Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh: “বাংলাদেশে হিন্দুরা আর এক দশকও বাঁচবে না”, চরম আশঙ্কা প্রকাশ মার্কিন হিন্দু সংগঠনগুলির

    Bangladesh: “বাংলাদেশে হিন্দুরা আর এক দশকও বাঁচবে না”, চরম আশঙ্কা প্রকাশ মার্কিন হিন্দু সংগঠনগুলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুরা আর এক দশকও টিকবে না বাংলাদেশে (Bangladesh)। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতা (US Lawmakers Hindu Group) ও হিন্দু সংগঠনগুলোর উদ্বেগ প্রকাশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিন্দু সংগঠন এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের জীবন এবং সম্পত্তির সুরক্ষা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশে নির্বাচনের পর নতুন সরকারের কাছে সংখ্যালঘুর সুরক্ষার আবেদন করেছে। এই নিয়ে একটি বিক্ষোভ হয় আমেরিকাতে।

    অস্তিত্ব রক্ষার সংকট (Bangladesh)

    ওয়াশিংটন ডিসির রোবার্ন হাউস অফিসের সামনে কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর যে ভাবে আক্রমণ করছে তার তীব্র বিরোধিতা করে। এদিন এই বিক্ষোভের কর্মসূচিতে কংগ্রেসনাল ব্রিফিং কোয়ালিশন অফ হিন্দুস অফ নর্থ আমেরিকা, হিন্দু অ্যাকশন এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলি ছিল। মার্কিন আইনপ্রণেতা (US Lawmakers Hindu Group) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।

    মার্কিন কংগ্রেসের উদ্বেগ

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে (Bangladesh) জাতীয় নির্বাচনের পর যে নতুন সরকার গঠন হবে তারা যেন সংখ্যালঘু এবং হিন্দুদের সুরক্ষার বিষয়ে দায়িত্বশীল হন। গত দুই বছরে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন চরম আকার নিয়েছে। বেশ কয়েকজন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য (US Lawmakers Hindu Group) বাংলাদেশ সরকারকে হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হওয়া হিংসাকে বন্ধ করতে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    নিপীড়নের অভিযোগ

    প্রতিবেদনে বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং শারীরিক নির্যাতনের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী তুলে ধরা হয়েছে। কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে তরফে এদিন বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে হাসিনাকে বিতারিত করার পর যেদিন থেকে মহম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু নির্যাতন মারাত্মক আকার নিয়েছে। হিন্দুদের বাড়ি ঘর, লুট, ধর্ষণ, খুন, হত্যা, মন্দির ভাঙচুর সহ একাধিক বহু ঘটনায় হিন্দু জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় মার্কিন মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার রক্ষায় ব্যাপক ভাবে সক্রিয় হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের দাবি

    হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন (HAF) সহ বিভিন্ন গোষ্ঠী জোরালো দাবি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বিশেষ করে মার্কিন প্রশাসন বাংলাদেশে (Bangladesh) মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। উত্তর আমেরিকার হিন্দু জোটের সদস্য জগন্নাথ (US Lawmakers Hindu Group) বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন ভাবে আরও তথ্য গ্রহণ করতে হবে। হিন্দুদের সম্পর্কে নীরবতা পালন করলে আগামীদিনে অস্তিত্ব রাখা নিয়েই প্রশ্ন চলবে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, কট্টরপন্থীরা হিন্দুদের বেঁচে থাকার সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কট্টর ইসলামি সগঠন অতিসক্রিয় ভাবে হিন্দুদের উপর দমন নিপীড়ন চালাচ্ছে।”

    জনসংখ্যার হ্রাস

    আলোচনায় উঠে এসেছে যে, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যার হার আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক স্তরে চাপ বাড়াতে আমেরিকায় (US Lawmakers Hindu Group) এই প্রতিবাদ বলে মনে করা হচ্ছে। সংখ্যালঘুর অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের উপর চাপ বৃদ্ধি করতে মার্কিন আইন প্রণেতারা সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জীবন সম্পত্তি রক্ষায় যাতে কাজ করেন সেই কথাই এদিনে আলচানায় উঠে আসে।

     

  • Bangladesh Election: একসঙ্গে কাজ করার কৌশলী বার্তা! বাংলাদেশে বিপুল জয়ের জন্য তারেককে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Bangladesh Election: একসঙ্গে কাজ করার কৌশলী বার্তা! বাংলাদেশে বিপুল জয়ের জন্য তারেককে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথা মেনেই প্রতিবেশী দেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে (Bangladesh Election) বড় ব্যবধানে জয়ী হতে চলেছে বিএনপি। গণনায় এমন ইঙ্গিত স্পষ্ট হতেই বিভিন্ন দেশ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছোচ্ছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে। শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে প্রথমে ইংরেজি এবং পরে বাংলায় একটি পোস্ট করে তারেককে ‘আন্তরিক অভিনন্দন’ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আবার একসঙ্গে কাজ করার বার্তাও দিয়েছেন মোদি। দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের নতুন রেকর্ড গড়তে চলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) ও তার মিত্ররা। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ইতিমধ্যেই ২১১টি আসনে জয়লাভ করে জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Two-thirds Majority) নিশ্চিত করেছে।

    অভিনন্দন বার্তায় কী লিখলেন মোদি

    শুক্রবার সকালে সমাজ মাধ্যমে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপি-র নির্ণায়ক জয়ে নেতৃত্বে দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।” ভারত-বাংলাদেশ বহুমুখী সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে তারেককে একসঙ্গে কাজ করারও আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি লেখেন, “আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ককে মজবুত করার জন্য এবং অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।” একই সঙ্গে মোদি লেখেন, “গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে ভারত তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।” ‘ঐতিহাসিক বিজয়ে’র জন্য তারেককে ধন্যবাদ জানিয়েছে আমেরিকাও। শুক্রবার সকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের তরফ থেকে সমাজমাধ্যমে বাংলা এবং ইংরেজিতে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়েছে, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা।”

    কৌশলী পদক্ষেপ মোদির

    ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পর থেকেই আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে ‘রাজনৈতিক আশ্রয়ে’ রয়েছেন। গণহত্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত। বারবার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে প্রত্যর্পণের দাবি করলেও এ বিষয়ে নয়াদিল্লি একেবারে নিশ্চুপ। এমনকী বাংলাদেশে নির্বাচনী আবহেও দিল্লি থেকে নানা রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন হাসিনা। এসবের পর নির্বাচনে বিএনপি-র জয়ের আভাস পেয়েই মোদির বার্তা কৌশলী পদক্ষেপ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিএনপি-র

    প্রত্যাশিতভাবেই বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৯৯টি আসনের সংসদে জাদুসংখ্যা পেরিয়েছে খালেদা জিয়ার দল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে। আর বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন তারেক। সংসদে বিরোধী দলের আসনে জামাত-ই-ইসলামি। শুক্রবার ভোররাতে নির্বাচন কমিশন এই ফল ঘোষণা করেন।নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবারের ভোটে অংশ নিতে পারেনি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ।

    বিপুল ভোটে জয়ী তারেক

    বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন হয়েছে বৃহস্পতিবার। শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত রয়েছে। সরকার গঠনের জন্য কোনও দল বা জোটকে ১৫১টি আসনে জিততে হতো। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান দু’টি আসনেই (ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬) জয়ী হয়েছেন। ৭৭ হাজার ভোটে বগুড়া-৬ আসনে বিপুল জয় খালেদা-পুত্র তারেক রহমানের। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পেয়েছেন ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৯১৩ ভোট। এই আসনে তারেকের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মহম্মদ আবিদুর রহমান। ইতিমধ্যেই বিএনপি-র তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে ‘বিপুল সংখ্যক আসনে’ নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। শুক্রবার প্রয়াত খালেদা জিয়ার স্মৃতিতে, দেশবাসীর প্রতি শুভকামনায় বিএনপি-র তরফে বিভিন্ন মজসিদে প্রার্থনা করা হবে। তাদের তরফে বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করার অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপি-র তরফে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তারা জয় উপলক্ষে কোনও বিজয়মিছিল বা সভা করছে না।

    ভারত-বিরোধিতা কাজে এল না

    লাগাতার ভারত-বিরোধিতা অস্ত্র কাজে এল না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুমকি, বিরোধী মন্তব্যের পরও বাংলাদেশ ভোটে জিততে পারলেন না ছাত্রনেতা সারজিশ আলম। নিজের কেন্দ্র পঞ্চগড়-১ আসনে গোহারা হারলেন তিনি। এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। এবারের ভোটে জামাতের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করেছে জুলাই আন্দোলন থেকে উঠে আসা ছাত্রদের দল এনসিপি। তাঁদের প্রার্থীরা মোটের উপর ভালো ফল করলেও সারজিশের হারে প্রমাণ, তাঁর আগাগোড়া ভারত বিরোধী মনোভাব অন্তত জনসমর্থন টানতে পারেনি।

    গণভোটের গণনা

    দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সারা দেশ থেকে আসা বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, দলটি ইতিমধ্যেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় আসন নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশে চলছে গণভোটের গণনা। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা’র (বাসস) খবর অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৭টা পর্যন্ত গণভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৭টি এবং না ভোট পড়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৫৬টি। এ বারই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি ঘোষণা না হলেও সংসদ নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ক্ষমতা আসতে চলেছে বিএনপি। এ বার গণভোটের যে ইঙ্গিত মিলছে তাতে স্পষ্ট, হ্যাঁ ভোট এগিয়ে অনেকটাই।

  • Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন। তাই ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে যৌথভাবে অনুসন্ধান, উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পুনর্ব্যবহারের চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India) করছে ভারত (Critical Minerals Deals)। খনন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশ্বের বহু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহে আধিপত্য এবং উন্নত খনন ও প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির কারণে চির-প্রতিদ্বন্দ্বী চিনের ওপর ভারতের অতিরিক্ত নির্ভরতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই পরিস্থিতি কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভারতের জ্বালানি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    কোন কোন দেশের সঙ্গে আলোচনা (Critical Minerals Deals)

    তবে আবিষ্কার থেকে উৎপাদন পর্যায়ে পৌঁছতে খনিশিল্পে সময় লাগে বিস্তর। শুধু অনুসন্ধান কাজই পাঁচ থেকে সাত বছর পর্যন্ত চলে এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা খনি প্রতিষ্ঠায় গিয়ে শেষ হয় না। সূত্রের খবর, “অনুরোধ এসেছে এবং আমরা ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের সঙ্গে আলোচনা করছি। অন্যদিকে কানাডার সঙ্গে চুক্তিটি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।” সূত্রের মতে, এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারতের খনিমন্ত্রক। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মার্চের শুরুতে ভারত সফর করতে পারেন এবং ইউরেনিয়াম, জ্বালানি, খনিজ এবং এআই সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। কানাডার প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগ জানুয়ারি মাসে এক বিবৃতির দিকে ইঙ্গিত করে জানিয়েছে, উভয় পক্ষ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে রাজি হয়েছে (India)।

    মন্তব্য করেনি কোনও দেশই

    নয়াদিল্লিতে ব্রাজিলের দূতাবাস, ভারতের খনিমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। নেদারল্যান্ডসের দূতাবাসের তরফেও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মন্তব্য করতে চায়নি ফ্রান্সের দূতাবাসও। ভারত বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সন্ধান জোরদার করেছে এবং ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পেরু ও চিলির সঙ্গে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে, যার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে (Critical Minerals Deals)। ভারতের এই আন্তর্জাতিক তৎপরতা এমন একটা সময়ে বাড়ছে, যখন গত মাসে ওয়াশিংটনে জি-৭ ও অন্যান্য বড় অর্থনীতির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে চিন থেকে ‘রেয়ার আর্থ’ নির্ভরতা কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে (India)। ২০২৩ সালে ভারত লিথিয়াম-সহ ২০টির বেশি খনিজকে “গুরুত্বপূর্ণ” বলে চিহ্নিত করেছে, যা তার জ্বালানি রূপান্তর এবং শিল্প ও পরিকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য (Critical Minerals Deals)।

     

  • Bangladesh Election 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন হাসিনা?

    Bangladesh Election 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন হাসিনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার শেষ হল বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Election 2026)। এই নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) এবং তাঁর দল আওয়ামি লিগকে। এদিন ভোট শেষের পর তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া, ‘এই নির্বাচন অসাংবিধানিক’। এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন তিনি। ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগও তুলেছেন বাংলাদেশের দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, “অবৈধ ও অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূস আয়োজিত আজকের তথাকথিত নির্বাচন ছিল মূলত সুপরিকল্পিত একটি প্রহসন। জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সংবিধানের চেতনাকে উপেক্ষা করে আওয়ামি লিগকে বাদ দিয়ে এবং ভোটারবিহীনভাবে একটি প্রতারণামূলক নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে।”

    হাসিনার বক্তব্য (Bangladesh Election 2026)

    তিনি আরও বলেন, “১১ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যা থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গুলিবর্ষণ, ভোট কেনাবেচায় অর্থের ব্যাপক ব্যবহার, ব্যালট পেপারে সিল মারা এবং ফলাফলের শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এই প্রহসন শুরু হয়। ১২ ফেব্রুয়ারির সকাল থেকে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত কম। রাজধানী-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বহু ভোটকেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে ভোটারশূন্য ছিল।” তাঁর দাবি, “এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিল করতে হবে, খুনি-ফ্যাসিবাদী ইউনূসের পদত্যাগ চাই, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী-সহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি এবং সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, আওয়ামি লিগের কার্যকলাপের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে, জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে হবে (Bangladesh Election 2026)।”

    ভারতের প্রতিক্রিয়া

    এদিকে, ভারতের ক্ষেত্রে, ঢাকার পক্ষ থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও হস্তক্ষেপের ধারণা এড়াতে ভারত কোনও সরকারি পর্যবেক্ষক পাঠায়নি। সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সরকারি মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। তবে (Sheikh Hasina) আমরা বাংলাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক পাঠাইনি (Bangladesh Election 2026)।”

     

  • Bangladesh Election 2026: “আজ এক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন”, নির্বাচন প্রসঙ্গে বললেন ইউনূস

    Bangladesh Election 2026: “আজ এক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন”, নির্বাচন প্রসঙ্গে বললেন ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ এক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন। আমরা সারাদিন এই জন্মদিন উদ্‌যাপন করব।” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশ উঠে দাঁড়ানোর পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর, দেশটি আজ, বৃহস্পতিবার আবারও তার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ইউনূস ঢাকার গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেন। এর পরেই তিনি বলেন, “এটি একটি মহা আনন্দের দিন।”

    গণঅভ্যুত্থানের পর এটি প্রথম নির্বাচন (Bangladesh Election 2026)

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর এটি প্রথম নির্বাচন, যা দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসন কালের অবসান ঘটায়। সমালোচকদের মতে, তাঁর শাসন ছিল কঠোর ও কর্তৃত্ববাদী। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি আবর্তিত হয়েছে তাঁর নেতৃত্বেই। তরুণদের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে। তার পরেই দেশান্তরিত হন হাসিনা। ইউনূস বলেন, “আজকের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ অতীতকে প্রত্যাখ্যান করেছে। অতীতে যত দুঃস্বপ্ন ছিল, আমরা তা সম্পূর্ণভাবে পরিত্যাগ করেছি। আজ থেকে প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ পেয়েছি।” বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলে বিকেল পর্যন্ত। অন্তর্বর্তী প্রশাসন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে ভোট হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ। ইউনূস নাগরিকদের তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটেও অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

    মহা আনন্দের দিন

    তিনি বলেন, “সমগ্র বাংলাদেশ বদলে যাবে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি আমার জন্য এক মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্যই এটি আনন্দের দিন। এটি মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান এবং নতুন স্বপ্নের সূচনা। আজকের এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য সেটিই।” দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি মূলত দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির দ্বারা প্রভাবিত ছিল- শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামি লিগ এবং প্রয়াত খালেদা জিয়া ও বর্তমানে তাঁর ছেলে তারেক রহমানের বিএনপি। এদিনের নির্বাচনে আওয়ামি লিগকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।বিএনপি ৩০০টির মধ্যে ২৯২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি আসনগুলি ছোট সহযোগী দলগুলির সঙ্গে ভাগ করেছে। এই দলের নেতা খালেদা পুত্র তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অন্যতম প্রধান দাবিদার।

    জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট

    বিএনপির মুখোমুখি হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নিষিদ্ধ থাকা এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন নীতির জন্য দীর্ঘদিন বিতর্কিত এই দলটি গত বছরের অস্থিরতার পর শক্তি অর্জন করেছে। তারা ২২৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। আর তাদের সহযোগী দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি, যা গণঅভ্যুত্থানে জড়িত তরুণ কর্মীদের দ্বারা গঠিত, লড়ছে ৩০টি আসনে। এই জোট জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দলের প্রধান শফিকুর রহমানের। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। ওই যুদ্ধে অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারান। বর্তমান পরিস্থিতিতেও সেই সংগ্রামের প্রতিধ্বনি শোনা যায়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনার নির্দেশে পরিচালিত সরকারি দমনপীড়নে ১,৪০০ জন নিহত হন। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে অনুপস্থিত অবস্থায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

     

  • Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগের রাতে বুধবার বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলভীবাজার জেলায় ২৮ বছর বয়সি এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়ছে। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজকে টার্গেট করেছে কট্টরমৌলবাদীরা। লাগাতর হিন্দুদের হত্যা, ধর্ষণ, বাড়িতে আগুন দিয়ে দেশে ভয়ভীতির বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছে। জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগে এই হত্যা প্রমাণ করে মহম্মদ ইউনূসের (Hindu Murder) রাজত্বে আইন শৃঙ্খলা কতটা ভেঙে পড়েছে। ভোটের পরে কী পরিস্থিতি দাঁড়ায় তাই এখন দেখার।

    হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত হিন্দু ব্যক্তির নাম রতন সাহুকার, তিনি চম্পা এলাকার একজন চা বাগানের (Bangladesh) শ্রমিক ছিলেন। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে একাধিক গভীর আঘাত ছিল এবং মৃতদেহ উদ্ধারের সময়ও ক্ষত থেকে রক্ত ​​ঝরছিল বলে জানা গেছে। সাহুয়াকারের সহকর্মীরা খুনের অভিযোগ তুলেছেন এবং ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর চলমান অস্থিরতা এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হামলার ধারাবাহিকতার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড সর্বশেষ। এই সপ্তাহের শুরুতে, আরেকটি পৃথক ঘটনায় আরও একজন হিন্দু ব্যক্তি নিহত হন। সোমবার রাতে, ময়মনসিংহে ৬২ বছর বয়সি চাল ব্যবসায়ী সুসেন চন্দ্র সরকারকে রাত ১১টার দিকে তাঁর দোকানের ভেতরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে লুট করা হয়েছে দোকানের টাকা।

    এখনও পর্যন্ত ৬১টি হত্যাকাণ্ড

    কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশে (Bangladesh) গণতান্ত্রিক শাসনকে প্রত্যাবর্তনের জন্য যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তার আগে লাগাতার হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাগুলি চূড়ান্ত মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠনগুলি।

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুরা সংখ্যালঘু, যাদের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ। দেশের মোট ১৭ কোটি জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ হিন্দু। মুসলিমরা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯১ শতাংশ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বলেছে, ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে সাম্প্রদায়িক হিংসার ২,০০০ এরও বেশি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে ৬১টি হত্যাকাণ্ড (Hindu Murder), নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ২৮টি ধর্ষণ ও গণধর্ষণ সহ এবং ভাঙচুর, লুটপাট এবং মন্দিরে অগ্নিসংযোগ মতো ৯৫টি আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে চরম অবহেলা করার অভিযোগও করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ।

  • Bangladesh Elections 2026: সাধারণ নির্বাচন চলছে বাংলাদেশে, কড়া নিরাপত্তার বলয়

    Bangladesh Elections 2026: সাধারণ নির্বাচন চলছে বাংলাদেশে, কড়া নিরাপত্তার বলয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশান্তরিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভোটের ময়দানে নেই তাঁর দল আওয়ামি লিগও। এহেন আবহে আজ, বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Elections 2026)। শেখ হাসিনার অপসারণের পর এই প্রথম নির্বাচন হচ্ছে বাংলাদেশে। দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই ভোট গণনা শুরু হওয়ার কথা। একজন প্রার্থীর অকাল মৃত্যুর কারণে একটি আসনে ভোটগ্রহণ বাতিল করা হয়েছে।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন (Bangladesh Elections 2026)

    ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন একই সঙ্গে একটি জটিল ৮৪ দফা সংস্কার প্রস্তাবের ওপর গণভোটের সঙ্গেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ১০ লাখ নিরাপত্তা কর্মী। এটি বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে সর্বোচ্চ বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। যেহেতু লড়াইয়ের ময়দানে নেই আওয়ামি লিগ, তাই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে বিএনপি এবং তাদের প্রাক্তন মিত্র জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে (Bangladesh Elections 2026)। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার গত বছর আওয়ামি লিগকে বিলুপ্ত করে এবং তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

    লড়াইয়ের ময়দানে যারা

    মোট ৫০টি রাজনৈতিক দলের ১,৭৫৫ জন প্রার্থী এবং ২৭৩ জন নির্দল প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি সর্বোচ্চ ২৯১ জন প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। প্রার্থীদের মধ্যে ৮৩ জন মহিলা। নির্বাচিত সরকারের কাছে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইউনূস রাজনৈতিক দল, প্রার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে ভোটের দিন সংযম, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। ভোটের আগের দিন জাতির উদ্দেশে টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসিরউদ্দিন ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি রাজনৈতিক দল, প্রার্থী এবং ভোটারদের শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার অনুরোধও করেন (Bangladesh Elections 2026)।

    রয়েছেন ৪৫টি দেশ ও সংস্থার পর্যবেক্ষকরা

    তিনি জানান, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি-সহ ৪৫টি দেশ ও সংস্থার পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাসুদ জানান যে নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৯ লক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাঁজোয়া যান এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা সংবেদনশীল ভোটকেন্দ্রগুলির একটি তালিকা নির্বাচন কমিশনকে দিয়েছে। তালিকা অনুযায়ী ঢাকার ২,১৩১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১,৬১৪টি সংবেদনশীল। তবে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ঢাকা শহরে দুটি কেন্দ্রকে “ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। নির্বাচনী নিরাপত্তায় প্রথমবারের মতো ড্রোন এবং শরীরে ধারণযোগ্য ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১২ কোটি ৭০ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রথমবারের ভোটার প্রায় ৩.৫৮ শতাংশ। এই প্রথমবারের মতো নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশিও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন (Bangladesh Elections 2026)।

     

  • Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের (Pakistan)! শেষমেশ ধরে ফেলল আমেরিকার (US) ‘চাল’। এবং পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে তা স্বীকারও করে নিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন আমাদের কৌশলগত স্বার্থে ইসলামাবাদকে ব্যবহার করেছে এবং পরে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।”

    কী বললেন আসিফ? (Pakistan)

    পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসিফ বলেন, “১৯৯৯ সালের পর বিশেষ করে আফগানিস্তান ইস্যুতে আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার প্রচেষ্টা ছিল একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত, যার পরিণতি পাকিস্তান (Pakistan) আজও বহু দশক পর বহন করে চলেছে।” দীর্ঘদিনের সরকারি বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসিফ দাবি করেন, “আফগানিস্তান সংঘাতে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ ধর্মীয় দায়িত্ববোধ থেকে পরিচালিত হয়েছিল—এই বক্তব্য ঠিক নয়।” তিনি কবুল করেন, “জেহাদের ব্যানারে পাকিস্তানিদের সংগঠিত করে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল।” এই সিদ্ধান্তকে তিনি বিভ্রান্তিকর ও ধ্বংসাত্মক আখ্যা দেন।

    যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাও পুনর্গঠন

    আসিফ বলেন, “এমনকি এসব যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাকেও পুনর্গঠন করা হয়েছিল এবং সেই মতাদর্শগত পরিবর্তনের অনেকাংশ আজও রয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “আটের দশকে আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধ মূলত (Pakistan) আমেরিকার ভূরাজনৈতিক স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল, কোনও প্রকৃত ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার কারণে নয়।” তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতিতে ‘জেহাদ’ ঘোষণার কোনও যৌক্তিকতাও ছিল না। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে, পাকিস্তানের নিজস্ব নয় এমন সংঘাতে অংশগ্রহণ দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা ও সামাজিক ক্ষতির জন্ম দিয়েছে, যার প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব (US) হয়নি। আসিফ বলেন, “বিশেষ করে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ১৯৯৯-পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় ঘনিষ্ঠতা স্থাপনের মূল্য ছিল ভয়াবহ।” তিনি প্রয়াত সামরিক শাসক জিয়াউল হক ও পারভেজ মুশারফের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তাঁরা পাকিস্তানকে বহিরাগত যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছিলেন, যার ফল দেশকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করতে হয়েছে, এমনকি মিত্ররা সরে যাওয়ার পরেও।

    টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপ!

    এর পরেই আসিফ আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন, “পাকিস্তানকে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, প্রয়োজন ফুরোলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।” ২০০১ এর পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গে আশিফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ সমর্থন করতে পাকিস্তান (Pakistan) তালিবানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন সরে গেলেও, পাকিস্তান হিংসা, উগ্রবাদ ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে নিমজ্জিত অবস্থায় থেকে যায়।” তিনি বলেন, “আমরা যে ক্ষতির শিকার হয়েছি, তার কোনও ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়।” তিনি এসব সিদ্ধান্তকে অপরিবর্তনীয় ভুল হিসেবে (US) উল্লেখ করেন, যা পাকিস্তানকে অন্যদের পরিচালিত সংঘাতে একটি ‘ঘুঁটি’তে পরিণত করেছে (Pakistan)।

     

  • India US Trade Deal: চুপিসারে বাণিজ্য চুক্তির ফ্যাক্ট-শিটের ভাষায় বদল এনে সুর নরম আমেরিকার!

    India US Trade Deal: চুপিসারে বাণিজ্য চুক্তির ফ্যাক্ট-শিটের ভাষায় বদল এনে সুর নরম আমেরিকার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চুপিসারে বাণিজ্য চুক্তির ফ্যাক্ট-শিটের (Fact Sheet) ভাষায় বদল এনে সুর নরম করল আমেরিকা (India US Trade Deal)। হোয়াইট হাউস থেকে প্রকাশের একদিন পরেই গোপনে ভারত–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির ফ্যাক্টশিটের ভাষা ও কিছু শর্ত সংশোধন করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলির মধ্যে রয়েছে, ভারত “৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি মূল্যের মার্কিন পণ্য কিনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ” -এই বাক্যাংশটি পরিবর্তন করে করা হয়েছে “কিনতে ইচ্ছুক”, যা চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানকে নমনীয় করেছে।

    ফ্যাক্টশিটে ভাষা বদল (India US Trade Deal)

    ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক ও পরস্পর-লাভজনক বাণিজ্য চুক্তির একটি কাঠামো ঘোষণা করার কয়েকদিন পর, মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস চুক্তির মূল শর্তসমূহ উল্লেখ করে একটি ফ্যাক্টশিট প্রকাশ করে। ওই নথিতে বলা হয়েছিল, ভারত সব মার্কিন শিল্পপণ্যের ওপর শুল্ক বাতিল বা হ্রাস করবে এবং বিভিন্ন মার্কিন খাদ্য ও কৃষিপণ্যের ওপরও শুল্ক কমাবে। ফ্যাক্টশিটের প্রাথমিক সংস্করণে বলা ছিল: “ভারত আরও বেশি মার্কিন পণ্য কিনতে এবং জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, কৃষিপণ্য, কয়লা ও অন্যান্য পণ্য মিলিয়ে ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি কিনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তবে বর্তমানে হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটে থাকা সংস্করণে বলা হয়েছে, ভারত আরও বেশি মার্কিন পণ্য কিনতে “ইচ্ছুক”। এছাড়া পণ্যের তালিকা থেকে “কৃষিপণ্য” শব্দটিও বাদ দেওয়া হয়েছে।

    শিল্পপণ্যের ওপর শুল্ক বাতিল বা হ্রাস

    একইভাবে, আগের সংস্করণে বলা হয়েছিল: “ভারত সব মার্কিন শিল্পপণ্যের ওপর শুল্ক বাতিল বা হ্রাস করবে এবং শুকনো ডিস্টিলার্স গ্রেইনস, লাল জোয়ার, ট্রি নাটস, তাজা ও প্রক্রিয়াজাত ফল, কিছু ডালজাতীয় পণ্য, সয়াবিন তেল, ওয়াইন ও স্পিরিট-সহ বিভিন্ন মার্কিন খাদ্য ও কৃষিপণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে (India US Trade Deal)।” সংশোধিত সংস্করণে এই তালিকা থেকে “কিছু ডালজাতীয় পণ্যের” উল্লেখ বাদ দেওয়া হয়েছে (Fact Sheet)। আর একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে, আগের ফ্যাক্টশিটে বলা হয়েছিল, “ভারত তার ডিজিটাল সার্ভিসেস ট্যাক্স প্রত্যাহার করবে” এবং “বৈষম্যমূলক বা অতিরিক্ত বোঝাস্বরূপ চর্চা ও ডিজিটাল বাণিজ্যের অন্যান্য বাধা মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক ডিজিটাল বাণিজ্য বিধিমালা নিয়ে আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” কিন্তু নতুন ফ্যাক্টশিটে “ভারত ডিজিটাল সার্ভিসেস ট্যাক্স প্রত্যাহার করবে”—এই বক্তব্যটি আর নেই। সেখানে কেবল উল্লেখ রয়েছে যে, “ভারত একটি শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক ডিজিটাল বাণিজ্য বিধিমালা নিয়ে আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি

    গত সপ্তাহে ভারত ও আমেরিকা একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তির কাঠামো ঘোষণা করে, যার আওতায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে উভয় দেশ বিভিন্ন পণ্যের আমদানি শুল্ক কমাবে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থার অধীনে যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক বর্তমান ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামাবে। এর বিনিময়ে ভারত সব মার্কিন শিল্পপণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক বাতিল বা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে এবং শুকনো ডিস্টিলার্স গ্রেইনস, পশুখাদ্যের জন্য লাল জোয়ার, ট্রি নাটস, তাজা ও প্রক্রিয়াজাত ফল, সয়াবিন তেল, ওয়াইন ও স্পিরিট-সহ বিভিন্ন মার্কিন খাদ্য ও কৃষিপণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে (India US Trade Deal)। দুই পক্ষের জারি করা যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে ভারত ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের মার্কিন জ্বালানি পণ্য, বিমান ও বিমান যন্ত্রাংশ, মূল্যবান ধাতু, প্রযুক্তিপণ্য এবং কোকিং কয়লা কেনার পরিকল্পনা করছে (Fact Sheet)।

    চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছরের অগাস্টে রুশ তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর আরোপিত ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করেছেন। তিনি বলেন, “ভারত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে এবং নয়াদিল্লি মস্কো থেকে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে তেল আমদানি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি নাগাদ নয়াদিল্লি (Fact Sheet) ও ওয়াশিংটন চূড়ান্ত বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে (India US Trade Deal)।

     

  • Britain: ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোচ্ছে ব্রিটেন! নয়া প্রধানমন্ত্রী কে?

    Britain: ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোচ্ছে ব্রিটেন! নয়া প্রধানমন্ত্রী কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোতে পারে ব্রিটেন। লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ বিরোধ তীব্র হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। মন্ত্রিসভা একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন স্থগিত রাখার পর স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, যার ফলে তাঁর অবস্থান আরও দুর্বল হয়েছে।

    স্টারমারকে পদত্যাগ করতে বলা হয় (Britain)

    স্টারমারকে প্রথম পদত্যাগ করতে বলেন স্কটিশ লেবার নেতা আনাস সারওয়ার। ম্যান্ডারসন বিতর্ককে কেন্দ্র করে তিনি এই মন্তব্য করেন। একসময় স্টারমারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সমর্থক হিসেবে পরিচিত সারওয়ার বলেন, “দেশের স্বার্থে স্টারমারের সরে দাঁড়ানোই সবচেয়ে ভালো হবে।” তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একের পর এক গুরুতর ভুল করেছে এবং বিভিন্ন বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে নেতৃত্ব পরিবর্তন জরুরি। সারওয়ার জানান, যেখানে তিনি ভুল দেখবেন, সেখানেই তিনি মুখ খুলবেন। জানা গিয়েছে, প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে আগেই জানিয়েছিলেন। এরপরই ১০ ডাউনিং স্ট্রিটকে কার্যত ‘সংকটকালীন অবস্থায়’ রাখা হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবার পার্টির মন্ত্রীদের প্রকাশ্যে স্টারমারের পক্ষে অবস্থান নিতে বলা হয়, অন্যথায় তাঁদের মন্ত্রিসভার পদ হারানোর ঝুঁকির কথা জানানো হয়। এসব ঘটনা এমন এক সময় ঘটছে, যখন চিফ অব স্টাফ মরগান ম্যাকসুইনির পদত্যাগের পর তার রাজনৈতিক অভিঘাত এখনও ওয়েস্টমিনস্টারে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীর দাবি

    শুরুর দিকে কয়েকজন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে সমর্থন করতে অনিচ্ছুক ছিলেন। তবে সরকারের স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় এবং আর্থিক বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায়, ভিন্নমতাবলম্বী মন্ত্রীরা শেষ পর্যন্ত ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেন বলে জানা গিয়েছে। এর পরপরই সব মন্ত্রিসভার সদস্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে স্টারমারের প্রতি সমর্থন জানান। পরে সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, তিনি যেসব রাজনৈতিক লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন, তার প্রতিটিতেই বিজয়ী হয়েছেন। তবে এই আপাত ঐক্যের মধ্যেও সরকারের ভেতরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব ওয়েস স্ট্রিটিং ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে, যা স্টারমারের সঙ্কট আরও বাড়িয়েছে। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের অভিযোগ, স্ট্রিটিং আনাস সারওয়ারের সঙ্গে মিলে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করার চেষ্টা করছেন। স্ট্রিটিং এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘বিদ্বেষপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন এবং স্টারমারের পক্ষে দেওয়া নিজের প্রকাশ্য বক্তব্যের কথা তুলে ধরেছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলেও, রাজনৈতিক মহলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে ভবিষ্যতে নেতৃত্বের দৌড়ে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ওয়েস স্ট্রিটিং। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পিটার ম্যান্ডারসনের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ বার্তালাপ প্রকাশ করা ছিল একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। উল্লেখ্য যে, স্টারমারের পরিবর্তে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের আলোচনা শুরু হলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় স্ট্রিটিংয়ের নাম উঠে আসে।

     

LinkedIn
Share