Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Republic Day 2026: ‘২৬-২৬’-পাক নাশকতামূলক ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস গোয়েন্দা দফতরের

    Republic Day 2026: ‘২৬-২৬’-পাক নাশকতামূলক ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস গোয়েন্দা দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2026) প্রাক্কালে পাক ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস করল ভারতীয় গোয়েন্দা দফতর। জঙ্গি কার্যকলাপের ছকের নাম ‘২৬-২৬’। দেশের সর্বত্র নাশকতা রুখতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট (ISI Attack Plan)। ২৬ জানুয়ারির আগে দেশে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার পিছনে রয়েছে পাক সেনার মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলি। সূত্রের খবর, জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ এবং পাঞ্জাবের কিছু গ্যাংস্টার একযোগে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। এই পরিস্থিতিতে রাজধানী দিল্লির নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।

    ৪ শহরে বিস্ফোরণের ছক (Republic Day 2026)!

    গত কয়েকমাস আগে লালকেল্লার বিস্ফোরণ দেশবাসীর মনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছিল। কেড়ে নিয়েছে ২০ জনের বেশি প্রাণ। দেশে এমন বিস্ফোরণের ঘটনা সত্যই ভয়ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সূত্রের খবর, এবারে জঙ্গিদের প্ল্যান ছিল একটা দুটো নয় ৪ টে শহরে বিস্ফোরণ ঘটানো। দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয় ৬ ডিসেম্বরকে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ১৯৯২ সালের এই দিনেই বাবরি মসজিদের বিতর্কিত কাঠামোকে ধ্বংস করা হয়েছিল। জঙ্গিদের উদ্দেশ্য ছিল বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নেওয়া। আর তাই অযোধ্যার রাম মন্দিরকেও টার্গেট করা হয়েছে। দিল্লির মতো একাধিক সিরিয়াল ব্লাস্টের মধ্যে দিয়ে বিরাট হামলার ছক (ISI Attack Plan) করা হয়।

    রেক্রুট্মেন্ট সেলকে চাঙ্গা করতে চায় জঙ্গিরা

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জঙ্গিরা নিজেদের প্ল্যানে একসঙ্গে একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণে বার্তা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তার মধ্যে প্রধান অপারেশন সিঁদুরের বদলা। নিজেদের রিক্রুটমেন্ট সেলকে চাঙ্গা করে নাশকতামূলক কাজকে বাস্তবায়ন করাও লক্ষ ছিল। দেশের ৪টি শহরে পরপর বিস্ফোরণ ঘটাতে ৮ জনের একএকটি করে পৃথক পৃথক দল গঠন করা হয়েছিল। জঙ্গিদের পরিকল্পনায় ছিল আইইডি প্রতিটি শহরে পৌঁছে যাবে ২ জন করে। হামলার দিন প্রথমে ঠিক করা হয়েছিল ১৫ অগাস্ট। কিন্তু তা এখন পাল্টে করা হয়েছে ২৬ শে জানুয়ারি। ফরিদাবাদের বিস্ফোরক উদ্ধার এবং দিল্লি বিস্ফোরণে একের পর এক জঙ্গিদের বিভিন্ন সূত্রে সন্ত্রাসবাদীদের ষড়যন্ত্রকে ক্রমেই প্রকাশ্যে এনেছে। এবার এই ২৬-২৬ মডেলের নাশকতার ছকের পর্দাফাঁসের ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করেছে পাকিস্তানের সেনা, আইএসআই এবং জঙ্গি সংগঠনগুলি ভারত ধ্বংসের জন্য কতটা কূটকৌশলী। পাল্টা ভারতীয় সুরক্ষা বাহিনীও অত্যন্ত তৎপর।

  • Fake Birth Certificates: দু’মাসের মধ্যেই লক্ষাধিক জাল জন্মশংসাপত্র তৈরি হয়েছে!

    Fake Birth Certificates: দু’মাসের মধ্যেই লক্ষাধিক জাল জন্মশংসাপত্র তৈরি হয়েছে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ কিরিট সোমাইয়া (CRS) মঙ্গলবার সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (সিআরএস) পোর্টালে এক বিশাল জালিয়াতি ফাঁসের অভিযোগ (Fake Birth Certificates) করেন। তাঁর দাবি, ২০২৫ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর এই দু’মাসের মধ্যেই এক লাখেরও বেশি জাল জন্মশংসাপত্র তৈরি করা হয়েছে।

    সোমাইয়ার বক্তব্য (Fake Birth Certificates)

    সাংবাদিক সম্মেলনে সোমাইয়া বলেন, “এই কেলেঙ্কারি শুধুমাত্র প্রাত্যহিক প্রশাসনিক দুর্নীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক গুরুতর হুমকি।” তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারের সিআরএস পোর্টাল হ্যাক করে সরকারি নথিপত্রে কারসাজি করে এই জালিয়াতি করা হয়েছে। চমকে দেওয়ার মতো তথ্য বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, মহারাষ্ট্রের জলগাঁও, পারোলা ও ইয়াভাতমাল জেলা এবং উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলি ও আলিগড় জেলায় গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়েছে। যেসব গ্রামে জনসংখ্যা ১,০০০ থেকে ১,৫০০-এর মধ্যে, সেখানে ১০,০০০ থেকে ২৭,০০০টি পর্যন্ত জন্মনিবন্ধনের নথি মিলেছে। আবার এর প্রায় ৯৯ শতাংশ নথিভুক্ত ব্যক্তির বয়স ২০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, যা ব্যাপক সন্দেহের জন্ম দিয়েছে।

    গ্রেফতার ৮

    সোমাইয়ার দাবি, তদন্তে এখনও পর্যন্ত একটি আন্তঃরাজ্য চক্রের সন্ধান মিলেছে এবং এই ঘটনায় আটজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত অবদেশ কুমার দুবে কম্পিউটার ব্যবস্থার মাধ্যমে নথি জাল করে এই কারসাজি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। সোমাইয়া জানান, তিনি ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র পুলিশের কর্তা সদানন্দ দাতের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন এবং শীঘ্রই বিষয়টি নিয়ে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারস্থ হবেন (CRS)। তাঁর অভিযোগ, ভুয়ো জন্মশংসাপত্র ব্যবহার করে অনুপ্রবেশকারীদের ভারতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা নিজেদের বৈধ নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গ টেনে সোমাইয়া বলেন, “হাজার হাজার বাংলাদেশি নাগরিক কোনও আইনি অনুমতি ছাড়াই মুম্বইয়ের রাস্তায় ফেরিওয়ালার কাজ করছেন।” তিনি জানান, মুম্বই পুলিশ কমিশনার ও পুর কমিশনারের সহযোগিতায় চালানো কড়া অভিযানের ফলে (Fake Birth Certificates) মুলুন্ড রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা-সহ একাধিক অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হয়েছে।

    মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ

    সাংবাদিক বৈঠকে সোমাইয়া শিবসেনা (ইউবিটি) প্রধান উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধেও আক্রমণ শানান। তাঁর দাবি, যেসব কেন্দ্রে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেখানে ভোটাররা এমআইএমকে সমর্থন করেন, আর যেসব এলাকায় মুসলিম ভোটার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ, সেখানে সমর্থন যায় উদ্ধব ঠাকরের দলের দিকে। সোমাইয়ার অভিযোগ, যেসব রাজনৈতিক নেতা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে দেখেন, তাঁরাই আইন প্রয়োগে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি এও বলেন, “যাঁরা মুম্বইকে সবুজায়নের নামে অন্য উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা করছেন, তাঁদের ২০২৬ সালে (CRS) মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীসের নেতৃত্বে বিজেপি উপযুক্ত জবাব দেবে (Fake Birth Certificates)।”

  • Jammu and Kashmir: কাশ্মীরের ডোডায় খাদে পড়ল সেনার গাড়ি, নিহত ১০ জওয়ান

    Jammu and Kashmir: কাশ্মীরের ডোডায় খাদে পড়ল সেনার গাড়ি, নিহত ১০ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু একাধিক সেনা জওয়ানের। কাশ্মীরের ডোডা জেলায় খাদে পড়ে গিয়েছে সেনার একটি গাড়ি। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। একাধিক জওয়ান গুরুতর জখম হয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর। ডোডা জেলায় খান্নি টপে ভাদেরওয়া-চাম্বা রোডের উপর এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

    কীভাবে ঘটে এই দুর্ঘটনা

    দুর্ঘটনা সম্পর্কে জানাতে গিয়ে সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার,১৭ জন সৈন্য বহনকারী একটি সামরিক যান উঁচু পোস্টের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় ডোডার ভাদেরওয়াহ-চাম্বা আন্তঃরাজ্য সড়কের খানি টপের কাছে বুলেটপ্রুফ গাড়িটি রাস্তা থেকে ছিটকে ২০০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় দশজন সৈন্য নিহত হন, অন্যরা গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে, সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথ দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারাও পুলিশ ও উদ্ধারকারী দলকে সহায়তা করতে সেখানে পৌঁছান। উদ্ধার অভিযানের সময় ১০ জন সৈন্যের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত সৈন্যদের উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। তিনজনকে হেলিকপ্টার করে উধমপুরের কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাদের বিশেষ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ডোডা মেডিক্যাল কলেজ থেকেও ডাক্তার ও প্যারামেডিক্যাল কর্মীদের একটি দলকে উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য পাঠানো হয়েছে।

    দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে

    সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং আহত সৈন্যদের সর্বোত্তম চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রাণ হারানো সৈন্যদের পরিবারকে অবহিত করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিন‍্‍হা সেনা জওয়ানদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। এক বিবৃতিতে উপরাজ্যপাল সিনহা লেখেছেন, “ডোডা জেলায় সেনার গাড়ি দুর্ঘটনায় আমরা ১০ জন জওয়ানকে হারিয়েছি ৷ এই ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। আমরা সাহসী সেনাদের অসামান্য বীরত্ব ও তাঁদের আত্মত্যাগ সর্বদা স্মরণ করব। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা।” ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা৷ এক্স হ্যান্ডেলে নিহত সেনা পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।কয়েকদিন আগেই গুলমার্গ সেক্টরে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন ২ জন সেনা পোর্টার। সেই গাড়িটিও খাদে পড়ে গিয়েছিল।

  • Atal Pension Yojana: মেয়াদ বাড়ল অটল পেনশন যোজনার, কতদিন চলবে জানেন?

    Atal Pension Yojana: মেয়াদ বাড়ল অটল পেনশন যোজনার, কতদিন চলবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়াদ বাড়ল অটল পেনশন যোজনার (Atal Pension Yojana)। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০৩০–৩১ অর্থবর্ষ পর্যন্ত এই পেনশন যোজনা চালু রাখার অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে প্রচারমূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং গ্যাপ ফান্ডিংয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে (Cabinet)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হল অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের মধ্যে প্রকল্পটির পরিসর বাড়ানো এবং এর দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা।

    আর্থিক সহায়তা প্রদান (Atal Pension Yojana)

    সরকার সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রচার অভিযান ও সক্ষমতা উন্নয়নমূলক উদ্যোগ-সহ বিভিন্ন প্রচার ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে। পেনশন প্রকল্পটির আর্থিক ভিত্তি নিশ্চিত করতে দশকের শেষ পর্যন্ত প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাপ ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হবে। প্রসঙ্গত, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অটল পেনশন যোজনায় নথিভুক্ত গ্রাহকের সংখ্যা ৮.৬৬ কোটিরও বেশি, যা ভারতের অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। এই প্রকল্পটি নিম্নআয়ের মানুষ ও অসংগঠিত ক্ষেত্রের লাখ লাখ শ্রমিকের জন্য বার্ধক্য বয়সে আয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ৬০ বছর বয়স পূর্ণ করার পর গ্রাহকরা মাসিক ১,০০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত পেনশন পান (Atal Pension Yojana)।

    সরকারি ব্যাঙ্কগুলির আধিপত্য

    নথিভুক্তির ক্ষেত্রে সরকারি ব্যাঙ্কগুলির আধিপত্য রয়েছে। তাদের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে মোট গ্রাহকের প্রায় ৭০.৪৪ শতাংশ। আর আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলির অবদান ১৯.৮০ শতাংশ (Cabinet)। বাকি অংশটি এসেছে বেসরকারি খাতের ব্যাঙ্ক, পেমেন্ট ব্যাঙ্ক, ক্ষুদ্র অর্থায়ন ব্যাঙ্ক ও সমবায় ব্যাঙ্কগুলির মাধ্যমে। ২০২৩–২৪ অর্থবর্ষের শেষে প্রকল্পটির মোট নথিভুক্তিতে ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। এই পেনশন প্রকল্পটি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ভারতকে একটি পেনশনভিত্তিক সমাজে রূপান্তরের পথে সাহায্য করছে। একই সঙ্গে মজবুত সামাজিক সুরক্ষা প্রদান করে বিকশিত ভারত@২০৪৭-এর লক্ষ্যকেও শক্তিশালী করছে।

    ৯ মে ২০১৫ সালে চালু হওয়া অটল পেনশন যোজনা মূলত অসংগঠিত ক্ষেত্রের সেই সব শ্রমিকদের জন্য, যাদের প্রথাগত পেনশন পাওয়ার সুবিধা নেই। এটি দীর্ঘায়ুজনিত ঝুঁকি ও অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা (Cabinet) সংক্রান্ত উদ্বেগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে (Atal Pension Yojana)।

  • Republic Day 2026: রাইফেল-মাউন্টেড রোবট, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঝলক! প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তির প্রদর্শন

    Republic Day 2026: রাইফেল-মাউন্টেড রোবট, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঝলক! প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তির প্রদর্শন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধুনিক যুদ্ধের ভবিষ্যতের এক ঝলক তুলে ধরতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা। ২৬ জানুয়ারি (Republic Day 2026) কর্তব্য পথে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস প্যারেডে প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হবে রাইফেল-মাউন্টেড রোবট। সাম্প্রতিক মহড়ায় দেখা গিয়েছে এই উন্নত চতুষ্পদ যন্ত্রগুলো। এই ধরনের অস্ত্র ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের কৌতূহল বাড়িয়েছে। কয়েক বছর আগেই রীতি বদলের সূচনা করেছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে আত্মনির্ভরতার বার্তা দিতে দেশে তৈরি অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম প্রদর্শন শুরু হয়েছিল। সেই ধারা মেনেই এ বার ২৬ জানুয়ারি দিল্লির কর্তব্যপথে সামরিক উৎপাদন ক্ষেত্রে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র নতুন কয়েকটি নমুনার সঙ্গে দেশবাসী পরিচিত হবেন।

    যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রোবট

    রাইফেল-মাউন্টেড রোবটগুলি সাধারণত মাল্টি-ইউটিলিটি লেগড ইকুইপমেন্ট (MULEs)। যুদ্ধ সহায়তা ও নজরদারির জন্য তৈরি এই অত্যাধুনিক যন্ত্রগুলি অস্ত্র, সেন্সর এবং নজরদারি সরঞ্জাম বহনে সক্ষম। ভারতীয় সেনা ইতিমধ্যেই ১০০টি এমন রোবোটিক মডিউল নিজেদের অপারেশনাল ইউনিটে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এটিকে স্বয়ংক্রিয়তা ও মানববিহীন যুদ্ধক্ষেত্র সহায়তার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, একই ধরনের চতুষ্পদ রোবট আগে অসামরিক ক্ষেত্রেও নজর কেড়েছিল— ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেট সম্প্রচারে চলমান ক্যামেরা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে এই রোবটগুলি। এবার প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এদের ব্যবহার স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, নজরদারি, লজিস্টিক সাপোর্ট এবং ভবিষ্যতে সরাসরি যুদ্ধের জন্য অত্যাধুনিক রোবোটিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে চাইছে সেনাবাহিনী। বিশেষ করে দুর্গম ও শত্রুপ্রবণ এলাকায় এই রোবটের কার্যকারিতা অপরিসীম।

    আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে রোবট ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র

    একসময় যুদ্ধ মানে ছিল সৈন্যের মুখোমুখি লড়াই। যুদ্ধক্ষেত্রে জয়-পরাজয় নির্ভর করত সৈন্যসংখ্যা, শারীরিক শক্তি ও সাহসের ওপর। কিন্তু সময় বদলেছে, বদলেছে যুদ্ধের গতি-প্রকৃতি। আধুনিক বিশ্বে যুদ্ধ শুধু রণাঙ্গনে সীমাবদ্ধ নেই; ছড়িয়ে পড়েছে মহাকাশ ও ডিজিটাল জগতে। আজকের যুদ্ধে শক্তিশালী অস্ত্র অনেক সময় বন্দুক নয়, বরং ড্রোন, স্যাটেলাইট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও তথ্যপ্রযুক্তি। ভারত থেকে পাকিস্তান, ইউক্রেন থেকে গাজা, রাশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্র,—সর্বত্র যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ চলে যাচ্ছে প্রযুক্তির হাতে। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে রোবট ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বোমা নিষ্ক্রিয় করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় তল্লাশি চালানো কিংবা পাহারার কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে সৈন্যদের সরাসরি জীবনের ঝুঁকি কমে আসে। অনেক দেশে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে, যা মানুষের সরাসরি নির্দেশ ছাড়াই নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিও এই পরিবর্তনের অংশ।

    অ্যান্টি-শিপ হাইপারসনিক গ্লাইড মিসাইল

    প্রযুক্তির এই প্রদর্শনীকে আরও জোরালো করবে ডিআরডিও-র তৈরি দীর্ঘ-পাল্লার অ্যান্টি-শিপ হাইপারসনিক গ্লাইড মিসাইল (LRAShM)। আগামী ২৬ জানুয়ারি অর্থাৎ, ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে ভারতের নতুন দীর্ঘ-পাল্লার অ্যান্টি-শিপ হাইপারসনিক গ্লাইড মিসাইল। অত্যাধুনিক এই ক্ষেপণাস্ত্রর নকশা ও প্রস্তুত করেছে ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা ডিআরডিও। অত্যাধুনিক এই মিসাইলের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এর হাইপারসনিক গতি। অর্থাৎ, শব্দের চেয়েও পাঁচগুণ বেশি বেগে উড়তে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। আর সেই কারণেই শত্রুপক্ষের রেডারে ধরা পড়ে না এই মিসাইল। বর্তমানে এই ক্ষেপণাত্র ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যে আঘাত করতে সক্ষম। তবে, আগামীতে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা যাতে ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টা করছে ডিআরডিও। এই ক্ষেপণাত্র বিভিন্ন ধরনের পেলোড বহন করতে পারে। যাতে এই একই ক্ষেপণাস্ত্র একাধিক শ্রেণির যুদ্ধজাহাজের বর্ম ভেদ করতে পারে। এ ছাড়াও এই মিসাইল মাটির খুব কাছ দিয়ে উড়তে পারে। ফলে আকাশের দিকে লক্ষ্য রাখা বিভিন্ন রেডার এড়িয়ে যেতে পারে। এই মিসাইলের এরোডায়নামিক দক্ষতা একে অনেক দূর পর্যন্ত গ্লাইড করতে বা উড়তে সাহায্য করে। এর প্রদর্শন ভারতের হাইপারসনিক অস্ত্র প্রযুক্তিতে অগ্রগতি এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের অধীনে প্রতিরক্ষা স্বনির্ভরতার প্রতিশ্রুতিকেই তুলে ধরবে।

    কৌশলগত গুরুত্ব

    কৌশলগত দিক থেকেও এই মিসাইল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই মিসাইল ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের সক্ষমতা বাড়িয়ে দেবে কয়েকগুণ। কারণ, এই মিসাইল সর্বোচ্চ দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে ডিআরডিও দুই ধরনের মিসাইল প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। একটি হল হাইপারসনিক ইন্টার কন্টিনেন্টাল গ্লাইড মিসাইল ও হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইল। লং-রেঞ্জ অ্যান্টি শিপ মিসাইলের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ প্রমাণ করে মিসাইল নিয়ন্ত্রণ কৌশল, মিসাইলের গতিপথের নকশা ও মিসাইল প্রযুক্তি তৈরিতে ভারত এখন গোটা বিশ্বকে টেক্কা দিচ্ছে।

    কর্তব্য পথে আত্মনির্ভর ভারত

    ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬-এ (Republic Day 2026) ভারত উদযাপন করবে তার ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস। ১৯৫০ সালে সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর থেকে ভারত একটি সার্বভৌম গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হয়। প্রথা অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে থাকে বর্ণাঢ্য সামরিক প্যারেড, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দেশজুড়ে দেশাত্মবোধক কর্মসূচি। এ বছরের থিম বিশেষ ঐতিহাসিক তাৎপর্য বহন করছে—‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি। এই থিম ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে জাতীয় সংগীতের ভূমিকা এবং দেশের সামষ্টিক চেতনায় তার চিরস্থায়ী প্রভাবকে শ্রদ্ধা জানায়। সময়ের সঙ্গে আরও শক্তিশালী হচ্ছে ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্র। বাড়ছে যুদ্ধ বিমান, যুদ্ধ জাহাজের সংখ্যা। উন্নত হচ্ছে প্রযুক্তি। একদিকে যেমন বিদেশি সংস্থা বিনিয়োগ করছে ভারতের প্রতিরক্ষা সেক্টরে তেমনই ভারতের ডিআরডিও সহ সংস্থাগুলোও কাজ করে চলেছে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। কেন্দ্রে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতাই হয়ে উঠেছে ভারতের মন্ত্র। এবার তারই ছবি ফুটে উঠবে দিল্লির কর্তব্য পথে।

  • Kerala Woman Arrested: হিন্দুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলে ধৃত মুসলিম মহিলা ইনফ্লুয়েন্সার

    Kerala Woman Arrested: হিন্দুর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলে ধৃত মুসলিম মহিলা ইনফ্লুয়েন্সার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর বিয়াল্লিশের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার (Sexual Harassment) অভিযোগ তুলে ভাইরাল করে দেওয়া হয় ভিডিও। অভিযোগ, তার পরেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই ব্যক্তি। কেরলের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। এই ঘটনায় বছর পঁয়ত্রিশের এক মুসলিম মহিলা ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেফতার (Kerala Woman Arrested) করা হয়েছে। তিনিই ওই ভিডিওটি ভাইরাল করেছিলেন।

    ভিডিও রেকর্ড (Kerala Woman Arrested)

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে শিমজিথা মুস্তাফা ও দীপক ইউ একই বাসে যাত্রা করছিলেন। ইনফ্লুয়েন্সার মুস্তাফা একটি ভিডিও রেকর্ড করে দাবি করেন যে দীপক তাঁকে যৌন হেনস্তা করেছেন এবং সেই ভিডিও তিনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে আপলোড করেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং ২০ লক্ষেরও বেশি ভিউ পায়। ভিডিওতে মুস্তাফা বলেন, “গতকাল আমি একটি পাবলিক বাস থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করেছি, যেখানে এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার সম্মতি ছাড়াই আমায় স্পর্শ করেছে। এটি কোনও দুর্ঘটনা বা ভুল বোঝাবুঝি নয়। এটি ছিল আমার যৌন সীমা স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন।”

    ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

    তিনি আরও বলেন, “আমি রেকর্ডিং শুরু করি যখন দেখি আমার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক মহিলা অস্বস্তিতে ছিলেন। তাঁর দুষ্কর্ম ভিডিও করা হচ্ছে জেনেও ওই ব্যক্তি আমায় স্পর্শ করতে থাকেন। এটি তাঁর ইচ্ছাকৃত আচরণ, সহমর্মিতার অভাব এবং এই বিশ্বাসের পরিচয় যে তার কোনও সাজা হবে না।” রবিবার, ভিডিওটি রেকর্ড হওয়ার দু’দিন পর, কোঝিকোড়ে নিজের বাড়িতে দীপকের বাবা-মা তাঁদের একমাত্র ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁদের দাবি, দীপক নির্দোষ ছিলেন এবং চরম অপমানের শিকার হয়েছিলেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকে শনিবার, নিজের জন্মদিন-সহ টানা (Sexual Harassment) দু’দিন কিছুই খাননি তিনি। তার পরেই উদ্ধার হয় দীপকের ঝুলন্ত দেহ।

    দীপকের মা বলেন, “আমার সন্তান এই অপমান সহ্য করতে পারেনি। ওর বিরুদ্ধে কখনও কোনও ভুল কাজের অভিযোগ ওঠেনি (Kerala Woman Arrested)।” ঘটনার পর মুস্তাফা ভিডিওটি মুছে দেন এবং পরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে আরও একটি ভিডিও আপলোড করেন। সেই ভিডিওটিও পরে ‘প্রাইভেট’ করে দেওয়া হয়। সোমবার পুলিশ আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে ওই মহিলা ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে। একই সঙ্গে কেরল রাজ্য মানবাধিকার কমিশনও ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় এবং উত্তর জোনের ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল (ডিআইজি)-কে এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলে (Kerala Woman Arrested)।

  • Udhayanidhi Stalin: সনাতন ধর্মকে অপমান, মাদ্রাজ হাইকোর্টে তিরস্কৃত তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন

    Udhayanidhi Stalin: সনাতন ধর্মকে অপমান, মাদ্রাজ হাইকোর্টে তিরস্কৃত তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মকে অপমান করা এবং ঘৃণা-ভাষণ দেওয়ার জন্য তামিলনাড়ুর উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও যুবকল্যাণ ও ক্রীড়ামন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনকে চরম ভর্ৎসনা করল মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ।  সেই সঙ্গে বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর বাতিল করা হল। হাইকোর্ট জানিয়েছে, একটি বিতর্কিত বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া অন্যায়, বিশেষত যখন সেই বক্তব্য প্রদানকারীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপই করা হয়নি। এই এফআইআরটি দায়ের করা হয়েছিল মালব্যের সোশ্যাল মিডিয়ায় করা কিছু পোস্টের কারণে, যেখানে তিনি ‘সনাতন ধর্ম’ (Sanatana Dharma) নিয়ে মন্তব্য করার জন্য উদয়নিধি স্ট্যালিনের (Udhayanidhi Stalin) কড়া সমালোচনা করেছিলেন।

    মালব্যের প্রতিক্রিয়া আইন লঙ্ঘন করেনি (Udhayanidhi Stalin)

    বিচারপতি এস শ্রীমতী বলেন, “অমিত মালব্য কেবল তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনের একটি প্রকাশ্য বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়া ভুল এবং ক্ষতিকর হবে।” বিচারপতি এও বলেন, “মালব্যের প্রতিক্রিয়া কোনও আইন লঙ্ঘন করেনি এবং মামলাটি চালু রাখলে তা আইনি ব্যবস্থার অপব্যবহার হবে।” লাইভ ল–এর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আদালত এই প্রসঙ্গে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা নিয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। আদালত উল্লেখ করেছে, যে মন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি, অথচ সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। বিচারপতি বলেন, “এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে যাঁরা আপত্তিকর বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন, তাঁরা প্রায়ই পার পেয়ে যান, কিন্তু যাঁরা তাঁর প্রতিক্রিয়া জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    লাইভ ল–এর প্রতিবেদনে আদালতের পর্যবেক্ষণ উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, “এই আদালত অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, যাঁরা বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সূচনা করেন, তাঁরা সম্পূর্ণরূপে মুক্ত থাকেন, কিন্তু যাঁরা সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান, তাঁরা আইনের কঠোরতার মুখে পড়েন। এমনকি আদালতও প্রতিক্রিয়া জানানো ব্যক্তিদের প্রশ্ন করছে, কিন্তু যারা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না (Udhayanidhi Stalin)।” প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে ‘সনাতন বিলোপ সম্মেলন’ (Sanatana Abolition Conference) নামে একটি অনুষ্ঠানে উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মের তুলনা করেছিলেন ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের সঙ্গে (Sanatana Dharma)। একে বিলোপ করার কথাও বলেছিলেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল এবং বিভিন্ন আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল।

    স্ট্যালিনের মন্তব্য

    এই বক্তব্যের পর অমিত মালব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ভাষণের একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেন এবং মন্ত্রীর বক্তব্যের অর্থ ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো এবং ভ্রান্ত তথ্য প্রচারের অভিযোগে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অনুষ্ঠানে উদয়নিধি স্ট্যালিন যে বক্তব্য দেন, তার একটি আনুমানিক অনুবাদ নীচে দেওয়া হল, যা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। “কিছু বিষয়ের বিরোধিতা করা যায় না, সেগুলিকে নির্মূল করতে হয়। আমরা শুধু ডেঙ্গি, মশা, ম্যালেরিয়া বা করোনার বিরোধিতা করতে পারি না, সেগুলি নির্মূল করতে হয়। সনাতনের ক্ষেত্রেও কেবল বিরোধিতা নয়, একে নির্মূল করা উচিত।”

    স্ট্যালিনের এই প্রতিক্রিয়ায় অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন (Sanatana Dharma), “তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের পুত্র ও ডিএমকে সরকারের মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন সনাতন ধর্মকে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা (Udhayanidhi Stalin) করেছেন। তাঁর মতে, এর বিরোধিতা নয়, একে নির্মূল করা উচিত। সংক্ষেপে বলতে গেলে, তিনি ভারতের ৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে গণহত্যার আহ্বান জানাচ্ছেন, যাঁরা সনাতন ধর্ম অনুসরণ করেন।” মালব্য আদালতে জানান, তিনি কেবল প্রকাশ্যে দেওয়া একটি বক্তব্যই শেয়ার করেছিলেন এবং তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁর পোস্টগুলির অপব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (Udhayanidhi Stalin)।

     

  • Mohan Bhagwat: “জাতির স্বার্থে যাঁরা কাজ করেন, সংঘ তাঁদের সবার সঙ্গেই রয়েছে”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “জাতির স্বার্থে যাঁরা কাজ করেন, সংঘ তাঁদের সবার সঙ্গেই রয়েছে”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জাতীয় স্বার্থ কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের একচেটিয়া বিষয় হতে পারে না। এটি আমাদের সবার যৌথ দায়িত্ব। জাতির স্বার্থে যাঁরা কাজ করেন, সংঘ তাঁদের সবার সঙ্গেই রয়েছে।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর (RSS) সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। এদিন তিনি সৌরাষ্ট্র–কচ্ছ অঞ্চলের রাজকোটে অনুষ্ঠিত ‘প্রমুখজন বিচার গোষ্ঠী’তে ভাষণ দেন। সেখানেই এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    সংঘের কার্যপ্রণালী (Mohan Bhagwat)

    ভাগবত বলেন, “অবহেলা, বিরোধিতা ও বারবার নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও, আরএসএস যে অবস্থানে পৌঁছেছে, তা একমাত্র হিন্দু সমাজের আশীর্বাদেই সম্ভব হয়েছে। যাঁরা জাতির জন্য কাজ করেন, তাঁরা সংঘের সঙ্গে যুক্ত থাকুন বা না থাকুন, আরএসএস তাঁদের নিজেদের স্বয়ংসেবক হিসেবেই মনে করে।” সংঘের কার্যপ্রণালী ব্যাখ্যা করে ভাগবত বলেন, “আরএসএস কাউকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে পরিচালনা করে না। সংঘের কাজের ভিত্তি হল সম্পূর্ণ সাত্ত্বিক স্নেহ ও আত্মীয়তার অনুভূতি। শাখা ব্যবস্থার মাধ্যমে মূল্যবোধ সঞ্চার করা হয় এবং স্বয়ংসেবকদের প্রস্তুত করা হয়। পরবর্তীকালে তাঁরা নিজেদের বিবেক ও বিচক্ষণতার ভিত্তিতে সমাজকল্যাণের সিদ্ধান্ত নেন।”

    হিন্দুত্ব একটি জীবনধারা

    হিন্দুত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “হিন্দুত্ব একটি জীবনধারা। সংঘ ভারতের সংবিধানের সঙ্গে একই দার্শনিক ভিত্তিতে কাজ করে। ভারত একটি হিন্দু রাষ্ট্র, এই কারণেই এখানে সব পথ, সম্প্রদায় ও ঐতিহ্যকে স্বাগত জানানো হয় এবং সম্মান করা হয়।” সরসংঘ চালক বলেন, “‘বসুধৈব কুটুম্বকম’, এই ভারতীয় নীতি সত্যিকারের বিশ্বায়নের প্রতীক। অন্য দেশগুলি বিশ্বকে বাজার হিসেবে দেখে (RSS), আর আমরা বিশ্বকে একটি পরিবার হিসেবে দেখি (Mohan Bhagwat)।” প্রশ্নোত্তর পর্বে সরসংঘচালক বলেন, “জেন-জেড প্রজন্মের তরুণরা ‘সাদা খাতা’র মতো এবং তারা গভীরভাবে সৎ। সমাজকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের কৌশল রপ্ত করতে হবে।” তিনি বলেন, “মানুষকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভু হতে হবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেন মানুষের প্রভু না হয়ে ওঠে, এবং তা জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে হবে।”

    মূল্যবোধনির্ভর ব্যক্তির প্রয়োজন

    তিনি সতর্ক করে বলেন, “প্রতিবেশী এক দেশে হিন্দু–মুসলিম বিদ্বেষ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলছে, এমন বিভাজনমূলক চিন্তা ভারতে ছড়াতে দেওয়া যাবে না।” তিনি বলেন, “দুর্নীতি ব্যবস্থার চেয়ে মানুষের মনে বেশি বিদ্যমান, আর মূল্যবোধনির্ভর ব্যক্তি গড়ে উঠলেই দুর্নীতিকে কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব।” রাজকোটে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকমুক্ত ছিল। অনুষ্ঠানে বিশেষ পরিবেশবান্ধব কলম ব্যবহার করা হয়, ব্যবহার শেষে সেগুলি টবে রোপণ করা হলে মাটিতে মিশে গিয়ে উদ্ভিদে পরিণত হয়। এই উপলক্ষে পশ্চিম ক্ষেত্র সংঘচালক জয়ন্তিভাই ভাদেশিয়া, সৌরাষ্ট্র প্রান্ত সংঘচালক মুকেশভাই মালাকান-সহ (RSS) শিল্পপতি, চিকিৎসক, আইনজীবী ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন (Mohan Bhagwat)।

  • Online Gaming Act: যুবসমাজকে জুয়ার নেশা থেকে বাঁচাতে অনলাইন গেমিংয়ে কড়াকড়ি! আরও ২৪২ ওয়েবসাইট ব্লক করল কেন্দ্র

    Online Gaming Act: যুবসমাজকে জুয়ার নেশা থেকে বাঁচাতে অনলাইন গেমিংয়ে কড়াকড়ি! আরও ২৪২ ওয়েবসাইট ব্লক করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের যুবসমাজকে জুয়ার নেশা থেকে বাঁচাতে, তাদের আর্থিক দিক থেকে সর্বস্বান্ত হওয়া আটকাতে ফের ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’ কেন্দ্রের। সরকারি সূত্র অনুযায়ী খবর, বুধবার ২৪২টি বেআইনি অনলাইন বেটিং ও জুয়ার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক ব্লক করা হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৮০০-র বেশি বেআইনি বেটিং ও জুয়ার ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন গেমিং আইন (Online Gaming Act) কার্যকর হওয়ার পর থেকেই এই ক্ষেত্রে নজরদারি ও আইনের বাস্তবায়ন বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

    সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে যুব সমাজ

    কেন্দ্রের দাবি, এই ধরনের অবৈধ প্ল্যাটফর্ম আর্থিক প্রতারণা, সামাজিক অবক্ষয় ও এই ধরণের জুয়ার প্রতি আসক্তির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে যুব সমাজ। সেই কারণেই এই কঠোর পদক্ষেপ। এই সাইটগুলি মূলত, তরুণদের লক্ষ্য করেই তৈরি করা হয়। প্রথমে অল্প টাকা জিতিয়ে, পরে বড় অঙ্কের টাকা হারাতে বাধ্য করে এবং তাদের ঋণের জালে পুরো ফাঁসিয়ে দেয়। এইরকম একাধিক উদাহরণ রয়েছে।

    অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

    সরকারি সূত্র আরও জানাচ্ছে, ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ অনলাইন বেটিং-গ্যাম্বলিংয়ের মাধ্যমে হওয়া আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতি রুখতেই এই অভিযান জারি থাকবে। ভবিষ্যতেও প্রযুক্তির সাহায্যে এমন বেআইনি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস। এই ক্ষেত্রে কেন্দ্রের স্পষ্ট বার্তা—অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতিতেই চলছে কেন্দ্র।

    অর্থ পাচার, সামাজিক অবক্ষয় রোধ

    গত বছরের অগস্টে সংসদে পাশ হয়েছিল ‘দ্য প্রোমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অফ অনলাইন গেমিং বিল, ২০২৫’। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সম্মতির পর থেকেই এই আইন কঠোর ভাবে কার্যকর করা শুরু হয়। পরিসংখ্যান বলছে, এখনও পর্যন্ত ৭,৮০০-টিরও বেশি এই ধরনের অবৈধ ওয়েবসাইট ও অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অনেক অ্যাপ আবার অর্থ পাচার এবং হাওয়ালা লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয় বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। গেমিং আসক্তিকে ইতিমধ্যেই একটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। রাতারাতি বড়লোক হওয়ার ভুয়ো প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই অ্যাপগুলি তরুণ প্রজন্মকে ফাঁদে ফেলে। যার জেরে বহু পরিবার আর্থিক সঙ্কটে পড়ছে। এমনকী বাড়ছে এর জেরে আত্মহত্যার ঘটনাও। জুয়ার আসক্তির কারণে মানসিক চাপ, আত্মহত্যার প্রবণতা এবং পারিবারিক সমস্যা প্রতিরোধ করতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

    এখনও পর্যন্ত ৭৮০০-এর বেশি সাইট বন্ধ

    এটা প্রথমবার নয়। গত কয়েক বছর ধরেই কেন্দ্রীয় সরকার অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। গত বছরের অগস্টে সংসদে পাশ হয়েছিল ‘দ্য প্রোমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অফ অনলাইন গেমিং বিল, ২০২৫’। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সম্মতির পর থেকেই এই আইন কঠোর ভাবে কার্যকর করা শুরু হয়। পরিসংখ্যান বলছে, এখনও পর্যন্ত ৭,৮০০-টিরও বেশি এই ধরনের অবৈধ ওয়েবসাইট ও অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া বা আইন লঙ্ঘনকারী কোনো সাইটই এখন থেকে আর ছাড় দেওয়া হবেনা।

    অনলাইন গেমিং আইন, ২০২৫

    অনলাইন গেমিং আইন, ২০২৫ ( Promotion and Regulation of Online Gaming Act, 2025) ভারতের দ্রুত-বর্ধনশীল অনলাইন গেমিং খাতে একটি সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি করেছে। এই আইনে বৈধ অনলাইন গেম ও নিষিদ্ধ জুয়ার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
    নতুন আইনে অবৈধ রিয়েল-মানি বেটিং বা চ্যান্স-ভিত্তিক গেম চালালে ভারী জরিমানা ও ফৌজদারি শাস্তির বিধান রয়েছে। পাশাপাশি, তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে আর্থিক লেনদেন ট্র্যাক করা, পেমেন্ট গেটওয়ে খতিয়ে দেখা এবং অবৈধ বেটিং অ্যাপের প্রচারে যুক্ত সেলিব্রিটি বা ইনফ্লুয়েন্সারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে ব্লক করা হচ্ছে ওয়েবসাইট

    অবৈধ ওয়েবসাইট ব্লক করার ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর ধারা ৬৯এ ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ধারায় জনস্বার্থবিরোধী বা অবৈধ কনটেন্ট ব্লক করার নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলিকে ব্লকিং নির্দেশ পাঠাচ্ছে।

    পরবর্তী পদক্ষেপ কী

    সরকার একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা ‘অনলাইন গেমিং অথরিটি অফ ইন্ডিয়া’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। এই সংস্থার কাছে দেওয়ানি আদালতের (Civil Court) মতো ক্ষমতা থাকবে। তারা যেকোনো অবৈধ গেম বন্ধ করা, তলব করা এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রাখবে। অনলাইন গেমিং আইন, ২০২৫ ( Promotion and Regulation of Online Gaming Act, 2025) অনুযায়ী, অবৈধ অনলাইন জুয়া খেলালে বা সেই সুবিধা প্রদান করলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে ৩ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। এই ধরণের প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপন দিলে ২ বছরের জেল এবং ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার সংস্থান রয়েছে।

    ডিজিটাল ইন্ডিয়া, সুরক্ষিত ইন্ডিয়া

    “ডিজিটাল ইন্ডিয়া একটি সুরক্ষিত ইন্ডিয়াও হওয়া উচিত” – এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার যে কতটা দৃঢ়, তা এই ধারাবাহিক পদক্ষেপগুলি থেকেই আবারও স্পষ্ট হয়ে গেল। সরকার স্পষ্ট করেছে, এই নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য কেবল অবৈধ জুয়া বা বেটিং আটকানো। এর প্রভাবে যাতে ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশ ব্যাহত না হয়, তার জন্য ই-স্পোর্টস বা শিক্ষামূলক ও গঠনমূলক গেমগুলিকে এর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত ডিজিটাল দুনিয়াকে নিরাপদ করার পথে এক বড় পদক্ষেপ।

     

     

     

     

     

  • Kishtwar Encounter: ‘অপারেশন ত্রাশি–আই’ অব্যাহত, কিশতওয়ারে জঙ্গি ঘাঁটি ভাঙল নিরাপত্তা বাহিনী

    Kishtwar Encounter: ‘অপারেশন ত্রাশি–আই’ অব্যাহত, কিশতওয়ারে জঙ্গি ঘাঁটি ভাঙল নিরাপত্তা বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ারে (Kishtwar Encounter) জইশ-ই-মহম্মদ (JeM) জঙ্গিদের একটি গোপন আস্তানা ভেঙে দিল নিরাপত্তা বাহিনী। জঙ্গিদের খোঁজে চালানো ব্যাপক তল্লাশি অভিযান মঙ্গলবার তৃতীয় দিনে পড়েছে। জঙ্গিদের সঙ্গে যুক্ত থাকার সন্দেহে একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। চলমান ‘অপারেশন ত্রাশি–আই’-(Operation Trashi-I) এর মধ্য দিয়ে জঙ্গিদের একটি গোপন ডেরার খোঁজ পায় নিরাপত্তা বাহিনী। ওই ডেরা থেকে বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী—রেশন, ঘি, বাসনপত্র, গ্যাস সিলিন্ডার ও স্টোভ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

    গভীর জঙ্গলে লুকিয়ে জঙ্গিরা 

    সূত্রের খবর, আস্তানাটি শীতকালের জন্য পর্যাপ্ত রেশনে ভর্তি ছিল এবং একাধিক জঙ্গির থাকার মতো বড় ছিল। এই সাফল্য আসে তার একদিন পর, যখন কিশতওয়ারে (Kishtwar Encounter) নিরাপত্তা বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে সংঘর্ষে এক প্যারাট্রুপার শহিদ হন। রবিবার কিশতওয়ারের চাত্রু এলাকার সোনার গ্রাম সংলগ্ন মান্দ্রাল–সিংহপোরা অঞ্চলে অভিযান শুরু হয়। সেখানে নিরাপত্তা বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে এনকাউন্টার ঘটে। পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত ২–৩ জন জঙ্গি এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে বলে ধারণা। জঙ্গিরা গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যায়। তবে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের একটি সুসজ্জিত আস্তানা ভেঙে দিতে সক্ষম হয়, যেখানে বিপুল পরিমাণ শীতকালীন রসদ—খাবার, কম্বল ও বাসনপত্র—মজুত ছিল।

    জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক

    অভিযান তদারকিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন জম্মু জোনের আইজি পুলিশ ভীম সেন তুতি এবং সিআরপিএফ-এর আইজি (জম্মু) আর গোপাল কৃষ্ণ রাও। তাঁদের সঙ্গে একাধিক সেনা আধিকারিকও সেখানে শিবির গেড়েছেন। এদিকে মঙ্গলবার সকালে জম্মুতে শহিদ স্পেশাল ফোর্স কমান্ডো হাবিলদার গজেন্দ্র সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সাতওয়ারিতে একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহিদের মরদেহ নিজ গ্রামে পাঠানো হয়। সোমবার দুপুরে ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ওই জঙ্গি আস্তানা উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। নিরাপত্তা বাহিনী এখন সেই ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কারদের (OGW) শনাক্ত করার চেষ্টা করছে, যারা জঙ্গিদের জন্য বিপুল পরিমাণ রেশন, ডাল, বাসনপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী সংগ্রহ ও পরিবহণে সহায়তা করেছিল। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী অন্তত চারজন জঙ্গির দীর্ঘ শীতকালীন থাকার জন্য যথেষ্ট বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সেনাবাহিনীর হোয়াইট নাইট কর্পস জানিয়েছে, চাত্রু এলাকায় ‘অপারেশন ত্রাশি-আই’ (Operation Trashi-I) অব্যাহত রয়েছে। কর্পস, পুলিশ ও সিআরপিএফ যৌথভাবে এলাকা ঘিরে রেখে তল্লাশি আরও জোরদার করেছে। কঠিন ভূপ্রকৃতি, ঘন জঙ্গল ও খাড়া ঢালের মধ্যেও ড্রোন ও স্নিফার ডগের সাহায্যে সেনা, পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর একাধিক দল তল্লাশি চালাচ্ছে। সীমিত দৃশ্যমানতা ও চলাচলের অসুবিধা সত্ত্বেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত দুই থেকে তিনজন জঙ্গি ওই এলাকায় আটকে থাকতে পারে।

LinkedIn
Share