Blog

  • Israel Hamas War: সন্ত্রাস-হামলার নেপথ্যে এরাই! হামাসের কুখ্যাত ‘নুখবা’ কমান্ডোদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল

    Israel Hamas War: সন্ত্রাস-হামলার নেপথ্যে এরাই! হামাসের কুখ্যাত ‘নুখবা’ কমান্ডোদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলে অতর্কিত জঙ্গি-হামলার নেপথ্যে ছিল এরাই! বদলা স্বরূপ, হামাসের সেই কুখ্যাত কমান্ডোদের সদর দফতর বোমা মেরে গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল (Israel Hamas War)। 

    ‘নুখবা’-র ডেরায় বোমাবর্ষণ ইজরায়েলের

    ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)-এর তরফে জানানো হয়েছে, গাজার প্রাণকেন্দ্রে হামাসের কুখ্যাত স্পেশাল ফোর্সের ইউনিট ‘নুখবা’-র ডেরায় অভিযান চালায় ইজরায়েল। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে আকাশপথে বোমাবর্ষণ করে হামাসের কমান্ডো-বাহিনীর ঘাঁটি ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা (Israel Hamas War)। আইডিএফ-এর আরও দাবি, রাতে গাজায় হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু আক্রমণ শানিয়েছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। সেই অভিযানে হামাসের রাফা নৌবাহিনীর প্রধান আবু শামলা খতম হয়েছে। জানা গিয়েছে, হামাসের নৌ-অস্ত্রাগারের পাশে একটি ডেরায় ছিলেন আবু শামলা। সেখানেই বোমা নিক্ষেপ করা হয়।

    আরও পড়ুন: ভারত চায় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাক ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    ইজরায়েলে হামলার নেপথ্যে কুখ্যাত ‘নুখবা’!

    ‘নুখবা’ হল সিরিয়ার বাছাই করা জঙ্গিদের নিয়ে গঠিত একটি এলিট ফোর্স। শীর্ষস্থানীয় হামাস নেতারা নিজের হাতে ‘নুখবা’-র সদস্যদের বেছে নেয়। অতর্কিত হামলা থেকে শুরু করে খুনজখম, সুড়ঙ্গ খুঁড়ে অনুপ্রবেশ— এরা সিদ্ধহস্ত। শুধু তাই নয়, ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র চালানো থেকে শুরু করে রকেট হানা এবং নিখুঁত লক্ষ্যভেদকারী স্নাইপার— এরা বিভিন্ন অস্ত্র চালনায় পারদর্শী। বর্তমানে এই কমান্ডোরাই হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে বলে ইজরায়েলি গোয়েন্দাদের দাবি।

    আইডিএফ জানিয়েছে, ২০০৭ সালে গাজার দখল নেয় হামাস। তার পর থেকে নিজেদের ‘সেফ প্যাসেজ’ তৈরি করতে গোপনে গাজায় গোপন সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়। দায়িত্ব দেওয়া হয় সুড়ঙ্গ খোঁড়ায় পারদর্শী ‘নুখবা’ বাহিনীকেই (Israel Hamas War)। এবার এই বাহিনীকে দিয়েই সীমান্তে গোপনে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে সেখান দিয়ে আচমকা ইজরায়েলে অনুপ্রবেশ করায় হামাস। ইজরায়েলি গোয়েন্দার দাবি, গাজায় হামাসের সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক এমনভাবে বিস্তৃত যে, প্রত্যেকটি স্কুল বা মসজিদ অথবা কোনও হামাস দফতর— সবার ভেতর দিয়ে একটি সুড়ঙ্গ পথ তৈরি করা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘অপারেশন অজয়’-এর প্রথম উড়ানে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২১২ জন ভারতীয়

    নিরীহ অপহৃতদের ঢাল বানাচ্ছে হামাস

    গত শনিবার সকালে, ইজরায়েলে অতর্কিতে হামলা চালায় হামাস জঙ্গিরা। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট এসে আছড়ে পড়ে ইজরায়েলে। আইডিএফ জানিয়েছে, ২০ মিনিটে প্রায় ৫ হাজার রকেট নিক্ষেপ করা হয়ে ইজরায়েলে। আয়রন ডোম-এর ফলে, অধিকাংশ মাঝ-আকাশেই নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তাও, অনেকগুলো আছড়ে পড়ে মাটিতে। এর পাশাপাশি, প্যারাগ্লাইডারে চেপে ইজরায়েলে অনুপ্রবেশ করে হামাস জঙ্গিরা (Israel Hamas War)। এছাড়া, সীমান্তে সুড়ঙ্গ কেটে এবং সুমুদ্রপথেও ইজরায়েলে ঢুকে হামলা চালায় জঙ্গিরা। হামাসের হামলায় ১২০০-র বেশি ইজরায়েলির মৃত্যু হয়। জখম হল ৩ হাজারের বেশি। হত্যালীলা চালানোর পর বহু ইজরায়েলিকে এপার থেকে অপহরণ করে সীমান্ত পেরিয়ে গাজায় পণবন্দি করে রেখেছে হামাস। তাঁদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি আইডিএফ-এর।

    গাজায় ঢোকার অপেক্ষায় ৩ লক্ষ ইজরায়েলি ফৌজ

    এর পরই যুদ্ধ ঘোষণা করে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। গাজায় হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে চলে মুহুর্মুহু আক্রমণ।  ইজরায়েলি সেনার হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজার একাংশ। হামাস তাদের হামলার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’। ইজরায়েলের জবাবি অভিযানের কোডনেম হল ‘অপারেশন সোর্ডস অফ আয়রন’। হামাসের হত্যালীলা রুখতে ইজরায়েলের তরফে ৩ লক্ষ শক্তিশালী বাহিনীকে সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে (Israel Hamas War)। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা স্থলপথে গাজায় ঢুকতে তৈরি। কিন্তু, রাজনৈতিক সবুজ সঙ্কেত না মেলায় তারা অপেক্ষায় রয়েছে। যদিও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, পৃথিবীর বুকে একটিও হামাস জঙ্গিকে রাখা হবে না। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানান, বায়ুসেনাকেও হামাসের উপরে হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajdhani Express Shootout: ভুল টিকিটে যাত্রা! চলন্ত শিয়ালদহ-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসে চলল গুলি

    Rajdhani Express Shootout: ভুল টিকিটে যাত্রা! চলন্ত শিয়ালদহ-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসে চলল গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টিকিট পরীক্ষক বা টিটিই-র সঙ্গে ঝামেলায় ট্রেনের মধ্যেই আগ্নেয়াস্ত্র বার করে পর পর গুলি চালালেন যাত্রী। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ শিয়ালদা থেকে দিল্লিগামী রাজধানী এক্সপ্রেসে (Rajdhani Express Shootout) এক যাত্রী গুলি চালান বলে অভিযোগ। যদিও ওই গুলিতে কেউ জখম হননি। তবে চলন্ত ট্রেনে গুলি চলার ঘটনায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয় যাত্রীদের মধ্যে। 

    কী ঘটেছিল ট্রেনের ভিতরে

    পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত যাত্রীর নাম হরবিন্দর সিং (৪১)। ওই যাত্রী ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত। জানা গিয়েছে, ওই যাত্রীর কাছে ‘ভুল’ টিকিট ছিল। শিয়ালদা দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের (Rajdhani Express Shootout) জায়গায় হাওড়া দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের টিকিট কেটেছিলেন ওই ব্যক্তি। ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠেন ওই যাত্রী। রেলের কর্মরত টিকিট পরীক্ষক তাঁর কাছে টিকিট পরীক্ষা করতে আসেন। ভুল টিকিট কেটেছেন বলে জানানো হয় ওই ব্যক্তিকে। এরপরেই দু’জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। তৈরি হয় উত্তপ্ত পরিস্থিতি। বচসার মাঝেই হঠাৎ আগ্নেয়াস্ত্র বের করেন ওই যাত্রী। এরপরেই ক্ষিপ্ত হয়ে পর পর গুলি চালাতে শুরু করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: ‘অপারেশন অজয়’-এর প্রথম উড়ানে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২১২ জন ভারতীয়

    রেল পুলিশ অবিলম্বে তাঁকে আটক করে। ঝাড়খণ্ডের কোডরমা স্টেশনে ওই জওয়ানকে ট্রেন থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার জেরে নির্দিষ্ট সময়ের বেশ কিছুক্ষণ পরে গন্তব্যের দিকে ফের রওনা দেয় রাজধানী এক্সপ্রেস৷ পূর্বরেলের মুখ্যজনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বৃহস্পতিবার রাতে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গোটা ঘটনাটি জানিয়েছেন। তবে গোটা ঘটনায় রেলের যাত্রীদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়। গুলি চালনার ঘটনায় যে কোনও মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। রাজধানী এক্সপ্রেসে (Rajdhani Express Shootout) যাত্রী সুরক্ষা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Operation Ajay: ‘অপারেশন অজয়’-এর প্রথম উড়ানে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২১২ জন ভারতীয়

    Operation Ajay: ‘অপারেশন অজয়’-এর প্রথম উড়ানে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২১২ জন ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধবিধ্বস্ত ইজরায়েল (Israel Hamas Conflict) থেকে শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) সকালে, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছল ‘অপারেশন অজয়’-এর (Operation Ajay) প্রথম চার্টার উড়ান। প্রথম দফায় ২১২ জন ভারতীয়কে ফিরিয়ে আনা হল। দিল্লি বিমানবন্দরে তাঁদের স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের রাষ্ট্রমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর। বিমানবন্দরে তাঁদের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তাও বলেন তিনি।

    নিরাপদেই ফিরলেন দেশে

    বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা বেজে ১৪ মিনিটে, তেল আভিভের বেন গুরিও বিমানবন্দর থেকে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের নিয়ে ছাড়ে বিমান। তাতে ২১১ জন প্রাপ্ত বয়স্ক ও এক শিশু ছিল। বিমানটি নয়া দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পরই, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিমানের ভিতর থাকা যাত্রীদের একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই সঙ্গে ক্যআপশনে লেখেন, “চলছে অপারেশন অজয়। নয়াদিল্লির পথে রওনা দিলেন ফ্লাইটে থাকা ২১২ জন নাগরিক।” 

    ইজরায়েলের (Israel Hamas Conflict) ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকেও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ পোস্ট করে, “২১২ জন ভারতীয় নাগরিককে নিয়ে অপারেশন অজয়ের প্রথম উড়ানটি, তেল আবিব থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ইজরায়েলের ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা কামনা করা হচ্ছে।” 

    প্রথম দফায় কারা ফিরলেন দেশে

    এর আগে, ইজরায়েলের (Israel Hamas Conflict) ভারতীয়দের দূতাবাসের পক্ষ থেকে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক ভারতীয় নাগরিকদের নাম নিবন্ধন করা হয়। যারা আগে নাম লিখিয়েছেন, তাঁদের আগে ফেরার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তবে, প্রথম বিমানে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, সেই দেশে আটকে পড়া ৭ অক্টোবরের এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের যাত্রীদের।

    শনিবার থেকে ইজরায়েলে টানা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হামাস। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইজরায়েলও। যার জেরে ইতিমধ্যেই আড়াই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ইজরায়েল বসবাসকারী বিদেশিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। একে তো দেশ থেকে এত দূরে, তার উপর এই পরিস্থিতি। এমন একটা সময়ে ভারতীয়দের দেশের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Pakistan: গানে মাতাবেন অরিজিৎ! ভারত-পাক ম্যাচের আগে জমকালো অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা

    India vs Pakistan: গানে মাতাবেন অরিজিৎ! ভারত-পাক ম্যাচের আগে জমকালো অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টিকিট নিয়ে উন্মাদনা। হাউজফুল স্টেডিয়াম। শহর জুড়ে কড়া নিরাপত্তা। ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) ম্যাচ ঘিরে সরগরম আমেদাবাদ। শনিবার আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি দুই দল। বাইশ গজের বিশ্বযুদ্ধে ভারত-পাক ম্যাচ বরাবরই অন্য মাত্রা পায়। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। জানা গিয়েছে এই ম্যাচ দেখতে উপস্থিত হবেন বিশ্বকাপের গোল্ডেন টিকিটধারী সচিন তেন্ডুলকর, রজনীকান্ত ও অমিতাভ বচ্চন। তারকার সমাগম ঘটবে এই ম্যাচে।

    ম্যাচের শুরুতে সঙ্গীত অনুষ্ঠান

    এবারের বিশ্বকাপে কোনও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান না হওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল বিসিসিআই-কে। সেই ক্ষোভ মেটাতেই ভারত পাকিস্তান ম্যাচের শুরুতে হবে সঙ্গীত অনুষ্ঠান। গানে মাতাবেন অরিজিৎ সিং। এছাড়াও অনুষ্ঠানে একাধিক বলিউড তারকা হাজির থাকবেন। ১৪ তারিখ দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট থেকে শুরু হবে অনুষ্ঠান। চলবে ১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত। গ্ল্য়ামারে ভরা অনুষ্ঠানের পর হবে টস। তবে অনুষ্ঠানে কোন কোন তারকা উপস্থিত থাকবেন তা জানা যায়নি। 

    টিকিট নিয়ে উন্মাদনা

    চলতি বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত এই ম্যাচের টিকিটের চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি। প্রথম দফায় সব টিকিট শেষ হয়ে গিয়েছিল। বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে সম্প্রতি দ্বিতীয় দফায় যে টিকিট ছাড়া হয়েছে সেটার ন্যূনতম দাম রাখা হয়েছে ২ হাজার টাকা। একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত ভারতকে পরাস্ত করতে পারেনি পাকিস্তান। সাতবার লড়াইয়ে প্রতিবারই শেষ হাসি হেসেছে ভারত।  বিশ্বকাপের প্রথম দুটো ম্যাচ জিতে ভাল জায়গায় রয়েছে ভারত এবং পাকিস্তান। দুই দলই প্রথম তিনের মধ্যে আছে। 

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ মেলাল বিরাট-নবীনকে! রেকর্ড গড়েও নিরুত্তাপ, কাপ জয়ই লক্ষ্য রোহিতের

    দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ

    বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপের ম্যাচে মুখোমুখি হয় দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া। টসে জিতে এদিন ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন প্যাট কামিন্স। শুরু থেকেই চালিয়ে খেলতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা। নিজের শেষ বিশ্বকাপে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন কুইন্ট ডি’কক। পরপর দুই ম্যাচে শতরান করলেন তিনি। ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের শতরান পূরণ করেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা কিপার-ব্যাটার। ৫০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা করে ৩১১ রান। বল হাতে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা শুরুটা দুর্দান্তভাবে করেন। মার্কো জানসেন ও লুনগি এনগিডির সঠিক লাইন এবং লেংথের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। অজি শিবিরকে প্রথম ধাক্কা দেন মার্কো জানসেন। তিনি তুলে নেন মিচেল মার্শকে (৭)। লুনগি এনগিডির বলে ফেরেন ডেভিড ওয়ার্নার (১৩ রান)। এরপর জোড়া ধাক্কা দেন কাগিসো রাবাডা। স্টিভ স্মিথকে এলবিডব্লিউ করেন। জশ ইংলিসকে বোল্ড করেন। ২৫ ওভারের শেষে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর দাঁড়ায় ৯৫/৬। কোনও মিরাকেল না ঘটলে ম্যাচের ফল যাবে ব্যাগি গ্রিনদের বিপক্ষেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Palestine Israel war: ভারত চায় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাক ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    Palestine Israel war: ভারত চায় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাক ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা পাঁচ দিনেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলছে ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের (Palestine Israel war) মধ্যে। প্যালেস্তাইনের গাজা ভূখণ্ড থেকে ইজরায়েলের দিকে ছোড়া হচ্ছে এলোপাথাড়ি রকেট। গাজা ভূখণ্ডটি দখল করে রেখেছে হামাসরা। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন এই হামাসরাই মাত্র কুড়ি মিনিটের মধ্যে ৫ হাজার রকেট ছুড়েছিল।

    জঙ্গি হামলা 

    টানা এই যুদ্ধের জেরে ইজরায়েলে মৃতের সংখ্যা চার হাজার ছুঁইছুঁই। ভারত যে বরাবরই যুদ্ধের বিপক্ষে, তা বিভিন্ন সময় জানিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। বৃহস্পতিবার যে তীব্র হামলা চালিয়েছে হামাসরা, তাকে জঙ্গি হামলা বলে দেগে দিয়েছে ভারত। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করুক ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইন দুই প্রতিবেশী দেশ। থাকুক শান্তিতে। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র (Palestine Israel war) অরিন্দম বাগচি জানান, আন্তর্জাতিক মানবতাবাদ আইন এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নজর রাখাটা বিশ্বজনীন বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে।

    ভারতের বক্তব্য

    ইজরায়েলে হামাসের হামলা প্রসঙ্গে বাগচি বলেন, “ভারতীয় আইনের অধীনে জঙ্গি সংগঠনের ডেজিগনেশন লিগ্যাল ম্যাটার। আমি এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের রিলেভেন্ট অথরিটি। আমি মনে করি, আমরা খুব পরিষ্কার যে আমরা এটাকে জঙ্গি হামলা হিসেবেই বিবেচনা করছি। সংশ্লিষ্ট অথরিটির এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দেওয়া প্রয়োজন। ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন।” তিনি বলেন, “ভারত বরাবর আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে আগ্রহী। ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইন দু’টি সার্বভৌম দেশ। তারা শান্তিতে বসবাস করুক।” তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের একযোগে লড়াই করতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: হিংসার আগুনের মাঝে জীবনের জয়গান! ইজরায়েলে ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার যমজ শিশু

    ইজরায়েলে হামাসের হামলায় ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা পেরিয়েছে সাড়ে ৩ হাজারের গণ্ডি। জখমও হয়েছেন কয়েক হাজার ইজরায়েলবাসী। তার পরেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হামাস। পাল্টা লড়ছে ইজরায়েল। হামাসদের সঙ্গত দিচ্ছে হেজবুল্লা নামে একটি জঙ্গি সংগঠন। হামলা চালাচ্ছে লেবাননও। জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের হামলায় গাজা ভূখণ্ডে মৃত্যু হয়েছে ৯৫০ জনের। জখম হয়েছেন ৫ হাজার মানুষ। যুদ্ধের কারণে ইজরায়েলে আটকে পড়েছেন কয়েক (Palestine Israel war) হাজার ভারতীয়। তাঁদের উদ্ধারে বুধবারই ভারত চালু করেছে অপারেশন অজয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED: বরানগরে কর্মী নিয়োগে তৃণমূল নেতা ঘনিষ্ঠদের নিয়োগ, মোটা টাকার খেলা! আর কী পেল ইডি?

    ED: বরানগরে কর্মী নিয়োগে তৃণমূল নেতা ঘনিষ্ঠদের নিয়োগ, মোটা টাকার খেলা! আর কী পেল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরানগর পুরসভায় কর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। একইসঙ্গে স্বজনপোষণের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল পরিচালিত পুর বোর্ডের বিরুদ্ধে। পুর-নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অয়ন শীলকে গ্রেফতার করার পর তার কাছে পাওয়া তথ্য থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে এই পুরসভায় কর্মী নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে ইডি (ED)। আর এই সব কর্মী নিয়োগে মোটা টাকার খেলা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা মনে করছেন।

    পুরসভায় কর্মী নিয়োগ প্যানেলে কারা ছিলেন? (ED)

    পুর-নিয়োগ প্যানেলে কারা ছিলেন তা ইডি আধিকারিকদের স্ক্যানারে রয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১৭-১৮ সালে এই পুরসভায় অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরে, রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে ছিলেন চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক, তত্কালীন ভাইস চেয়ারম্যান জয়ন্ত রায়, এক্সিকিউটিভ অফিসার সুদীপ ভট্টাচার্য, কাউন্সিলার বিশ্বজিত্ বর্ধন এবং অনিন্দ্য রাউত। পুরসভার কর্মী পদে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে আবেদন করেছিলেন। তারমধ্যে ১৭০ জনকে নিয়োগ করা হয়। কিন্তু, নিয়োগ হওয়ার পর যে তালিকা সামনে আসে তাতে চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড়়। রিক্রুটমেন্টের দায়িত্বে থাকা পদাধিকারীদের পরিবারের লোকজনের নাম সামনে আসে। এক সিআইসি সদস্যের পরিবারের লোকজনের নাম তালিকায় রয়েছে। এছাড়া একাধিক কাউন্সিলারদের ঘনিষ্ঠরা চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ। শাসক দলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতা আশিস দে-র ওই নিয়োগে বড় ভূমিকা রয়েছে। এমনিতেই এই নেতার বাড়ি বীরভূম। গরু পাচার কাণ্ডের ধৃত অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত তিনি। তাঁর ছেলের চাকরিও বরানগর পুরসভায় হয়েছে। ওই নেতার হাত ধরে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলার একাধিক ছেলে এই পুরসভায় নিয়োগপত্র পেয়েছেন। স্রেফ শাসক দলের বদান্যতায় তাঁদের চাকরি হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। এমনকী বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলার যাদের নিয়োগ করা হয়েছে, তারা নিয়মিত পুরসভায় পর্যন্ত আসে না বলে অভিযোগ। কিন্তু, তাদের নিয়মিত প্রতিমাসে বেতন হয়ে যায়। এরকম ২৫-৩০ জন কর্মী রয়েছেন। যা নিয়ে তৃণমূলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন। বোর্ড মিটিংয়ে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। 

    চেয়ারপার্সনের কী বক্তব্য?

    নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে  পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, নিয়ম মেনে পুরসভায় নিয়োগ হয়েছে। তবে, কাউন্সিলর বা রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের দায়িত্বে থাকলে তাঁর ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দিতে পারবে না এমন কোনও নিয়ম নেই। পরীক্ষা দিতেই সকলেই চাকরি পেয়েছেন। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হয়েছে। আর কেউ পুরসভায় নিয়মিত না আসলে তাঁকে শো কজ করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    ৩২ কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই অনেক তথ্য জানতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা

    পুরসভার ৩২ জন কর্মীকে ইডি সেপ্টেম্বর মাসে ডেকে পাঠায়। মূলত তৃণমূল ঘনিষ্ঠ যাদের পুরসভায় চাকরি হয়েছে তারা ডাকা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে নিয়োগে পুরসভার চেয়ারপার্সন এবং অনিন্দ্য রাউতদের ভূমিকা নিয়ে অনেক তথ্য জানতে পেরেছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। নিয়োগের পিছনে মোটা টাকা আর্থিক লেনদেন হয়েছে, সেই বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। এমনিতেই ইডি (ED), সিবিআইয়ের স্ক্যানারে আসার পর থেকেই চেয়ারপার্সন পুরসভায় আসা অনিয়মিত হয়ে পড়ে। কাউন্সিলারদের একাংশের সঙ্গে নিয়োগ ইস্যুতে দুরত্ব তৈরি হয়েছে। কয়েকজিন আগে ইডি আধিকারিকরা হানা দিয়ে চেয়ারপার্সনের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেন। তৃণমূল নেতা অনিন্দ্য রাউতের কাছে অনেক তথ্য পান। আর চেয়ারপার্সন কার কার সঙ্গে যোগাযাগ রাখতেন তা বোঝার চেষ্টা করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • World Arthritis Day: আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস, জানেন রোগ সম্পর্কে?

    World Arthritis Day: আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস, জানেন রোগ সম্পর্কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ১২ অক্টোবর দিনটি পালিত হয় বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস (World Arthritis Day) হিসেবে। রোগটি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ১৯৯৬ সাল থেকে পালিত হয় দিনটি। বিশ্বের বহু মানুষ এই রোগে ভুগলেও, সেই অর্থে গড়ে ওঠেনি সচেতনতা। সেই কারণে ১৯৯৬ সাল থেকে নিয়ম করে পালিত হয়ে আসছে দিনটি।

    আর্থ্রাইটিস কী?

    চিকিৎসকদের মতে, আর্থ্রাইটিস কোনও নির্দিষ্ট অঙ্গের ব্যথা নয়। বরং নানা অঙ্গেই এটা হতে পারে। আঙুলের গাঁটে গাঁটে যে ব্যথা হয়, চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় তাকেও আর্থ্রাইটিস বলা হয়। শরীরে কোনও আঘাত না লাগলেও, কোনও ব্যক্তি কাবু হতে পারেন এই রোগে। আর্থ্রাইটিস (World Arthritis Day) হল সন্ধিস্থলের প্রদাহ। নিত্য এই প্রদাহ হলে তার প্রভাব পড়ে সন্ধিস্থলের টিস্যুগুলিতে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় এর সঙ্গে সংযোগকারী টিস্যুগুলিও। যার জেরে সন্ধিস্থলের ব্যথায় কাবু হয়ে পড়েন রোগী।   

    আর্থ্রাইটিসের রকমফের   

    বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শরীরে শুরু হয় ক্ষয়। যার জেরে দুর্বল হতে থাকে হাড়-মজ্জা। ক্ষরণ কমবেশি হয় নানা হরমোনের। তাই শুরু হয় আর্থ্রাইটিসের ব্যথা। বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে, প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই রোগের শিকার। বিশ্বে ১০০-রও বেশি ধরনের আর্থ্রাইটিস রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ হল দু’টি – অস্টিওআর্থ্রাইটিস এবং রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস।

    আর্থ্রাইটিস রোগের হাত থেকে বাঁচতে নিয়মিত খেতে হবে দুধ, দই এবং পনিরের মতো দুগ্ধজাত খাবার। এসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকায় হাড়ের ক্ষয় কমে। শক্তিশালী হয় হাড়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তাহে অন্তত দু’ দিন খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে রুই, টুনা এবং স্যামন মাছ।

    আরও পড়ুুন: হিংসার আগুনের মাঝে জীবনের জয়গান! ইজরায়েলে ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার যমজ শিশু

    আর্থ্রাইটিসের জন্য বাদাম বেশ উপকারী। নিয়মিত খাওয়া প্রয়োজন আখরোট, পেস্তা ও কাঠ বাদাম। কারণ এগুলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন ই এবং ফাইবার। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে হাড়কে রক্ষা করে গ্রিন টি-র মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এ বছর বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবসের (World Arthritis Day) থিম হল, লিভিং উইথ অ্যান আরএমডি অ্যাট অল স্টেজেস অফ লাইফ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Israel Hamas War: হিংসার আগুনের মাঝে জীবনের জয়গান! ইজরায়েলে ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার যমজ শিশু

    Israel Hamas War: হিংসার আগুনের মাঝে জীবনের জয়গান! ইজরায়েলে ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার যমজ শিশু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধ্বংস যজ্ঞের মধ্যেও প্রাণের স্পন্দন! এ ছবি যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইজরায়েলের। দিন পাঁচেক ধরে কার্যত যুদ্ধ চলছে ইজরায়েল এবং হামাসের (Israel Hamas War)। প্যালেস্তাইনের জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসই প্রথম গাজা ভূখণ্ড থেকে হামলা চালায় ইজরায়েলে। পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে তেল আভিভ। হামাসের হামলায় ইজরায়েলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার হাজারের কাছাকাছি। ইজরায়েলের বাতাসে বারুদের গন্ধ। যত্রতত্র ছড়িয়ে মৃতদেহ। এরই মধ্যে শোনা গেল জীবনের জয়গান।

    শেল্টার হাউসে লুকিয়ে রাখেন যমজ সন্তান

    ঘটনাটি তাহলে খুলেই বলা যাক। হামাসরা ইজরায়েলে হামলা চালাতেই মাস দশেকের যমজ সন্তানকে একটি শেল্টার হাউসে লুকিয়ে রাখেন ইজরায়েলের এক তরুণ দম্পতি। এর পরপরই হামাস জঙ্গি বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় ওই দম্পতির। হামাসের ছোড়া গোলায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তাঁদের বাড়িটিও। হামাসের ডেরা গাজার পূর্বে মাইল তিনেক দূরের ওই এলাকায় কার্যত তাণ্ডব চালিয়ে ফিরে যায় হামাস জঙ্গিরা। হিংসার আগুন কিছুটা স্তিমিত হলে প্রাণের খোঁজে এলাকা চষে ফেলে ইজরায়েলি সেনা। তখনই শেল্টার হাউস থেকে ভেসে আসে কান্নার শব্দ। তারাই উদ্ধার করে (Israel Hamas War) যমজ ওই শিশু দুটিকে।

    উদ্ধার অনাথ দু’টি শিশু 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই দম্পতির ছবি পোস্ট করে সাইপ্রাসে ইজরায়েলের ডেপুটি অ্যাম্বাসাডর রোতেম সেগেভ লিখেছেন, “বছর তিরিশের ইটালি ও হাদার বেরডিচেভস্কি একটি শেল্টার হাউসে তাঁদের দশ মাসের যমজ বাচ্চাকে লুকিয়ে রেখেছিল। জঙ্গিরা ইটালি ও হাদারকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। যদিও জঙ্গিদের সঙ্গে শেষতক লড়েছিল ওই দম্পতি।” সেগেভ জানান, বাচ্চা দু’টি ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ওই শেল্টার হাউসে পড়েছিল। পরে ইজরায়েলি বাহিনী তাদের উদ্ধার করে।

    আরও পড়ুুন: বাটলা হাউস এনকাউন্টারে দোষী সাব্যস্ত আরিজ খানের ফাঁসির সাজা রদ

    মাইক্রোব্লগিং সাইটে তিনি লিখেছেন, “কল্পনা করুন ভয়ঙ্কর সেই দৃশ্যের। ভীত-সন্ত্রস্ত সেই দম্পতি তাঁদের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত চেষ্টা করেছিল সন্তান দুটিকে রক্ষা করতে। এই শিশু দু’টি এখন অনাথ হয়ে পড়ল। তাদের এই স্মৃতি যেন আশীর্বাদ হয়ে ঝরে পড়ে।” জানা গিয়েছে, বর্তমানে শিশু দু’টি সুস্থ রয়েছে। তাদের তুলে দেওয়া হয়েছে তাদের ঠাকুমার হাতে (Israel Hamas War)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jupiter Moon: ইউরোপায় প্রাণের সন্ধান! বৃহস্পতির উপগ্রহে কার্বণ ডাই অক্সাইডের সমুদ্র, কী বলছেন গবেষকরা?

    Jupiter Moon: ইউরোপায় প্রাণের সন্ধান! বৃহস্পতির উপগ্রহে কার্বণ ডাই অক্সাইডের সমুদ্র, কী বলছেন গবেষকরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপাতে প্রাণের সন্ধান! সম্ভব হলেও হতে পারে, দাবি বিজ্ঞানীদের। পৃথিবী ছাড়াও সৌর জগতের আর কোথাও বসতি গড়া সম্ভব কি না, তা নিয়ে বিস্তর জল্পনা কল্পনা চলে বিজ্ঞানীরদের মধ্যে। এই তালিকাতেই নতুন করে যোগ দিয়েছে বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপা। 

    কী বলছেন বিজ্ঞানীরা

    হিমশীতল হলেও ইউরোপাতে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা কম নয় বলে মনে করেন গবেষকরা। কর্নেল ইউনিভার্সিটির গ্রহ বিষয়ক বিজ্ঞানী সামান্থা ট্রাম্বো বলেন, “এর আগে, হাবল টেলিস্কোপ টারা রেগিওতে সামুদ্রিক লবণের হদিশ পেয়েছিল। এবার ভাল মাত্রায় কার্বন ডাই অক্সাইডের খোঁজ মিলল। সমুদ্রগর্ভ থেকেই তার উৎপত্তি ঘটেছে বলে অনুমান আমাদের।” ইউরোপা নিয়ে সম্প্রতি দু’টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে, যার মধ্যে একটি লিখেছেন সামান্থা। ২১ সেপ্টেম্বর জার্নাল সায়েন্সে প্রকাশিত হয়েছে সেটি। জানা গিয়েছে, ইউরোপার বুকে স্ফটিকাকার এবং নিরাকার কার্বন, দুইয়েরই খোঁজ মিলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ইউরোপার মাটির বয়স অন্তত ৬ কোটি বছর। 

    ইউরোপা কেমন

    আকারে বৃহস্পতির এই উপগ্রহটি চাঁদের থেকে সামান্য একটু ছোট। কিন্তু প্রাণ সঞ্চারের প্রাথমিক শর্ত যেটি, সেই জল নাকি রয়েছে ওই উপগ্রহে। রয়েছে একটা আস্ত সমুদ্র। বিজ্ঞানীরা অন্তত তেমনই দাবি করছেন। তবে ইউরোপার জলে নাকি কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেশি। জীবনের অন্যতম ভিত্তি কার্বন ডাই অক্সাইড। তাই যে সমস্ত জীবের পক্ষে কার্বন ডাই অক্সাইডের সাহায্যে জীবন ধারণ করা সম্ভব, তারা এখানে থাকলেও থাকতে পারে। দেখা গিয়েছে, ইউরোপায় রয়েছে বরফের একটি কঠিন স্তর।আমেরিকার মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা নাসার দাবি, ওই বরফের কঠিন স্তরের নিচে রয়েছে একটি মহাসমুদ্র। ওই মহাসমুদ্রে প্রচুর কার্বন সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

    ইউরোপায় অভিযান

    প্রসঙ্গত, গোটা সৌরজগতে ইউরোপার মতো বেশি গ্রহ বা উপগ্রহ নেই। প্রাণের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে, এমন সংখ্যা নগণ্য। ফলে কার্বন ডাই অক্সাইডের অস্তিত্ব পাওয়ায় আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা। ইউরোপার টারা রেগিও নামের একটি অংশে বেশি পরিমাণে এই গ্যাসের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। সেখান থেকেই কোনও একটি সুখবর পাওয়ার আশায় রয়েছে বিজ্ঞানীরা। আপাতত জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে সেদিকটাই খুঁটিয়ে দেখছে নাসা। ইউরোপার উদ্দেশে দু’টি অভিযানের লক্ষ্য রয়েছে গবেষকদের। ২০২৪ সালে নাসার ক্লিপার অভিযানের সূচনা হবে। কক্ষপথ থেকে ইউরোপাকে পর্যবেক্ষণ করবে মহাকাশযানটি। সেখানে প্রাণধারণের উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে কিনা, খতিয়ে দেখবে। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি-র জুপিটার আইসি মুন এক্সপ্লোরার (Juice) আগামী বছর এপ্রিলে রওনা দেবে ইউরোপার উদ্দেশে। ২০৩১ সালে ইউরোপার কাছাকাছি পৌঁছবে সেটি। বৃহস্পতির তিনটি গ্রহ, ইউরোপা, গানিমিড এবং ক্যালিস্টোর চারপাশে ৩৫ বার চক্কর কাটবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • C-295 Airlifter: বায়ুসেনার পর নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতেও আসতে চলেছে ‘সি-২৯৫’?

    C-295 Airlifter: বায়ুসেনার পর নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতেও আসতে চলেছে ‘সি-২৯৫’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বায়ুসেনার পর এবার ভারতের নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতেও কি আসতে চলেছে অত্যাধুনিক ‘সি-২৯৫’ সামরিক পণ্যবাহী বিমান (C-295 Airlifter)? কলকাতায় এসে এমনই ইঙ্গিত দিয়ে গেলেন উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) ডিজি রাকেশ পাল। 

    কী বললেন আইসিজি ডিজি রাকেশ পাল?

    চিন-পাকিস্তান লাগোয়া দুর্গাম সীমান্তে নিমেষে সামরিক সরঞ্জাম, রসদ পৌঁছে দিতে স্পেনের এয়ারবাস থেকে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ পণ্য সরবরাহকারী বিমান কিনেছে ভারতীয় বায়ুসেনা, যার ডেলিভারি শুরুও হয়ে গিয়েছে। এবার সেই পথে যেতে চলেছে নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীও (Indian Coast Guard)। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে উপকূলরক্ষী বাহিনীর ডিজি জানান, তারাও ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) কেনার বিষয়ে অনেকটা এগিয়েছেন। তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই এই মর্মে প্রস্তাব পেশ করা হবে কেন্দ্রের ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলে। তিনি আশাবাদী সেই প্রস্তাব পাশ হবে। রাকেশ পাল জানান, মোট ১৫টি ‘সি-২৯৫’ বিমান কেনা হবে। এর মধ্যে ৯টি নেবে নৌসেনা আর ৬টি থাকবে উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে।

    আরও পড়ুন: ভারতে পৌঁছল প্রথম ‘সি-২৯৫’ বিমান, কতটা লাভবান হবে ভারতীয় বায়ুসেনা?

    বায়ুসেনা কিনছে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ বিমান

    বর্তমানে ব্যবহৃত পুরনো আমলের এবং তুলনামূলক ছোট ও কম শক্তিশালী অ্যাভরো-৭৪৮ বিমানের পরিবর্তে আরও শক্তিশালী, অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রযুক্তিগতভাবে বেশি উন্নত ‘সি-২৯৫’ পণ্য সরবরাহকারী বিমান ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয় বায়ুসেনা। মূল উদ্দেশ্য, দুর্গম সীমান্তে অল্প সময়ের মধ্যে এবং সহজেই সামরিক সরঞ্জাম থেকে প্রয়োজনীয় রসদ ও সেনা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। সে কারণে, স্পেনের এয়ারবাস সংস্থা থেকে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) মিডিয়াম ট্যাক্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্র্যাফট কেনার বরাত ২০২১ সালে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা। চুক্তি মোতাবেক, প্রথম ১৬টি ইউনিট স্পেন থেকে একেবারে তৈরি অবস্থায় আসবে। এর মধ্যে, প্রথম বিমানটি গত সেপ্টেম্বর মাসেই স্পেন থেকে ভারতে চলে এসেছে। বাকি ৪০টি তৈরি হবে ভদোদরায় টাটার অ্যাডভান্সড সিস্টেমস-এর কারখানায়। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, অদূর ভবিষ্যতে, এই ৫৬ সংখ্যাটা বাড়াতে পারে বায়ুসেনা। কারণ, অ্যাভরো-র পর রুশ-নির্মিত এন-৩২ (অ্যান্টোনভ) বিমানগুলোকেও এই ‘সি-২৯৫’ দিয়ে করার ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে বায়ুসেনা। সেক্ষেত্রে, বাহিনীতে ‘সি-২৯৫’ বিমানের সংখ্যা ১৫০-র কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে।

    নৌ ও উপকূলরক্ষীর বিমানে লাগানো থাকবে বিশেষ সেন্সর!

    এদিকে, সূত্রের খবর, নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) জন্য যে ‘সি-২৯৫’ বিমানগুলি তৈরি করা হবে, সেগুলিতে বিশেষ সেন্সর বসানো হবে। এই বিমানগুলি মূলত মাল্টি-মিশন মেরিটাইম এয়ারক্র্যাফট হিসেবে কাজ করবে। সংক্ষেপে যাকে বলা হবে ‘এমএমএমএ’। এই বিমানগুলিতে থাকবে অ্যাকটিভ ইলেক্ট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (আয়েসা) রেডার। সমুদ্র সীমান্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা সীমান্তাঞ্চলের মধ্যে সমুদ্রে ভাসমান যাবতীয় জাহাজ ও বোটের ওপর নজর রাখা হবে এই বিমানের প্রধান কাজ। সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখে নৌসেনার ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর ‘সি-২৯৫’-কে (C-295 Airlifter) বিশেষভাবে মডিফাই বা কাস্টোমাইজ়ড করা হবে। কেন্দ্রীয় সূত্রের আরও দাবি, নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর জন্য যে বিমানগুলি কেনা হবে, সেগুলো তৈরি হবে এদেশে টাটার কারখানায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share