Blog

  • Captain Amrinder Singh: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সাসপেন্ড কংগ্রেস সাংসদ প্রীনীত কৌর, তিনি কে জানেন?

    Captain Amrinder Singh: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সাসপেন্ড কংগ্রেস সাংসদ প্রীনীত কৌর, তিনি কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সাসপেন্ড করা হল সাংসদ কংগ্রেসের (Congress) প্রীনীত কৌরকে। তিনি বিজেপি (BJP) নেতা অমরিন্দর সিংয়ের (Captain Amrinder Singh) স্ত্রী। পঞ্জাবের পাতিয়ালা থেকে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ তুলেছিল পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস হাইকমান্ড।

    সিদ্ধান্তের নেপথ্যে…

    জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং প্রীনীতের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে চিঠি লেখেন হাইকমান্ডকে। চিঠিতে প্রীনীতের বিরুদ্ধে বিজেপিকে সাহায্য করার অভিযোগ করা হয়। পাতিয়ালার সাংসদকে দল থেকে সাসপেন্ড করার জন্য দলের ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন কমিটির কাছে আবেদনও করা হয়েছিল। তার পরেই দলের তরফে প্রীনীতকে শোকজ করা হয়। দল বিরোধী কাজের জন্য কেন তাঁকে সাসপেন্ড করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় শোকজ নোটিশে। তিন দিনের মধ্যে তাঁকে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়। সেই সময়সীমার মধ্যে উপযুক্ত জবাব প্রীনীতের (Captain Amrinder Singh) তরফে না পেয়ে এদিন সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে।

    একুশের নভেম্বরে কংগ্রেস ছাড়েন অমরিন্দর। তিনি কংগ্রেস ছাড়লেও, তাঁর স্ত্রী প্রীনীত ছিলেন সোনিয়া গান্ধীর দলেই। দল ছাড়ার সময় অমরিন্দর আক্রমণ শানান গান্ধী পরিবারকে। এর পর পঞ্জাব লোক কংগ্রেস নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন অমরিন্দর। ২০২২ সালে পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট করে লড়লেও, ভরাডুবি হয় অমরিন্দরের দলের। তার পরেই বিজেপিতে যোগ দেন ক্যাপ্টেন। অবশ্য দল ছাড়েননি তাঁর স্ত্রী। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। পাতিয়ালা থেকে টিকিট পাবেন না ভেবে আগেভাগেই প্রীনীত বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিলেন বলে অভিযোগ। তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধী নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Saradha Scam: সারদা মামলায় বাজেয়াপ্ত প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক, ইস্টবেঙ্গল কর্তা, নলিনী চিদম্বরমের সম্পত্তি

    Saradha Scam: সারদা মামলায় বাজেয়াপ্ত প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক, ইস্টবেঙ্গল কর্তা, নলিনী চিদম্বরমের সম্পত্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খবরের শিরোনামে ফের উঠে এল সারদা মামলা। আজ, শুক্রবার সারদা মামলায় সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক দেবেন বিশ্বাস, ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার, পি চিদম্বরমের স্ত্রী নলিনী-সহ একাধিক ‘সুবিধাভোগী’র সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডি সূত্রে খবর, বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির মোট অর্থমূল্য ৬ কোটি টাকারও বেশি। এনারা সকলেই সারদা সংস্থার জালিয়াতিতে লাভবান হয়েছিলেন।

    ইডির তরফে কী জানানো হল?

    এদিন ইডি জানিয়েছে, তহবিল তছরুপ প্রতিরোধ আইন বা পিএমএলএ-র অধীনে, সব মিলিয়ে ৬ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩.৩০ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পত্তি এবং ৩ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই সকল সম্পত্তি সারদা গোষ্ঠী এবং তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুবিধা লাভ করেছেন এরকম ব্যক্তিদের মালিকানাধীন ছিল।

    সুবিধাভোগীদের মধ্যে অন্যতম হলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের স্ত্রী নলিনী চিদম্বরম। নলিনী চিদম্বরম ছাড়াও আরও যে সকল বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে আছেন – ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাবের কর্তা দেবব্রত সরকার, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার তথা সিপিআইএম-এর প্রাক্তন বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, অনুভূতি প্রিন্টার্স অ্যান্ড পাবলিকেশনের মালিক, অসমের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রয়াত অঞ্জন দত্ত প্রমুখ। সব মিলিয়ে এই মামলায় এখনও পর্যন্ত মোট ৬০০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি।

    আরও পড়ুন: মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    ইডি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সারদা গোষ্ঠীর আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থা, বিরাট মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ২,৪৫৯ কোটি টাকা তুলেছিল। এর মধ্যে প্রায় ১,৯৮৩ কোটি টাকা এখনও পর্যন্ত ফেরত পাননি আমানতকারীরা। শুধু কিছু সুদের অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের এপ্রিলে এই চিটফান্ড কেলেঙ্কারি ধরা পড়েছিল। এই কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সংসদ কুণাল ঘোষ, শ্রীঞ্জয় বসু, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন পুলিশ কর্তা রজত মজুমদার, ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাবের কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার, তৎকালীন ক্রীড়া এবং পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্র-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Indus Water Treaty: সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতার প্রস্তাব খারিজ করে দিল ভারত

    Indus Water Treaty: সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতার প্রস্তাব খারিজ করে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিন্ধু জল চুক্তি (Indus Water Treaty) নিয়ে ভারত (India) ও পাকিস্তানের (Pakistan) মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্ততা করার আগ্রহ দেখিয়েছিল বিশ্বব্যাঙ্ক (World Bank)। বৃহস্পতিবার তারই কড়া প্রতিক্রিয়া দিল ভারত। নয়াদিল্লির তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হল সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ মেটানোর জন্য তৃতীয় কোনও পক্ষের প্রয়োজন নেই।এদিন ভারতের তরফে কোর্ট অফ আরবিট্রেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কেন্দ্রের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে কিষানগঙ্গা ও রাতলে হাইড্রো ইলেকট্রিক প্রকল্প নিয়ে নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে আলোচনার বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। এ প্রসঙ্গে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, আমাদের মনে হয় না দেশের হয়ে কোনও চুক্তিকে ব্যাখ্যা করার অবস্থানে রয়েছে বিশ্বব্যাঙ্ক। ওটা দুই দেশের মধ্যে চুক্তি।

    নয়াদিল্লি…

    নয়াদিল্লির তরফে এদিন জানিয়ে দেওয়া হয়, বিশ্বব্যাঙ্ক কোর্ট অফ অর্বিট্রেশনে যাওয়ায় ভারত অত্যন্ত ক্ষুণ্ণ। অরিন্দম বাগচি বলেন, ভারতের তরফে সিন্ধু জল চুক্তির (Indus Water Treaty) কমিশনার ২৫ জানুয়ারি নোটিশ জারি করেছে। এই নোটিশে পাকিস্তানকে সরাসরি সরকারের সঙ্গে চুক্তিভঙ্গের বিষয় নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ৯০ দিনের মধ্যে এই নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তিনি জানান, পাকিস্তানের তরফে ভারতের দেওয়া নোটিশের এখনও কোনও জবাব দেওয়া হয়নি। বিশ্ব ব্যাঙ্কের তরফে কী বলা হয়েছে বা এই চুক্তি নিয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া কী, সে বিষয়েও অবগত নন তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধী নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    দীর্ঘদিনের বিরোধ মেটাতে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় সিন্ধু জল চুক্তি (Indus Water Treaty) স্বাক্ষর করে ভারত ও পাকিস্তান। চুক্তি অনুযায়ী, বিতস্তা ও চন্দ্রভাগার জলের ওপর পাকিস্তানের অধিকার ৮০ শতাংশ, ভারতের ২০ শতাংশ। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ভারত ওই জল ব্যবহার করলেও, আটকাতে পারবে না। ২০১৫ সালে ভারতের কিষেনগঙ্গা ও রাতলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে আপত্তি তোলে পাকিস্তান। তাতে তাদের ভাগের জল কমে যাবে বলে দাবি করে ইসলামাবাদ। যদিও ভারতের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, সিন্ধু জল চুক্তি মেনেই প্রকল্পে নির্দিষ্ট পরিমাণ জল ব্যবহার করবে ভারত। ভারতের এই আশ্বাস কানে তোলেনি পাকিস্তান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Meghalaya: মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    Meghalaya: মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই মেঘালয়ে বিধানসভা নির্বাচন। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। মোট ৬০টি আসনে  ৬জন মহিলা প্রার্থীও রয়েছেন। প্রার্থী তালিকায় রয়েছে একাধিক চমক। বিজেপির রাজ্য সভাপতি আর্নেস্ট মাউরি, তিনজন প্রাক্তন বিধায়ক এমএম ডাঙ্গো, ডি জিনডিয়াং ও এডমান্ড কে সাংমা রয়েছেন। প্রাক্তন আইপিএস মারিয়াহোম খারক্রাং দাঁড়াচ্ছেন উত্তর শিলং থেকে। 

    মোদিকে সামনে রেখেই প্রচার

    বিজেপির এই প্রার্থী তালিকায় অনুমোদন দিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় ইলেকশন কমিটি। মেঘালয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি জানিয়েছেন, এবার বহু আসনে জিতবে দল। এদিন  প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে ট্যুইট করেছে মেঘালয় বিজেপি।

    ২০১৮ সালে বিজেপি ৪৭টি আসনে লড়াই করেছিল। সেবার মাত্র দুটি আসনে জিতেছিল বিজেপি। ৭টি আসনে বিজেপি ছিল দ্বিতীয়। ১২টি আসনে বিজেপি ছিল তৃতীয় স্থানে। বিজেপির ন্যাশানাল সেক্রেটারি ঋতুরাজ সিনহা জানিয়েছেন, এবার মেঘালয়ে ডবল ইঞ্জিন সরকার তৈরি হবে। তার জন্য এবার জোরদার লড়াই করতে হবে দলকে। 

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে স্বস্তি শুভেন্দুর! রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের শোকজ নোটিসের উপর স্থগিতাদেশ

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মেঘালয়ে বিজেপির প্রচারের ট্যাগ লাইন এম পাওয়ার মেঘালয়। এম মানে মোদি পাওয়ারড মেঘালয়। কিছুদিন আগেই, গত ডিসেম্বর মাসে মেঘালয় সফরে এসেছিলেন মোদি। তখনই এই রাজ্যের জন্য একগুচ্ছ পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগোচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারত কীভাবে নিজের জায়গা তৈরি করছে সেকথাও এবার প্রচারে তুলে আনা হচ্ছে। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে মেঘালয়ে। আগামী ২ মার্চ মেঘালয় ভোটের ফলাফল বের হবে। উল্লেখ্য, মেঘালয়ে বর্তমানে বিজেপির জোট সরকার রয়েছে। অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kuntal Ghosh: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত কুন্তল ঘোষের

    Kuntal Ghosh: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত কুন্তল ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেন না হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। আগামী ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ফের আদালতে পেশ করা হবে তাঁকে। জেল হেফাজতে থাকাকালীন জেলে গিয়ে তাঁকে জেরা করতে পারবেন ইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের আর্জিতে সায় দিয়ে এমনই জানাল আদালত।

    জামিনের আবেদন কুন্তলের আইনজীবীর

    কুন্তলের আইনজীবী আদালতে জানান, কুন্তলের বাড়ি থেকে কোনও টাকা মেলেনি। সরকারি নথি ও রেকর্ড পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু নগদ টাকা ছাড়া পিএমএল অ্যাক্ট দেওয়া যায় না বলে জানিয়েছেন কুন্তলের আইনজীবী। এরপর আইনজীবী তাঁর মক্কেল অর্থাৎ কুন্তল ঘোষের জামিনের আবেদন জানান।

    কুন্তলের ২টি অ্যাকাউন্টে সাড়ে ৬ কোটি টাকার হদিশ!

    কুন্তলের আইনজীবীকে পাল্টা জবাব দেন ইডির আইনজীবী। ইডির আইনজীবীর তরফে বলা হয়, কুন্তলের দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সাড়ে ছয় কোটি টাকার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সেই টাকার উৎস জানতে চায় ইডি। ৩০ কোটি টাকা যেটা তিনি রিসিভ করেছেন সেটারও প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। যদিও অভিযুক্ত তা অস্বীকার করেছেন। ফলে আইনজীবীর প্রশ্ন, ‘কুন্তলের আয় কি? কোথা থেকে এল এত তাকা?’ দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সাড়ে ছয় কোটি টাকা তোলার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। যা তুলে অন্যত্র পাঠানো হয়ে গিয়েছে। বেআইনিভাবে ওই টাকার লেনদেন হয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। এই বিপুল পরিমাণের টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তোলার পর তিনি কাদের কাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন, এখন সেটাই জানার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা।

    ইডির আরও দাবি, ১৩০ জন প্রার্থীর থেকে ৮ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। পার্থর বাড়ি থেকে যে ৫০ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে কুন্তলের দেওয়া টাকাও আছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কুন্তলের যোগাযোগ বর্তমান ছিল বলে দাবি ইডির। ১২০০ প্রার্থীর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। আদালত থেকে চাকরির অর্ডার করিয়ে দেবে বলে টাকা নেওয়া হয়। কুন্তল এবং তার সহযোগীদের মাধ্যমে পার্থ চট্টাপাধ্যায় ও অন্যান্য প্রভাবশালীদের কাছে টাকা গিয়েছে। বাকি নামগুলি তদন্তের স্বার্থে বলা হচ্ছে না। ফলে আজ দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর কুন্তলের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

    নিয়োগ দুর্নীতির টাকা টলিউডে ব্যবহার করা হয়েছে!

    নিয়োগ দুর্নীতির টাকা টলিউডেও? টালিগঞ্জে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন কুন্তল, আদালতে বিস্ফোরক দাবি করল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে এমনই তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা৷ জানা গিয়েছে, পার্টনারশিপের মাধ্যমে টলিউডে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন কুন্তল ঘোষ। ইডির দাবি, একটি বিশেষ মিউজিক ও কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন কুন্তল ও তাঁর তৎকালীন পার্টনার। নিয়োগ দুর্নীতিতে কুন্তলের নাম উঠে আসার পর একের পর এক তথ্য উঠে আসছে, ভবিষ্যতে আর কী কী চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসবে, সেটাই এখন দেখার।

     

  • Union Budget: নির্মলার বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা তালিবানের মুখে, কেন জানেন?

    Union Budget: নির্মলার বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা তালিবানের মুখে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট (Union Budget) পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)। স্কুল অফ লন্ডন ইকনোমিক্সের এই প্রাক্তনীর করা সেই বাজেটকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। এবার নির্মলার বাজেটের সুখ্যাতি শোনা গেল সুদূর আফগানিস্তানেও। এবং প্রশংসা করল খোদ তালিবান প্রশাসন। বুধবার ভারতের বাজেটের দেদার প্রশংসা করল তালিবানরা। তারা জানাল, বাজেটে ভারত আফগানিস্তানকে সাহায্যের জন্য যে বরাদ্দ করেছে তাতে দু দেশের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। মজবুত হবে দুই দেশের বিশ্বাসের সম্পর্কও। কেন্দ্রীয় এই বাজেটে আফগানিস্তানের উন্নয়নের জন্য ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই কারণেই নির্মলার পেশ করা বাজেটের স্তুতি শোনা গিয়েছে তালিবানের মুখে।

    বাজেট…

    ১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় সংসদে বাজেট (Union Budget) পেশ করেন নির্মলা সীতারামণ। এটাই ছিল মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। ২০২৪ সালে রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। প্রথা অনুযায়ী, ওই বছর পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট, পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়। চলতি বাজেটে আফগানিস্তানের জন্য ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছেন নির্মলা। নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে তালিবান ক্ষমতায় আসার পর এটা আফগানিস্তানকে দ্বিতীয়বার সাহায্য ভারতের। প্রথমবার সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল গতবারের বাজেটে।

    ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেটকে (Union Budget) স্বাগত জানিয়েছেন সোহেল শাহিন। তিনি তালিবানের আলোচনাকারী দলের প্রাক্তন সদস্য। শাহিন বলেন, আফগানিস্তানের উন্নয়নের জন্য ভারতের সাহায্যকে সমর্থন জানাচ্ছি। এটা দুই দেশের সম্পর্ক ও বিশ্বাসের জায়গাটিকে দৃঢ় করবে। তিনি বলেন, আফগানিস্তানে এমন অনেক প্রকল্প চলছিল, যাতে অর্থায়ন করেছিল ভারত। ভারত যদি ফের এগুলি চালু করে, তাহলে দুই দেশের সম্পর্ক হবে মজবুত। অবিশ্বাসের প্রাচীর যাবে ভেঙে।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধী নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশেই কোনও না কোনও পরিকাঠামো নির্মাণ করেছে ভারত। এখনও হাতে রয়েছে বেশ কিছু প্রকল্প। দেশটির রাশ তালিবানের হাতে চলে যাওয়ার পর আর সম্পূর্ণ করা যায়নি সেই সব প্রকল্প। সম্প্রতি তালিবান জানিয়ে দিয়েছে, ভারত আফগানিস্তানে তাদের অসমাপ্ত অন্তত যে ২০টি প্রকল্প রয়েছে, তা সম্পূর্ণ করার কাজ শুরু করতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: কেষ্ট কাণ্ডে নয়া মোড়! ১১৫ টি বাফার অ্যাকাউন্টের হদিশ, বিস্ফোরক দাবি সিবিআইয়ের

    Anubrata Mondal: কেষ্ট কাণ্ডে নয়া মোড়! ১১৫ টি বাফার অ্যাকাউন্টের হদিশ, বিস্ফোরক দাবি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে এল নয়া মোড়। কেষ্টর বিরুদ্ধে আরও এক বিস্ফোরক তথ্য আদালতে জানিয়েছে সিবিআই। গরুপাচারের টাকা লেনদেনের জন্য আরও ১১৫টি বাফার অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। আরও অবাক করা বিষয়, এই অ্যাকাউন্টগুলি করোনা কালে মাত্র ২ দিনে খোলা হয়েছিল। আরও জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের জন্য পঞ্চায়েতে যে নথি জমা করেছিলেন উপভোক্তারা, সেই নথি দিয়েই এই অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছিল। লক্ষ-লক্ষ টাকা এই অ্যাকাউন্টগুলিতে ঢুকেছে। ইতিমধ্যেই এই অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সমস্ত নথি সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে আসানসোল সিবিআই আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। ফের এমন বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য দিল সিবিআই

    এদিন আসানসোল আদালতে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জানায় সিবিআই। আদালতে কেন্দ্রীয় সংস্থা দাবি করেছে আরও ১১৫টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। এই সব অ্যাকাউন্টের তথ্য জমা দেওয়া হয়েছে আদালতে। সিবিআই আদালতকে জানিয়েছে, ওই ভুয়ো অ্যাকাউন্টগুলি থেকে চারটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে নিয়মিত টাকা পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে জানিয়েছে, করোনা অতিমারির সময় দু’দিনের মধ্যে এই ১১৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল।

    সিবিআই আদালতে আরও দাবি করেছে, গরু পাচারের টাকাই এই অ্যাকাউন্টগুলিতে রাখা হয়েছিল। তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে জানিয়েছে, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তৈরির জন্য পঞ্চায়েত অফিসে জমা হওয়া নথি থেকে এই ভুয়ো অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছে। সিবিআই দাবি করেছে, এখনও পর্যন্ত ১৬ জন অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে চিহ্নিত করা গিয়েছে, তাঁদের প্রত্যেকেরই দাবি অ্যাকাউন্টগুলি তাঁদের খোলা নয় এবং টাকাও তাঁদের নয়। তাঁরা কেবল ছাপ দিয়েছেন।

    রাজীব চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    গরু পাচার কাণ্ডে উঠে এসেছে রাজীব চট্টোপাধ্যায়র নাম। সিবিআই জানিয়েছে, এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ রাজীব ভট্টাচার্যের অ্যাকাউন্টে ৬৬ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে। তদন্তকারীরা আদালতে জানিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রীর চিকিৎসায় টাকা দিয়েছিলেন যে রাজীব চট্টোপাধ্যায় তাঁর অ্যাকাউন্টেও গিয়েছে গরু পাচারের টাকা। এই সব সমবায় ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকেই ঘুর পথে গরু পাচারের টাকা ঢুকেছে কেষ্টর অ্যাকাউন্টে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তদন্তকারীরা।

    অন্যদিকে এই অ্যাকাউন্টগুলি যে প্রভাব খাটিয়ে তৈরি করা হয়েছে সেকথা স্বীকারও করে নিয়েছেন ব্যাঙ্কের ম্যানেজার। উল্লেখ্য, এর আগে অনুব্রত মণ্ডলের গরু পাচার কাণ্ডে ১৭৪ টি এবং ৫৪টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল।

    ফের ১৪ দিনের জেল কেষ্টর

    এদিন গরু পাচার মামলায় বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শুক্রবার অনুব্রতকে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে পেশ করা হয়। সওয়াল জবাব শেষে আদালত কেষ্টর ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। অর্থাৎ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি অবধি অনুব্রতকে আসানসোল কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বন্দি হয়ে থাকতে হবে। এদিন আদালতে অনুব্রতের জামিনের আবেদন করেননি তাঁর আইনজীবীরা। ১৭ ফেব্রুয়ারি কেষ্টকে আবার আদালতে পেশ করা হবে।

  • Kolkata Weather: শেষবেলায় শীতের ঝড়ো ব্যাটিং! আগামী কয়েকদিন পারদ পতনের সম্ভাবনা

    Kolkata Weather: শেষবেলায় শীতের ঝড়ো ব্যাটিং! আগামী কয়েকদিন পারদ পতনের সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ লগ্নে শীতের ঝড়ো ইনিংস। গত বুধবার রাত থেকেই তাপমাত্রার পারদ পতন ঘটছে। বৃহস্পতিবার বইছিল হিমেল হাওয়াও। শুক্রবারও তার ব্যতিক্রম হল না।  আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, শুক্রবার কলকাতা শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। বৃহস্পতিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত দিনের ও রাতের তাপমাত্রার মধ্যে ফারাক কমবে। ফলে শহরের তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে আসতে পারে। ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শহরের তাপমাত্রা নিম্নগামীই থাকবে।

    চলছে পারদের ওঠা-নামা

    তাপমাত্রার হেরফেরে  জ্বর, সর্দি, কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। শিশুরা তো বটেই, জ্বর-কাশি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না বয়স্করাও। আবহাওয়ার এই রকমফের দেখে রোগ-জ্বর বালাই সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলছেন চিকিৎসকরা। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই সময় বাড়তি সতর্কতা ও যত্ন প্রয়োজন বলে পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিত্‍সকরা। এই পরিস্থিতিতে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আপাতত কোনও কোনও জেলায় শীতের আমেজ সামান্য কমবে। তবে আগামী সপ্তাহে আরও একটু নিচে নামতে পারে পারদ। ৭, ৮ এবং ৯ ফেব্রুয়ারি পারদ ঊর্ধ্বগামী হবে। ১০, ১১ ফের তা ফের নিম্নগামী হবে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে এই মরসুমে আর তাপমাত্রা পতনের কোনও সম্ভাবনা নেই। 

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে স্বস্তি শুভেন্দুর! রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের শোকজ নোটিসের উপর স্থগিতাদেশ

    আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রার এমন ওঠানামা চলতে থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ২-৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে। পার্বত্য ও সমতল, তরাই, ডুয়ার্সেও রবিবার পর্যন্ত দুই থেকে তিন ডিগ্রি পারাপতনের পূর্বাভাস। সমতলের জেলা অর্থাৎ মালদা, জলপাইগুড়ি এবং দুই দিনাজপুরে সকালে হালকা কুয়াশা থাকবে। বেলা বাড়লে পরিষ্কার হবে আকাশ।  আপাতত রাজ্যে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধ নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধ নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির (BJP) কোনও বিরোধ নেই। সাফ জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নওশাদ ভাইয়ের দম আছে। অর্জুন সিংয়ের দলবদল প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, অর্জুন সিংকে আনুগত্য বদল করতে বলা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ঠিক করো জেলে থাকবে নাকি বাইরে থাকবে। যাদের দম নেই, তারা সারেন্ডার করেছে। এর পরেই তিনি বলেন, নওশাদ ভাইয়ের দম আছে, তাই সারেন্ডার করেনি। একজন জন-প্রতিনিধির সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    শুভেন্দু বলেন…

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, যাঁরা বিধায়ক, সাংসদ, তাঁরা মানুষের ভোটে জেতা প্রতিনিধি। তাঁদের সঙ্গে সাধারণ চোর-ডাকাতদের মতো করে আচরণ করা উচিত নয়। বিধানসভার অধিবেশন চলাকালীন নিজেরা না বলে তাঁরা যে নওশাদকে সুযোগ করে দেন, এদিন সেকথাও স্মরণ করিয়ে দেন শুভেন্দু। বলেন, বিধানসভায় বিরোধী শিবিরে একমাত্র অ-বিজেপি বিধায়ক উনি। আমরা পাঁচ মিনিট নিজেরা না বলে আইএসএফের একমাত্র বিধায়ককে দিয়ে দিই। শুভেন্দু বলেন, নওশাদের দল আইএসএফের সঙ্গে বিজেপির এজেন্ডা এক নয়, অনেক বিষয়ে ভিন্ন মত রয়েছে। কিন্তু বহুদলীয় গণতন্ত্রে সব রাজনৈতিক দলেরই মিটিং মিছিল করার অধিকার রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘১০ লাখ চাকরির কথা বলা হয়েছিল, এবার কী হবে?’, আদানিকাণ্ডে রাজ্যকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    এদিন বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তীও বলেন, বিজেপি কবে সংখ্যালঘু বিরোধী ছিল? একটা ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছিল। বিজেপি মানেই সংখ্যালঘু বিরোধী, এ রকম ইমেজ তৈরি করা হয়েছিল। এটা বলে মার্কেটে ছাড়া হয়েছিল। এই সমস্ত ভুল কথা। মিঠুন বলেন, বিজেপি মুসলিমদের বিরোধী নয়। আমরা এখন পর্যন্ত হিন্দুস্তানি মুসলিমদের জন্য চিন্তিত। পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান ভাইবোনেরা ভাল থাকুক, আমরা এটা চাই।

    প্রসঙ্গত, প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে গত ২১ জানুয়ারি ধর্মতলায় আইএসএফের কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠেছিল কলকাতা। রাস্তা অবরোধকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন আইএসএফ নেতা-কর্মীরা। পরে পুলিশকে লক্ষ্য করে করে পাথর ছোড়া হয়। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় নওশাদকে। আদালতে পেশ করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারপর ফের আদালতে পেশ করা হলে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নওশাদকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BBC Documentary: ভারতে বিবিসিকে নিষিদ্ধ করতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    BBC Documentary: ভারতে বিবিসিকে নিষিদ্ধ করতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) বিবিসিকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। সম্প্রতি বিতর্কিত তথ্যচিত্র (BBC Documentary) ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোয়েশ্চন’ সম্প্রচার করে বিবিসি। তার পরেই দেশজুড়ে ওঠে সমালোচনার ঝড়। বিবিসি ভারত ও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে, এই অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে মামলা। তাতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওপর তৈরি তথ্যচিত্রটি ভারত ও দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছে হিন্দু সেনা সভাপতি বিষ্ণু গুপ্ত ও জনৈক বীরেন্দ্রকুমার সিং। এই আবেদনটিকে জরুরি তালিকাভুক্তির জন্য আবেদনকারীদের শুক্রবার ফের তা উল্লেখ করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    বিবিসি…

    এদিকে, বিবিসি (BBC Documentary) ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে তদন্তের দাবি তুলেও সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে আরও একটি মামলা। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে একটি বেঞ্চ এই আবেদনের ভিত্তিতে শুনানি শুরু করেছে। অন্যদিকে, দেশে বিবিসির তথ্যচিত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করার কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেও পাল্টা আবেদন করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সোমবার সেই আবেদনের শুনানি শুরু হওয়ার কথা।

    ২০০২ সালের গুজরাট হিংসা ও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূমিকার ওপর তৈরি ওই তথ্যচিত্রটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দেখছেন পড়ুয়ারা। এতেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রবল সংঘাত তৈরি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। ভারতে অলিখিতভাবে নিষিদ্ধ হয়েছে ওই তথ্যচিত্র। এবার এনিয়ে তাদের অবস্থান জানিয়ে দিল ব্রিটিশ সরকার। 

    আরও পড়ুুন: ‘১০ লাখ চাকরির কথা বলা হয়েছিল, এবার কী হবে?’, আদানিকাণ্ডে রাজ্যকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    বিবিসির ওই তথ্যচিত্র (BBC Documentary) নিয়ে বিবিসির পাশাপাশি চাপ বাড়ছিল ঋষি সুনক সরকারের ওপরও। ব্রিটেনে বসবাসকারী ভারতীয়দের একাংশ বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন বিবিসির বিরুদ্ধে। এর মধ্যেই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিদেশ সচিব এক বিবৃতিতে বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে প্রয়াস চালিয়ে যাবে ব্রিটেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র বলেন, বিবিসি স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম। তারা কী সংবাদ পরিবেশন করবে, সে ব্যাপারে তাদের স্বাধীনতা রয়েছে। তবে আমরা এও বলব ভারত আমাদের অত্যন্ত কাছের বন্ধু। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতির জন্য সব চেষ্টাই করবে ব্রিটেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share