Tag: মাধ্যম বাংলা

  • Bhargavastra: মাত্র ১০ সেকেন্ডে ৬৪ মাইক্রো-মিসাইল! ভারতের ‘ভার্গবাস্ত্র’ বদলে দিতে পারে ড্রোন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ

    Bhargavastra: মাত্র ১০ সেকেন্ডে ৬৪ মাইক্রো-মিসাইল! ভারতের ‘ভার্গবাস্ত্র’ বদলে দিতে পারে ড্রোন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ

    সুশান্ত দাস

    ইজরায়েলের আয়রন ডোম (Iron Dome) যেমন বিশ্বের অন্যতম কার্যকর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত, তেমনই ভারতও এবার নিজস্ব বহুতল এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পথে দ্রুত এগোচ্ছে। এই উচ্চাভিলাষী প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হতে চলেছে স্বদেশি ‘ভার্গবাস্ত্র’ (Bhargavastra) অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা। নির্মাতা সংস্থার দাবি, ২০৩০ সালের মধ্যে এই সিস্টেম শুধু ড্রোন ধ্বংসেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তিন-স্তরের প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করে বিভিন্ন ধরনের আকাশপথের হুমকির মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। সোলার ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস লিমিটেড (SDAL)-এর চেয়ারম্যান সত্যনারায়ণ নুওয়াল জানিয়েছেন, আগামী চার বছরের মধ্যে ভার্গবাস্ত্রকে ধাপে ধাপে উন্নত করা হবে। তাঁর দাবি, ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ২.৫ কিলোমিটার, ৬ কিলোমিটার এবং ২৫ কিলোমিটার— এই তিনটি ভিন্ন দূরত্বে শত্রুপক্ষের ড্রোন ও অন্যান্য আকাশপথের হুমকি প্রতিহত করতে পারবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কল্পিত ‘সুদর্শন চক্র’ বহুতল আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক বাস্তবায়নে এই প্রযুক্তিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ ভার্গবাস্ত্র?

    বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর শুধু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নয়, বরং কম খরচের বিপুল সংখ্যক ড্রোন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শুরু করে পশ্চিম এশিয়ার সংঘর্ষ— সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি দেখিয়েছে, ছোট আকারের ড্রোনও বড় সামরিক ঘাঁটি বা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিটি ড্রোন ধ্বংস করতে ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা কার্যকর বা অর্থনৈতিক নয়। সেই জায়গাতেই ভার্গবাস্ত্রকে ‘গেমচেঞ্জার’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, তুলনামূলক কম খরচে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক ড্রোন প্রতিহত করার জন্যই এটি তৈরি করা হয়েছে।

    মাত্র ১০ সেকেন্ডে ৬৪টি মাইক্রো-মিসাইল ছোড়ার ক্ষমতা

    নির্মাতা সংস্থার দাবি অনুযায়ী, ভার্গবাস্ত্র বিশ্বের প্রথম স্বদেশি অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা, যা মাত্র ১০ সেকেন্ডে ৬৪টি মাইক্রো-মিসাইল উৎক্ষেপণ করতে পারে। এর মূল লক্ষ্য হল একযোগে আক্রমণকারী ড্রোন-স্বার্মকে আকাশেই ধ্বংস করা। বিশ্বের বহু অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম যেখানে সীমিত সংখ্যক ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করে, সেখানে ভার্গবাস্ত্র একসঙ্গে বহু ড্রোনকে লক্ষ্য করে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে।

    ২০৩০ সালের মধ্যে গড়ে উঠবে তিন-স্তরের নিরাপত্তা বলয়

    সোলার  জানিয়েছে, ভার্গবাস্ত্রকে ধাপে ধাপে উন্নত করে তিনটি আলাদা প্রতিরক্ষা স্তরে পরিণত করা হবে।

    প্রথম স্তর: ২.৫ কিলোমিটার

    বর্তমান ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রয়োজন অনুযায়ী তৈরি এই সংস্করণটি কাছাকাছি চলে আসা ড্রোনকে দ্রুত ধ্বংস করতে সক্ষম।

    দ্বিতীয় স্তর: ৬ কিলোমিটার

    ভার্গবাস্ত্রের ইলেকট্রো-অপটিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম (EOTS) ইতিমধ্যেই ৬ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত লক্ষ্য শনাক্ত করতে পারে। এখন একই পাল্লায় আঘাত হানতে সক্ষম নতুন ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হচ্ছে। সংস্থার দাবি, এর রেডার আরও বেশি দূরত্ব থেকে ছোট আকাশপথের হুমকি শনাক্ত করতে পারবে।

    তৃতীয় স্তর: ২৫ কিলোমিটার

    এটিই হবে ভার্গবাস্ত্রের সবচেয়ে বড় আপগ্রেড। ২৫ কিলোমিটার পাল্লা অর্জনের পর এটি শুধু ড্রোন নয়, বড় ইউএভি (UAV), দীর্ঘ-পাল্লার আকাশপথের প্ল্যাটফর্ম এবং ভবিষ্যতের অন্যান্য হুমকির বিরুদ্ধেও প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে পারবে বলে দাবি করা হয়েছে।

    ‘সুদর্শন চক্র’ এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ

    ভারতের ভবিষ্যৎ বহুতল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘সুদর্শন চক্র’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ভার্গবাস্ত্রকে দেখা হচ্ছে। এই নেটওয়ার্কে বিভিন্ন পাল্লার একাধিক স্বদেশি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একসঙ্গে কাজ করে দেশের আকাশসীমাকে সুরক্ষিত রাখবে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, যদি ২০৩০ সালের মধ্যে এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে ভারত শুধু ড্রোন যুদ্ধ প্রযুক্তিতেই নয়, স্বদেশি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও বিশ্বের অন্যতম অগ্রগণ্য শক্তি হিসেবে উঠে আসতে পারে। পাশাপাশি দেশের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি, কৌশলগত অবকাঠামো এবং শহরগুলির জন্য আরও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

  • UV Rays: শুধু গরম নয়, ভয় অতিবেগুনি রশ্মিরও! রোদে বেরোলে কেন ইউভি ইনডেক্স দেখা জরুরি?

    UV Rays: শুধু গরম নয়, ভয় অতিবেগুনি রশ্মিরও! রোদে বেরোলে কেন ইউভি ইনডেক্স দেখা জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঝকঝকে সূর্যের আলোতেও লুকিয়ে রয়েছে বিপদ! দিনের অধিকাংশ সময় বাইরে থাকলে বাড়তে পারে স্বাস্থ্য সমস্যা। তাই আগাম সচেতনতা জরুরি। সতর্কতা অবলম্বন করে চললে বড় বিপদ এড়ানো সহজ হবে। চিকিৎসকদের একাংশ উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, যদি এখন থেকেই ত্বকের স্বাস্থ্য এবং সূর্যরশ্মি নিয়ে সচেতনতা, না বাড়ে, তাহলে আগামি কয়েক বছরের মধ্যে ভারতে ত্বকের ক্যান্সার সহ একাধিক জটিল রোগের প্রকোপ বাড়বে। বিশেষত ভারতের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে, যে হারে সূর্যের তেজ বাড়ছে, তাতে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। জুলাই মাস জুড়ে চিকিৎসকেরা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি নিয়ে লাগাতার সচেতনতা কর্মসূচি পালন করছেন। দেশ জুড়ে একাধিক কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে স্কুল পড়ুয়া থেকে কর্মরত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সচেতনতার পাঠ দেওয়া হচ্ছে। কীভাবে কয়েকটি অভ্যাস তৈরি করলে ত্বকের একাধিক সমস্যা কমানো যাবে, সে দিকগুলো চিকিৎসকেরা তুলে ধরেছেন।

    কেন সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি নিয়ে সচেতনতা জরুরি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সূর্যের আলো যেমন স্বাস্থ্যের একাধিক উপকার করে, তেমনি কিছু কিছু ক্ষতিকারক রশ্মি ও রয়েছে। যার জন্য ত্বকে চিরস্থায়ী গভীর ক্ষতি হতে পারে। এই দিক সম্পর্কে এখনো সচেতনতার হার কম। তাই নানান স্বাস্থ্য সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি বা UV রশ্মি ত্বক ও চোখের মারাত্মক ক্ষতি করে। লাগাতার এই আলো শরীরে স্পর্শ করলে ত্বকের কোষগুলো নষ্ট করে দেয়। এর ফলে ত্বকের ক্যান্সারের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার চোখের কর্নিয়ার ক্ষতিও করে। ফলে দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের মতো সমস্যা হয়।

    ভারতে কি এই সমস্যা বাড়ছে?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির জেরে বিশ্ব জুড়ে স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত ত্বক ও চোখের সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ভারতেও এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। কয়েক দশক আগেও ভারতে এই ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা অত্যন্ত ব্যতিক্রম ছিলো। কিন্তু জলবায়ুর পরিবর্তনের জেরে এখন ভারতেও এই সমস্যা ক্রমশ বাড়ছে। প্রতি বছর ত্বকের ক্যান্সার, দীর্ঘমেয়াদি সান বার্নের সমস্যা, চোখের ক্ষতি হচ্ছে, এমন সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাছাড়া এখন বাইরে কাজ করেন, এমন মানুষের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। অর্থাৎ নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এখন সকলেই বাইরে যান। কাজ করেন। দিনের বেশির ভাগ সময় সূর্য রশ্মির স্পর্শে থাকা মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। তাই এই ধরনের সমস্যাও বাড়ছে।
    তাছাড়া, বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে ভারতেও রোদের দাপট বাড়ছে। সূর্যের তেজ বাড়ছে। তেমনি গরম দীর্ঘমেয়াদি হচ্ছে। অর্থাৎ, ভারতের অধিকাংশ জায়গায় ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকেই রোদের দাপট দেখা দিচ্ছে। জুন মাস পর্যন্ত অধিকাংশ জায়গায় তীব্র গরম থাকছে। এমনকি বর্ষার পরেও সূর্যের দাপট চলে। ফলে এই বাড়তি গরমে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির প্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

    কীভাবে সুরক্ষা নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিবেশ, আবহাওয়া সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে। তবেই এই পরিবর্তিত জলবায়ুতে সুস্থ থাকতে পরিবেশ সচেতন হওয়া সবচেয়ে বেশি জরুরি। তাঁদের পরামর্শ , সূর্যরশ্মির প্রকোপ কতখানি অর্থাৎ ইউভি ইন্ডেক্স (UV Index) দেখে আগাম সতর্কতা নিয়ে বাইরে যেতে হবে। অর্থাৎ আকাশ মেঘলা, বৃষ্টি হবে নাকি ঝড় হবে, এগুলোর যেমন পূর্বাভাসের খবর নেওয়া হয়, তেমনি প্রত্যেক দিনের  ইউভি ইন্ডেক্স সম্পর্কেও সজাগ থাকতে হবে। যদি সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির প্রকোপ যেদিন বেশি থাকবে, সেদিন শরীর সম্পূর্ণ ঢাকা পোশাক পরা প্রয়োজন। তবে প্রত্যেক দিন বাইরে যাওয়ার আগে মুখ এবং শরীরের যে অংশ পোশাকে ঢাকা থাকছে না, সেই সব অংশে সান স্ক্রিন লাগানো জরুরি। শিশু হোক বা প্রাপ্তবয়স্ক, নিয়মিত সান স্ক্রিন ব্যবহারের অভ্যাস জরুরি। ত্বকের একাধিক সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে। প্রয়োজন না হলে বেলা বারোটা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলতে পারলেই ভালো। কারণ এই সময়ে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির দাপট সবচেয়ে বেশি। তবে, সবচেয়ে জরুরি পর্যাপ্ত জল খাওয়ার অভ্যাস। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শরীরে জলের ঘাটতি না হলে সূর্যের প্রকোপে ঘটা একাধিক রোগের দাপট কমানো সহজ হয়। তাই বাইরে যাওয়ার আগে নিয়মিত পর্যাপ্ত জল খাওয়া জরুরি। সঙ্গে জল রাখার অভ্যাস থাকা দরকার। যাতে বারেবারে জল খাওয়া হয়। শরীরে কখনোই জলের ঘাটতি না দেখা দেয়।

  • Public Examination Amendment Bill 2026: দীর্ঘ বিতর্কের পর লোকসভায় পাশ সরকারি পরীক্ষা সংশোধনী বিল, প্রশ্নফাঁসে আরও কড়া শাস্তি

    Public Examination Amendment Bill 2026: দীর্ঘ বিতর্কের পর লোকসভায় পাশ সরকারি পরীক্ষা সংশোধনী বিল, প্রশ্নফাঁসে আরও কড়া শাস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় নয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে টানা আলোচনা, সরকার ও বিরোধী পক্ষের তীব্র বাকযুদ্ধ এবং একাধিক বিতর্কের পর বুধবার লোকসভায় (Lok Sabha) পাশ হল সরকারি পরীক্ষা (অসাধু উপায় প্রতিরোধ) সংশোধনী বিল (Public Examination Amendment Bill 2026), ২০২৬। মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিল নিয়ে আলোচনা চলে। বুধবার ফের আলোচনা শুরু হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠভোটে বিলটি (Public Examination Amendment Bill 2026) পাশ হয়।

    আরও কঠোর শাস্তি

    নতুন সংশোধনী (Public Examination Amendment Bill 2026) অনুযায়ী, পরীক্ষায় অসাধু উপায়ে জড়িতদের ন্যূনতম কারাদণ্ড তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তি হবে দশ বছর পর্যন্ত। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ ১০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ লক্ষ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

    সংগঠিত চক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা

    সংগঠিতভাবে প্রশ্নফাঁস বা পরীক্ষায় জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত চক্রের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সাত বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে সেই সাজা দশ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ জরিমানা এক কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে দশ কোটি টাকা করার প্রস্তাবও রয়েছে।

    পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার জন্যও কড়া নিয়ম

    যে সব সংস্থা পরীক্ষার কাজ পরিচালনা করে, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ জরিমানা পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। পাশাপাশি সরকারি পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ চার বছর থেকে বাড়িয়ে আট বছর করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    বিশেষ তদন্তকারী দল ও দ্রুত বিচার

    বিলে প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অপরাধের তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের ক্ষমতা কেন্দ্রকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তদন্ত দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে। অভিযোগপত্র জমা পড়ার পর ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে প্রতিদিন শুনানি চালিয়ে তিন মাসের মধ্যে বিচার শেষ করারও প্রস্তাব রয়েছে। প্রতিটি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের জন্য বিশেষ সরকারি আইনজীবী নিয়োগের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

    লোকসভায় উত্তপ্ত বিতর্ক

    বিল নিয়ে আলোচনায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেন, নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে ছাত্রদের আন্দোলন কোনও হিংসা নয়, বরং দেশের তরুণদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান শুধু একটি প্রতীক; দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা অন্য শক্তির নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা নিষ্ঠুর এবং তরুণদের স্বাধীনভাবে ভাবার সুযোগ কেড়ে নিচ্ছে। রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের সময় শাসক দলের সদস্যরা আপত্তি জানান। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু তাঁর বক্তব্যের একটি শব্দের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলেন। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা রাহুলকে ভাষা ও অভিযোগের ক্ষেত্রে সংযত থাকার পরামর্শ দেন।

    সরকারের পাল্টা জবাব

    জবাব দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিল নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা না করে বিরোধীরা রাজনৈতিক বক্তব্য রেখেছেন। দেশের যুব সমাজকে অপমান করে সংসদীয় ভাষার সীমা লঙ্ঘন করা হয়েছে। দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলি চালানোর অভিযোগও খারিজ করেন তিনি। জিতেন্দ্র সিং বলেন, কোথাও গুলি চালানো হয়নি, কেবল কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা কোনও মন্ত্রীর নয়, সেই সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারিক আধিকারিক।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই বিল?

    গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সরকারি চাকরি ও প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। সেই পরিস্থিতিতে পরীক্ষার স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে, প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতেই এই সংশোধনী বিল আনা হয়েছে। লোকসভায় (Lok Sabha) পাশ হওয়ার পর এবার বিলটি (Public Examination Amendment Bill 2026) রাজ্যসভায় তোলা হবে।

  • ED Raid: বীরভূমে ইডির মেগা রেড, উদ্ধার ৫ কোটি টাকা নগদ, ১৫ কেজি সোনা! তদন্তের কেন্দ্রে টুলু-ঘনিষ্ঠ মিনার

    ED Raid: বীরভূমে ইডির মেগা রেড, উদ্ধার ৫ কোটি টাকা নগদ, ১৫ কেজি সোনা! তদন্তের কেন্দ্রে টুলু-ঘনিষ্ঠ মিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমে (Birbhum) ফের কোটি কোটি টাকার গন্ধ। মহম্মদবাজারের দেউচা এলাকায় বুধবার ভোররাত থেকে বড়সড় অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED Raid)। টুলু মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় বলে পরিচিত মিনার মণ্ডলের বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে তল্লাশি (ED Raid)। আর সেই অভিযানে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, সোনা এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র।

    ৫ কোটি টাকা নগদ, ১৫ কেজি সোনা

    ইডি সূত্রের খবর, মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৫ কোটি টাকা নগদ এবং ১৫ কেজি সোনা। বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ গোনার জন্য ঘটনাস্থলে আনা হয় একাধিক টাকা গোনার মেশিন। উদ্ধার হওয়া নগদ, সোনা এবং নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করতে ব্যবহার করা হয় বড় লোহার ট্রাঙ্ক। দীর্ঘক্ষণ ধরে বাড়ির প্রতিটি অংশে তল্লাশি (ED Raid) চালান তদন্তকারীরা।

    সরকারি বাসচালক থেকে কোটি টাকার মালিক?

    তদন্তে জানা গিয়েছে, মিনার মণ্ডল পেশায় সরকারি বাসের চালক ছিলেন। তাই তাঁর বাড়ি থেকে এত বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও সোনা উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। তবে স্থানীয়দের দাবি তিনি দীর্ঘদিন ধরে টুলু মণ্ডলের পাথর খাদান, ক্রাশার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই সূত্র ধরেই তাঁর আর্থিক লেনদেন এবং সম্পত্তির উৎস খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা (ED)।

    ফের আলোচনায় টুলু মণ্ডল

    এই অভিযানের পর ফের আলোচনায় উঠে এসেছে বীরভূমের (Birbhum) প্রভাবশালী পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের নাম। এক সময় অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত টুলু। জেলার পাথর খাদান, ক্রাশার ও বালি ব্যবসায় দীর্ঘদিন তাঁর প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ। অতীতে বেআইনি পাথর খাদান, গরু পাচার-সহ একাধিক মামলায় তাঁর নাম উঠে এসেছে। ২০২২ সালে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাও তাঁর বাড়ি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে তল্লাশিও চালিয়েছিল। পরে একটি খুনের মামলায় টুলু মণ্ডলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    ইডির (ED) নজরে আর্থিক লেনদেন

    তদন্তকারী সংস্থার দাবি, উদ্ধার হওয়া নগদ অর্থ, সোনা, সম্পত্তির নথি, ব্যাংক লেনদেন এবং অন্যান্য আর্থিক তথ্য খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এই সম্পদের উৎস কী? তা বৈধ আয় থেকে এসেছে নাকি অন্য কোনও অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত? সেই বিষয়েই জোর দিয়ে তদন্ত এগোচ্ছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট

    ঘটনায় সরব মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন তিনি। পুলিশের অভিযানের প্রশংসার পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতি মেনেই এই অভিযান চলবে, বলেও সাফ জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    এখন নজর তদন্তের দিকে

    যদিও এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া অর্থ ও সোনার সঙ্গে টুলু মণ্ডলের সরাসরি আইনি যোগ রয়েছে বলে ইডি (ED) আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তবে এই বিপুল সম্পদের উৎস, সম্ভাব্য আর্থিক লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তদন্ত জোরকদমে চলছে। বীরভূমের এই মেগা রেডে আগামী দিনে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

  • Digital Arrest: ডিজিটাল অ্যারেস্টে কড়া আইন! সংসদে আসতে পারে নতুন বিল, আলাদা অপরাধ হবে ‘ডিপফেকও’

    Digital Arrest: ডিজিটাল অ্যারেস্টে কড়া আইন! সংসদে আসতে পারে নতুন বিল, আলাদা অপরাধ হবে ‘ডিপফেকও’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল প্রতারণা রুখতে বড় পদক্ষেপের পথে কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি সংসদ অধিবেশনেই ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest), ‘ডিপফেক’ (Deepfake) এবং অন্যান্য সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় একটি বিস্তৃত বিল আনা হতে পারে। এই বিলে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ এবং ‘ডিপফেক’-কে আলাদা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করার সম্ভাবনা রয়েছে। এই উদ্যোগের নেপথ্যে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ। মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ আদালত কেন্দ্রকে স্পষ্টভাবে জানায়, ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest)-কে একটি স্বতন্ত্র অপরাধ হিসেবে আইনে সংজ্ঞায়িত করতে হবে এবং এর জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দ্রুত বাড়তে থাকা ‘ডিপফেক’ ও অন্যান্য নতুন ধরনের অনলাইন অপরাধ মোকাবিলায়ও আলাদা আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয় আদালত।

    কী বলল সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ?

    প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ জানায়, কোনও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালত যদি প্রাথমিকভাবে শক্ত প্রমাণ পায়, তাহলে তদন্ত চলাকালীন তাঁর সম্পত্তি বা আর্থিক সম্পদ সাময়িকভাবে জব্দ করার ক্ষমতা তদন্তকারী সংস্থার থাকা উচিত। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, ‘ডিপফেক’ (Deepfake) প্রযুক্তির অপব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। তাই এই ধরনের নতুন সাইবার অপরাধকে আইনের আওতায় আনতে এবং স্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে দ্রুত আইন প্রণয়ন প্রয়োজন।

    কেন্দ্র কী জানাল আদালতে?

    সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, কেন্দ্র ইতিমধ্যেই একটি খসড়া বিল তৈরি করছে। সেই বিলে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest), ‘ডিপফেক’ (Deepfake) এবং এ ধরনের অন্যান্য সাইবার অপরাধ মোকাবিলার জন্য বিস্তৃত আইনি ব্যবস্থা রাখা হবে। আদালতে তিনি বলেন, “একটি খসড়া বিল তৈরি হচ্ছে। সেখানে ডিজিটাল অ্যারেস্ট, ডিপফেক-সহ এই ধরনের সমস্ত অপরাধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।”

    ইন্টার-ডিপার্টমেন্টাল কমিটির রিপোর্ট চূড়ান্ত পর্যায়ে

    অ্যাটর্নি জেনারেল আর. ভেঙ্কটরমণি আদালতকে জানান, একটি আন্তঃবিভাগীয় কমিটি (IDC) বর্তমানে বিদ্যমান আইন ও তদন্ত প্রক্রিয়ার কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা খতিয়ে দেখে একটি বিস্তৃত রিপোর্ট তৈরি করছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই নতুন আইন চূড়ান্ত করা হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ১০ কোটি টাকা বা তার বেশি ক্ষতির সঙ্গে যুক্ত প্রায় ২০টি বড় ডিজিটাল প্রতারণার মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। অন্য মামলাগুলির তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট রাজ্য পুলিশের সাইবার শাখা।

    বুধবার নির্দেশ দিতে পারে সুপ্রিম কোর্ট

    মঙ্গলবারের শুনানির শেষে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানায়, এই মামলায় বুধবার আনুষ্ঠানিক নির্দেশ জারি করা হবে।

    কেন শুরু হয়েছিল এই মামলার শুনানি?

    গত বছর দেশজুড়ে বেড়ে চলা ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest) প্রতারণার ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা গ্রহণ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এই ধরনের প্রতারণায় জালিয়াতরা নিজেদের পুলিশ, সিবিআই, ইডি বা আদালতের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করে। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদেরই বেশি টার্গেট করা হয়। এর আগের এক শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, বিচারকদের জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করে ভুয়ো আদালতের নির্দেশ তৈরি করা শুধু প্রতারণা নয়, এটি বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার উপর সরাসরি আঘাত। আদালতের মর্যাদা ও আইনের শাসনের বিরুদ্ধে এটি অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ।

    কী হতে পারে নতুন আইনে?

    প্রস্তাবিত বিলে সম্ভাব্যভাবে যে বিষয়গুলিতে জোর দেওয়া হতে পারে- ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest)-কে আলাদা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি। ‘ডিপফেক’ (Deepfake) তৈরি ও অপব্যবহারের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট আইনি শাস্তি। নতুন ধরনের সাইবার প্রতারণার স্পষ্ট সংজ্ঞা ও শাস্তির বিধান। গুরুতর মামলায় তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্তের সম্পত্তি বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে জব্দ করার ক্ষমতা। সাইবার অপরাধের তদন্ত ও বিচার আরও দ্রুত ও কার্যকর করার জন্য নতুন আইনি কাঠামো।

  • Suvendu Adhikari: পুলিশের জন্য মেগা ঘোষণা! ১ লক্ষ নিয়োগ, পুজোতেই ২০% ডিএ, ভবানী ভবনে বড় বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পুলিশের জন্য মেগা ঘোষণা! ১ লক্ষ নিয়োগ, পুজোতেই ২০% ডিএ, ভবানী ভবনে বড় বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, কর্মীসঙ্কট এবং পরিকাঠামোগত সমস্যার সমাধানে একের পর এক বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ভবানী ভবনে (Bhawani Bhavan) পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও শক্তিশালী, আধুনিক এবং কর্মীবান্ধব করে তুলতেই এই পদক্ষেপ। নতুন নিয়োগ, ডিএ বৃদ্ধি, সপ্তম বেতন কমিশন, আধুনিক তদন্তকারী সংস্থা, বদলি নীতি- সব মিলিয়ে পুলিশের জন্য কার্যত একগুচ্ছ ‘মেগা প্যাকেজ’-এর ঘোষণা করেন তিনি। নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী খালি হাতে ভবানী ভবনে আসবেন, সেটা হয় নাকি! পরে আরও দেব, আপনারা ভালোভাবে কাজ করুন।”

    ১ লক্ষ নতুন পুলিশকর্মী নিয়োগ (Police Recruitment)

    রাজ্যে পুলিশের ঘাটতি পূরণে আগামী কয়েকটি অর্থবর্ষে ধাপে ধাপে ১ লক্ষ নতুন পুলিশকর্মী নিয়োগ (Police Recruitment) করা হবে বলে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)। তাঁর বক্তব্য, দেশের অন্যান্য বড় রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে প্রতি লক্ষ জনসংখ্যায় পুলিশকর্মীর সংখ্যা এখনও অনেক কম। সেই ঘাটতি পূরণ করতেই এই বৃহৎ নিয়োগ প্রক্রিয়া (Police Recruitment) শুরু হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে আইনি জটিলতায় আটকে থাকা প্রায় ৪৭ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের পথও এখন পরিষ্কার। ওবিসি সংক্রান্ত আইনি জট কাটার পর দ্রুত নিয়োগ সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ শেষ করা ১৪ হাজার কনস্টেবলকে আসন্ন দুর্গাপুজোর আগেই বিভিন্ন জেলায় কাজে যোগ দেওয়ানো হবে।

    পুজো থেকেই অতিরিক্ত ২০ শতাংশ ডিএ (DA Hike)

    তৃণমূল সরকারের আমলে বকেয়া ডিএ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। সরকারে আসতেই কেন্দ্র ও রাজ্যের সঙ্গে ডিএর ফারাক কমাতে প্রথম দফায় আগামী অক্টোবর (পুজোর মাস) থেকেই পুলিশকর্মীদের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ ডিএ (DA Hike)-র ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি রাজ্য গঠিত সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ হাতে পেলেই দ্রুত তা কার্যকর করার আশ্বাসও দেন তিনি। বহু বছর ধরে অপরিবর্তিত থাকা ১,৫০০ টাকার রেশন ভাতা বাড়িয়ে ২,০০০ টাকা করারও ঘোষণা করা হয়েছে, যা পুজোর সময় থেকেই কার্যকর হবে।

    এনআইএ-র আদলে গড়ে উঠছে ‘SIA’

    রাজ্যের তদন্ত ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)-র আদলে ‘স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি’ (SIA) গঠনের ঘোষণাও করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) দাবি, জটিল অপরাধ ও আন্তঃরাজ্য অপরাধ তদন্তে এই বিশেষ সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। একই সঙ্গে পুলিশ বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও দক্ষ করে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

    আধুনিক পুলিশ পরিকাঠামো

    রাজ্যজুড়ে পুলিশের যানবাহন ও পরিকাঠামো উন্নয়নেও একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৪ হাজার পুরনো ও বিমাহীন সরকারি পুলিশ যান ধাপে ধাপে বদলে নতুন আধুনিক গাড়ি দেওয়া হবে। এছাড়া রাজ্যের ৫৫২টি থানার মধ্যে অন্তত ২৫০ থেকে ৩০০টি থানার আধুনিকীকরণের জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে বিশেষ অর্থ বরাদ্দের আবেদন জানানো হবে। পুলিশকর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য গুজরাতের রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অসমের তেজপুরে বিএসএফ-এর উচ্চতর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিশেষ ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। নতুন ফৌজদারি আইন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণও চালু হবে।

    বদলি নীতিতে মানবিক উদ্যোগ

    পুলিশকর্মীদের দীর্ঘদিনের বদলি-সংক্রান্ত সমস্যার দিকেও নজর দিয়েছে রাজ্য সরকার। ঘোষণা অনুযায়ী-

    • মহিলা কনস্টেবলদের নিজ নিজ জেলায় পোস্টিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে
    • মহিলা অফিসারদের পার্শ্ববর্তী জেলায় বদলির নীতি গ্রহণ করা হবে
    • যাঁরা ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিজের জেলা থেকে দূরে কর্মরত, তাঁদের ধাপে ধাপে স্বজেলায় ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে

    গড়ে উঠছে অরাজনৈতিক ওয়েলফেয়ার বোর্ড

    পুলিশকর্মীদের আবাসন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, ক্রীড়া পরিকাঠামো ও সামগ্রিক কল্যাণের জন্য একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ওয়েলফেয়ার বোর্ড গঠনের কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, পুলিশকর্মীদের অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যবহার না করে তাঁদের পেশাগত উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষার উপর জোর দেওয়া হবে। পাশাপাশি একাকী প্রবীণ নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য কলকাতা পুলিশের পুরনো নাগরিক সহায়তা প্রকল্পও নতুন করে চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা

    বক্তৃতার শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) স্পষ্ট বার্তা দেন, শক্তিশালী ও আধুনিক পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি যেমন চলবে, তেমনই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।

  • Guru Purnima 2026: আজ গুরুপূর্ণিমা, কেন হিন্দু-বৌদ্ধ-জৈন-শিখ— চার ধর্মেই এত বিশেষ এই দিন?

    Guru Purnima 2026: আজ গুরুপূর্ণিমা, কেন হিন্দু-বৌদ্ধ-জৈন-শিখ— চার ধর্মেই এত বিশেষ এই দিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বুধবার, ২৯ জুলাই, গুরুপূর্ণিমা। ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যে এই দিনটি গুরু বা শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা এবং আত্মজাগরণের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। শুধু হিন্দুধর্মেই নয়, বৌদ্ধ, জৈন এবং শিখ ধর্মেও গুরুপূর্ণিমার বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এই চার ধর্মের অনুসারীরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দিনটি পালন করেন। সংস্কৃত ভাষায় ‘গু’ শব্দের অর্থ অন্ধকার এবং ‘রু’ শব্দের অর্থ দূর করা। সেই অর্থে ‘গুরু’ হলেন তিনি, যিনি অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে জ্ঞান ও আত্মোপলব্ধির পথে পরিচালিত করেন। তাই গুরুপূর্ণিমা কেবল কোনও ধর্মীয় আচার পালনের দিন নয়, বরং নিজের ভিতরকে নতুন করে জানারও এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।

    কেন পালিত হয় গুরুপূর্ণিমা?

    হিন্দু ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ মত অনুযায়ী, এই দিনেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন মহর্ষি বেদব্যাস। তিনি মহাভারতের রচয়িতা এবং বৈদিক জ্ঞানকে ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ ও অথর্ববেদ— এই চার ভাগে সংকলিত করেছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়। সেই কারণেই গুরুপূর্ণিমাকে অনেকেই ‘ব্যাস পূর্ণিমা’ নামেও চিহ্নিত করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গুরুপূর্ণিমা নতুন কোনও শুভ কাজ শুরু করার জন্য অত্যন্ত শুভ দিন। এই তিথিতে পূজা, দান, জপ, হোম বা অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান করলে সংসারে শুভ ফল আসে এবং আধ্যাত্মিক উন্নতি ঘটে বলে মনে করা হয়।

    শিবের দক্ষিণামূর্তি রূপের সঙ্গে সম্পর্ক

    হিন্দু দর্শনের আর একটি প্রচলিত বিশ্বাসে, মহাদেবের দক্ষিণামূর্তি রূপই হল আদিগুরুর প্রতীক। এই দিনেই ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং সপ্তঋষি শিবের কাছ থেকে পরম জ্ঞান লাভ করেছিলেন বলে পুরাণে উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণেই বহু ভক্ত শিবকে প্রথম গুরু বা আদিগুরু হিসেবে শ্রদ্ধা জানান।

    বৌদ্ধধর্মে গুরুপূর্ণিমার গুরুত্ব

    বৌদ্ধ ঐতিহ্যেও গুরুপূর্ণিমার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, বোধিবৃক্ষের নীচে বুদ্ধত্ব লাভের কয়েক সপ্তাহ পরে গৌতম বুদ্ধ সারনাথে গিয়ে তাঁর পাঁচ প্রাক্তন সঙ্গীকে প্রথম ধর্মদেশনা দেন। বৌদ্ধধর্মে এটিকে ধর্মচক্র প্রবর্তনের সূচনা হিসেবে ধরা হয়। এই উপলক্ষে বহু বৌদ্ধ ভিক্ষু ও গৃহী ভক্ত অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুসরণ, ধ্যান এবং বিপাসনা সাধনায় অংশ নেন। নেপালে দিনটি শিক্ষক দিবস হিসেবেও পালিত হয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের বিভিন্ন উপহার, মালা এবং ঐতিহ্যবাহী টপি দিয়ে সম্মান জানান।

    জৈন ধর্মেও রয়েছে বিশেষ মর্যাদা

    জৈন সম্প্রদায়ের কাছেও গুরুপূর্ণিমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা এই দিনটিকে ‘ত্রিনোক গুহ পূর্ণিমা’ হিসেবে পালন করেন। জৈন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভগবান মহাবীর কৈবল্য লাভের পর ইন্দ্রভূতি গৌতমকে প্রথম শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। সেই ঘটনাকেই গুরু-শিষ্য পরম্পরার এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে স্মরণ করা হয়।

    বিভিন্ন দেশে ভিন্ন আচার

    শ্রীলঙ্কায় এই সময় থেকে শুরু হয় ‘বর্ষাবাস’ পালনের প্রথা। আবার থাইল্যান্ডে একই উৎসব ‘ফানসা’ নামে পরিচিত। জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ভিক্ষুরা নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে ধর্মচর্চা করেন। ভিয়েতনাম, তিব্বত, কোরিয়া এবং মায়ানমারের বহু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ও এই সময় বিশেষ ধর্মীয় আচার পালন করেন।

    শিখ ধর্মেও গুরুপূর্ণিমার তাৎপর্য

    শিখ ধর্মে গুরুপূর্ণিমা গুরুদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা নিবেদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। শিখ ধর্মাবলম্বীরা গুরুদের ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে সম্মান করেন। এই দিনে গুরু গ্রন্থ সাহিব পাঠ, গুরুদের জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা এবং তাঁদের দেখানো পথে চলার অঙ্গীকার করা হয়। শুধু ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিক উন্নতি নয়, শিখ সমাজে পারস্পরিক ঐক্য, সংহতি এবং মূল্যবোধকে আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রেও গুরুপূর্ণিমা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

    গুরুপূর্ণিমার মূল বার্তা

    ধর্মভেদে আচার-অনুষ্ঠানের রীতি আলাদা হলেও গুরুপূর্ণিমার মূল দর্শন একটাই— জ্ঞান, শৃঙ্খলা, আত্মোপলব্ধি এবং গুরুর প্রতি কৃতজ্ঞতা। এই দিনটি মনে করিয়ে দেয়, জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার পিছনেই কোনও না কোনও গুরুর অবদান থাকে। তাই গুরুপূর্ণিমা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, মানবজীবনে জ্ঞানের আলোকে সম্মান জানানোরও এক অনন্য দিন।

  • Polymer Bank Notes: আসছে প্লাস্টিকের ১০ ও ২০ নোট? পরীক্ষামূলকভাবে ২০০ কোটি পলিমার নোট ছাপার অনুমোদন কেন্দ্রের

    Polymer Bank Notes: আসছে প্লাস্টিকের ১০ ও ২০ নোট? পরীক্ষামূলকভাবে ২০০ কোটি পলিমার নোট ছাপার অনুমোদন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে খুব শীঘ্রই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হতে পারে পলিমার (প্লাস্টিক-ভিত্তিক) ১০ ও ২০ টাকার নোট। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)-র প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে আপাতত এটি শুধুমাত্র ফিল্ড ট্রায়াল বা পরীক্ষামূলক ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত হয়েছে। সফল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেই নিয়মিতভাবে এই নোট চালু করা হবে কি না, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, আরবিআই অ্যাক্ট, ১৯৩৪-এর আওতায় ১০ ও ২০ মূল্যমানের মোট ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) পিস পলিমার নোট পরীক্ষামূলকভাবে ছাপানোর প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে ১০০ কোটি পিস ১০ টাকার, এবং ১০০ কোটি পিস ২০ টাকার নোট ছাপা হবে। তবে বর্তমানে প্রচলিত কাগজের নোট তুলে নেওয়ার কোনও পরিকল্পনা এই প্রস্তাবের অন্তর্ভুক্ত নয়।

    কাগজের নোট কি তুলে নেওয়া হবে?

    লোকসভার বর্ষাকালীন অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই পলিমার নোট বর্তমান কাগজের নোটের পাশাপাশি চলবে। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পলিমার নোটের আয়ু কাগজের নোটের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। তবে বর্তমানে এই প্রকল্প একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

    ডিজিটাল পেমেন্টে কোনও প্রভাব পড়বে?

    ডিজিটাল লেনদেন নিয়ে উদ্বেগেরও কোনও কারণ নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী। তাঁর কথায়, পলিমার নোট নিয়মিতভাবে চালু হওয়ার পরেই এর প্রকৃত প্রভাব মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, নগদ লেনদেন ও ডিজিটাল পেমেন্ট একে অপরের বিকল্প নয়, বরং পরিপূরক ব্যবস্থা। ফলে পলিমার নোট চালু হলেও ভারতের শক্তিশালী ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার উপর তাৎক্ষণিক কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।

    কীভাবে হবে পরীক্ষা?

    পরীক্ষামূলক পর্যায়ে পলিমার নোটগুলিকে বিভিন্ন জলবায়ু ও ব্যবহারিক পরিস্থিতিতে পরীক্ষা করা হবে।

    মূলত যে বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হবে, সেগুলি হল—

    • ● নোটের স্থায়িত্ব
    • ● ভাঁজ পড়লে ক্ষয়ক্ষতি
    • ● ছিঁড়ে যাওয়ার প্রতিরোধ ক্ষমতা
    • ● দৈনন্দিন ব্যবহারে কার্যকারিতা
    • ● সাধারণ মানুষের মতামত

    ভারতের তীব্র গরম, আর্দ্রতা, ধুলো এবং দীর্ঘদিনের ব্যবহারের মতো পরিস্থিতিতে নোট কতটা কার্যকর থাকে, তা যাচাই করাই এই পরীক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য।

    পরীক্ষার আগেই শুরু প্রস্তুতি

    কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের কয়েক সপ্তাহ আগেই, ১৭ জুলাই, আরবিআইয়ের নোট মুদ্রণকারী সংস্থা ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নোট মুদ্রণ প্রাইভেট লিমিটেড (BRBNMPL) আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে। সংস্থাটি ৬৮ হাজার রিম অপাসিফায়েড পলিমার সাবস্ট্রেট শিট কেনার জন্য বিশ্বজুড়ে নির্মাতাদের কাছ থেকে দরপত্রের আহ্বান করে। এই শিটগুলিতে উন্নত নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সংযুক্ত থাকবে, যাতে টেক্সচার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সাবস্ট্রেটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা যায়।

    কেন পলিমার নোট?

    প্রথমদিকে, পলিমার নোট তৈরির খরচ কাগজের নোটের তুলনায় প্রায় ২০% থেকে ২৪% বেশি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এগুলির আয়ু ২.৫ থেকে ৪ গুণ বেশি হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদে মুদ্রণ, পরিবহণ এবং পুরোনো নোট ধ্বংস করার খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।উল্লেখ্য, নোট মুদ্রণের জন্য বার্ষিক ব্যয় বেড়ে ৬,৩৭২.৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। তাই বিশেষ করে ১০ ও ২০ টাকার মতো বেশি ব্যবহৃত নোটে পলিমার প্রযুক্তি সফল হলে ভবিষ্যতে হাজার হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। বর্তমানে নির্দিষ্ট কোনও উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। তবে পরীক্ষামূলক পর্যায়ের ফলাফল সন্তোষজনক হলে ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে ভারতে পলিমার নোটের ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

  • Dharmatala Rally: আন্দোলনের নামে বর্বরতার বিরুদ্ধে ধর্মতলায় মহামিছিল, জাতীয় পতাকা হাতে রাজপথে ছাত্র-শিক্ষকরা

    Dharmatala Rally: আন্দোলনের নামে বর্বরতার বিরুদ্ধে ধর্মতলায় মহামিছিল, জাতীয় পতাকা হাতে রাজপথে ছাত্র-শিক্ষকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলনের নামে বর্বরতার বিরুদ্ধে এবার সরব ছাত্র, শিক্ষক, অধ্যাপক, গবেষক ও শিক্ষাকর্মীরা। নিট প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে ধর্মতলায় সাম্প্রতিক আন্দোলনের সময় সাংবাদিকদের উপর হামলা, ক্যামেরা ভাঙচুর এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে আক্রমণের অভিযোগ ঘিরে এখনও উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই মঙ্গলবার জাতীয় পতাকা হাতে হাওড়া ও শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত জোড়া মহামিছিলের (Dharmatala Rally) আয়োজন করে ‘শিক্ষা সংস্কৃতি সুরক্ষা মঞ্চ’। এই কর্মসূচিতে অংশ নেয় রাজ্যের অনেক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। আয়োজকদের দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক শক্তিপ্রদর্শনের মঞ্চ নয়; বরং গণতন্ত্র, শিক্ষা ও সংস্কৃতি রক্ষার সামাজিক উদ্যোগ।

    পথে শিক্ষা জগৎ

    ধর্মতলার সাম্প্রতিক অশান্তির পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ দানা বাঁধছিল। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদের আড়ালে সাংবাদিকদের উপর হামলা, ক্যামেরা ভাঙচুর, পুলিশকে লক্ষ্য করে আক্রমণ এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, প্রতিবাদের অধিকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অংশ হলেও হিংসা ও নৈরাজ্য কখনওই গণতন্ত্রের ভাষা হতে পারে না। সেই কারণেই ছাত্র, শিক্ষক, অধ্যাপক, গবেষক ও শিক্ষাবিদদের একাংশ রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানান।

    জোড়া মহামিছিল

    মঙ্গলবার দুপুর থেকেই হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেন ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, অধ্যাপক, গবেষক, শিক্ষাকর্মী ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। জাতীয় পতাকা, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে দুটি প্রান্ত থেকে ধর্মতলার উদ্দেশে শুরু হয় পদযাত্রা (Dharmatala Rally)। ‘শিক্ষা সংস্কৃতি সুরক্ষা মঞ্চ’-এর ডাকে আয়োজিত এই মহামিছিলে অংশ নেয় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP), অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘ, ভারতীয় শিক্ষণ মণ্ডল, বিদ্যা ভারতী, শিক্ষা সংস্কৃতি উত্থান ন্যাস, ইতিহাস সংকলন সমিতি-সহ সঙ্ঘ পরিবারের একাধিক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

    সাংবাদিকদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা

    মহামিছিলে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে ওঠে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের উপর হামলা, ক্যামেরা ভাঙচুর কিংবা সংবাদমাধ্যমকে ভয় দেখানোর ঘটনা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁদের মতে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করা গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান শর্ত এবং সেই স্বাধীনতার উপর আঘাত কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

    বাম-কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    মিছিলে (Dharmatala Rally) অংশগ্রহণকারীদের অভিযোগ, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদের আড়ালে বাম ও কংগ্রেস পরিকল্পিতভাবে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছে। তাঁদের দাবি, দিল্লির ‘সংসদ চলো’ অভিযানে যেমন নৈরাজ্যের অভিযোগ উঠেছিল, কলকাতার ঘটনাতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা গিয়েছে। এছাড়াও কিছু বামপন্থী সংগঠন ছাত্রদের আবেগকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে সমাজে বিভাজন সৃষ্টি এবং দেশবিরোধী শক্তির মদতপুষ্ট প্রচারকে উৎসাহিত করছে বলেও অভিযোগ তোলেন আন্দোলনকারীরা।

    বিদেশি শক্তির মদতের আশঙ্কাও

    দিল্লির যন্তর-মন্তর থেকে কলকাতার ধর্মতলা- প্রতিবাদের নামে যেখানেই হিংসা বা নৈরাজ্যের ঘটনা ঘটুক, তার কড়া নিন্দা হওয়া উচিত বলেই মত মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের। তাঁদের দাবি, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার নেপথ্যে বিদেশি শক্তির মদতের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই শুধু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়, জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মত তাঁদের।

    গণতন্ত্রের নামে হিংসা নয়, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের বার্তা

    হাওড়া থেকে ধর্মতলা ও শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা – জাতীয় পতাকার ছায়ায় আয়োজিত এই দুই মহামিছিল থেকে উঠে আসে একটাই বার্তা। প্রতিবাদের অধিকার গণতন্ত্রের শক্তি হলেও, সেই অধিকারের আড়ালে হিংসা, ভাঙচুর, সাংবাদিক নিগ্রহ কিংবা অরাজকতার কোনও স্থান নেই। মতের লড়াই হতে পারে, কিন্তু গণতন্ত্রের পথ কখনওই বর্বরতার পথ হতে পারে না – এই বার্তাই রাজপথ থেকে তুলে ধরল ‘শিক্ষা সংস্কৃতি সুরক্ষা মঞ্চে’র এই মহামিছিল।

  • Supreme Court: ডিজিটাল অ্যারেস্ট প্রতারণায় অভিযুক্তদের সহজে জামিন নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: ডিজিটাল অ্যারেস্ট প্রতারণায় অভিযুক্তদের সহজে জামিন নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল অ্যারেস্টের (Digital Arrest) নামে প্রতারণার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদের ভয় দেখিয়ে তাঁদের আজীবনের সঞ্চয় হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এবার আরও কড়া অবস্থান নিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) প্রতারণার মামলায় অভিযুক্তদের সহজে জামিন দেওয়া হবে না। শুধুমাত্র অসাধারণ বা ব্যতিক্রমী কারণ প্রমাণ করতে পারলেই জামিনের আবেদন বিবেচনা করা হবে। আদালতের মতে, এই প্রতারণা সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ অপরাধগুলির একটি।

    জামিনের আবেদন খারিজ

    প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ এক অভিযুক্তের জামিনের আবেদন খারিজ করে এই মন্তব্য করে। অভিযুক্তের দাবি ছিল, তিনি শুধু মূল অভিযুক্তকে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে সাহায্য করেছিলেন এবং এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জেলে রয়েছেন। তবে আদালতের মতে, তিনি প্রতারণা চক্রের একজন সক্রিয় সহযোগী। তাই তাঁর জামিনের আবেদন নাকচ করা হয়।

    ‘সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অপরাধ’

    শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানায়, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) প্রতারণা মানুষের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অপরাধ, বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, প্রতারকরা ভয় দেখিয়ে প্রবীণদের সারাজীবনের কষ্টার্জিত সঞ্চয় হাতিয়ে নিচ্ছে। তাই এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের নমনীয়তা দেখানো যাবে না।

    নিম্ন আদালতগুলিকেও বার্তা

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) শুধু নিজের অবস্থানই স্পষ্ট করেনি, পাশাপাশি দেশের সব হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতকেও কড়া বার্তা দিয়েছে। আদালতের মতে, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) সংক্রান্ত মামলায় জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে এবং অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    কঠোর আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

    গত শুক্রবারও একই বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest) ও সাইবার প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন সংক্রান্ত কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। আদালতের মতে, এই ধরনের অপরাধকে ডাকাতি বা লুঠের মতোই গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

    সিবিআই তদন্ত ও সমন্বয়ের নির্দেশ

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট প্রতারণার বাড়বাড়ন্ত নিয়ে গত বছর থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বিশেষ করে প্রবীণদের লক্ষ্য করে হওয়া প্রতারণার তদন্তে সিবিআইকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলারও নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তদন্তকারী সংস্থাগুলির তথ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল অ্যারেস্ট ও সাইবার প্রতারণার মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ৩,০০০ কোটিরও বেশি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই বিপুল আর্থিক ক্ষতির কথা উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভবিষ্যতে এই ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

LinkedIn
Share