Blog

  • Meteorite: পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি কীভাবে, জানাবে অসমে খসে পড়া উল্কাপিণ্ড!

    Meteorite: পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি কীভাবে, জানাবে অসমে খসে পড়া উল্কাপিণ্ড!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাত বছর আগের এক রাতের নিকষ কালো আকাশের বুকে দেখা গিয়েছিল উজ্জ্বল আলোকখণ্ড। পরে সেটি দ্রুত গতিতে নীচের দিকে এসে সজোরে আছড়ে পড়ে মাটিতে। আসলে সেটি একটি উল্কাপিণ্ড (Meteorite)। অসমের (Assam) গোলাঘাট জেলার কামারগাঁও শহরের উপান্তে খসে পড়েছিল ওই উল্কাপিণ্ড।

    উল্কাপিণ্ড…

    সেই উল্কাপিণ্ড সংগ্রহ করে শুরু হয় গবেষণা। সেই গবেষণা থেকেই জানা গিয়েছে এই উল্কাপিণ্ডের মধ্যেই লুখিয়ে রয়েছে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি হয়েছিল কীভাবে। এই উল্কাপিণ্ডে থাকা রাসায়নিক কম্পোজিশনগুলিই সমস্যার সমাধানে বড়সড় ইঙ্গিত দেবে বলে আশা গবেষকদের। অসমের মাটিতে আছড়ে পড়া ওই উল্কাপিণ্ডের মধ্যে থাকা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করেন জানা যাবে নক্ষত্র থেকে কীভাবে জীবনের সূচনা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: উচ্চশিক্ষার দরজা বন্ধ! মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি তালিবানের

    উল্কাপিণ্ডটি নিয়ে কাজ করছেন খড়্গপুর আইআইটির একদল গবেষক। তাঁদের দাবি, ভিন সৌরজগৎ থেকে আসা উল্কাপিণ্ড বিশ্লেষণ করে জানা গিয়েছে খনিজের মধ্যে ভেসিক্যালস রয়েছে। এই প্রথম এটা জানা গেল। এটা থেকেই জানা যেতে পারে জগতে কীভাবে প্রাণের সঞ্চার হয়েছিল। কেবল খড়্গপুর আইআইটি (IIT) নয়, আইআইটির সঙ্গে যৌথভাবে এই গবেষণা করছে জাপানের হিরোশিমা বিশ্ববিদ্যালয় এবং আহমেদাবাদের ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরিও। এই গবেষণালব্ধ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল অফ জিওগ্রাফিক্যাল রিসার্চ প্ল্যানেটসে।

    আরও পড়ুন: হয় কোভিড-বিধি মানুন, নয়তো ভারত জোড় যাত্রা বন্ধ করুন, রাহুলকে চিঠি মাণ্ডব্যর

    গবেষকরা জেনেছেন, অসমে যে উল্কাপিণ্ডটি (Meteorite) খসে পড়েছিল, সেটা এসেছে মঙ্গল ও বৃহস্পতির অ্যাস্টোরয়েড বেল্ট থেকে। দ্রুত গতিতে ভূপৃষ্ঠে আছড়ে পড়ার সময় সেটির সঙ্গে ধাক্কা হয় কোনও গ্রহাণুর। জানা গিয়েছে, এই যে উল্কাপিণ্ডের সঙ্গে গ্রহাণুর সংঘর্ষ, তার ফলে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছিল গ্রহাণু। এরই কয়েকটি টুকরো আছড়ে পড়েছে ভূপৃষ্ঠে। অসমের কামারগাঁওয়ে যে উল্কাপিণ্ডটি আছড়ে পড়েছিল, সেটি যে গ্রহাণু থেকে এসেছিল, সেটি আকারে ৬.৪ কিলোমিটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sundar Pichai: ভারত হবে ডিজিটাল ইকনমির সফল রফতানিকারী দেশ, বললেন সুন্দর পিচাই

    Sundar Pichai: ভারত হবে ডিজিটাল ইকনমির সফল রফতানিকারী দেশ, বললেন সুন্দর পিচাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত উন্নতি করছে ভারত (India)। গোটা বিশ্বের কাছে এটি একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সরকারি উদ্যোগে ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস (UPI) এবং আধারের (AADHAAR) মতো জিনিস তৈরি করা হয়েছে। কথাগুলি বললেন গুগল এবং অ্যালফাবেট সিইও সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai)।

    সুন্দর পিচাই বলেন…

    সম্প্রতি এক সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে খড়্গপুর আইআইটির এই প্রাক্তনী বলেন, দেখুন ভারত কীভাবে  ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস, আধার এবং পেমেন্টস স্ট্যাক করেছে। এবং আপনি দেখতে পাবেন একটা খোলামেলা কানেক্টেড স্ট্যাক কীভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, এটাই হল ইন্টারনেট। গুগল এবং অ্যালফাবেট সিইও সুন্দর পিচাইয়ের ভবিষ্যদ্বাণী, অদূর ভবিষ্যতে ভারত হবে ডিজিটাল ইকনমির সফল রফতানিকারী দেশ। তিনি আরও বলেন, ভারত সরকারের সঙ্গে গুগলের পার্টনারশিপ একটি গঠনমূলক উদ্যোগ হবে। কেন্দ্রের টেলিকম বিল, নিউ ডেটা বিল এবং রিভিশন অফ দ্য আইটি অ্যক্টের ভূয়সী প্রশংসাও করেন সুন্দর পিচাই। তিনি বলেন, প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তামাম বিশ্বের সরকার তার দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও প্রাইভেসি বজায় রাখতে পারে।

    আরও পড়ুন: হয় কোভিড-বিধি মানুন, নয়তো ভারত জোড় যাত্রা বন্ধ করুন, রাহুলকে চিঠি মাণ্ডব্যর

    প্রসঙ্গত, গুগল এবং অ্যালফাবেট সিইও (Sundar Pichai) যখন এই কথাগুলি বলছেন, তার ঠিক আগে আগেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান ডেটা প্রোটেকশন বিল, টেলিকম বিল এবং ডিজিটাল ইন্ডিয়া বিল সংসদে পেশ হতে পারে চলতি অধিবেশনেই। রেলমন্ত্রী জানান, ডেটা প্রোটেকশন বিল এবং ডিজিটাল ইন্ডিয়া বিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সেরা সুযোগ নিতে পারবে। অন্যদিকে টেলিকম বিল গ্রাহকের নিরাপত্তার ওপর আলোকপাত করবে।

    প্রসঙ্গত, এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai)। জি-২০ রাষ্ট্রগোষ্ঠীর সভাপতির আসন পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানান তিনি। পরে বলেন, আমরা এমন একটি মুক্ত এবং সম্পৃক্ত ইন্টারনেট ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যা সকলের জন্য কাজ করবে। এর পর একটি ট্যুইট করেন সুন্দর পিচাই। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচি অগ্রগতির পথে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Life Expectancy: মহামারির কারণে গড় আয়ু কমল মার্কিনীদের

    Life Expectancy: মহামারির কারণে গড় আয়ু কমল মার্কিনীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমীক্ষায় প্রকাশ গড় আয়ু কমল (Life Expectancy) মার্কিনীদের‌।  ইউএস সেন্টার ফর ডিসিস কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের ডেটা অনুযায়ী , ১৯৯৬ সালের পর থেকে এ নিয়ে দ্বিতীয় বার যখন মার্কিনীদের গড় আয়ু (Life Expectancy)  সব থেকে কমল। গড় আয়ু কমার (Life Expectancy)  জন্য অবশ্য বিশেষজ্ঞ মহল বিভিন্ন কারণ কে সামনে আনছে, তবে সবথেকে বড় কারণ হিসেবে উঠে আসছে করোনা অতিমারি। সারা বিশ্বের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রতেও ব্যাপকভাবে আঘাত হেনেছিল করোনা এবং সে সময়ে সে দেশের বহু মানুষের মৃত্যু ঘটে।
     

    গড় আয়ু (Life Expectancy)  কত কমল

    ওই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাব হওয়ার আগে মার্কিনীদের গড় আয়ু (Life Expectancy)  যা ছিল, ঠিক এক বছরের মাথায় গড় আয়ু (Life Expectancy)  ০.৬ বছর কমেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালে মার্কিনীদের গড় আয়ু (Life Expectancy)  ছিল ৭৭.৪ বছর , ২০২১ সালে এই গড় আয়ু (Life Expectancy)  কমে হয়েছে ৭৬.০৬। এর মধ্যে দেখা যাচ্ছে ২০২০ সালে পুরুষদের গড় আয়ু (Life Expectancy)  ছিল ৭৪.২ এখান থেকে ২০২১ সালে পুরুষদের গড় আয়ু (Life Expectancy)  হয়েছে ৭৩.৫ বছর অন্যদিকে মহিলাদের গড় আয়ু ০.৬ বছর কমেছে। ২০২০ সালে মহিলাদের গড় আয়ু ছিল ৭৯.৯ বছর ২০২১ এ সেই গড় আয়ু দাঁড়িয়েছে ৭৯.৩ বছর। অর্থাৎ স্পষ্টভাবেই বোঝা যাচ্ছে এক বছরে গড় আয়ুর পরিমাণ এতটা কমে যাওয়ার কারণ শুধুমাত্র করোনা অতি মহামারি। এছাড়াও যে কারণগুলিকে এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে হৃদরোগ এবং ক্যান্সার। লিভারের অসুখ এবং সিরোসিসকেও দায়ী করা হচ্ছে। অন্যদিকে আরও যে সমস্ত কারণ রয়েছে সেগুলি হল ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং নিউমোনিয়া।
    মহামারি চলাকালীন ওষুধের ওভারটোজে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধুমাত্র ২০২১ সালেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১,০৭,০০০ মানুষ ওষুধের ওভারটোজের কারণে মারা গিয়েছিল বলে রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে। রিপোর্টে এও দেখা যাচ্ছে যে গত দুই বছরে ওষুধের ওভারডোজের কারণে মৃত্যুর পরিমাণ ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গড় আয়ু ব্রিটেনের থেকে কম। ব্রিটেনের গড় আয়ু  ৮০.৮ বছর।  এমনকি প্রতিবেশী কানাডার চেয়েও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গড় আয়ু কম, কানাডার গড় আয়ু ৮১.৭৫।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Covid in China: চিনে আগামী এক সপ্তাহে শিখরে পৌঁছবে করোনা সংক্রমণ, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    Covid in China: চিনে আগামী এক সপ্তাহে শিখরে পৌঁছবে করোনা সংক্রমণ, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার (Covid in China) চোখ রাঙানি কমার লক্ষণই নেই। ফি বছর নতুন ঢেউ নিয়ে হাজির হচ্ছে এই মারণ ভাইরাস। করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ চিন। চিনে সংক্রমণ কমার কোনও নাম নেই। বরং দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রতিবেশী দেশে ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা। সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যানের থেকে মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটাই বেশি বলে অভিযোগ করেছে সে দেশের জনগণ। অভিযোগ, করোনার জেরে চিনে লাগাতার মানুষ মারা যাচ্ছে। তবে তা স্বীকার করতে রাজি নয় জিনপিং সরকার।

    আরও পড়ুন: উদয়পুর দরজি খুন নিয়ে চার্জশিট পেশ এনআইএ- র, পাক যোগ?

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    এরই মধ্যে মহামারি বিশেষজ্ঞদের দাবিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে চিনে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চিনে আগামী ২ মাসে ৩ টি করোনার (Covid in China) ঢেউ আছড়ে পড়বে। যাতে বহু মানুষ মারা যেতে পারেন। আগামী এক সপ্তাহে করোনা সংক্রমণ শিখরে পৌঁছবে বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছবে ৫ হাজারে। বিশেষজ্ঞদের আরও দাবি, এখন যে ঢেউ আছড়ে পড়েছে সেটি আসলে প্রথম। এরপর আরও ২টি ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। প্রাথমিকভাবে মহামারি বিশেষজ্ঞদের অনুমান, রাজধানী বেজিংয়ে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ করোনায় সংক্রমিত। লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরবন্দি। হাসপাতালগুলিতেও বাড়ছে করোনা আক্রান্তদের ভিড়।   

    সংক্রমণ এতটাই বেড়েছে যে, সোমবার রাজধানী বেজিংয়ে ২ জনের মৃত্যুও হয়েছে। যদিও করোনায় চিনে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ মারা গিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। 

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনের শহরগুলোতে করোনা সংক্রমণ বাড়ার মূল কারণ করোনা (Covid in China) ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। ওমিক্রনের দুটি উপ-ভ্যারিয়েন্ট, BA.5.2 এবং BF.7 দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রাজধানী বেজিং BF.7-এর সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, BF.7 কে সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসের আখ্যা দিয়েছে। 

    বিশেষজ্ঞদের আরও দাবি, ওমিক্রনের উপ-ভ্যারিয়েন্টই দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, তবে তারা ডেল্টা রূপের মতো বিপজ্জনক নয়। নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হলে গলায় মারাত্মক সংক্রমণ, শরীরে ব্যথা, হালকা বা খুব বেশি জ্বর হতে পারে। ২২ ডিসেম্বর দেশজুড়ে আক্রান্ত (Covid in China) হয়েছেন প্রায় ৪ হাজার চিনবাসী।

    চিন প্রশাসনের দাবি, টিকাকরণের জেরে চিনে (Covid in China) মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। তবে আগামী বছর সে দেশে ১০ লক্ষ করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হতে পারে বলে দাবি করেছেন আমেরিকার এক গবেষক। তাঁর দাবি, ২০২৩ সালে চিনে করোনা বিস্ফোরণ হতে পারে।

    চিন প্রশাসনের দেওয়া তথ্য (Covid in China) অনুসারে, এখনও পর্যন্ত ৬০ বছরের বেশি জনসংখ্যার ৮৭% সম্পূর্ণরূপে টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে ৮০ বছরের বেশি বয়সী বয়স্কদের মধ্যে মাত্র ৬৬.৪ শতাংশ টিকা দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PM Modi: করোনা সংক্রমণ রুখতে সক্রিয় কেন্দ্র, কলকাতায় জনসভা বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: করোনা সংক্রমণ রুখতে সক্রিয় কেন্দ্র, কলকাতায় জনসভা বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে কোভিড পরিস্থিতি ভয়াবহ। ভারতে সংক্রমণ যাতে বাড়তে না পারে তাই সতর্ক কেন্দ্র। দেশে ফের করোনা বিধি চালু করা হচ্ছে। করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় সুরক্ষার খাতিরে কলকাতার জনসভা বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চিনের করোনা সংক্রমণ সংকটজনক তাই দেশেও বড় জমায়েত ফের বাতিল করার নির্দেশ দিতে পারে কেন্দ্র। ভাইরাস বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট অতি দ্রুত ছড়াতে পারে। ফলে মারাত্মক আকার নিতে পারে করোনা এমন আভাস দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    বাতিল সভা, হবে অন্য কর্মসূচি 

    প্রসঙ্গত, বছর শেষের আগেই কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় গঙ্গা কাউন্সিলের (National Ganga Council) বৈঠক হবে কলকাতায়। এই বৈঠকে যোগ দিতেই কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। ৩০ তারিখের ওই বৈঠকে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জাতীয় গঙ্গা কাউন্সিলের সভাপতি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর সদস্য পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও গঙ্গা কাউন্সিলের সদস্য রাজ্য হল উত্তর প্রদেশ, বিহার, উত্তরাখণ্ড ও ঝাড়খণ্ড। জাতীয় গঙ্গা কাউন্সিলের বৈঠকের পর বারাণসী এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনই হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে এক জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা  ছিল মোদির। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথমবার বাংলায় সভা করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু করোনা-সতর্কতার কারণে সেই সভা বাতিল করা হচ্ছে বলে খবর। তবে গঙ্গা কাউন্সিলের বৈঠকে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সূচনা করবেন হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের।

    আরও পড়ুন: করোনা পরীক্ষা ছাড়া তাজমহলে প্রবেশ নয়, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    সচেতন ভারত

    করোনা নিয়ে চিনের (China Corona) পরিস্থিতির উপর নজর রেখে ভারতেও একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। শনিবার থেকে করোনা (Corona) বিধি ফিরছে দেশের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। বিমানবন্দরেই ২ শতাংশ যাত্রীর করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গতকালের একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে করোনার জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য আগেই জানিয়েছেন, এখন মূল লক্ষ্য হল কোনওভাবেই যেন করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ভারতে প্রবেশ করতে না পারে। আবার যাত্রীদের সুবিধা-অসুবিধার বিষয়টিও দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ভারতেও করোনার নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট BF.7-এ আক্রান্ত চারজনের হদিশ মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ কেন্দ্র। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আজই প্রতিটি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এদিন দুপুর ৩টেয় নাগাদ এই বৈঠক হবে বলে খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Santragachi: শেষ হল ভোগান্তির, বড়দিনের আগেই খুলে গেল সাঁতরাগাছি সেতু

    Santragachi: শেষ হল ভোগান্তির, বড়দিনের আগেই খুলে গেল সাঁতরাগাছি সেতু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খারাপ হয়ে গিয়েছিল সাঁতরাগাছি (Santragachi) সেতুর এক্সপ্যানসন জয়েন্টগুলি। সেই কারণে শুরু হয়েছিল সেতু সংস্কারের কাজ। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে হচ্ছিল কাজ। শেষমেশ শুক্রবার ভোরে খুলে দেওয়া হয় কলকাতায় (Calcutta) ঢোকার গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু। এদিন ভোর পাঁচটা থেকে সেতুর দুই লেনেই গাড়ি চলাচল করতে শুরু করে। সেতু খুলে দেওয়ায় মাসাধিক কাল ধরে যে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল যাত্রীদের, তার অবসান হল এদিন কাকভোরে।

    সাঁতরাগাছি সেতু…

    চলতি বছরের নভেম্বরের ১৯ তারিখে শুরু হয়েছিল সাঁতরাগাছি সেতুর এক্সপ্যানসন জয়েন্টগুলি সংস্কারের কাজ। তার জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয় পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল। সেতু সংস্কারের জন্য যান নিয়ন্ত্রণও করা হচ্ছিল। রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হচ্ছিল যান চলাচল। সাঁতরাগাছির এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮০ হাজার গাড়ি চলাচল করে। এমন গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে সংস্কারের কাজ চলায় মাসাধিক কাল ধরে যানজট ছিল নিত্য সঙ্গী। শেষমেশ অবসান হল সেই যানজটেরই।

    আরও পড়ুন: চোখ রাঙাচ্ছে করোনা, কী কী বিধি জারি করল কেন্দ্র?

    প্রথমে ঠিক ছিল, সেতু খোলা হবে নতুন বছরের আগেই। তার বেশ কয়েকদিন আগেই শেষ হয়ে যায় কাজ। তাই খুলে দেওয়া হয়েছে সেতু। সেতু খোলা নিয়ে বৃহস্পতিবারই পূর্তমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, শেষ হয়েছে সেতু সংস্কারের কাজ। শুক্রবার থেকেই স্বাভাবিকভাবে সাঁতরাগাছি (Santragachi) সেতুতে যান চলাচল করবে। সেই মতো এদিন সকালেই খুলে গিয়েছে  সেতু। আপাতত ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালাচ্ছে হাওড়া সিটি পুলিশ। নজরদারি চলবে চলতি মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত।

    ২০১৬ সালে একবার কোনা এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থাকা সাঁতরাগাছি সেতুর এক দিকের ২১টি এক্সপ্যানশন জয়েন্ট বদলানোর কাজ হয়েছিল। সেবারও সেতুর একটি দিকের লেন বন্ধ করে কাজ হয়েছিল। এবার ফের অন্য একটি দিকের লেনের কাজ হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই দফায় সেতুর একটি লেন বন্ধ রেখে ২০টি করে মোট ৪০টি এক্সপ্যানশন জয়েন্ট বদলানো হয়েছে। গাড়ি চলাচলের ভার, কম্পন, তাপমাত্রার তারতম্য নিয়ন্ত্রণ করে সেতুর ভারসাম্য বজায় রাখে এই এক্সপ্যানশন জয়েন্ট। এ জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, সেতুর রাস্তার উপরিভাগ আগের থেকে মসৃণ হয়েছে ঢের বেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Covid Alert: চোখ রাঙাচ্ছে করোনা, কী কী বিধি জারি করল কেন্দ্র?

    Covid Alert: চোখ রাঙাচ্ছে করোনা, কী কী বিধি জারি করল কেন্দ্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। চিনে ফের আছড়ে পড়েছে কোভিড (Covid Alert) ঢেউ। ভারতেও ইতিমধ্যেই সন্ধান মিলেছে করোনার নয়া প্রজাতির। ঝুঁকি এড়াতে আগাম সতর্কতা নিতে শুরু করেছে কেন্দ্র। দূরত্ববিধি মেনে চলা, মাস্ক পরা সহ নতুন কোভিড বিধি লাগু করার পাশাপাশি বিমানবন্দরেও একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক। কোভিডের এই নতুন আতঙ্কে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাল গোটা দেশ?  

    বিমানবন্দরে আগত প্রত্যেক যাত্রীর সঙ্গে করোনা (Covid Alert) ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নেওয়ার শংসাপত্র থাকতে হবে। এছাড়া আগের মতোই করোনা বিধি মেনে বিমানবন্দরে দূরত্ববিধি মেনে চলা, সকলের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। কোনও যাত্রীর মধ্যে করোনা উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে আইসোলেট করা হবে।

    আরও পড়ুন: করোনা পরীক্ষা ছাড়া তাজমহলে প্রবেশ নয়, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    কোন রাজ্য কী ব্যবস্থা নিল? 

    • কর্নাটক সরকার মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক ঘোষণা করেছে। বিশেষ করে বদ্ধ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে। সাধারণ জ্বর-সর্দি-কাশির ক্ষেত্রেও পরীক্ষা বাধ্যতামূলক।  
    • উত্তরপ্রদেশ সরকার ঘোষণা করেছে করোনা (Covid Alert) পরীক্ষার রিপোর্ট ছাড়া আগ্রার তাজমহলে প্রবেশ করা যাবে না। 
    • গুজরাটে নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত তিনজনের হদিশ মেলার পরেই তড়িঘড়ি বৈঠক ডেকেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্যজুরে এক লক্ষ কোভিড বেডের বন্দবস্ত করা হয়েছে। আপাতত গুজরাটে ২৩ জন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। 
    • দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এ বিষয়ে বলেন, “আমি মোটেই আতঙ্কিত নই। এখন রোজ আড়াই হাজার পরীক্ষা হচ্ছে। প্রয়োজন পড়লে দৈনিক এক লক্ষ পরীক্ষা অবধি করা হবে। এই মুহূর্তে আট হাজার কোভিড বেড রয়েছে। প্রয়োজন পড়লে ছত্রিশ হাজার বেডের ব্যবস্থা করা হবে।”  
    • কেন্দ্রের নির্দেশিকার পর তৎপর পশ্চিমবঙ্গও। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এদিন বলেন, “আমরা একটি বিশেষ কমিটি গঠন করছি।” গঙ্গাসাগর মেলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “মানুষ কী উৎসব পালন করবে না? এখনও অবধি এখানে কোনও আক্রান্তের খবর মেলেনি। আমরা মানুষকে কোভিড বিধি মেনে চলতে বলব।”
    • মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে প্রত্যেক পুরসভাকে কোভিড পরীক্ষা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী তানাজি সাওয়ান্ত পাঁচ পয়েন্টের প্ল্যান অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। টেস্ট,ট্র্যাক, ট্রিট, ভ্যাক্সিনেট, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
    • পাঞ্জাব সরকার এখনও কোভিড-বিধি লাগু করতে রাজি নয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী চেতন সিং জৌরামাজরা বলেন, “আমাদের রাজ্যে এই মুহূর্তে আক্রান্তের সংখ্যা ৯। ১৬ জেলায় এখনও আক্রান্তের কোনও খবর নেই।”
    • কেরল সরকার সতর্কতা জারি করার পাশাপাশি জানিয়েছে এখনও ভয়ের কোনও কারণ নেই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Amit Shah: আপনার বয়স ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে এটা শোভা পায় না! সৌগতকে বললেন বিরক্ত শাহ

    Amit Shah: আপনার বয়স ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে এটা শোভা পায় না! সৌগতকে বললেন বিরক্ত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে বক্তব্য রাখার সময় বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের আচরণে মেজাজ হারালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে মাদক সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিতর্ক চলাকালে তার পক্ষে অনেক বিষয় তুলে ধরা হয়, তবে এদিন বক্তব্য রাখার মাঝেই বিরক্ত হন অমিত। নেপথ্যে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। অমিত শাহের বক্তব্যের সময়ই সংসদে কথা বলতে শুরু করেন সৌগত রায়। এতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেগে যান। তিনি বলেন, ‘দাদা, আপনি যদি ভাষণ দিতে চান, আমি বসে যাচ্ছি। ১০ মিনিট বলুন।’ আরও রেগে গিয়ে শাহ বলেন, ‘কথার মধ্যে কথা বলার বিষয়টি আপনার বয়স ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে শোভা পায় না।’ লোকসভায় তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের উপর তুমুল চটে এমনই বললেন অমিত শাহ। 

    এরপর যখন বিরোধী দলের এক সাংসদ জানতে চান কেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেগে গেলন, তখন অমিত শাহ শুধু বলেন যে তিনি রাগ করেননি, তবে বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাচ্ছিলেন।  তাঁর কথায়, “মাঝে মাঝে বড়রা ভুল করলে ছোটদের শুধরে দিতে হয়।”

    আরও পড়ুন: আসানসোলের পদপিষ্ট কাণ্ডে জিতেন্দ্রজায়া চৈতালিকে রক্ষাকবজ দিল হাইকোর্ট

    মাদক প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাদক ব্যবহার নিয়ে বিতর্কের সময় লোকসভায় শাহ জানান, ভারতে যে রুট ধরে মাদক পাচার করা হয়, তা চিহ্নিত করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যা দেশের ৪৭২ টি জেলায় ছড়িয়ে আছে। সেইসঙ্গে মাদকের পরিবর্ত হিসেবে যে সামগ্রী ব্যবহার করা হয়, সেগুলিরও বড় অংশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আগামী দু’বছরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে যে কেউ রেহাই পাবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাদক একটি বড় সমস্যা। মাদকের অর্থ সন্ত্রাসে ব্যবহৃত হয়। এই সমস্যার মোকাবিলা করার তিনটি উপায় আছে – সহযোগিতা, সমন্বয় এবং সহায়তা। এই লড়াইয়ের ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা (মাদক) কোনও একটি সরকার বা রাজনৈতিক দল বা সরকারি এজেন্সির কোনও লড়াই নয়। এটার (মাদক) বিরুদ্ধে সার্বিকভাবে পদক্ষেপ করা উচিত।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Covid-19: লোকসভায় ফিরে এল মাস্ক! করোনা রুখতে সচেষ্ট কেন্দ্র

    Covid-19: লোকসভায় ফিরে এল মাস্ক! করোনা রুখতে সচেষ্ট কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে দাপট দেখাচ্ছে ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা। চিনের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারতও। চিন থেকে ভারতেও যাতে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য অতি তৎপর কেন্দ্র। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তেই তাই সংসদেও দেখা গেল সচেতনতা। রাজ্যসভায় মাস্ক পরে এলেন চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকর (Jagdeep Dhankar)। একই সঙ্গে মাস্ক পরে থাকতে দেখা গেল লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকেও (Om Birla)। উভয় কক্ষের বহু সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মুখেও দেখা গেল মাস্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বস্ত্রমন্ত্রী পীযূষ গয়াল-সহ অনেক মন্ত্রী, সাংসদকেই মাস্ক পরে অধিবেশনে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে।

    সকলকে মাস্ক পরার আর্জি

    বৃহস্পতিবার করোনার (Corona) পুনঃ প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কায় সকল সাংসদকে মাস্ক পরে থাকা ও কোভিডবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন উপরাষ্ট্রপতি ধনকড় ও লোকসভা অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। সকলকে সাবধানতা অবলম্বন করার কথাও বলেন তাঁরা।  ভারতেও যাতে সংক্রমণের পুরনো ছবি আর ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করতে বুধবারই বিকেলে বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ, নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) বি কে পল-সহ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। তাঁদের সকলেরই মুখে ছিল মাস্ক। বৈঠকের শেষেও সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরা ও করোনাবিধি অনুসরণ করে চলার পরামর্শ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: দেশে ফের কোভিড-হানার আশঙ্কা, রুখতে তৎপর কেন্দ্র, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মোদি

    বুধবার কংগ্রেসের ধর্নামঞ্চেও মাস্ক পরে থাকতে দেখা গিয়েছে কংগ্রেস সংসদীয় দলনেত্রী সোনিয়া গান্ধীকেও (Sonia Gandhi)। তবে এখনও বহু সাংসদকেই বিনা মাস্কে দেখা গিয়েছে সংসদ চত্বরে। তাঁদেরও করোনা প্রতিরোধী মাস্ক পরার জন্য আর্জি জানিয়েছেন সংসদ ভবনের দুই কক্ষের সভাধ্যক্ষরা। এদিন কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্য়সভায় বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গের ঘরে যে বিরোধী দলের বৈঠক বসেছিল, তাতে অধিকাংশ সাংসদেরই অরক্ষিত মুখ দেখা যায়। মাস্ক ছিল না কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের মুখেও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন কেন্দ্রীয় টেট পাশরাও, নির্দেশ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Justice Abhijit Gangopadhyay: প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন কেন্দ্রীয় টেট পাশরাও, নির্দেশ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এবার থেকে অংশ নিতে পারবেন কেন্দ্রীয় টেট পাশ করা প্রার্থীরাও। বৃহস্পতিবার এমনই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay) নির্দেশ অনুযায়ী, প্রাথমিকের নিয়োগে কেন্দ্রীয় টেট (সিটেট) উত্তীর্ণরাও আবেদন করার সুযোগ পাবেন। তবে পরবর্তীকালে তাঁদের চাকরির সুপারিশে চূড়ান্ত ছাড়পত্র দেবে হাই কোর্ট।

    এত দিন রাজ্যে প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শুধুমাত্র রাজ্যের আয়োজিত টেট পরীক্ষায় পাশ করা প্রার্থীরাই অংশ নিতে পারতেন। কেন্দ্রীয় টেট উত্তীর্ণদের অংশগ্রহণ করার কোনও সুযোগ ছিল না। বৃহস্পতিবারের নির্দেশের পরে তাঁরাও এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। দেশের অধিকাংশ রাজ্যেই আগে থেকে এই নিয়ম চালু আছে। রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াতে কেন্দ্রীয় টেট উত্তীর্ণরা অংশ নিতে পারেন। কিন্তু এ রাজ্যে এতদিন এই নিয়ম ছিল না। এ নিয়ে আদালতে মামলা করেন এক কেন্দ্রীয় টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী। মামলার শুনানিতে বৈষম্যের বিষয়টি উল্লেখ করেন মামলাকারীর আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতের (Justice Abhijit Gangopadhyay) এই নির্দেশের ফলে রাজ্যের নতুন শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে পারবেন কেন্দ্রীয় টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরাও। শেষ পর্যন্ত রাজ্যে চাকরির নিয়োগপত্র তাঁরা হাতে পাবেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    আরও পড়ুন: “বড়দিনের উৎসবে মাস্ক পরুন, দূরত্ববিধি মেনে চলুন”, সংসদ থেকে বিশেষ বার্তা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, সিবিএসই, আইসিএসই বোর্ডের ছাত্র-ছাত্রীরাই মূলত কেন্দ্রীয় টেট পরীক্ষায় বসেন। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় টেট উত্তীর্ণদের মধ্যে সারা দেশের বিভিন্ন রাজ্যের চাকরিপ্রার্থী রয়েছেন। অন্যদিকে, রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এতদিন কেবল পশ্চিমবঙ্গ কাউন্সিল বোর্ডের ছাত্র-ছাত্রীরাই অংশগ্রহণ করতে পারতেন। এবার হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় টেট উত্তীর্ণদেরও রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ দেওয়ার অনুমতি (Justice Abhijit Gangopadhyay) দেওয়ার পরে রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিযোগিতা আরও খানিকটা বাড়ল।

    চাকরিপ্রার্থীদের পাশেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay) পর্যবেক্ষণে বলেন, “এই ধরনের কড়া নির্দেশ নতুন কিছু নয়।” এসএসসি হোক বা প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির মামলা, বারবার একাধিক কড়া এবং ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষেই রায় দিয়েছেন বরাবর। এবারও কেন্দ্রীয় টেট উত্তীর্ণদের রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ দেওয়ার নির্দেশে তেমনটাই দেখা গেল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share