Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Odisha: ওড়িশার বিজেপি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা বিশ্বব্যাঙ্কের

    Odisha: ওড়িশার বিজেপি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা বিশ্বব্যাঙ্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশা (Odisha) সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করল বিশ্বব্যাঙ্ক। বিশ্বব্যাঙ্ক (World Bank) গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গা ভুবনেশ্বরের লোকসেবা ভবনে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই বৈঠকে রাজ্যের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ওড়িশা সরকারের শীর্ষ আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন মুখ্যসচিব শ্রীমতী অনু গর্গ, উন্নয়ন কমিশনার শ্রী ডিকে সিং এবং বিশ্বব্যাঙ্কের প্রতিনিধিরা।

    বৈঠকে আলোচ্য বিষয় (Odisha)

    আলোচনায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মজবুত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, পরিকাঠামো শক্তিশালী করা, সামাজিক খাতে ফল উন্নত করা এবং স্থিতিস্থাপক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। উভয় পক্ষই বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের জন্য যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য সরকারের ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ ও সংস্কারমূলক নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন, যার লক্ষ্য হল পরিকাঠামো, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (MSME), কৃষি, সংশ্লিষ্ট খাত এবং পর্যটনে বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, বিশেষত যুবক ও মহিলাদের জন্য। তিনি বলেন, “ওড়িশার ব্যবসাবান্ধব সংস্কারের ফলে ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ আকৃষ্ট হয়েছে, যা সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি (CMIE) প্রকাশিত ডিসেম্বর ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী অন্ধ্রপ্রদেশের পরে দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।”

    ভূয়সী প্রশংসা

    অজয় বঙ্গা ওড়িশার সংস্কারমুখী দৃষ্টিভঙ্গি ও দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, আসন্ন বিশ্বব্যাঙ্ক গ্রুপ ভারত কৌশলগত পরিকল্পনা ভুবনেশ্বরের সেন্ট্রাল টুল রুম অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (CTTC)-এর মতো সফল মডেলগুলির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে, যা আইটিআইগুলি উন্নত করার জন্য ভারতের ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জাতীয় উদ্যোগের অংশ (World Bank)। বিশ্বব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট প্রযুক্তিগত সহায়তা, নীতি-পরামর্শ পরিষেবা এবং আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে ওড়িশাকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতির কথা ফের একবার মনে করিয়ে দেন। তিনি দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের গুরুত্বের ওপরও জোর দেন। উভয় পক্ষ বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, যেমন পরিকাঠামো উন্নয়ন, নগরায়ণ এবং টেকসই সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়েও মতবিনিময় করেন। তাঁরা ওড়িশার উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র অনুসন্ধানে সম্মত হন।

    রাজ্যের রোডম্যাপ

    মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের রোডম্যাপ “ওড়িশা ভিশন ২০৩৬ ও ২০৪৭: বিকশিত ভারতের জন্য বিকশিত ওড়িশা” শেয়ার করেন এবং উভয় পক্ষ এই কাঠামোয় সহযোগিতা আরও গভীর করার যৌথ অঙ্গীকার করেন (World Bank)। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি জানান, ওড়িশা উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। রাজ্যের নিট রাজ্য ঘরোয়া উৎপাদন (NSDP) ২০২৩–২৪ সালে ৬.৯৯ লাখ কোটি টাকা থেকে ২০২৪–২৫ সালে আনুমানিক ৭.৯০ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা ১৩.০৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রতিফলন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সংসদে পেশ করা ভারতের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬-এর উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের মাথাপিছু এনএসডিপি বেড়ে ১,৬৮,৯৬৬ টাকায় পৌঁছেছে, যা আয় বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ইঙ্গিত দেয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভারতের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে ওড়িশার (Odisha) স্থিতিশীল অগ্রগতি নিশ্চিত করেছে।”

    মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের কর্মদক্ষতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “কৃষি ওড়িশার উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে এবং বর্তমানে রাজ্যটি দেশের শীর্ষ তিনটি সূর্যমুখী উৎপাদনকারী রাজ্যের মধ্যে অন্যতম।” তিনি আর্থিক অন্তর্ভুক্তির অগ্রগতির কথাও উল্লেখ করেন, জানান যে ব্যাঙ্ক আমানত বেড়ে ৫.৮৩ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা রাজ্যজুড়ে সঞ্চয় ও বিনিয়োগকে শক্তিশালী করছে (World Bank)। মাঝি বলেন, “ওড়িশার (Odisha) আর্থিক অবস্থান এখনও শক্তিশালী রয়েছে, যার ফলে পরিকাঠামো, শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণে ধারাবাহিক বিনিয়োগ সম্ভব হচ্ছে।” তিনি বলেন, “শিক্ষা ও দারিদ্র্য হ্রাসে অগ্রগতি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে উচ্চতর আয়, মানসম্মত কর্মসংস্থান এবং সকল নাগরিকের জন্য বিস্তৃত সুযোগে রূপান্তরিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Odisha)।

     

  • Sunetra Pawar: মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা উপ-মুখ্যমন্ত্রী! শনিবারই শপথ সুনেত্রা পাওয়ারের, অর্থ দফতর বিজেপির হাতে

    Sunetra Pawar: মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা উপ-মুখ্যমন্ত্রী! শনিবারই শপথ সুনেত্রা পাওয়ারের, অর্থ দফতর বিজেপির হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন সুনেত্রা পওয়ার (Sunetra Pawar)। রাজনীতির মঞ্চে শোক আর সিদ্ধান্ত—দুটোই পাশাপাশি। একদিকে অজিত পাওয়ারের আকস্মিক মৃত্যুর রেশ, অন্যদিকে রাজ্যের প্রশাসনিক ভারসাম্য বজায় রাখতে বড় সিদ্ধান্ত। দলীয় সূত্রে খবর, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অজিতের শূন্যস্থান পূরণের প্রস্তাব পাওয়ার পরে পাওয়ার পরিবারের অন্দরে এই বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। তার পরেই এই গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করতে রাজি হয়েছেন সুনেত্রা। শনিবার বিকেল পাঁচটায় হবে শপথ গ্রহণ। একই সঙ্গে তিনি এনসিপির প্রধানের দায়িত্বও নিতে চলেছেন বলে খবর। রাজভবনে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যায় শপথগ্রহণ

    এনসিপি সূত্রে জানা গিয়েছে, মার্চে বাজেট অধিবেশন থাকায় আপাতত অর্থ দফতর মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের কাছেই থাকবে। অধিবেশন মিটলেই সেই দায়িত্ব এনসিপির হাতে যেতে পারে। এখন উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের আবগারি এবং ক্রীড়া দফতরের দায়িত্বও সামলাবেন সুনেত্রা। দলের অন্দরমহলের মতে, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পুনে জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের দিশা স্পষ্ট করতেই অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ারকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী করার প্রস্তাব ওঠে। প্রস্তাব ঘিরে পওয়ার পরিবারের মধ্যেও আলোচনা হয়। পরিস্থিতি ও দায়িত্বের ভার বিচার করেই শেষ পর্যন্ত সম্মতি দেন সুনেত্রা। শনিবার সন্ধ্যার শপথগ্রহণের মধ্য দিয়েই রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তরে তাঁর আনুষ্ঠানিক প্রবেশ ঘটতে চলেছে। এনসিপি দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের বর্ষীয়ান নেতা ছগন ভুজবল এ কথা জানান।

    অজিতকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শাহ-গড়কড়ি

    উল্লেখ্য, বুধবার সকালে বরামতীতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। অবতরণের সময় রানওয়ের কাছেই ভেঙে পড়ে চার্টার্ড বিমানটি। বিমানে থাকা পাঁচজনেরই মৃত্যু হয়—অজিত পাওয়ারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, এক বিমানকর্মী ও দুই পাইলটও ছিলেন তাঁদের মধ্যে। বৃহস্পতিবার বরামতীর বিদ্যা প্রতিষ্ঠান ময়দানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয় অজিত পাওয়ারের শেষকৃত্য। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি, এনসিপি (এসসিপি) প্রধান শরদ পওয়ার, অভিনেতা রীতেশ দেশমুখ-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি।

    অজিত পাওয়ারের হাতে থাকা দফতরগুলির বণ্টন

    শুক্রবার এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল, সুনীল তাটকারে এবং ধনঞ্জয় মুন্ডে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন বর্ষা বাংলোয় বৈঠক করেন। বর্তমানে অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি মহারাষ্ট্রে বিজেপি ও একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিব সেনার সঙ্গে জোট সরকারে রয়েছে। এনসিপি দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ছগন ভুজবল জানান, মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবীশ স্পষ্ট করেছেন যে শনিবারই যদি উপমুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ হয়, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই—শর্ত একটাই, দলের বিধায়ক দলের পক্ষ থেকে সেই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে নেওয়া হতে হবে। অজিত পাওয়ারের হাতে থাকা দফতরগুলির ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি অর্থ, পরিকল্পনা ও আবগারি দফতরের দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ এবং সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্বও তাঁর হাতে ছিল। দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, অর্থ ও পরিকল্পনা দফতর বিজেপির হাতে যেতে পারে।

    এনসিপি প্রধানের পদে কে?

    এদিকে শনিবার দুপুর ২টায় এনসিপির বিধায়ক দলের বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি সুনীল তাটকারে। বিধানসভা ও বিধান পরিষদের সদস্যদের পাশাপাশি সাংসদরাও উপস্থিত থাকবেন। বৈঠকেই দলের প্রধান নির্বাচন করা হবে এবং সেই সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীকে জানানো হবে। এর আগে ভুজবল জানিয়েছিলেন, ৩১ জানুয়ারির বিধায়ক দলের বৈঠকেই সুনেত্রা পাওয়ারের নাম দলের প্রধান হিসেবে ঘোষণা করা হবে। বর্তমানে সুনেত্রা পওয়ার রাজ্যসভার সাংসদ। তিনি মহারাষ্ট্র বিধানসভা বা বিধান পরিষদের সদস্য নন। তবে অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর ফলে পুণে জেলার বারামতী বিধানসভা কেন্দ্রটি শূন্য হয়েছে। ভুজবল আরও জানান, শোককাল কতদিন হবে—তিন দিন না দশ দিন—এই ধরনের কিছু প্রযুক্তিগত বিষয় খতিয়ে দেখছেন প্রবীণ নেতা প্রফুল্ল প্যাটেল ও সুনীল তাটকারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বিধায়ক দলের বৈঠকেই।

    সুপ্রিয়া সুলের পরিবর্তে কেন সুনেত্রা পাওয়ার

    সুপ্রিয়া সুলের পরিবর্তে কেন সুনেত্রা পাওয়ার—এই প্রশ্নে দলীয় সূত্রের বক্তব্য, অজিত পাওয়ার শিবিরের অধিকাংশ নেতা সুনেত্রাকেই উপমুখ্যমন্ত্রী ও দলের মুখ হিসেবে চান।কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, এনসিপি মূলত পরিবারকেন্দ্রিক দল এবং নেতৃত্ব পরিবারেই থাকা উচিত। পাশাপাশি দলটি মারাঠা ভিত্তিক হওয়ায় অ-মারাঠা নেতাদের নেতৃত্বে মানতে রাজি নন কর্মী ও সমর্থকদের বড় অংশ। সুনেত্রা পওয়ার মারাঠা মুখ এবং অজিত পাওয়ারের ঘনিষ্ঠ পরিবারভুক্ত হওয়ায় এই ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবেন বলে মত নেতৃত্বের। গত কয়েক বছর ধরে তিনি দলের দৈনন্দিন কাজকর্মেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন এবং এনসিপির দুই শিবিরেই তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে দাবি।

    এনসিপি’র দুই গোষ্ঠীর একত্রীকরণ

    এনসিপি’র দুই গোষ্ঠীর একত্রীকরণ প্রসঙ্গে দলের কর্মী-সমর্থকদের বড় অংশই চান শরদ ও অজিত পাওয়ার শিবির এক হোক। প্রাক্তন মন্ত্রী অনিল দেশমুখের দাবি, দুই গোষ্ঠীর মিলনই ছিল অজিত পাওয়ারের আন্তরিক ইচ্ছা। তাঁর কথায়, অজিত পওয়ার জীবিত থাকতেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, এখন তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই উচিত। অজিত পওয়ারের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ কিরণ গুজরও জানান, তিনি দুই গোষ্ঠীর একত্রীকরণ নিয়ে শতভাগ নিশ্চিত ছিলেন এবং মৃত্যুর কয়েক দিন আগেই বলেছিলেন, প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে, খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে। ১৫ জানুয়ারির পুনে ও পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পুরসভা নির্বাচন দুই শিবির যৌথভাবে লড়েছিল। এরপর আগামী মাসের জেলা পরিষদ নির্বাচনেও জোট বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটেই এনসিপির ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।

  • Economic Survey 2025-26: গতি শক্তির প্রভাব স্পষ্ট! জিডিপির ৮ শতাংশের নিচে নামল লজিস্টিকস খরচ

    Economic Survey 2025-26: গতি শক্তির প্রভাব স্পষ্ট! জিডিপির ৮ শতাংশের নিচে নামল লজিস্টিকস খরচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চ লজিস্টিকস খরচের সমস্যা অবশেষে কমতে শুরু করেছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬ (Economic Survey 2025-26) জানিয়েছে, দেশের বৃহৎ পরিকাঠামোয় বিনিয়োগের সুফল এখন ভারতের অর্থনীতিতে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য উন্নয়ন দফতর (DPIIT) এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল অব অ্যাপ্লাইড ইকনমিক রিসার্চ (NCAER)-এর যৌথ সমীক্ষার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ২০২৩–২৪ অর্থবর্ষে ভারতের লজিস্টিকস খরচ কমে জিডিপির ৭.৯৭ শতাংশে নেমেছে। আগের অর্থবর্ষে এই হার ছিল ৮.৮৪ শতাংশ এবং ২০২১–২২ সালে ছিল ৮.৭৯ শতাংশ।

    উচ্চ লজিস্টিকস খরচ আর বাধা নয়

    এক দশকেরও বেশি সময় ধরে উচ্চ লজিস্টিকস খরচ ভারতের উৎপাদন ও রফতানি প্রতিযোগিতার পথে বড় বাধা হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। উন্নত অর্থনীতিগুলিতে যেখানে লজিস্টিকস খরচ সাধারণত জিডিপির ৬ থেকে ৮ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ, সেখানে ভারতে দীর্ঘদিন ধরে তা ১৩ শতাংশেরও বেশি ছিল। এর ফলে ব্যবসার খরচ বেড়েছে এবং দক্ষতা কমেছে। এই প্রেক্ষাপটে ৮ শতাংশের নিচে নেমে আসাকে সমীক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পিএম গতি শক্তি কমিয়েছে লজিস্টিকস খরচ

    সমীক্ষা অনুযায়ী, এই উন্নতির পিছনে একাধিক সমন্বিত পরিকাঠামো ও লজিস্টিকস উদ্যোগের ভূমিকা রয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে পিএম গতি শক্তি, ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর (DFC), ভারতমালা এবং সাগরমালা প্রকল্প। এর মধ্যে পিএম গতি শক্তিকে সবচেয়ে রূপান্তরমূলক উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ২০২১ সালে চালু হওয়া পিএম গতি শক্তি এখন একটি সমন্বিত জিও-স্পেশাল পরিকল্পনা রূপে গৃহীত হয়েছে। এই ডিজিটাল কাঠামোর মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রক ও সংস্থা একই প্ল্যাটফর্মে কাজ করতে পারছে, ফলে প্রকল্পের পুনরাবৃত্তি কমছে, প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করা সহজ হচ্ছে এবং বিনিয়োগ আরও কার্যকর হচ্ছে। ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ৫৭টি মন্ত্রক ও দফতর এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছে। জাতীয় মাস্টার প্ল্যানে ১,৭০০-রও বেশি ডেটা লেয়ার সংযুক্ত হয়েছে, যার ফলে বিভিন্ন খাত ও অঞ্চলের পরিকাঠামো নেটওয়ার্ক একসঙ্গে দেখা সম্ভব হচ্ছে।

    পিএম গতি শক্তি পাবলিক’ প্ল্যাটফর্মের গুরুত্ব

    এর ফলে রাস্তা, রেল, বন্দর, বিদ্যুৎ এবং টেলিকম পরিকাঠামোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ছে, পণ্য পরিবহণের সময় কমছে এবং মূলধনী ব্যয়ের অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি এড়ানো যাচ্ছে বলে সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি পরিকাঠামোর পাশাপাশি বেসরকারি ক্ষেত্রের জন্যও উদ্যোগের পরিসর বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি চালু হওয়া ‘পিএম গতি শক্তি পাবলিক’ প্ল্যাটফর্মে ২৩০টি কিউরেটেড ডেটাসেট বেসরকারি ডেভেলপার, লজিস্টিকস সংস্থা ও গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    গতি শক্তি ডিস্ট্রিক্ট মাস্টার প্ল্যান মডিউল

    রাজ্য স্তরেও সমন্বিত লজিস্টিকস পরিকল্পনার অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। ২৭টি রাজ্য ইতিমধ্যেই রাজ্য লজিস্টিকস নীতি ঘোষণা করেছে এবং ২৮টি আকাঙ্ক্ষিত জেলা গতি শক্তি ডিস্ট্রিক্ট মাস্টার প্ল্যান মডিউল ব্যবহার করছে। প্রযুক্তিনির্ভর সংযোগের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ইউনিফায়েড লজিস্টিকস ইন্টারফেস প্ল্যাটফর্ম (ULIP) বর্তমানে ১১টি মন্ত্রকের ৪৪টি সিস্টেমকে যুক্ত করছে, যেখানে ২,০০০-রও বেশি ডেটা ফিল্ডের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১,৭০০-র বেশি সংস্থা এই প্ল্যাটফর্মে নথিভুক্ত হয়েছে।

     

     

  • BJP Condemns Ansari’s Remark: ‘ঘজনি ভারতীয়’! হামিদ আনসারির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা বিজেপির

    BJP Condemns Ansari’s Remark: ‘ঘজনি ভারতীয়’! হামিদ আনসারির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির (BJP Condemns Ansari’s Remark) মাহমুদ ঘজনিকে নিয়ে করা মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সিআর কেশবন শুক্রবার বলেন, ঘজনিকে “বিদেশি আক্রমণকারী নন, ভারতীয়” বলে উল্লেখ করা ইতিহাসের নির্মম সত্যকে আড়াল করার শামিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কংগ্রেস নেতৃত্ব ও বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) কি এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

    কংগ্রেসের সমালোচনায় কেশবন

    এক্স (পূর্বতন টুইটার)-এ একটি ভিডিও শেয়ার করে কেশবন অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ইসলামিক আক্রমণকারীদের নৃশংসতা “সাদা রং” করে দেখাতে চাইছে। তাঁর দাবি, অষ্টম শতক থেকে শুরু হওয়া ইসলামিক আক্রমণগুলিতে পরিকল্পিতভাবে হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনাগুলিকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। তিনি বলেন, একাদশ শতকে মাহমুদ ঘজনি ১৭ বার ভারত আক্রমণ করেন, মথুরার মন্দির ধ্বংস করেন এবং সোমনাথ মন্দিরের জ্যোতির্লিঙ্গ ভেঙে দেন। কেশবনের প্রশ্ন, সোমনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণের বিরোধিতা করা নেহরুর কংগ্রেস কি এই ধরনের মন্তব্যে সম্মতি জানায়, যা সনাতন সংস্কৃতির ভিত্তি ধ্বংসের প্রচেষ্টাকে স্বাভাবিক করতে চায়?

    কংগ্রেস সবসময় হিন্দুবিদ্বেষীদের প্রশংসা করে

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির আরেক মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন। সংবাদসংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, “কংগ্রেস ইকোসিস্টেম সবসময় হিন্দুবিদ্বেষীদের প্রশংসা করে এবং তাদের অত্যাচারকে ধামাচাপা দেয়। হামিদ আনসারি (BJP Condemns Ansari’s Remark) বলছেন, ঘজনি নিষ্ঠুর ছিলেন না, তিনি নাকি ভারতীয়। যারা ভারত ভাঙার কথা বলে—শারজিল, ইয়াকুব, আফজল বা উমর—কংগ্রেস তাদের পাশেই দাঁড়ায়। এতে তাদের মানসিকতার হিন্দুবিদ্বেষ স্পষ্ট।” পুনাওয়ালা আরও অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থেকে পরিবারতন্ত্রকে সংবিধানের ঊর্ধ্বে রাখছেন। তিনি বলেন, “বিটিং রিট্রিট, উপরাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ, প্রধান বিচারপতির শপথগ্রহণ বা ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকা দেখায় যে রাহুল গান্ধীর কাছে ‘সংবিধান তন্ত্র’-এর চেয়ে ‘পরিবার তন্ত্র’ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

  • India Back Buddha’s Jewel: শেষ মুহূর্তে নিলাম থামাল ভারত, হংকং থেকে উদ্ধার আড়াই হাজার বছর পুরনো বুদ্ধের গয়না

    India Back Buddha’s Jewel: শেষ মুহূর্তে নিলাম থামাল ভারত, হংকং থেকে উদ্ধার আড়াই হাজার বছর পুরনো বুদ্ধের গয়না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক আন্তর্জাতিক নিলাম, ২,৫০০ বছরের প্রাচীন ইতিহাস এবং শেষ মুহূর্তের কূটনৈতিক-আইনি নাটক—সব মিলিয়ে বাস্তবের এক রুদ্ধশ্বাস থ্রিলার। শেষ পর্যন্ত হংকং থেকে উদ্ধার হলো বুদ্ধের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত অমূল্য ধাতুরত্ন (India Back Buddha’s Jewel)। ভারতের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এটি এক নজিরবিহীন সাফল্য।

    শুরুটা যেভাবে

    ঘটনার সূত্রপাত একটি ‘রুটিন অ্যালার্ট’ দিয়ে। কিন্তু খুব দ্রুতই তা বদলে যায় আন্তর্জাতিক স্তরের এক টানটান অভিযানে। জানা যায়, লন্ডনে থাকা পিপরাওয়া বুদ্ধ-রত্ন নিলামে (India Back Buddha’s Jewel) তুলতে চলেছে আন্তর্জাতিক নিলাম সংস্থা সোদেবি’স (Sotheby’s), হংকংয়ে (Hong Kong)। বেস প্রাইস— প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার। ১৮৯৮ সালে প্রাচীন কাপিলাবস্তুর স্তূপে এই রত্নগুলি আবিষ্কার করেছিলেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ উইলিয়াম ক্ল্যাক্সটন পেপ্পে। ১২৭ বছর পরে তাঁরই বংশধর সেই রত্ন নিলামে তোলার উদ্যোগ নেন।

    যেভাবে গয়না ফেরাল ভারত

    পিপরাওয়া উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের কাছে অবস্থিত। বৌদ্ধ ইতিহাসে যার গুরুত্ব অপরিসীম। এই রত্নগুলি শুধু গয়না নয়, বুদ্ধের অস্থিধাতু, রেলিক, রিলিকোয়ারি ও খোদাই করা পাথরের সঙ্গে যুক্ত এক অনন্য ঐতিহ্য। প্রথমবার ১২৭ বছর পরে ব্রিটেনে নিয়ে যাওয়া এই রত্নগুলির একাংশ ভারতে থাকা বুদ্ধ-রেলিকের সঙ্গে পুনর্মিলিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয় ‘দ্য লাইট অ্যান্ড দ্য লোটাস: রেলিক্স অফ দ্য অ্যাওয়েকেন্ড ওয়ান’ প্রদর্শনীর মাধ্যমে। কিন্তু নিলামের ঘণ্টা বাজলে এই সভ্যতার স্মারক চিরতরে ছড়িয়ে পড়ত ব্যক্তিগত সংগ্রাহকদের হাতে। আরও ভয় ছিল— চিনের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা। সেখানেই হস্তক্ষেপ করে ভারত। শেষ ৭২ ঘণ্টায় ভারত সরকার কূটনৈতিক চাপ, আইনি নোটিস ও আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আইন ব্যবহার করে নিলাম স্থগিত করতে সক্ষম হয়।

    আইনের চেয়েও দর্শন বড় অস্ত্র

    এই অভিযানের বিশেষত্ব এখানেই—ভারত কেবল মালিকানার আইনি দাবি করেনি। বরং যুক্তি দিয়েছে, এই রত্নগুলি নিছক বস্তু নয়, বরং বৌদ্ধ দর্শন, করুণা, অহিংসা ও জ্ঞানচর্চার জীবন্ত প্রতীক। ভারতের এই নৈতিক ও দার্শনিক অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে গভীর প্রভাব ফেলে। ‘বাণিজ্য নয়, বিবেক’—এই যুক্তিতেই কার্যত নিলাম স্থগিত হয়।

    ঐতিহাসিক প্রথম: সরকারি-বেসরকারি যৌথ প্রত্যাবর্তন

    সংস্কৃতি মন্ত্রকের সচিব বিবেক আগরওয়াল, যিনি এই অভিযানের অন্যতম কারিগর, স্পষ্ট বলেন, “এই প্রথমবার ভারতে সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে কোনও রত্ন প্রত্যাবর্তন হল।” তাঁর অভিজ্ঞতা, বিশেষত অর্থ মন্ত্রকের ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে কাজ করার সুবাদে নিলাম জগতের ফাঁকফোকর বুঝতে বড় ভূমিকা নেয়। শেষ ৭২ ঘণ্টায় আইনি নোটিস, কূটনৈতিক চাপ ও তথ্যপ্রমাণের দৌড়ে থামে নিলাম।

    দানশীলতার দৃষ্টান্ত: পিরোজশা গোদরেজ

    এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে এগিয়ে আসেন মুম্বইয়ের বিশিষ্ট শিল্পপতি ও দানশীল ব্যক্তি পিরোজশা গোদরেজ। তিনি অঘোষিত মূল্যে রত্নগুলি কিনে নেন এবং ভারত সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণে প্রদান করেন। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—এই রত্নগুলি চিরকাল ভারতেই থাকবে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে কেন এই রত্ন অমূল্য

    ন্যাশনাল মিউজিয়ামের ডেপুটি কিউরেটর অবিরা ভট্টাচার্য বলেন, “এই রত্নগুলি ভারতের সভ্যতার স্মৃতি বহন করে—যা সীমান্ত বা রাজনীতির ঊর্ধ্বে।” ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ হেরিটেজের অধ্যাপক সবিতা কুমারী জানান, “২৫০০ বছরের প্রাচীন এই রত্নগুলি বৌদ্ধ জগতের প্রাচীনতম ধর্মীয় নিদর্শনের অন্যতম।”

    ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন দৃষ্টান্ত

    এই ঘটনা প্রমাণ করল— সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা, দ্রুত গোয়েন্দা ও আইনি পদক্ষেপ, সাংস্কৃতিক ও দার্শনিক যুক্তির ব্যবহার এই তিনের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক সম্পদ রক্ষা সম্ভব।সংস্কৃতি মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি শুধু ধাতুরত্ন ফেরত আনার ঘটনা নয়—এটি ভারতের স্মৃতি, দর্শন, আত্মমর্যাদা ও সভ্যতাগত দায়িত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার মুহূর্ত।

  • UGC: ইউজিসি-র ‘ইকুইটি’ নিয়মে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ, “ক্যাম্পাসে ভারতের ঐক্য প্রতিফলিত হওয়া উচিত”

    UGC: ইউজিসি-র ‘ইকুইটি’ নিয়মে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ, “ক্যাম্পাসে ভারতের ঐক্য প্রতিফলিত হওয়া উচিত”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট (Suprim Court) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (UGC) ২০২৬ সালের নতুন ‘ইকুইটি’ (সাম্য) সংক্রান্ত সার্কুলেশনের কার্যকারিতার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে। আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন পরিবেশ থাকা উচিত, যা ভারতের ঐক্য ও অখণ্ডতাকে তুলে ধরে। তাই বৈষম্য নয় সাম্যের বিষয়ে কোনও আপোষ থাকা উচিত নয়।

    পুরানো নিয়ম বহাল (UGC)

    ইউজিসির (UGC) নতুন ২০২৬ সালের নিয়মাবলি স্থগিত করে আদালত জানিয়েছে, আপাতত ২০১২ সালের ইউজিসির নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হবে। যাতে কোনো অভিযোগকারী প্রতিকারহীন না থাকেন, তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।

    বিভাজনমূলক আশঙ্কার ওপর গুরুত্ব

    প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ করেছেন, নতুন সার্কুলেশনের ভাষা অস্পষ্ট এবং অপব্যবহার হতে পারে। আদালত সতর্ক করে বলেছে, “এই নিয়মগুলো সমাজকে বিভক্ত করতে পারে এবং দেশের ওপর এর বিপজ্জনক প্রভাব পড়তে পারে।”

    জাতপাতহীন সমাজের লক্ষ্য

    আদালত (Suprim Court) প্রশ্ন তুলেছে, “স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর যেখানে আমরা একটি ‘জাতপাতহীন সমাজ’ (casteless society) গড়ার পথে এগিয়েছি, সেখানে এই ধরনের নিয়ম আমাদের পেছনের দিকে (regressive) নিয়ে যাচ্ছে কি না।” বিচারপতির কথায়, “আমেরিকার মতো বর্ণবিদ্বেষী আলাদা আলাদা স্কুল বা হোস্টেলের ব্যবস্থা ভারতে কাম্য নয়। হোস্টেলে সব সম্প্রদায়ের ছাত্ররা (UGC) একসাথে থাকে এবং সেখান থেকেই জাতীয় ঐক্য তৈরি হয়।”

    ইউজিসির অস্পষ্ট সংজ্ঞা

    নতুন সার্কুলেশন ৩(সি) ধারা নিয়ে আদালত আপত্তি তুলেছে, যেখানে ‘জাতিগত বৈষম্য’-এর সংজ্ঞাটি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণি যেমন এসসি, এসটি, ওবিসি (SC, ST, OBC) মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। আবেদনকারীদের দাবি ছিল, এই সংজ্ঞাটি বৈষম্যমূলক, কারণ এতে সাধারণ শ্রেণির (General Category) ছাত্রছাত্রীদের (UGC) সুরক্ষার কোনো উল্লেখ নেই।

    বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন

    সুপ্রিম কোর্ট (Suprim Court) সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে, প্রবীণ আইনজ্ঞ এবং পণ্ডিতদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হোক। এই কমিটি খতিয়ে দেখবে যে সামাজিক মূল্যবোধের ওপর এই নিয়মের প্রভাব কী হতে পারে।

    র‍্যাগিং-এর ইস্যু

    আদালত লক্ষ্য করেছে, যেখানে র‍্যাগিং ক্যাম্পাসের সবচেয়ে বড় সমস্যা, সেখানে এই নতুন সার্কুলেশনে র‍্যাগিং-এর বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া উত্তর-দক্ষিণ বা উত্তর-পূর্ব ভারতের ছাত্রছাত্রীদের (UGC) সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য নিয়েও যে বৈষম্য হয়, তার সমাধানের অভাব এখানে রয়েছে।

    প্রেক্ষাপট

    গত ১৩ জানুয়ারি ইউজিসি এই নতুন নিয়মগুলো ঘোষণা করেছিল, যেখানে প্রতিটি কলেজে ‘ইকুইটি কমিটি’ (UGC) এবং ২৪ ঘণ্টা হেল্পলাইন খোলার কথা বলা হয়েছিল। এর পরেই সাধারণ শ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে তীব্র প্রতিবাদের সৃষ্টি হয় এবং সুপ্রিম কোর্টে (Suprim Court) একাধিক পিটিশন জমা পড়ে। পরবর্তী শুনানি আগামী ১৯ মার্চ, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। ততদিন পর্যন্ত এই বিতর্কিত নিয়মের ওপর স্থগিতাদেশ বলবৎ থাকবে।

  • Economic Survey 2025-26: ইথানল ব্যবহারের কারণে ভারতে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকার অপরিশোধিত তেলে ব্যবহারে হ্রাস

    Economic Survey 2025-26: ইথানল ব্যবহারের কারণে ভারতে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকার অপরিশোধিত তেলে ব্যবহারে হ্রাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইকোনমিক সার্ভে (অর্থনৈতিক সমীক্ষা) ২০২৫–২৬ (Economic Survey 2025-26) অনুযায়ী, ভারতের ইথানল (Ethanol) মিশ্রণ কর্মসূচি দেশকে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে সাহায্য করেছে। আবার সেইসঙ্গে প্রায় ২৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেলের আমদানি কমিয়েছে।

    অপরিশোধিত তেলের আমদানি হ্রাস (Economic Survey 2025-26)

    সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, ইথানল-মিশ্রিত জ্বালানি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হয়ে উঠেছে। এই কর্মসূচির ফলে বহুমুখী সুবিধা পাওয়া গেছে, যার মধ্যে রয়েছে — অপরিশোধিত তেলের আমদানি হ্রাস, বৈদেশিক মুদ্রার বহির্গমন কমানো এবং ইথানল (Ethanol) উৎপাদনের কাঁচামাল সরবরাহকারী কৃষকদের আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি (Economic Survey 2025-26)।

    কাঁচামালের গণ্ডি পেরিয়ে খাদ্যশস্য

    ২০২৫ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত যে সাফল্যগুলি অর্জিত হয়েছে, তা পরিবহন জ্বালানিতে ইথানল মিশ্রণের ক্রমবর্ধমান মাত্রাকেই প্রতিফলিত করে। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে যে, মিশ্রণের লক্ষ্যমাত্রা ই-২০ (E20)-এর দিকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কর্মসূচি এখন প্রথাগত চিনি-ভিত্তিক কাঁচামালের গণ্ডি পেরিয়ে খাদ্যশস্য, বিশেষ করে ভুট্টা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এই বৈচিত্র্যকরণের ফলে ইথানল (Ethanol) মিশ্রণের গতি ত্বরান্বিত হয়েছে এবং অপরিশোধিত তেলের বিকল্প ব্যবহারের মাত্রা আরও বেড়েছে।

    ১১.৭ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে

    সমীক্ষায় আরও লক্ষ্য করা গিয়েছে, সরকার নির্ধারিত ইথানলের মূল্য এবং তেল বিপণন সংস্থাগুলির (OMCs) পক্ষ থেকে নিশ্চিতভাবে পণ্য ক্রয়ের প্রতিশ্রুতি উৎপাদন বৃদ্ধিতে মূল ভূমিকা পালন করেছে। ২০২২ থেকে ২০২৫ অর্থবর্ষের মধ্যে ভুট্টা-ভিত্তিক ইথানলের নির্ধারিত দাম বার্ষিক ১১.৭ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে (CAGR) বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কৃষক ও উৎপাদকদের উৎসাহিত করেছে।

    তবে একই সঙ্গে, সমীক্ষায় (Economic Survey 2025-26) সতর্ক করা হয়েছে, ইথানল মিশ্রণের ক্রমবর্ধমান মাত্রার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন। ইথানলের কাঁচামালের চাহিদার কারণে চাষাবাদের ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে, যা ফসলের বৈচিত্র্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কর্মসূচিটি যত পরিপক্ক হচ্ছে, জ্বালানি নিরাপত্তার লক্ষ্যের সঙ্গে কৃষি খাতের স্বার্থের ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

  • Wings India 2026: ভারতেই তৈরি হবে সুখোই সুপারজেট ১০০! হ্যালের সঙ্গে চুক্তি রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশনের

    Wings India 2026: ভারতেই তৈরি হবে সুখোই সুপারজেট ১০০! হ্যালের সঙ্গে চুক্তি রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দ্রাবাদে অনুষ্ঠিত উইংস ইন্ডিয়া ২০২৬ আন্তর্জাতিক বিমান প্রদর্শনীতে (Wings India 2026) ভারত–রাশিয়া মহাকাশ সহযোগিতায় এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপিত হলো। রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশন (UAC) এবং ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) ভারতে সুখোই সুপারজেট ১০০ (SJ-100) আঞ্চলিক যাত্রীবাহী বিমানের লাইসেন্সপ্রাপ্ত উৎপাদনের জন্য একটি যৌথ উদ্যোগ (Joint Venture) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ২৮ জানুয়ারি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ইউনাইটেড এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশন-এর জেনারেল ডিরেক্টর ভাদিম বাদেখা এবং হ্যাল-এর চেয়ারম্যান ড. ডি. কে. সুনীল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ার শিল্প ও বাণিজ্য উপমন্ত্রী গেন্নাদি আব্রামেনকভ, ভারতে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত দেনিস আলিপভ, বাণিজ্য প্রতিনিধি আন্দ্রেই সোবোলেভ এবং রোসাভিয়াতসিয়ার এভিয়েশন ইকুইপমেন্ট সার্টিফিকেশনের প্রধান দিমিত্রি কোপিসভসহ একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।

    নয়া চুক্তির কী কী শর্ত

    চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, সুখোই সুপারজেট ১০০ বিমানের টাইপ সার্টিফিকেট ভারতে স্বীকৃতি ও বৈধকরণ (Certification and Validation) প্রক্রিয়ায় হ্যাল, ইউএসি-কে সহায়তা করবে। এর বিনিময়ে হ্যাল ভারতে এই বিমান তৈরি, বিক্রি এবং রক্ষণাবেক্ষণের লাইসেন্স পাবে। পাশাপাশি, মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও উপাদান উৎপাদনের অধিকারও থাকবে হ্যাল-এর হাতে। রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি সংস্থা রোস্তেকের অধীনস্থ ইউএসি, হ্যাল-কে প্রযুক্তিগত পরামর্শ, নকশা সহায়তা এবং বিশেষজ্ঞ পরিষেবা দেবে, যাতে ভারতে সুখোই সুপারজেট ১০০-এর অ্যাসেম্বলি লাইনের জন্য উৎপাদন পরিকাঠামো পুনর্গঠন করা যায়। উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে মস্কোতে দুই সংস্থার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছিল। নতুন এই চুক্তি সেই আলোচনাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিল।

    কীভাবে কাজের বণ্টন হবে

    এই চুক্তিকে একটি বিস্তৃত ‘মাস্টার এগ্রিমেন্ট’-এর দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে ভবিষ্যতের সময়সূচি, আর্থিক কাঠামো এবং দুই পক্ষের মধ্যে কাজের বণ্টন বিস্তারিতভাবে নির্ধারিত হবে। সুখোই সুপারজেট ১০০ (SJ-100) হলো মূল সুখোই সুপারজেটের একটি আধুনিক ও পুনর্নকশাকৃত সংস্করণ, যা সম্পূর্ণভাবে রাশিয়ায় তৈরি উপাদান ও সিস্টেমের ওপর নির্ভরশীল। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে পূর্বে ব্যবহৃত ফ্রাঙ্কো-রুশ ইঞ্জিনের পরিবর্তে এতে ব্যবহার করা হয়েছে রাশিয়ায় নির্মিত পিডি৮ ইঞ্জিন। ফলে সুখোই সুপারজেট ১০০ (SJ-100) বর্তমানে একটি সম্পূর্ণ ‘ইমপোর্ট-সাবস্টিটিউটেড’ রাশিয়ান আঞ্চলিক জেট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এর সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে দুটি সুখোই সুপারজেট ১০০ (SJ-100) প্রোটোটাইপ ১০টি দেশের আকাশসীমা পেরিয়ে হায়দ্রাবাদে পৌঁছয়। ভারতের ক্ষেত্রে এই অংশীদারিত্ব সরকারের ‘উড়ে দেশ কা আম নাগরিক’ (UDAN) কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার লক্ষ্য সাশ্রয়ী বিমান পরিষেবা সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক বিমানবন্দরগুলির উন্নয়ন। ভারতে স্থানীয় উৎপাদন শুরু হলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে সুখোই সুপারজেট ১০০ (SJ-100) -এর নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, পাশাপাশি প্রযুক্তি স্থানান্তর ও রফতানির সুযোগও বাড়বে।

  • India-EU Trade Deal: এক বার্তায় ২৭ দেশের সঙ্গে সংযোগ প্রধানমন্ত্রীর! সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে ভারত-ইইউ বাণিজ্য চুক্তি

    India-EU Trade Deal: এক বার্তায় ২৭ দেশের সঙ্গে সংযোগ প্রধানমন্ত্রীর! সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে ভারত-ইইউ বাণিজ্য চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে সংসদ ভবনের বাইরে নিজের ভাষণ ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভবিষ্যতে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্যের অভিমুখ যে অনেকাংশে ইউরোপের দিকে ঘুরে যেতে পারে, সেই আভাস মিলেছে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে। ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পর এক ব্রিটিশ সংবাদপত্র নরেন্দ্র মোদিকে আখ্যা দিয়েছিল “ভারতের প্রথম সোশ্যাল মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী” হিসেবে। বারো বছর পর, সেই তকমার যথার্থতা আবারও প্রমাণ করলেন তিনি। মঙ্গলবার ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রী মোদি সোশ্যাল মিডিয়াকে কূটনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

    ইইউ-এর ২৪টি সরকারি ভাষায় বার্তা

    চুক্তি ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রী মোদি একটিমাত্র বার্তা পোস্ট করেন—কিন্তু সেটি ছিল ইইউ-এর ২৪টি সরকারি ভাষায়। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি একসঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেন। ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এই উদ্যোগকে “বহুভাষিক মাস্টারস্ট্রোক” বলে অভিহিত করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কৌশলের মাধ্যমে ভারত-ইইউ বাণিজ্য চুক্তিকে নিছক অর্থনৈতিক লেনদেনের বাইরে নিয়ে গিয়ে একটি ব্যক্তিগত ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের রূপ দেওয়া হয়েছে।

    ট্রাম্পের বাণিজ্য কৌশলের প্রেক্ষাপটে ভারত-ইইউ ঘনিষ্ঠতা

    এই চুক্তি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া বাণিজ্য নীতিতে বিশ্ব রাজনীতি উত্তাল। ভারত ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অসম বাণিজ্য চুক্তিতে চাপের সম্মুখীন হয়েছে। অন্যদিকে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে অবস্থান নেওয়ার কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নও ট্রাম্প প্রশাসনের রোষানলে পড়েছে। ট্রাম্পের কৌশল—শুল্ককে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার—বিশ্বের বহু মিত্র দেশকেই প্রভাবিত করেছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারত-ইইউ চুক্তিকে অনেকেই “মাদার অব অল ডিলস” বলে উল্লেখ করছেন।

    আত্মনির্ভর ভারতের চুক্তি

    ব্রিটেনের সঙ্গে আগেই মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির রূপরেখা চূড়ান্ত করে ফেলেছে ভারত। দু’দিন আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইউরোপের ২৭ দেশের জোট)-এর সঙ্গেও মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির রূপরেখা চূড়ান্ত হয়েছে। মোদীর কথায়, ভবিষ্যতের পথ কতটা উজ্জ্বল, তারই একটি ঝলক হল ইউরোপের সঙ্গে এই বাণিজ্যচুক্তি। তিনি বলেন, “এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারতের চুক্তি। দেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণ প্রজন্মের চুক্তি। আত্মনির্ভর ভারতের চুক্তি।” ইউরোপীয় জোটের সঙ্গে এই চুক্তিকে আগেও ‘সব চুক্তির জননী’ বলে ব্যাখ্যা করেছে দিল্লি। বৃহস্পতিবার ফের সেই কথাই স্মরণ করিয়ে দিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এই চুক্তির ফলে ভারতীয় রফতানিকারকদের জন্য অনেক বড় বাজার খুলে গিয়েছে। এখন খুব সস্তায় ভারতীয় পণ্য ইউরোপীয় দেশগুলিতে পৌঁছে যাবে বলেও দেশবাসীকে জানান তিনি।

    ২৭টি দেশের ক্রেতাদের মন জয়

    ইউরোপীয় বাজার যে ভারত একটি দীর্ঘ সময়ের জন্য ধরে রাখতে চাইছে, তা-ও স্পষ্ট মোদীর কথায়। দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের নির্মাতা এবং উদ্যোগপতিদের উদ্দেশে মোদী পরামর্শ দেন, অনেক বড় বাজার খুলে গিয়েছে, সেখানে সস্তায় পণ্য রফতানি করা যাবে— এই ভেবে বসে থাকলে চলবে না। সেরা মানের পণ্য রফতানির উপরে জোর দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “সেরা মানের পণ্যের উপরে জোর দেওয়ার এটাই সুযোগ। সেরার সেরা মানের পণ্য নিয়ে বাজারে আসুন। তা হলে আমরা ইউরোপের ২৭টি দেশের ক্রেতাদের থেকে শুধু টাকাই আয় করব না, গুণমানের জন্য তাদের মনও জয় করতে পারব। কয়েক দশক ধরে যার প্রভাব থাকবে।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদির বহুভাষিক বার্তা

    চুক্তি ঘোষণার পর এক্স (সাবেক টুইটার)-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি ইংরেজিতে লেখেন— “আজ ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির উপসংহার আমাদের সম্পর্কের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ইউরোপের সব নেতাদের তাঁদের গঠনমূলক মনোভাব ও প্রতিশ্রুতির জন্য ধন্যবাদ জানাই। এই চুক্তি অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করবে, আমাদের জনগণের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং এক সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে ভারত-ইউরোপ অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করবে।” এরপর একই বার্তা তিনি ফরাসি, জার্মান, গ্রিক, ইতালিয়ানসহ ইইউ-এর ২৪টি সরকারি ভাষায় পোস্ট করেন। এর জবাবে ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতিসহ একাধিক ইউরোপীয় নেতা হিন্দিতে শুভেচ্ছা বার্তা দেন।

    মানবিক ও ব্যক্তিগত কূটনীতি

    ইউরোপীয় কমিশনের সিনিয়র বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. ক্রিস্টিনা ভ্যানবার্গেন এই উদ্যোগকে “২৭টি দেশের প্রতি একসঙ্গে সৌজন্যমূলক শ্রদ্ধা” বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, “প্রতিটি দেশের ভাষায় কথা বলে প্রধানমন্ত্রী মোদি একটি বাণিজ্য চুক্তিকে সাংস্কৃতিক করমর্দনে রূপান্তর করেছেন। এই এফটিএ কাগজপত্রের চুক্তি নয়—এটি মানবিক ও ব্যক্তিগত। একবিংশ শতাব্দীর কূটনীতি ঠিক এভাবেই হওয়া উচিত।” ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মারিওস কারাতজিয়াস একে “ডিজিটাল যুগের সেরা জনকূটনীতি” হিসেবে আখ্যা দেন।

    ভারত-ইইউ বাণিজ্য চুক্তির মূল দিক

    দুই দশক ধরে আলোচনার পর সম্পন্ন হওয়া এই চুক্তি এখন আইনি পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে যাবে, তারপর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হবে।

    • ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারতের শ্রমনির্ভর পণ্যের ওপর শুল্ক শূন্য করবে
    • ভারতের ৯০ শতাংশের বেশি পণ্যের ওপর ইইউ শুল্ক প্রত্যাহার করবে
    • ইউরোপের ৯৬ শতাংশ রফতানিপণ্যের ওপর ভারতের শুল্ক কমানো বা তুলে নেওয়া হবে
    • ভারতের অটোমোবাইল বাজার ইউরোপীয় গাড়ির জন্য খুলে দেওয়া হবে
    • গাড়ির ওপর শুল্ক প্রথমে ৩০–৩৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে, পরে ধাপে ধাপে ১০ শতাংশে নামবে

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে এই চুক্তি ভারত ও ইউরোপ—উভয়ের জন্যই লাভজনক। এই কারণেই প্রধানমন্ত্রী মোদির ভাষাভিত্তিক, লক্ষ্যভিত্তিক কূটনীতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

  • India Remittances: রেমিট্যান্স প্রাপ্তির নিরিখে বিশ্বের শীর্ষে ভারত, বলছে অর্থনৈতিক সমীক্ষা

    India Remittances: রেমিট্যান্স প্রাপ্তির নিরিখে বিশ্বের শীর্ষে ভারত, বলছে অর্থনৈতিক সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেমিট্যান্স (India Remittances) বা প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বে শীর্ষস্থানে রয়েছে ভারত (India)। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ২০২৫–২৬ অর্থনৈতিক সমীক্ষায় (Economic Survey) এই তথ্য সামনে এসেছে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ পৌঁছেছে ১৩৫.৪ বিলিয়ন ডলারে, যা দেশের বৈদেশিক হিসেবের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সংসদে পেশ করা সমীক্ষায় জানিয়েছেন, উন্নত দেশগুলি থেকে রেমিট্যান্সের (India Remittances) অংশ বেড়েছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, দক্ষ ও পেশাদার কর্মীদের অবদান ক্রমেই বাড়ছে। রফতানিতে ভারতের প্রতিযোগিতা ক্ষমতা বাড়াতে উৎপাদন খরচ কমানোর লক্ষ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া জরুরি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই সমীক্ষায়।

    উৎপাদনভিত্তিক রফতানি (India)

    সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, উৎপাদনভিত্তিক রফতানি ক্ষমতা বাড়ানো গেলে দীর্ঘমেয়াদে বৈদেশিক স্থিতিশীলতা এবং মুদ্রার বিশ্বাসযোগ্যতা আরও শক্তিশালী হবে। এ জন্য প্রয়োজন শৃঙ্খলাবদ্ধ ও উৎপাদনশীলতাভিত্তিক শিল্পনীতি, ভ্যালু চেইনজুড়ে কাঁচামাল ও উপকরণ ব্যয়ের সতর্ক ব্যবস্থাপনা এবং উচ্চ-মূল্য সংযোজিত পরিষেবা খাতের সমান্তরাল বৃদ্ধি। বিশ্বজুড়ে আর্থিক পরিস্থিতি কড়াকড়ি হলেও ভারত ধারাবাহিকভাবে বড় অঙ্কের মোট বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পেরেছে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে মোট বিনিয়োগ প্রবাহ জিডিপির হার পৌঁছেছে ১৮.৫ শতাংশে। রাষ্ট্রসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (UNCTAD)-এর তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় মোট বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (FDI) গ্রহণে ভারত শীর্ষস্থানে (India Remittances) রয়েছে এবং ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো বড় এশীয় অর্থনীতিকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে (India)।

    গ্রিনফিল্ড বিনিয়োগ

    ২০২৪ সালে গ্রিনফিল্ড বিনিয়োগ ঘোষণার ক্ষেত্রে বিশ্বে ভারত চতুর্থ স্থানে ছিল। ওই বছরে এক হাজারের বেশি প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি, ২০২০–২৪ সময়কালে গ্রিনফিল্ড ডিজিটাল বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গন্তব্যে পরিণত হয়েছে, যেখানে মোট ১১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ এসেছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে নভেম্বর – এই পর্বে মোট এফডিআই প্রবাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪.৭ বিলিয়ন ডলারে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫৫.৮ বিলিয়ন ডলার। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, “ভারতে বৈদেশিক পোর্টফোলিও বিনিয়োগ (FPI) বারবার প্রবাহ ও বহিঃপ্রবাহের চক্রের মধ্য দিয়ে যায়। এই ওঠানামা অনেক সময় বৈশ্বিক আর্থিক পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত। চলতি অর্থবর্ষে ছ’মাস নিট বহিঃপ্রবাহ এবং তিন মাস নিট প্রবাহ দেখা গেছে, যার ফলে সামগ্রিকভাবে নিট অবস্থান তুলনামূলকভাবে সীমিত রয়েছে।”

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

    এছাড়া, ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার (India Forex) রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০১.৪ বিলিয়ন ডলারে (১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত), যা মার্চের শেষে ছিল ৬৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। রিজার্ভের পর্যাপ্ততার দিক থেকে বলা হয়েছে, এই সঞ্চয় প্রায় ১১ মাসের পণ্য আমদানি এবং ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শেষে থাকা মোট বৈদেশিক ঋণের প্রায় ৯৪ শতাংশ মেটাতে সক্ষম। ফলে এটি একটি স্বস্তিদায়ক বাফার হিসেবে কাজ করছে (India)। অর্থনৈতিক সমীক্ষায় (Economic Survey) আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একটি দেশের মুদ্রার কার্যকারিতা নির্ভর করে অভ্যন্তরীণ সঞ্চয় সৃষ্টি, বৈদেশিক ভারসাম্য রক্ষা, স্থিতিশীল এফডিআই আকর্ষণ এবং উদ্ভাবন, উৎপাদনশীলতা ও গুণগত মানের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা রফতানি প্রতিযোগিতার ক্ষমতার ওপর (India Remittances)। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের শেষে ভারতের মোট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ৭৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা মার্চ ২০২৫ শেষে ছিল ৭৩৬.৩ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বৈদেশিক ঋণ-জিডিপির অনুপাত ছিল ১৯.২ শতাংশ। তবে সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের মোট ঋণের তুলনায় বৈদেশিক ঋণের অংশ ৫ শতাংশেরও কম। এর ফলে বৈদেশিক খাতজনিত ঝুঁকি অনেকটাই সীমিত রয়েছে ।

     

LinkedIn
Share