Tag: বাংলা খবর

  • Deendayal Upadhyaya: পাশ্চাত্য দর্শনে ব্যক্তি সুখ, একাত্ম মানববাদে ধর্ম-মোক্ষের ধারণা দেন দীনদয়াল

    Deendayal Upadhyaya: পাশ্চাত্য দর্শনে ব্যক্তি সুখ, একাত্ম মানববাদে ধর্ম-মোক্ষের ধারণা দেন দীনদয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয় আমাদের দেশ ভারতবর্ষ। তারপর থেকে এদেশের কংগ্রেস এবং বামপন্থী দলের নেতারা পাশ্চাত্যের পুঁজিবাদ এবং সোভিয়েত মডেলকেই ভারতের নীতি করতে চেয়েছিলেন। ঠিক এই সময়েই ভারতীয় সভ্যতার প্রতিধ্বনি নিয়ে হাজির হন পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhyaya)। ১৯৬৫ সালের ২২ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে তিনি চারটি সেমিনারে বক্তব্য রাখেন। এই বক্তব্যগুলি শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতাদর্শই ছিল না, এটা ছিল ভারতের সনাতন সংস্কৃতি এবং সভ্যতার প্রতিধ্বনি। পরবর্তীকালে এটাই হয়ে ওঠে একাত্ম মানববাদ। দীনদয়াল উপাধ্যায়ের প্রবর্তিত একাত্ম মানববাদ বর্তমানে প্রতিফলিত হয় বিজেপির সংবিধানের তিন নম্বর ধারায়।

    ব্যক্তি সুখের কথাই বলে পাশ্চাত্য দর্শন

    দীনদয়াল উপাধ্যায়ের (Deendayal Upadhyaya) মতে, এই সমাজের চারটি উপাদান রয়েছে। প্রথমটি হল দেশ বা রাষ্ট্র, দ্বিতীয়টি হল সংস্কৃতি, তৃতীয় হল জনগণ, চতুর্থ হল সরকার। একটি ঐক্যবদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠায় এবং সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে তুলতে এই চারটি উপাদানকে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। এই ৪ উপাদানের মধ্যে যদি সংযোগ না ঘটে তাহলে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় না বলেই মনে করতেন দীনদয়াল উপাধ্যায়। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেন ১৯১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বর্তমান উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলায়, নাগলা চন্দ্রভাগ নামক স্থানে। শৈশবে অত্যন্ত দুঃখ কষ্টের মধ্য দিয়ে বড় হন তিনি। মাত্র ৭ বছর বয়সেই তিনি তাঁর পিতামাকে হারান এবং বড় হয়ে ওঠেন আত্মীয়দের কাছে। অত্যন্ত মেধাবী দীনদয়াল ছাত্রজীবনে স্বর্ণপদকও লাভ করেন। পরবর্তীকালে চাকুরি না করে তিনি দেশের সেবায় অংশগ্রহণ করেন। যোগ দেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘে। এরপরেই দীনদয়াল উপাধ্যায় দেশজুড়ে বীজ বুনতে থাকেন সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের। তাঁর দর্শন (Ekatma Manava Darshan) ভারতীয় ভাবধারায় গড়ে উঠেছিল। সেখানে ঔপনিবেশিকতার কোনও ছায়া দেখা যায়নি। পাশ্চাত্য দর্শনে যেখানে ব্যক্তি জীবনের সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের কথা বলেছে, দীনদয়াল উপাধ্যায়ের দর্শন সেখানে ব্যক্তি-সমাজ-প্রকৃতি-আধ্যাত্মিকতার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে।

    দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রণীত একাত্ম মানববাদ (Ekatma Manava Darshan)

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhyaya) বলতেন, ‘‘ভারতবর্ষে জাতীয়তাবোধের ভিত্তি হল ভারত মাতা, যদি মাতা শব্দটা সরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে শুধু ভারত, মাটির টুকরো হয়েই পড়ে থাকবে।’’ পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মতে, প্রতিটি মানুষের সম্পূর্ণ গঠন হয় চারটি উপাদানের ভিত্তিতে। এগুলি হল শরীর, মন, বুদ্ধি এবং আত্মা। এই চারটি উপাদানের সঙ্গে ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষ এই চারটি বিষয় সম্পর্কিত। ধর্ম হল ভিত্তি এবং মোক্ষ হল সর্বোচ্চ প্রাপ্তি। অন্যান্য মতাদর্শ যেখানে শুধুমাত্র মন এবং শরীরের বিভিন্ন চাহিদা পূরণের কথা বলে সেখানে একাত্ম মানববাদে ধর্ম এবং মোক্ষেরও ধারণা দিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলতেন, ‘‘ধর্ম হচ্ছে ব্যাপক এবং বিস্তৃত। সমাজকে সংগঠিত করতে ধর্ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’’ নীতিনিষ্ঠ এবং মূল্যবোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস রাখতেন পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhyaya)।

  • RBI: বয়স ১০ হলেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে চালাতে পারবে ছোটরা, মিলতে পারে এটিএম কার্ডও, জানাল আরবিআই

    RBI: বয়স ১০ হলেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে চালাতে পারবে ছোটরা, মিলতে পারে এটিএম কার্ডও, জানাল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ বছর বয়স হলেই এখন থেকে ছোটরা তাদের নিজেদের সেভিংস বা টার্ম ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট (Minor Bank Accounts) খুলতে ও নিজেরাই চালাতে পারবে। এমনটাই ঘোষণা করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই নতুন নিয়মটি প্রযোজ্য হবে সব ধরনের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক এবং কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রেই। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে প্রাইমারি (আরবান) কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক, স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক এবং ডিস্ট্রিক্ট সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল, ব্যাঙ্ক যদি মনে করে সেক্ষেত্রে ১০ বছরের বেশি বয়সি শিশুদের ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, এটিএম কার্ড, চেকবুক ইত্যাদির সুবিধাও দিতে পারবে। তবে এসব দেওয়ার আগে ঝুঁকি-সংক্রান্ত নিয়মাবলি পর্যালোচনা করবে ব্যাঙ্ক। আগে নিশ্চিত হতে হবে, যে এইসব শিশুদের উপযুক্ত কিনা।

    ১ জুলাই ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে নয়া নীতি (Minor Bank Accounts)

    অ্যাকাউন্ট খোলার সময় এবং পরবর্তীকালে ব্যাঙ্ককে কেওয়াইসি নিয়ম মেনে চলতে হবে বলেও জানিয়েছে আরবিআই। শীর্ষ ব্যাঙ্কের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সমস্ত ব্যাঙ্ককেই আগামী ১ জুলাই ২০২৫-এর মধ্যে এই নতুন নির্দেশ কার্যকর করে নিজেদের নীতি প্রণয়ন করতে হবে। গতকাল সোমবারই এক বিবৃতিতে আরবিআই জানায়, বহু বছর আগে জারি করা পুরনো এক নির্দেশিকাকে পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। তারপরেই এই নতুন নিয়ম তৈরি করা হয়েছে। শিশুদের জন্য ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট খোলার ও পরিচালনার নিয়ম করা হয়েছে। আরবিআই (RBI) আরও জানিয়েছে, যে কোনও বয়সের অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু তার আইনি অভিভাবকের মাধ্যমে সেভিংস বা টার্ম ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে। ১০ বছর বা তার বেশি বয়স হলেই তারা এখন নিজেরাই এসব অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারবে।

    অ্যাকাউন্টে সবসময়ই পজিটিভ ব্যালান্স রাখতে হবে

    এই নিয়মের পাশাপাশি, ব্যাঙ্কগুলিকে নিজেদের অ্যাকাউন্টগুলিকে শর্ত নির্ধারণ করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাকাউন্টে জমা টাকার সীমা নির্ধারণ, অন্যান্য শর্তাবলি স্থির করা এবং সেগুলো স্পষ্টভাবে কিশোর গ্রাহকদের জানানো। যখনই কোনও অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৮ বছরে পৌঁছে যাবে, তখনই তাকে আবার অ্যাকাউন্ট পরিচালনার জন্য নতুন নির্দেশনা ও সিগনেচার দিতে হবে বলে জানা গিয়েছে। আরবিআই (RBI) আরও জানিয়েছে, শিশুর নামে থাকা অ্যাকাউন্ট, সেটা অভিভাবক দ্বারা পরিচালিত হোক বা শিশু নিজে পরিচালনা করুক, কোনওভাবেই ওভারড্রাফট সুবিধা পাবে না। অর্থাৎ অ্যাকাউন্টে সবসময়ই পজিটিভ ব্যালান্স রাখতে হবে বলে জানিয়েছে আরবিআই।

  • Bangladesh: হিংসার বাংলাদেশে নেই শ্রমিক নিরাপত্তা! ৫ হাজার কোটির রেল প্রকল্প বন্ধ করল মোদি সরকার

    Bangladesh: হিংসার বাংলাদেশে নেই শ্রমিক নিরাপত্তা! ৫ হাজার কোটির রেল প্রকল্প বন্ধ করল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের অগাস্ট মাসেই বিএনপি ও জামাত অগণতান্ত্রিকভাবে দখল করে বাংলাদেশের (Bangladesh) গণভবন। দেশ ছাড়া হন শেখ হাসিনা। পতন হয় তাঁর সরকারের। এরপর থেকেই ভারত বিরোধী কার্যকলাপ বাড়াতে থাকে অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকার। দিল্লির সঙ্গে বাড়তে থাকে কূটনৈতিক টানাপোড়েন। অবনতি হয় সম্পর্কের। এই আবহে নরেন্দ্র মোদি (Modi Govt) নেতৃত্বাধীন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশ কয়েকটি রেল প্রকল্পের নির্মাণ এবং অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। দিল্লির তরফ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না এলেও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়েই চিন্তিত ভারত। তাই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে বেশ কতকগুলি সংবাদমাধ্যম। জানা যাচ্ছে, অর্থ বরাদ্দ বন্ধের ফলে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্প— আখাউড়া-আগরতলা সীমান্ত রেল সংযোগ প্রকল্প, খুলনা-মোংলা বন্দর রেল লাইন এবং ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর রেল সম্প্রসারণ— স্থগিত করা হয়েছে।

    বন্ধ হওয়া প্রধান প্রকল্পগুলি (Bangladesh)

    ১. আখাউড়া-আগরতলা সীমান্ত রেল সংযোগ প্রকল্প 

    জানা যাচ্ছে, এই প্রকল্পটি ভারত সরকারের প্রায় ৪০০ কোটির অনুদানে বাস্তবায়িত হচ্ছিল। ১২.২৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই রেলপথের মধ্যে বাংলাদেশের অংশ ৬.৭৮ কিলোমিটার ও ত্রিপুরার অংশ ৫.৪৬ কিলোমিটার। এতে ত্রিপুরা ও অসমসহ উত্তর-পূর্ব ভারতের সংযোগ বাড়ার কথা ছিল।

    ২. খুলনা-মোংলা বন্দর রেললাইন প্রকল্প (Bangladesh)

    এই প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা ভারতের ব্রডগেজ রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হতে পারত। এই প্রকল্পের আওতায় মোংলা বন্দর ও খুলনার মধ্যে ৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রড গেজ রেললাইন নির্মাণ করা হচ্ছিল।

    ৩. ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর রেল সম্প্রসারণ প্রকল্প

    এই প্রকল্পটি আর মাত্র ২ বছর পরে ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। ভারতীয় এক্সিম ব্যাংক থেকে ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা অর্থ সহায়তায় চলছিল কাজ। জানা যাচ্ছে, এইগুলি ছাড়া আরও বেশ কতকগুলি প্রকল্পের কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে।

    ভারত সরকার কোনও বিবৃতি দেয়নি

    যদিও ভারত সরকার এ নিয়ে কোনও বিবৃতি দেয়নি। তবে এর মধ্যেই বাংলাদেশে রেল সংযোগ একাধিক প্রকল্পে ভারতের অর্থ বরাদ্দ বন্ধের খবরটি নতুন করে সামনে এসেছে। বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যম এই বিষয়টি তুলে ধরেছে বলেও জানা যাচ্ছে। দিল্লির এমন পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশের রেলপথের মাধ্যমে ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর–পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য বা ‘সেভেন সিস্টার্স’কে যুক্ত করার পরিকল্পনা ব্যাহত হতে পারে। প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ অগাস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের একাধিক কট্টরপন্থী নেতার মুখে ‘সেভেন সিস্টার্স’ ছিনিয়ে নেওয়ার হুমকি শোনা গিয়েছে।

    শ্রমিকদের নিরাপত্তাই উদ্বেগের কারণ

    যদিও সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য হিন্দু বিজনেস লাইন নামের একটি সংবাদপত্র। ওই প্রতিবেদন অনুসারে জানা যাচ্ছে, যে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশে (Bangladesh), সেই পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার। ঠিক এই কারণেই রেল প্রকল্পগুলির তহবিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে খবর। প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে বাংলাদেশ হয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ও তাদের একের পর এক ভারত বিরোধী অবস্থানের ফলে প্রকল্পগুলি বর্তমানে বন্ধ করে দেওয়া হল।

    বিকল্প রুটের সন্ধান নয়াদিল্লির

    একাধিক রিপোর্টেই উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তার কারণে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভারত বিকল্প রাস্তার সন্ধানও পেয়েছে। ভুটান ও নেপালের মতো অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলির মাধ্যমে বিকল্প একটি ট্রানজিট রুট কিভাবে নির্মাণ করা যায় সেই পরিকল্পনায় করছে ভারত। অর্থাৎ ভারত-বিরোধী ইউনূসের বাংলাদেশের (Bangladesh) সঙ্গে কোনওভাবেই সম্পর্ক রাখতে চায় না মোদি সরকার।

    শিলিগুড়ি গুরুত্বপূর্ণ করিডর, উত্তরপূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার

    জানা যাচ্ছে এই আবহে ভারতীয় রেল বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরে পরিকাঠামো সম্প্রসারণের দিকেই নজর দিয়েছে। এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল শিলিগুড়ি করিডর। প্রসঙ্গত, শিলিগুড়িকে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশ দ্বারও বলা হয়ে থাকে। শিলিগুড়ি করিডরকে পশ্চিমবঙ্গে চিকেন নেকও বলা হয়ে থাকে। শিলিগুড়িকে কেন্দ্র করেই লাইন সম্প্রসারণের কাজ চলবে বলে জানা যাচ্ছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন ঊর্ধ্বতন রেলওয়ে আধিকারিকরা। এক উচ্চপদস্থ রেল আধিকারিকের মতে, রেল লাইনের সম্প্রসারণের জন্য সার্ভের কাজ চলছে। ভারতীয় রেল নেপাল ও ভুটানের মধ্য দিয়ে নতুনভাবে করিডর তৈরির পরিকল্পনা করছে।

    বাংলাদেশের সঙ্গে এমন তিক্ত সম্পর্ক আগে দেখা যায়নি

    এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার প্রাক্তন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পরে এবং ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন থেকেই ক্ষমতায় এসেছে তখনই ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক সবচেয়ে অবনতি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এমন সম্পর্কের অবনতি কখনও দেখা যায়নি। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর ব্যাপক সাম্প্রদায়িক হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে। ভারত কড়া বিবৃতি জারি করেছে একাধিকবার। সে দেশের হিন্দুদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে বলেছে ইউনূস সরকারকে। একইসঙ্গে নয়া দিল্লি অভিযোগ তুলেছে যে ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার পদক্ষেপ না করার জন্যই এসে দেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর উগ্র মৌলবাদীদের হামলা বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে এমন তিক্ত সম্পর্কই এবার প্রভাব ফেলল দিল্লির এমন সিদ্ধান্তে।

    চিন সফরে গিয়েও উত্তর-পূর্ব ভারত নিয়ে মন্তব্য করেন ইউনূস

    প্রসঙ্গত, মাস খানেক আগেই চিন সফরে গিয়েছিলেন ইউনূস। সেসময় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের কথাতেও সেভেন সিস্টার্স–এর উল্লেখ ছিল। সেখানে তিনি বাংলাদেশ হয়ে ভারতে চিনা বাণিজ্যের প্রসার সম্পর্কে বলতে গিয়ে দাবি করেছিলেন। তাঁর মতে, সেভেন সিস্টার্সকে যুক্ত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশই হলো গার্ডিয়ান অফ দ্য ওশন। ভারতের বর্তমান সিদ্ধান্তে ইউনূসের এমন ভাবনা ধাক্কা খেল।

    চিকেন নেক এলাকায় চিনকে ঘাঁটি বানাতে অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ!

    বাংলাদেশ নিজেকে বঙ্গোপসাগরের ‘গার্ডিয়ান’ বলে আখ্যা দেওয়ার পরে জানা যায়, সেদেশের উত্তরে চিকেনস নেক এলাকার কাছে নাকি চিনকে ঘাঁটি বানানোর অনুমতি দিয়েছেন ইউনূস। এহেন পরিস্থিতিতে এবার বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে ভারতের রেল প্রকল্পের সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদশের ওপর যে ভারত কোনওভাবেই নির্ভরশীল নয়, তা বোঝাতে ভারত এবার নেপাল এবং ভুটানের মধ্যে দিয়ে উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির উপায় খুঁজছে।

  • World Earth Day 2025: ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস, এবছরের থিম ‘আমাদের শক্তি, আমাদের গ্রহ’

    World Earth Day 2025: ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস, এবছরের থিম ‘আমাদের শক্তি, আমাদের গ্রহ’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ২২ এপ্রিল পালন করা হয় বিশ্ব ধরিত্রী দিবস (World Earth Day 2025)। এই দিনে পৃথিবীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। এই দিন সারা বিশ্বের মানুষকে সচেতন করার দিন। প্রতি নিয়ত বেড়ে চলা দূষণের ফলে বাড়ছে উষ্ণতা। বৃক্ষচ্ছেদন থেকে জল দূষণ, কলকারখানার নির্গত ধোঁয়া থেকে বায়ু দূষণ, নানাভাবে মাটির দূষণ, এই সমস্ত কারণে পৃথিবী প্রতিনিয়ত বাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে। তাই রাষ্ট্রসংঘের তরফেই শুরু হয় এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়।

    ২০২৫ সালে বিশ্ব ধরিত্রী দিবসের থিম হল ‘আমাদের শক্তি, আমাদের গ্রহ’

    ২০২৫ সালে বিশ্ব ধরিত্রী দিবসের (World Earth Day 2025) থিম হল ‘আমাদের শক্তি, আমাদের গ্রহ’। একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, বিগত দশক (২০১৫-২০২৪) ছিল সবচেয়ে উষ্ণতম। এই আবহে ফের প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে বিশ্ব পৃথিবী দিবসের পালন। বিশ্ব পৃথিবী দিবস কেবল উদযাপনের একটি দিন নয়, বরং এটি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের গ্রহকে রক্ষা করা সংকল্পের দিন।

    বিশ্ব ধরিত্রী দিবস দিনটির ইতিহাস (World Earth Day 2025)

    বিশ্ব ধরিত্রী দিবস (World Earth Day 2025) পালন শুরু হয় গত শতক থেকেই। পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তোলার সচেতনতা বাড়াতে রাষ্ট্রসংঘ এই বিশেষ দিনটা পালন করা শুরু করে। নানা দেশে দূষণ কমাতে নানাভাবে আন্দোলন দেখা গিয়েছে বিগত শতকে। ১৯৭০ সালের ২২ এপ্রিল উসকনসিনের সেনেটর গেলর্ড নেলসন বিশ্ব ধরিত্রী দিবস (World Earth Day) উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেন। জানা যায়, এমন অনুষ্ঠানের পিছনে একটি বড় কারণ ছিল। ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা বারবারাতে তৈল নিষ্কাশনের ফলে প্রবল দূষণের ঘটনা তাঁকে রীতিমতো নাড়া দেয়। গেলর্ড মনে করতেন আমাদের পরিবেশ সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়া উচিত। গেলর্ডের সেই আহ্বানে মেলে অভূতপূর্ব সাড়া। ২ কোটি মানুষ সেখানে যোগ দেয়। এরপর থেকে ওই দিনটিই বিশ্ব ধরিত্রী দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হয়। এখন সারা বিশ্বের ১৯৩টি দেশ এই বিশেষ দিন পালন করে।

  • Sukanta Majumder: ‘‘ভয় পেলে বেশি ভয় দেখাবে’’, নিহত পিতা-পুত্রের বাড়িতে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumder: ‘‘ভয় পেলে বেশি ভয় দেখাবে’’, নিহত পিতা-পুত্রের বাড়িতে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসা কবলিত সামশেরগঞ্জে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)। বিজেপির (BSF) রাজ্য সভাপতি এদিন পৌঁছে যান জাফরাবাদে খুন হওয়া হরগোবিন্দ দাস এবং চন্দন দাসের বাড়িতেও। নিহত পিতা-পুত্রের পরিবার সহ হিন্দু সমাজের উদ্দেশে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘ভয় পাবেন না, ভয় পেলে বেশি ভয় দেখাবে। আমরা পাশে আছি। প্রয়োজনে আবার আসব।’’ এই সময়েই জাফরাবাদে খুন হওয়া বাবা-ছেলের পরিবার দাবি করে, ‘‘বিএসএফের স্থায়ী ক্যাম্প চাই।’’ এজন্য তাঁরা নিজেরাও জমি দিতে ইচ্ছুক বলে জানান। সুকান্ত মজুমদার আশ্বাস দেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলবেন।

    পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন মহিলারা

    বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে (Sukanta Majumder) কাছে পেয়ে নিগ্রহ, ঘরছাড়ারা এদিন ক্ষোভ উগরে দেন। এক মহিলা বলেন, ‘‘আমাদের কথা শুনলে শিউরে উঠবেন। সারা রাত তাণ্ডব চলেছে। ঘর বাড়ি সব শেষ কিচ্ছু নেই। কী করে বাঁচব আমরা?’’ পুলিশকে খুঁজে পাওয়া যায়নি বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। এক মহিলা বলেন, ‘‘আমরা কেঁদে কেঁদে মরে গিয়েছি। পুলিশ সব জানে, তাও পুলিশ একটি বারের জন্যও আসেনি। আমরা যখন মারা যাব, তখন কি পুলিশ আসবে।’’

    কেন্দ্রীয় সরকার তাঁদের পাশে রয়েছে

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder) তাঁদের আশ্বাস দেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাঁদের পাশে রয়েছে। সুকান্ত বলেন, ‘‘রিফিউজি ক্যাম্পে গিয়েছিলাম, তখন প্রত্যেকেরই দাবি ছিল, এলাকায় স্থায়ী বিএসএফ ক্যাম্প দরকার। রাজ্য পুলিশের ওপর সাধারণ মানুষের বিশ্বাস নেই। আমি রাজ্য সরকারকে আবেদন করব, এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর স্থায়ী ক্যাম্প করার রাজ্য যাতে কেন্দ্রের কাছে আবেদন করে।’’ সংবাদমাধ্যমের সামনে সুকান্ত আরও বলেন, ‘‘চিফ সেক্রেটারিকে আমি নিজে আমার প্যাডে চিঠি লিখব, যে ৫৬ খানা দোকানের মালিককে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করা হয়। মূর্তি-বিগ্রহ ভাঙা হয়েছে। যারা অন্যের ধর্মকে সম্মান করতে পারে না, নিজের ধর্মকেও সম্মান করেনা।’’

    প্রসঙ্গ এনআইএ তদন্ত

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিজেপির (BSF) রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumder) বলেন, ‘‘আমরা জনগণের দাবির সঙ্গে আছি। কিছু লোক এনআইএ তদন্তের জন্য আদালতে গিয়েছেন। আমাদের সকলের চোখ এখন আদালতের দিকে। যদি কলকাতা হাইকোর্ট এনআইএ তদন্তের অনুমতি দেয়, তাহলে সরকার তা অনুসরণ করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন যাতে তাদের (ভুক্তভোগীদের) ফেরত পাঠানোর হয়। কিন্তু তারা কোথায় যাবে? তাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।’’

  • Rafale-M: ভারতীয় বায়ুসেনার রাফালের থেকে কতটা আলাদা হতে চলেছে নৌ-সংস্করণ রাফাল-এম?

    Rafale-M: ভারতীয় বায়ুসেনার রাফালের থেকে কতটা আলাদা হতে চলেছে নৌ-সংস্করণ রাফাল-এম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহেই ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) জন্য ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান (Rafale-M) কেনার বিষয় চূড়ান্ত ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Government)। বুধবারই সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস (CCS)। যা জানা গিয়েছে, এই বিমান কিনতে গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট ডিল (G2G Deal) হবে। ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে সরাসরি চুক্তি হবে। চুক্তির মূল্য আনুমানিক ৬৩ হাজার কোটি টাকা। যার দৌলতে, ২৬টি রাফাল মেরিন (Rafale-M) ফাইটার জেট পাবে ভারত। এর মধ্যে ২২টি হবে সিঙ্গল-সিটার বা এক আসন বিশিষ্ট এবং ৪টি টুইন সিটার বা দুই আসন বিশিষ্ট। শেষোক্ত চারটি প্রশিক্ষণের কাজেও ব্যবহৃত হবে। এর পাশাপাশি, যুদ্ধবিমানে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় আনুষাঙ্গিক সরঞ্জাম, যন্ত্রাংশ, অস্ত্র, সিমুলেটর, পাইলট প্রশিক্ষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচও অন্তর্ভুক্ত থাকবে চুক্তির আওতায়।

    বেশি খরচে কম সংখ্যক বিমান

    এর আগে, ২০১৬ সালে একইভাবে ফ্রান্সের থেকে ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ৩৬টি রাফাল এফ-৩ যুদ্ধবিমান কিনেছিল ভারত। সেবারও দুই দেশের মধ্যে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে ৫৯ হাজার কোটি টাকায় রফা হয়েছিল। ফলে, একটা প্রশ্ন আসতে পারে, ৩৬টি বিমান কিনতে যা অর্থ ব্যয় হয়েছিল, সেই তুলনায় একই সংস্থা থেকে কম সংখ্যক একই প্রজাতির বিমান কিনতে বেশি খরচ কেন? প্রশ্নটা বৈধ। তবে, উত্তরটা লুকিয়ে রয়েছে বিমানেই। বায়ুসেনার ব্যবহৃত রাফালের (Rafale-M) সংস্করণ এবং বিশেষভাবে নৌবাহিনীর জন্য তৈরি রাফাল-এম যুদ্ধবিমানের মধ্যে অনেক মিল আছে বটে, তবে ফারাকটাও বিস্তর। বায়ুসেনার মডেলের তুলনায় এই সংস্করণে একাধিক পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে এটি বিমানবাহী রণতরী থেকে অপারেট করতে পারে। কীরকম? তা একটু খোলসা করে বলা যাক (Rafale vs Rafale-M)।

    রাফাল বনাম রাফাল-এম: তুল্যমূল্য বিচার (Rafale vs Rafale-M)

    বায়ুসেনায় ব্যবহৃত রাফালের তুলনায় তার নৌ-সংস্করণ (Rafale-M) বেশি ভারী। এর প্রধান কারণ, রাফাল-এম জেটের সামনের ছুঁচলো দিক (বিমানের নাক) অধিক লম্বা ও রিইনফোর্সড করা। লক্ষ্য, মাঝ-সমুদ্রে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে বিমান ও পাইলটকে অধিক সুরক্ষা প্রদান করা। একইসঙ্গে, এই বিমানে একটি শক্তিশালী ‘আন্ডারক্যারেজ’ দেওয়া হয়েছে, যাতে বিমান বা রণতরীর ডেকের কোনও ক্ষতি না হয়।

    সাধারণ রাফাল যুদ্ধবিমান টেক-অফ ও ল্যান্ডিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট রানওয়ে পায়। একটা রানওয়ে সাধারণত দেড় থেকে ২ কিমি লম্বা হয়। ফলে, আকাশে ওড়ার প্রয়োজনীয় শক্তি রানওয়ে থেকে পেয়ে যায় রাফাল। সেই জায়গায়, রাফাল-এম (Rafale-M) জেটকে উড়তে হবে ভারতীয় বিমানবাহী রণতরীর ডেক থেকে। আইএনএস বিক্রমাদিত্য বা আইএনএস বিক্রান্ত-এর ডেকে দৈর্ঘ্য প্রায় ২৬০ মিটার। যা রানওয়ের তুলনায় অনেকটাই ছোট।

    ছোট ডেকে টেক-অফ ও ল্যান্ডিং

    এছাড়া, ভারতীয় এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ারগুলির ডেকের চরিত্র ভিন্ন। মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলিতে রয়েছে ক্যাটাপুল্ট অ্যাসিস্টেড টেক-অফ বাট অ্যারেস্টেড রিকভারি (ক্যাটোবার) সিস্টেম। এখানে ডেকের ঠিক নীচে একটি স্প্রিং-কয়েল থাকে। সেই স্প্রিংকে বিমানের সামনের চাকার সঙ্গে লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর স্প্রিং ছেড়ে দিলে, তা উচ্চগতিতে রিকয়েল করতে করতে বিমানকে টেনে নিয়ে গিয়ে ডেক থেকে উড়িয়ে দেয়। ফলে, বিমান যত ভারীই হোক, তাতে সমস্যা হয় না। সেখানে, ভারতের ক্যারিয়ারগুলি শর্ট টেক-অফ বাট অ্যারেস্টেড রিকভারি (স্টোবার) পদ্ধতি ব্যবহার করে। এখানে বিমানের টেক-অফ (ওড়ার) করার জন্য এক প্রান্তে স্কি-জাম্প রয়েছে। অর্থাৎ, ওপরের দিকে বাঁকানো। ফলে, বিমানকে নিজের শক্তিতে উড়তে হয়।

    রাফাল-এম (Rafale-M) একে বেশি ভারী। তার ওপর টেক-অফের জায়গা কম এবং ক্যাটবার বা আরও আধুনিক ইমালস (ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক সিস্টেম) নেই ভারতীয় রণতরীতে। ফলত, এই সমস্যার মোকাবিলা করতে রাফাল-এম জেটে বসানো হয়েছে অনেকটাই শক্তিশালী ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিনের থ্রাস্ট ভারী রাফাল-এম জেটকে অস্ত্র নিয়ে ছোট দৈর্ঘ্যের ডেক থেকেও উড়তে সাহায্য করে।

    এছাড়া, রাফাল-এম (Rafale-M) বিমানে রয়েছে একাধিক পরিবর্তন। এতে যোগ করা হয়েছে এমন কিছু প্রযুক্তিগত উন্নতি, যা একে বায়ুসেনার ভার্সান থেকে পৃথক করেছে।

    রাফাল-এম জেটের অনন্য বৈশিষ্ট্য

    ● এতে থাকছে অ্যারেস্টার হুক। জাহাজের ডেকে অবতরণ করার জন্য। এই হুকের সাহায্যেই বিমানগুলি রণতরীর ছোট্ট ডেকে গতিতে অবতরণের পরও থেমে যেতে পারে। এছাড়া রয়েছে ক্যারিয়ার-নির্ভর মাইক্রোওয়েভ ল্যান্ডিং সিস্টেম।

    ● জায়গা বাঁচাতে এই বিমানের সঙ্গেই থাকে একটি ছোট ভাঁজযোগ্য সিঁড়ি। যার মাধ্যমে পাইলট বিমানে চড়তে বা বেরোতে পারেন।

    ● জায়গা বাঁচাতে রাফাল-এম (Rafale-M) বিমানের ডানাগুলি ভাঁজ করা যায়, যা বায়ুসেনার ভেরিয়েন্টে সম্ভব নয়।

    ● ডানার একেবারে শেষ প্রান্তে রয়েছে বিশেষ ‘টেলেমির সিস্টেম’, যা বাহ্যিক সরঞ্জামের সঙ্গে বিমানের ইনার্শিয়াল নেভিগেশন সিস্টেমের সুসংহত যোগাযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।

    ● এছাড়া, এই রাফালের নৌ-ভার্সানে রয়েছে ‘থালেস আরবিই২-এম’ রেডার সিস্টেম। এটি যে কোনও সমুদ্র-অভিযানের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ● রাফাল-এম (Rafale-M) বিমানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ‘থালেস স্পেকট্রা ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সুইট’, যা নৌসেনার অভিযানে ভীষণই প্রয়োজনীয়।

    ● এখানেই শেষ নয়। রাফালের বায়ুসেনার ভার্সানের তুলনায় রাফাল-মেরিন (Rafale vs Rafale-M) সংস্করণ বিমানটি আরও বেশি ধরনের অস্ত্রবহনে সক্ষম। যার মধ্যে অন্যতম হল জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। এছাড়া থাকে আকাশ থেকে ভূমিতে আঘাত হানা ক্ষেপণাস্ত্রও।

  • Super Rafale F5: বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি ‘সুপার রাফাল’! এমআরএফএ চুক্তির যুদ্ধবিমান কি চূড়ান্ত করে ফেলল ভারত?

    Super Rafale F5: বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি ‘সুপার রাফাল’! এমআরএফএ চুক্তির যুদ্ধবিমান কি চূড়ান্ত করে ফেলল ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহেই ভারতীয় নৌসেনার জন্য ৬৩ হাজার কোটি টাকায় ফ্রান্স থেকে রাফাল-এম যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার (Super Rafale F5)। আগামী এক-দু মাসের মধ্যেই ওই ফ্রান্সের সঙ্গে সরকারিস্তরে ওই চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারে ভারত, এমন জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই চুক্তি হলে, তা এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অঙ্কের প্রতিরক্ষা চুক্তি হতে চলেছে। তবে, এটা খবর নয়। কেন্দ্রীয় সূত্র মারফৎ নতুন যা তথ্য এসেছে, তা আরও চমকে দেওয়ার মতো। এক কথায়, শীঘ্রই সম্ভবত ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে হতে চলেছে ‘মাদার অফ অল ডিফেন্স ডিল’।

    যুদ্ধবিমানের বাছাই এক প্রকার সেরে ফেলেছে ভারত!

    শোনা যাচ্ছে, দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি মিডিয়াম রোল ফাইটার এয়ারক্র্যাফট বা এমআরএফএ চুক্তির (MRFA Deal) জন্য যুদ্ধবিমানের বাছাই এক প্রকার সেরে ফেলেছে ভারত। সূত্রের দাবি, সরকারিভাবে এখনও এই নিয়ে কোনও কথা না বলা হলেও, ভারত আবার রাফালকেই কিনতে চলেছে। তবে, এক্ষেত্রে ভারতীয় বায়ুসেনায় বর্তমানে রাফালের যে সংস্করণ ব্যবহৃত হচ্ছে, এমআরএফএ-তে সেই বিমান আসবে না। ভারত চাইছে, ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে একেবারে সর্বাধুনিক মডেল ‘সুপার রাফাল’-কে ঘরে তুলতে।

    কী এই ‘সুপার রাফাল’ (Super Rafale F5)

    ২০১৬ সালে ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনতে জরুরি ভিত্তিতে ফ্রান্সের সঙ্গে গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট (জি-টু-জি) ডিল বা সরকারিস্তরে সরাসরি চুক্তি করেছিল ভারত। রাফালের কার্যকারিতা ও ক্ষমতা নিয়ে উচ্ছ্বসিত ভারতীয় বায়ুসেনা। যে কারণে, সম্প্রতি নৌসেনার জন্য ২৬টি রাফাল-মেরিন (নৌ-সংস্করণ) কেনায় সম্মতি জানিয়েছে মোদি মন্ত্রিসভা। এই চুক্তিও সম্ভবত হতে চলেছে জি-টু-জি পদ্ধতিতে। তবে, ভারতীয় বায়ুসেনা বর্তমানে যে রাফাল ব্যবহার করছে সেটি এফ-৩ সংস্করণের। তবে, এমআরএফএ চুক্তির (MRFA Deal) জন্য ভারতের চাইছে একেবারে এই যুদ্ধবিমানের সর্বাধুনিক তথা এই শ্রেণির সবচেয়ে শক্তিশালী এফ-৫ সংস্করণ কিনতে। অন্তত, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং বায়ুসেনার ইচ্ছা তেমনই। এই যুদ্ধবিমানকেই ‘সুপার রাফাল’ (Super Rafale F5) বলে অভিহিত করেছে বিমানটির ফরাসি প্রস্তুতকারক সংস্থা দাসো।

    ধারে-ভারে-ক্ষমতায় প্রায় পঞ্চম প্রজন্মের ‘সুপার রাফাল’

    ভারত নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ‘অ্যামকা’ (AMCA) তৈরি করছে। ফলে, ভারত চাইছে এমন একটি চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান যা ক্ষমতায় পঞ্চম প্রজন্মের মতো পাল্লা দিতে সক্ষম। রাফালের এফ-৩ সংস্করণটি কার্যত চতুর্থ প্রজন্মের। কিন্তু, এফ-৫ সংস্করণটি (Super Rafale F5) ধারে-ভারে-ক্ষমতায় প্রায় পঞ্চম প্রজন্মের। এই সংস্করণে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের একাধিক প্রযুক্তি রয়েছে। অন্তত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের অনুমান এমনটাই। কারণ, এফ-৫ রাফাল জেটে যুক্ত করা হয়েছে এমন প্রযুক্তি, যা বর্তমান তো বটেই, এমনকী ভবিষ্যৎ যুদ্ধের জন্যও আদর্শ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌলতে এই যুদ্ধবিমানকে ‘অত্যন্ত বুদ্ধিমান’ করা হয়েছে। পাশাপাশি, এই বিমানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী এক ‘লয়াল উইংম্যান’-কেও।

    কী এই ‘লয়াল উইংম্যান’?

    আকাশ যুদ্ধে ‘লয়াল উইংম্যান’ কনসেপ্ট বা ব্যবস্থা নিয়ে বর্তমানে ভারত সহ বিশ্বের তামাম সামরিকভাবে শক্তিশালী দেশ গবেষণা চালাচ্ছে। ভারতের ‘অ্যামকা’-তেও এই ‘লয়াল উইংম্যান’ কনসেপ্ট রাখা হয়েছে। ‘লয়াল উইংম্যান’ হচ্ছে একটি আনম্যানড্ কমব্যাট এরিয়াল ভেহিক্যল বা ইউসিএভি (UCAV)। এক কথায় সশস্ত্র মানববিহীন যুদ্ধবিমান। এটি মাদারশিপের (চালক যুদ্ধবিমান) সঙ্গে সুসংহত যোগাযোগ রেখে পাশাপাশি উড়বে। পেটে ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম ‘লয়াল উইংম্যান’ (Loyal Wingman) মাদারশিপের পাইলটের কমান্ডে যাবতীয় কাজ করবে। শুধু তাই নয়। প্রয়োজন পড়লে, পাইলট তথা মূল যুদ্ধবিমানকে বাঁচাতে নিজেকে বলিদান দেবে।

    ছায়াসঙ্গী সবচেয়ে ঘাতক ড্রোন

    ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ ল্য কর্নুর দাবি, নতুন এফ-৫ রাফাল (Super Rafale F5) জেটটি একটি স্টেলথ ফাইটার ড্রোন দিয়ে সজ্জিত হবে।” মন্ত্রীর কথার সত্যতা স্বীকার করে নেন রাফালের প্রস্তুতকারক সংস্থা দাসো-র সিইও এরিক ত্রাপিয়ে। তাঁর মতে, রাফালের সঙ্গে এই ইউসিএভি যুক্ত করলে আকাশ থেকে ভূমি এবং আকাশ থেকে আকাশ উভয় ক্ষেত্রেই মিশনের কর্মক্ষমতা এবং সাফল্যের শতাংশ বহুগুণ উন্নত হতে পারে।” তিনি আরও জানান যে, রাফাল এফ-৫ জেটের (Super Rafale F5) ইউসিএভি-র ওজন হবে ১০ টন এবং তার অস্ত্রবহন ক্ষমতা প্রায় ১৫ থেকে ১৬ টন হবে। এছাড়া, পূর্বসূরি এফ-৪-এর তুলনায় এফ-৫ সংস্করণে আরও শক্তিশালী সাফরান ইঞ্জিন এবং সর্বাধুনিক ডেটা লিঙ্ক থাকবে। এতে মোতায়েন করা যাবে স্ক্র্যামজেট-নির্ভর হাইপারসনিক (শব্দের চেয়ে ০-২০ গুণ বেশি গতি) ক্ষেপণাস্ত্র, যা লড়াইয়ে যুদ্ধবিমানকে প্রভূত সুবিধা দেবে।

    এমআরএফএ নিয়ে ফ্রান্সের আগ্রহ

    কিন্তু, কেন রাফাল এফ-৫ (Super Rafale F5) নিয়ে আলোচনা হচ্ছে? কেনই বা এই বিমানের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় কর্তারা? কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ফ্রান্স এবং উৎপাদনকারী সংস্থার সঙ্গে একাধিকস্তরে এমআরএফএ চুক্তি (MRFA Deal) নিয়ে আলোচনা চালিয়েছে ভারত। সূত্রের দাবি, আলোচনার টেবিলে ফ্রান্স ভারতের এই শর্তে রাজি হয়েছে যে, এমআরএফএ চুক্তি হলে প্রাথমিকভাবে কয়েকটি বিমান ফ্রান্সে তৈরি হয়ে আসবে। বাকিগুলো ভারতেই তৈরি হবে। শুধু তাই নয়, দাসোর সিইও ত্রাপিয়ে ভারতকে খোলা প্রস্তাব দিয়েছেন যে, তারা ভারতে রাফাল যুদ্ধবিমান উৎপাদনের একটি পৃথক অ্যাসেম্বলিং ইউনিট খুলতে ভীষণই আগ্রহী। শর্ত একটাই— যদি ভারতের থেকে ন্যূনতম ১০০টি যুদ্ধবিমানের বরাত মেলে তবেই। এদেশে দাসোর অ্যাসেম্বলি ইউনিট হলে, খরচ অনেকটাই কম হবে। পাশাপাশি, রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রেও প্রচুর সুবিধা হবে। জানা যাচ্ছে, নৌসেনার জন্য রাফাল-এম যুদ্ধবিমানের চুক্তি করতে শীঘ্রই ভারতে আসতে পারেন ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ ল্য কর্নু। তখনই, এমআরএফএ চুক্তি (MRFA Deal) নিয়ে ফের বসা হবে বলে আশা।

    চুক্তি হলেই ভারতে অ্যাসেম্বলি ইউনিট

    এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, রাফাল এফ-৫ যুদ্ধবিমান (Super Rafale F5) এখনও হাতে পায়নি ফরাসি বায়ুসেনাই। ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর আশা, ২০২৬-২৭ সালের মধ্যেই উৎপাদন শুরু হবে এবং ২০৩০ সাল নাগাদ এই যুদ্ধবিমান সেদেশের বায়ুসেনার জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। ভারত যদি আগামী এক-দু বছরের মধ্যে এই চুক্তি করে নেয়, তাহলে, দাসো দ্রুত এদেশে অ্যাসেম্বলি ইউনিট তৈরির কাজ শুরু করতে পারবে। সেক্ষেত্রে, দাসোর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে ভারতের এক বা একাধিক বেসরকারি সংস্থাও। তেমনটা হলে, ২০৩২ সাল থেকেই ভারতের কারখানা থেকে রাফাল এফ-৫ বের হবে।

  • Olympics 2028: ১২৮ বছর পরে অলিম্পিক্সে ফিরছে ক্রিকেট! টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলবে ৬ দেশ

    Olympics 2028: ১২৮ বছর পরে অলিম্পিক্সে ফিরছে ক্রিকেট! টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলবে ৬ দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সে (Olympics 2028) একবারই জায়গা পেয়েছিল ক্রিকেট। ১৯০০ সালে। প্যারিস অলিম্পিক্সে খেলা হয়েছিল ক্রিকেট। তার পর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ১২৮ বছর। ফের একবার অলিম্পিক গেমসের আসরে প্রত্যাবর্তন করতে চলেছে ‘জেন্টলম্যান্স গেম’। ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক্সের আসরে দেখা যাবে ক্রিকেটকে। বুধবার রাতে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক্স কমিটি (আইওসি) জানিয়েছে, ছ’টি দেশ অংশগ্রহণ করবে ক্রিকেটে (Cricket)। জানা যায়, ১৯০০ সালের অলিম্পিক্সে ছিল ক্রিকেট। সেবছর মাত্র একটি ম্যাচই খেলা হয়েছিল। অলিম্পিক্সে (Olympics 2028) দীর্ঘ দিন ধরেই ক্রিকেটকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছিল আইসিসি। অবশেষে তা সফল হল।

    ছটি দল খেলবে ক্রিকেট, কীভাবে যোগ্যতা অর্জন?

    প্রসঙ্গত, ছ’টি দল অলিম্পিক্সে (Olympics 2028) খেলবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। পুরুষ এবং মহিলা, দুই বিভাগের ক্ষেত্রেই এই সংখ্যা একই থাকছে। জানা যাচ্ছে, প্রতিটি দলে থাকতে পারেন সর্বোচ্চ ১৫ জন সদস্য। আইসিসির অধীনে এই মুহূর্তে ১২টি দেশ পূর্ণ সদস্যের মর্যাদা পায়। আরও ৯৪টি দেশ সহযোগী সদস্য হিসেবে অংশ গ্রহণ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। তবে যোগ্যতা অর্জন কী ভাবে হবে তা নিয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, সারা বছর ধরেই চলে বিভিন্ন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। এই আবহে অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনকারী টুর্নামেন্ট আয়োজন করা কঠিন। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আইসিসি ব়্যাঙ্কিংকেই যোগ্যতা অর্জনের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করতে পারে। অনেকের মতে, এক্ষেত্রে আয়োজক হিসেবে সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করতে পারে আমেরিকা।

    কমছে ফুটবলের দেশের সংখ্যা

    ক্রিকেট (Cricket) যেমন ১২৮ বছর ফিরছে একইসঙ্গে ফুটবলে দেশের সংখ্যা কমছে বলেও জানিয়েছে অলিম্পিক্স (Olympics 2028) কর্তৃপক্ষ। পুরুষদের ফুটবলে এত দিন পর্যন্ত ১৬টি দেশ খেলত। তবে বর্তমান তা কমে হচ্ছে ১২। অন্যদিকে মহিলাদের ফুটবলে দেশের সংখ্যা বেড়েছে। ১৬টি দেশ এ বার থেকে অংশ নিতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। এ দিকে, এবছরের অলিম্পিক্সে কম্পাউন্ড তিরন্দাজি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

  • SSC Scam: মিরর ইমেজ প্রকাশের দাবিতে এসএসসি দফতরের সামনে অনশন শুরু চাকরিহারাদের একাংশের

    SSC Scam: মিরর ইমেজ প্রকাশের দাবিতে এসএসসি দফতরের সামনে অনশন শুরু চাকরিহারাদের একাংশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরিহারাদের একাংশ গতকাল বুধবার থেকে এসএসসি দফতরের সামনে অবস্থান শুরু করেন। আজ বৃহস্পতিবার থেকে তাঁরা অনশনের সিদ্ধান্ত নিলেন। বেলা ১১টা থেকেই শুরু হয়েছে অনশন। জানা যাচ্ছে, আপাতত চার শিক্ষক অনশনে বসেছেন। চাকরিহারাদের সাফ কথা, এসএসসি-কে মিরর ইমেজ প্রকাশ করতে হবে। এ বিষয়ে ‘এসএসসি ২০১৬ প্যানেলের বৈধ চাকরিহারা সমাজ’ মঞ্চের তরফে সুমন বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘আমরা আগেও বলেছি, আত্মত্যাগের জন্য আমরা প্রস্তুত। তাই আমরা লাগাতার অনশন শুরু করতে চলেছি। আপনারা আসুন, সহযোগিতা করুন।’’

    মিরর ইমেজ প্রকাশ না করা পর্যন্ত চলবে অনশন

    বুধবারই কসবার ডিআই অফিস অভিযানে শিক্ষকদের ব্যাপক মারধরের অভিযোগ ওঠে পুলিশের। লাঠি থেকে লাথি, চড়-ঘুষি কিছুই বাদ যায়নি। চাকরিহারাদের বক্তব্য, এসএসসি বলেছে যে তাদের কাছে মিরর ইমেজ আছে, আর তারা তা প্রকাশ করতে পারে। কিন্তু কবে তা প্রকাশিত হবে সেনিয়ে কোনও নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। তাই যতদিন না পর্যন্ত মিরর ইমেজ প্রকাশ করা হচ্ছে, ততদিন অনশন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চাকরিহারারা। এদিকে আজ বৃহস্পতিবারই কসবা কাণ্ডে চাকরিহারাদের বিরুদ্ধে জোড়া মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। কসবা ডিআই-র করা অভিযোগের ভিত্তিতে হয়েছে, অপরটি কসবা থানার পুলিশের করা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা। জানা গিয়েছে, এক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে কারও নামে অভিযোগ দায়ের হয়নি। অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

    শনিবার থেকে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি অভিজিতের

    চাকরিহারাদের অন্য একটি একটা অংশ ‘যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চ’ এদিনই পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদে এবং যোগ্য ও অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশের দাবিতে শহরে মিছিলের ডাক দিয়েছে। প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবারই প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে এসএসসি দফতরে গিয়েছিলেন চাকরিহারাদের একাংশ। সেখানে এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদারের সঙ্গে দেখা করার পর এসএসসিকে ওএমআরের মিরর ইমেজ প্রকাশের জন্য দু’দিন সময় দেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। অন্যথায় শনিবার থেকে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

  • Donald Trump: ৯০ দিন স্থগিত ট্রাম্পের নয়া শুল্কনীতি, একমাত্র ব্যতিক্রম চিন, শুল্ক বাড়ল ১২৫ শতাংশ

    Donald Trump: ৯০ দিন স্থগিত ট্রাম্পের নয়া শুল্কনীতি, একমাত্র ব্যতিক্রম চিন, শুল্ক বাড়ল ১২৫ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার নয়া শুল্কনীতি বিতর্ক ছড়িয়েছিল। এবার ৯০ দিনের জন্য তা স্থগিত রাখলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তবে চিনের (China) ক্ষেত্রে শুধু ব্যতিক্রম। সেদেশে শুল্কনীতি নিয়ে এই স্থগিতাদেশের সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে না। তবে বিশ্বের বাকি সব দেশের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। অন্য দেশগুলিকে শুল্কে আপাতত স্বস্তি দিলেও চিনের উপর শুল্ক আরও বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, চিনা পণ্যের উপর এ বার ১২৫ শতাংশ হারে শুল্ক ধার্য্য হবে। এনিয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘আশা করি ভবিষ্যতে কোনও এক জায়গায় গিয়ে চিন বুঝতে পারবে যে আমেরিকা ও অন্যান্য দেশকে শোষণ করা গ্রহণযোগ্য নয়।’’

    বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর ‘পারস্পরিক শুল্কে’র কথা ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

    আমেরিকার বাজারে বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর ‘পারস্পরিক শুল্কে’র কথা ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তালিকায় চিন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি যেমন ছিল, পাশাপাশি ভারত বা ইজরায়েলের মতো আমেরিকার মিত্র দেশও ছিল। এই আবহে গত সপ্তাহেই হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়, এই শুল্কনীতির বিষয়ে অনেক দেশ ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করতে চাইছে। হোয়াইট হাউসের অর্থনৈতিক কাউন্সিলের অধিকর্তা কেভিন হ্যাসেট সেসময় জানিয়েছিলেন, ৫০টিরও বেশি দেশ ইতিমধ্যে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ঘটনা হল, গত বেশ কয়েক দিন ধরেই ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সংক্রান্ত আলোচনা চলছে আমেরিকার। গত বুধবার বিকেলেও ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, শুল্ক এবং বাণিজ্য প্রসঙ্গে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

    গত সপ্তাহে বিক্ষোভ আমেরিকায়

    ট্রাম্পের (Donald Trump) শুল্কনীতি ঘিরে আমেরিকার অন্দরেও নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। এই আবহে গত সপ্তাহেই আমেরিকায় ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা যায়। আন্দোলনে নামেন আমেরিকার নাগরিকরা। হাজার হাজার মানুষ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে ট্রাম্প সরকারের নানা নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি-সহ আমেরিকার সমস্ত বড় শহরে মার্কিন জনতা ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান। এই বিক্ষোভগুলির মধ্যে অন্যতম ইস্যু ছিল শুল্কনীতিও।

    শুল্কনীতির প্রভাব আমেরিকার শেয়ার বাজারে

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের (Donald Trump) সাম্প্রতিক শুল্কনীতিতে অন্য দেশগুলির ওপরে যেমন প্রভাব পড়েছে। একইভাবে প্রভাব পড়েছে মার্কিন মুলুকেও। আমেরিকার শেয়ার বাজারে এমন পরিস্থিতিতে এক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ওয়াল স্ট্রিটের শেয়ার মার্কেটের টালমাটাল পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, শুল্কনীতির জন্য আমেরিকার বাজারে পণ্যের দামও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন অনেকজনই।

    ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পরেই বিশ্বব্যাপী শেয়ার বাজারে হাল আবার ফিরতে শুরু করেছে

    এই পরিস্থিতিতেই বড় ঘোষণা করতে শোনা গেল ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। চিন ছাড়া বাকি সব দেশের ওপর নয়া শুল্কনীতি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রাম্প। যদিও কী কারণে এমন সিদ্ধান্তের পথে হাঁটালেন ট্রাম্প, সেবিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। এনিয়ে কোনও ব্যাখ্যা এখনও পর্যন্ত হোয়াইট হাউস থেকে মেলেনি। তবে সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বুধবার ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পরেই বিশ্বব্যাপী শেয়ার বাজারে হাল আবার ফিরতে শুরু করেছে। আমেরিকার শেয়ার বাজারের দু’টি সূচক ‘এস অ্যান্ড পি ৫০০’ এবং ‘ন্যাসড্যাক’ ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে ‘দ্য গার্ডিয়ান’।

    চিনের সঙ্গে চলছে তীব্র কূটনৈতিক সংঘাত

    প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসেই ট্রাম্প দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় ফেরেন। এর পর থেকেই চিনের সঙ্গে আমেরিকার কূটনৈতিক সম্পর্ক একেবারে তলানিতে চলে যায়। দু’দেশের শুল্ক সংঘাত শুরু হতেই কূটনৈতিক লড়াই আরও বাড়তে থাকে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুর দিকেই চিনা পণ্যের উপর ২০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিল আমেরিকা। এরপরে তা আরও ৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি করেন ট্রাম্প। কূটনৈতিক টানাটানিতে পাল্টা মার্কিন পণ্যের উপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করে চিন। এরপরে ট্রাম্প আরও ৫০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করেন চিনা পণ্যের উপর। এই আবহে মোট শুল্কের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে হয় ১০৪ শতাংশ। ট্রাম্প ৫০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করতেই ফের পাল্টা দেয় চিন। করে চিন। মার্কিন পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপায় বেজিং। এই পরিস্থিতি দাঁড়ায়, আমেরিকার বাজারে চিনা পণ্যে ১০৪ শতাংশ শুল্ক এবং চিনা বাজারে মার্কিন পণ্যে ৮৪ শতাংশ শুল্ক! এরপরে চিনা পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করে ১২৫ শতাংশ করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, “বিশ্ব বাজারের প্রতি কোনও সম্মান দেখায়নি চিন।” সেই কারণেই চিনের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

LinkedIn
Share