Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Modi-Trump Meeting: ‘‘বিশ্ব সম্পদের অভাবে নয়, বিশ্বাসের অভাবে ভুগছে’’ জি-৭ সামিটে ট্রাম্পকে পাশে বসিয়েই পরোক্ষ-বার্তা মোদির

    Modi-Trump Meeting: ‘‘বিশ্ব সম্পদের অভাবে নয়, বিশ্বাসের অভাবে ভুগছে’’ জি-৭ সামিটে ট্রাম্পকে পাশে বসিয়েই পরোক্ষ-বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি-৭-এর মঞ্চে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পাশে বসিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফ্রান্সের এভিয়ানে অনুষ্ঠিত জি-৭ সামিটে (G7 Summit) মঙ্গলবার নজর কাড়লেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সম্মেলনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনের আগে দুই রাষ্ট্রনেতাকে করমর্দন করতে দেখা যায়। ভিডিওতে দেখা যায় চেয়ারে বসে ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, মোদি সেখানে যেতেই উঠে দাঁড়িয়ে করমর্দন করেন। করমর্দনের পর দু’জনকে পাশাপাশি বসে কথোপকথন করতেও দেখা যায়। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল, জ্বালানি নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য— এই সব বিষয়ই জি-৭ সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে।

    পারস্পরিক বিশ্বাস, সবচেয়ে দামি

    এদিন জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি, কার্যত তাঁর সমালোচনাও করেন মোদি। জি-৭ সামিটে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘আজ বিশ্ব আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে বেশি সংযুক্ত এবং পরস্পর নির্ভরশীল। একটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি শুধুমাত্র তার সীমানার মধ্যেই নির্ধারিত হয় না। তথ্য, পুঁজি এবং প্রযুক্তি—এই সবই আমাদের সংযুক্ত করে। ফলে এই বিশ্বে পার্টনারশিপের গুরুত্ব স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু পার্টনারশিপ তখনই সফল হয় যখন তার মূলে থাকে বিশ্বাস। আজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্ট্র্যাটেজিক সম্পদ খনিজ, প্রযুক্তি বা বাজার নয়, বরং পারস্পরিক বিশ্বাস।’’

    পার্টনারশিপের ভবিষ্যৎ বিশ্বাসের উপরই নির্ভরশীল

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘আমি বিশ্বাস করি প্রযুক্তি ও সরবরাহ ব্যবস্থা অস্ত্র হিসেবে নয়, বরং বৈশ্বিক কল্যাণে ব্যবহৃত হবে। উন্নয়নের সুযোগ কয়েকটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বৈশ্বিক সংস্থাগুলো সকল দেশের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে সক্ষম হবে। গত শতাব্দীতে মানবজাতি দুটি বিশ্বযুদ্ধ সহ্য করেছে। বহু ত্যাগের পর, শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে বিশ্ব। এই ব্যবস্থাগুলোও বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল, কিন্তু বহু প্রজন্মের অবদানের মাধ্যমে কয়েক দশক ধরে গড়ে ওঠা সেই বিশ্বাস আজ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। কোভিড আমাদের দেখিয়েছে, বিশ্বাস এবং সংহতির দাবিগুলো কতটা অন্তঃসারশূন্য ছিল। আজ বিশ্ব সম্পদের অভাবে নয়, বরং বিশ্বাসের অভাবে ভুগছে এবং আমাদের পার্টনারশিপের ভবিষ্যৎ এই বিশ্বাসের উপরই নির্ভর করছে।’’

    ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে সরব প্রধানমন্ত্রী মোদি

    প্রধানমন্ত্রী মোদি হরমুজ প্রণালী ও তার আশেপাশে ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যুর বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, ‘‘পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি হয়েছে, আমরা তাকে স্বাগত জানাই। এই সংঘাত পশ্চিম এশিয়ায় আমাদের মিত্র দেশগুলোর জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতি করেছে। হরমুজ প্রণালীতে সামুদ্রিক বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। নাবিকদের নিরাপত্তা, যাঁরা বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক বাণিজ্যের মাধ্যমে সমস্ত দেশকে সংযুক্ত করেন, তা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে, সমুদ্রপথ যাতে নিরাপদ থাকে এবং নাবিকরা নির্ভয়ে তাঁদের কাজ করতে পারেন।’’

    ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক!

    ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে প্রায় ১৬ মাস পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেখা হল। সূত্রের খবর, দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে। বাণিজ্য, কৌশলগত সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটনে সাক্ষাতের পরে এটাই মোদি ও ট্রাম্পের প্রথম মুখোমুখি বৈঠক। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-মার্কিন সম্পর্ক বর্তমানে কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে দুই নেতার এই সাক্ষাৎ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, মোদী-ট্রাম্প পার্শ্ববৈঠকে বাণিজ্যচুক্তি, কৌশলগত সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি এবং ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধ-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

    বাণিজ্য ও কূটনৈতিক ইস্যুতে নজর

    এই বৈঠক এমন এক সময়ে হতে চলেছে, যখন ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌবাহিনীর অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত বাণিজ্যিক জাহাজে কর্মরত ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যুর ঘটনাও আলোচনায় উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা চাপের মুখে পড়েছিল। তার সঙ্গে ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন প্রশাসনের উচ্চ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছে। বাণিজ্যিক সম্পর্ক এই বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে পারে। গত ফেব্রুয়ারিতে মোদি ও ট্রাম্প একটি অন্তর্বর্তীকালীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। বর্তমানে সেই চুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। বৈঠকে সেই অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হতে পারে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার উপায় নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

  • Swami Vivekananda: শিকাগোয় উন্মোচন হল স্বামী বিবেকানন্দের পূর্ণাবয়ব মূর্তির, বিশ্বজুড়ে ধ্বনিত হল সেবা ও সম্প্রীতির বার্তা

    Swami Vivekananda: শিকাগোয় উন্মোচন হল স্বামী বিবেকানন্দের পূর্ণাবয়ব মূর্তির, বিশ্বজুড়ে ধ্বনিত হল সেবা ও সম্প্রীতির বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার শিকাগোয় (Chicago) ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেলে উন্মোচিত হল স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তি (Life-size statue)। বিবেকানন্দের সেই কালজয়ী বার্তা—বেদান্ত দর্শন, মানবসেবা এবং বৈশ্বিক সম্প্রীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৮৯৩ সালের শিকাগো (Chicago) বিশ্ব ধর্ম মহাসভায় স্বামীজির দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণের স্মৃতিবিজড়িত এই শহরে তাঁর মূর্তি উন্মোচন এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

    মানবসেবা এবং সর্বজনীন সম্প্রীতির উদাহরণ (Swami Vivekananda)

    আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিনয় মোহন কোয়াত্রা (Vinay Mohan Kwatra) আনুষ্ঠানিকভাবে এই মূর্তির উন্মোচন করেন। প্রবাসী ভারতীয়দের (Diaspora) আন্তরিক উপহার হিসেবে এই ভাস্কর্যটি কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে স্থান পেয়েছে। মূর্তি উন্মোচন করে রাষ্ট্রদূত বিনয় মোহন কোয়াত্রা তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, “আমাদের শিকাগো (Chicago) কনস্যুলেটে স্বামী বিবেকানন্দের একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তি উন্মোচন করতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি আমাদের প্রবাসী সম্প্রদায়ের একটি উদার উপহার। মানবসেবা এবং সর্বজনীন সম্প্রীতির বিষয়ে ওনার চিরন্তন বার্তা আমাদের সবার মধ্যে বেঁচে রয়েছে। আমাদের প্রাণবন্ত প্রবাসী সম্প্রদায়ের সাথে যুক্ত হতে পারার এই সুযোগের জন্য আমি কৃতজ্ঞ।”

    অনুষ্ঠান ও প্রাসঙ্গিকতা

    মূর্তি উন্মোচনের পর স্বামী বিবেকানন্দের কালজয়ী আদর্শ নিয়ে একটি বিশেষ আলোচনা সভার (Chicago) আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিকাগোর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিবর্গ এবং ভারতীয় সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সমবেত কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে আমেরিকার সিয়াটল (Seattle) শহরে স্বামী বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda) আরও একটি মূর্তি উন্মোচন করা হয়েছিল, যা ছিল আমেরিকার কোনও নগর প্রশাসন (City Government) দ্বারা স্থাপিত প্রথম বিবেকানন্দ মূর্তি। ১৮৯৩ সালে শিকাগোর (Chicago) মাটিতে দাঁড়িয়েই স্বামীজি তাঁর বক্তৃতা শুরু করেছিলেন ‘‘আমেরিকার ভাই ও বোনেরা’’ বলে সম্বোধন করে। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়েও তাঁর সেই বিশ্বভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং সনাতন ধর্মের উদারতার বাণী সমানভাবে প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • PM Narendra Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    PM Narendra Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি৭ সম্মেলনে (G7 Summit) অংশ নিতে মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়াঁয় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “জি৭ সম্মেলনে অংশ নিতে ফ্রান্সের এভিয়াঁয় পৌঁছেছি। বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে মতবিনিময়ের অপেক্ষায় রয়েছি। আরও টেকসই ও সমৃদ্ধ পৃথিবী গড়তে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    ‘ভারত ইনোভেটস’ কনক্লেভের উদ্বোধন (PM Narendra Modi)

    ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ফ্রান্সের নিস শহরে গিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে যৌথভাবে ‘ভারত ইনোভেটস’ কনক্লেভের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি সরকারি সফরে যান স্লোভাকিয়ায়। সেখানে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া একাধিক মউ (MoU) স্বাক্ষর করে, এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। স্লোভাকিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ দেয়।

    মোদিকে স্বাগত জেনেভার প্রেসিডেন্টের 

    এর আগে মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পৌঁছালে তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান সে দেশের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, দুই নেতা উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি ভারত-সুইজারল্যান্ড দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। এভিয়াঁয় অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি জি৭ সদস্য দেশগুলির নেতা, আমন্ত্রিত অংশীদার রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে নতুন অংশীদারিত্ব গঠন, আন্তর্জাতিক সংহতি পুনর্গঠন, ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও দ্রুত এআই (AI) বাস্তবায়ন-সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে (PM Narendra Modi)।

    একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা 

    সম্মেলনের ফাঁকে বিশ্বের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার, ১৭ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হতে পারে। এভিয়াঁর কর্মসূচি শেষে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী যাবেন প্যারিসে। সেখানে তিনি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি ইউরোপের বৃহত্তম (G7 Summit) প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ সম্মেলন ‘ভিভাটেক সামিটে’ যোগ দেবেন। প্যারিসে প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের উদ্দেশেও ভাষণ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর (PM Narendra Modi)।

     

  • Bangladesh: ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’— বাংলাদেশে রামমূর্তি অবমাননার অভিযোগে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি হিন্দু শিক্ষার্থীদের

    Bangladesh: ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’— বাংলাদেশে রামমূর্তি অবমাননার অভিযোগে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি হিন্দু শিক্ষার্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের গাইবান্ধা জেলায় ভগবান রামের মূর্তির অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করেন। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তাঁরা। ‘সচেতন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ছাত্রীনিবাসের বাসিন্দারাও অংশ নেন। পরে মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে শাহবাগ মোড়ে পৌঁছয়। এরপর তাঁরা রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ জানান।

    বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক

    সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জগন্নাথ হল ছাত্র সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক রাম প্রসাদ সাহা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। তাঁর অভিযোগ, কিছু উগ্রপন্থী গোষ্ঠী ভগবান রামকে নিয়ে গুজব ছড়িয়ে ধর্মীয় উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “শ্রী রামচন্দ্র আমাদের কাছে অবতার। তাঁর প্রতিকৃতিতে জুতা নিক্ষেপের ঘটনা সনাতন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে গভীর আঘাত হেনেছে। আমরা ধর্ম, বর্ণ বা সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই। কিন্তু কিছু গোষ্ঠী বিভেদ ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।” সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী নেতা দীপজয় সরকার দীপ্ত ও সুদীপ্ত প্রামাণিক। তাঁরা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে বারবার বৈষম্য দেখা যায়। একই সঙ্গে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিও তোলেন তাঁরা। সুদীপ্ত প্রামাণিক বলেন, “নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু পরে সেগুলোর অনেকটাই বাস্তবায়িত হয় না। আমরা চাই, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক।” তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামী শুক্রবার আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    বিক্ষোভকারীদের দাবি

    বিক্ষোভকারীরা সমাবেশ থেকে কয়েকটি দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে রয়েছে—গাইবান্ধার ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকারের আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ, উগ্রবাদী কার্যকলাপ দমনে কার্যকর উদ্যোগ এবং গাইবান্ধায় প্রস্তাবিত ভগবান রামের বৃহত্তম মূর্তি নির্মাণের কাজ পুনরায় শুরু করা। ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

  • Peace Deal: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির পথে নয়া সঙ্কট, পুনর্গঠন প্যাকেজ নিয়ে তীব্র মতবিরোধ

    Peace Deal: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির পথে নয়া সঙ্কট, পুনর্গঠন প্যাকেজ নিয়ে তীব্র মতবিরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের পর যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের (Peace Deal) সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছিল, ঠিক তখনই নয়া এক বিতর্কের জেরে ভেস্তে যেতে বসেছে শান্তি প্রক্রিয়া। বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক সাহায্য প্যাকেজ, যাকে ইরান (Iran Denies Trump Claim) একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবেই বিবেচনা করছে।

    ট্রাম্পের বক্তব্য (Peace Deal)

    তেহরানের (ইরানের রাজধানী) দাবি, দীর্ঘ সংঘাতের ফলে ইরানের অর্থনীতি ও পরিকাঠামো যে ক্ষতির মুখে পড়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে এই বিশাল অর্থনৈতিক প্যাকেজ অপরিহার্য। ইরানের মতে, পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক সাহায্য ও পুনর্গঠন পরিকল্পনা ছাড়া স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা অসম্ভব।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য প্রকাশ্যে ইরানের এই দাবি অস্বীকার করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, “ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না—এই ব্যাপারে তারা সম্মত হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে—এই ধরনের খবর সম্পূর্ণ ভুয়ো।”

    আন্তর্জাতিক মহলেও ঘনিয়েছে উদ্বেগের মেঘ

    ট্রাম্পের এহেন বক্তব্য ইরানের অবস্থানের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। তাই দুই দেশের শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠছে নয়া প্রশ্ন। আগামী ১৯ জুন সম্ভাব্য চুক্তি সই হওয়ার আগে দু’পক্ষের অবস্থান ১৮০ ডিগ্রি আলাদা হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলেও ঘনিয়েছে উদ্বেগের মেঘ।বিশ্লেষকদের মতে, ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই প্যাকেজ সরাসরি ক্ষতিপূরণ নাকি (Peace Deal) দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও পুনর্গঠন কর্মসূচি—সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। পশ্চিমী বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি মার্কিন সরকারের সরাসরি অর্থ প্রদান নয়, বরং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী, বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ইরানের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির একটি পরিকল্পনা হতে পারে।

    শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা

    এদিকে, ইরান একে যুদ্ধজনিত ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের নিশ্চয়তা হিসেবে তুলে ধরছে। ফলে একই বিষয়কে দু’পক্ষ ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করায় শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতে পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক সহায়তার প্রশ্নেই সবচেয়ে বড় জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। যদি ইরান এই অর্থনৈতিক নিশ্চয়তাকে অনড় শর্ত হিসেবে ধরে রাখে এবং ওয়াশিংটন প্রকাশ্যে এমন কোনও প্রতিশ্রুতি দিতে রাজি না হয়, তাহলে পুরো শান্তি প্রক্রিয়া ভেস্তে যেতে পারে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, অনেক সময় যুদ্ধবিরতি (Iran Denies Trump Claim) বা শান্তি চুক্তি সামরিক ইস্যুতে নয়, বরং অর্থায়ন, বাস্তবায়ন ও পারস্পরিক প্রত্যাশার পার্থক্যের কারণেই ব্যর্থ হয়। আমেরিকা-ইরানের মধ্যে চলা আলোচনাও এখন (Peace Deal) ঠিক এমনতর পরীক্ষারই সম্মুখীন।

     

  • India-Slovakia Relation: ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ক ‘পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত, স্বাক্ষরিত ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি

    India-Slovakia Relation: ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ক ‘পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত, স্বাক্ষরিত ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্লোভাকিয়া (PM Modi in Slovakia) সফরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছল। সোমবার স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারত ও স্লোভাকিয়া (India-Slovakia Relation) তাদের সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ’ বা পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্বে উন্নীত করার কথা ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি শ্রম অভিবাসন, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, উচ্চশিক্ষা ও কোয়ান্টাম যোগাযোগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে ১১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ। সোমবার স্লোভাকিয়ার রাষ্ট্রপতি পিটার পেলেগ্রিনির সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    অভিন্ন বিশ্বাস, অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যতের প্রতীক

    ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে ব্রাতিস্লাভায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এটি স্লোভাকিয়ায় কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে মোদি বলেন, “আমরা আমাদের সম্পর্ককে কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপের মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি আমাদের অভিন্ন বিশ্বাস, অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যতের প্রতীক।” ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তকরণে সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদি ফিকো-রও প্রশংসা করেন। দুদিনের এই সফরে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি (President Peter Pellegrini) এবং প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর (Prime Minister Robert Fico) সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্য জগতের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গেও তাঁর আলোচনা হয়। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল শিল্প, রেল উৎপাদন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম মেধা ও উদ্ভাবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির দ্রুত বাস্তবায়নে জোর

    দুই নেতার বৈঠকে ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)-র দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, এই চুক্তি কার্যকর হলে দুই দেশের শিল্প, স্টার্টআপ ও ব্যবসায়ীরা উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবে। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোও এই চুক্তিকে বিশ্বের অন্যতম উচ্চাকাঙ্ক্ষী বাণিজ্য চুক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তাঁর দেশ।

    জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা

    দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষ করে পারমাণবিক শক্তি ও ভূ-তাপীয় শক্তি ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “অটোমোবাইল, রেলওয়ে, উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি এবং সবুজ প্রযুক্তি আমাদের সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।” প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে দুই দেশ একটি লেটার অফ ইনটেন্ট (LOI) চূড়ান্ত করেছে। মোদির মতে, এটি দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের মধ্যে সহযোগিতায় নতুন গতি আনবে এবং পারস্পরিক আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।

    ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার

    যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে ভারত ও স্লোভাকিয়া আঞ্চলিক সংযোগ, মুক্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা এবং বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে একসঙ্গে কাজ করবে।

    দক্ষ কর্মীদের চলাচল সহজ করতে সমঝোতা

    দুই দেশ দক্ষ পেশাজীবীদের নিরাপদ ও বৈধ চলাচলকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শ্রম অভিবাসন সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি কর্মরত পেশাজীবীদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত একটি সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যাগ্রিমেন্ট চূড়ান্ত করার বিষয়েও একমত হয়েছে উভয় পক্ষ।

    রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের সমর্থন

    বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে দুই নেতা রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারকে সমর্থন করেছেন। এই প্রেক্ষিতে, সংস্কারিত ও সম্প্রসারিত নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে স্লোভাকিয়ার ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য ভারত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ অবস্থান

    মোদি ও ফিকো সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের, বিশেষ করে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা করেন। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলারও কড়া নিন্দা জানান ফিকো। সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ একটি যৌথ সন্ত্রাসবিরোধী কর্মগোষ্ঠী (Joint Working Group on Counter-Terrorism) গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রসংঘের কাঠামোর আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে দুই দেশ। দুই নেতা সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা ও মদতদাতাদের জবাবদিহির আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

    ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ক

    ভারত-স্লোভাকিয়া বৈঠকের এই সিদ্ধান্তগুলি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেওয়ার পাশাপাশি ইউরোপে ভারতের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল। বিদেশ মন্ত্রকের (Ministry of External Affairs) মতে, গত কয়েক বছরে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ যে নতুন গতি পেয়েছে, মোদির এই সফর সেই সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুসংহত করার দিকেই বড় পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Droupadi Murmu) স্লোভাকিয়া সফর এবং এবছর স্লোভাকিয়ার রাষ্ট্রপতি পেলেগ্রিনির ভারত সফরের পর মোদির এই সফর দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ করল। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল সহ শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভারত ও স্লোভাকিয়ার সম্পর্কের (India-Slovakia relations) ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

  • PM Modi: মোদির উপহার দেওয়া জ্যাকেট পরেই বৈঠকে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী ফিকো, মিলল দু’জনের পোশাকের রঙও

    PM Modi: মোদির উপহার দেওয়া জ্যাকেট পরেই বৈঠকে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী ফিকো, মিলল দু’জনের পোশাকের রঙও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর জ্যাকেটের রঙ এক! এহেন কাকতালীয় ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার এমন এক আন্তরিক ও হাস্যরসাত্মক মুহূর্ত।  ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, দু’জনেই প্রায় একই রঙের বেইজ জ্যাকেট পরে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

    রঙ মিলান্তি (PM Modi)

    ভিডিওতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “কী আশ্চর্য কাকতালীয় ঘটনা, আমাদের দু’জনের পোশাকের রঙ একেবারে মিলে গিয়েছে।” তিনি জানান, রবার্ট ফিকো যে জ্যাকেটটি পরেছেন, সেটি তিনিই তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন। ভিডিওর ক্যাপশনেও লেখা হয়েছে, “প্রধানমন্ত্রী ফিকো আমার দেওয়া জ্যাকেটটি পরেছেন এবং কাকতালীয়ভাবে আজ আমাদের দু’জনের জ্যাকেটের রঙও একই হয়েছে।” ভিডিওতে দেখা যায়, ফিকো নীল শার্ট ও প্যান্টের সঙ্গে ভারতের ঐতিহ্যবাহী হাতাকাটা জ্যাকেট বা ‘মোদি জ্যাকেট’ স্টাইলের পোশাক পরেছেন। এই দৃশ্য নেটিজেনদের নজর কাড়ে এবং মুহূর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়।

    সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারদের মন্তব্য

    এক সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারের মন্তব্য, “দুই দেশের সম্পর্কের জন্য এটি অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা।” আর একজন লিখেছেন, “ফিকোকে দারুণ দেশি স্মার্ট লাগছে।” অন্য এক নেটিজেনের মন্তব্য, “আগে ভারতীয় নেতারা পশ্চিমী পোশাক পরে বিদেশ সফরে যেতেন, এখন পশ্চিমী নেতারাই ভারতীয় পোশাকের (PM Modi) ধাঁচ অনুসরণ করছেন।” প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে সরকারি সফরে স্লোভাকিয়ায় রয়েছেন। ১৯৯৩ সালে চেকোস্লোভাকিয়া ভেঙে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে স্লোভাকিয়া। তার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ওই দেশ সফরে গিয়েছেন।

    ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ’

    এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। পাশাপাশি অভিবাসন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ (Viral Video)। বৈঠক শেষে মোদি বলেন, “আন্তর্জাতিক স্তরেও ভারত ও স্লোভাকিয়া ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে এবং (PM Modi) সব ধরনের বিরোধ ও উত্তেজনার শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষেই সহমত উভয় দেশ।”

     

  • PM Modi: ঐতিহাসিক সফরে মোদিকে বিশেষ সম্মান, ভারতীয় তেরঙায় আলোকিত স্লোভাকিয়ার ব্রাতিস্লাভা দুর্গ

    PM Modi: ঐতিহাসিক সফরে মোদিকে বিশেষ সম্মান, ভারতীয় তেরঙায় আলোকিত স্লোভাকিয়ার ব্রাতিস্লাভা দুর্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঐতিহাসিক স্লোভাকিয়া সফর স্মরণীয় করে রাখতে ভারতীয় জাতীয় পতাকার রঙে আলোকিত করা হল ঐতিহাসিক ব্রাতিস্লাভা দুর্গকে (Bratislava Castle)। ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী স্লোভাকিয়া সফরে যাওয়ায় বিশেষ কূটনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে এই সফর।

    তেরঙায় আলোকিত স্লোভাকিয়ার ক্যাসেল (PM Modi)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে ব্রাতিস্লাভা ক্যাসেলের আলোকসজ্জার ছবি শেয়ার করে একে “ইতিহাসের ছোঁয়ায় উদযাপিত এক ঐতিহাসিক সফর” বলে উল্লেখ করেন। দানিউব নদীর তীরে পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত এই বিখ্যাত দুর্গকে গেরুয়া, সাদা ও সবুজ রঙে সাজিয়ে ভারত-স্লোভাকিয়া বন্ধুত্বের উষ্ণ বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর মধ্যে ব্রাতিস্লাভা ক্যাসেলেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছরের ইতিহাস বহনকারী এই দুর্গ বর্তমানে স্লোভাক ন্যাশনাল মিউজিয়ামের অংশ এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।

    কূটনৈতিক মহলের বক্তব্য

    কূটনৈতিক মহলের মতে, ভারতের জাতীয় পতাকার রঙে ক্যাসেলকে আলোকিত করার সিদ্ধান্ত শুধু আনুষ্ঠানিক সম্মান নয়, বরং ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ককে আরও গভীর করার রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তাও দেয় (PM Modi)। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রথমবার ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চৌকাঠ পেরোয়। পরের বছর সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যার মধ্যে ভারতের রফতানি ১.৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আমদানি ২৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে স্লোভাকিয়ায় প্রায় ১১ হাজার ভারতীয় বসবাস করেন, যা ইউক্রেনীয়দের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রবাসী সম্প্রদায়। ব্রাতিস্লাভা, কোশিচে ও নিত্রার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৫০০ ভারতীয় ছাত্রছাত্রী চিকিৎসা, টেকনোলজি ও কমার্স নিয়ে পড়াশোনা করে।

    ভারত-স্লোভাকিয়ার সম্পর্ক

    এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি লেটার অব ইনটেন্ট সই এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটো সদস্য এবং ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পোন্নত দেশ স্লোভাকিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আগামী দিনে আরও বেশি করে কৌশলগত গুরুত্ব পাবে (Bratislava Castle)। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ এবং নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপে ভারতের সদস্যপদের দাবিতে স্লোভাকিয়া দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক অবস্থান (PM Modi) বজায় রেখেছে।

     

  • B-52 Bomber Crashes: ক্যালিফোর্নিয়ায় ভেঙে পড়ল মার্কিন বোমারু বিমান! মুহূর্তে পরিণত ধ্বংসস্তূপে, নিহত ৮ বিমানকর্মী

    B-52 Bomber Crashes: ক্যালিফোর্নিয়ায় ভেঙে পড়ল মার্কিন বোমারু বিমান! মুহূর্তে পরিণত ধ্বংসস্তূপে, নিহত ৮ বিমানকর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে (US Air Force) ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা (California Plane Crash)। ক্যালিফোর্নিয়ার মোহাভি মরুভূমিতে অবস্থিত এডওয়ার্ডস এয়ার ফোর্স বেসে পরীক্ষামূলক উড়ানের সময় ভেঙে পড়ে একটি বি-৫২ (B-52) স্ট্র্যাটোফরট্রেস বোমারু বিমান। ঘটনাস্থল থেকে যে ছবি এবং ভিডিও সামনে এসেছে, তা ভয়াবহ। বোমারু বিমানটির (B-52 Bomber Crashes) কিছুই অবশিষ্ট নেই। শুধু কালো ছাই মিশে রয়েছে মাটিতে। ধোঁয়া বেরোচ্ছে ছাইয়ের রাশি থেকে। বিমানে থাকা আটজনেরই মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার বেলা প্রায় ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    কীভাবে ঘটে দুর্ঘটনা, শুরু তদন্ত

    এডওয়ার্ডস এয়ার ফোর্স বেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানে মোট আটজন আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনার মাত্রা এতটাই ভয়াবহ যে কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জরুরি পরিষেবা ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। প্রাথমিকভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু হলেও পরে তা মৃতদেহ উদ্ধারের অভিযানে রূপান্তরিত হয়। এডওয়ার্ডস এয়ার ফোর্স বেসের ৪১২তম টেস্ট উইংয়ের ডেপুটি কমান্ডার কর্নেল জেমস হেইস জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনার পর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয়েছে যে বিমানের কেউই বেঁচে থাকার সুযোগ পাননি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তও শুরু হয়েছে। বায়ুসেনা সূত্রে জানা গেছে, বিমানটিকে ঘোরানোর সময় কোনও ধরনের প্রযুক্তিগত বা নিয়ন্ত্রণজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। যদিও সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তকারীদের মতে, প্রকৃত কারণ জানতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। মার্কিন বিমানবাহিনী জানিয়েছে, বিমানটি একটি রাডার আধুনিকীকরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরীক্ষামূলক উড়ান পরিচালনা করছিল।

    আমেরিকার সামরিক বিমান নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশের আকাশপথে সাময়িকভাবে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, দুর্ঘটনার পর বহু দূর থেকে আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছিল। আগুন দ্রুত পুরো বিমানটিকে গ্রাস করে নেয়। ফলে বিশাল এই বোমারু বিমানটির প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই। উল্লেখ্য, বোয়িং নির্মিত B-52 স্ট্র্যাটোফরট্রেস বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘদিনের সক্রিয় সামরিক বিমান। ১৯৫৫ সালে প্রথম পরিষেবায় যুক্ত হওয়া এই দূরপাল্লার ভারী বোমারু বিমানটি প্রচলিত ও পারমাণবিক—দুই ধরনের অস্ত্র বহনে সক্ষম। ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে শুরু করে ইরাক অভিযান পর্যন্ত একাধিক সামরিক অভিযানে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধেও ওই বোমারু বিমানটি ব্যবহার করে আমেরিকা। বড় আকারের বিমানটি থেকে একাধিক অস্ত্রশস্ত্র নিক্ষেপ করা যায়, যার মধ্যে রয়েছে বোমা, ক্রুজ মিসাইল। নিউক্লিয়ার পেলোডও বহন করতে সক্ষম। এই দুর্ঘটনা আমেরিকার সামরিক বিমান নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

  • PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া পালক, স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া পালক, স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান (National Honour) ‘দ্য অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডাবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ দেওয়া হল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। সোমবার স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় এক বিশেষ অনুষ্ঠানে সে দেশের প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি এই সম্মান তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর হাতে।

    মোদির পাওয়া ৩৩তম আন্তর্জাতিক সম্মান (PM Modi)

    এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাওয়া ৩৩তম আন্তর্জাতিক সম্মান, যা বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক গুরুত্বের প্রতিফলন বলেই দাবি কূটনৈতিক মহলের। সম্মান গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা এক বার্তায় বলেন, এই সম্মান ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের প্রতি উৎসর্গীকৃত এবং ভারত-স্লোভাকিয়া বন্ধুত্বের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের প্রতীক। তিনি স্লোভাকিয়ার জনগণ এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই সম্মান ভারত ও স্লোভাকিয়ার জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, উষ্ণতা ও বন্ধুত্বের স্বীকৃতি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এই সম্মান অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান

    উল্লেখ্য, ‘দ্য অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডাবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ অসামরিক ও সামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মান, যা শুধুমাত্র বিদেশি নাগরিকদের দেওয়া হয়। বর্তমানে ছ’দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন ইউরোপ সফরে। এই সফরের অংশ হিসেবেই তিনি স্লোভাকিয়ায় যান। এটি কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম স্লোভাকিয়া সফর। চলতি সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। সহযোগিতা বাড়াতে সই করেছে অভিবাসন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি (PM Modi)।

    রুটি ও নুন দিয়ে স্বাগত প্রধানমন্ত্রীকে

    প্রসঙ্গত, দু’দিনের সফরে স্লোভাকিয়ায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে পৌঁছানোর পর তাঁকে রুটি ও নুন দিয়ে স্বাগত জানান প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি। সে দেশের রীতি অনুযায়ী অতিথিদের রুটি এবং নুন দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। স্লোভাকিয়ায় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, কৌশলগত সহযোগিতা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয় (National Honour)। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সঙ্গে ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্ত্রি এবং অন্য শীর্ষ আধিকারিকরা। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে আয়োজিত একটি বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচিতেও অংশ নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এবং সে দেশের প্রেসিডেন্ট।

     

LinkedIn
Share