Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Suvendu Adhikari: মৃতদের ‘জ্যান্ত’ করে ক্ষমতায় থাকতে চাইছে তৃণমূল! ‘হাতে গরম প্রমাণ’ দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মৃতদের ‘জ্যান্ত’ করে ক্ষমতায় থাকতে চাইছে তৃণমূল! ‘হাতে গরম প্রমাণ’ দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআরের (SIR) কথা ঘোষণা হতেই ফুঁসে উঠেছিল পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল। সৌজন্য তো বটেই, হেটো রাজনীতি করতে গিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করে (বিরোধীদের অভিযোগ) এসআইআরের প্রতিবাদে পথে নেমে পড়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় বিরোধীরা অভিযোগ করেছিলেন (Suvendu Adhikari), ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের বাঁচিয়ে রেখে দিব্যি গদি আঁকড়ে পড়ে রয়েছে তৃণমূল। এসআইআর হলে বাদ পড়বে এদের নাম। স্বাভাবিকভাবেই গদি খুইয়ে পথে বসতে হবে তৃণমূলেশ্বরীকে। রাজ্যের বিরোধী দল প্রথম থেকেই এই দাবিটাই করে আসছে।

    হাতে গরম প্রমাণ (Suvendu Adhikari)

    তাঁদের অভিযোগ, ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের কার্ড কাজে লাগিয়ে ভোটব্যাঙ্ক বাঁচাতে চাইছে তৃণমূল। তাই এই বিরোধিতা। বিরোধীদের এহেন দাবি যে নিছক গল্পগাছা নয়, তার ‘হাতে গরম প্রমাণ’ দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলির উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের একটি ছবিও দিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর দাবি, বিভিন্ন জায়গায় বিডিওদের দিয়ে অপকর্ম করানো হচ্ছে। প্রশাসনকে অপব্যবহার করে প্রভাবিত করা হচ্ছে এসআইআর প্রক্রিয়াকে। শুভেন্দুর দাবি, “কুলতলি, জয়নগর বিধানসভা-সহ বিভিন্ন জায়গায় বিএলওদের চাপ দেওয়া হচ্ছে, যাতে মৃত ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে।”

    কথোপকথনের নমুনা

    কুলতলির বিডিও যে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে রয়েছেন তার কথোপকথন নমুনা হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “মৃত ব্যক্তিদের নাম যাতে তালিকা থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নিধেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। যে ভোটাররা ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন, তাঁদের তথ্যও অপরিবর্তিত রাখার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে (SIR)।” বিধায়কের (Suvendu Adhikari) প্রশ্ন, “নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অমান্য করে প্রশাসন আদৌ কি এই রকম নির্দেশ দিতে পারে?” এই ইস্যুটি খতিয়ে দেখে নির্বাচন কমিশনকে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানিয়েছিলেন তিনি। নন্দীগ্রামের বিধায়কের পোস্টের পর এ বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।

    আইপ্যাককে নিয়ে প্রশ্ন

    সোমবারই সিইও অফিসে গিয়ে মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন শুভেন্দু। সিইও-র সঙ্গে বৈঠকের সময় আইপ্যাককে নিশানা করেছিলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “আইপ্যাকের সাহস হয় কীভাবে, ডেটা এন্ট্রিতে ঢুকছে?” এজন্য সিবিআই তদন্তও দাবি করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। আইপ্যাককে নিয়ে আগেও বোমা ফাটিয়েছিলেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ ছিল, তৃণমূল আইপ্যাকের সাহায্য নিয়ে ভোটার তালিকায় ভুয়ো এবং মৃত ভোটারদের নাম রাখছে (SIR)। তাঁর প্রশ্ন, “নির্বাচন কমিশন কি এই প্রশাসনিক অন্তর্ঘাত উপলব্ধি করতে পারছে না?”

    দলদাস প্রশাসনের কীর্তি

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, “দলদাস প্রশাসনের কীর্তি দেখুন। এই ভয়েস ক্লিপিং ফলতারই একজন বিএলওর যিনি পরিষ্কার অভিযোগ করেছেন, ফলতার বিডিও এবং এআরও গতকাল বিকেল তিনটের পর সব বিএলওদের ফোন করে নির্দেশ দেন, ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়া কোনও মৃত ব্যক্তির নাম কাটা যাবে না। অথচ পরিবারের লোক মৃতদের এনুমারেশন ফর্মে ডিক্লিয়ারেশন স্বাক্ষর করেছেন (Suvendu Adhikari)। বিএলওদের বলা হচ্ছে, ফর্মগুলি আপলোড না করে, অ্যানিম্যাপিং করে ছেড়ে দিতে, কেন যাতে পরে জোচ্চুরি করা যায়!” শুভেন্দু বলেন, “ফলতা নিয়ে অডিও ট্যুইট করেছি। তার পরে কুলতলিতে স্ক্রিনশট দিয়েছি। বলছে, ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়া মৃত ভোটারের নাম কাটা যাবে না। অথচ তাঁর বাড়ির লোক লিখে দিচ্ছেন ডেড। তবুও রাখতে হবে। এরা হাইকোর্ট, কাউকে মানে না। এদের কপালে অনেক দুঃখ আছে (SIR)।”

    অডিও ক্লিপ জমা দিয়েছিল সিপিএমও

    এদিকে, মৃত ভোটারদের নাম তালিকায় রেখে দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা করছে তৃণমূল। এমন মারাত্মক অভিযোগ করে নির্বাচন কমিশনে অডিও ক্লিপ জমা দিয়েছিল সিপিএমও (Suvendu Adhikari)। এর প্রায় ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এক্স হ্যান্ডেলে একটি অডিও ক্লিপ পোস্ট করে কার্যত একই অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, এই অডিও ক্লিপে একটি কণ্ঠস্বর এক বিএলওর। যিনি ফলতার বিডিও এবং এআরওর নামে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করছেন। সোমবার সিইওর দফতরে সিপিএমের তরফে যে অডিও ক্লিপ জমা দেওয়া হয়েছে, সেখানেও শোনা গিয়েছে, মৃতদের নাম ভোটার লিস্টে রেখে দিতে, ডেথ সার্টিফিকেট না দেওয়ার প্রসঙ্গ।

    এদিকে, নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, রাজ্যে ২ হাজার ২০৮টি পোলিং স্টেশনে ১০০ শতাংশ পূরণ করা এনুমারেশন ফর্ম ফেরত এসেছে। অর্থাৎ এই পোলিং স্টেশনগুলিতে না কোনও মৃত ভোটার আছে, না কোনও স্থানান্তরিত ভোটার। এমনটা কি আদৌ সম্ভব? এই পরিসংখ্যান নিয়ে হইচইয়ের মধ্যেই বারংবার প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ভোটার তালিকায় মৃতদের ‘জ্যান্ত’ করে রাখার মরিয়া (SIR) চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্যের শাসক দল (Suvendu Adhikari)?

  • Suvendu Adhikari: হিন্দু শরণার্থীদের ভোটার লিস্টে নাম না তোলার নির্দেশ মমতার, কল রেকর্ড ফাঁসে বিস্ফোরক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হিন্দু শরণার্থীদের ভোটার লিস্টে নাম না তোলার নির্দেশ মমতার, কল রেকর্ড ফাঁসে বিস্ফোরক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নাকি খুব স্পষ্ট ভাবে বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে আসা কোনও হিন্দুদের যেন ভোটার তালিকায় নাম না ওঠে। এবার এই ইস্যুতে তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনায় মতুয়া সম্প্রদায়ের মমতাবালা ঠাকুর সমর্থিত তৃণমূলের একটি মিছিলে মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছিলেন। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী বাংলাদেশি শরণার্থীদের এমন মন্তব্য যে করেছেন সেই রেকর্ড নাকি শুভেন্দু অধিকারীর কাছে আছে। ঠিক এমন দাবি তুলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু। তবে রাজ্যে এসআইআর আবহে বাংলাদেশি হিন্দু শরণার্থীদের সুরক্ষা নিয়ে ফের একবার রাজনৈতিক পারদ চরম শিখরে।

    হিন্দু বিরোধী মমতা (Suvendu Adhikari)

    মালদার ইংরেজ বাজারে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেছেন বাংলাদেশ থেকে ধর্মরক্ষার জন্য আসা হিন্দুদের নাম যেন না তোলা হয়। শুধু তাই নয় উত্তর ২৪ পরগনার ডিএম-কে কোট করে বলেছেন নাম যেন না তোলা হয় ভোটার লিস্টে। আমার কাছে রেকর্ডিং রয়েছে। আর এরপর থেকেই জেলাশাসক ভোট কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন। ধর্ম বাঁচানোর জন্য যারা এই দেশে এসেছেন তাদের নাম যাতে বাদ দেওয়া হয় তার জন্যই নির্দেশ দিয়েছেন। ইনিই আমাদের মুখ্যমন্ত্রী, উনি সম্পূর্ণ হিন্দু বিরোধী।”

    রাজধর্ম পালনের বদলে চলেছে তোষণ

    মালদায় এদিন বিজেপির সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভাষা, জাতের নামে বিভক্ত করা যাবে না। হিন্দু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কেউ কেউ বলেন ধর্ম যার যার উৎসব সবার। তবে পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম যার, রক্ষা করার দায়িত্বও তার। যদি আমরা ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র জাতের নামে বিভক্ত হয় তাহলে শত্রুরা সুযোগ নেবে। তাই হিন্দুদের নাম, জাত পাতের ভিত্তিতে আলাদা হওয়া যাবে না। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল খুব পরিকল্পনা করে আমাদের উপর আক্রমণ করছে। আমাদের লোকজন যেখানে সংখ্যা কম সেখানে আমাদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। যাদের রাজধর্ম পালনের কথা তাঁরা এখন তোষণের রাজনীতি করছে। আমরা অনেক নিরপেক্ষতার পোশাক গায়ে দিয়ে নিজেদের ক্ষতি করেছি। আমরা কাউকেই আঘাত করতে চাই না। আমরা সহাবস্থানে বিশ্বাস করি। আমরাই কেন আক্রান্ত হবো?”

  • Suvendu Attacks Mamata: ‘দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার পাঁচালি’! মুখ্যমন্ত্রীর ‘উন্নয়নের পাঁচালিকে’ কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Mamata: ‘দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার পাঁচালি’! মুখ্যমন্ত্রীর ‘উন্নয়নের পাঁচালিকে’ কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর পেরোলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ঠিক তার আগেই ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যে ১৪ বছরের উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশের পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, নতুন বছরের শুরুতে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের বিধায়কদের বিরুদ্ধে মানুষের আদালতে চার্জশিট পেশ করবে বিজেপি৷ মঙ্গলবার এদিন ৩৫ ফুট হনুমান মূর্তির উদ্বোধনে মালদায় আসেন শুভেন্দু ৷ মূর্তি উদ্বোধন কর্মসূচি সেরে সন্ধ্যায় তিনি পুরাতন মালদার একটি বিলাসবহুল হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলন করেন ৷ সেখানে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একের পর আক্রমণ শানান বিরোধী দলনেতা৷

    আয়ুষ্মান ভারত চালু করুন

    এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘‘প্রয়াত রতন টাটা যেটা বলে গেছেন, সেটাই সঠিক। যে ট্রিগার মাথায় রেখে আমাকে রাজ্য থেকে তাঁড়ানো হল। আমি খারাপ এম-এর কাছ থেকে ভাল এম-এর কাছে গেলাম। তখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। আর এই রাজ্য থেকে বিরোধী দলনেত্রী ছিলেন আপনি। ..আপনার সার্টিফিকেট প্রয়াত রতন টাটা দিয়ে গিয়েছেন। আপনাকে শিল্প নিয়ে আর কিছু করতে হবে না।..আবার আজকে বলেছেন দেউচা পাঁচামিতে ১ লক্ষ মানুষের কর্ম সংস্থান হবে! আপনি নির্বাচনে চালিয়ে যাচ্ছেন। ৪২ লক্ষ ছেলে মেয়েকে স্কিল ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। এরও তালিকা আমরা দেখতে চাই। আপনার আমলে, স্বাস্থ্য বাজেটে ছয় গুণ বৃদ্ধি হয়েছে। আপনি অবিলম্বে আয়ুষ্মান ভারত চালু করুন।’’

    স্বেচ্ছাচারিতার পাঁচালি

    শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘সীমাহীন স্বেচ্ছাচারিতার পাঁচালি মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ করেছেন। এবং আমরা বলি এটা জলাঞ্জলির পাঁচালি। পশ্চিমবঙ্গ, বাংলার গৌরব, সংষ্কৃতি, মায়ের সম্মান, কন্যার সুরক্ষা, আপনার হাতেই, জলাঞ্জলি হয়েছে। এর উত্তর অভয়ার বাবা-মা সঠিকভাবে দিতে পারবেন। তাই এই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভারতীয় জনতা পার্টি, যথা সময়ে রাজ্যস্তরে ব্যর্থতার শ্বেতপত্র প্রকাশ করা শুধু নয়, ২৯৪ টি বিধানসভা কেন্দ্রে, আপনি ১১, ১৬, ২১ এর বাজেটে, ডিপার্টমেন্টাল বাজেটে, কী কমিট করেছেন, আর কী করেছেন, আমরা জানুয়ারি মাসে প্রতিটা বিধানসভাতে, উপস্থিত হয়ে আপনার বিরুদ্ধে, আপনার নির্বাচিত এমএলএ-দের বিরুদ্ধে, চার্জশিট দাখিল করব।’’

    উন্নয়নের পাঁচালি-কে কটাক্ষ

    ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই, মঙ্গলবার নবান্নে তৃণমূল সরকারের সাড়ে ১৪ বছরের রিপোর্ট কার্ড তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দফতর ভিত্তিক কাজের খতিয়ানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’। একে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘আজ মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী আইপ্যাকের তৈরি করা চিত্রনাট্য, উন্নয়নের পাঁচালি প্রকাশ করেছেন ৷ আজ তৃণমূলের একটি প্রচার অভিযানের সূচনা হয়েছে ৷ এটা উন্নয়ন নয়, ঢপের পাঁচালি, হতশ্রী পাঁচালি, জলাঞ্জলির পাঁচালি ৷ এতে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে ১৫ জনের দল গঠন করা হয়েছে ৷ মিথ্যা প্রচার করার জন্য প্রতিটি দলকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে ৷ এরা প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গিয়ে মন্দির দর্শন করবে ৷ তারপর জনসভা, কমিউনিটি লাঞ্চ করে একজন দলীয় কর্মীর বাড়ি পরিদর্শন করবে ৷ সন্ধ্যায় স্ট্রিট কর্ণার করে এলইডি ভ্যানের মাধ্যমে পিসি’র প্রচার হবে ৷ সেই প্রচারের সঙ্গে বাস্তবের কোনও সম্পর্ক নেই ৷’’

    তৃণমূলের চাকরি চুরি

    নাম না-করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতার অভিযোগ, ‘‘তিনি বলেছেন, রাজ্যের জিএসডিপি হয়েছে ২০ লক্ষ ৩১ হাজার কোটি টাকা ৷ পুরোপুরি মিথ্যা ৷ দারিদ্র সীমার বাইরে আনা হয়েছে ১ কোটি ৭২ লক্ষ মানুষকে ৷ প্রধানমন্ত্রীর অন্ন সুরক্ষা যোজনার চাল আর গম যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলেই বোঝা যাবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের অবস্থা কী ৷ তিনি বলছেন, বেকারত্বের হার কমিয়েছেন ৪০ শতাংশ ৷ আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বলব, তিনি কাদের চাকরি দিয়েছেন, তাদের নাম, বাবার নাম আর ঠিকানা দিয়ে সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করুন ৷’’ শুভেন্দুর দাবি, ‘‘এই মুখ্যমন্ত্রী বামফ্রন্টের রেখে যাওয়া এক কোটি বেকারকে ২ কোটি ১৫ লক্ষ বেকারে পরিণত করেছেন ৷ এই মুখ্যমন্ত্রীর আমলে ২০১৫ সালে শেষ এসএসসি পরীক্ষা হয়েছিল ৷ ২০১৭ সালে শেষবার পিএসসি পরীক্ষা হয়েছিল ৷ দীর্ঘ ৮-৯ বছর ধরে কোনও পরীক্ষা হয়নি ৷ চাকরিও হয়নি ৷ বরং, চাকরি চুরি হয়েছে ৷’’

    বিরোধী দলনেতার প্রশ্ন

    মুখ্যমন্ত্রীকে বিরোধী দলনেতার প্রশ্ন, ‘‘রাজ্যের ৫১ টি কর্মবিনিয়োগ কেন্দ্র বন্ধ কেন? যুবশ্রীর কী হল? আপনি বলেছেন কৃষিক্ষেত্রে ৯.১৬ গুণ উন্নয়ন হয়েছে ৷ আপনাকে বলতে হবে সারের কালোবাজারি হয় কেন? রাজ্যে যত সরকারি জমি রয়েছে, আপনার লোকজন তার রেকর্ড পাল্টে দিয়েছে ৷ ভূমি দফতর আপনারই হাতে ৷ আমি বলছি, রাজ্যে একটাও কর্মসংস্থান হবে না ৷ তাজপুর বন্দর আর দেউচা পাঁচামি নিয়ে আপনি তিনটি নির্বাচনে ভাঙা টেপ রেকর্ড চালিয়ে যাচ্ছেন ৷ আসলে মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের পাঁচালি-কে দুর্নীতি, তোষণ আর সীমাহীন স্বেচ্ছাচারিতার পাঁচালি বলে অভিমত শুভেন্দুর।’’

     

     

     

     

  • SIR: আগামী ৭ দিনে কী কী করতে হবে, এসআইআর নিয়ে জেলাশাসকদের চিঠি রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের

    SIR: আগামী ৭ দিনে কী কী করতে হবে, এসআইআর নিয়ে জেলাশাসকদের চিঠি রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর নিয়ে জেলাশাসকদের চিঠি রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commission)। অতিরিক্ত সাত দিনে কী কী করতে হবে তা নিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকা। উল্লেখ্য এনুমারেশন ফর্ম (SIR) আপলোড করার সময়সীমাকে বৃদ্ধি করে ৪ ডিসেম্বর থেকে আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। তাই স্পষ্ট নির্দেশ অতরিক্ত সময়কে কাজে লাগিয়ে নিবিড় সংশোধনের কাজকে আরও নির্ভুল করতে হবে। কোনও বৈধ ভোটারদের নাম, ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় তথ্যে যেন ভুল না থাকে তা নিয়েও দেওয়া হয়েছে সতর্কবাণী।

    বিএলও এবং ইআরও-দের এক সপ্তাহ অতিরিক্ত সময় (SIR)

    রবিবার নির্বাচন কমিশন (Election Commission) বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, “এসআইআর-এর প্রক্রিয়া সাতদিন আরও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে এনুমারেশন ফর্ম নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করার কাজকে সম্পন্ন করতে হবে। বিএলও এবং ইআরও-রা এক সপ্তাহ সময় অতিরিক্ত পাবেন। তাই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নির্দেশ ওই সময়কে ভালো করে কাজে লাগিয়ে ভোটার তালিকাকে আরও শুদ্ধ এবং নির্ভুল করতে হবে। বিএলওদের কাছে থাকা সমস্ত এনুমারেশন ফর্ম ২ ডিসেম্বরের মধ্যে ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে। এনুমারেশন ফর্ম ২ তারিখের পরে কোনওভাবেই আর গ্রহণ করা হবে না। ১১ ডিসেম্বরের পর যদি কোনও ফর্ম বাড়ি থেকে জমা নেওয়া হয় তাহলে অ্যাপে সেগুলিকে অসংগ্রহযোগ্য হিসেবে দেখানো হবে।”

    অসাবধান হলে কড়া ব্যবস্থা

    রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission) আরও জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সময়ে পাওয়া সকল তথ্য পুরনায় ভালো করে মিলিয়ে দেখতে হবে। বিএলও-দের দেওয়া অ্যাপে প্রত্যেক আপলোড করা ফর্মের সঙ্গে মূল হার্ডকপিকে ভালো করে পরীক্ষা করে দেখতে হবে। যে ফর্মগুলি কোনও সংস্থা এবং ব্যক্তি করেছেন তা ভালো করে চেক করতে হবে। সমস্ত কাজের জন্য বিএলও-রাই দায়বদ্ধ থাকবেন। আর যদি কোনও কাজে অসাবধানতার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বয়স ভালো করে যাচাই

    কাদের কাদের ক্ষেত্রে পুনরায় যাচাই করতে হবে? এই বিষয়ে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, যেসব ভোটাররা নিজেদের দাবি করছে পরিবারের প্রধান তারা। তাদের ক্ষেত্রে ২০০২ সালের তালিকায় বয়স ৬০ হয়েছে কিনা তা ভালো করে যাচাই করে দেখতে হবে।

    যাদের ২০০২ সালে কেবলমাত্র বাবা মায়ের নাম রয়েছে, তাদের বয়স যদি ২০২৫ সালে ৫০ হয়, আবার ২০০২ সালে বয়স ২৫ বা বেশি হয়, তাহলে কেন তালিকায় নাম নেই, এই প্রশ্নও করতে হবে। ম্যাপ করা বাবা-মায়ের নাম যদি ২০২৫ সালের তালিকার সঙ্গে না মিলে তাহলে ভোটারের বাড়ি গিয়ে বা ফোন করে তথ্যের সঠিক বিষয়কে নিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। বাবা-মায়ের সঙ্গে যদি সন্তানের বয়স ৪৫ বছরের বেশি বা ১৮ বছরের কম হয় তাহলে সেগুলিকে ভালো করে যাচাই করতে হবে।

    পরিবারে গিয়ে ভালো করে তথ্য সংগ্রহ

    পরিবারের কেউ যদি এলাকায় উপস্থিত না থাকে তাহলে বিএলওকে ভোটারের বাড়িতে গিয়ে যাচাই করতে হবে। একই ভাবে ভালো করে নিশ্চয়তার সঙ্গে জানতে হবে অন্য রাজ্য বা জেলায় ভোটার হয়েছে কিনা। অ্যাপে ভুল এন্ট্রি হলে তাকে সংশোধন করতে হবে। সংশোধন করতে গেলে বিএলও-কে ইআরও এবং এইআরও-রা সহযোগিতা করবে। ২০২১ এবং ২০২৪ সালে যেসব বুথ গুলিকে স্পর্শ কাতর বলে উল্লেখ করা হয়েছে, সেখানে ফর্ম ভালো করে যাচাই করতে হবে। ৫০ শতাংশ ম্যাপিং যেখানে যেখানে হয়েছে সেখানে সেখানে তথ্য ভালো করে যাচাই করতে হবে। তালিকায় কোন রকম ভুল থাকবে না।

    মৃতদের নাম বাদ

    মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরও জানিয়েছে, জন্ম মৃত্যু তথ্য বা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে মৃত ব্যক্তির তথ্য নিতে হবে। মৃত হয়েছে এবং রেশন কার্ড বাতিল হয়েছে এমন ব্যক্তিদের তথ্য নিতে হবে। মৃত ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ করতেই হবে। তথ্য যাচাই করে ইআরওদের এই নাম বাতিলের কাজ করতে হবে। তাই খুব নিবিড় ভাবে ভালো করে তথ্য যাচাই করতে হবে। যদি এন্ট্রি ভুল হয় তাহলে তাকে ভালো করে কারেকশন করতে হবে। যে সব বুথে শূন্য থেকে ২০টি আনকালেক্টেবল ফর্ম রয়েছে বা বেশির ভাগ এনুমারেশন ফর্ম পূরণ হয়ে ফেরত এসেছে, এখানে বিএলও-রা ঠিকমতো এন্ট্রি করছেন কীভাবে তাও ভালো করে পরীক্ষা করতে হবে।

  • SIR in Bengal: এনুমারেশন ফর্মে ভুল এন্ট্রি সংশোধনের সুযোগ! বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের

    SIR in Bengal: এনুমারেশন ফর্মে ভুল এন্ট্রি সংশোধনের সুযোগ! বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিরোধীদের দাবি মেনেই বিএলও অ্যাপে আনা হল বড় বদল। সোমবারই বদল আনা হয় অ্যাপে। এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) সংগ্রহ করার পর বিএলও-রা অ্যাপের মাধ্যমে এন্ট্রি করে থাকেন। সেই অ্যাপে এবার এল ‘এডিট‘ অপশন। বিএলও-রা একবার নাম এন্ট্রি করে ফেললে সেটি আর বদলানোর কোনও উপায় ছিল না এতদিন পর্যন্ত। এবার নির্বাচন কমিশন এমন ব্যবস্থা চালু করল যে ইআরও-রা ওই অ্যাপে এডিট করতে পারবে। অর্থাৎ বিএলও-দের কোনও ভুল হলে ইআরও-রা তা পরিবর্তন করতে পারবে।

    ভুল এন্ট্রি হয়ে থাকলে সংশোধন

    কমিশন সূত্রে খবর, ভোটারদের তথ্য এন্ট্রি করার ক্ষেত্রে কোনও ভুল হয়ে থাকলে এ বার তা সংশোধন করা যাবে। সোমবারই এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করছে কমিশন (Election Commission)। জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর জন্য যে অতিরিক্ত সময় পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে এই ভ্রম সংশোধনের কাজ সেরে ফেলতে হবে। ভোটারদের তথ্য ডিজিটাইজ করার সময় ‘ভুল এন্ট্রি’ করা নিয়ে সম্প্রতি নানা জায়গা থেকে অভিযোগ উঠছিল। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কমিশনের কাছে বিএলও এবং ইআরও-দের বিরুদ্ধে ভুল এন্ট্রি করার অভিযোগ এনেছিলেন। কারও কারও দাবি, বিএলএ-দের চাপে পড়ে অনেক ক্ষেত্রে ভুল এন্ট্রি করতে বাধ্য হচ্ছিলেন বিএলও-রা। সেই আবহেই এই পদক্ষেপ করেছে কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর কাজ ইতিমধ্যে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। তার পরেও অতিরিক্ত সময় পাওয়া গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কোথাও কোনও ভুল এন্ট্রি হয়ে থাকলে তা সংশোধন করতে পারবেন বিএলও-রা।

    বিরোধী দলনেতার অভিযোগকে মান্যতা

    উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী সোমবার সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিযোগ জানিয়েছেন, বিএলও-দের চাপ দিয়ে ওটিপি নিয়ে আইপ্যাকের লোকেরা অবৈধভাবে নাম ঢুকিয়ে দিচ্ছে। সোমবার শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপির প্রতিনিধিরা সিইও দফতরে হাজির হন। একাধিক দাবি জানিয়ে এদিন ডেপুটেশন দিয়েছেন তাঁরা। তারপরই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত। পর্যবেক্ষক আসার পর বিএলও অ্যাপে এই আমুল পরিবর্তন করা হল বলে জানা যাচ্ছে। কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এমনিতেও ভুল এন্ট্রি থাকলে শুনানিপর্বে সব তথ্য যাচাই করা হবে। কিন্তু এখন জানানো হচ্ছে, ভুল এন্ট্রি আগে থেকেই সংশোধন করে ফেলতে হবে।

  • SIR in Bengal: মৃত ২১ লক্ষ, নিখোঁজ ৫ লক্ষ, ভুয়ো…! বাংলায় এখনও পর্যন্ত বাদের খাতায় ৪৩ লক্ষের বেশি ভোটার

    SIR in Bengal: মৃত ২১ লক্ষ, নিখোঁজ ৫ লক্ষ, ভুয়ো…! বাংলায় এখনও পর্যন্ত বাদের খাতায় ৪৩ লক্ষের বেশি ভোটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal) প্রক্রিয়ায় এখনও পর্যন্ত ৪৩ লক্ষ ৩০ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। কমিশনের (Election Commission) দেওয়া তথ্য় অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মোট চারটি ক্ষেত্রে ভাগ করে প্রাথমিক পরিসং‌খ্যান জানানো হয়েছে। আপাতত খসড়া তালিকায় থাকছেন না এই ভোটাররা। এনুমারেশন ফর্ম বিলি এবং সংগ্রহের মাধ্যমেই তৈরি হয়েছে এই ‘বাদের তালিকা’। যাতে রয়েছে মৃত, স্থানান্তরিত, নিখোঁজ এবং ভুয়ো ভোটার।

    কাদের নাম বাদ যাচ্ছে তালিকায়

    কমিশন জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২১ লক্ষ ৪৫ হাজার মৃত ভোটার চিহ্নিত হয়েছে। নিখোঁজ ভোটারের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৩ হাজার। স্থানান্তরিত ভোটারের সংখ্যা সোমবার পর্যন্ত ১৫ লক্ষ ১৩ হাজার। ৯৮ হাজার ৬০০ ভুয়ো ভোটার চিহ্নিত হয়েছে। কমিশন সূত্রে বলা হয়েছে, এর মধ্যে নিঁখোজ ভোটারের যে পরিসংখ্যান প্রাথমিক ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তার হেরফের হতে পারে। কারণ, নিখোঁজ হিসেবে যে ভোটারদের চিহ্নিত করা হয়েছে, তাঁদের কারও কারও খোঁজ মিললেও মিলতে পারে। কারণ, রবিবারই কমিশনের তরফে এসআইআর-এর সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ৪ ডিসেম্বরের বদলে ফর্ম বিলি ও সংগ্রেহর কাজ চলবে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। যদিও সংখ্যার অদলবদল হলেও, তা খুবই নগণ্য হবে বলেই মনে করছেন কমিশনের কর্তারা।

    কোন জেলায় কীরকম কাজ

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি মৃত ভোটার চিহ্নিত হয়েছে উত্তর কলকাতা লোকসভা এলাকায়। আর সংখ্যার দিক থেকে তা সর্বাধিক উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। ফলে কমিশনের খাতায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারেই বলেই প্রাথমিক অনুমান সিইও দফতরের আধিকারিকদের। কিন্তু নির্দিষ্ট সংখ্যা কত, তা স্পষ্ট হবে ১৬ ডিসেম্বর। ওই দিনই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। তাঁরা জানিয়েছে, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট ‘আনকালেক্টেড ফর্ম’ অর্থাৎ বিএলও-র কাছে ভোটারের তরফ থেকে জমা না পড়া এনুমারেশন ফর্মের পরিসংখ্যান ৭ শতাংশ। এছাড়াও একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে ফর্ম ডিজিটাইজডের কাজ। এখনও পর্যন্ত এই ডিজিটাইজডের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে বসিরহাট উত্তর। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সেখানে ডিজিটাইজড হয়েছে ৯৬.০৫ শতাংশ ফর্ম। আনকালেক্টেড ফর্মের নিরিখেও ‘সাফল্য‘ পেয়েছে এই বিধানসভা কেন্দ্র। মাত্র ৩.৩৭ শতাংশ ফর্ম এখনও ‘আনকালেক্টেড‘, যা গোটা রাজ্য়ের নিরিখে সবচেয়ে কম। আর সবচেয়ে বেশি ‘আনকালেক্টেড ফর্ম‘ রয়েছে ব্যারাকপুরে। মোট ১৫.৬২ শতাংশ।

  • Suvendu Adhikari: এক রাতে ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি! কমিশনের কাছে বড় অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: এক রাতে ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি! কমিশনের কাছে বড় অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরও সুরক্ষিত নয়, দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে (CEO Office) এসে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে বিজেপির প্রতিনিধি দলকে। এরমধ্যেই দফতরে ঢুকে সিইও মনোজ আগরওয়ালের (CEO Manoj Agarwal) সঙ্গে বৈঠক শুরু হয় শুভেন্দুদের। সেখানেই একাধিক দাবি তুলে ধরেন তিনি। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, “সময় নিয়ে এসেও এইভাবে বাধার সম্মুখীন হতে হল, এর থেকেই বোঝা যায় সিইও অফিস সুরক্ষিত নয়।”

    ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি!

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের ফর্ম জমা নেওয়ার কাজ প্রায় শেষের পথে। আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফর্ম জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরই মধ্যে গুরুতর অভিযোগ নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে হাজির হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একগুচ্ছ দাবি জানিয়ে এসেছেন তিনি। মূলত ২৬, ২৭ ও ২৮ নভেম্বরের এন্ট্রি নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ওই তিনদিনের প্রত্যেকটা এন্ট্রি পর্যবেক্ষকদের দিয়ে অডিট করাতে হবে। আধুনিক ব্যবস্থা ব্যবহার করে করতে হবে অডিট। রাতারাতি ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এতে এইআরও, ইআরও ও আইপ্যাক যুক্ত আছে বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু।

    সিইও দফতরে ডেপুটেশন

    শুভেন্দু বলেন, “এটা একটা স্ক্যাম।” বিরোধী দলনেতার দাবি, সারা দেশে এসডিও-দেরই ইআরও করা হয়। এ রাজ্যে ল্যান্ড অফিসারকেও ইআরও করা হল কেন? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শুভেন্দু বলেন, “এটা করতে পারেন না। এসডিও র‍্যাঙ্কের অফিসারকেই করতে হবে।” ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক এসআইআর-এর ডেটা এন্ট্রি করেছে বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। বিসিএস, আইএএস-দেরই শুধু ইআরও করতে হবে বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। তাঁর মতে, বহু বাংলাদেশি মুসলমান ও মৃতদের নাম ঢোকানো হয়েছে। শুভেন্দুর নেতৃত্বে এদিন সিইও দফতরে ডেপুটেশন দেন বিজেপি বিধায়করা।

    সিইও অফিস অন্যত্র স্থানান্তর

    বিধানসভার বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, “৫০০০ বিএলও বেনিয়ম করেছেন, এখনও করছেন। দু’মাস পরও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।” এদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (WB CEO) এবং এসআইআর-এর (SIR) কাজের জন্য দিল্লির নিয়োগ করা বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর (Subrata Gupta) সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিজেপির প্রতিনিধি দল। সেইসময়েই দফতরের বাইরে অবস্থান করা ‘বিএলও অধিকার রক্ষা’ কমিটির সদস্যরা তাঁদের দেখে চিৎকার করতে থাকেন। শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। শুরু হয় স্লোগান-পাল্টা স্লোগান। মনোজ আগরওয়ালের কাছে শুভেন্দু অধিকারী বলেন,“অবৈধভাবে সিইও অফিসে আসার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের বাধা দেওয়া হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা জেনেছি, সিইও অফিস অন্যত্র স্থানান্তরিত হচ্ছে, সেটা দ্রুত করতে হবে এবং সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।”

  • SSC Scam: বুধবারের মধ্যে ৭২৯৩ জন দাগির সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ বিচারপতি অমৃতা সিনহার

    SSC Scam: বুধবারের মধ্যে ৭২৯৩ জন দাগির সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ বিচারপতি অমৃতা সিনহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC Scam) শিক্ষক নিয়োগে এবার ৭২৯৩ জন দাগির সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে বললেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। কমিশনকে সাফ নির্দেশ, টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়া প্রার্থীর নাম, ঠিকানা সব কিছুকে প্রকাশ্যে আনতে হবে। উল্লেখ্য, অযোগ্যদের নামের তালিকা প্রকাশ করার বিষয়ে সুপ্রিমকোর্ট থেকে আগেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। একই দাবিতে যোগ্য প্রার্থীরা কমিশনের বিরুদ্ধে বারবার রাস্তায় নেমেছে। কিন্তু রাজ্য সরকার এবং এসএসসির ঘুম ভাঙেনি। ফলে এবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ ঠিক কবে কার্যকর হয় তাই এখন দেখার।

    দ্রুত তালিকা প্রকাশ করতে হবে (SSC Scam)

    কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) থেকে সুপ্রিমকোর্ট সর্বত্র বারবার দাগিদের তালিকা প্রকাশের কথা জানিয়ে একাধিকবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসএসসি তালিকা প্রকাশ করলেও তা পূর্ণাঙ্গ নয় বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে দাগিদের আর পরীক্ষায় বসতে দেওয়া যাবে না বলেও সাফ নির্দেশ ছিল উচ্চ আদালতের। কিন্তু পরীক্ষায় অযোগ্যদের বসার ব্যাপারে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। খোদ যোগ্য প্রার্থীরাই অযোগ্যদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন। হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলেন, “এসএসসি কমিশন (SSC Scam) দাগিদের নাম, অভিভাবকের নাম, রোল নম্বর সমস্ত কিছু দিয়ে বিস্তারিত ভাবে প্রকাশ করবে। এবার দ্রুত তালিকা প্রকাশ করতে হবে।” উল্লেখ্য গত ২৭ নভেম্বর এসএসসি ১ হাজার ৮০৬ জন দাগি নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক যাঁরা চাকরি করছিলেন তাঁদের যাবতীয় তথ্য সমেত নাম প্রকাশ করেছে।

    তালিকায় শিক্ষক-শিক্ষিকা, এবং অশিক্ষক কর্মীরা রয়েছেন

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এসএসসি (SSC Scam) গ্রুপ সি-গ্রুপ ডি-র ৩৫১২ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে ৭২৯৩ জনের অযোগ্য নাম জানিয়েছিল। এবার আগামী বুধবারের মধ্যে ৭২৯৩ জনের সম্পূর্ণ নাম প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এখন এসএসসিকে আউট অফ প্যানেল, র‍্যাঙ্ক জাম্প এবং ওএমআর মিস ম্যাচদের বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তবে নিয়োগ যাতে স্বচ্ছ হয় সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। এই তালিকায় শিক্ষক-শিক্ষিকা, এবং অশিক্ষক কর্মীরা রয়েছেন। এসএসসি ৩৫১২ জনের দাগি অশিক্ষ কর্মীদের তালিকা এবং দাগি ১ হাজার ৮০৬ জন নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক-শিক্ষকদের বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে তাঁরা সকলেই চাকরি করছিলেন।

    তৃণমূলের রাজত্বে সবচেয়ে বড়সড় দুর্নীতি হল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি। সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়েছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সদ্য জামিনে জেলের বাইরে এসেছেন। সমস্ত সাক্ষ্য, তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দুর্নীতি বিষয়ে তদন্ত করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যে চার্জশিট জমাও করেছে। এখন দোষীদের শাস্তি ঘোষণা কেবলমাত্র সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

  • Suvendu Adhikari: “ওএমআর শিটের কার্বন কপিতে নেই সিরিয়াল নম্বর”! পুলিশ-নিয়োগে দুর্নীতির পর্দাফাঁস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ওএমআর শিটের কার্বন কপিতে নেই সিরিয়াল নম্বর”! পুলিশ-নিয়োগে দুর্নীতির পর্দাফাঁস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির জেরে বাতিল হয়েছে ২০১৬ সালের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের চাকরি। ফের হয়েছে পরীক্ষা। আবারও হয়েছে মামলা। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের প্রকাশ্যে এল পুলিশে নিয়োগ পরীক্ষায় (Police Exams) দুর্নীতির অভিযোগ। রবিবারই হয়েছে এই পরীক্ষা। তার পরেই ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনই দাবি করেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, পরীক্ষার পর চাকরিপ্রার্থীদের দেওয়া হয়নি ওএমআর শিটের কার্বন কপি। ওই শিটে সিরিয়াল নম্বরও ছিল না বলে অভিযোগ। সাংবাদিক বৈঠকে পরীক্ষা কেন্দ্রের উল্লেখ করে এমন একটি ওএমআর শিটও দেখান নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু।

    কার্বন কপিতে সিরিয়াল নম্বর ছিল না (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “ওএমআর শিটের কার্বন কপিতে সিরিয়াল নম্বর ছিল না। ওই শিটের কার্বন কপি প্রার্থীদের দেওয়াও হয়নি। কার্বন কপি না দেওয়ায় বোর্ড যে কোনও ধরনের দুর্নীতি করতে পারবে। সিরিয়াল নম্বর নেই মানে যে কোনও সময় কার্বন কপি চেঞ্জ করে দেবে।” তাঁর প্রশ্ন, “কার্বন কপি বোর্ডের কাছে থাকবে কেন?” তিনি বলেন, “টাকার ভিত্তিতে যাঁদের নেওয়া হবে, তাঁদের ওএমআর চেঞ্জ করে দেবে।” রেলবোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “এই কারণে ওড়িশা সরকার পরীক্ষা করাচ্ছে, আর সেখানে পরীক্ষা দিতে গিয়ে চাকরি পাচ্ছে বাংলার ছেলেমেয়েরা।”

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “জাতীয় স্তরের সমস্ত পরীক্ষায়, পাবলিক সার্ভিস কমিশন (Police Exams) থেকে শুরু করে রেলের পরীক্ষায়, সবেতেই ওএমআরের কার্বন কপি দেওয়া হয়, সিরিয়াল মেনটেইন করা হয়। কার্বন কপির একটা কপি পরীক্ষার্থীদের হাতে থাকে।” এই নিয়োগ পরীক্ষায় কীভাবে দুর্নীতি হবে, তারও আভাস দেন শুভেন্দু। বলেন, “এসএসসির মতোই খাতা বদলাবে। তবে এবার হয়তো আর সাদা রাখবে না, ওএমআর শিটটাই বদলে দেবে। যাঁদের নিতে চায়, নির্বাচন আসছে বলে যাঁদের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছে, সেই লোকগুলোকে ডেকে ডেকে ফিলআপ করিয়ে দেবে। সেখান থেকে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান গৌতম সান্যালের কাছে পৌঁছে যাবে।”

    মামলা করার পরামর্শ

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) চাকরিপ্রার্থীদের জনস্বার্থ মামলা করার পরামর্শ দেন। আশ্বস্ত করে আইনি সাহায্যের জন্যও। তিনি বলেন, “এই সরকার যুবকদের স্বপ্ন ভাঙার কাজ করছে। প্রতারণার শিকার হওয়া যুবকরা চাইলে আন্দোলনের রাস্তায় হাঁটতে পারেন। চাইলে তাঁরা আইনি লড়াইতেও নামতে পারেন। এই বিষয়ে বিজেপির যুব মোর্চা তাঁদের পাশে থাকবে।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এই সরকার চাকরি দেওয়ার সরকার নয়। পরীক্ষায় চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “যেহেতু ওএমআর শিটে সিরিয়াল নম্বর দেওয়া হয়নি, কার্বন কপিও দেওয়া হয়নি, তার মান পরে চাকরি নিয়ে (Police Exams) নয়ছয় করা হবে। অন্য লোকদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হবে।” প্রসঙ্গত, রবিবারই শুভেন্দু বলেছিলেন, “ফর্ম বিক্রি করে টাকা তোলা হচ্ছে। পুলিশের পরীক্ষা হচ্ছে, একটাও চাকরি হবে না। সবাইকে পরীক্ষায় বসিয়ে রেখে গাজর ঝুলিয়ে দিল। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মৌখিক পরীক্ষা হবে। দ্বিতীয় সপ্তাহে ভোট ঘোষণা হয়ে যাবে। তাই আর নিয়োগ হবে না (Suvendu Adhikari)।”

  • Jadavpur University: মাওবাদী নেতা হিডমার স্মরণে শোকসভা! যাদবপুরে ফের ‘দেশ-বিরোধী’ কার্যকলাপ

    Jadavpur University: মাওবাদী নেতা হিডমার স্মরণে শোকসভা! যাদবপুরে ফের ‘দেশ-বিরোধী’ কার্যকলাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) আরবান নকশালদের ফের দৌরাত্ম্য। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত হয় কুখ্যাত মাওবাদী নেতা হিডমা। তার মাথার দাম ছিল ৫০ লক্ষ টাকা। ২৬টির বেশি নাশকতামূলক হামলার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত ছিল এই দুষ্কৃতি। একজন দুষ্কৃতীর কার্যত শহিদ দিবস পালন করল যাদবপুরের মাওবাদী সংগঠন আরএসএফ। বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজ্য প্রশাসন জেনে শুনেও চুপ! কীভাবে দেওয়া হল স্মরণ সভার অনুমতি? এতো নিজের দেশেই যেন দেশবিরোধী কার্যকলাপ! এমনটাই মনে করছেন কিছু ছাত্রছাত্রী।

    বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের দেশ বিরোধী মনোভাব (Jadavpur University)

    গত ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে মাওবাদী সমর্থক বিপ্লবী ছাত্র ফ্রন্টের (RSF) ৬ষ্ঠ রাজ্য সম্মেলন ছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) বিবেকানন্দ সভাগৃহে। এই সম্মলেন ছিল সম্পূর্ণ ভারত বিরোধী মনোভাবাপন্ন। সম্মেলন স্থল হিসেবে কলকাতার নামাঙ্কন করা হয় কোটেশ্বর রাও নগর এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নামাঙ্কিত করা হয় বাসবরাজু সভাগৃহ। আর স্বামী বিবেকানন্দ সভাগৃহের নামাঙ্কিত করা হয় হিডমা সভামঞ্চ। খুব স্পষ্ট এযেন ভারতের ভিতরে আরেক মাওবাদী রাজ্য। এখান থেকেই নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

    শোক প্রকাশ

    উল্লেখ্য, গত ১৮ নভেম্বর অন্ধ্রপ্রদেশের আল্লুরি সীতারামরাজু জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইতে খতম হয়েছে সিপিআই মাওবাদী কমান্ডার মাদভি হিডমা। আবার ওই বছরের মে মাসে ছত্তিশগড়ের বাস্তার অঞ্চলে এক এনকাউন্টারে নিহত হয় সিপিআই মাওবাদী সংগঠনের সম্পাদক নাম্বালা কেশবরাও ওরফে বাসভরাজু। ২০১১ সালে মাওবাদী নেতা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেণজি  জঙ্গলমহলের বুড়িশোল গ্রামে নিহত হয়েছে।  দেশের এক অংশে যখন সেনাবাহিনী নিজেদের জীবনকে বাজি রেখে দেশের শত্রু মাওবাদীদের দমন করছে, সেখানে অপর দিকে যাদবপুরের (Jadavpur University) মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশ্যে মাওবাদীদের সমর্থনে শোকসভা পালিত হচ্ছে।  তবে আরএসএফ (RSF) সংগঠনের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক তথাগত রায় চৌধুরী দাবি করেছেন, “নামকরণ প্রতীকী ছিল। দেশবিরোধী কার্যকলাপকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়নি।” তবে এদিনের সম্মেলনে কুখ্যাত মাওবাদীদের মৃত্যুতে ১ মিনিট করে বিশেষ শোক জ্ঞাপনও করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

    এই মৃত মাওবাদীদের প্রতি শোকে জ্ঞাপনের অনুষ্ঠান এবং অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন করলে উপাচার্য প্রফেসর চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য কোন ভাবেই মুখ খোলেননি। তবে সিপিএম পরিচালিত শিক্ষক সংগঠন জুটার শিক্ষক বলেন, “সব রকম নিয়ম মেনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এখন আলচানায় কি বিষয় উঠে আসবে তা জানার কথা নয়।” অপর দিকে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে প্রশ্ন করলে উত্তর দেন, এই স্মরণ সভা বিশ্ববিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীণ বিষয়, আমরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।

LinkedIn
Share