Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh: এবার কাঠগড়ায় ইউনূস, অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ

    Bangladesh: এবার কাঠগড়ায় ইউনূস, অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) তদারকি সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের (Mohammad Yunus) বিরুদ্ধে উঠল ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ তুলেছেন। দিন কয়েক আগেই বিএনপি সুপ্রিমো তারিক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণ এশীয় দেশ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন তোপ দাগলেন ইউনূসকে। বাংলাদেশের এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শাহাবুদ্দিন দাবি করেন, ইউনূসের আমলে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল।

    সংবিধানের কোনও বিধানই মানেননি, তোপ রাষ্ট্রপতির (Bangladesh)

    তিনি ঢাকার রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে বলেন, “এই দেড় বছরে আমি কোনও আলোচনায় ছিলাম না, অথচ আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা স্থায়ীভাবে ধ্বংস করার এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির বহু চেষ্টা হয়েছে (Bangladesh)।” প্রেসিডেন্ট জানান, অন্তর্বর্তী সরকার চলাকালে প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস তাঁর সঙ্গে সংবিধানসম্মতভাবে যোগাযোগও করেননি। তিনি বলেন, “বিদেশ সফর কিংবা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে আমায় অবহিত করা হয়নি। অথচ, একে তিনি “সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা” হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রেসিডেন্ট বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা সংবিধানের কোনও বিধানই মানেননি। বিদেশ সফর শেষে তাঁর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিতভাবে সফরের ফল জানানোর কথা ছিল। তিনি ১৪ থেকে ১৫ বার বিদেশ গিয়েছেন, কিন্তু একবারও আমায় জানাননি। কখনও দেখা করতেও আসেননি (Mohammad Yunus)।”

    আমায় ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল

    শাহাবুদ্দিনের অভিযোগ, গত দেড় বছরে তাঁকে কার্যত ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল। তাঁর পরিকল্পিত দুটি বিদেশ সফরে বাধা দেয় ইউনূস প্রশাসন (Bangladesh)। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সঙ্গে সমন্বয় করেছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘কিছু অধ্যাদেশ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু এত বিপুল সংখ্যক অধ্যাদেশ জারির যৌক্তিকতা ছিল না।’ নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে সর্বশেষ চুক্তি সম্পাদন করেছিল, সে বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন কি না—এ প্রশ্নের উত্তরে প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না। এই ধরনের রাষ্ট্রীয় চুক্তি তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো উচিত ছিল (Bangladesh)। তিনি বলেন, “না, আমি কিছুই জানি না। এমন রাষ্ট্রীয় চুক্তির বিষয়ে আমায় জানানো উচিত ছিল (Mohammad Yunus)। ছোট হোক বা বড়—পূর্ববর্তী সরকারের প্রধানরা অবশ্যই রাষ্ট্রপতিকে জানাতেন। এটি একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। কিন্তু তিনি তা করেননি। মৌখিক বা লিখিতভাবে কিছুই জানাননি। তিনি আসেনওনি। অথচ তাঁর আসার কথা ছিল!”

    ‘আমার জায়গায় বসানোর ষড়যন্ত্র’

    শাহাবুদ্দিন বলেন, “এক পর্যায়ে অসাংবিধানিক উপায়ে একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে এনে আমার জায়গায় বসানোর ষড়যন্ত্রও হয়েছিল।” তবে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিচারপতি সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর বঙ্গভবনের বাইরে হওয়া বিক্ষোভকে “ভয়াবহ এক রাত” হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “জনতাকে সংঘবদ্ধ করা হয়েছিল এবং রাষ্ট্রপতির বাসভবনে লুটপাটের চেষ্টা হয়েছিল। পরে সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।” শাহাবুদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বিএনপি নেতৃত্ব আমায় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করেছে। তিন বাহিনীর প্রধানরা আমায় স্পষ্টভাবে বলেছেন, “আপনি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। আপনার পরাজয় মানে পুরো (Mohammad Yunus) সশস্ত্র বাহিনীর পরাজয়। আমরা যে কোনও মূল্যে তা প্রতিরোধ করব (Bangladesh)।”

     

  • Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে থাকা ভারতীয় (India) নাগরিকদের ইরান ছাড়তে বলেছে তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস (Middle East Tensions)। ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা হতে পারে — এমন উদ্বেগ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্রতর হচ্ছে। এই নতুন পরামর্শ এমন একটা পরিস্থিতিতে এসে পড়েছে যখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

    ভারতীয় দূতাবাসের নির্দেশ (Middle East Tensions)

    পরামর্শে বলা হচ্ছে, “ভারত সরকারের ৫ জানুয়ারি ২০২৬-এর দেওয়া পরামর্শের ধারাবাহিকতায় এবং ইরানের পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনায়, যারা বর্তমানে ইরানে আছেন — শিক্ষার্থী (student), তীর্থযাত্রী (pilgrim), ব্যবসায়ী (businessperson) এবং পর্যটক (tourist) — তাঁদের যে কোনও পরিবহণ (means of transport) ব্যবহার করে ইরান ছাড়তে বলা হয়েছে, যার মধ্যে কমার্সিয়াল ফ্লাইটও রয়েছে।” দূতাবাস আগের জানুয়ারি নির্দেশনাটিকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে এবং সব ভারতীয় নাগরিক ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তাঁরা যেন বিক্ষোভে অংশ না নেন কিংবা যেখানে বিক্ষোভ হচ্ছে সেই অঞ্চলের কাছাকাছি না যাওয়ার, দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যম থেকে আপডেট মনিটর করার অনুরোধও করা হয়েছে।

    মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে

    ভারতীয় নাগরিকদের এও বলা হয়েছে, তাঁরা যেন সব সময় তাঁদের ভ্রমণ ও ইমিগ্রেশন নথি, যেমন পাসপোর্ট এবং পরিচয়পত্র হাতের নাগালে রাখে, এবং প্রয়োজনে সহায়তার জন্য দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Middle East Tensions)। এটা এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইরান–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে। পারমাণবিক আলোচনা চলতে থাকলেও, পরিস্থিতির উন্নতি নিশ্চিত নয়। আলোচনা পরবর্তী রাউন্ড জেনেভায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এসব পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তেহরান এবং অন্যান্য শহরে ঠাঁই নিয়েছে, কখনও কখনও সরকারপন্থী সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়েছে। জানুয়ারির শুরুর দিকে আগের বিক্ষোভগুলি শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei) প্রশাসনের অধীনে কঠোরভাবে দমন করা হয়েছিল, যেটিতে (India) অনেক প্রতিবাদকারী নিহত ও আটক হন (Middle East Tensions)।

     

  • Bangladesh Army: বাংলাদেশ সেনায় বিরাট রদবদল! প্রধানমন্ত্রী হয়েই খোলনলচে পাল্টাচ্ছেন তারেক

    Bangladesh Army: বাংলাদেশ সেনায় বিরাট রদবদল! প্রধানমন্ত্রী হয়েই খোলনলচে পাল্টাচ্ছেন তারেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল (Bangladesh Army) ঘটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Bangladesh PM Tarique Rahman)। তিনি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকেরও দায়িত্বে রয়েছেন। ‌বাংলাদেশে এখন নতুন সরকার। ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি (BNP)। তারেক রহমান (Tarique Rahman) প্রধানমন্ত্রী হতেই শীর্ষ স্তর থেকে নীচু স্তর- বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সব জায়গাতেই বদল করেছেন। দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশনে কর্মরত এক সেনাকর্তারও বদলি করা হয়েছে। সেনার এই রদবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত কমান্ড থেকে গোয়েন্দা সংস্থা-সবেতেই প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কোন পদে কাকে আনলেন তারেক

    ঢাকা ট্রিবিউনের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনার নতুন চিফ অফ জেনারেল স্টাফ করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মইনুর রহমানকে। তিনি এতদিন আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডে ছিলেন। পাশাপাশি আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, লেফটেন্যান্ট জেনারেল এসএম কামরুল হাসানকে বিদেশ মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। কোনও দেশের রাষ্ট্রদূত করা হতে পারে তাঁকে। বাংলাদেশের সেনার নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার করা হয়েছে মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানকে। তিনি পদাতিক বাহিনীর ২৪ তম ডিভিশনে ছিলেন। মেজর জেনারেল জেএম ইমদাদুল ইসলাম পদাতিক বাহিনীর ৫৫তম ডিভিশনে ছিলেন। তাঁকে পাঠানো হয়েছে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে। মেজর জেনারেল ফিরদৌস হাসানকে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারের কমান্ড্যান্ট পদ থেকে পদাতিক বাহিনীর ২৪তম ডিভিশনের দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে। মেজর জেনারেল কাইসের রশিদ চৌধুরী এতদিন সেনা হেডকোয়ার্টারে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে ছিলেন। তাঁকে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (DGFI)-র ডিরেক্টর জেনারেল করা হয়েছে।

    পদোন্নতি ভারতীয় উপদেষ্টার

    পদোন্নতি হয়েছে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশনে কর্মরত এক সেনাকর্তারও। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনে কর্মরত ছিলেন। তাঁকে পদোন্নতি দিয়ে মেজর জেনারেল করা হয়েছে। বাংলাদেশের পদাতিক বাহিনীর ৫৫তম ডিভিশনের দায়িত্ব সামলাবেন তিনি। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Bangladesh Home Ministry) সালাউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ পদেও (changes in Bangladesh Police top ranks) কিছু মুখ বদল হবে। তবে কবে এই পরিবর্তন বাস্তবায়িত করা হবে সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে রাজি হননি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন আগামী ১২ মার্চ বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হবে। ‌ এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এর আগে হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের জমানায় একাধিকবার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘাত বেঁধেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের। এবার সেনা বাহিনীতে এই রদবদলে ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের সম্পর্কে কী প্রভাব পড়বে, তা-ই দেখার।

  • Violence: অশান্ত মেক্সিকোয় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপদে থাকার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    Violence: অশান্ত মেক্সিকোয় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপদে থাকার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে, অপ্রয়োজনীয় চলাফেরা কমাতে এবং ভিড় এড়িয়ে চলার অনুরোধ করেছে মেক্সিকোয় থাকা ভারতীয় দূতাবাস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত এক সামরিক অভিযানে মেক্সিকোর মাদক সম্রাট নেমেসিও ওসেগেরা, যিনি ‘এল মেনচো’ নামে পরিচিত, নিহত হওয়ার পর মেক্সিকোর একাধিক প্রদেশে হিংসা (Violence) ছড়িয়ে পড়েছে। তার প্রেক্ষিতেই এই সতর্কতা জারি করা হয়।

    এল মেনচোর মৃত্যু (Violence)

    এল মেনচোর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার (EL Manchos Death) সমর্থক সন্দেহভাজন কার্টেল সদস্য ও সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা সারা দেশে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। রবিবার তারা যানবাহন ও দোকানদানিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত বার্তায় ভারতীয় দূতাবাস জালিস্কো প্রদেশের (পুয়ের্তো ভালার্তা, চাপালা ও গুয়াদালাহারা এলাকা), তামাউলিপাস প্রদেশের (রেইনোসা ও অন্যান্য পৌর এলাকা), মিচোয়াকান, গুয়েরেরো এবং নুয়েভো লেওন প্রদেশে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা অভিযান, অপরাধমূলক তৎপরতা এবং সড়ক অবরোধের কারণে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দূতাবাস তাদের হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছে। আপডেটেড তথ্যের জন্য স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুসরণ করতে ও জরুরি পরিস্থিতিতে ৯১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বিশ্বের অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী এল মেনচো জালিস্কোতে মার্কিন সমর্থিত সামরিক অভিযানের সময় গুরুতর জখম হন এবং পরে মেক্সিকো সিটিতে বিমানে করে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার (Violence)। এল মেনচোর বিরুদ্ধে অভিযানটি চালানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বাড়তে থাকা চাপের প্রেক্ষাপটে, যেখানে মেক্সিকোকে মাদক পাচার দমনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছিল। ওয়াশিংটন সরাসরি হস্তক্ষেপের সম্ভাবনাও উত্থাপন করেছিল। ওসেগেরার অপরাধ সাম্রাজ্য—জালিস্কো নিউ জেনারেশন কার্টেল (সিজেএনজি)—গত এক দশকে মেক্সিকোর সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠিত অপরাধ চক্রে পরিণত হয়েছে এবং আমেরিকায় কোকেন, মেথঅ্যামফেটামিন ও ফেন্টানিলসহ অবৈধ মাদকের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে।

    একাধিক প্রদেশে আছড়ে পড়ে হিংসার ঢেউ

    এল মেনচোর মৃত্যুর পর একাধিক প্রদেশে আছড়ে পড়ে হিংসার ঢেউ। কার্টেল সদস্যরা নিরাপত্তা বাহিনী ও জনপরিকাঠামোর ওপর পাল্টা হামলা চালায়। সিজেএনজির এক সদস্য সংবাদমাধ্যমকে জানান, ওসেগুয়েরার হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে এই হিংসা চালানো হয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলি কার্টেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে এগিয়ে আসায় আরও রক্তপাতের আশঙ্কা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি বলেন, “নেতার মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে প্রথমে সরকারের বিরুদ্ধে ও অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে হামলা চালানো হয়। কিন্তু পরে কার্টেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষও শুরু হবে।” জালিস্কোতে বন্দুকধারীরা ন্যাশনাল গার্ডের একটি সামরিক পুলিশ ঘাঁটিতে হামলা চালায়। কর্তৃপক্ষ বাসিন্দা ও পর্যটকদের হোটেলের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেন। কিছু এলাকায় গণপরিবহণ বন্ধ করে দেওয়া হয় (EL Manchos Death)।

    মেক্সিকো–পুয়েবলা জাতীয় সড়ক

    অবরোধের জেরে কার্যত অচল হয়ে পড়ে মেক্সিকো–পুয়েবলা জাতীয় সড়ক। কোলিমা প্রদেশে সশস্ত্র কার্টেল সদস্যরা পিক-আপ ট্রাক নিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। গুয়ানাহুয়াতো—যা সিজেএনজির শক্ত ঘাঁটি—সেখানে ২৩টি পুরসভা এলাকায় ৫৫টি হিংসার ঘটনার খবর আসে। ১৮ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সন্ধ্যার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে খবর। জালিস্কোর রাজধানী গুয়াদালাহারায় জ্বলন্ত গাড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করা হয়। বাসিন্দারা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সতর্কবার্তা ছড়িয়ে বাড়িতে থাকার আহ্বান জানান। পুয়ের্তো ভালার্তার মতো পর্যটনকেন্দ্রে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশে পাক খেয়ে উড়ছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। আতঙ্কিত যাত্রীরা বিমানবন্দরে দৌড়ঝাঁপ করছেন (Violence)।

    হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ

    ট্রাকচালকদের জাতীয় সড়ক এড়িয়ে চলতে বা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ডিপোয় ফিরে যেতে বলা হয়। ট্রাকিং শিল্পের এক সংগঠন হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং চালকদের নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার অনুরোধ জানায় (EL Manchos Death)। জালিস্কোর গভর্নর পাবলো লেমুস নাভারো বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার আহ্বান জানান যতক্ষণ না শৃঙ্খলা ফিরছে। প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম এক্স হ্যান্ডেলে জানান, ‘ফেডারেল সরকার রাজ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় বজায় রাখছে (Violence)।’

     

  • US Military Strike Threat: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে, সংঘর্ষ

    US Military Strike Threat: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে, সংঘর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে (Iran)। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা পাল্টা গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছে (US Military Strike Threat)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং স্থগিত পারমাণবিক আলোচনা ঘিরে এই অস্থিরতা নতুন করে সামনে এসেছে। অর্থনৈতিক সংকট ও অতীতের বিক্ষোভ দমন অভিযানের ক্ষোভই এই আন্দোলনের মূল কারণ।

    সরকারবিরোধী স্লোগান (US Military Strike Threat)

    শনিবার ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান শোনা যায়। পরে শিক্ষার্থীরা পাল্টা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটে দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এটি ছিল সাম্প্রতিক ক্ষোভের প্রকাশ। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তেহরানের শীর্ষ টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিড়ের মধ্যে মারামারি শুরু হয় এবং মানুষ “বি শরাফ” (ফারসি ভাষায় যার অর্থ ‘লজ্জাজনক’) বলে চিৎকার করে। পার্সিয়ান ভাষার টিভি চ্যানেল ‘ইরান ইন্টারন্যাশনালে’ প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে বড় একটি জনতা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে। পরে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, ওই প্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষে কয়েকজন জখম হয়েছে বলে খবর।

    “খামেনেইর মৃত্যু হোক”

    বিক্ষোভকারীদের “খামেনেইর মৃত্যু হোক” এবং “কাজ শেষ করো” ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়। তারা প্রাক্তন শাহের প্রশংসা করে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিও জানায়। ফার্স প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একদল মানুষ ইরানের পতাকা নাড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছে এবং মুখোশ পরা আর একটি দলের মুখোমুখি অবস্থান করছে। স্যুট পরিহিত ব্যক্তিরা বিক্ষোভকারীদের আটকে রাখার চেষ্টা করছে (US Military Strike Threat)। ১৮ ফেব্রুয়ারিতেও এএফপি যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানিরা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। তারা সারা দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের সময় নিহতদের স্মরণে জড়ো হয়েছিল।

    উত্তেজনা চরমে

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বর্তমানে চরমে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সীমিত হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান- ওমানের মধ্যস্থতায় সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করলেও, ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ত্যাগ করতে হবে, এ বিষয়ে এখনও কোনও সমঝোতা হয়নি (Iran)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে।

    ইরানে বিক্ষোভ

    ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়, যখন অর্থনীতি ভেঙে পড়ার প্রতিবাদে দোকানদার ও ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামে। পরে আন্দোলন বিস্তৃত হয়ে ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার অবসান দাবি পর্যন্ত পৌঁছে যায়। খামেনেই নেতৃত্বাধীন সরকার কঠোর দমনপীড়নের মাধ্যমে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করে (US Military Strike Threat)। ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ ৩,০০০-এরও বেশি মৃত্যুর কথা স্বীকার করলেও দাবি করেছে, এই হিংসা “জঙ্গি কার্যকলাপ” এবং ইরানের শত্রুদের প্ররোচনায় ঘটেছে (Iran)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৭,০০০-এরও বেশি। ইরানি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের অর্থনৈতিক দাবির বৈধতা স্বীকার করলেও “চিরশত্রু” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঙ্গা উসকে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে (US Military Strike Threat)।

    ট্রাম্পের নির্দেশ

    ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম এশিয়ায় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড পাঠিয়েছে। পাশাপাশি আরও কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে গভর্নরদের সঙ্গে নৈশভোজে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তেহরান যদি চুক্তিতে না পৌঁছায়, তাহলে “খারাপ কিছু” ঘটবে। চুক্তির জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা দিয়েছেন। গত বছর ব্যর্থ পারমাণবিক কূটনীতি ও ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছিল (Iran)।

    ইরানের বক্তব্য

    ইরান জানিয়েছে, তারা শিগগিরই একটি খসড়া প্রস্তাব জমা দেবে। তবে ‘অ্যাক্সিওস’ এক প্রবীণ মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন এমন একটি চুক্তি বিবেচনা করতে প্রস্তুত, যেখানে “সীমিত, প্রতীকী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ” অনুমোদিত হতে পারে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র শূন্য মাত্রার সমৃদ্ধকরণের দাবি করেনি।” খামেনেই সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানে হামলা চালালে তা আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে (US Military Strike Threat)। তাহলে কি শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প ইরানে হামলা করবেন? তা হয়তো কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হবে (Iran)।

     

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন আমাদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে (Roundup Week) সংঘটিত এক প্রকার গণহত্যার মতো (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তারকে উপেক্ষা করেছে, যার নেপথ্যে কাজ করছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন ঘৃণার মুখোমুখি হচ্ছেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এই সপ্তাহে আমরা এমন ঘটনাগুলির একটি চিত্র তুলে ধরছি, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন।

    পশ্চিমবঙ্গের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার জামালদহ এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, দীর্ঘদিনের হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের পর ১৫ বছরের এক কিশোরী আত্মহত্যা করে। মৃতা শেফালি বর্মন, জামালদহের বাসিন্দা ও জামালদহ তুলসী দেবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। পরিবারের অভিযোগ, হুমায়ুন কবির মিঞা নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং সত্য প্রকাশ পাওয়ার পর বিচ্ছেদের জেরে শেফালিকে হুমকি দিতে থাকে (Hindus Under Attack)। দিল্লির পীরাগড়ি এলাকায় একটি পার্ক করা গাড়ির ভেতর তিন হিন্দুর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক স্বঘোষিত মুসলিম তান্ত্রিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে আরও পাঁচটি অনুরূপ মৃত্যুর সঙ্গে তার যোগ থাকতে পারে (Roundup Week)।

    কর্নাটকের ঘটনা

    কর্নাটকের শিবমোগা জেলার ভদ্রাবতীতে জোরপূর্বক খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরের অভিযোগ উঠেছে। বি বিনয় নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী প্রিয়াথা আর খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে তাঁকে ও তাঁদের দুই নাবালিকা কন্যাকে একই ধর্ম অনুসরণে চাপ দিচ্ছেন। পেপার টাউন থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত (Hindus Under Attack)। বিজয়পুরায় আর একটি ঘটনা সামনে আসে। নিশা চৌহান নামে এক তরুণী বাড়ি ছেড়ে ফিরে এসে পুলিশের সামনে জানান, তিনি তাঁর স্বামী মহম্মদ সেলিম সুতারের সঙ্গেই থাকবেন। গান্ধী চক থানার বাইরে তাঁর বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়ে মেয়েকে বাড়ি ফেরার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি। কর্নাটকের গদাগ জেলার মুন্দারগি তালুকের শিংগাতালুর গ্রামের ঐতিহাসিক শ্রী রামালিঙ্গেশ্বর মন্দিরে মহাশিবরাত্রির সকালে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় স্থানীয় ভক্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়ায় (Hindus Under Attack)।

    খবরে উত্তরপ্রদেশও

    উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় মহাশিবরাত্রির প্রাক্কালে কানওয়ার যাত্রার শিবিরের কাছে সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন জখম হন, যার মধ্যে এক পুলিশ কনস্টেবলও রয়েছেন। অভিযোগ, মুসলিম যুবকেরা পাথর নিক্ষেপ করে। ২৯ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে (Roundup Week)। কংগ্রেস মুখপাত্র লক্ষ্মী রামচন্দ্রন তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্টালিনের সনাতন ধর্ম সম্পর্কিত বিতর্কিত মন্তব্যকে সমর্থন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দেন।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে সে দেশে হিন্দুরা বিলুপ্ত হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় এমনই দাবি করা হয়েছে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মদ্রোহের অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর—এসবের মাধ্যমে হিন্দুদের দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। নোয়াখালির হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একাধিক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে হয় মানববন্ধন (Roundup Week)।

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন। পিটারবরো শহরের একমাত্র মন্দির ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে ভারত হিন্দু সমাজের অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে জায়গাটি একটি ইসলামিক সংস্থাকে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা। সম্প্রদায়ের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন (Hindus Under Attack)। হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশন ব্রাম্পটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন ও ন্যাশনাল পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে কানাডায় তোলাবাজি সংক্রান্ত একটি নিবন্ধে হিন্দু ধর্মীয় চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কহীন।

    লেখাটিতে বলা হয়েছে, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত ও কিছু ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতাদর্শ কাজ করে। ইসলামিক দেশগুলিতে প্রকাশ্য হিন্দুবিরোধী মনোভাবের পাশাপাশি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রেও সূক্ষ্ম বৈষম্য বিদ্যমান বলে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ (Roundup Week) তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Pakistan Afghanistan Clashes: আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাক বিমান হামলা! জখম শতাধিক শিশু-মহিলা

    Pakistan Afghanistan Clashes: আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাক বিমান হামলা! জখম শতাধিক শিশু-মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-আফগানিস্তান (Pakistan Afghanistan Clashes) সীমান্তবর্তী  এলাকায় হামলা চালাল পাক বিমান বাহিনী। তারা হামলা চালায় লোকালয়ে।  তার জেরে হতাহত হন বহু আফগান বেসামরিক লোক। যদিও ইসলামাবাদের দাবি, একাধিক আফগান তালিবান (Taliban) জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের একটি মসজিদে আত্মঘাতী হামলার জন্য তালিবান সরকারকে দায়ী করেছে পাক সেনা।

    নারী ও শিশু সহ বহু মানুষকে হত্যা (Pakistan Afghanistan Clashes)

    আফগান (Pakistan Afghanistan Clashes) সরকারের মতে, এই হামলায়  বহু মানুষ  নিহত ও আহত হয়েছেন। আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে বলেন, “গত রাতে, তারা নাঙ্গারহার এবং পাকটিকা প্রদেশে আমাদের বেসামরিক স্বদেশিদের ওপর বোমা হামলা চালিয়েছে, নারী ও শিশু সহ বহু মানুষকে হত্যা ও আহত করেছে।”

    পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত সপ্তাহে রমজান শুরু হওয়ার পর থেকে তিনটি হামলার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “পাকিস্তান সীমান্ত অঞ্চলে পাকিস্তানি তালিবান (Taliban) এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলির সাতটি সন্ত্রাসী শিবির এবং আস্তানা লক্ষ্য করে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নির্বাচনী অভিযান চালানো হয়েছে। পাকিস্তান ইসলামিক স্টেট গ্রুপের একটি সহযোগী সংগঠনকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে – যারা সম্প্রতি ইসলামাবাদের একটি মসজিদে হামলার দায় স্বীকার করেছে। যেখানে ৩১ জন নিহত এবং ১৬০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিল। ২০০৮ সালে ম্যারিয়ট হোটেলে বোমা হামলার পর এটি ছিল ইসলামাবাদে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাগুলির মধ্যে একটি।”

    সাতটি জঙ্গি শিবিরে হামলা

    পাকিস্তানি (Pakistan Afghanistan Clashes) সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, আফগান তালিবান সরকারকে জঙ্গি গোষ্ঠীর কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করার সত্ত্বেও, আফগান তালিবান সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি। পাকিস্তান সব সময় এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।  পাকিস্তান-আফগান সীমান্ত অঞ্চলে এফএকে এবং এর সহযোগী সংগঠন আইএসকেপি (ISKP)  সাতটি জঙ্গি শিবির এবং আস্তানাকে তথ্য-ভিত্তিক লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালিয়েছে।

    ২০২১ সালে তালিবানরা কাবুলের নিয়ন্ত্রণ ও সম্পূর্ণ দখলের পর থেকে আফগানিস্তান-পাকিস্তানের মধ্যে তিক্ততা বেড়েই চলছে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে মারাত্মক সীমান্ত সংঘর্ষের ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের তীব্র অবনতি হয়েছে। পাকিস্তান আফগানিস্তানের তালিবান (Taliban) সরকারকে জঙ্গিদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া, আফগান মাটি ব্যবহার করা সহ একাধিক অবৈধ অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ করেছে। তবে কাবুলের তালিবান সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

  • Bangladesh: ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে

    Bangladesh: ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশের (Bangladesh) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে লক্ষ করা যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে স্থগিত মৈত্রী বাস পরিষেবা, এবার আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা হয়ে আগরতলা ও কলকাতার (Agartala-Dhaka-Kolkata) মধ্যে পুনরায় চালু হতে চলেছে। এই পরিষেবা দুই দেশের মধ্যে যাত্রীদের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে। ২০২৪ সালে হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে একটি স্থায়ী, গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পটভূমিতে মৈত্রী বাস পরিষেবা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির লক্ষ্যে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

    মানুষে মানুষে যোগাযোগ ব্যাপকভাবে সহজ হবে (Bangladesh)

    ত্রিপুরা রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (টিআরটিসি) ভাইস চেয়ারম্যান সমর রায় বলেন, “দীর্ঘদিন পর, আগরতলা থেকে ঢাকা (Bangladesh) হয়ে কলকাতা পর্যন্ত মৈত্রী বাস (Agartala-Dhaka-Kolkata) পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে। আজ একটি সফল পরীক্ষামূলক পরিচালনা করা হয়েছে এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে পরিষেবাটি পুনরায় চালু হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “এই বাস পরিষেবা মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার এবং রবিবার আগরতলা থেকে কলকাতা যাবে। আর কলকাতা থেকে আগরতলা পরিষেবা সোমবার, বুধবার এবং শনিবার দিন চলবে। দীর্ঘ বিরতির পর এই পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ার ফলে দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণ এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ ব্যাপকভাবে সহজ হবে।”

    তারেক রহমানের স্থিতিশীল সরকার

    ভারত বিশেষ করে ত্রিপুরার সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের (Bangladesh) ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রতিকূল রাজনৈতিক আবহাওয়ার কারণে যাত্রী পরিবহন (Agartala-Dhaka-Kolkata) পরিষেবা সহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত বিনিময় ব্যাহত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনের পর, ভারতের সাথে আস্থা ও সহযোগিতা পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা চলছে।

    আগরতলার বাসিন্দারা আবারও ঢাকা হয়ে কলকাতায় সড়কপথে যাতায়াত করতে পারবেন। গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতার কারণে এই রুটটি বন্ধ ছিল। গত ৫ আগস্ট, ২০২৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের শাসনে এই পরিষেবাটি স্থগিত করা হয়েছিল।

    মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু করাকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধার এবং শক্তিশালী করার দিকে একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • US: ট্রাম্প-আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা মার্কিন শীর্ষ আদালতের, কী বলল ভারত?

    US: ট্রাম্প-আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা মার্কিন শীর্ষ আদালতের, কী বলল ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন (US) সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছে। এরপর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, এই রায়ের প্রভাব কী হতে পারে তা তারা খতিয়ে দেখছে। মন্ত্রক বলেছে, “আমরা গতকাল (শুক্রবার) শুল্ক সংক্রান্ত মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় লক্ষ্য করেছি। এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি সাংবাদিক সম্মেলনও করেছেন।” তারা আরও জানিয়েছে, “মার্কিন প্রশাসন কিছু পদক্ষেপের করার কথা ঘোষণা করেছে। এই সব পদক্ষেপের প্রভাব আমরা পর্যালোচনা করছি।”

    সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য (US)

    শুক্রবার, রক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ সুপ্রিম কোর্ট ছয়–তিন ভোটে রায় দেয় যে ১৯৭৭ সালের যে আইনের ভিত্তিতে ট্রাম্প পৃথক পৃথক দেশের ওপর হঠাৎ শুল্ক আরোপ করেছিলেন—যার ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছিল—সেই আইন প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের অনুমোদন দেয় না। ট্রাম্প এই রায় দেওয়া বিচারকদের মধ্যে দু’জনকে মনোনীত করেছিলেন। এদিনের ঘটনার পর তাঁর প্রতিক্রিয়া, আদালত বিদেশি স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমাদের দেশের জন্য সঠিক কাজ করার সাহস না দেখানোয় আদালতের কিছু সদস্যের জন্য আমি লজ্জিত—পুরোপুরি লজ্জিত।” ট্রাম্প আরও বলেন, “দেশকে রক্ষা করার জন্য একজন প্রেসিডেন্ট অতীতে আমার আরোপিত শুল্কের চেয়েও বেশি শুল্ক আরোপ করতে পারেন।” তিনি বলেন, এই রায় তাঁকে আরও শক্তিশালী করেছে (US)। ডালাসের ইকোনমিক ক্লাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, “বিকল্প পদ্ধতিতে ২০২৬ সালে শুল্ক আয়ে কার্যত কোনও পরিবর্তন হবে না (Supreme Court)।”

    নয়া শুল্ক আরোপ

    ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারার অধীনে নতুন শুল্ক আরোপ করেন। এই ধারা প্রেসিডেন্টকে আন্তর্জাতিক পরিশোধ-সংক্রান্ত মৌলিক সমস্যার মোকাবিলায় অতিরিক্ত শুল্ক ও বিশেষ আমদানি-নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা দেয়। ১২২ ধারা অনুযায়ী, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বড় ও গুরুতর পরিশোধ-ঘাটতি অর্থাৎ যখন আমদানি রফতানির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হয়—মোকাবিলার জন্য সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত অস্থায়ী শুল্ক সর্বোচ্চ ১৫০ দিনের জন্য আরোপ করতে পারেন। সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের বিস্তৃত শুল্কনীতির বিরুদ্ধে রায় দেওয়ার পর তিনি আমেরিকায় আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর নতুন বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ করেন। এর ফলে ভারতের ওপর শুল্কহার ১৮ শতাংশ থেকে কমে ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। নতুন শুল্ক নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করার পর ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানান, “এটি প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হবে (US)।”

    হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, নয়া শুল্ক ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫০ দিনের জন্য কার্যকর হবে। তবে পৃথক তদন্তাধীন খাত—যেমন ফার্মাসিউটিক্যাল—এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো–কানাডা চুক্তির আওতায় (Supreme Court) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী পণ্যের ক্ষেত্রে ছাড় বহাল থাকবে (US)।

     

  • PM Modi: ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে পার্শ্ববৈঠক ভারত-শ্রীলঙ্কার, বৈঠক হল মরিশাসের সঙ্গেও

    PM Modi: ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে পার্শ্ববৈঠক ভারত-শ্রীলঙ্কার, বৈঠক হল মরিশাসের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর পার্শ্ব বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা ডিসানায়াকার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় (AI Summit)। এই সময় দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং সহযোগিতা আরও গভীর করার অঙ্গীকার করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রেসিডেন্ট দিসানায়কের দ্বিতীয় ভারত সফর। এর আগে তিনি ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছিলেন।

    ভারত-শ্রীলঙ্কা পার্শ্ব বৈঠক (PM Modi)

    সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলির পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া অগ্রগতিও দুই নেতা পর্যালোচনা করেন, যার মধ্যে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদির শ্রীলঙ্কা সফর অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাঁরা ভৌত, ডিজিটাল এবং জ্বালানি সংযোগ বাড়াতে যৌথভাবে কাজ দ্রুততর করার বিষয়ে অভিন্ন সংকল্পের ওপর জোর দেন। উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা স্বীকার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সমন্বয় নিয়ে মতবিনিময়ও করেন। সাইক্লোন ‘দিতওয়া’র পর ভারতের দ্রুত ও নিঃশর্ত সাহায্যের জন্য প্রেসিডেন্ট দিসানায়ক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রথম প্রতিক্রিয়াকারী দেশ হিসেবে ভারত ‘অপারেশন সাগর বন্ধু’র অধীনে জরুরি ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করে। ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সাহায্য প্যাকেজের মাধ্যমে পুনর্গঠন প্রকল্পে যে সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে, তাও উল্লেখ করেন দুই নেতা রাষ্ট্রনেতা (PM Modi)।

    সভ্যতাগত বন্ধন

    শ্রীলঙ্কায় পবিত্র দেবনিমোরি ধাতুর সফল প্রদর্শনীকে স্বাগত জানিয়ে দুই নেতা বলেন, “দুই দেশের সভ্যতাগত বন্ধন ভারত-শ্রীলঙ্কা অংশীদারিত্বকে অনন্য শক্তি দেয়।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট ডিসানায়াকা শ্রীলঙ্কার মজবুত উন্নয়নের প্রয়োজন মেটাতে এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা জোরদার করতে যৌথভাবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হন।

    ভারত-মরিশাস বৈঠক

    এদিনই পার্শ্ব বৈঠকে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীন চন্দ্র রামগুলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এটি ছিল প্রধানমন্ত্রী রামগুলামের দ্বিতীয় ভারত সফর। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছিলেন তিনি। ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁদের সাম্প্রতিক টেলিফোনালাপের পর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুই নেতা ‘এনহ্যান্সড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে’র অধীনে অগ্রগতির পর্যালোচনা করেন এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল সহযোগিতা-সহ বহুমাত্রিক সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা করেন। উদীয়মান প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব স্বীকার করে তাঁরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদ্ভাবনভিত্তিক খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় করেন।

    মরিশাসের উন্নয়নে অগ্রাধিকার

    দুই রাষ্ট্রনেতাই মরিশাসের উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে সমর্থন করে ভারতের প্রদত্ত বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি উল্লেখ করেন, মরিশাস ভারতের উন্নয়ন অংশীদারিত্বের একটি আদর্শ উদাহরণ, যা পারস্পরিক আস্থা ও অগ্রগতির যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে (PM Modi)। দুই প্রধানমন্ত্রী ভারতের ‘ভিশন মহাসাগর’ এবং ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অধীনে ভারত–মরিশাস অংশীদারিত্বের স্থায়ী গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা জোর দেন যে এই অংশীদারিত্ব পারস্পরিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধি এবং গ্লোবাল সাউথের অভিন্ন অগ্রাধিকারের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে (AI Summit)। নেতারা ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি জোরদারে এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়েও একমত হন (PM Modi)।

     

LinkedIn
Share