয়েছেন। অথচ দু’জনের কারোর গায়ে কোনও দাগ নেই! এরমধ্যে একজন কল্যাণ ব্যানার্জি। তাঁর নাটক আমরা পার্লামেন্টে বহুবার দেখেছি। ওঁকে সেদিন কেউ একটা চাঁটি মেরেছিল। রুমাল দিয়ে রগড়েও একফোঁটা রক্ত বের করতে পারলেন না!” মন্ত্রী (Dilip Ghosh) বলেন, “আমি এখন বুঝতে পারছি, আমার হরিণঘাটা ডিমের দাম এত বাড়ল কেন? এদিক-ওদিক ডিম ছোড়া হচ্ছে। অভিষেক কোনও হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেননি। বেলভিউ হাসপাতালের ডাক্তাররা বুঝিয়ে (TMC) দিয়েছেন, তাঁদের মেরুদণ্ড শক্ত। এটা খুব জঘন্য একটা আচরণ। সরকার কাজ করছে। মানুষ দেখছে। কয়েকদিন আপনারা ঘরের ভেতরে থাকুন। আন্দোলনের নামে ব্লকে বা থানায় ঘেরাও-ফেরাও করবেন না। দেখছেন তো চারিদিকে কী অবস্থা! হুজ্জুতি করতে যাবেন পাবলিক আবার ধরে পালিশ করে দেবে! আবার হাসপাতালে যেতে হবে। শান্তিতে থাকুন। বাড়িতে থাকুন।”

    ‘ডিম খান, শক্তি বাড়ান’

    খড়্গপুরের বিধায়ক বলেন, “আমরা বলেছি ডিমের ক্রাইসিস আছে। ডিম এঁর তাঁর গায়ে ছুড়ে নষ্ট করবেন না। ডিম খান। শক্তি বাড়ান। ফালতু লোককে ডিম মেরে লাভ নেই।” এদিনই ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “গণতান্ত্রিক কার্যকলাপ আমরা বন্ধ করতে চাই না। আন্দোলন করতে কারওর কোর্টে যাওয়ার দরকার হবে না। তবে পুলিশের অনুমতি নিয়ে করতে হবে। বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীকে আন্দোলন করার অনুমতির জন্য ১০৪ বার কোর্টে ছুটতে হয়েছিল। রেড রোডের নমাজ শান্তিতে ব্রিগেডে হয়ে গেল। তাই, আমি বলব কয়েকটা মাস (TMC) শান্তিতে ঘরে থাকুন।”

    ‘মায়ের কাছেও কাটমানি খেয়েছে’

    তিনি বলেন, “তৃণমূল পঞ্চায়েত, মণ্ডল সভাপতি, প্রাক্তন বিধায়কদের অফিস সার্চ হচ্ছে। আর আজব আজব জিনিস পাওয়া যাচ্ছে। ডাব, নারকেল, তেল, হাঁড়ি-কলসি-খুন্তি। আমি জানি না এগুলো কারখানা ছিল, গুদাম ছিল, নাকি অফিস ছিল! পার্টি অফিসে যাঁরা পিঠে বানাতে যেতেন, সেখানকার বাসিন্দারাই তার বদলা নিয়েছেন। তৃণমূল পার্টি ব্যান করে দেওয়া উচিত। এদের প্রতীক চিহ্ন ব্যান করে দেওয়া উচিত। এরা একটা টেরোরিস্ট সংগঠনের মতো কাজ করে গিয়েছে। গোপন সংগঠনের মতো কাজ করে গিয়েছে।” পদ্ম-মন্ত্রিসভার সদস্য দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “স্যাঁকরা নিজের মায়ের গয়না থেকেও সোনা চুরি করে। তৃণমূল নেতারা আবাস যোজনায় নিজের মা ঘর পেলে, তার থেকেও কাটমানি নিয়েছে। মেসিও রেহাই পেলেন না! তাঁর মূর্তি থেকেও কাটমানি নেওয়া হল। লোকটা ওখানে ছ’মাস দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না, ফেলে দিল তৃণমূল।”

    পিঠ বাঁচাতে পদত্যাগ!

    পদত্যাগ করেছেন বিধায়ক তারক সিং। সে প্রসঙ্গে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ বলেন, “এতদিন কী করেছেন? নেতাদের বাড়িতে রেড হতেই বোঝা যাচ্ছে, কে কী কাজ করেছেন! পিঠ বাঁচানোর জন্য এখন অনেকে পদত্যাগ করছেন। বিষবৃক্ষ রোপণ করেছেন কে? তার ফল এখন সবাইকে ভুগতে হবে।” রাজ্যে শিল্পায়ন প্রসঙ্গে তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “আমূলের কলকাতা প্রধান দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন। আজই (TMC) হয়তো দেখা হবে। কথা হবে। অনেকে ব্যবসা শুরু করতে চাইছেন। অনেক ফোনই আসছে।”

     

  • NIA: পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনে হামাস-যোগ! কী বলছেন এনআইএর তদন্তকারীরা?

    NIA: পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনে হামাস-যোগ! কী বলছেন এনআইএর তদন্তকারীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনের তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ (NIA)। ইতিমধ্যেই তারা চার্জশিটও জমা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের সঙ্গে লস্কর-ই-তইবা (LeT), দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF), জইশ-ই-মহম্মদ (JeM), আল-কায়েদা (Al-Qaeda) ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠী, হামাস (Hamas) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের সম্ভাব্য সম্পর্ক (Pahalgam Terror Attack Case) নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এনআইএ।

    খতিয়ে দেখা হচ্ছে হামাস যোগ (NIA)

    চার্জশিটে প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের উল্লেখ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।  কারণ এই প্রথম পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে সম্ভাব্য কার্যকরী সম্পর্কের তদন্তে এনআইএ এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে হামাসের নাম উল্লেখ করেছে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত একটি মামলায়।তদন্তকারীরা জানান, তদন্তের এই অংশটি (হামাস যোগ) আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত সংগঠনগুলির সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য সম্পর্কের প্রকৃতি, পরিসর ও ব্যাপ্তি নির্ধারণের চেষ্টাও চলছে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলি জম্মু-কাশ্মীরে ঘটে যাওয়া কোনও জঙ্গি কার্যকলাপে কোনও রকমের সাহায্য, সমর্থন বা প্রভাব বিস্তার করেছে কি না।

    যেসব তথ্য খতিয়ে দেখছে এনআইএ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তদন্ত বৃহত্তর একটি চেষ্টার অংশ, যার উদ্দেশ্যই হল অভিযুক্ত সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ চিহ্নিত করা এবং সীমান্তপারের জঙ্গি নেটওয়ার্ক কীভাবে পরিবর্তিত ও বিকশিত হচ্ছে, তা বোঝা। এটা করতে গিয়েই এনআইএ একাধিক সূত্র অনুসরণ করছে (NIA)। এর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল প্রমাণ, আর্থিক লেনদেন এবং সীমান্তপারের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। এই সব তথ্য সম্ভাব্য সংযোগগুলির ব্যাপ্তি নির্ধারণে সাহায্য করতে পারে। পহেলগাঁও হামলার পর গোয়েন্দা মূল্যায়নের প্রেক্ষাপটে এনআইএ এই নয়া দিকটিতেই বেশি করে নজর দিচ্ছে। সূত্রের খবর, ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সম্প্রতি হামাস এবং পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন, যেমন লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-ই-মহম্মদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রমাণ পেয়েছে।

    হামাসের আক্রমণের সঙ্গে মিল!

    এই পরিস্থিতিতে তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ওই সংগঠনগুলির মধ্যে কোনও ধরনের সহযোগিতা, সমন্বয় বা কৌশল শেয়ার করা হয়েছিল কি না। শুধু তা-ই নয়, নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এও জানার চেষ্টা করছে, পহেলগাঁও হামলায় হামাস-স্টাইলের কোনও কৌশলগত বৈশিষ্ট্য ছিল কি না। জানা গিয়েছে, ওই হামলার পরিকল্পনা, টার্গেট ঠিক করা, এবং তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু মিল দেখা গিয়েছে (Pahalgam Terror Attack Case)। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ওপর হামাসের আক্রমণের সঙ্গেও এর তুলনা করা হয়েছে (NIA)। যদিও এসব সাদৃশ্য সম্পর্কে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। তদন্তকারীরা বৃহত্তর তদন্তের অংশ হিসেবে সব উপলব্ধ প্রমাণ মূল্যায়ন করে চলেছেন।

    এনআইএর চার্জশিট

    এনআইএর চার্জশিটে স্পষ্ট করা হয়েছে, সম্ভাব্য হামাস-যোগ প্রতিষ্ঠা করা এখনও তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয়। আধিকারিকদের মতে, এই তদন্তের ফল পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি সংগঠন এবং আন্তর্জাতিক জেহাদি সংগঠনগুলির মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য দিতে পারে (Pahalgam Terror Attack Case)। কারণ এনআইএ পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে থাকা বৃহত্তর নেটওয়ার্কের পর্দা ফাঁস করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে (NIA)।

     

  • Murshidabad Border: মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হল ১৭ অনুপ্রবেশকারীকে, অপেক্ষায় আরও ৯

    Murshidabad Border: মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হল ১৭ অনুপ্রবেশকারীকে, অপেক্ষায় আরও ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের (Infiltrators) খুঁজে বের করতে রাজ্যজুড়ে তুঙ্গে প্রশাসনিক তৎপরতা। এরই মধ্যে বড় খবর মিলল মুর্শিদাবাদে (Murshidabad Border)। ভারত-বাংলাদেশের রানিনগর সীমান্ত চৌকি দিয়ে ১৭ জন বাংলাদেশিকে তাদের দেশে ফেরত পাঠাল বিএসএফ। সূত্রের খবর, শনিবার জেলা প্রশাসনের তরফে লালগোলা হোল্ডিং সেন্টারে থাকা এই ১৭ জনকে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। ওদিকে, বাংলাদেশ সরকারের তরফে ওই ব্যক্তিদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়। বাংলাদেশ প্রশাসনের সবুজ সঙ্কেত মেলার পরেই হয় হস্তান্তর প্রক্রিয়া।

    বাংলাদেশি সন্দেহে পাকড়াও ২৬ (Murshidabad Border)

    জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা এবং জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার তরফে বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ দফায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় মোট ২৬ জনকে। জেরায় তারা কবুল করে, তারা বাংলাদেশের নাগরিক। সূত্রের খবর,   এদের মধ্যে অন্তত সাতজন কেরলে গিয়ে কাজ করছিল পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে। লাগাতার জেরায় অনুপ্রবেশকারীরা জানায়, সীমান্ত পারাপার করায় যেসব দালাল, কিছুদিন আগেই তারা বার্তা পাঠায় এই মর্মে যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে চিরুনি তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে (Murshidabad Border)। নেওয়া হচ্ছে কড়া ব্যবস্থাও। ধরা পড়ার ভয়ে ওই বাংলাদেশিরা জলঙ্গি সীমান্তের বিদুপুরের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। যদিও সীমান্তে পৌঁছনোর আগেই ছাঁকনিতে আটকে যায় তারা। পরে ঠাঁই হয় হোল্ডিং ক্যাম্পে। এদিন হল বাংলাদেশে ফেরানো।

    বাড়ানো হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টারের পরিকাঠামো

    জানা গিয়েছে, শনিবারই পড়শি দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে ১৭ জনকে। তাই লালগোলা হোল্ডিং সেন্টারে বর্তমানে রয়েছে ৯ জন। যেহেতু অনুপ্রবেশকারীদের পাকড়াও করতে শুরু হয়েছে ধরপাকড়, এবং ধরাও পড়ছে, তাই তাদের রাখতে হোল্ডিং সেন্টারের পরিকাঠামোও আরও বাড়ানো হচ্ছে। ভগবানগোলার স্বপন নগর মার্কেট কমপ্লেক্সে একটি নয়া হোল্ডিং সেন্টারও গড়ে তুলেছে জেলা প্রশাসন (Infiltrators)।প্রসঙ্গত, অনুপ্রবেশকারীদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাতে কোমর বেঁধে নেমেছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ডাবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় আসতেই অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে পদ্ম-সরকার। অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করতে চালানো হচ্ছে অভিযান। সেই অভিযানেই মিলছে সাফল্য (Murshidabad Border)।

  • CID: সই-জালকাণ্ডে ফের অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি, গরহাজিরার কী কারণ দর্শালেন তৃণমূল সাংসদ?

    CID: সই-জালকাণ্ডে ফের অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি, গরহাজিরার কী কারণ দর্শালেন তৃণমূল সাংসদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সই-জালকাণ্ডে ফের তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গেল সিআইডি (CID)। শনিবারই তাঁর ১৮৮-এ হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়িতে নোটিশ লটকে দিয়ে এসেছিলেন তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। পরে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কালীঘাটে বাড়িতে গিয়ে তাঁর হাতেই নোটিশ ধরিয়ে আসেন তাঁরা। আজ, সোমবার তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল ভবানীভবনে, সিআইডির দফতরে। যদিও গরহাজির ছিলেন তৃণমূল সাংসদ। সিআইডিকে পাঠানো চিঠিতে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শান।

    অভিষেকের বাড়িতে ফের সিআইডি (CID)

    এর পরেই এদিন বিকেল ৬টা নাগাদ তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে যায় সিআইডির টিম (CID)। যদিও বাড়ির ভেতরে ঢুকতে পারেননি আধিকারিকরা। তাই বাড়িতেই নোটিশ টাঙিয়ে ফিরে যান তাঁরা। সিআইডি-কে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। চিঠিতে অসুস্থতার কারণ জানানো হয়েছে বলে খবর। এদিন আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আধিকারিকরা অভিষেকের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করেন। তার পরেও অভিষেকে দেখা যায়নি। পরে ভাতিজার বাড়ির ভেতর থেকে বেরিয়ে আসেন অয়ন ঘোষ নামে একজন। তিনি সিআইডির কাছ থেকে একটি নোটিশ নিয়ে ভেতরে চলে যান। সিআইটির টিমও ফিরে যান। খানিকক্ষণ পরে ফের বাইরে আসেন অয়ন। তিনি জানান, নোটিশে সই করে রিসিভ করেছেন অভিষেক। জানা গিয়েছে, অভিষেক ভবানীভবনে যাওয়ার জন্য কয়েকদিন সময় চেয়েছেন। যদিও সিআইডির তরফে এনিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। সূত্রের খবর, ৮ জুন বেলা ১২টায় ভবানীভবনে ফের তলব করা হয়েছে ‘ডায়মন্ড মডেলের গর্বিত’ জনক অভিষেককে (Abhishek Banerjee)।

    সই জাল কাণ্ড

    প্রসঙ্গত, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা হবেন, সম্প্রতি এই মর্মে একটি রেজোলিউশন নিয়েছিল তৃণমূল। দলীয় বিধায়কদের সই-সহ সেই রেজোলিউশন জমাও দেওয়া হয় বিধানসভায়। কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কের সই নিয়ে সন্দেহ হয় বিধানসভার আধিকারিকদের। অভিযোগ দায়ের হয় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে নেমে আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট এমএলএর বাড়িতে হানা দেন। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে যান সিআইডির হ্যান্ড রাইটিং এক্সপার্টও। এই (Abhishek Banerjee) সই-কাণ্ডেই তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তলব করেছে সিআইডি (CID)।

     

  • CM Suvendu Adhikari: বুধবার থেকেই মিলবে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা, ঘোষণা নয়া মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: বুধবার থেকেই মিলবে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা, ঘোষণা নয়া মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকল্পের নাম ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ (Lakshmir Bhandar Fraud), মহিলাদের জন্য। অথচ তার সুবিধা পাচ্ছে ‘পেঁচা’রাও! অন্নপূর্ণা ভান্ডারে কেন ১১ পাতার ফর্ম ফিল-আপ করতে হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই বিতর্কে জল ঢালতেই হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “অনেক বড় রহস্য ফাঁস হয়েছে।” সোমবার নবান্নে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে লক্ষ্মীর ভান্ডারে হওয়া ‘কেলেঙ্কারির বাক্স’ খুলতে সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ দিতে গিয়ে ‘পেঁচা’র খোঁজ (CM Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু বলেন, “অনেক বড় রহস্য ফাঁস হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২২টি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে। এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে পুরুষরা লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিচ্ছে। এমন আরও অনেক অ্যাকাউন্ট পাওয়া যাবে বলে অনুমান। ১৫টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী তুলিকার। ৬টি অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে তারিকুল রহমানের। কেবলমাত্র জঙ্গিপুরেই ৩ হাজার ভুয়ো নাম বেরবে। কী চিটিংবাজ! যোগ্য প্রাপকরা নিশ্চয়ই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।” তিনি বলেন, “বাজার থেকে একটা ঢ়্যাড়স কিনতে গেলেও টিপে দেখেন, তাহলে ফর্মে তথ্য যাচাই করা হবে না? ৩৬ হাজার টাকা দেবে সরকার, একটু সহযোগিতা করে দেখুন না! একটু ভরসা করে দেখুন!” মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভুয়ো বার্ধক্য ভাতা এবং বিধবা ভাতা নেওয়ার জন্য (Lakshmir Bhandar Fraud) গ্রেফতার করা হয়েছে চন্দ্রকোণার টিএমসি নেতা উত্তম সাউকে।

    ১১ পাতার ফর্ম কেন, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    অন্নপূর্ণ যোজনার সুবিধা পেতে গেলে কেন ১১ পাতার ফর্ম ফিল-আপ করতে হবে, এদিন তার ব্যাখ্যাও দেন শুভেন্দু। বলেন, “জনগণের দ্বারা রিজেক্টেড নেতা ও তাঁর দলের লোকেদের বলব, অপপ্রচার না করে বুঝে নিন কেন ১১ পাতার ফর্ম ফিল-আপ করতে হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরা তো পাচ্ছেই, মহিলা নন তৃণমূলের এমন হাজার হাজার লোক লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা লুট করছে। সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছি। এসআইআরে বাদ যাওয়া অন্তত ৩০ লাখ মানুষও ভুয়ো লক্ষ্মীর ভান্ডারে নাম তুলছেন। কত হাজার কোটি টাকা জনগণের কীভাবে লুট করেছে এই লুটেরাদের পার্টি, এটাই তার প্রমাণ। তৃণমূল স্তর থেকে দুর্নীতি নির্মূল করব।”

    লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বিস্তর ঘাপলা

    প্রসঙ্গত, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিল-আপ করতে গিয়েই ভিরমি খাওয়ার জোগাড় আবেদনকারীদের। সেই সুযোগটাকেই কৌশলে কাজে লাগাচ্ছে কোনও কোনও রাজনৈতিক দল। তারা প্রচার করছে, ৩ হাজার টাকা দিতে গিয়ে হাঁড়ির খবর নিয়ে নিচ্ছে সরকার! যদিও রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের বক্তব্য, লক্ষ্মীর ভান্ডারে বহু ভুয়ো নাম ঢুকেছিল। তাই প্রতিটি পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করেই দেওয়া হবে অন্নপূর্ণা যোজনার প্রতিশ্রুত অর্থ (CM Suvendu Adhikari)। অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্পের ঘোষণা করার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং অগ্নিমিত্রা পাল দু’জনেই জানিয়েছিলেন, যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প পাচ্ছেন, তাঁদের ট্রান্সফার করে দেওয়া হবে অন্নপূর্ণা যোজনায়। ফর্ম ফিল-আপের প্রয়োজন পড়বে না। পরে প্রকল্প চালু করতে গিয়ে শুভেন্দুর সরকার দেখে, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বিস্তর ঘাপলা হয়েছে। তার পরেই শুরু হয় চাল থেকে কাঁকর বাছার প্রক্রিয়া (Lakshmir Bhandar Fraud)। তাতেই উঠতে শুরু করেছে রাঘব-বোয়ালরা।

    বুধবার থেকেই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা

    বুধবার থেকেই যে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকতে শুরু করবে, এদিন তাও জানিয়ে দেন পদ্ম-মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, ‘‘গত দু’-তিন ধরে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও কিছু বিভ্রান্তি, কিছু মিথ্যা প্রচার যাঁরা চালিয়েছিলেন, এখন তাঁরা নিজেরাই ফর্ম ফিল-আপের জন্য এগিয়ে এসেছেন। আমরা এর আগে অফলাইনে চালু করেছিলাম। আজ থেকে অনলাইনেও চালু হয়ে গিয়েছে। ২০ জন আধিকারিক জেলায় জেলায় গিয়ে এই কাজ নজরদারি করছেন। আমরা আশা করছি, বুধবার বড় সংখ্যায় উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে শুরু করব (CM Suvendu Adhikari)।’’

    ফি মাসে ৩০ লাখ টাকা গায়েব!

    শুভেন্দুর সরকার কেন বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে, এদিন তার ব্যাখ্যাও দেন মুখ্যমন্ত্রী। টেনে আনেন রাকিবুল শেখের প্রসঙ্গ। মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা রাকিবুল দীর্ঘ দিন ধরে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ। কীভাবে একজন পুরুষ হয়ে রকিবুল এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার পরেই পুলিশ রাজ্যজুড়ে ‘লক্ষ্মীর পেঁচা’দের খোঁজ শুরু করেছে (CM Suvendu Adhikari)। আরও কয়েক জনের খোঁজও মেলে। তৃণমূল জমানার সেই সব দৃষ্টান্ত তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘এই তালিকা অনেক বড় হবে। পুলিশকে তদন্তের গতি আরও বাড়াতে বলেছি। সংখ্যাটা ঠিক কত হবে, আমি জানি না। অনুপ্রবেশকারীরা তো পেতেনই, হাজার হাজার তৃণমূল নেতাও মহিলা না হয়েও, লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিচ্ছিলেন। যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডারের (Lakshmir Bhandar Fraud) টাকা লুট করছেন, তাঁদের কাউকে ছাড়ব না। আমি ডিজিপিকে বলেছি সিট গঠন করতে।’’ তিনি বলেন, ‘‘আমরা হিসেব করে দেখেছি, ভুয়োভাবে অন্তত ৩০ লাখ টাকা তোলা হচ্ছিল। আইনের মাধ্যমে একেবারে তৃণমূল স্তর থেকে এই দুর্নীতি রোধ করব (CM Suvendu Adhikari)।’’

     

  • Karachi Bank: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় ব্যবহৃত ফোনে অর্থায়ন করেছিল পাকিস্তানের ব্যাঙ্ক!

    Karachi Bank: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় ব্যবহৃত ফোনে অর্থায়ন করেছিল পাকিস্তানের ব্যাঙ্ক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় ফের মিলল পাক-যোগের প্রমাণ! তদন্তকারীরা জেনেছেন, জঙ্গিদের ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনের উৎস পাকিস্তান। ২০২১ সালে আমদানি করা একটি চালানের সঙ্গেই সেটি এসেছিল ভারতে। এই চালানের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ দিয়েছিল করাচির একটি ব্যাঙ্ক। অতীতেও সন্ত্রাস-সংক্রান্ত তদন্তে উঠে এসেছিল পাকিস্তানের এই ব্যাঙ্কের নাম। উল্লেখ্য যে, বর্তমানে এই ঘটনার তদন্ত করছে এনআইএ (NIA) এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ।

    বাজেয়াপ্ত ২ ফোন (Karachi Bank)

    সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তদন্তকারীরা জেনেছেন, পহেলগাঁও হামলায় জড়িত সন্ত্রাসবাদীরা দু’টি Xiaomi Redmi সিরিজের ফোন ব্যবহার করছিল। এর মধ্যে একটি ছিল Redmi 9T। ২০২১ সালে এটি আমদানি করা হয়েছিল পাকিস্তানে। অন্য ফোনটি ছিল Redmi Note 12, আমদানি করা হয়েছিল ২০২৩ সালে। ফোন দু’টি উদ্ধার হয় ২০২৫ সালের ২৮ জুলাই, জম্মু-কাশ্মীরের দাচিগাম জঙ্গলে মুলনার মহাদেব এলাকায়। সেখানেই নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয় তিন জঙ্গি—ফয়সাল জাট ওরফে সুলেমান শাহ, হাবিব তাহির ওরফে জিবরান এবং হামজা আফগানির কাছ থেকে। আরও জানা গিয়েছে, Redmi 9T ফোনটি পাকিস্তানের করাচির ক্লিফটন রোডের Tech Sirat Pvt Ltd নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আমদানি করা চালানের অংশ ছিল। Xiaomi Global-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চালানটি ১ জানুয়ারি ২০২১ সালে পাকিস্তানে পৌঁছেছিল।

    ফোন পৌঁছয় লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিদের হাতে

    এই চালানের লজিস্টিকস ও অর্থায়নের সঙ্গে যুক্ত ছিল পাকিস্তানের অন্যতম বড় ইসলামিক ব্যাঙ্ক ফয়জল ব্যাঙ্ক লিমিটেড (Faysal Bank Ltd)। চালান ডেলিভারির ঠিকানায় লেখা ছিল: “ফয়জল হাউস, মেন ব্রাঞ্চ, সাহারা-ই-ফয়জল, করাচি।” তদন্তকারীদের অনুমান, সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কিং প্রক্রিয়া, যেমন লেটার অফ ক্রেডিটের মাধ্যমে আমদানিতে অর্থায়ন করা হয়েছিল। ফোনটি ওই চালান থেকে আলাদা হয়ে গিয়ে পরে পৌঁছয় লস্কর-ই-তৈবা (LeT) জঙ্গিদের হাতে। তদন্তকারী আধিকারিকদের মধ্যে একজন বলেন, “পহেলগাঁও হামলায় ব্যবহৃত ফোনটি সম্ভবত এই চালান থেকেই পাচার হয়ে লস্কর-ই-তৈবার হাতে পৌঁছেছিল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০২১ সালে আমদানির পর থেকে ফোনটি চালুই করা হয়নি। পহেলগাঁও হামলার সময়ই সেটি প্রথম চালু হয়।”

    ফয়জল ব্যাঙ্কে জঙ্গি সংগঠনের অ্যাকাউন্ট

    তদন্তকারীরা অবশ্য জানিয়েছেন, এখনও অব্দি ফয়জল ব্যাঙ্ককে সরাসরি পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে যুক্ত করার মতো কোনও প্রমাণ মেলেনি। তবে অতীতের বিভিন্ন সন্ত্রাসে অর্থায়ন-সংক্রান্ত তদন্তে উঠে এসেছিল পাকিস্তানের ওই ব্যাঙ্কটির নাম। ২০০৭ সালে নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ফয়জল ব্যাঙ্কে লস্কর-ই-তৈবা এবং লাজনাত-আল-দাওয়া-সহ কয়েকটি সংগঠনের অ্যাকাউন্ট ছিল। যদিও ব্যাঙ্কটির হোল্ডিং কোম্পানি সেই সময় স্পষ্ট জানিয়েছিল, জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্কই নেই। এও জানিয়েছিল, জঙ্গি সংগঠনগুলি নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার পর তাদের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    পহেলগাঁও হামলার কিছুদিন আগেই ফোন চালু

    তদন্তকারীরা ৯/১১ হামলার পর প্রকাশিত পুরানো কিছু রিপোর্টের দিকেও নজর দিচ্ছেন। ওই প্রতিবেদনগুলিতে দাবি করা হয়েছিল, পাকিস্তানের কয়েকটি নিষিদ্ধ সংগঠনের অ্যাকাউন্ট রয়েছে সেই দেশেরই বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কে, এর মধ্যে ফয়জল ব্যাঙ্কও ছিল।জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় ফোনটি পাকিস্তানেরই লাহোরভিত্তিক এয়ার লিঙ্ক কমিউনিকেশনস লিমিটেড আমদানি করেছিল।তদন্তকারীরা জেনেছেন, কেনার পর এই ফোনটিও কয়েক বছর চালু করা হয়নি। পহেলগাঁও হামলার কিছুদিন আগেই প্রথম চালু করা হয়।

    ফোনে মিলল ছবি

    ফোন দু’টিতে নিয়মিত কল আসা-যাওয়া কিংবা ইন্টারনেট যোগাযোগের তথ্যও মেলেনি। কারণ জঙ্গিরা মোবাইল নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের বদলে দূর-পাল্লার রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করত। তাই তারা নিশ্চিন্তে যোগাযোগ করতে পেরেছে এবং সাধারণ কল বা ইন্টারনেট ব্যবহারের কোনও ডিজিটাল ট্রেইল রেখে যায়নি। তদন্তকারীরা অবশ্য ওই ফোন দু’টি থেকে কিছু ছবি এবং মানচিত্র উদ্ধার করেছে। এর মধ্যে ছিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরন মেডোজ এবং আশপাশ এলাকার ছবিও। একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ জঙ্গিরা একটি তাঁবু পেতেছিল। এটি হামলার কয়েক সপ্তাহ আগের ঘটনা। তদন্তকারীদের অনুমান, তাঁবুটি এমন একটি উঁচু জায়গায় ফেলা হয়েছিল যেখান থেকে সহজেই নিরাপত্তা বাহিনীর গতিবিধির ওপর নজর রাখা যায়।

     

  • Suvendu Adhikari: “জাল সই-কাণ্ডের পর্দাফাঁস করেছেন তৃণমূলেরই ২ বিধায়ক”! তাঁরা কারা? নাম ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: “জাল সই-কাণ্ডের পর্দাফাঁস করেছেন তৃণমূলেরই ২ বিধায়ক”! তাঁরা কারা? নাম ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এরা প্রতিষ্ঠিত চোর। নিজেদের দলের বিধায়কের সইও জাল করেছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, দলের দুই বিধায়ক আবার সেই অভিযোগ স্বীকারও করে নিয়েছেন।” বিধানসভার সই জাল (TMC MLA Signature Mismatch) বিতর্কে এমনই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    দুয়ারে সিআইডি (Suvendu Adhikari)

    শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা হবেন-এই মর্মে একটি রেজোলিউশন নিয়েছিল তৃণমূল। দলীয় বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ সেই রেজোলিউশন জমাও দেওয়া হয় বিধানসভায়। কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কের সই নিয়ে সন্দেহ হয় বিধানসভার আধিকারিকদের। অভিযোগ দায়ের হয় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে নেমে আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট এমএলএর বাড়িতে হানা দেন। তাঁদের সঙ্গে পৌঁছে যান সিআইডির হ্যান্ড রাইটিং এক্সপার্টও। এই সই-কাণ্ডেই তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তলব করেছে সিআইডি।

    মুখ্যমন্ত্রীর তোপ

    সেই প্রসঙ্গেই এবার তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি জানান, এই বিষয়ে বিরোধী দল তৃণমূল অনেক সময় দাবি করছে, এটা নাকি বিজেপি সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। সেই অভিযোগ উড়িয়ে শুভেন্দু সাফ জানিয়ে দেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা-ই এই বিষয়ে অভিযোগ জানান। তাঁদের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই  হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি। তদন্তে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং এক্সপার্টদের সাহায্য নেয় পুলিশ (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “তদন্তের স্বার্থে আঞ্চলিক দলের ‘সর্বভারতীয়’ সাধারণ সম্পাদককে হাজিরার নোটিস দিয়েছিল সিআইডি। যদিও নির্ধারিত দিনে হাজিরা দেননি তিনি। এত বড় দুর্নীতিগ্রস্ত একটা দল তদন্তের মুখোমুখি হতেও ভয় পাচ্ছে।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হারের পরেও চুরির অভ্যেস যায়নি, দলের বিধায়কদেরই সই জাল! সই জালিয়াতির কথা স্বীকারও করেছেন তৃণমূলেরই ২ বিধায়ক। ১৩ জন তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে কথা হয়েছে।”

    জাল করা হয়েছে সই!

    প্রসঙ্গত, শনিবারই অভিষেকের ১৮৮-এ হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়িতে হানা দেন তদন্তকারীরা। সেখানে না পেয়ে তাঁরা যান অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে। সেখানে নীচে দাঁড়িয়ে তৃণমূল সাংসদকে ডেকে পাঠান তদন্তকারীরা। অভিষেক নীচে নামলে তাঁর হাতেই নোটিস ধরিয়ে দেওয়া হয়। ওই নোটিশে আজ, সোমবার তাঁকে হাজিরা (TMC MLA Signature Mismatch) দিতে বলেছিল সিআইডি। যদিও উপস্থিত হননি অভিষেক। জানা গিয়েছে, বাহরুল ইসলাম, শুভাশিস দাস ও অরূপ রায় স্বীকার করেছেন যে, তাঁদের সই নকল করা হয়েছে। বাহরুল এও জানান, তিনি কলকাতায় যাননি, বাড়িতেই ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সিআইডির সামনে তিন জন স্বীকার করে নিয়েছেন। তাঁরা কেন ফাঁসবেন? রেজোলিউশন তো আমাদেরও দিতে হয়েছিল ২০২১ সালে। এরা এত দুর্নীতিগ্রস্ত!” মুখ্যমন্ত্রী জানান, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি (Suvendu Adhikari)।

     

  • Terror Outfits: কাশ্মীরে কৌশল বদলাচ্ছে আইএসআই, জঙ্গিদের ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনীতিতে! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    Terror Outfits: কাশ্মীরে কৌশল বদলাচ্ছে আইএসআই, জঙ্গিদের ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনীতিতে! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৌশল বদলানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্ত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিরন্তর অভিযানের হাত থেকে বাঁচতে জম্মু-কাশ্মীরে তাদের ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কার (OGW) নেটওয়ার্ককে মূলধারার জাতীয় রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ে মিশে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানান আধিকারিকরা।

    আইএসআইয়ের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা (Terror Outfits)

    আন্তর্জাতিক অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF)-এর নজরদারিতে রয়েছে পাকিস্তান। সেই কারণেও আইএসআইয়ের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা। এরই অংশ হিসেবে তারা নয়ের দশকের শুরুতে স্থানীয়ভাবে গঠিত এবং বর্তমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া জঙ্গি সংগঠনগুলিকে সক্রিয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জঙ্গি কার্যকলাপগুলির ‘ভারতীয়করণে’র রূপ দিতে এবং পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদত দেওয়ার বিষয়টিকে আড়াল করতেই এই পন্থা অবলম্বন করছে পাক-চর সংস্থা।

    জেরায় কী জানিয়েছে জঙ্গিরা?

    কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার আধিকারিকদের মতে, সম্প্রতি শ্রীনগর পুলিশ পাকড়াও করেছে কয়েকজন ওজিডব্লিউকে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই জানা গিয়েছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ জাতীয় রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিল। জঙ্গি সংগঠনগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক সহায়তা, নিয়োগ এবং অর্থায়নকারী সমর্থকদের বৈধ রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে ভিড়িয়ে দিয়ে আইএসআই তাদের এজেন্টদের নিরাপত্তা অভিযানের হাত থেকে রক্ষা করতে চাইছে।

    জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কোমর ভেঙে গিয়েছে

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক আধিকারিক জানান, এই কৌশলটি মূলত হতাশা থেকে নেওয়া। কারণ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রবল চাপে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কোমর ভেঙে গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে নয়া প্রক্সি সংগঠনগুলির প্রতি স্থানীয়দের সমর্থনও। পুরানো সংগঠনগুলির নাম পুনরুজ্জীবিত করে এবং তাদের কর্মীদের মূলধারার রাজনীতির স্রোতে মিশিয়ে দিয়ে নতুন প্রজন্মের যুবকদের আকৃষ্ট করতে এবং একই সঙ্গে তাদের কর্মীদের রাজনৈতিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে চাইছে আইএসআই। আধিকারিকদের মতে, যখন কোনও ওজিডব্লিউ ঘেরাও এবং তল্লাশি অভিযানে ধরা পড়ে, তখন তারা অনেক সময় জাতীয় রাজনৈতিক দলের সাধারণ সদস্যপদের ‘প্রমাণপত্র’ দেখিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে।

    জঙ্গিদের ছল

    নিরাপত্তা আধিকারিকরা লক্ষ্য করেছেন, জঙ্গিদের এই কৌশল বদলেছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। নয়ের দশকের শেষ দিকে সন্দেহভাজনরা পুলিশের হাত এড়াতে ভোটারকার্ড ব্যবহার করত। পরে তদন্ত এড়াতে তারা আধার কার্ডও ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। যদিও তাঁরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কখনও এই ধরনের লোকজনকে রক্ষা করতে হস্তক্ষেপ করেনি। এদিকে, ওজিডব্লিউ কার্যকলাপের মাধ্যমে ১৯৯৩ সালের পর প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া কিছু সংগঠনকে ফের সক্রিয় করার চেষ্টা করতেও দেখা যাচ্ছে।

    আইএসআইয়ের কৌশল

    নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বর্তমানে ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে জম্মু- কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত পুরোনো সংগঠনগুলির নাম ফের সামনে আসার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এই সব সংগঠনের মধ্যে রয়েছে আল-উমর মুজাহিদিন, আল বদর, এবং তেহরিক-উল-মুজাহিদিনও। আধিকারিকদের মতে, এই পুরোনো স্থানীয় পরিচয়ের সংগঠনগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করে আইএসআই এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি করতে চায় যে জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গি কার্যকলাপ একটি অভ্যন্তরীণ এবং স্থানীয় আন্দোলন, সীমান্তপারের পরিকল্পিত ছায়াযুদ্ধ নয়।

    বহাল তবিয়তে রয়েছে জঙ্গিদের মাথারা

    তাঁরা এও জানান, পুনরুজ্জীবিত এই সব সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে নিরাপদে রয়েছে। যদিও তারা ফিল্ড লেভেলের নেটওয়ার্ক প্রচার, অর্থ জোগাড় এবং উগ্রপন্থায় প্ররোচনা দেওয়ার কাজে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি জঙ্গিদের এসব তৎপরতার ওপর কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে এবং ফের সক্রিয় হওয়া ওজিডব্লিউ নেটওয়ার্কের লজিস্টিক সহায়তা ব্যবস্থাকে নিষ্ক্রিয় করার কাজ করছে। একই সঙ্গে, জঙ্গিদের সমর্থকদের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে উগ্র মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও প্রতিরোধ করা হচ্ছে। অর্জিত শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানান গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কর্তারা।

     

  • Annapurna Yojana: অনলাইনেও শুরু হয়ে গেল ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ফর্ম ফিল-আপ, কীভাবে করবেন আবেদন?

    Annapurna Yojana: অনলাইনেও শুরু হয়ে গেল ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ফর্ম ফিল-আপ, কীভাবে করবেন আবেদন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অফলাইনে আগেই শুরু হয়ে গিয়েছিল অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ফর্ম ফিল-আপের কাজ। আজ, ১ জুন থেকে ফর্ম পূরণ করা যাবে অনলাইনেও (Application Guide)। আবেদন করা যাবে ৯০ দিন ধরে। ১২ পাতার ফর্ম। ফর্মে আবেদনকারী ও তাঁর পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য, পরিবারে কারা রয়েছেন, সন্তান-সন্ততির সংখ্যা, তাদের টিকাকরণের স্টেটাস, জমির পরিমাণ ইত্যাদি।

    প্রয়োজনীয় নথি (Annapurna Yojana)

    ফর্ম ফিল-আপ করার সময় হাতের কাছে রাখতে হবে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসবই, অ্যাকাউন্টের তথ্য, বসবাসের প্রমাণপত্র হিসেবে বিদ্যুৎ কিংবা জলের বিল, এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি। এবার জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে অনলাইনে পূরণ করবেন অন্নপূর্ণ যোজনার ফর্ম। প্রথমে রাজ্য সরকারের পোর্টাল থেকে ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। পূরণ করা ফর্ম জমা দিতে হবে অনলাইনেই। আবেদন করতে হবে রাজ্য সরকারের সোশ্যাল সিকিউরিটি পোর্টালে। আবেদনের জন্য  https://socialsecurity.wb.gov.in/ ওয়েসাইটে যেতে হবে। এই ওয়েবসাইটেরই নাম দেওয়া হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা পোর্টাল। পোর্টালে গেলেই আবেদনকারী তাঁর নিজের ভাষা অনুযায়ী ফর্ম ডাউনলোড করতে পারবেন। পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করতে হবে মোবাইল নম্বর দিয়ে। ফর্ম ফিল-আপের পর সেটি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে পোর্টালেই। ফর্মের সঙ্গে স্ক্যান করে জমা দিতে হবে প্রয়োজনীয় নথিও।

    কোন কোন তথ্য জানাতে হবে

    ২৭ মে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফি মাসে ৩ হাজার টাকা করে পেতে হলে পূরণ করতে হবে এই ফর্ম। একটি পরিবার একটিই ফর্ম পাবে। যদিও সেখানে একাধিক নামের জায়গা রয়েছে। ফর্মের প্রথমেই রয়েছে আবেদনকারীর পরিবারের নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা, লিঙ্গ, আধার নম্বর, আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল ফোনের নম্বর লিখতে হবে। উল্লেখ করতে হবে পরিবারের অন্য সদস্যদের যাবতীয় তথ্য এবং গৃহকর্তা বা গৃহকর্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক কী, তা। পরিবারের সদস্যদের কারও ব্যক্তিগত চার চাকার গাড়ি থাকলে ফর্মে উল্লেখ করতে হবে তাও (Annapurna Yojana)। আবেদনকারী এখন রাজ্য সরকারের কোনও সুবিধা পান কিনা এবং পরিবারের কোনও সদস্যের স্বাস্থ্যবিমা, কিষান ক্রেডিট কার্ড, মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ড এবং শিক্ষার্থী ক্রেডিট কার্ড থাকলে, সে সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। পরিবারের সদস্যরা পেশায় কী, তাও উল্লেখ করতে হবে ওই ফর্মে।

    মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস

    এই প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া (Application Guide) বাধ্যতামূলক করায় সচেতনভাবেই গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে রাজনীতির কারবারিদের একাংশ। যদিও পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম সংক্রান্ত কোনও গুজবে কান দেওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রত্যেকের বাড়িতে ফর্ম পূরণের জন্য লোক যাবেন। তাঁরাই ফর্ম পূরণ করিয়ে দেবেন। বিভ্রান্ত না হওয়ার আবেদনও জানান (Annapurna Yojana) নয়া মুখ্যমন্ত্রী।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, এক ঝলকে দেখে নিন সাপ্তাহিক ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, এক ঝলকে দেখে নিন সাপ্তাহিক ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। ২৪ থেকে ৩০ মে, ২০২৬ – পর্যন্ত পর্বে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি (Hindus Under Attack)

    মুসলমানদের মন পেতে ফের ‘তুষ্টিকরণে’র রাজনীতি করেছে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার। সব মিলিয়ে ৫২টি মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর মধ্যে ২০২২ সালের কালাবুরাগি দাঙ্গার সঙ্গে সম্পর্কিত ৭টি মামলাও রয়েছে। অভিযোগ, কালাবুরাগি দাঙ্গায় মুসলিম জনতা পুলিশের ওপর হামলা করেছিল (Roundup Week)।

    ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

    বেঙ্গালুরুর এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, ধর্ষণের চেষ্টা এবং অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ এনেছেন কেরলের এক কলেজছাত্রী। মাডিওয়ালা থানায় দায়ের করা হয়েছে এফআইআর। জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে একটি পার্টিতে। এই পার্টির আয়োজন করেছিলেন কয়েকজন ক্যাফে মালিক। অভিযোগকারিণী একটি বেসরকারি কলেজের ছাত্রী। একটি মোমো আউটলেটে তিনি পার্টটাইম কাজ করতেন। তাঁকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ওই পার্টিতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত হাইনাস নামে একজন। তিনি কেরলের বাসিন্দা। কাজ করেন রিয়েল এস্টেট দালাল হিসেবে। ক্যাফেটি বিক্রির কাজে মালিকদের সাহায্য করেছিলেন তিনি। অভিযোগ, আয়োজকরা কিছুক্ষণের জন্য বাইরে চলে গেলে অভিযুক্ত ওই ছাত্রীর ওপর হামলা চালান।

    লাভ জিহাদ

    উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বীর একটি সরকারি কলেজকে ঘিরে বিতর্কের জেরে দুই মহিলা অধ্যাপক এবং আরও এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এক হিন্দু অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, মানসিকভাবে প্রভাবিত করা এবং ‘লাভ জিহাদ’ চক্করের সঙ্গে যুক্ত কার্যকলাপে লাগানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। যদিও রবিবার দুপুর পর্যন্তও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি (Roundup Week)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৌশাম্বীর একটি সরকারি বালিকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের দুই শিক্ষিকা এবং তাঁদের এক সহযোগী ছাত্রীদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে উৎসাহিত করছিলেন বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ইসলামী রীতিনীতি অনুশীলনে উৎসাহ দেওয়া, হিন্দু বিশ্বাসের সমালোচনা করা এবং বারবার প্রভাবিত করার মাধ্যমে ছাত্রীদের মতাদর্শগতভাবে পরিবর্তনের চেষ্টা করা।

    মন্দির ভাঙার চেষ্টা

    এদিকে, ভাটকালের মুরিনাকাট্টে বিরোধ আবারও দেখিয়ে দিয়েছে যে, উপকূলীয় কর্নাটকের কিছু অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি কতটা স্পর্শকাতর এবং প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা কীভাবে স্থানীয় উত্তেজনাকে বড় আইন-শৃঙ্খলার সঙ্কটে পরিণত করতে পারে। জাতীয় সড়ক ৬৬-এর পাশে ভেঙ্কটাপুরে থাকা একটি ছোট কিন্তু ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু মন্দির পুনর্নির্মাণকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধই শেষতক একটি বড় উত্তেজনার কারণ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, শয়ে শয়ে মুসলমান পুনর্নির্মিত ওই মুরিনাকাট্টে মন্দিরের কাছে জড়ো হয়ে সেটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেছিল (Roundup Week)।

    আমেরিকার ছবি

    ভারতের পাশাপাশি বিদেশেও চলছে হিন্দু ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচার। আমেরিকার নিউ জার্সির বিএপিএস স্বামিনারায়ণ মন্দিরের তীব্র সমালোচনা এবং নেতিবাচক প্রচার তারই একটি উদাহরণ। ফেডারেল তদন্তে কোনও অনিয়মের প্রমাণ না মিললেও, বিএপিএসের বিরুদ্ধে সংবাদ মাধ্যমের প্রচার চলছেই (Hindus Under Attack)।

     

LinkedIn
Share