Blog

  • PM-Kisan Scheme: ৩০ অক্টোবর কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে পিএম-কিষানের ২৪তম কিস্তির টাকা, বরাদ্দ ১৮,৬৮০ কোটি

    PM-Kisan Scheme: ৩০ অক্টোবর কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে পিএম-কিষানের ২৪তম কিস্তির টাকা, বরাদ্দ ১৮,৬৮০ কোটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষকদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৩০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি (PM-Kisan) প্রকল্পের ২৪তম কিস্তির টাকা প্রকাশ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গুজরাটের বনসকাঁঠা জেলার ভিলডি শহরে আয়োজিত একটি জাতীয় স্তরের অনুষ্ঠানে এই অর্থ বিতরণ করা হবে। বুধবার এই কথা জানিয়েছেন গুজরাটের কৃষিমন্ত্রী জিতু ভাঘানি। কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ৯.৩৪ কোটিরও বেশি কৃষক পরিবারের জন্য মোট ১৮,৬৮০ কোটি টাকার বেশি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

    ১,০৫১ কোটি টাকার বেশি আর্থিক সাহায্য

    প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি (PM-Kisan) প্রকল্পে গুজরাটের ৫২.৩৩ লক্ষেরও বেশি কৃষক পরিবার পাবে ১,০৫১ কোটি টাকার বেশি আর্থিক সাহায্য। এই উপলক্ষে আয়োজিত ‘পিএম কিষান উৎসব দিবস’-এর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, পিএম-কিষান প্রকল্পের অধীনে যোগ্য কৃষক পরিবারগুলিকে বছরে ৬,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। তিনটি সমান কিস্তিতে সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠানো হয়। এখনও পর্যন্ত প্রকল্পের আগের ২৩টি কিস্তিতে দেশজুড়ে ৪.৪৭ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। গুজরাতে উপভোক্তাদের দেওয়া হয়েছে ২৪,১৩৭ কোটি টাকার বেশি।

    বায়ো-সিএনজি প্ল্যান্টেরও শিলান্যাস

    কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ৩০ অক্টোবর গুজরাটে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী। বনস ডেয়ারির উদ্যোগে থারাদ ও রাধনপুরে তৈরি হতে চলা দুটি কমপ্রেসড বায়োগ্যাস (CBG) প্ল্যান্টের শিলান্যাস করবেন তিনি। থারাদের প্ল্যান্টে প্রতিদিন ৭৫ টন গোবর প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা থাকবে। অন্যদিকে, রাধনপুরের প্ল্যান্টে দৈনিক ১০০ টন গোবর প্রক্রিয়াকরণ করা যাবে। এই দুটি প্ল্যান্ট চালু হলে ‘বনস মডেল’-এর অধীনে বায়ো-সিএনজি প্ল্যান্টের সংখ্যা বেড়ে হবে ছয়। সব মিলিয়ে এই প্ল্যান্টগুলিতে প্রতিদিন ৫১৫ টন গোবর প্রক্রিয়াকরণ করা সম্ভব হবে। গোবর থেকে উৎপাদিত বায়ো-সিএনজি ভর্তুকিযুক্ত দামে বিক্রি করা হয়। বর্তমানে বনসকাঁঠানা ডেয়ারি প্রতিদিন প্রায় ৬,১০০ কেজি বায়ো-সিএনজি সরবরাহ করছে। ছয়টি প্ল্যান্টের মাধ্যমে বছরে আনুমানিক ৩৩,৪০০ থেকে ৩৪,৬০০ টন কার্বন নির্গমন কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    উদ্বোধন হবে গবেষণা কেন্দ্র ও আলু প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্পের

    ৩০ অক্টোবর ৩২৮.৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি ‘ভারত বোভাইন ব্রিডিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’ (BBBRC)-এরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি বনস ডেয়ারির নতুন আলু প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্পের সম্প্রসারিত অংশ এবং তাদের আল্ট্রা-হাই টেম্পারেচার (UHT) ইউনিটের স্বয়ংক্রিয় স্টোরেজ ও রিট্রিভাল সিস্টেমের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তাঁর। এই উপলক্ষে গুজরাট জুড়ে ৩৪টি জেলা স্তরের এবং ২,১০০-রও বেশি ক্লাস্টার স্তরের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। মূল অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার দেখানো হবে বিভিন্ন জায়গায়। কৃষি ও উদ্যানপালন দফতরের একাধিক সরকারি প্রকল্পের অনুমোদনপত্রও উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

    ৩১ অক্টোবর জাতীয় ঐক্য দিবসের অনুষ্ঠানে মোদি

    ৩০ ও ৩১ অক্টোবর দু’দিনের গুজরাট সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ৩১ অক্টোবর নর্মদা জেলার একতা নগরে জাতীয় ঐক্য দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

  • Vedanta Invest in Bengal: ৮০ হাজার কোটির বিনিয়োগ! আসানসোলে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা গড়তে আগ্রহী বেদান্ত

    Vedanta Invest in Bengal: ৮০ হাজার কোটির বিনিয়োগ! আসানসোলে অ্যালুমিনিয়াম কারখানা গড়তে আগ্রহী বেদান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বড় শিল্প গড়ার আগ্রহ প্রকাশ করলেন বেদান্ত গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান অনিল আগরওয়াল (Anil Agarwal Vedanta)। বুধবার নবান্নে এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়। আলোচনার কেন্দ্রে ছিল রাজ্যে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান। সূত্রের খবর, আসানসোলে (Asansol) অ্যালুমিনিয়াম কারখানা (aluminium smelter) গড়তে চান অনিল। অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েও ভাবছে বেদান্ত। দুই ক্ষেত্র মিলিয়ে সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। রাজ্যে বিনিয়োগ করার জন্য বেদান্ত গ্রুপের চেয়ারম্যানকে বার্তা দিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী। বুধবার কলকাতায় ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন অনিল আগরওয়াল।

    ৩ বছরের মধ্যে আসানসোলে অ্যালুমিনিয়াম কারখানার ভাবনা

    বাংলা তথা কলকাতার সঙ্গে অনিলের (Vedanta Invest in Bengal) পুরনো সম্পর্ক রয়েছে। বড়বাজারের তুলাপট্টিতে ছিল অনিলদের পারিবারিক দোকান। কলকাতাতেই কেটেছে ছোটবেলার বেশ কয়েকটি বছর। সেই শহরে ফের কিছু করতে চান অনিল। বাংলার সঙ্গে নতুন বন্ধনে বাঁধতে চান। সূত্রের খবর, আসানসোলে (Asansol) অ্যালুমিনিয়াম কারখানা (aluminium smelter) গড়তে চায় বেদান্ত। প্রাথমিক প্রস্তুতির কাজও দ্রুত এগিয়ে নিতে আগ্রহী তারা। কয়লার জোগান এবং চালু পরিকাঠামোর সুবিধা থাকায় প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলির জন্য আসানসোলকেই সম্ভাব্য কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করছে বেদান্ত। তা ছাড়া আসানসোলে গোষ্ঠীর প্রায় ৩০০ একর জমি রয়েছে। সেখানে কারখানা গড়া সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। তবে প্রকল্পের জন্য আরও জমির প্রয়োজন হতে পারে। অনিল আগরওয়াল জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সমীক্ষার ফল অনুকূল হলে এবং সরকারের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া গেলে ৩ বছরের মধ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলি চালু করা সম্ভব হতে পারে।

    কর্মসংস্থানের পরিসর বাড়ানোর লক্ষ্যে রাজ্য সরকার

    মুখ্যমন্ত্রীও বৈঠকে কর্মসংস্থানের বিষয়টিতেই বিশেষ জোর দিয়েছেন। নবান্ন সূত্রে খবর, অনিলকে তিনি বলেছেন, রাজ্যে ১০ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি করতে হবে। বেদান্তার বিবৃতিতেও বিনিয়োগ ও ১০ হাজার কর্মসংস্থান নিয়ে আলোচনার কথা জানানো হয়েছে। বাংলায় শিল্পে বিনিয়োগ টানার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের কাজের সুযোগ বাড়ানো রাজ্য সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলেছেন, তিনি শ্রমনিবিড় শিল্পে বিনিয়োগ টানতে আগ্রহী। সেই প্রেক্ষাপটে খনি ও ধাতুশিল্পের আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী বেদান্তর আগ্রহ তাৎপর্যপূর্ণ। তবে বিনিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পরেই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আগরওয়াল। আসানসোলে বড় কারখানা হলে তার চারপাশে ছোট ও মাঝারি শিল্পের সুযোগও তৈরি হতে পারে। আগরওয়ালের বক্তব্য, অ্যালুমিনিয়ামকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে নানা পণ্য তৈরির উদ্যোগ নিতে পারবেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাঁর মতে, বড় শিল্পের সঙ্গে সরবরাহকারী সংস্থা ও ছোট উদ্যোগের যোগসূত্র তৈরি হলে কর্মসংস্থানের পরিসরও বাড়বে। বুধবার কলকাতায় ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স এবং তার ইয়ং লিডার্স ফোরামের অনুষ্ঠানেও বাংলার শিল্পসম্ভাবনার কথা বলেছেন বেদান্তা চেয়ারম্যান। দক্ষ কর্মী, মেধাসম্পদ এবং শিল্পের দীর্ঘ ঐতিহ্যকে রাজ্যের বড় শক্তি হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। বিনিয়োগ, উদ্যোগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে সরকারের সঙ্গে শিল্পমহলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

  • RSS: ভারতীয় সমাজে বিভেদ-অবিশ্বাস ছড়ানোর চেষ্টা করছে কিছু শক্তি, অভিযোগ আরএসএস নেতার

    RSS: ভারতীয় সমাজে বিভেদ-অবিশ্বাস ছড়ানোর চেষ্টা করছে কিছু শক্তি, অভিযোগ আরএসএস নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সমাজে বিভেদ তৈরি করা এবং দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ব্যবস্থা ও সেনাবাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থায় চিড় ধরানোর চেষ্টা করছে কিছু শক্তি। বুধবার মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) এক কর্মী সমাবেশে এমনই অভিযোগ করলেন সঙ্ঘের সহ-সরকার্যবাহ অতুল লিমায়ে। তাঁর দাবি, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করা এই শক্তিগুলির (Social Divide) মোকাবিলা করতে জাতীয়তাবাদী ভাবধারা প্রচারের জন্য নিজস্ব পরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। ইন্দোরে ‘চরৈবেতি একত্রীকরণ’ নামে আয়োজিত ওই সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লিমায়ে বলেন, কোনও দেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছতে হলে সমাজে সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। নাগরিক কর্তব্য পালনের পাশাপাশি গণতন্ত্র, সংবিধান, সশস্ত্র বাহিনী এবং বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা থাকা প্রয়োজন।

    কোনও ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের নাম না করেই তিনি অভিযোগ করেন, “কিছু শক্তি এখন সমাজের মানসিকতায় প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে। ছোটখাটো মতপার্থক্যকে বড় করে দেখানো হচ্ছে, নানা বিতর্ক উসকে দেওয়া হচ্ছে। সমাজের এক অংশের সঙ্গে অন্য অংশের বিরোধ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।” লিমায়ের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি করাই এই শক্তিগুলির উদ্দেশ্য। তাঁর বক্তব্য, ছাপা সংবাদমাধ্যম, বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল মাধ্যমের পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্র, শিল্পকলা এবং সাহিত্যের মাধ্যমেও জনজীবনে প্রভাব বিস্তারের জন্য তারা নিজস্ব পরিকাঠামো তৈরি করেছে।

    ধর্মান্তরণ ও জনবিন্যাসের পরিবর্তন নিয়েও উদ্বেগ (RSS)

    সমসাময়িক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে লিমায়ে ধর্মান্তরণ, জনবিন্যাসের পরিবর্তন এবং বিদেশি অর্থসাহায্যে পরিচালিত এমন কিছু আন্দোলনের প্রসঙ্গের উল্লেখ করেন, যেগুলি তাঁর মতে সামাজিক জীবনে বিভাজন তৈরি করছে। সীমান্তবর্তী ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে জনবিন্যাসের পরিবর্তন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। আরএসএসের এই নেতার বক্তব্য, সমাজে বিভেদ সৃষ্টিকারী শক্তিগুলিকে প্রতিহত করতে হলে জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার প্রসার ঘটাতে হবে। সেই লক্ষ্যে নিজস্ব বক্তব্য ও জনমত গড়ে তোলার উপরেও জোর দেন তিনি।লিমায়ে বলেন, “আমাদের নিজস্ব বয়ান তৈরি করতে হবে। তার জন্য শিক্ষাক্ষেত্র ও বৌদ্ধিক পরিসরে কাজ করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত ধারণা ও আলোচনার ক্ষেত্রেও সক্রিয় হতে হবে।” তাঁর দাবি, শিক্ষাজগৎ, সাহিত্য, শিল্পকলা, সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় জাতীয়তাবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী বহু প্রভাবশালী ব্যক্তি রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে সমন্বয় গড়ে তুলে সামাজিক ঐক্য বজায় রাখা এবং উন্নত ভারত গঠনের লক্ষ্যে নিজস্ব ব্যবস্থা তৈরি করতে আরএসএসের (RSS) স্বেচ্ছাসেবকদের আহ্বান জানান তিনি।

    ইন্দোরে আরএসএসের বার্ষিক বৈঠক

    এমন এক সময়ে ইন্দোরে আরএসএসের কর্মীদের এই সমাবেশ হল, যখন সংগঠনটির সর্বোচ্চ সাংগঠনিক সংস্থা অখিল ভারতীয় কার্যকরী মণ্ডলের বার্ষিক বৈঠক আগামী ২ থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশের এই শহরেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তিনদিনের ওই বৈঠকে আরএসএসের প্রধান মোহন ভাগবত-সহ সারা দেশ থেকে প্রায় ৪৫০ জন পদাধিকারী যোগ দেবেন বলে সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে (Social Divide)। সঙ্ঘের (RSS) কর্মকর্তাদের মতে, সংগঠনের প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির পর্যালোচনা হবে এই বৈঠকে। পাশাপাশি নতুন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিষয়বস্তু, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং মাদক সমস্যার মতো বিষয় নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

     

  • Indranil Sen Arrested: ‘‘সবে তো চা-বিস্কুট হয়েছে, এখনও প্রাতরাশ হয়নি’’, ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারিতে কীসের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর?

    Indranil Sen Arrested: ‘‘সবে তো চা-বিস্কুট হয়েছে, এখনও প্রাতরাশ হয়নি’’, ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারিতে কীসের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তদন্তকারী সংস্থাগুলি নিশ্চয়ই তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে। সেই প্রমাণের ভিত্তিতেই আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হয়েছে।” বুধবার রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ইন্দ্রনীলের (Indranil Sen Arrested) বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং কলকাতা পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছিল।  প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ তুলেও আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনায় শুধু ইন্দ্রনীল নন, আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন। তিনি বলেন, “আমি বহু রাজনৈতিক সভায় বলেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রত্যক্ষ মদতে এই ঘটনা ঘটেছে। একা তো আর কেউ টাকা নেননি! প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরও ভাগ থাকতে পারে।” ইন্দ্রনীলের সঙ্গে (ED) মমতার ঘনিষ্ঠতার প্রসঙ্গও তোলেন পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, দু’জনে একসঙ্গে ঘুরতেন এবং গানও গাইতেন। শুভেন্দুর কটাক্ষ, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ইন্দ্রনীল সেন একে অন্যের পরিপূরক ছিলেন। যা পরিণতি হওয়ার, তা-ই হচ্ছে। সবে তো চা-বিস্কুট হয়েছে, এখনও প্রাতরাশ হয়নি। দুর্নীতিতে জড়িতদের সকলকেই জেলে যেতে হবে। ঠিক সময়ে বড় জায়গাতেও হাত পড়বে।”

    প্রসঙ্গত, দুর্গাপুজোর পাস বিক্রিকে কেন্দ্র করে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হন চন্দননগরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen Arrested)। এদিন সল্টলেকের ইডি দফতরে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে বেরোনোর পরেই তাঁকে আটক করে গাড়িতে তোলে কলকাতা পুলিশ। পরে তাঁকে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে (ED)।

    ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Indranil Sen Arrested)

    দুর্গাপুজোর পাস বিক্রির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে বিপুল অঙ্কের টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছে ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, দুর্গাপুজোর বিশেষ দর্শন এবং বিশেষ পাস বিক্রির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। অথচ এই ধরনের বাণিজ্যিক কার্যকলাপের জন্য ইউনেস্কোর কোনও অনুমোদন বা চুক্তি ছিল না বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

    এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশের কাছে প্রথম অভিযোগ দায়ের করেন জয়দীপ মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি। বৌবাজার থানায় দায়ের হওয়া সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়। পরে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

    তদন্তের অংশ হিসেবে এর আগে একাধিক বার ইন্দ্রনীলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁর কসবার বাড়ি এবং সিঙ্গুরের বাগানবাড়ি-সহ একাধিক ঠিকানায় তল্লাশিও চালানো হয়। দুর্গাপুজো ও লক্ষ্মীপুজোর পরে ফের তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই বুধবার তিনি তদন্তকারী সংস্থার দফতরে পৌঁছন (Indranil Sen Arrested)।

    ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার দুর্নীতির সন্দেহ

    প্রাথমিক তদন্তে ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তদন্তকারীদের অনুমান। অভিযোগ, দুর্গাপুজোর বিশেষ দর্শনের আয়োজন এবং বিশেষ প্রবেশপত্র বিক্রির নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল। প্রচারে ইউনেস্কোর নাম ও স্বীকৃতিকে এমনভাবে ব্যবহার করা হয়, যাতে সাধারণ মানুষের মনে ওই আয়োজনের সঙ্গে সংস্থাটির সরাসরি যোগসূত্র থাকার ধারণা তৈরি হয়।

    ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধেও এই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তিনি ‘মাস আর্ট’ নামে একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগ, ওই সংস্থার মাধ্যমেই পাস বিক্রি এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন পরিচালিত হয়েছিল। ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ার পর সংস্থাটি গড়ে ওঠে বলে জানা গিয়েছে।

    আগাম জামিনের আবেদন খারিজ

    তদন্ত চলাকালীন গ্রেফতারি এড়াতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন ইন্দ্রনীল। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এর পর তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে মামলা থেকে সরে দাঁড়ান। ফলে শুনানি পিছিয়ে যায় এবং নতুন করে বেঞ্চ গঠনের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে খবর, আগামী সোমবার নতুন বেঞ্চে ইন্দ্রনীলের আগাম জামিনের আবেদন সংক্রান্ত মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর পুরনিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় গত ১১ মে রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুকে গ্রেফতার করা হয়েছিল (ED)। এ বার দুর্গাপুজোর পাস বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন তৃণমূল সরকারের আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী (Indranil Sen Arrested)।

     

  • New Industrial Policy: নভেম্বরেই নবান্ন থেকে নয়া শিল্পনীতি ঘোষণা, বড় বিনিয়োগ টানতে একাধিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা

    New Industrial Policy: নভেম্বরেই নবান্ন থেকে নয়া শিল্পনীতি ঘোষণা, বড় বিনিয়োগ টানতে একাধিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়ন ও নতুন বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত করতে নয়া শিল্পনীতি ঘোষণা করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর আগামী ৫ নভেম্বর নবান্ন সভাঘর থেকে এই নীতি (New Industrial Policy) প্রকাশ্যে আনার কথা। দুর্গাপুজোর আগে নীতি ঘোষণার সম্ভাবনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে যায়। নতুন শিল্পনীতিতে বড় শিল্প সংস্থাকে আকৃষ্ট করতে আর্থিক প্রণোদনা, দ্রুত প্রশাসনিক অনুমোদন এবং জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথা থাকতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে (West Bengal) খবর।

    জমি ব্যবহারে কড়া শর্ত (New Industrial Policy)

    নতুন শিল্পনীতিতে দ্রুত শিল্প স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। সূত্রের খবর, ১০০ একর বা তার বেশি জমিতে শিল্প গড়তে আগ্রহী সংস্থাগুলির জন্য এক জানালা ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুত অনুমোদনের ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন দফতরের অনুমতির জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার সমস্যা কমতে পারে।

    শিল্পের জন্য বরাদ্দ জমি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজে লাগানোর বিষয়েও কড়া শর্ত থাকতে পারে। প্রস্তাব অনুযায়ী, জমি পাওয়ার তিন বছরের মধ্যে উৎপাদন শুরু করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু না হলে সংশ্লিষ্ট জমি ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তও বিবেচনা করা হতে পারে। তবে এই শর্তগুলির চূড়ান্ত রূপ নতুন শিল্পনীতি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।

    কৃষি প্রকল্প ও জনজাতি দিবস নিয়েও সিদ্ধান্ত

    দুর্গাপুজোর পর রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে শিল্পনীতির পাশাপাশি কৃষি ও প্রশাসনিক বিষয়েও কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। রাজ্য সরকারের বহুল প্রচলিত ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে ‘প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মাননিধি’ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ৫ নভেম্বর হুগলির পুরশুড়ায় একটি জনসভা থেকে প্রায় ৪৮ লাখ নথিভুক্ত কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ২,০০০ টাকা সরাসরি পাঠানোর কথা রয়েছে। ওই কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডলের উপস্থিত থাকার কথা।

    এছাড়া, যেসব প্রশাসনিক দফতর ইতিমধ্যেই তাদের বরাদ্দ বাজেটের অন্তত ৩৫ শতাংশ জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করেছে, তাদের পরবর্তী কিস্তির অর্থ দ্রুত ছাড়ার জন্য অর্থ দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    আগামী ১১ নভেম্বর থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জনজাতি গৌরব দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জনজাতি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অবদানের কথা তুলে ধরতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।

    আসন্ন কালীপুজো উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনসেবা এবং প্রশাসনিক তদারকি জোরদার করতে রাজ্যের প্রত্যেক মন্ত্রীকে একটি করে জেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উৎসবের সময় যাতে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় কোনও ঘাটতি না থাকে, সে দিকে নজর রাখতেই এই উদ্যোগ বলে সূত্রের (New Industrial Policy) খবর।

    তোলাবাজি রুখতে হেল্পলাইন

    এর আগে নতুন শিল্পনীতি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সমালোচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, আগের সরকারের আমলে শিল্পের প্রসারের বদলে ভাতা দেওয়ার উপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে মানুষ ভাতার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

    একই সঙ্গে রাজ্যে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করতে শিল্পপতিদের আশ্বস্ত করার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, শিল্প স্থাপন বা ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোথাও হুমকি কিংবা তোলাবাজির মুখে পড়লে নির্দিষ্ট টোল-ফ্রি নম্বর ১৫৫-৩৩৫-এ অভিযোগ জানানো যাবে। অভিযোগ পাওয়ার পর সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বলেও আশ্বাস (West Bengal) দিয়েছেন তিনি।

    সব মিলিয়ে, নতুন শিল্পনীতিতে বিনিয়োগের সুযোগ, প্রশাসনিক অনুমোদনের গতি এবং জমির যথাযথ ব্যবহার কতটা গুরুত্ব পায়, এখন সেদিকেই নজর শিল্পমহলের। আগামী ৫ নভেম্বর নীতি প্রকাশ্যে এলে রাজ্যে শিল্প স্থাপনের শর্ত ও বিনিয়োগকারীদের জন্য ঘোষিত সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে আরও স্পষ্ট (New Industrial Policy) ধারণা মিলবে বলেই খবর।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে জমি বিবাদের মীমাংসা করতে যাওয়া হিন্দু শিক্ষককে পিটিয়ে খুন

    Bangladesh: বাংলাদেশে জমি বিবাদের মীমাংসা করতে যাওয়া হিন্দু শিক্ষককে পিটিয়ে খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) দিনাজপুর জেলায় জমি বিবাদের মীমাংসা করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক হিন্দু শিক্ষকের। মৃতের নাম মনোরঞ্জন রায় (৫৫)। রবিবার, ২৫ অক্টোবর, প্রতিবেশীদের মধ্যে বিবাদ মেটানোর চেষ্টা করার সময় তাঁকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় (Hindu Teacher) বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় আসাদুজ্জামান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হামলায় জড়িত অন্যদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    সালিশি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মনোরঞ্জন (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার রাবেয়া বাজারের সোনাপুকুর নয়াপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। মনোরঞ্জন চিরিরবন্দর উপজেলার পূর্ব সুখদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। এলাকার পরিচিত ও সম্মানীয় ব্যক্তি হিসেবে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে রাস্তা ও জমি সংক্রান্ত বিবাদ মেটানোর জন্য আয়োজিত সালিশি বৈঠকে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি।

    অভিযোগ, বৈঠক চলাকালীন বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে এবং দু’পক্ষকে থামাতে এগিয়ে যান মনোরঞ্জন। সেই সময় আসাদুজ্জামান ও তাঁর সহযোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষকের উপর লাঠি নিয়ে হামলা চালান। মাথা-সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লাগে তাঁর। মারধরের পর পাশের একটি ধানখেতে পড়ে যান তিনি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।

    এই বিবাদের নেপথ্যে অবশ্য একাধিক কারণের কথা উঠে এসেছে বিভিন্ন প্রতিবেদনে। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আল রোমান নামে এক প্রতিবেশীর সঙ্গে জমি নিয়ে বিবাদ চলছিল আসাদুজ্জামানের। আল রোমানের বাড়িতে নির্মাণকাজ করা ছুতোর ফরতাজ হোসেনের সঙ্গেও পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ হয়েছিল রোমানের।

    প্রয়াত বন্ধুর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি

    প্রায় ১৩ বছর আগে আল রোমানের বাবা আজিজুল মাস্টারের মৃত্যু হয়। মনোরঞ্জন ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আজিজুলের মৃত্যুর পর থেকে রোমান ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মনোরঞ্জন। পরিবারের অভিভাবকের মতো তাঁদের দেখাশোনা করতেন। রোমান ও তাঁর ভাইবোনদের পড়াশোনা-সহ নানা প্রয়োজনেও সাহায্য করতেন তিনি।

    এদিকে, ফরতাজ হোসেন আজিজুল মাস্টারের বাড়িতে নির্মাণকাজ করছিলেন। সেই কাজের পারিশ্রমিক নিয়ে (Bangladesh) তাঁর সঙ্গে আল রোমানের বিরোধ বাধে। বাড়ির পাশের এক টুকরো জমিতে থাকা কয়েকটি ইউক্যালিপটাস গাছ কাটা নিয়েও রোমানের সঙ্গে আসাদুজ্জামানের বিবাদ চলছিল। রোমানের অভিযোগ ছিল, তাঁর অনুমতি না নিয়েই ওই জমির গাছ কাটা হয়েছে। ফরতাজ গাছগুলি করাতকলে নিয়ে গিয়েছিলেন কাঠ চেরাই করানোর জন্য। পরে কাঠের পরিমাণ এবং তা বিক্রি করে পাওয়া টাকার হিসাব নিয়েও রোমানের সন্দেহ তৈরি হয়।

    রবিবার দুপুরে ফরতাজ হোসেন আসাদুজ্জামান ও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে রোমানের বাড়িতে যান। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। গোলমালের খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে যান মনোরঞ্জন। অভিযোগ, তখনই ফরতাজ, আসাদুজ্জামান ও তাঁদের সহযোগীরা তাঁর উপর হামলা চালান।

    গ্রেফতার অভিযুক্ত

    আল রোমানই পুলিশকে ঘটনার খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসাদুজ্জামানকে গ্রেফতার করে। হামলায় জড়িত অন্যদের সন্ধান চলছে (Hindu Teacher)।

    দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রয়াত বন্ধুর পরিবারের বিবাদ মেটাতে চিরিরবন্দর থেকে এসেছিলেন ওই শিক্ষক। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সময় (Bangladesh) তিনি আহত হন এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

     

  • Diwali: দীপাবলির আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী-পেনশনভোগীদের সুখবর, ডিএ বাড়ল ৩ শতাংশ

    Diwali: দীপাবলির আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী-পেনশনভোগীদের সুখবর, ডিএ বাড়ল ৩ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির (Diwali) আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের সুখবর দিল কেন্দ্রীয় সরকার। ডিএ এবং ডিআর (মহার্ঘ ত্রাণ) ৩ শতাংশ বাড়ানোর (DA Hike) সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর ফলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৬৩ শতাংশ। একইভাবে, পেনশনভোগীদের মহার্ঘ ত্রাণও ৩ শতাংশ বাড়বে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে এই বর্ধিত ভাতা কার্যকর হবে।

    উপকৃত হলেন যাঁরা (Diwali)

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা দীপাবলির আগে সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য এই ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৪৮.৫৪ লাখ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং ৬৮.৭১ লাখ পেনশনভোগী উপকৃত হবেন। ভাতা বৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রীয় কোষাগারের উপর বছরে আনুমানিক ১০,০১৬ কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা পড়বে।

    সপ্তম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ

    সরকারি সূত্রে খবর, সপ্তম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে গৃহীত নির্ধারিত সূত্র মেনেই এই ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির কারণে জীবনযাত্রার খরচ বেড়ে যাওয়ার প্রভাব সামাল দিতে সরকারি কর্মীদের মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশ হিসেবে মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হয়। অন্যদিকে, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের পেনশনের সঙ্গে যে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া হয়, তা মহার্ঘ ত্রাণ নামে পরিচিত। মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে কর্মী ও পেনশনভোগীদের কিছুটা স্বস্তি দেওয়াই এই দুই ভাতার মূল উদ্দেশ্য (Diwali)।

    উল্লেখ্য, প্রকাশিত তথ্যে আগের ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে ষষ্ঠ কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে মহার্ঘ ভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ মূল বেতন বা পেনশনের ২৬২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৬৯ শতাংশ করা হয়েছিল, অর্থাৎ বৃদ্ধি হয়েছিল ৭ শতাংশ (DA Hike)। তবে এই তথ্যের সঙ্গে বর্তমান ঘোষণার সময়কাল ও হার সংক্রান্ত অসংগতি রয়েছে। ফলে আগের বৃদ্ধির তথ্যটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি থেকে যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন (Diwali)।

     

  • India Pakistan Trade: বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা, তবু ভারত থেকে পণ্য আমদানি বাড়াল পাকিস্তান! কীভাবে পৌঁছচ্ছে ইসলামাবাদে?

    India Pakistan Trade: বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা, তবু ভারত থেকে পণ্য আমদানি বাড়াল পাকিস্তান! কীভাবে পৌঁছচ্ছে ইসলামাবাদে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদ ও বাণিজ্য একসঙ্গে চলতে পারে না—এই অবস্থানেই অনড় ভারত (India Pakistan Trade)। ২০২৫ সালে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি বাণিজ্য কার্যত বন্ধ। বন্ধ হয়েছে ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত দিয়ে পণ্য পরিবহণও। অথচ বাণিজ্য বন্ধ থাকার পরেও ভারত থেকে পাকিস্তানে পণ্য আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারত থেকে ৫,৮৭৬ কোটি টাকার পণ্য আমদানি (Pak’s India Imports Spike) করেছে পাকিস্তান। গত অর্থবর্ষের একই সময়ে এই আমদানির পরিমাণ ছিল ৩,৪৭৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরে আমদানি বেড়েছে প্রায় ৬৯ শতাংশ। অন্যদিকে, ওই সময়ে পাকিস্তান থেকে ভারতে কোনও পণ্য আমদানি হয়নি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তৃতীয় দেশের মাধ্যমে আসছে ভারতীয় পণ্য?

    প্রশ্ন উঠছে, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বাণিজ্য বন্ধ থাকলে কীভাবে পাকিস্তানে পৌঁছচ্ছে ভারতীয় পণ্য? পাকিস্তানের স্টেট ব্যাঙ্কের পরিসংখ্যানে এই পণ্য পরিবহণের নির্দিষ্ট পথের উল্লেখ নেই। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের অনুমান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, সিঙ্গাপুর ও শ্রীলঙ্কার মতো তৃতীয় দেশের মাধ্যমে পাকিস্তানে পৌঁছচ্ছে ভারতীয় পণ্য। ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ রবিন্দর সিং রবিনের মতে, ভারতীয় পণ্যের চাহিদা পাকিস্তানে এখনও যথেষ্ট। সরাসরি বাণিজ্য বন্ধ থাকলে এই পণ্যগুলি কোন পথে পৌঁছচ্ছে এবং নথিতে উৎপত্তির দেশ হিসেবে কোন দেশের নাম উল্লেখ করা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

    কোন কোন ভারতীয় পণ্যের চাহিদা পাকিস্তানে বেশি?

    ভারত থেকে পাকিস্তানের আমদানি করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ওষুধ ও ওষুধ তৈরির কাঁচামাল, প্লাস্টিক, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, রং, জৈব রাসায়নিক, রবার, কফি, চা, শাকসবজি, মশলা, দুগ্ধজাত পণ্য এবং খাদ্যশস্য। বিশেষ করে ওষুধ ও ওষুধ তৈরির কাঁচামালের ক্ষেত্রে ভারতের উপর পাকিস্তানের নির্ভরতার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানে ভারতের ওষুধ রফতানির পরিমাণ ছিল ২০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর আগেও নিষেধাজ্ঞার পর ভারত থেকে পাকিস্তানে পণ্য আমদানির নজির সামনে এসেছে। আরব নিউজের একটি প্রতিবেদনে পাকিস্তানের স্টেট ব্যাঙ্কের তথ্য উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছিল, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভারত থেকে প্রায় ৩৬.৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছিল পাকিস্তান। সেই আমদানির সিংহভাগই ছিল ওষুধ তৈরির কাঁচামাল।

    কীভাবে কার্যকর হচ্ছে ‘গ্রে-জোন’ কৌশল?

    গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (GTRI)-এর মতে, তৃতীয় দেশের মাধ্যমে ঘুরপথে পাকিস্তানে ভারতীয় পণ্য রফতানির একটি বড় বাজার রয়েছে। সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তব এই পদ্ধতিকে ‘গ্রে-জোন স্ট্র্যাটেজি’ বলে উল্লেখ করেছেন। এই পদ্ধতিতে ভারতীয় পণ্য প্রথমে দুবাই, সিঙ্গাপুর বা কলম্বোর মতো বাণিজ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়। সেখানে বন্ডেড ওয়্যারহাউসে পণ্য মজুত রাখা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট পণ্যের নথি ও লেবেল পরিবর্তন করে অন্য দেশের পণ্য হিসেবে পুনরায় রফতানি করা হতে পারে। এর ফলে পণ্যের মূল উৎস আড়াল করে পাকিস্তানে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয় বলে বিশেষজ্ঞদের দাবি। জিটিআরআই-এর অনুমান, এই ধরনের অনানুষ্ঠানিক ও ঘুরপথে বাণিজ্যের মাধ্যমে পাকিস্তানে ভারতীয় পণ্যের রফতানি বছরে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছতে পারে। তবে এই অঙ্ক একটি অনুমান, সরকারি ভাবে যাচাই করা সরাসরি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিসংখ্যান নয়।

    কেন বন্ধ হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান বাণিজ্য?

    ২০১৯ সালে পুলওয়ামা জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানকে দেওয়া ‘মোস্ট ফেভারড নেশন’ মর্যাদা প্রত্যাহার করে ভারত। এরপর দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। ২০২৫ সালে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৫ জন পর্যটকের মৃত্যুর পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। এর পর ভারত ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত বন্ধ করে দেয় এবং পাকিস্তানে উৎপত্তি হওয়া বা পাকিস্তান থেকে রফতানি করা পণ্যের সরাসরি কিংবা পরোক্ষ আমদানি ও ট্রানজিটের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ৪ মে পাকিস্তানও তৃতীয় দেশের মাধ্যমে বাণিজ্য-সহ ভারতের সঙ্গে সমস্ত বাণিজ্য বন্ধ করার ঘোষণা করে।

    ক্রমশ কমেছে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৮ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ২.৪১ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ১.২ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। ২০১৯ সালে ভারতে পাকিস্তানের রফতানির পরিমাণ ছিল ৫৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার, যা ২০২৪ সালে কমে মাত্র ৪৮০,০০০ ডলারে দাঁড়ায়। পাকিস্তান থেকে ভারতে রফতানি হওয়া পণ্যের মধ্যে ছিল কাচের সামগ্রী, তামা, গন্ধক, ফল ও বাদামজাতীয় পণ্য। ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ভারত পাকিস্তানে ৪৪৭.৬৫ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি করেছিল। বিপরীতে পাকিস্তান থেকে ভারতে রফতানির পরিমাণ ছিল মাত্র ০.৪২ মিলিয়ন ডলার। সরাসরি বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ভারতীয় পণ্যের চাহিদা যে পাকিস্তানে এখনও রয়েছে, সাম্প্রতিক আমদানির পরিসংখ্যান সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। তবে তৃতীয় দেশের মাধ্যমে আসা পণ্যগুলির প্রকৃত উৎস, পরিবহণের পথ এবং নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে কি না, তা নিশ্চিত করতে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন।

  • Indian Railways: রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ট্রেনে মোবাইল চার্জে নিষেধাজ্ঞা, যাত্রী সুরক্ষায় কড়া পদক্ষেপ রেলের

    Indian Railways: রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ট্রেনে মোবাইল চার্জে নিষেধাজ্ঞা, যাত্রী সুরক্ষায় কড়া পদক্ষেপ রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের ট্রেনযাত্রায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমাতে বড় পদক্ষেপ ভারতীয় রেলের (Indian Railways)। রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ট্রেনের কামরায় মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকর করার পাশাপাশি আচমকা পরিদর্শনের নির্দেশও দিয়েছে রেল বোর্ড। সম্প্রতি ট্রেনের কামরায় মোবাইল ফোন ও পাওয়ার ব্যাঙ্কে (Railways Bans Mobile Charging) আগুন লাগার একাধিক ঘটনার পরেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

    ছয় ঘণ্টা চার্জিং পয়েন্ট বন্ধ

    রেল বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট ছয় ঘণ্টা চার্জিং পয়েন্ট বন্ধ রাখা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে ট্রেনে কর্তব্যরত কর্মীদের। এই নিয়মে কোনও ব্যতিক্রম বরদাস্ত করা হবে না বলেও নির্দেশে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি রেলকর্মীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণের উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ অক্টোবর মুম্বই-হাওড়া মেলে এমনই একটি ঘটনা ঘটে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের অধীন ওই ট্রেনের একটি এসি কামরায় রাতে চার্জে বসানো অবস্থায় এক যাত্রীর পাওয়ার ব্যাঙ্ক বিস্ফোরিত হয়। রেল বোর্ডের বক্তব্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে চার্জিং পয়েন্ট বন্ধ না করার কারণেই ওই ঘটনা ঘটেছিল। এরপরেই নিরাপত্তা বিধি কার্যকর করার বিষয়ে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে রেল।

    কেন বিপজ্জনক পাওয়ার ব্যাঙ্ক?

    পাওয়ার ব্যাঙ্কে সাধারণত লিথিয়াম-আয়ন অথবা লিথিয়াম-পলিমার ব্যাটারি থাকে। ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হলে, অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে কিংবা ভিতরে কোনও বৈদ্যুতিক ত্রুটি দেখা দিলে তা থেকে আগুন লাগতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ব্যাটারি বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটতে পারে। ব্যাটারির তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে গিয়ে আগুন ধরে যাওয়ার এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘থার্মাল রানঅ্যাওয়ে’। এ ছাড়া বালিশের নীচে, বিছানার মধ্যে কিংবা ঠাসাঠাসি ব্যাগের ভিতরে রেখে পাওয়ার ব্যাঙ্ক চার্জ করলে তাপ বেরিয়ে যাওয়ার পথ বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। ফলে যন্ত্রটি অতিরিক্ত গরম হয়ে উঠলেও তা সহজে নজরে নাও আসতে পারে। ট্রেনের কামরায় এ ধরনের দুর্ঘটনা আরও বিপজ্জনক। কারণ, রাতে অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে থাকেন। ফলে ধোঁয়া বা আগুনের সূত্রপাত হলেও তা বুঝতে দেরি হতে পারে। বন্ধ কামরায় ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে শিশু ও প্রবীণ যাত্রীদের ক্ষেত্রে বিপদের আশঙ্কা বেশি।

    কেন রাতে বন্ধ থাকবে চার্জিং পয়েন্ট?

    দীর্ঘ দূরত্বের ট্রেনযাত্রায় মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট ও পাওয়ার ব্যাঙ্ক চার্জ করার জন্য যাত্রীরা কামরার চার্জিং পয়েন্টের উপর নির্ভর করেন। আধুনিক মোবাইল ফোন ও পাওয়ার ব্যাঙ্কে সাধারণত চার্জ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকে। তাই দীর্ঘক্ষণ চার্জে থাকলেই যে বিপদ ঘটবে, এমন নয়। তবে যন্ত্রে কোনও ত্রুটি দেখা দিলে নজরদারি না থাকার কারণে দুর্ঘটনা শনাক্ত করতে দেরি হতে পারে। রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে থাকেন। এই সময় চার্জিং পয়েন্ট বন্ধ রাখলে চার্জিং সংক্রান্ত দুর্ঘটনা এবং সম্ভাব্য অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমানো সম্ভব বলে মনে করছে রেল।

    যাত্রীদের কী কী সতর্কতা নেওয়া উচিত?

    রেলের নির্দেশ কার্যকর করার দায়িত্ব কর্মীদের হলেও যাত্রীদেরও কিছু সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—

    • ● মোবাইল ও পাওয়ার ব্যাঙ্ক চার্জ করার জন্য আসল বা উপযুক্ত চার্জার এবং অক্ষত কেবল ব্যবহার করুন।
    • ● ফুলে যাওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত বা অস্বাভাবিক গরম হয়ে ওঠা ফোন কিংবা পাওয়ার ব্যাঙ্ক চার্জ করবেন না।
    • ● চার্জে থাকা ফোন বা পাওয়ার ব্যাঙ্ক বালিশ, কম্বল কিংবা বিছানার নীচে রাখবেন না।
    • ● চার্জ দেওয়ার সময় যন্ত্রের তাপমাত্রা ও অস্বাভাবিক গন্ধের দিকে নজর রাখুন।
    • ● কোনও যন্ত্র থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখলে বা আগুন লাগলে দ্রুত ট্রেনের কর্মীদের জানান।

    রেলের এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য, রাতের যাত্রায় বৈদ্যুতিক ত্রুটি বা ব্যাটারিজনিত দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমিয়ে যাত্রীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা।

  • India: ভেটো ক্ষমতা ছাড়া রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ মানে ‘দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা’, স্পষ্ট বার্তা ভারতের

    India: ভেটো ক্ষমতা ছাড়া রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ মানে ‘দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা’, স্পষ্ট বার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের  নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) সংস্কারের নামে ভেটো ক্ষমতা ছাড়া নতুন কোনও ধরনের স্থায়ী সদস্যপদ চালু করা হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলিকে ‘দ্বিতীয় শ্রেণির’ সদস্যের মর্যাদায় নামিয়ে আনা হবে। এর ফলে পরিষদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় বর্তমান পাঁচ স্থায়ী সদস্যের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে। সোমবার এমনই স্পষ্ট অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে ভারত (India)।

    রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে আন্তঃসরকারি আলোচনা প্রক্রিয়ার অধীনে ভেটো ক্ষমতা সংক্রান্ত বিতর্কের একটি পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত পি হরিশ বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের পরেও যদি ভেটো ক্ষমতার বিধান বহাল থাকে, তবে সমস্ত স্থায়ী সদস্যকেই সেই ক্ষমতা দিতে হবে।

    তাঁর কথায়, “ভেটো ক্ষমতা নিয়ে ভারতের অবস্থান নীতিগত এবং সুপরিচিত। আমরা আবারও স্পষ্ট করে জানাচ্ছি, যত দিন ভেটো ক্ষমতা থাকবে, তত দিন সংস্কার করা নিরাপত্তা পরিষদের সমস্ত স্থায়ী সদস্যের হাতেই সেই ক্ষমতা থাকতে হবে।”

    নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশ (India)

    বর্তমানে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ ভেটো ক্ষমতা ভোগ করে। দেশগুলি হল চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, ব্রিটেন এবং আমেরিকা। বাকি ১০টি অস্থায়ী সদস্য দেশকে দু’বছরের জন্য নির্বাচিত করা হয়।

    ভারত দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে, ১৯৪৫ সালের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে তৈরি এই কাঠামো একুশ শতকের বাস্তবতার সঙ্গে আর সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ভারতের বক্তব্য, ভেটো ক্ষমতা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি সদস্যদের জন্য আলাদা একটি শ্রেণি তৈরি করলে নিরাপত্তা পরিষদের ক্ষমতার ভারসাম্যে মৌলিক কোনও পরিবর্তন আসবে না।

    হরিশ বলেন, “ভেটো ক্ষমতা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি সদস্যদের জন্য নতুন একটি শ্রেণি তৈরি করে নিরাপত্তা পরিষদের সম্প্রসারণ ঘটালে কার্যত তাঁদের ‘দ্বিতীয় শ্রেণির’ সদস্যে পরিণত করা হবে। এতে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার সমীকরণে কোনও পরিবর্তন আসবে না।”

    শুধু ভেটো ক্ষমতা ছাড়া নতুন সদস্যপদ চালুর প্রস্তাবই নয়, নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতা থাকুক বা না থাকুক, স্থায়ী সদস্যদের জন্য নতুন কোনও শ্রেণি তৈরিরও বিরোধিতা করেছে ভারত। নয়াদিল্লির মতে, এমন ব্যবস্থা চালু হলে যে বৈষম্য দূর করার লক্ষ্য নিয়ে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেই বৈষম্যই আরও শক্তিশালী হবে।

    হরিশের সাফ কথা

    ভারতের রাষ্ট্রদূত বলেন, “নিয়মিত নির্বাচন এবং স্থায়ী সদস্যপদের ধারণা মৌলিকভাবেই পরস্পরবিরোধী।” ১৯৬৫ সালে নিরাপত্তা পরিষদের শেষ সম্প্রসারণের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। সেই সময় পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের কাঠামো অপরিবর্তিত রেখে অস্থায়ী সদস্যের সংখ্যা ছয় থেকে বাড়িয়ে ১০ করা হয়েছিল। এর ফলে স্থায়ী ও নির্বাচিত সদস্যের অনুপাত পাঁচ অনুপাত ছয় থেকে পরিবর্তিত হয়ে পাঁচ অনুপাত দশ হয়। ভারতের (India) বক্তব্য, এই পরিবর্তন আপেক্ষিকভাবে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছিল।

    ভারত তাই নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের ক্ষেত্রে সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। সদস্যপদের বিভিন্ন শ্রেণি, আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব, পরিষদের মোট সদস্যসংখ্যা, ভেটো ক্ষমতা এবং কাজের পদ্ধতি—সংস্কারের আলোচনায় এই সমস্ত বিষয়কেই অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে সওয়াল করেছে নয়াদিল্লি।

    ভেটো ক্ষমতার পাশাপাশি আন্তঃসরকারি আলোচনা প্রক্রিয়ায় সর্বসম্মতির নীতির ব্যবহার নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে ভারত। ভারতের মতে, এই পদ্ধতি কার্যত আড়াল থেকে ভেটো প্রয়োগের কৌশলে পরিণত হতে পারে। হরিশ বলেন, “সতেরোটি আলোচনা-পর্ব পেরিয়ে গেলেও আমরা এখনও দেখানোর মতো কোনও ফল পাইনি।” তিনি স্পষ্ট সময়সীমা ও নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে প্রকৃত খসড়া প্রস্তাবের ভিত্তিতে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

    নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার

    নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার নিয়ে ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থান হল, কেবল অস্থায়ী সদস্যের সংখ্যা বাড়ানোর মধ্যে সংস্কারের উদ্যোগ সীমাবদ্ধ থাকলে তা কার্যত ব্যর্থতার মুখে পড়বে। ভারতের মতে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রগুলির অন্যতম এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী দেশ হিসেবে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার ন্যায্য দাবিদার ভারত।

    এদিকে, ২০২৮-২৯ মেয়াদের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার লক্ষ্যে উদ্যোগী হয়েছে নয়াদিল্লি। এই পদের নির্বাচন হবে ২০২৭ সালের জুন মাসে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় গোষ্ঠীর জন্য নির্ধারিত একমাত্র আসনে তাজিকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ভারত।

    সব মিলিয়ে, নিরাপত্তা পরিষদের (UNSC) সংস্কার নিয়ে ভারতের অবস্থান আরও একবার স্পষ্ট। নয়াদিল্লির বক্তব্য, প্রকৃত সংস্কার করতে হলে কেবল সদস্যসংখ্যা বাড়ালেই চলবে না, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার ক্ষেত্রেও সমতা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত হলেও পরিষদের পুরনো ক্ষমতার কাঠামোই অক্ষুণ্ণ থেকে যাবে (India)।

     

LinkedIn
Share