Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Visva Bharati: শান্তিনিকেতনে ছাত্র সংঘর্ষ! উত্তপ্ত বিশ্বভারতী চত্বর, মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী

    Visva Bharati: শান্তিনিকেতনে ছাত্র সংঘর্ষ! উত্তপ্ত বিশ্বভারতী চত্বর, মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য শান্তিনিকেতনে ছাত্র রাজনীতির উত্তাপে শোরগোল পড়েছে।  ২০১৯ সালের রূপান্তরকামীরদের জন্য আনা বিল সংশোধন করে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আইনে পরিণত করার দাবিতে সভা করে এসএফআই। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati) সংলগ্ন এলাকায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই এবং ডানপন্থী সংগঠন এবিভিপি-র কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে (Shantiniketan)।

    ঘটনার সূত্রপাত (Visva Bharati)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, দীর্ঘ কয়েকদিন ধরেই ক্যাম্পাসের (Visva Bharati) অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিষয় ও রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে দুই সংগঠনের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ছিল। এবার রূপান্তরকামী আইনকে কেন্দ্র করে সেই বিবাদ চরম আকার ধারণ করে। উভয় পক্ষের ছাত্ররা একে অপরের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক স্লোগান এবং আক্রমণের অভিযোগ এনেছে। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    সংঘর্ষের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিনিকেতন (Shantiniketan)  থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়। সংঘর্ষে দুই পক্ষেরই বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার (Visva Bharati) জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    এসএফআই-এর দাবি, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বহিরাগতদের নিয়ে এসে অতর্কিতে হামলা চালিয়েছে এবিভিপির সমর্থকরা। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলেও তাদের দাবি।  পাল্টা গেরুয়া শিবিরের দাবি, বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ক্যাম্পাসে (Visva Bharati) অসহিষ্ণুতার পরিবেশ তৈরি করছে এবং তাদের কর্মীদের ওপর বিনা প্ররোচনায় আক্রমণ করা হয়েছে। এবিভিপি-র এক কর্মী বলেন, “এসএফআই সব সময়ই দেশবিরোধী কার্যকলাপ করে থাকে। ভারত মাতার জয়-বন্দে-মাতরম শুনলে তো ওদের রক্ত গরম হয়ে যায়। সেই কারণে ওদের জ্বলন হয়। এরপর ওদের কয়েকজন এখানে চলে আসে। ধস্তাধস্তি করে। আমাদের গায়ে হাত দিয়েছে। আমরা প্রতিরোধ করি। পরে বাধ্য হয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ এসেছে।”

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পদক্ষেপ

    বিশ্বভারতী (Visva Bharati) কর্তৃপক্ষ এই অপ্রীতিকর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নতুন করে অশান্তি এড়াতে এলাকায় পুলিশি টহল জারি রাখা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এহেন বিশৃঙ্খলায় ক্ষুব্ধ আশ্রমিক ও সাধারণ অভিভাবক মহল।

  • SIR Supreme Court: ‘‘আপনাকে চিন্তা করতে হবে না’’, ট্রাইবুনাল নিয়ে রাজ্যের আপত্তি পত্রপাঠ খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    SIR Supreme Court: ‘‘আপনাকে চিন্তা করতে হবে না’’, ট্রাইবুনাল নিয়ে রাজ্যের আপত্তি পত্রপাঠ খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নথির সত্যতা যাচাই না-করে, কোনও নতুন নথি গ্রহণ করা হবে না। যে নথিগুলি আগে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকের সামনে পেশ করা হয়নি, সেই নতুন নথি ট্রাইবুনালকে না নেওয়ার পরামর্শ দিল শীর্ষ আদালত। এসআইআর (SIR Supreme Court) নিয়ে মামলায় রাজ্যের আপত্তিকে বিশেষ আমল দিল না সুপ্রিম কোর্ট। বুধবারের এই শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানাল, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির আশ্বাসে তারা সন্তুষ্ট। আদালতের মতে, ৭ এপ্রিলের মধ্যেই সমস্ত আপত্তির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এদিন বলেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পাঠানো চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে যে বিপুল সংখ্যক আবেদন ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। প্রায় ৪৭ লক্ষ মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে বলেও আদালতকে জানানো হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই শীর্ষ আদালত আপাতত সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

    ট্রাইবুনালকে নির্দেশ

    প্রধান বিচারপতি (সিজেআই) সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এসআইআর মামলার শুনানির সময়,কলকাতা হাইকোর্ট জানায়, বিচারাধীন থাকা ৬০ লক্ষ নামের মধ্যে, ৪৭ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে ইতিমধ্যেই। এদিনের শুনানিতে, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষ বিচারাধীন মামলার আবেদনকারীদের নিষ্পত্তি করছেন, তাঁরা ৭ই এপ্রিলের মধ্যে বিচারাধীন দাবিগুলি নিষ্পত্তি করবেন। শীর্ষ আদালতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধানবিচারপতি, বিচারকদের নেতৃত্বে ১৯টি আপিল ট্রাইবুনাল গঠনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে এবংট্রাইবুনালগুলির অধিবেশনের স্থান হিসেবে নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাইবুনালের জন্য কিছু নির্দেশও দেয় সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশ, অনলাইন ও অফলাইন – দুই ধরনের আপিল সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে প্রাক্তন বিচারপতিদের পূর্ণাঙ্গ ধারণা দিতে হবে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। পাশাপাশি, যে নথি আগে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের সামনে পেশ করা হয়নি, তা নতুন করে গ্রহণ করা যাবে না। কোনও নথি গ্রহণের আগে তার সত্যতা যথাযথভাবে যাচাই করতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রশিক্ষণ নিয়ে রাজ্যের আপত্তি খারিজ

    ২০ মার্চ কমিশন ‘অ্যাপেলেট ট্রাইবুনাল’ গঠন করেছে। এদিনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয়, জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রত্যেককে সাম্মানিক অর্থ, অন্যান্য খরচ কমিশনকে বহন করতে হবে। কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু তখন আদালতে বলেন, “এ বিষয়ে আমরা ইতিমধ্যে পদক্ষেপ করেছি।” একই সঙ্গে তিনি জানান, ট্রাইবুনালও দ্রুত কাজ শুরু করবে। সুপ্রিম কোর্টে কমিশনের আইনজীবী জানান, আজ প্রশিক্ষণ চলছে, বৃহস্পতিবার থেকে ট্রাইবুনালের কাজ শুরু হয়ে যাবে। তখন প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়েই আপত্তি তোলে রাজ্য। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন বলেন, “প্রাক্তন বিচারপতিদের কমিশন কেন প্রশিক্ষণ দেবে? প্রাক্তন বিচারপতিদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের হস্তক্ষেপ নিয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না।”

    কল্যাণকে ধমক শীর্ষ আদালতের

    প্রধান বিচারপতি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে বলেন, “এটা প্রশিক্ষণ নয়, এটা হচ্ছে কীভাবে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে বিবেচনা করতে হবে। যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা সকলে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। আমাকে হঠাৎ করে একটা নতুন ল্যাপটপ দিলে কী করে সেটা কাজ করে তা বুঝতে পারব না।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী কল্যাণকে ধমক দিয়ে বলেন, “যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁদের বিরাট অভিজ্ঞতা রয়েছে। কমিশনের আধিকারিকরা হস্তক্ষেপ করছে বলে আপনাকে উদ্বিগ্ন হতে হবে না।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী কমিশনকে নির্দেশ দেন, “কোনও ব্যক্তি যখন আবেদন করছেন, তখন তার সম্পর্কে যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন, তার কারণ উল্লেখ করে রিমার্কস দিতে হবে।” কমিশনের আইনজীবীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি জানতাম না যে সফটওয়্যারে এমন একটি কলাম আছে, যেখানে কারণ দর্শানোর সুযোগ আছে। প্রত্যেক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তার কারণ সেখানে উল্লেখ করা হোক।” কমিশনের আইনজীবী তখন বলেন, “আমরা অ্যাপিলেট বডির সামনে সমস্ত রেকর্ড রাখব।”

    ভোট দিতে না পারলে ভোটাধিকার চলে যাবে এমন নয়

    কথা প্রসঙ্গেই বিচারপতি বলেন, “কীসের ভিত্তিতে এই ভোট হচ্ছে তা আমরা দেখতে চাই। কোন ব্যক্তি যদি ভোট দিতে না পারেন, সেটা তার সাংবিধানিক অধিকারের বিষয়। কোন ব্যক্তির নাম বাদ যেতে পারে কিন্তু পরে অ্যাপেলেট তার নাম যুক্ত করতে পারে। একইভাবে কোন ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত থাকলেও পরে তার নাম বাদ যেতে পারে অ্যাপলেট এর মাধ্যমে। অর্থাৎ কোন ব্যক্তি এই নির্বাচনে ভোট দিতে না পারলে তার অর্থ এই নয় যে তার ভোটাধিকার চিরকালের জন্য চলে গেল।”

  • Form 6: ‘অনুমানের ভিত্তিতে বলবেন না’, এসআইআর মামলায় রাজ্যের দাবিকে গুরুত্ব দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    Form 6: ‘অনুমানের ভিত্তিতে বলবেন না’, এসআইআর মামলায় রাজ্যের দাবিকে গুরুত্ব দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। বুধবারের শুনানিতে ওঠে ফর্ম-৬ (Form 6) প্রসঙ্গ। রাজ্যের হয়ে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) সওয়াল করেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে তিনি বলেন,  “চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বের হয়েছে। বিবেচনাধীনদের নামের নিষ্পত্তি করার কাজ চলছে। এই অবস্থায় বান্ডিল বান্ডিল ফর্ম ৬ জমা পড়ছে। কোনও রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করছি না। কিন্তু এখন কেন?” কল্যাণের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “অনুমানের ভিত্তিতে বলবেন না।” কল্যাণ বলেন, “প্রায় ৩০ হাজার ফর্ম-৬ পূরণ করে জমা দিয়েছেন এক ব্যক্তি। এটা কী ভাবে হতে পারে?”

    কমিশনের বক্তব্য (Form 6)

    কল্যাণের প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, “প্রায় প্রতিবারই এই অভিযোগ ওঠে, এটা নতুন কিছু নয়। নির্দিষ্ট করে আপনি আপত্তি তুলতে পারেন।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “বিজ্ঞপ্তির পরে একটি নির্দিষ্ট দিন পর্যন্ত ভোটার তালিকা নিয়ে ভোট হয়। তার পরে কারও নাম ফর্ম-৬ দিয়ে উঠল মানেই তিনি ভোট দিতে পারবেন, এমন নয়।” নির্বাচন কমিশনের তরফে আদালতে বলা হয়, আইন মোতাবেক মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত ফর্ম-৬ জমা দেওয়া যায়। যে কেউ তা দিতে পারেন। কমিশনের আইনজীবী বলেন, “আইনে বলা আছে দেখুন ফর্ম-৬ জমা দেওয়া একটি চলে আসা পদ্ধতি। যে কেউ দিতে পারেন। কমিশন সব যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নেয়।” এর পরেই ফর্ম-৬ নিয়ে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করার পরামর্শ দেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। কমিশনের তরফে জানানো হয়, কারও আপত্তি থাকলে তিনি ফর্ম-৭ জমা দিতে পারেন (Supreme Court)।

    কমিশনের আইনজীবীর বক্তব্য

    কমিশনের আইনজীবী বলেন, “অনুচ্ছেদ ২০ দেখুন। সেখানে ফর্ম-৬ নিয়ে স্পষ্ট বলা রয়েছে। কারও কোনও আপত্তি থাকলে ফর্ম-৭ জমা দিতে পারেন। এই নির্বাচনে ভোট দিতে না পারলেও, কারও ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হবে না’ (Form 6)। ফর্ম-৬ জমা দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার প্রসঙ্গে বিচারপতি বাগচী বলেন, “কেউ যদি এখন তালিকায় থাকেন, কিন্তু পরে বাদ পড়েন, সে ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। মনে রাখতে হবে, কেউ যদি এই নির্বাচনে ভোট দিতে না পারেন, তার মানে এই নয় যে, তাঁর ভোটাধিকার চিরতরে কেড়ে নেওয়া হবে (Supreme Court)।” ফর্ম-৬ নিয়ে কমিশনের আইনজীবী বলেন, “আইনের অনুচ্ছেদ ২৩ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত নাম অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। আজ কেউ যদি ১৮ বছরে পা দেন, তাঁরও ভোটার তালিকায় নাম তোলার অধিকার রয়েছে। কারও আইনগত অধিকার থাকলে, তাকে কেউ বাধা দিতে পারে না।”

    কী বললেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি 

    এদিকে, এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির চিঠিতে আমরা সন্তুষ্ট। প্রায় ৪৭ লাখ নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে।” তিনি জানান, ট্রাইবুনালও দ্রুত কাজ শুরু করবে (Form 6)। ৬ এপ্রিল, সোমবার বিকেল ৪টেয় সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। প্রধান বিচারপতি প্রথমে বলেছিলেন, “আমাদের জানানো হয়েছে, ৭ এপ্রিলের মধ্যে সব আপত্তির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। তাই আমরা মামলাটি ৭ এপ্রিল বিকেল ৪টায় রাখছি।” এই সময় কমিশনের আইনজীবী বলেন, “আইন অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত যাঁরা ভোটার তালিকায় আসবেন, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। তাই বিবেচনাধীনদের নামের নিষ্পত্তি ৭ তারিখের পরিবর্তে ৬ তারিখ রাত ১২টার মধ্যে করা হোক (Supreme Court)। শুনানিও ৬ তারিখ রাখা হোক।” তার পরেই শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে চলতি মাসের ৬ তারিখে (Form 6)।

     

  • ED Raid Kolkata: বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর বাড়ি ও পণ্ডিতিয়ায় সান গ্রুপের দফতর সহ ৬ জায়গায় হানা ইডির

    ED Raid Kolkata: বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর বাড়ি ও পণ্ডিতিয়ায় সান গ্রুপের দফতর সহ ৬ জায়গায় হানা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের মুখে শহরে ফের সক্রিয় হয়ে উঠল ইডি (ED)। বুধবার সাত সকালে শহর কলকাতার মোট ছয়টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। মূলত আর্থিক অনিয়ম এবং বেআইনি অর্থ লেনদেনের উৎস খুঁজতেই এই বিশাল অভিযান বলে খবর। এখন, ইডির নজরে কসবা, বালিগঞ্জের ত্রাস সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। বুধবার সকাল থেকে সোনা পাপ্পুর বালিগঞ্জের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ইডি (ED Raid Kolkata) সূত্রে খবর, সোনা পাপ্পু বাড়িতে নেই, তাঁর খোঁজ চলছে।

    কেন ইডির নজরে সোনা পাপ্পু

    বুধবার ভোরবেলা কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে বালিগঞ্জ এলাকার ফার্ন রোডে বিশ্বজিতের বাড়িতে পৌঁছান ইডির আধিকারিকরা। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বিশ্বজিতের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জমা পড়েছে। একাধিক এফআইআর-এ তার বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। বালিগঞ্জ ও দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় সিন্ডিকেট রাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। গোয়েন্দাদের অনুমান, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আদায় করা কোটি কোটি টাকা এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার কাছে পৌঁছে দেওয়া হত। ভোটের আগে সেই টাকার সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করেছে ইডি (ED Raid Kolkata)।

    সোনা পাপ্পুর সঙ্গে তৃণমূল নেতাদের যোগ

    গত ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধেয় অশান্ত হয়ে উঠেছিল গোলপার্কের কাছে কাঁকুলিয়া রোড। বোমা-গুলি-ভাঙচুর থেকে বেলাগাম তাণ্ডব, বাদ যায়নি কিছুই। ওই ঘটনার পর ফেসবুক লাইভ করলেও, অন্যতম মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুকে এখনও ছুঁতে পারেনি পুলিশ। কাঁকুলিয়ার ঘটনার পর, তাঁর সঙ্গে রাসবিহারীর তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমার এবং তৃণমূল কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছবি সামনে এসেছিল। এখনও পুলিশের খাতায় ফেরার, সোনা পাপ্পুর নামে সম্প্রতি ইফতারের আমন্ত্রণপত্র বিলি হয়। ইফতার ও ইদ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য সোনা পাপ্পুর নামে কার্ড বিলি করা হয় হেভিওয়েটদের। সেখানে প্রধান অতিথির তালিকায় ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, মালা রায় থেকে জাভেদ খান সহ অনেকে। কাঁকুলিয়ায় বোমাবাজি-তাণ্ডবের ২ মাস পরেও অধরা মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, হেভিওয়েটদের সঙ্গে দহরম-মহরমের সুবাদেই কি পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে সোনা পাপ্পু?

    শাসকদলের হাতিয়ার সোনা পাপ্পু

    স্থানীয়দের অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার ৬৭ নম্বর ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে যাবতীয় নিয়ন্ত্রণের কাজ করে সোনা পাপ্পু। বাসিন্দাদের অভিযোগ আরও গুরুতর—বিগত পুরভোট হোক বা অন্য কোনও নির্বাচন, বিরোধীদের ‘ঘরবন্দি’ করতে সোনা পাপ্পুই নাকি শাসকদলের পছন্দের হাতিয়ার। মাত্র মাসখানেক আগে, পুরসভার বিল্ডিং বিভাগে ৫০–৫৫টি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ জমা পড়ে। প্রতিটি অভিযোগেই উঠে এসেছে সোনা পাপ্পুর নাম। এর আগে ২০২২ সালে তার নাম কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের তালিকায় জুড়ে জেলবন্দি করেছিল কলকাতা পুলিশ। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই বেরিয়ে আসে এবং আবার শুরু হয় প্রভাব-প্রতিপত্তি।

    সান এন্টারপ্রাইজের অফিসে ইডি

    এদিকে, দক্ষিণ কলকাতার পণ্ডিতিয়া এলাকার অশ্বিনী দত্ত রোডে সকাল সকাল অভিযানে নামে ইডি (ED Raid Kolkata)। সান এন্টারপ্রাইজের অফিসেও ঢুকেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সূত্র বলছে, এই সংস্থা নির্মাণ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। গোটা বাড়ি ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও ইডি আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, কয়েক কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ পেয়ে সান এন্টারপ্রাইজের অফিসে পৌঁছেছে ইডি। তবে এই সংস্থার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক সংযোগ আছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, সূত্রের খবর, সোনা পাপ্পু ও সান গ্রুপের বিষয়টি জড়িত।

    তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারকে ইডি তলব

    ঠিক তিন দিন আগে, কলকাতার বালিগঞ্জ প্লেসের বহুতলে এক ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। ইডি সূত্রে দাবি, আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে, এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। গত ২৮ মার্চ সকাল ৬টা নাগাদ, কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে করে ব্যবসায়ীর বাড়িতে আসেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকেরা। এরপর কোটি কোটি টাকা আর্থিক প্রতারণার মামলায়, কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ এবং রাসবিহারীর বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই মামলায়, সম্প্রতি, অমিত গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক ব্যবসায়ীর ঠিকানায় অভিযান চালানো হয়।

    বাজেয়াপ্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি

    এছাড়াও দক্ষিণ কলকাতার আরও কয়েকটি স্থানে পৃথক পৃথক দলে ভাগ হয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা (ED Raid Kolkata)। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল তথ্য। রাজ্যে যখন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি তুঙ্গে, ঠিক সেই আবহেই কেন্দ্রীয় সংস্থার এই বড়সড় পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ইডি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, বিপুল পরিমাণ ‘কাট মানি’ এবং আর্থিক জালিয়াতির তদন্তেই এই পদক্ষেপ। তবে বিরোধীরা বিষয়টিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বললেও, ইডি আধিকারিকদের লক্ষ্য এখন এই কোটি কোটি টাকার তোলাবাজি চক্রের শেষ মাথা বা মূল সুবিধাভোগীদের খুঁজে বের করা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, তল্লাশি অভিযান এখনও চলছে এবং সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

  • Assembly Election 2026: বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন শুভেন্দু, সঙ্গে থাকবেন শাহ!  

    Assembly Election 2026: বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন শুভেন্দু, সঙ্গে থাকবেন শাহ!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গো-হারান হারাতে কোমর বেঁধে নির্বাচনী ময়দানে নেমে পড়েছেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি শুভেন্দু পদ্ম-প্রার্থী হয়েছেন ভবানীপুরেও। এই ভবানীপুরেই মমতা প্রার্থী (Assembly Election 2026) হবেন বলে অনেক আগেই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন তৃণমূলের প্রথম সারির এক নেতা। অতএব, ভবানীপুরে (Amit Shah) লড়াই হবে জোরদার। বৃহস্পতিবার এই ভবানীপুর কেন্দ্রেই মনোনয়নপত্র পেশ করবেন শুভেন্দু। ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের। বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র পেশ করতে যাবেন শুভেন্দু। সেই দিনই তাঁর সঙ্গে দেখা যেতে পারে শাহকে।

    বাংলায় আসছেন শাহ (Assembly Election 2026)

    বিজেপি সূত্রের খবর, এ ব্যাপারে মঙ্গলবারই দিল্লি থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারী মনোনয়ন পেশ করার আগে হাজরা মোড়ে জনসভা করতে পারেন শাহ। তার পর সেখান থেকে এক কিলোমিটার রোড শো করে সার্ভে বিল্ডিংয়ের আগে পর্যন্ত যাবেন। শেষে ২০০ মিটার পথ যাবেন হেঁটে। নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে সোমবারই মনোনয়নপত্র পেশ করেছেন শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Assembly Election 2026)। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা যেতে পারে শাহকে। তাতে এক সঙ্গে অনেকগুলি বার্তা দেওয়া যাবে। এক, এটা বোঝানো যাবে যে শুভেন্দুর প্রতি গভীর আস্থা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর সতীর্থ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। আর দ্বিতীয় বার্তাটি হল, ভবানীপুরে তৃণমূল সুপ্রিমোকে হারিয়ে মুখের মতো জবাব দেবেন ‘জায়ান্ট কিলার’ বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Amit Shah)।

    সেটিং-তত্ত্ব খারিজ

    বঙ্গবাসীর একাংশের অভিযোগ ছিল বিজেপি এবং তৃণমূলের সেটিং রয়েছে। সূত্রের খবর, এবার নির্বাচনের ঢের আগে শুভেন্দু দলীয় নেতাদের বুঝিয়েছিলেন, সাধারণ মানুষের জল্পনায় জল ঢেলে দেওয়া যাবে দুভাবে। এক, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির যে অভিযোগ রয়েছে, তার তদন্তে যদি তৎপরতা শুরু করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। আর দ্বিতীয় পথটি হতে পারে, ভবানীপুরে মমতাকে চ্যালেঞ্জ জানানো। সে ক্ষেত্রে তিনিই প্রার্থী হতে প্রস্তুত। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দ্বিতীয় অপশনটিকেই বেছে নিয়েছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা (Assembly Election 2026)।

    কী বললেন শুভেন্দু

    ভবানীপুর প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “এসআইআরের পর তো ভবানীপুর বিজেপির হয়েই গিয়েছে। আমি জিতলে বিজেপি ভবানীপুরে প্রথমবার জিতবে এমন নয়। কারণ ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যখন মোদি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, সেবার লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন তথাগত রায়। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি পড়ে প্রাক্তন সাংসদ তথাগতের লোকসভা কেন্দ্রে। সেবার ভবানীপুর কেন্দ্রে দুহাজারেরও ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি।” শুভেন্দু আরও বলেন, “চুরি-চামারি, ছাপ্পা, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরে জিততেন। এসআইআরের পর সেটা আর সম্ভব নয়। মোদিজি, নীতিন নবীনজি আমায় ভবানীপুরে প্রার্থী করেছেন গুন্ডামি রোখার জন্য।” তিনি বলেন, “২৩ তারিখ পর্যন্ত নন্দীগ্রাম এবং গোটা রাজ্যে থাকব। ২৪ তারিখ সকাল থেকে ভবানীপুরে থাকব। ২৯ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর কাজ (Amit Shah) শেষ করে, স্ট্রং রুম সিল করে ভবানীপুর ছাড়ব। ৪ মে দেখা হবে।” প্রসঙ্গত, বঙ্গে এবার বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়। প্রথম দফায় ভোট হবে ২৩ এপ্রিল, আর দ্বিতীয় দফায় হবে ২৯ তারিখে (Assembly Election 2026)।

    নন্দীগ্রামে মুখ পুড়েছিল তৃণমূলের

    গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হাজার দুয়েক ভোটে মমতাকে ধরাশায়ী করেছিলেন শুভেন্দু। মমতার বিশ্বাস ছিল, নন্দীগ্রামবাসী তাঁকে বিমুখ করবেন না। তাই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নিজেই প্রার্থী হন মমতা। তিনি ভেবেছিলেন, শুভেন্দু তাঁর ছায়া, কায়া নয়। তাই শুভেন্দুকে হারবেন। যদিও নির্বাচনের ফল বেরলে দেখা যায় মুখ পুড়েছে তৃণমূলের। হেরে গিয়েছিলেন খোদ তৃণমূলেশ্বরীই। পরে অবশ্য ভবানীপুরে প্রার্থী হয়ে জয় পেয়ে কোনওক্রমে বাঁচান মুখ্যমন্ত্রীর কুর্শি। এর পর নানা সময় শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, দল তাঁকে ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে বললে তিনি দাঁড়াবেন এবং তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রীকে ধরাশায়ী করবেন। এবার সেই দ্বৈরথই দেখতে চলেছেন ভবানীপুরবাসী (Assembly Election 2026)।

  • Bengal Elections 2026: ভোটের আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন মুখ্যমন্ত্রী! মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে নালিশ বিজেপির

    Bengal Elections 2026: ভোটের আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন মুখ্যমন্ত্রী! মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে নালিশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ জানাল বিজেপি। মঙ্গলবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) এর দফতরে হাজির হয় বিজেপির প্রতিনিধি দল। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদল সিইও দফতরে গিয়ে সরাসরি অভিযোগ জানায়।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের উস্কানি

    শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ,‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি মানছেন না। তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের উস্কানি দেওয়ার মতো মন্তব্য করছেন, যা অত্যন্ত গুরুতর।’’ শুধু তাই নয়, বিজেপির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী নাকি প্রকাশ্যে এমন কথাও বলেছেন, ৪ মের পর বিজেপি কর্মীদের গলায় পোস্টার ঝুলিয়ে বলতে হবে ‘‘আমরা বিজেপি করি না।’’ শুভেন্দুর প্রশ্ন,‘‘একজন মুখ্যমন্ত্রী কীভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন? তিনি প্রার্থী হলেও তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে। এভাবে কি ভোট-পরবর্তী হিংসার ইঙ্গিত দেওয়া যায়?’’ এই সমস্ত অভিযোগই মঙ্গলবার লিখিত আকারে সিইও দফতরে জমা দেওয়া হয়েছে।

    ‘ভয় ও উস্কানিমূলক’ পরিবেশ

    প্রসঙ্গত, এর ঠিক একদিন আগেই দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে একই অভিযোগ জানায় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, কিরেণ রিজিজু, অরুণ সিং ও সুকান্ত মজুমদারের স্বাক্ষরিত চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের সভা-সমাবেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে ‘ভয় ও উস্কানিমূলক’ পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে ২৫ মার্চ ময়নাগুড়ি ও নকশালবাড়ি এবং ২৬ মার্চ পাণ্ডবেশ্বরের সভার বক্তব্য। পাশাপাশি তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের ২৮ মার্চের এক সাংবাদিক বৈঠকের মন্তব্যকেও নিশানা করা হয়েছে। বিজেপির দাবি, এই সমস্ত বক্তব্য ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে দেওয়া এবং তা সরাসরি নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। তাদের অভিযোগ, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় পুলিশ ‘নিষ্ক্রিয়’ এবং ‘পক্ষপাতদুষ্ট’। স্পর্শকাতর এলাকায় আরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, অতিরিক্ত আইএএস ও আইপিএস পর্যবেক্ষক নিয়োগের দাবিও জানানো হয়েছে। এমনকী ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ও জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের আওতায় এফআইআর দায়েরের আর্জিও জানানো হয়েছে।

  • WB Assembly Election 2026: তাঁর, শমীকের ফোন লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে! সিইও দফতরে বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    WB Assembly Election 2026: তাঁর, শমীকের ফোন লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে! সিইও দফতরে বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে রাজ্যের দুই হেভিওয়েট বিজেপি নেতার। এঁদের একজন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari), আর অন্যজন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এমনই অভিযোগ তুলে সিইও দফতরের দ্বারস্থ হলেন (WB Assembly Election 2026) ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।

    কী বললেন শুভেন্দু 

    সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু পুলিশের কয়েকজন পদস্থ কর্তার নামও নিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন,  “এসটিএফের (STF) জাভেদ শামিম, আইবি-র বিনীত গোয়েল, শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে মণ্ডল স্তরের বিজেপি নেতাদের ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করছে, আমাদের কাছেও পাল্টা তথ্য প্রমাণ রয়েছে।” শুভেন্দুর দাবি, সিআইডি, এসটিএফ, আইবি ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিতে হস্তক্ষেপ করতে হবে (Suvendu Adhikari) নির্বাচন কমিশনকে। নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়কের অভিযোগ, “ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি মনোজ ভার্মা কীভাবে সব রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছেন, সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নেতাদের এখনও আগের মতোই সুবিধা করে দিচ্ছেন।” শুভেন্দুর আরও (WB Assembly Election 2026) অভিযোগ, জঙ্গিপুরের এসপি মেহেদি হাসান, পশ্চিম মেদিনীপুরের এসপি পলাশ ঢালিও কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করছেন।

    মমতার বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ

    শুভেন্দু বলেন, “মমতা বলেছেন বিজেপি কর্মীদের পোস্টার দিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি না। এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সরাসরি খুনের হুমকি দিচ্ছেন তিনি।” প্রসঙ্গত, গত ২৫ তারিখ ময়নাগুড়িতে ভোটের প্রচারে গিয়ে মমতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই বিতর্কের সূত্রপাত (Suvendu Adhikari)। প্রার্থী রামমোহন রায়ের হাত উঁচু করিয়ে মমতা বলেন, “আমার প্রার্থীকে বলে দিয়ে গিয়েছে, ওঁকে নাকি গাছে বেঁধে পেটাবে। আমি বলছি, এসব করতে যেও না। নির্বাচনের পরে পোস্টার লাগিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি (WB Assembly Election 2026) না।” এ নিয়ে সোমবারই মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে নালিশ করে এসেছেন। মমতাকে প্রচার থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও জানিয়ে এসেছে বিজেপি। শুভেন্দু বলেন, ” আমরা বিগত দিনে দেখেছি, রাহুল সিনহা থেকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, সকলের বক্তব্যের মিস কোট করে তৃণমূল অভিযোগ করলেই কাউকে ৩ দিন, ২ দিন ১ দিন নির্বাচন প্রচারে ব্যান করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন করা হবে না? মনোজ আগরওয়ালের কাছে দাবিপত্র রেখেছি (WB Assembly Election 2026)।”

     

  • Leander Paes: জল্পনায় সিলমোহর, পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন পদ্মপ্রাপক টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ

    Leander Paes: জল্পনায় সিলমোহর, পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন পদ্মপ্রাপক টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা আগেই হয়ে গিয়েছিল। এবার পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes)। মঙ্গলবার দিল্লির বিজেপি সদর দফতরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে ভারতীয় জনতা পার্টিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলেন অলিম্পিক পদকজয়ী এই কিংবদন্তি। গত সপ্তাহেই কলকাতার নিউটাউনের এক অভিজাত হোটেলে বিজেপি (Bengal BJP) নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর গোপন বৈঠক ঘিরে যে গুঞ্জন দানা বেঁধেছিল, এদিন তাতেই শিলমোহর পড়ল।

    নিউ টাউনের সেই ‘পাকা কথা’ (Leander Paes)

    ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে। কলকাতায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সফরের সময় নিউটাউনের একটি হোটেলে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের (Bengal BJP) সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন লিয়েন্ডার। সেই রুদ্ধদ্বার বৈঠকের খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়—তবে কি ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগেই যোগদান করবেন টেনিস মহাতারকা (Leander Paes)? মঙ্গলবার দিল্লিতে তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়ার পর সেই জল্পনাই বাস্তব রূপ পেল। পদ্ম-শিবিরে যোগদান করে পদ্মপ্রাপক (২০১৪ সালে পদ্মভূষণ পুরস্কার বিজয়ী) ক্রীড়াবিদ লিয়েন্ডার বলেন, “আমার জন্ম পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু আমি যখন খেলা শুরু করি, তখন ওখানে টেনিসের এত পরিকাঠামো ছিল না। আজও দেশে কোনও ইন্ডোর টেনিস কোর্ট নেই। এখন আগের চেয়ে পরিস্থিতি ভালো হয়েছে। তবে ক্রীড়া এবং ক্রীড়া প্রশিক্ষণে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে।”

    কেন এই দলবদল?

    ২০২১ সালের অক্টোবরে গোয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন লিয়েন্ডার। গোয়া নির্বাচনে দলের হয়ে প্রচারও করেছিলেন। তবে গত কিছু সময় ধরে জোড়া-ফুল শিবিরের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল বলে খবর। এদিন বিজেপিতে (Bengal BJP) যোগ দিয়ে লিয়েন্ডার (Leander Paes) বলেন, “আমি ৪০ বছর দেশের হয়ে খেলেছি। এবার দেশের যুব সমাজ ও ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নতির জন্য কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মপদ্ধতি এবং দেশের খেলাধুলার প্রসারে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।”

    বঙ্গ-রাজনীতিতে লিয়েন্ডারের গুরুত্ব

    লিয়েন্ডারের যোগদানের সময় সুকান্ত মজুমদার তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes) মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের উত্তরসূরি। বাংলার মাটির সঙ্গে তাঁর এই গভীর যোগসূত্রকে আগামী নির্বাচনে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। বিশেষ করে কলকাতার শহুরে এবং শিক্ষিত ভোটারদের কাছে লিয়েন্ডারের গ্রহণযোগ্যতা দলকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে। দেশের যুবক-যুবতীদের এই খেলায় আসার জন্য অনুপ্রাণিত করেছে। লিয়েন্ডারের ছবি, খেলার ভিডিও, তাঁর ম্যাচ দেখে বাঙালি যুব সমাজ বড় হয়েছে। আজ পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির (Bengal BJP) জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন বলে আমার মনে হয়।” তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে দল আরও শাক্তিশালী হবে।

    বিধানসভায় কি প্রার্থী হবেন?

    লিয়েন্ডারকে (Leander Paes) আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও দলের তরফে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্রের খবর, কলকাতার কোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে তাঁকে লড়াইয়ে নামানোর কথা ভাবছে পদ্ম-শিবির। শুধুমাত্র প্রার্থী হিসেবেই নয়, রাজ্যজুড়ে বিজেপির তারকা প্রচারক হিসেবেও বড় ভূমিকায় দেখা যেতে পারে তাঁকে। খেলার কোর্টে বহুবার প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে ম্যাচ বের করে এনেছেন লিয়েন্ডার। এবার রাজনীতির পিচে তিনি কতটা সফল হন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহল।

  • Calcutta High Court: সুপ্রিম কোর্টে ফের একবার মুখ পুড়ল তৃণমূলের, ঘাসফুল শিবিরের আবেদন খারিজ

    Calcutta High Court: সুপ্রিম কোর্টে ফের একবার মুখ পুড়ল তৃণমূলের, ঘাসফুল শিবিরের আবেদন খারিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে প্রশাসনিক রদবদলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের (TMC) তরফে যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেটি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের সাফ কথা, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে চায় না আদালত।

    আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল (Calcutta High Court)

    মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের তরফে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, বিডিও, ওসি, আইসি-সহ বহু প্রশাসনিক আধিকারিককে একযোগে বদলি করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে তৃণমূলের তরফে চাওয়া হয়েছিল আদালতের হস্তক্ষেপ।

    জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    এই বিষয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অর্ককুমার নাগ। ২৩ মার্চ মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। মামলাকারীর হয়ে সওয়াল করেছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি, তাদের এক্তিয়ার নিয়েও আপত্তি জানানো হয়। তবে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই রদবদল করা হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পর প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া স্বাভাবিক (Calcutta High Court)। আদালতও কমিশনের সেই যুক্তিতেই সায় দিয়ে জানিয়ে দেয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে তারা হস্তক্ষেপ করবে না। এরপর প্রত্যাশিতভাবেই তৃণমূলের আবেদন খারিজ হয়ে যায়।

    প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বদলি

    প্রসঙ্গত, গত ১৫ মার্চ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়ে গিয়েছে নির্বাচনী আচরণবিধি। তার পর থেকেই প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বদলির প্রক্রিয়া শুরু হয়। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজিপি থেকে শুরু করে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, এমনকি ওসি এবং বিডিও পর্যায়েও ব্যাপক রদবদল করা হয়েছে (TMC)। এই রদবদলের উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। দ্বারস্থ হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের। সেখানেই আরও একবার মুখ পুড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের (Calcutta High Court)।

     

  • West Bengal Elections 2026: আরও ১৩ আসনে নাম ঘোষণা বিজেপির, তালিকায় চমক, প্রার্থী বদল ময়নাগুড়িতে

    West Bengal Elections 2026: আরও ১৩ আসনে নাম ঘোষণা বিজেপির, তালিকায় চমক, প্রার্থী বদল ময়নাগুড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল সাজাতে কোমর বেঁধে নামল ভারতীয় জনতা পার্টি। মঙ্গলবার দলের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) জন্য আরও ১৩ জন প্রার্থীর নামের চতুর্থ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে একটি পুরোনো আসনেও প্রার্থী বদল করেছে গেরুয়া শিবির (BJP Bengal)। আরও ৬ আসনের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা এখনও বাকি।

    কারা পেলেন টিকিট (West Bengal Elections 2026)?

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির (CEC) অনুমোদিত এই তালিকায় বিভিন্ন জেলার গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:

    • সিতাই (SC): আশুতোষ বর্মা
    • নাটাবাড়ি: গিরিজা শঙ্কর রায়
    • বাগদা (SC): সোমা ঠাকুর
    • সোনারপুর উত্তর: দেবাশিস ধর
    • চৌরঙ্গী: সন্তোষ পাঠক
    • হাওড়া দক্ষিণ: শ্যামল হাটি
    • পাঁচলা: রঞ্জন কুমার পাল
    • মগরাহাট পূর্ব: উত্তম কুমার বণিক
    • ফলতা: দেবাংশু পাণ্ডা
    • চণ্ডীপুর: পীযূষ কান্তি দাস
    • গড়বেতা: প্রদীপ লোধা
    • মেমারি: মানব গুহ
    • বারাবনি: অরিজিৎ রায়

    বাগদায় ননদ-বৌদির লড়াই

    নাম ঘোষণা হতেই জোর রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে বাগদা কেন্দ্র নিয়ে। কারণ এই কেন্দ্রে এবার ননদ বনাম বৌদির লড়াই। বাগদা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে বনগাঁর সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী সোমা ঠাকুরকে। সোমা ঠাকুর কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী ছাড়াও মতুয়া মহাসঙ্ঘের মাতৃ সেনার প্রধান। মতুয়া মহাসঙ্ঘের বিভিন্ন অনুষ্ঠান মঞ্চে এই বছরে তাঁকে নিয়মিত দেখা গিয়েছে৷ এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করেছে দলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের কন্যা মধুপর্ণা ঠাকুরকে। মধুপর্ণা শান্তনু ঠাকুরের জেঠুর মেয়ে। সোমা এবং মধুপর্ণা দু’জনেই মতুয়া ঠাকুরবাড়ির সদস্য, সম্পর্কে তাঁরা ননদ-বৌদি। এ বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর বলেন, ‘‌ঘরের সম্পর্ক ঘরের জায়গায়, রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়াই করতে আসলে সেখানে লড়াই তো হবেই। বাগদায় তৃণমূল কংগ্রেসই জিতবে।’‌ অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুর বলেন, ‘‌পরিবার পরিবারের মতো। ভোট অন্য বিষয়। ভারতীয় জনতা পার্টি আমাকে প্রার্থী করেছে এবং বাগদার মাটি বিজেপির মাটি। আমরা জয়লাভ করব।’‌

    ময়নাগুড়িতে প্রার্থী বদল

    চতুর্থ তালিকা (West Bengal Elections 2026) প্রকাশের পাশাপাশি দল তাদের আগের একটি সিদ্ধান্তে বদল এনেছে। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি (SC) আসনে কৌশিক রায়ের পরিবর্তে এবার প্রার্থী (BJP Bengal) করা হয়েছে ডালিম রায়-কে। স্থানীয় সমীকরণ এবং সাংগঠনিক রণকৌশলের কথা মাথায় রেখেই এই রদবদল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    এক নজরে নির্বাচনের প্রেক্ষাপট

    বিজেপি এখনও পর্যন্ত মোট ২৮৭টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে ফেলেছে। এর আগে প্রথম তালিকায় ১৪৪ জন, দ্বিতীয় তালিকায় ১১১ জন এবং তৃতীয় তালিকায় ১৯ জনের নাম জানানো হয়েছিল। উল্লেখ্য, তৃতীয় তালিকায় আরজি কর কাণ্ডের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথকে পানিহাটি আসন থেকে প্রার্থী (BJP Bengal) করে বড় চমক দিয়েছিল বিজেপি। এবারের তালিকা বিশেষ চমক সন্তোষ পাঠক, প্রাক্তন পুলিশ অফিসার দেবাশিস ধর, সোমা ঠাকুর এবং সন্তোষ পাঠক।

    ভোটের নির্ঘণ্ট

    পশ্চিমবঙ্গে মোট দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে— ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। আগামী ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। প্রথম দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল। রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি টক্কর দিতে বিজেপি যেভাবে ধাপে ধাপে এবং বিচার-বিবেচনা করে প্রার্থী তালিকা (West Bengal Elections 2026) সাজাচ্ছে, তাতে এই ১৩ জনের নাম ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আরও ৬ আসনের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা এখনও বাকি। ৬টি নাম নিয়ে এখনও চর্চা চলছে বিজেপির অন্দরে।

LinkedIn
Share