Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Pakistan: মুখোশ খুলে গেল পাকিস্তানের, বেআব্রু শাহবাজ শরিফের দেশের ‘দ্বিচারিতা’

    Pakistan: মুখোশ খুলে গেল পাকিস্তানের, বেআব্রু শাহবাজ শরিফের দেশের ‘দ্বিচারিতা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখোশ খুলে গেল পাকিস্তানের (Pakistan)! বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতারণা এবং দ্বিমুখী আচরণ পাকিস্তানের মূল বৈশিষ্ট্য (US Attacks)। শাহবাজ শরিফের দেশের প্রকৃত চরিত্রের আর একটি উদাহরণ হল পাকিস্তান ইরানের সামরিক বিমানকে নিজেদের বিমানঘাঁটিতে রাখার অনুমতি দিয়েছিল। এই একই সময়ে তারা ইরান ও আমেরিকার মধ্যে যে সংঘাত চলছে, তার ‘মধ্যস্থতাকারী’র ভূমিকাও পালন করছিল। ১১ মে প্রকাশিত সিবিএস নিউজের (CBS News) রিপোর্টে মার্কিন আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ইরানের সামরিক বিমানগুলিকে মার্কিন হামলা থেকে রক্ষা করতে তাদের বিমানঘাঁটিতে রাখার অনুমতি দিয়েছে।

    পাকিস্তানের দ্বিচারিতা (Pakistan)

    রিপোর্টে বলা হয়, “এই সব পদক্ষেপ থেকে স্পষ্ট, ইরান তাদের অবশিষ্ট সামরিক ও বিমানসম্পদকে ক্রমবর্ধমান সংঘাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে চেয়েছিল, যদিও একই সময়ে আধিকারিকরা প্রকাশ্যে উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছিলেন।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতির কথা ঘোষণা করার কয়েকদিন পরেই ইরান তাদের সামরিক বিমান, যার মধ্যে একটি আরসি-১৩০ (RC-130) গোয়েন্দা বিমানও ছিল, পাকিস্তানে সরিয়ে নেয়। এই সব বিমান রাখা হয় পাকিস্তানের নূর খান এয়ারবেসে। ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুরে’ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এই বিমানবন্দর (US Attacks)।

    বিশ্ব-রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন

    প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পরেই হইচই পড়ে যায় বিশ্ব-রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন ওঠে পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়েই। এর জবাবে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রক ১২ মে এক বিবৃতিতে রিপোর্টটিকে ‘ভুল ও অতিরঞ্জিত’ বলে দাবি করে। তাদের দাবি, শান্তি-আলোচনা চলাকালীনই কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য কিছু ইরানি ও মার্কিন বিমান পাকিস্তানে এসেছিল। পাকিস্তান সাফ জানিয়ে দেয়, ইরানি বিমানগুলির সঙ্গে তাদের কোনও সামরিক প্রস্তুতি বা সুরক্ষা ব্যবস্থার সম্পর্ক নেই। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইরানি বিমানগুলি যুদ্ধবিরতির সময় পাকিস্তানে আসে। তবে এগুলির সঙ্গে কোনও সামরিক পরিকল্পনার সম্পর্ক নেই। এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ অনুমাননির্ভর ও বিভ্রান্তিকর (US Attacks)।”

    মার্কিন সেনেটরের বক্তব্য

    মার্কিন সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম সোশ্যাল মিডিয়ায় করা একটি পোস্টে লেখেন, যদি এই রিপোর্ট সত্য হয়, তবে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা নতুনভাবে মূল্যায়ন করা উচিত (Pakistan)। তিনি বলেন, “যদি এই খবর ঠিক হয়, তাহলে ইরান, আমেরিকা ও অন্যান্য পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা পুনর্বিবেচনা করতে হবে।” বস্তুত, ভারত দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের দ্বিমুখী আচরণের শিকার। একদিকে পাকিস্তান ইরানের সামরিক বিমানকে আশ্রয় দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্যদিকে শান্তি আলোচনায় তারা অগ্রাধিকার দিয়েছে আমেরিকার স্বার্থকেই।

    ইরানের বক্তব্য

    ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশনীতি কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ির অভিযোগ, পাকিস্তান নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী নয়। তিনি বলেন, “পাকিস্তান সবসময় ট্রাম্পের স্বার্থকে গুরুত্ব দেয়, আমেরিকার বিরুদ্ধে কিছু বলতে চায় না।” তাঁর আরও অভিযোগ, আমেরিকা প্রথমে ইরানের ১০ দফা প্রস্তাব মেনে নিয়েছিল। এর মধ্যে লেবাননে ইজরায়েলি হামলা বন্ধ এবং ইরানের বাজেয়াপ্ত করা সম্পদ মুক্ত করার বিষয়ও ছিল। যদিও পরে তারা সেই অবস্থান থেকে সরে আসে। অভিযোগ, পাকিস্তান এই তথ্য গোপন করেছে (Pakistan)।

    শরিফের করা খসড়া সংস্করণ ফাঁস অনলাইনে

    এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের করা এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টের খসড়া সংস্করণ অনলাইনে ফাঁস হয় (US Attacks)। সেখানে লেখা ছিল ‘ড্রাফট-পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এক্সে লেখা মেসেজ’ (Draft – Pakistan’s PM Message on X)। পরে অবশ্য সংশোধিত পোস্ট প্রকাশিত হয়। যদিও ততক্ষণে পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ শান্তি আলোচনা চলার সময়ই ইজরায়েল সম্পর্কে অত্যন্ত কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন। ইজরায়েলকে তিনি ‘অভিশাপ’, ‘মানবতার ক্যানসার’ ইত্যাদি অভিধায় ভূষিত করেন। তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে পরে অবশ্য পোস্টটি মুছে ফেলেন তিনি।

    সমালোচকদের বক্তব্য

    এপ্রিলের শেষের দিকে পাকিস্তান ইরানের জন্য ছ’টি বাণিজ্যপথ খুলে দেয়। এর ফলে মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও ইরান বিকল্প পথে বাণিজ্য চালিয়ে যেতে পারে। সমালোচকদের মতে, এর ফলে দুর্বল হয়ে পড়ে আমেরিকার চাপ। সমালোচকদের একটা বড় অংশের মতে, পাকিস্তান প্রকৃতপক্ষে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে না, বরং ইরান-আমেরিকা সংঘাতকে নিজেদের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে (Pakistan)। একদিকে তারা ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে, অন্যদিকে আমেরিকার সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে চলেছে। ফলে পাকিস্তানকে অনেকে ‘মধ্যস্থতাকারী’ নয়, বরং ‘সুযোগসন্ধানী’ বলেই মনে করছেন (US Attacks)।

     

  • Suvendu Adhikari on BSF: পদ্মঝড় গঙ্গাপারে, আতঙ্ক পদ্মাপারে! শুভেন্দুর সীমান্ত-ঘোষণায় তোলপাড় বাংলাদেশে

    Suvendu Adhikari on BSF: পদ্মঝড় গঙ্গাপারে, আতঙ্ক পদ্মাপারে! শুভেন্দুর সীমান্ত-ঘোষণায় তোলপাড় বাংলাদেশে

    সুশান্ত দাস

    কথায় বলে, ‘একা রামে রক্ষে নেই, সুগ্রীব দোসর’। প্রাচীন প্রবাদবাক্যটা যথার্থ বাংলাদেশের পক্ষে। এতদিন নিজেদের পূবদিকে ব্রহ্মপুত্রের কোল ঘেঁষা বিজেপি-শাসিত অসমের অনুপ্রবেশ-বিরোধী অবস্থান নিয়ে জেরবার ছিল বাংলাদেশ। এখন পশ্চিমদিকে, গঙ্গাপারও গেরুয়াময় হয়ে ওঠায় আশঙ্কার শেষ নেই পদ্মাপারে। রীতিমতো, উভয় সঙ্কটে ভুগছে ওপারের কট্টরপন্থীরা, যারা অনুপ্রবেশকে এতদিন নিজেদের কায়েমি অধিকার হিসেবে দেখে এসেছিল। যারা, কিছুদিন আগে পর্যন্তও এরাজ্য়ের সাম্প্রদায়িক ও রাষ্ট্র-বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বদান্যতায় কাঁটাতার-বিহীন সীমান্ত দিয়ে ইচ্ছামতো যত্রতত্র ভারতে ঢুকে জনবিন্যাসে হেরফের ঘটাত এবং অস্থির পরিস্থিতির সৃষ্টি করত। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গবাসী সেই স্বৈরাচারী সরকারকে উৎখাত করে দেওয়ায় বাজ পড়েছে বঙ্গ তথা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়া অবৈধ বাংলাদেশিদের মাথায়।  ভারতের মোদি সরকারের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে অবৈধ বাংলাদেশি তাড়ানো অভিযান আগেই শুরু হয়েছিল। এবাং বঙ্গেও নতুন সরকার আসায় সেই কাজ শুরু হল বলে। লক্ষ্য হল, ভারতে বসবাসকারী অবৈধ বাংলাদেশিদের স্বভূমে ফেরত পাঠানো, এবং একইসঙ্গে এই গণ-অনুপ্রবেশকে যথাসম্ভব আটকানো। ফলে, সব মিলিয়ে  বাংলাদেশের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে এখন তিনটি শব্দ— ‘বিজেপি’, ‘কাঁটাতার’ ও ‘পুশব্যাক’।

    প্রমাদ গোনা শুরু বাংলাদেশে…!

    নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে বিরাট ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়ে দেন, বাংলা-সীমান্তে আউটপোস্ট বসাতে এবং কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর করা হবে। এর পর থেকেই যেন প্রমাদ গুণতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। এমনিতে, রাজ্যে পালাবদল ঘটিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসা থেকেই বাংলাদেশিদের একাংশ টার্গেট করা শুরু করেছে শুভেন্দুকে। তার ওপর সোমবার শুভেন্দুর বিএসএফকে জমি দেওয়ার ঘোষণার সঙ্গে সেই আক্রমণ আরও বেড়ে গিয়েছে। গঙ্গাপারের নবান্ন থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছেন, তা নিয়ে পদ্মাপারের সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে— তবে সেই সংবাদ যে সব ইতিবাচকভাবে পরিবেশন করা হয়েছে, তেমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই।

    হিন্দুত্ববাদকে ভয় পাচ্ছে বাংলাদেশ…!

    তবে বিজেপির বঙ্গজয় ও রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত খবরে একটা বিষয় পরিষ্কার। তা হল, হিন্দুত্ববাদের শক্তিকে ক্রমশ ভয় পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী বলেছেন, ‘‘সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জয়ী হয়েছে বিজেপি, এটা একটা গেরুয়া পতাকা। এই গেরুয়া পতাকা বাংলাদেশের কাছে এসে গেছে। মুসলমানরা যদি সজাগ না থাকে, যদি ইমানি বক্তা না থাকে তাহলে কিন্তু এই পতাকা আমরা ঠেকাতে পারব না।’’ শুভেন্দুর কথার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ থেকে যে প্রতিক্রিয়া উঠে আসছে, তাতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, এপার বাংলায় বিজেপির উত্থানে বাংলাদেশের একটা বড় অংশ আশঙ্কিত। আর এই শঙ্কা কেবলমাত্র জনমানসে নয়, একেবারে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিসরেও বর্তমান।

    ‘‘বাংলার সুরক্ষার প্রশ্ন, দেশের সুরক্ষার প্রশ্ন’’

    সোমবার, নবান্নে বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর একগুচ্ছ ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। যার মধ্যে অন্যতম ছিল সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য বিএসএফকে ৪৫ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তরের ঘোষণা। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “এটা আমাদের দেশের সুরক্ষার প্রশ্ন। বাংলার সুরক্ষার প্রশ্ন। যেভাবে জনবিন্যাস বদলে গেছে, আজ প্রথম দিনেই আমরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর ও বিএসএফকে সীমান্ত সুরক্ষিত করার জন্য জমি ট্রান্সফার প্রক্রিয়ার অনুমোদন দিলাম। ভূমি ও রাজস্ব সচিব এবং মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হল। ৪৫ দিনের মধ্যে হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে।”

    কী বলেছেন ইউনূস সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা?

    বাংলাদেশ এনসিপির নেতা তথা ইউনূস সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইঁয়া শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের অনেকেই বিভিন্ন সময় আমাদের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের পক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন। আবার পশ্চিমবঙ্গ এবং জেএনইউ-তে যখন সিএএ-বিরোধী আন্দোলন হয়, তখন আমরা তাদের সমর্থন জানিয়েছি।’’ তিনি যোগ করেন, ‘‘এই অঞ্চলের মুসলমানরা হামলার শিকার হচ্ছেন। বাংলাদেশের সরকারের প্রতি আমাদের আবেদন, তারা যেন কূটনৈতিকভাবে আরও তৎপর হয় এবং ভারতের কাছে এই নিয়ে সরব হয় এবং রাষ্ট্রীয় ভাবে নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়ায়। এই সরকার যেন দেশের স্বার্থ দেখে নয়ত আমরা আমাদের সম্ভাব্য বন্ধুদের হারাব। আমরা এই নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের কাছেও আবেদন জানাতে চাই।’’

    শুভেন্দুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ঢাকায়…!

    আবার ঢাকায় শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের দেখান একদল মানুষ। ‘ভয়েস অফ বাংলাদেশি হিন্দুস’ নামক একটি এক হ্যান্ডেল থেকে ভাইরাল হয় বেশ কিছু ছবি। তাতে দেখা যায়, বাংলাদেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ হাতে ফেস্টুন নিয়ে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। জানা যাচ্ছে, ‘অঞ্জুমানে ছালেকীন বাংলাদেশ’ নামক একটি সংগঠনের তরফে ডাকা হয় এই বিক্ষোভ মিছিল। পশ্চিমবঙ্গে নাকি সংখ্যালঘু মুসলিমরা নির্যাতিত এবং নিপীড়িত হচ্ছে! এমন দাবি সামনে রেখেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে পা বাড়িয়েছে ওপার বাংলার ওই সংগঠনটি।

    ঢাকাকে চাপ দিল্লির…

    এমনিতে, ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী প্রায় ৩ হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে ঢাকার ওপর ক্রমাগত চাপসৃষ্টি করছে দিল্লি। অবৈধ বাংলাদেশিদের ‘পুশব্যাক’ করার কথা ঘোষণা করেই রেখেছেন অসমে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। যা নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক। সেই সময়ও বাংলাদেশের স্বস্তির জায়গা ছিল পশ্চিমবঙ্গ। কারণ, যতদিন গঙ্গাপার তৃণমূলের দখলে ছিল, ততদিন বেশ নিশ্চিন্তে দিন কাটাচ্ছিল বাংলাদেশের জামাত-বাহিনী। তার ওপর সেখানকার নির্বাচনে ভারত-সীমান্ত ঘেঁষা জেলাগুলিতে জয় পাওয়ার পর থেকেই যেন জামাতের একপ্রকার ডানা গজিয়েছে।

    ক্ষমতার ‘হাতবদল’ এপারে, ঘুম উড়েছে ওপারে…!

    কিন্তু, এপার বাংলায় ক্ষমতার ‘হাতবদল’ হতেই রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে ওপার বাংলায়। সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছে জামাতরা। তারা হারে হারে টের পাচ্ছে, এতদিন তারা যে পশ্চিমবঙ্গ তাদের কাছে অনুপ্রবেশের নিরাপদ মাধ্যম ছিল, তা রাতারাতি উধাও হয়ে গিয়েছে। উল্টোদিকে উঠেছে মস্ত প্রাচীর। বর্তমানে বাংলাদেশকে ঘিরে থাকা ভারতের অঙ্গ রাজ্যগুলির মধ্যে— অসম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও সিকিম বিজেপি-শাসিত। এখন সেই তালিকায় ঢুকে পড়ল, তাদের সঙ্গে সবচেয়ে বড় সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া পশ্চিমবঙ্গ। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। অতীতে ভারতের বিএসএফ (BSF) সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণ করতে গেলে বিভিন্ন জায়গায় বাধার অভিযোগ উঠেছে, যেখানে বিজিবি (BGB)-এর ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একইসঙ্গে, বিজিবির কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে অনুপ্রবেশে সহায়তার অভিযোগও সামনে এসেছে। অন্যদিকে, সীমান্তে বিএসএফের গুলি চালানোর ঘটনা ঘটলেই বাংলাদেশে বিভিন্ন মৌলবাদী গোষ্ঠী এবং কট্টরপন্থী মহলের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

    ‘পুশব্যাক’-এর আশঙ্কা! হাই অ্যালার্টে বিজিবি…

    ঢাকা মনে করছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার, এবং অসম ও পশ্চিমবঙ্গের সরকারের ত্র্যহস্পর্শ সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হলে অনুপ্রবেশকারীদের নতুন করে ‘পুশব্যাক’ করার বা বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া জোরদার হতে পারে। শুভেন্দুর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর ঢাকায় জানান, বাংলাদেশ সরকার আশা করে ‘পুশব্যাক’ নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচনী প্রচারে যা বলেছেন, সরকার পরিচালনায় সেই কড়া পদক্ষেপ বজায় রাখবে না, পশ্চিমবঙ্গের সরকার। হুমায়ুন কবিরের দাবি, এই বাংলাদেশ আর সেই বাংলাদেশ নেই। বাংলাদেশের মানুষ ও সরকার আর কাঁটাতারের বেড়ার ভয় পায় না। বাংলাদেশেরও সীমান্ত নিয়ে নিজস্ব পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁরা ভারতের এই প্রশাসনিক গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় বিজিবি-কে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। ‘পুশব্যাক’-এর সম্ভাবনা রুখতেই বিজিবি-কে সীমান্তে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • Trump China Visit: চিন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, কী কারণে বেজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    Trump China Visit: চিন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প, কী কারণে বেজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিনের চিন সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump China Visit)। ১৩ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত চিনে থাকবেন তিনি। বহুচর্চিত এই রাষ্ট্রীয় সফর ওয়াশিংটন ও বেজিংয়ের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের দিক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে (Xi Jinping) বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। প্রায় এক দশকের মধ্যে কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট পা রাখেননি চিনে। ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পেরও এটিই প্রথম চিন সফর। যদিও তাঁর প্রথম মেয়াদের ২০১৭ সালের সফরের পর এটিই প্রথম তাঁর চিন-যাত্রা।

    সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাষার আড়ালে চাপ! (Trump China Visit)

    চিন সম্পর্কে নানা সময় কড়া ভাষায় মন্তব্য করলেও, ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের। গত সপ্তাহেও তিনি শি-কে ‘ভালো মানুষ’ এবং ‘বুদ্ধিমান মানুষ’ বলে উল্লেখ করেন। জানিয়ে দেন, তাঁদের মধ্যে ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ রয়েছে। বিশ্ব রাজনীতির খবরাখবর যাঁরা রাখেন, তাঁদের মতে, এই সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাষার আড়ালে চাপ ক্রমশ বাড়ছে। ট্রাম্প-জিনপিং বৈঠক এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্য-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিকে কূটনৈতিক সাফল্যে রূপ দিতে হিমশিম খাচ্ছে ট্রাম্পের দেশ। ট্রাম্পের বেজিং সফরের ওপর সবচেয়ে বড় ছায়া ফেলেছে ইরান সঙ্কট। কয়েক সপ্তাহ ধরে হোয়াইট হাউস চেষ্টা করছে যাতে চিন তেহরানের ওপর তার প্রভাব খাটিয়ে মার্কিন-সমর্থিত সমাধান নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। তা না হলেও, অন্তত যাতে হরমুজ প্রণালী ফের খুলে দেওয়া হয়, সেজন্য চাপ সৃষ্টি করে।

    মার্কিন প্রভাবের সীমাবদ্ধতা

    যদিও এই যুদ্ধে আমেরিকা সরাসরি পরাজিত হয়নি, তবে এই সংঘাত মার্কিন প্রভাবের সীমাবদ্ধতার কঙ্কালসার চেহারাটাই বেআব্রু (Xi Jinping) করে দিয়েছে। বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অশান্তির প্রভাব পড়লেও, এখনও যুদ্ধ বন্ধ করতে পারেনি ওয়াশিংটন। ট্রাম্প অবশ্য (Trump China Visit) মচকাচ্ছেন না। তিনি বলেন, “আমি এর শেষ দেখতে চাই।”  অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ ওই প্রণালী ফের চালু করতে যে তিনি মরিয়া, তা স্পষ্ট ট্রাম্পের এই বক্তব্যেই। ট্রাম্পের দাবি, ইরানের যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। কারণ তিনি তেহরানের (ইরানের রাজধানী) সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। আধিকারিকদের মতে, ওই প্রস্তাবে ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কিছু সমঝোতার ইঙ্গিত ছিল। যদিও ট্রাম্প সেটিকে ‘জঞ্জাল’ বলে উড়িয়ে দেন। এহেন আবহে ওয়াশিংটন তাকিয়ে রয়েছে বেজিংয়ের সাহায্যের দিকে। চিন ইরানের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার এবং এখনও বিপুল পরিমাণ ইরানি তেল কেনে। তাই তেহরানের ওপর তাদের এমন প্রভাব রয়েছে, যা আমেরিকারও নেই।

    বিদেশনীতি বিশেষজ্ঞের বক্তব্য

    হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের চিনা (Xi Jinping) বিদেশনীতি বিশেষজ্ঞ আলেহান্দ্রো রেয়েস বলেন, “ট্রাম্প আলোচনায় প্রবেশ করছেন দুর্বল অবস্থান থেকে। ট্রাম্পের চিনকে প্রয়োজন চিনের তুলনায় বেশি (Trump China Visit)।” তিনি এও বলেন, “ট্রাম্প একটি বিদেশনীতি-সংক্রান্ত সাফল্য চান। এমন একটি সাফল্য, যা দেখাবে তিনি শুধু বিশ্ব রাজনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করছেন না, বরং স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত করতে চাইছেন।” এদিকে, ট্রাম্পের চিন সফরের আগে উত্তেজনা কমানোর তেমন কোনও ইঙ্গিত দেয়নি তেহরান। ইরানের নয়া সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা আলি আকবর ভেলায়াতি বলেন, “মিস্টার ট্রাম্প, কখনও ভাববেন না যে ইরানের বর্তমান শান্ত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে আপনি বিজয়ীর বেশে বেজিংয়ে ঢুকতে পারবেন।” অন্যদিকে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ফের ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনার প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এ থেকে স্পষ্ট সংঘাত এখনও শেষ হয়নি (Trump China Visit)।

    ইরান ইস্যুতে চিনের সাহায্য বিনামূল্যে!

    তবে ইরান ইস্যুতে চিনের সাহায্য বিনামূল্যে আসবে না। বেজিং হয়তো ওয়াশিংটনের কাছ থেকে ছাড় আদায়ের চেষ্টা করবে, বিশেষ করে তাইওয়ান ইস্যুতে। প্রসঙ্গত, চিন তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে মনে করে। তাইপের (তাইওয়ানের রাজধানী) সঙ্গে আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিরুদ্ধে বারবার সোচ্চার হয়েছে চিন। মনে রাখতে হবে, ওয়াশিংটনের নীতিতে সামান্য পরিবর্তনও এশিয়ায় মার্কিন মিত্রদের উদ্বিগ্ন করতে পারে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, ট্রাম্পের কূটনৈতিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে বেজিং হয়তো তাইওয়ানের প্রতি আমেরিকার প্রতিশ্রুতি শিথিল করার চেষ্টা করবে। তাই এই বৈঠকেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, চিনের সহযোগিতার বিনিময়ে কতদূর আপস করতে প্রস্তুত ট্রাম্প। শি-ট্রাম্প বৈঠকের আর একটি বড় বিষয় হবে বাণিজ্য, বিশেষ করে গত বছরের তীব্র শুল্কযুদ্ধের পর (Xi Jinping)।

    হাতিয়ার যখন বিরল খনিজ রফতানি

    এই বৈঠকের পথ তৈরি হয় অক্টোবর মাসে বুসানে, যখন দুই দেশ ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য সংঘাত সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছিল। সেই সংঘাতে চিনা পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক পৌঁছেছিল ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত (Trump China Visit)। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় চিন বিরল খনিজ (Rare Earth Minerals) রফতানিতে কড়াকড়ি করে। এসব খনিজ আমেরিকার প্রযুক্তি কোম্পানি ও সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিনের কড়াকড়ির জেরে আমেরিকার কয়েকটি কারখানায় দেখা দেয় বড় ধরনের উৎপাদন সমস্যা। এই অচলাবস্থা দেখিয়ে দেয়, চিন এখন আমেরিকার অর্থনীতির কৌশলগত খাতগুলিতেও আঘাত হানার ক্ষমতা রাখে। বর্তমানে উভয় পক্ষই অন্তত সাময়িকভাবে সম্পর্ক স্থিতিশীল করতে আগ্রহী। চিন মার্কিন প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার ও রফতানি নিষেধাজ্ঞায় শিথিলতা চায়। আর ওয়াশিংটন চায় চিন আরও বেশি করে মার্কিন পণ্য কিনুক, প্রতিশ্রুতি দিক নয়া লগ্নির (Trump China Visit)।

    সংঘর্ষের সুতোয় জড়িয়ে গিয়েছে সব

    সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য ঘোষণাগুলির মধ্যে রয়েছে বোয়িংয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের আলোচিত বিমান চুক্তি। জানা গিয়েছে, চিন ৫০০টি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স এবং আরও কয়েক ডজন ওয়াইড-বডি বিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা করছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ২০১৭ সালের পর এটাই হবে চিনের সবচেয়ে বড় বোয়িং কেনা। আমেরিকা আরও চাইছে চিন যেন সয়াবিন, মুরগি, গরুর মাংস, কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস-সহ মার্কিন কৃষি ও জ্বালানি পণ্যের আমদানি ব্যাপকভাবে বাড়ায় (Xi Jinping)। বিশ্লেষকদের মতে, চিনের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার এখনও তাদের বিরল খনিজ সরবরাহ ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ। বেজিং বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য আমেরিকাকে দীর্ঘমেয়াদি বিরল খনিজ সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতে পারে, যদিও সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত সরবরাহ সীমিত রাখবে (Trump China Visit)। এই কৌশলগত প্রভাবই ট্রাম্পের চিন সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হয়ে উঠতে পারে, যেখানে কূটনীতি, বাণিজ্য এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা – সব একসঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে সংঘর্ষের সুতোয়।

     

  • PM Modi: বঙ্গবিজয়ে মোদিকে অভিনন্দন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রীর, শীঘ্রই সফরে যাবেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    PM Modi: বঙ্গবিজয়ে মোদিকে অভিনন্দন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রীর, শীঘ্রই সফরে যাবেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) ঐতিহাসিক জয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আন্তরিক অভিনন্দন জানালেন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর (Trinidad-Tobago) প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ হ্যান্ডলে একটি বার্তার মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।

    বঙ্গ জয়কে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে বর্ণনা (PM Modi)

    নিজের এক্স হ্যান্ডলে কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর (Trinidad-Tobago) তাঁর বার্তায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির এই বিপুল ও ঐতিহাসিক জয়ে আমি ভারত প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং বিজেপি-কে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন করেন, “১০ কোটিরও বেশি মানুষের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এই প্রথম জয় ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর শক্তিকেই প্রতিফলিত করে। এই রাজনৈতিক জয় ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।”

    মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা

    ভারতের গণতন্ত্রের ভূয়সী প্রশংসা করে কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর (Trinidad-Tobago) বলেন, “ভারত আজ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে গর্বের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে। বৈশ্বিক পরিবর্তন ও সম্ভাবনার এই সন্ধিক্ষণে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) শান্ত, সুশৃঙ্খল এবং দৃঢ় নেতৃত্ব ভারতীয় জনগণের আস্থা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।”

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও জয়শঙ্করের সফর

    শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী জানান যে, তাঁরা ভারতের বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্করের আসন্ন সফরের অপেক্ষায় রয়েছেন। চলতি সপ্তাহেই জয়শঙ্করের সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়নমূলক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বিদেশমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বরের (Trinidad-Tobago) এই উষ্ণ অভ্যর্থনার জবাবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, “আপনার সুন্দর শব্দ চয়ন  এবং উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ। আমি খুব শীঘ্রই ত্রিনিদাদ ও টোবাগো সফরে আসার এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে আপনার ও আপনার টিমের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।”

  • Bangladesh: ‘৪০ কোটি মুসলিম ক্ষুব্ধ হলে টিকবে না হিন্দুরা’, ভারতকে হুমকি বাংলাদেশি ইসলামপন্থী মোল্লার, ভাইরাল ভিডিও

    Bangladesh: ‘৪০ কোটি মুসলিম ক্ষুব্ধ হলে টিকবে না হিন্দুরা’, ভারতকে হুমকি বাংলাদেশি ইসলামপন্থী মোল্লার, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে চরম উস্কানিমূলক মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) এক কট্টরপন্থী ইসলামি নেতা (Islamist Leader)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভাইরাল ভিডিওতে ওই নেতাকে ভারতকে লক্ষ্য করে সরাসরি হুমকি দিতে দেখা গেছে। হুমকি দিয়ে বলেন, “পাকিস্তান এবং ভারতীয় মুসলিমদের সহায়তায় মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই ভারত দখল করা সম্ভব।”

    কী বলা হয়েছে ভিডিওতে (Bangladesh)?

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে নিজেকে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা’ নামক একটি উগ্রপন্থী সংগঠনের (Islamist Leader) নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় ভাষণ দিচ্ছিলেন। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “ইনশাআল্লাহ, ভারতে হামলা হবেই। আমরা পাকিস্তানকে ডাক দেব। ভারত দখল করতে আমাদের তিন ঘণ্টাও সময় লাগবে না। ভারতের ২৬টি রাজ্যকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে এবং ভারতের মুসলিমরাই এর জন্য যথেষ্ট।”

    হিন্দু ও ভারতীয় নেতাদের লক্ষ্য করে হুমকি

    হুমকির সুর আরও চড়িয়ে ওই কট্টর মোল্লা নেতা (Islamist Leader) বলেন, “যদি ৪০ কোটি মুসলিম একবার রেগে যায়, তবে ভারতের হিন্দুরা আর টিকে থাকতে পারবে না।” ভারতের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতার নাম উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, তাঁদের মুসলিমদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তাঁর নিশানায় ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নায়েব সিং সাইনি, পশ্চিমবঙ্গের নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    সীমান্ত নিরাপত্তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর

    এই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের মতো সীমান্ত রাজ্যগুলিতে যেখানে অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর (Islamist Leader) বিষয়, সেখানে এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে (Bangladesh) উগ্রপন্থী ভাবধারার প্রসার এবং ভারত-বিরোধী প্রচার প্রতিবেশী দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে এই ভাইরাল ভিডিও বা ওই নেতার মন্তব্যের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার বা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের একাংশ এই ধরনের চরমপন্থী বক্তৃতার বিরুদ্ধে কঠোর কূটনৈতিক ব্যবস্থা এবং অনলাইন প্রচারের ওপর কড়া নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

  • Pakistan: মধ্যরাতে দুঃস্বপ্ন পাকিস্তানে! লিটার প্রতি ৪১৫ টাকা ছুঁল পেট্রোল-ডিজেলের দাম, দিশেহারা মানুষ

    Pakistan: মধ্যরাতে দুঃস্বপ্ন পাকিস্তানে! লিটার প্রতি ৪১৫ টাকা ছুঁল পেট্রোল-ডিজেলের দাম, দিশেহারা মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চরম অর্থনৈতিক সঙ্কটে জর্জরিত পাকিস্তানের (Pakistan) সাধারণ মানুষ। মধ্যরাতে যেন ভয়াবহ এক দুঃস্বপ্ন ধেয়ে এল জঙ্গিরাষ্ট্রে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার জ্বালানি তেলের দামে রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি ঘোষণা করায় দেশজুড়ে হাহাকার পড়ে গিয়েছে। নয়া ঘোষণা অনুযায়ী, পাকিস্তানে পেট্রোল ও ডিজেলের (Petrol Diesel Price) দাম লিটার প্রতি ৪১৫ টাকায় পৌঁছে গিয়েছে।

    রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি

    পাক সরকারের (Pakistan) এই সিদ্ধান্তে দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতি এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। পেট্রোলের পাশাপাশি ডিজেল এবং কেরোসিন তেলের (Petrol Diesel Price) দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের অস্থিরতা এবং আইএমএফের (IMF) কঠিন শর্ত পূরণ করতেই পাক সরকার এই কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে বলে খবর।

    জনজীবনে প্রভাব

    রাতারাতি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকিস্তানের (Pakistan) পরিবহণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জোগাড়। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের বাজারে যেন আগুন লেগেছে। মুদ্রাস্ফীতির চাপে আগে থেকেই পর্যুদস্ত পাক নাগরিকদের ওপর এই নতুন বোঝা যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। অনেক জায়গায় পেট্রোল (Petrol Diesel Price) পাম্পগুলিতে দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছে, ক্ষুব্ধ নাগরিকরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।

    অর্থনৈতিক সঙ্কট ও আইএমএফের শর্ত

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আইএমএফের থেকে বেলআউট প্যাকেজ বা আর্থিক সহায়তা (Pakistan) পাওয়ার জন্য পাকিস্তান সরকারকে ভর্তুকি কমাতে এবং কর বৃদ্ধি করতে হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের খেটে খাওয়া মানুষের পকেটে। তেলের দাম (Petrol Diesel Price) ৪০০ টাকার গণ্ডি পার করায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলির জীবনযাত্রার মান তলানিতে ঠেকার জোগাড়। এই মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের বিরোধী দলগুলিও সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এই পরিস্থিতি আরও উসকে দিতে পারে পাকিস্তানে গণ-অসন্তোষ এবং অস্থিরতাকে।

  • Antiquities India: ভারত থেকে পাচার হওয়া ১৪ মিলিয়ন ডলারের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ফেরাচ্ছে আমেরিকা

    Antiquities India: ভারত থেকে পাচার হওয়া ১৪ মিলিয়ন ডলারের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ফেরাচ্ছে আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় বড় পদক্ষেপের কথা জানানো হল আমেরিকার তরফে। নিউ ইয়র্ক (New York) কর্তৃপক্ষ প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১১৬ কোটি টাকা মূল্যের শত শত প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন (Antiquities India) ভারতকে ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এর মধ্যে অনেকগুলিই কুখ্যাত শিল্পদ্রব্য পাচারকারী সুভাষ কাপুরের আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ভারত সরকারের কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনার ফলেই এই কাজ সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    নিদর্শনের সংখ্যা (Antiquities India)

    নিউ ইয়র্ক থেকে ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগ জুনিয়ার (New York) মোট ৬৫৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মের অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকর্ম রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল–

    অবলোকিতেশ্বর (Avalokiteshvara)

    ছত্রিশগড়ের সিরপুর থেকে উদ্ধার হওয়া একটি ব্রোঞ্জ মূর্তি, যার আনুমানিক মূল্য ২ মিলিয়ন ডলার। এটি ১৯৮২ সালে চুরি হয়, পাচার করা হয় আমেরিকায়।

    দণ্ডায়মান বুদ্ধ

    উত্তর ভারত থেকে পাচার হওয়া লাল বেলেপাথরের একটি বুদ্ধ মূর্তি, যা ‘অভয় মুদ্রা’য় রয়েছে (Antiquities India)। এর মূল্য প্রায় ৭.৫ মিলিয়ন ডলার। এটি সুভাষ কাপুর নিজের গুদামে লুকিয়ে রেখেছিলেন।

    নৃত্যরত গণেশ

    মধ্যপ্রদেশের একটি মন্দির থেকে চুরি হওয়া বেলেপাথরের একটি গণেশ মূর্তি। এই মূর্তিটিও বহু প্রাচীন। এবার ভারতে ফিরে আসবে। নিউ ইয়র্কে (New York) ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল বিনয় প্রধান এই সহযোগিতার জন্য মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এবং ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির অফিসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই ঘটনাটিকে বিশ্বজুড়ে চুরি হওয়া ঐতিহাসিক নিদর্শন ফিরিয়ে দেওয়ার লড়াইয়ে একটি মাইলফলক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

    পাচার চক্রের ভূমিকা

    তদন্তে জানা গিয়েছে, সুভাষ কাপুর এবং ন্যান্সি উইনারের মতো পাচারকারীরা জাল নথিপত্র তৈরি করে ভারতের মন্দির ও মিউজিয়াম থেকে এই মূল্যবান সম্পদগুলি বিদেশে পাচার করেছিলেন।

    কোহিনূর বিতর্ক

    এই অনুষ্ঠানের মাঝেই নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ব্রিটিশ রাজপরিবারের অধীনে থাকা ১০৫.৬ ক্যারেটের কোহিনূর হীরাটি (Antiquities India) ভারতকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্রিটেনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। তিনি পরামর্শ দেন যে, ঐতিহাসিকভাবে বিতর্কিত এই রত্নটির আসল মালিক ভারত। তাই ভারতের কাছেই ফিরে যাওয়া উচিত।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগ জানিয়েছেন, “ভারত থেকে সাংস্কৃতিক সম্পদ (Antiquities India) পাচারের জালটি অত্যন্ত বিস্তৃত। আজকের এই পদক্ষেপ একটি বড় সাফল্য হলেও, চুরি হওয়া বাকি সম্পদগুলি ফিরিয়ে আনতে আমাদের তদন্ত জারি থাকবে।”

  • Sheikh Hasina: শুভেন্দুকে বিশেষ অভিনন্দন হাসিনার, কী বললেন বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী?

    Sheikh Hasina: শুভেন্দুকে বিশেষ অভিনন্দন হাসিনার, কী বললেন বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চব্বিশের ‘জুলাই বিপ্লবে’র জেরে ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina)। প্রথমে তদারকি সরকার এবং পরে বিএনপির সরকার ক্ষমতায় আসে বাংলাদেশের। এই পুরো পর্বটায় হাসিনাকে বাংলাদেশের ‘বৈধ প্রধানমন্ত্রী’ বলে গিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই শুভেন্দুই যখন পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন, সেই সময়ই যারপরনাই আনন্দ প্রকাশ করল দেশান্তরিত হাসিনার দল আওয়ামি লিগ।

    হাসিনার বার্তা (Sheikh Hasina)

    শুক্রবার বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক দলের তরফে নেত্রী হাসিনার বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে লেখা, ‘‘বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে সকল বিজয়ীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। জয়ী দল বিজেপির বিজয়ীরাও রয়েছেন এর মধ্যে। তিনি (হাসিনা) শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।’’ ক্ষমতা হারিয়ে ভারতেই আশ্রয় নিয়েছেন হাসিনা। বঙ্গের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে নানা সময় বলতে দেখা গিয়েছে, তিনি মনে করেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই আবার বাংলাদেশে ফিরবেন হাসিনা।

    ভারতের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা

    যদিও হাসিনা-উত্তর কালে বাংলাদেশের রশি যায় মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তদারকি সরকারের হাতে। তার পরেই নিষিদ্ধ করা হয় আওয়ামি লিগের কার্যকলাপ। গণহত্যার অভিযোগে হাসিনাকে ফাঁসির সাজাও দিয়েছে সে দেশের আদালত। ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনেও অংশ নিতে পারেনি হাসিনা দল আওয়ামি লিগ। বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও ইঙ্গিত দিয়েছেন নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হবে। এই পরিস্থিতিতে হাসিনা কবে বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন, কিংবা আদৌ পারবেন কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সেই হাসিনাই শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন (Sheikh Hasina)।

    বিজেপিকে অভিনন্দন বিএনপির

    এদিকে, বিজেপির বিপুল জয়ে পদ্মশিবিরকে অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন বিএনপি-ও। শাসক দলের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুর বারি হেলাল শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির এই অভাবনীয় সাফল্যের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার তিস্তা ব্যারেজ চুক্তির পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল (Suvendu Adhikari)। এই জয়ের ফলে দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচকভাবেই এগিয়ে যাবে (Sheikh Hasina)।”

     

  • Canada: ঢোক গিলল কানাডা! খালিস্তানপন্থীরা উদ্বেগের কারণ, এবার জানাল সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থাও

    Canada: ঢোক গিলল কানাডা! খালিস্তানপন্থীরা উদ্বেগের কারণ, এবার জানাল সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ কূটনৈতিক জয় হল ভারতেরই! ঢোক গিলতে হল কানাডাকে। খালিস্তানপন্থীরা যে ক্রমেই কানাডায় জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ হচ্ছে, তা জানিয়ে দিয়েছে কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (CSIS)। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা মূল্যায়নে সতর্ক করা হয়েছে, খালিস্তানপন্থীরা এখনও কানাডার ভেতরে চরমপন্থী অ্যাজেন্ডা প্রচার করছে। বস্তুত, এই কথাটাই নয়াদিল্লি দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে কানাডাকে, প্রকাশ করেছে উদ্বেগও। এবার সেই একই উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কানাডার গোয়েন্দারা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভারতের একটি কূটনৈতিক স্বীকৃতি।

    হুমকির পরিবেশ তৈরি করছে খালিস্তানপন্থীরা (Canada)

    ২০২৫ সালের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই রিপোর্টটি কানাডার সংসদে উপস্থাপন করা হয়। তাতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে কানাডার মাটিতে কোনও হামলা না হলেও, অব্যাহত রয়েছে উদ্বেগ। রিপোর্টটি এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ বোমা হামলার ৪০তম বার্ষিকীর প্রেক্ষাপটে তৈরি, যেখানে ৩২৯ জন নিহত হয়েছিলেন। কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা হিসেবে বিবেচিত হয় ওই ঘটনা। যদিও ২০২৫ সালে কানাডা-ভিত্তিক খালিস্তানি চরমপন্থীদের সঙ্গে যুক্ত কোনও হামলার ঘটনা ঘটেনি, তবুও এতে সতর্ক করা হয়েছে যে হুমকির পরিবেশ এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং পরিবর্তনশীল। গোয়েন্দাদের মতে, “সিবিকেইদের হিংসাত্মক চরমপন্থী কার্যকলাপ অব্যাহত। এটি কানাডা এবং কানাডার স্বার্থের জন্য একটি জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে রয়ে গিয়েছে।” প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি কানাডিয়ান সমাজেও সংযুক্ত এবং তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে চরমপন্থী মতাদর্শ প্রচার করছে। সাধারণ মানুষের অজান্তে তহবিল জোগাড় করে তা হিংসাত্মক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

    কানাডার ভূখণ্ডকে ঘাঁটি করা হচ্ছে

    প্রসঙ্গত, এটি গত এক বছরে সিএসআইএসের পক্ষ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো এমন সতর্কবার্তা। ২০২৫ সালের জুন মাসের প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছিল, খালিস্তানি চরমপন্থীরা কানাডার ভূখণ্ডকে প্রচার, তহবিল জোগাড় এবং হিংসার ষড়যন্ত্র ছকার নীল নকশার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে, যার মূল লক্ষ্য হল ভারত। এইসব তথ্য নয়াদিল্লির দীর্ঘদিনের উদ্বেগকে আরও জোরালো করেছে। ভারত বারবার অটোয়াকে (কানাডার রাজধানী) এই ধরনের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে দ্রুত এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছে। এই ইস্যুটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করেছে, বিশেষ করে প্রাক্তন কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সময়ে। নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে মতবিরোধের কারণে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক পৌঁছেছিল তলানিতে।

    কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বক্তব্য

    ২০২৫ সালের জুন মাস থেকে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যৌথ প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ভারত সফর করেন। এই সফরে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দশ মাসে তৃতীয়বারের মতো সাক্ষাৎ করেন, যা সম্পর্ক পুনর্গঠনের ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয় বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। এই সফরের আগে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল অটোয়া সফর করেন, যা সংবেদনশীল নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে যে আলাপ-আলোচনা চলছে, তারই প্রতিফলন। তার সঙ্গে কানাডার জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা উপদেষ্টা নাথালি দ্রুইনের আলোচনার ফলে উভয় দেশই নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার যোগাযোগ রাখতে আধিকারিক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। এর উদ্দেশ্য হল, জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত বিনিময় করা এবং সহযোগিতা জোরদার করা।

    মার্চ মাসে ভারতের বৈঠকে মোদি সন্ত্রাসবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থার বৈশ্বিক প্রভাবের ওপর জোর দেন। যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “এই চ্যালেঞ্জগুলি শুধু ভারত ও কানাডার জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের জন্যই গুরুতর। এই হুমকিগুলি মোকাবিলায় দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই নয়া কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং গোয়েন্দা পর্যায়ের সমন্বয় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং নিরাপত্তা উদ্বেগ মোকাবিলায় সতর্ক এবং দৃঢ় প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

     

LinkedIn
Share