Tag: মাধ্যম বাংলা

  • West Bengal Assembly Elections 2026: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন কি এবার এক দফায়? জোর জল্পনা

    West Bengal Assembly Elections 2026: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন কি এবার এক দফায়? জোর জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভার নির্বাচন এবং সেই নির্বাচনে বাহিনী মোতায়েন নিয়ে জরুরি পর্যায়ের বৈঠক সারতে দিল্লির নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে হাজির হয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। দুদিনের বৈঠক শেষে রাজ্যে ফিরে যে ইঙ্গিত দিলেন তাতে সম্ভবত এবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে এক দফাতেই।

    ভোটকর্মীর অভাব নেই

    বিধানসভা নির্বাচন করতে গেলে প্রধান যে দরকার তা হল ভোটার তালিকা, আর সেই ভোটার তালিকার কাজ নিবিড় সংশোধনের মাধ্যমে চলছে এখন রাজ্য জুড়ে। এই সংশোধনের কাজ শেষ হলেই নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করেন জানিয়ে দেবে আদপে এই রাজ্যে ভোট প্রক্রিয়া তারা কিভাবে পরিচালনা করতে চায়। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ভোটকর্মীর কোনও অভাব নেই এই রাজ্যে। কিন্তু সাম্প্রতিক অতীত থেকে শুরু করে বিগত ১৫ বছরে নির্বাচনের সময়ে রাজ্যে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা সব দিক খতিয়ে দেখতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন প্রায় একপ্রকার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছে যে, এবার এক দফাতেই এই রাজ্যে নির্বাচন করানোর।

    পুরো দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    কমিশন চাইছে, পুলিশের ভূমিকা থাকবে কেবলমাত্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে বাকি সবকিছুই এবার সামলাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচন কমিশনের যে ইঙ্গিত দিয়েছে তাতে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে, পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী এই মুহূর্তে তাদের কাছে রয়েছে যা এই রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনা করতে গেলে একেবারেই অপরিহার্য। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এক হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এই সংখ্যাই প্রায় দ্বিগুণ হতে চলেছে। যার ফলে কমিশনের এক উচ্চপদস্থ কর্তা জানাচ্ছেন, নির্বাচনে কমিশনের এক দফায় এই রাজ্যে নির্বাচন করতে কোনও অসুবিধা নেই।

    লক্ষ্য সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন

    পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসার আনন্দ কুমার নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছেন মোট কত সংখ্যক পুলিশ বাহিনী পাওয়া যাবে নির্বাচনের সময়। যেহেতু সেই সংখ্যা অত্যন্ত কম, তাই এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন নিজেদের সিদ্ধান্ত এক প্রকার নিয়েই ফেলেছে। সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন করে শূন্য থেকে শুরু করে সবকিছুকে শেষ করতে অর্থাৎ সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন এবার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করতে চলেছে বলে খবর সূত্রের। সম্প্রতি, রাজ্যে কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনের ক্ষেত্রে যে যে পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন সেই সব পদক্ষেপই এবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের সময় একই রকম ভাবেই প্রয়োগ করা হবে। যা করতে গেলে এতদিন পর্যন্ত অনেক ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হত নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এবং রাজ্য প্রশাসনকে।

    নজর ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশে

    কিন্তু বিগত দিনের ইতিহাস পর্যালোচনা করে নির্বাচন কমিশন এবার এই জায়গাতেই উপনীত হয়েছে যে, সম্ভবত এক দফাতেই এবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন করাতে চায় নির্বাচন কমিশন। যত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের কাছে আছে তাতে করে পর্যাপ্ত পরিমাণের বেশি মোতায়েন থাকবে এবং রীতিমতো এক নজির সৃষ্টি করবে। ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ শেষ হওয়ার পর কত দিনে নির্বাচন কমিশন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে, সকলে তারই অপেক্ষায়। তবে নির্বাচন যে এবার রাজ্যে এক দফাতেই হতে চলেছে তা এক প্রকার পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে খোদ নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের ইঙ্গিতেই।

  • Thyroid Problem: থাইরয়েড সমস্যা মোকাবিলার চাবিকাঠি লুকিয়ে ‘চেক ইয়োর নেক’ মন্ত্রে! কীভাবে সমাধান?

    Thyroid Problem: থাইরয়েড সমস্যা মোকাবিলার চাবিকাঠি লুকিয়ে ‘চেক ইয়োর নেক’ মন্ত্রে! কীভাবে সমাধান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রোগ সম্পর্কে অজ্ঞতা বিপজ্জনক। সচেতনতা আর সতর্কতা থাকলে একাধিক বিপদ কাটানো সহজ হয়ে যায়। থাইরয়েডের সমস্যার ক্ষেত্রেও এই পথেই হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতে থাইরয়েডের সমস্যা বাড়ছে। বহু মানুষের থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকছে না।‌ এমনকি শিশুদের শরীরেও এই ভারসাম্যের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। তাই এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি। জানুয়ারি মাস থাইরয়েড অ্যাওয়ারনেস মান্থ! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে, সে সম্পর্কে রোগী অনেক সময়েই জানতে পারেন না। রোগ দেরিতে নির্ণয় হয়। এর ফলে পরিস্থিতি আর নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এই হরমোনের ভারসাম্যহীনতার জেরে অনেক সময়েই ক্যান্সারের মতো জটিল রোগেও আক্রান্ত হয়। তাই নিজের শরীর সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি। তাই এই বছরে প্রথম থেকেই সচেতনতায় বাড়তি জোর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ‘চেক ইয়োর নেক’ মন্ত্রেই থাইরয়েডের বিপদ কমানো যাবে। নিজের শরীর সম্পর্কে জানা এবং সে সম্পর্কে সচেতন হলে রোগের জটিলতা আটকানো সহজ।

    কীভাবে মোকাবিলা হবে থাইরয়েড?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, থাইরয়েডের উপসর্গ সম্পর্কে নানান ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। তাই এই রোগের উপসর্গ সম্পর্কে সতর্কতা বাড়লে মানুষের রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে। গলা বা ঘাড় ফুলে গেলে, গলায় লাগাতার অসুবিধা হলে, ঘাড়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা অনুভব হলে, মাংস পিন্ড উঁচু হয়ে যাচ্ছে এমন অনুভূতি হলে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে গিলতে অসুবিধা হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই ঘাড় বা গলার সমস্যা হলে তাকে ঠান্ডা লাগার সমস্যা বলে অবহেলা করেন। কিন্তু বেশ কিছু দিন লাগাতার ঘাড় বা গলায় সমস্যা হলে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। বরং চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নির্দিষ্ট শারীরিক পরীক্ষা করা জরুরি। তবেই দ্রুত রোগ নির্ণয় সম্ভব। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে ঘাড় ও গলায় কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা সে নিয়ে নজরদারি করার পরামর্শ দিচ্ছে।

    কেন থাইরয়েড নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে?

    শরীর সুস্থ রাখতে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকা জরুরি। থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য বজায় না থাকলে শরীরে একাধিক জটিলতা তৈরি হবে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে শরীরের অন্যান্য হরমোনের ক্ষরণেও গভীর সমস্যা তৈরি হয়। তাই মহিলাদের অনিয়মিত ঋতুস্রাব হয়। থাইরয়েড বন্ধ্যাত্বের কারণও তৈরি করতে পারে। আবার থাইরয়েড মানসিক অবসাদ, উদ্বেগের কারণ। যেহেতু এই হরমোন অন্যান্য হরমোনের ভারসাম্যও নষ্ট করে, তাই এই থাইরয়েড গ্রন্থিতে সমস্যা থাকলে মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি অনিদ্রার সমস্যাও বাড়ে।

    এছাড়া, থাইরয়েডের সমস্যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। কারণ থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে পেশির দূর্বলতা বাড়ে। পেশির শক্তি কমলে হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে। থাইরয়েড ত্বকের সমস্যা তৈরি করে। ওজন হ্রাস করে। ফলে শরীর দূর্বল হয়ে যায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে স্বাভাবিক জীবন যাপনে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। কার্যশক্তি কমে। ফলে একাধিক জটিলতা তৈরি হয়। তাই দ্রুত রোগ নির্ণয় করে সমস্যা মোকাবিলা জরুরি। দীর্ঘদিন থাইরয়েড অনিয়ন্ত্রিত থাকলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

    ভারতে থাইরয়েড কতখানি বিপজ্জনক?

    ভারতে থাইরয়েডের সমস্যা প্রবল ভাবে বাড়ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রায় সাড়ে চার কোটি মানুষ থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত। পুরুষদের তুলনায় মহিলারা এই সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রতি ১০ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে ১ জন থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের এই থাইরয়েড সমস্যা কার্যত জনস্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে। প্রাপ্ত বয়স্কদের পাশপাশি শিশুরাও এই সমস্যার শিকার হচ্ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তাই থাইরয়েড নিয়ে সচেনতা জরুরি। রোগ নির্ণয় ও দ্রুত চিকিৎসা করানো প্রয়োজন। তবেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Border Security Force: বাংলাদেশে অস্থিরতার জেরে সীমান্তে হাই অ্যালার্ট, চিকেন’স নেকে ১২ ফুট উঁচু নতুন বেড়া বসাল বিএসএফ

    Border Security Force: বাংলাদেশে অস্থিরতার জেরে সীমান্তে হাই অ্যালার্ট, চিকেন’স নেকে ১২ ফুট উঁচু নতুন বেড়া বসাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে চলমান অস্থির পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ভারত–বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে (India-Bangladesh Border) উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে মোদি সরকার। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিকেন’স নেক (Chicken’s Neck) বা শিলিগুড়ি করিডর এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (Border Security Force) প্রায় ৭৫ শতাংশ এলাকাজুড়ে নতুন নকশার সীমান্ত বেড়া (নিউ ডিজাইন ফেন্সিং বা এনডিএফ) স্থাপন করেছে।

    বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, বিশেষভাবে সংবেদনশীল সীমান্ত অংশগুলিতে ১২ ফুট উচ্চতার নতুন ধরনের বেড়া বসানো হয়েছে, যা কাটা ও টপকানো অত্যন্ত কঠিন। এই বেড়া কাটতে কয়েক মিনিট সময় লাগে, ফলে অনুপ্রবেশ ও পাচার কার্যকলাপ কার্যকরভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এলাকা আধিপত্য কৌশলে পরিবর্তন

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এলাকা আধিপত্যের লক্ষ্যে বিএসএফ তাদের পরিকল্পনায় বড়সড় বদল এনেছে। নতুন কৌশলের আওতায় সীমান্তের (India-Bangladesh Border) কাছে গবাদিপশু সংগ্রহ ও পাচারের সঙ্গে যুক্ত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সেগুলিকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রয়োজনে পাচার চক্রের মূল শিকড়ে আঘাত হানতে বিএসএফ দলগুলি ভারতের অভ্যন্তরে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত অভিযান চালাচ্ছে বলেও সূত্রের দাবি।

    অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কড়া পদক্ষেপ

    সাম্প্রতিককালে ভুলবশত অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা একাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বিএসএফ (Border Security Force)। পূর্ণাঙ্গ পরিচয় ও পটভূমি যাচাইয়ের পর তাঁদের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাঁদের আঙুলের ছাপ ও ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান করা হয়েছে, যাতে কোনও অপরাধমূলক বা রাষ্ট্রবিরোধী যোগসূত্র রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা যায়।

    পাচারবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বিএসএফ (Border Security Force) প্রায় ৮৫ কোটি টাকার পাচারকৃত সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে গবাদিপশু, সোনা, রুপো, বন্যপ্রাণীর অংশ, অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য নিষিদ্ধ দ্রব্য। এই সময়ে ৪৪০ জন বাংলাদেশি নাগরিক (পাচারকারী ও দালালসহ), ১৫২ জন ভারতীয় এবং ১১ জন অন্যান্য ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে। পাশাপাশি আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ১৮৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    আগামী দিনের পরিকল্পনা

    বিএসএফ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী দিনে সীমান্তে (India-Bangladesh Border) বেড়ার আওতা আরও বাড়ানো হবে, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় সীমান্ত অপরাধ দমনে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। যে কোনও পরিস্থিতিতে চিকেন’স নেক অঞ্চলের নিরাপত্তা আপস করা হবে না বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।

  • Dehydration During Winter: শীতেও হতে পারে ডিহাইড্রেশন! বাড়তি বিপদ শিশুদের, কীভাবে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন?

    Dehydration During Winter: শীতেও হতে পারে ডিহাইড্রেশন! বাড়তি বিপদ শিশুদের, কীভাবে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

     

    ভোরের আলোর দেখা পাওয়াই মুশকিল। সকালের অনেকটা সময়েই কুয়াশা ঢাকা থাকছে। রাজ্যের সর্বত্র জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। কিন্তু এই আবহাওয়াতেও বিপদ বাড়াচ্ছে ডিহাইড্রেশন। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের আবহাওয়াতেও শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ শিশুর নানান রকম রোগের দাপটের নেপথ্যে থাকছে ডিহাইড্রেশন। তাই শীত পড়লেও সন্তানকে সুস্থ রাখতে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।

    কেন শীতেও ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি থাকছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় জলের পরিমাণ কমে গেলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হয়। শীতের আমেজেও এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তার মূল কারণ কম পরিমাণে জল খাওয়া। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শিশুদের দুই থেকে তিন লিটার জল খাওয়া জরুরি। কিন্তু এই আবহাওয়ায় অনেকেই এই পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাচ্ছেন না। এর ফলে শরীরে জলের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। কিন্তু শিশুরা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি সক্রিয় থাকে। তারা দিনভর ছোটাছুটি করে, নানান রকমের খেলাধুলা করে। তাই তাদের বাড়তি এনার্জি প্রয়োজন। আর শরীরে জলের ঘাটতি হলে সেই এনার্জির ঘাটতি তাড়াতাড়ি হয়। তখন ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

    ডিহাইড্রেশন কোন বিপদ বাড়িয়ে দেয়?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিহাইড্রেশন হলে শরীরে নানান জটিলতা তৈরি হয়। শিশুরা বারবার ডিহাইড্রেশনে আক্রান্ত হলে কিডনিতে পাথর, কিডনির কার্যকারিতা হ্রাসের মতো নানান রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। মূত্রনালীতে সংক্রমণের ভোগান্তিও বাড়ায়।‌ বিশেষত এই শীতের আবহাওয়ায় বহু শিশু ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফরমেশনের মতো রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পর্যাপ্ত জল না খাওয়ার জেরেই এই ধরনের সংক্রমণ হচ্ছে। আবার ডিহাইড্রেশন মস্তিষ্কের উপরেও গভীর প্রভাব ফেলে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের স্নায়ুর কার্যক্ষমতা স্বাভাবিক রাখতে জল খুব জরুরি। জল পর্যাপ্ত খেলে তবেই শরীরের সমস্ত পেশি এবং স্নায়ু সক্রিয় থাকবে। ফলে শরীরে ক্লান্তি বোধ কমবে। ডিহাইড্রেশন হলে তাই বারবার মাথা ঘোরা, চোখ ঝাপসা হয়ে যাওয়া কিংবা স্মৃতিশক্তি হ্রাসের মতো সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সময়েই শিশুদের ডায়রিয়া ও বমির মতো সমস্যা দেখা যায়। যার নেপথ্যে ডিহাইড্রেশন থাকে বলেই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কীভাবে সন্তানকে সুস্থ রাখবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, এই আবহাওয়াতেও ডিহাইড্রেশন হচ্ছে। তাই এই সমস্যা এড়াতে এবং সন্তানকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়াতে হবে। গরম হোক বা শীতকাল, শরীর সুস্থ রাখতে জল জরুরি। তাই শিশুকে দিনে দুই থেকে তিন লিটার জল খাওয়াতে হবে। প্রতি ঘণ্টায় শিশু কতখানি জল খাচ্ছে, সেদিকে নজরদারি প্রয়োজন। শীতে নিয়মিত স্নান জরুরি। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই শীতে সন্তানকে নিয়মিত স্নান করান না। এটা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। নিয়মিত স্নান করলে শুধু ত্বক পরিষ্কার থাকে এমন নয়। শরীর সুস্থ থাকে। শরীরের শুষ্কতা কমে। জলের পাশপাশি শীতে নানান রকমের স্যুপ খাওয়ায় পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের রাতের কিংবা দুপুরের খাবারের মেনুতে নানান পদের স্যুপ রাখা যেতে পারে। স্যুপে নানান সব্জি থাকে। তরল জাতীয় এই খাবার পুষ্টিকর আবার শরীরে তরলের জোগান দেবে। সবমিলিয়ে একাধিক উপকার পাওয়া যাবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • West Bengal Youth Voters: এক দশক ধরে নিম্নমুখী রাজ্যে ভোটার তালিকায় নতুন প্রজন্মের অন্তর্ভুক্তির গ্রাফ, নেপথ্যে কী কারণ?

    West Bengal Youth Voters: এক দশক ধরে নিম্নমুখী রাজ্যে ভোটার তালিকায় নতুন প্রজন্মের অন্তর্ভুক্তির গ্রাফ, নেপথ্যে কী কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নতুন প্রজন্মের ভোটার (West Bengal Youth Voters) সংখ্যা কি কমছে? গত ১০ বছরের নির্বাচনী পরিসংখ্যানে সেই তথ্যই স্পষ্ট হয়েছে। শুধু তাই নয় নির্বাচনী তথ্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে রাজ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারও দিনকে দিন গতিহীন হয়ে পড়ছে। গত প্রায় দেড় দশক ধরে জনগণনার কাজ স্তব্ধ হয়ে থাকলেও নির্বাচনী পরিসংখ্যান জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার তথা নতুন প্রজন্মের ভোটার কমে যাওয়ার চিত্রটি স্পষ্ট করেছে। যদিও, ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ দিয়ে স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরির আশা জাগালেও নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির (Youth Voter Enrolment) ক্ষেত্রে বড় কিছু পরিবর্তন আনতে পারবে বলে নিশ্চিত হতে পারছেন না নির্বাচনী কর্তারাই।

    আশনুরূপ নয় ফর্ম ৬ আবেদনের সংখ্যা

    চলতি এসআইআর পর্বে রাজ্যের খসড়া ভোটার তালিকায় ৫৮ লক্ষের কিছু বেশি মৃত, স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত, অস্তিত্বহীন এবং ডুপ্লিকেট ভোটারের নাম বাদ গেলেও নতুন ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য ফর্ম ৬ আবেদনপত্রের সংখ্যা আশনুরূপ হয়নি এখনও। সিইও দফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ ডিসেম্বর ২০২৬ নির্বাচনের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে প্রায় ২ লক্ষ এবং তালিকা প্রকাশের পর ( ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত) প্রায় ৩ লক্ষ ‘ফর্ম ৬’ এখনও পর্যন্ত কমিশনে জমা পড়েছে। আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটার তালিকায় নতুনভাবে নাম অন্তর্ভুক্তি অথবা নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করা যাবে। যার ভিত্তিতেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। এমতাবস্থায় আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ২০২৪ সালে নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির জন্য জমা করা আবেদনপত্র ১৪ লক্ষ ৩০ হাজার ৯৯৮ থেকে বেশি হবে কিনা বা কতটা বেশি হবে তা নিয়ে সন্দিহান পদস্থ নির্বাচনী আধিকারিকরাই।

    বস্তুত, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী ফর্ম ৬ আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে সংখ্যা ক্রমশ নিম্নমুখী। নির্বাচনী বছরগুলিতে এই সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও পরবর্তী বছরে তার গ্রাফ নিম্নমুখী। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরে নতুন প্রজন্মের ভোটার অর্থাৎ যারা নতুনভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আবেদন জানান তাদের সংখ্যা লক্ষণীয়ভাবে কমেছে। ২০২৬ সালের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এখনো পর্যন্ত সেই ট্রাডিশনে বজায় রয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের বছরে খসড়া ভোটার তালিকায় ভোটার সংখ্যা ছিল ৫ কোটি ৯৬ লক্ষ ৮১ হাজার যার মধ্যে নতুন ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ৩২ লক্ষ ২৯ হাজার এবং নাম বাদ গিয়েছে ৪ লক্ষ ৪১ হাজার।

    পরবর্তী বছর ২০১৫ সালে খসড়া ভোটার তালিকায় ভোটার সংখ্যা বাড়লেও নতুন ভোটার হিসেবে ফর্ম ৬ পূরণ করেছেন ২১ লক্ষ ৫৩ হাজার। অর্থাৎ, সংখ্যাতত্ত্বের বিচারে এক ধাক্কায় এক বছরে প্রায় ১১ লক্ষ নতুন প্রজন্মের ভোটার সংখ্যা কমে যায়। ২০১৬ সালে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের বছরে খসড়া ভোটার তালিকায় ভোটার সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৩৪ লক্ষ ৯৫ হাজার। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি ক্ষেত্রে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ২৬ লক্ষ ৩৩ হাজার। অর্থাৎ নির্বাচনী বছরে নতুন প্রজন্মের ভোটার সংখ্যা তার পূর্ববর্তী বছর এর তুলনায় প্রায় ৫ লক্ষ বেড়ে যায়। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ওই নির্বাচনী বছরে ভোটার তালিকা ভোটার সংখ্যা বাড়লেও ২০১৭ এবং ২০১৮ সালের নতুন প্রজন্মের ভোটার তালিকা বৃদ্ধির থেকে ২০১৯-এর নির্বাচনী বছরে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় দেড় লক্ষাধিক।

    নতুন প্রজন্মের অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা নিম্নমুখী

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনী বছরে খসড়া ভোটার তালিকায় মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ১৮ লক্ষ ৪৯ হাজার যেখানে নতুন ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা ২০ লক্ষ ৪৫ হাজার। ২০২২ ও ২০২৩ সালে ভোটার তালিকায় মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৭ কোটি ৩২ লক্ষ এবং ৭ কোটি ৪২ লক্ষ। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনী বছরে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭ কোটি ৫৩ লক্ষ ৮৬ হাজার। পাশাপাশি, ২০২২ সালে নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা ১৬ লক্ষ ১৩ হাজার হলেও ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ লক্ষ ৮৩ হাজারে। যদিও ২০২৪ সালে নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১৪ লক্ষ ৩০ হাজার।

    অর্থাৎ, সার্বিকভাবে নির্বাচনী তথ্যের বিচারে গত দশ বছরে রাজ্যে ভোটার তালিকায় নতুন প্রজন্মের অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা নিম্নমুখী হয়েছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচন থেকে এই অধোগতির চিত্র সর্বাধিক। ২০১৪ সাল থেকে খসড়া ভোটার তালিকায় ভোটার সংখ্যা বাড়লেও নতুন প্রজন্মের ভোটারের সংখ্যা লক্ষ্যণীয়ভাবে কমেছে। ২০১৪ সালে যে সংখ্যা ছিল ৩২ লক্ষ ২৯ হাজার ২০২৪ সালে নতুন প্রজন্মের সেই সংখ্যা নেমে দাঁড়িয়েছে ১৪ লক্ষ ৩০ হাজারে।

    জনসংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও অধোগতির হার স্পষ্ট

    স্বাভাবিকভাবেই সংখ্যা তত্ত্বের বিচারে পশ্চিমবঙ্গে জনসংখ্যার বিন্যাসে নতুন প্রজন্মের ভোটারের সংখ্যা যেমন কমছে তেমনি সার্বিকভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অধোগতির হার স্পষ্ট হয়েছে। একইসঙ্গে এই প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে যে পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজনীতি সচেতন রাজ্যে ভোট রাজনীতির পাকচক্র থেকে নতুন প্রজন্ম কি দূরে সরছে? নাকি সার্বিকভাবে রাজ্যের জনসংখ্যা কমছে? উল্লেখযোগ্য, ২০১১ সালের পর দেশে জনগণনা না হওয়ায় জনসংখ্যার তারতম্য বা হ্রাস-বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারিভাবে কোন তথ্য বা যুক্তি না দেখানো গেলেও ভোটার তালিকার এই সংখ্যা তত্ত্ব কিন্তু রাজ্যের জনসংখ্যার তারতম্যের বিষয়টি যে স্পষ্ট করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এসআইআর-এর সৌজন্যে রাজ্যের শাসকদল তথা মুখ্যমন্ত্রী সাধারণ ভোটারদের কাছে বারংবার আবেদন জানিয়েছেন যে, ভোটার তালিকায় নাম বাদ গেলেই সবাই অবশ্যই ফর্ম ৬ পূরণ করবেন। প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক পক্ষের এই আবেদন সমস্ত যোগ্য ভোটারের ভোটাধিকার রক্ষায় কমিশনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হলেও নির্বাচনী তথ্য অন্য ছবি তুলে ধরেছে। নির্বাচনী শুনানিতে যাদের নাম বাদ গিয়েছে তারা যদি ফের সং হয় পূরণ করে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান সেক্ষেত্রে কমিশনের বিশেষ সফটওয়্যার সেই আশায় জল ঢালবে বলে জানিয়েছেন পদস্থ কর্তারা। আর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর যদি কোন যোগ্য ভোটার নতুন ভাবে নাম তুলতে চান অথবা বিদেশে বা ভিন রাজ্যে থাকার জন্য শুনানিতে হাজির হতে পারেননি এ ধরনের যোগ্য ভোটাররা নাম তোলার জন্য ফর্ম ছয় জমা দেন সে ক্ষেত্রে তা বিচার্য হলেও সেই সংখ্যাটা নগণ্যই হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী মানচিত্রে ফর্ম ৬ আবেদনপত্র জমার গ্রাফ নিম্নমুখী হওয়ায় রাজ্যে নতুন প্রজন্মের ভোটার তথা জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ে সংখ্যা তৈরি হয়েছে।

  • Stealth Underwater Drones: সমুদ্রতলে নীরব বিপ্লব! অক্টোপাসের আদলে ভবিষ্যতের আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতের

    Stealth Underwater Drones: সমুদ্রতলে নীরব বিপ্লব! অক্টোপাসের আদলে ভবিষ্যতের আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধ (Future Undersea Warfare) ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার পথে হাঁটছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্যকে (Octopus-Inspired Technology) আদর্শ হিসেবে ধরে উন্নত স্টেলথ আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন ডিফেন্স স্টার্টআপ (Defence Startups) ও প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের জন্য নতুন গবেষণার উদ্যোগ নিচ্ছে নৌবাহিনী।

    ভারতীয় নৌবাহিনীর নতুন উদ্যোগ

    🔹 কী হচ্ছে?
    অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আন্ডারওয়াটার ড্রোন তৈরির উদ্যোগ।

    🔹 কেন অক্টোপাস?
    স্টেলথ চলাচল • দ্রুত অভিযোজন • আত্মগোপন ক্ষমতা

    🔹 লক্ষ্য কী?
    আরও গোপন, দ্রুত ও কার্যকর আন্ডারওয়াটার ড্রোন

    🔹 ব্যবহার কোথায়?
    নজরদারি • রিকনেসান্স • আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার

    🔹 কারা যুক্ত?
    ডিফেন্স স্টার্টআপ • গবেষণা প্রতিষ্ঠান • প্রযুক্তি উদ্ভাবকরা

    🔹 বড় উদ্দেশ্য
    ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধে ভারতের সামুদ্রিক শক্তি বৃদ্ধি

    অক্টোপাসের রণনীতিতে ভরসা

    বাহিনী জানিয়েছে, অক্টোপাসের স্টেলথ চলাচল, দ্রুত অভিযোজন ক্ষমতা এবং অসাধারণ ফুর্তি ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Autonomous Underwater Vehicle) ও রোবোটিক সিস্টেম নকশায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যগুলিকে কাজে লাগিয়ে আরও কার্যকর ও স্টেলথ আন্ডারওয়াটার প্ল্যাটফর্ম (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    এই উদ্যোগের আওতায় নজরদারি, রিকোনেস্যান্স (রেকি) এবং অন্যান্য নৌ-অভিযানের জন্য ব্যবহৃত আন্ডারওয়াটার ড্রোনগুলির কার্যক্ষমতা, গোপনীয়তা এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্যতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রের জটিল পরিবেশে অক্টোপাস যেভাবে নিজের রূপ বদলে আত্মগোপন করে এবং দক্ষতার সঙ্গে চলাচল করে, সেই নীতিগুলিই প্রযুক্তিগত নকশায় প্রয়োগ করার কথা ভাবছে নৌবাহিনী।

    অক্টোপাস-অনুপ্রাণিত নকশা

    ভারতীয় নৌবাহিনীর মতে, এই জীববিজ্ঞান-অনুপ্রাণিত পদ্ধতির ফলে বর্তমানে ব্যবহৃত ব্যবস্থার তুলনায় আরও উন্নত এবং প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরি করা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতের আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার (Future Undersea Warfare) এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা (Maritime Security) সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এই প্রকল্পে অংশ নিতে প্রতিরক্ষা শিল্পের সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্টার্টআপগুলিকে তাদের প্রযুক্তিগত ধারণা ও প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। নৌবাহিনীর লক্ষ্য, জৈবিক অনুপ্রেরণাকে বাস্তব প্রকৌশল ও রোবোটিক সমাধানে রূপান্তর করে ভারতের সামুদ্রিক শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করা।

  • Winter Fatigue: শীত বাড়াচ্ছে ক্লান্তিভাব! এই আবহাওয়ায় কোন পাঁচ খাবার বাড়তি এনার্জি জোগান দেবে?

    Winter Fatigue: শীত বাড়াচ্ছে ক্লান্তিভাব! এই আবহাওয়ায় কোন পাঁচ খাবার বাড়তি এনার্জি জোগান দেবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ কমছে। রাজ্য জুড়ে শীতের দাপট। বিশেষত বর্ধমান, মেদিনীপুর, বীরভূম, পুরুলিয়ার মতো রাজ্যের একাধিক জেলার মানুষ শীত আর ঘন কুয়াশার দাপটে নাজেহাল। শীতের এই প্রবল দাপট প্রতিদিনের কাজের গতিও কমিয়ে দিচ্ছে। সকালে ঘুম থেকে ওঠা কিংবা সন্ধ্যার পরে বাইরে যাওয়া এখন রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। এমনকি ঘরের ভিতরের নিত্যদিনের কাজ এখন শ্লথ! শীত ক্লান্তি বাড়াচ্ছে। শরীরের এনার্জি কমিয়ে দিচ্ছে। বাড়িয়ে দিচ্ছে জবুথবু ভাব। বয়স্কদের পাশপাশি কম বয়সিদের মধ্যেও শীতের দাপটে জবুথবু ভাব দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়াতে শরীরে বাড়তি এনার্জির জোগান জরুরি। সেই কাজে কয়েকটি ঘরোয়া খাবারেই ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কোন খাবার এই শীতে ক্লান্তি কাটাবে?

    সবুজ সব্জি এবং মূল জাতীয় সব্জি করবে বাজিমাত!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে সুস্থ থাকতে এবং প্রয়োজনীয় এনার্জি সংগ্রহের জন্য সবুজ সব্জি এবং মূল জাতীয় সব্জিতেই তাঁরা ভরসা রাখছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিট, গাজর, শাক আলু, মূলোর মতো মূল জাতীয় সব্জি এই আবহাওয়ায় খুব উপকারি। এই ধরনের সব্জিতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ এবং ফাইবার থাকে। পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজের মতো খনিজ পদার্থ শরীরের ক্লান্তিকে সহজেই দূর করে। তাই এই ধরনের সব্জি খেলে ক্লান্তি বোধ কমে। তাছাড়া, মটরশুঁটি, পালং শাক, সিম কিংবা বাঁধাকপির মতো সবুজ সব্জি খনিজ পদার্থের পাশপাশি ফাইবার ভরপুর। ফাইবার শরীরে এনার্জির জোগান দেয়। তাই শীতকে কাবু করে স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য সবুজ সব্জি এবং মূল জাতীয় সব্জি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    নিয়মিত প্রাণীজ প্রোটিন জরুরি!

    প্রাণীজ প্রোটিন শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রাণীজ প্রোটিন শরীরে এনার্জির চাহিদা সহজেই পূরণ করে। তাই শীতের আবহাওয়ায় নিয়মিত পাতে মাছ, মাংস কিংবা ডিমের মতো প্রাণীজ প্রোটিন রাখলে উপকার হবে। এতে পেশি মজবুত হবে। ক্লান্তি ভাব সহজেই কমবে। তবে তাঁদের পরামর্শ, প্রাণীজ প্রোটিন রান্নার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। অতিরিক্ত তেল ও মশলা দিয়ে নিয়মিত প্রাণীজ প্রোটিন রান্না করলে হজমের সমস্যা হতে পারে। তাতে ক্ষতি বেশি। তাই কম তেল ও মশলা ব্যবহার করে স্যুপ বা স্ট্রু জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার।

    সন্ধ্যায় নিয়মিত বাদাম ও বীজ রাতের ঠান্ডা মোকাবিলা করবে!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের আবহাওয়ায় নিয়মিত বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার সন্ধ্যার মেনুতে রাখলে শরীরে বাড়তি উপকার হবে। এই আবহাওয়ায় উপকার পাওয়া যাবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, পেস্তার মতো বাদামে খনিজ পদার্থের পাশপাশি উপকারি ফ্যাট থাকে। যা শরীরের ক্লান্তি দূর করে। এনার্জির জোগান দেয়। পাশপাশি তিল, তিসি, কুমরো কিংবা সূর্যমুখী ফুলের বীজ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে তাপমাত্রার পারদ পতন শুধু কাজের গতি শ্লথ করে না। পাশপাশি এই আবহাওয়ায় হৃদরোগ সহ একাধিক জটিল সমস্যার দাপট বাড়ে। সন্ধ্যায় নানান ধরনের বীজ খেলে শরীরে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় থাকে। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা স্বাভাবিক থাকে। ফলে শরীর সুস্থ থাকে। স্বাভাবিক কাজ করাও সুবিধা হয়।

    লেবু, আদা এবং রসুন বাড়তি উপকারী!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত লেবু খাওয়া জরুরি। কমলালেবু, স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, মাল্টা, কিউই এই জাতীয় যেকোনও ধরনের ফল নিয়মিত খেলে শীতে বাড়তি এনার্জি পাওয়া যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে সর্দি-কাশির ভোগান্তিও কমে। আর ক্লান্তি বোধ দূর হয়। জবুথবু ভাব কমে। ফলের পাশপাশি আদা ও রসুনের মতো মশলা বিশেষ উপকারি। এই মশলা শরীরের নানান ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নষ্ট করে। বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। শরীরে এনার্জি জোগান করে। তাই রান্নায় এই দুই মশলা ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Haldia Naval Base: বাংলাদেশমুখী সামুদ্রিক নজরদারিতে নতুন ধাপ, হলদিয়ায় নৌঘাঁটি নির্মাণ করছে ভারত

    Haldia Naval Base: বাংলাদেশমুখী সামুদ্রিক নজরদারিতে নতুন ধাপ, হলদিয়ায় নৌঘাঁটি নির্মাণ করছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ সীমান্তের গা-ঘেঁষে হলদিয়ায় নতুন নৌঘাঁটি (Haldia Naval Base) গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। বাহিনীর শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, এখনও নামকরণ না হওয়া এই ঘাঁটিটি একটি “ডিট্যাচমেন্ট” হিসেবে কাজ করবে এবং এখানে মূলত ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর ক্র্যাফ্ট (FIC) ও নিউ ওয়াটার জেট ফাস্ট অ্যাটাক ক্র্যাফ্ট (NWJFAC)-এর মতো ছোট যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে জেটি নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরির কাজ চলছে।

    হলদিয়ার অবস্থান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ

    ইতিমধ্যেই পূর্ব উপকূলে ভারতীয় নৌবাহিনীর (Indian Navy) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি রয়েছে। বিশাখাপত্তনমে ইস্টার্ন নেভাল কমান্ডের সদর দফতর এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে কৌশলগত ঘাঁটি রয়েছে। তবে হলদিয়ার জন্য বরাদ্দ জমি দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে আটকে থাকায় কাজ শুরু করা যায়নি। সম্প্রতি সেই বরাদ্দ সংক্রান্ত জট কাটায় নৌবাহিনী দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করেছে। জানা যাচ্ছে, প্রস্তাবিত এই ঘাঁটিতে (Haldia Naval Base) প্রায় একশো অফিসার ও নাবিক মোতায়েন থাকতে পারে। কলকাতা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত হলদিয়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে হুগলি নদীপথ ধরে দীর্ঘ যাত্রা এড়ানো সম্ভব হবে।

    এফআইসি এবং এনডব্লুজেএফএসি মোতায়েন

    ২০২৪ সালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল নৌবাহিনীর জন্য ১২০টি এফআইসি এবং ৩১টি এনডব্লুজেএফএসি কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়। প্রায় ১০০ টন ওজনের এই দ্রুতগতির নৌযানগুলি ঘণ্টায় প্রায় ৪৫ নট (নটিক্যাল মাইল) বা ৮৩ কিলোমিটার গতিতে চলতে সক্ষম। মেশিনগানে সজ্জিত এই নৌযানগুলিতে ১০ থেকে ১২ জন কর্মী বহন করা যায় এবং উপকূলীয় নজরদারি থেকে শুরু করে বিভিন্ন নিরাপত্তা অভিযানে এগুলি ব্যবহার করা হয়।

    বাড়তি নজর বাংলাদেশে!

    নৌবাহিনীর সূত্র জানিয়েছে, হলদিয়ার নতুন ঘাঁটি (Haldia Naval Base) বাংলাদেশের দিকের সামুদ্রিক গতিবিধির ওপর নজরদারি বাড়াতে সাহায্য করবে। গত বছরের নভেম্বর মাসে পাকিস্তান নৌবাহিনী তাদের চিন-নির্মিত গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেট পিএনএস সাইফ বাংলাদেশে পাঠায়। প্রায় ৩,০০০ টন ওজনের এবং ১৫ বছরের পুরনো এই যুদ্ধজাহাজের সফরটিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

    পাক-বাংলাদেশ সামরিক মাখামাখি

    ২০২৪ সালের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গত নভেম্বর মাসে দুই দেশের নৌবাহিনীর (Bangladesh Pakistan naval ties) মধ্যে প্রথমবারের মতো ২-স্টার র‌্যাঙ্কের সামরিক কর্তাদের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ভারতীয় মহলের ধারণা, ভবিষ্যতে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হতে পারে। এদিকে, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বজায় রয়েছে। চিন ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ (China Bangladesh naval cooperation) নৌবাহিনীকে দুটি সাবমেরিন সরবরাহ করেছে এবং চট্টগ্রামের উপকূলে একটি সাবমেরিন ঘাঁটির নির্মাণকাজও শেষের পথে। ওই ঘাঁটির প্রাথমিক নাম ছিল ‘বিএনএস শেখ হাসিনা’, তবে পরবর্তীতে সেই নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

  • Weight Loss vs Wellness: দ্রুত ওজন কমানো নাকি দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা! কোন পথ বাছতে বলছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    Weight Loss vs Wellness: দ্রুত ওজন কমানো নাকি দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা! কোন পথ বাছতে বলছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স আট হোক কিংবা পঞ্চাশ, শরীর সুস্থ রাখার পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ওজন! কোন খাবার খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, কেন অতিরিক্ত ওজন বাড়ছে এই নিয়ে এখন স্কুল পড়ুয়া থেকে প্রৌঢ়, সকলেই কমবেশি উদ্বিগ্ন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতের অধিকাংশ মানুষ পুষ্টি সম্পর্কে ঠিকমতো ওয়াকিবহাল নন। আর তাই ওজন নিয়ে এত ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। অতিরিক্ত ওজন, অপুষ্টির মতো সমস্যা এখন নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠছে। তাঁদের পরামর্শ, হেলদি ওয়েট সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি। ওজন কীভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকবে সে সম্পর্কে ঠিকমতো ওয়াকিবহাল থাকলেই নানান জটিলতা এড়ানো সহজ হয়‌।

    দ্রুত ওজন কমানো কি দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার পথে বাধা?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মানুষ অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভোগেন। দেহের অতিরিক্ত ওজন হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা, হাড়ের সমস্যা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতার মতো একাধিক রোগের কারণ হয়ে ওঠে। তাই অনেকেই দ্রুত সমাধানের পথ খোঁজেন। কিন্তু তাতেই বিপদ আরও বাড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, খুব দ্রুত শরীরের ওজন ঝরানোর জন্য অনেকেই ডায়েট করেন, কিংবা অতিরিক্ত সময় জিমে কাটানো শুরু করেন। এর ফলে দ্রুত ওজন কমে গেলেও নানান দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা তৈরি হয়ে যায়। যা স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি করতে পারে।

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, দ্রুত ওজন কমানোর জন্য অনেকেই নিয়মিত খাবারের তালিকা থেকে প্রোটিন সম্পূর্ণ বাদ দেন। যা শরীরে ভয়ঙ্কর ক্ষতি করে। প্রোটিন শরীরের পেশি মজবুত রাখতে খুব জরুরি। তাছাড়া ক্লান্তি কমিয়ে শরীরে এনার্জি জোগানের জন্য ও প্রোটিনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন বর্জিত খাবার খেলে পেশি দূর্বল হয়ে যায়। হাত-পায়ে খিঁচ ধরে। ক্লান্তি ভাব বাড়ে। ফলে স্বাভাবিক কাজ করাও মুশকিল হয়ে পড়ে।

    শরীর সুস্থ রাখতে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, মিনারেল, ভিটামিন,ফ্যাট প্রয়োজন। ইচ্ছেমতো যেকোনও উপাদান বাদ দিলেই শরীরে তার গভীর প্রভাব পড়ে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই অসচেতন ভাবেই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়াই ডায়েট চার্ট তৈরি করেন। দ্রুত ওজন কমাতে খাবারের তালিকা থেকে বহু উপাদান বাদ পড়ে। আর এর ফলে অপুষ্টির সমস্যা তৈরি হয়। দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

    তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে অনেকেই কম খাবার খাওয়া এবং অতিরিক্ত শারীরিক কসরত করার পথ বেছে নেন। যা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয় বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত খনিজ এবং জল বেরিয়ে যায়। যার জেরে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    পুষ্টির ঘাটতি এবং পেশির দূর্বলতা শুধু শরীরকে ক্লান্ত করে না, হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পেশি শিথিল হলে হৃদরোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। অতিরিক্ত ডায়েট মানসিক অবসাদ তৈরি করে। যা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব?

    জানুয়ারি মাসে হেলদি ওয়েট অ্যাওয়ারনেস পালন হয়। অতিরিক্ত ওজন কতখানি বিপজ্জনক সে সম্পর্কে সতর্ক করার পাশপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণ করে কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার পথ বাছতে হবে সে সম্পর্কেও সচেতনতা চলে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার জন্য প্রয়োজন ঠিকমতো ডায়েট। প্রথম থেকেই বাড়িতে তৈরি, কম তেল মশলার খাবার খাওয়ার অভ্যাস জরুরি। ভাত, রুটির মতো কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার নিয়মিত খেতে হবে। কিন্তু অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে। এমনটাই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁদের পরামর্শ, সব্জি, ডাল, ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে অবশ্যই মাছ-মাংস-ডিম কিংবা পনীর-সোয়াবিনের মতো প্রোটিন জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া জরুরি। পরিমিত পরিমাণে নির্দিষ্ট সময় অন্তর খাবার খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণ সহজ। নিয়মিত ফল ও বাদাম জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি। তাতে শরীর সুস্থ থাকে। আর প্রতিদিন আধ ঘণ্টা হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যোগাভ্যাস এবং হাঁটার অভ্যাস নিয়মিত থাকলে হরমোন ক্ষরণ ও রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। ফলে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার সম্ভাবনা বাড়ে। তাই এই পথেই চললে সময়ের সঙ্গে অতিরিক্ত ওজনকে কাবু করে সুস্থ থাকা সম্ভব বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • S-5 SSBN: গোকুলে বাড়ছে ভারতের সমুদ্রতলের দৈত্য! নিঃশব্দে নির্মাণকাজ শুরু বিশালকায় এস-৫ সাবমেরিনের

    S-5 SSBN: গোকুলে বাড়ছে ভারতের সমুদ্রতলের দৈত্য! নিঃশব্দে নির্মাণকাজ শুরু বিশালকায় এস-৫ সাবমেরিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের শেষে নিঃশব্দে নৌ-শক্তি বৃদ্ধিতে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলল ভারত। ইঙ্গিত মিলেছে, কোচিন শিপইয়ার্ডে অত্যন্ত নীরবে ও নিরাপত্তার মোড়কে পরবর্তী প্রজন্মের এস–৫ শ্রেণির বিশালকায় পারমাণবিক শক্তিচালিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সাবমেরিন (S-5 SSBN) নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই তথ্য সত্য হলে, আইএনএস অরিহন্তের পর ভারতের সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতায় এটি হবে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এস–৫ প্রকল্প ভারতের সমুদ্রতলের রণকৌশলকে আঞ্চলিক সীমা ছাড়িয়ে বৈশ্বিক পরিসরে পৌঁছে দেবে।

    আকারে আইএনএস অরিহন্তের প্রায় দ্বিগুণ!

    নতুন এস–৫ পারমাণবিক শক্তিচালিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সাবমেরিনের (S-5 SSBN) আকার ও সক্ষমতা বর্তমানে নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত অরিহন্ত শ্রেণির এসএসবিএন সাবমেরিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বড়। অরিহন্ত যেখানে প্রায় ৬,০০০ টন স্থানচ্যুতি করে, সেখানে এস–৫ সাবমেরিনের সম্ভাব্য স্থানচ্যুতি প্রায় ১৩,৫০০ টন। অর্থাৎ, আকারে অরিহন্তের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হতে চলেছে এস-৫ (S-5 SSBN)। এই বাড়তি আকার সাবমেরিনটির দীর্ঘস্থায়ী অভিযান, উন্নত শব্দনীরবতা, ক্রুদের জন্য ভালো বাসযোগ্যতা এবং অধিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনের সক্ষমতা নিশ্চিত করবে। নৌবাহিনী সূত্রের দাবি, এস–৫ দীর্ঘ সময় ধরে সামুদ্রিক অভিযানে অংশ নিতে পারবে এবং মাসের পর মাস ডুবে থেকেও সম্পূর্ণ সক্ষমতার সঙ্গে সমুদ্রতলে টহল দিতে সক্ষম হবে। এর মাধ্যমে ভারতের সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা (India Nuclear Triad) আরও শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।

    কে–৬ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন!

    এস–৫-এর (S-5 SSBN) প্রধান শক্তি নিহিত রয়েছে এর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায়। জানা গেছে, এই সাবমেরিনে ১২ থেকে ১৬টি ভার্টিক্যাল লঞ্চ টিউব থাকতে পারে, যেখানে সাবমেরিন–নিক্ষেপযোগ্য কে–৬ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (K-6 Missiles) মোতায়েন করা হবে। কে–৬ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৬,০০০ থেকে ৮,০০০ কিলোমিটার বা তারও বেশি হতে পারে এবং এতে এমআইআরভি (একাধিক স্বাধীন ও পৃথক লক্ষ্যভেদ ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক বা প্রথাগত বিস্ফোরক সম্বলিত) ওয়ারহেড থাকবে। এই ক্ষমতা ভারতের দ্বিতীয় আঘাতের কৌশলকে আরও দৃঢ় করবে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বঙ্গোপসাগর থেকেই এস–৫ সম্ভাব্যভাবে এশিয়া ও তার বাইরের লক্ষ্যবস্তুগুলিকে আঘাত হানার সক্ষমতা রাখবে। এতে করে বিতর্কিত এলাকা বা চোকপয়েন্টের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না, যা সাবমেরিনটির টিকে থাকার সম্ভাবনা বাড়াবে।

    ১৯০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রেসারাইজড ওয়াটার রিঅ্যাক্টর

    এস–৫ সাবমেরিনকে (S-5 SSBN) শক্তি জোগাতে একটি নতুন প্রেসারাইজড ওয়াটার রিঅ্যাক্টর ব্যবহার করা হবে, যার ক্ষমতা ১৯০ মেগাওয়াট বা তারও বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। এই রিঅ্যাক্টর সাবমেরিনটিকে প্রায় নিস্তব্ধতা বজায় রেখে দ্রুতগতিতে ভারত মহাসাগর জুড়ে চলাচলের সক্ষমতা দেবে। নৌবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, এই গতি সাবমেরিনটির কৌশলগত টিকে থাকার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। কৌশলগতভাবে, এস–৫ নির্মাণের সময়কালও তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২০-এর দশকের মাঝামাঝি এই প্রকল্প শুরু হওয়া স্পষ্ট বার্তা দেয় যে ভারতের নিরাপত্তা কৌশল কেবল স্থলভাগকেন্দ্রিক নয় এবং ভারত মহাসাগরে নিজের প্রভাব ও স্বার্থ রক্ষায় দেশটি প্রস্তুত।

    এস–৫ সাবমেরিনের এক জোড়া ‘হাল’ একসঙ্গে নির্মাণাধীন!

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইন্দো–প্যাসিফিক অঞ্চলে বাড়তে থাকা মহাশক্তির প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে এস–৫ ভারতের পারমাণবিক ত্রয়ীর (India Nuclear Triad) তৃতীয় স্তম্ভকে আরও শক্তিশালী করবে। সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সবচেয়ে মজবুত ও স্থিতিশীল উপাদান হিসেবে দেখা হয়, যা সংকটকালে উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। খবরে প্রকাশ, বিশাখাপত্তনমে এস–৫ সাবমেরিনের এক জোড়া ‘হাল’ (মূল কাঠামো) একসঙ্গে নির্মাণাধীন। প্রতিরক্ষা মহলের অনুমান, যদি তাই হয়, তাহলে ২০৩০ থেকে ২০৩২ সালের মধ্যে সেগুলি নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। পরবর্তী বছরগুলোতে আরও সাবমেরিন যুক্ত হলে ভারতের পক্ষে ‘কনটিনিউয়াস অ্যাট-সি ডিটারেন্স’ বা জলসীমায় টানা পাহারা বজায় রাখা সম্ভব হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এস–৫ প্রকল্প ভারতের রণনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং নিশ্চিত প্রত্যাঘাতের সক্ষমতা বাড়াবে। নীরবে সমুদ্রের গভীরে অবস্থান নিয়ে এই সাবমেরিন ভারতের কৌশলগত অবস্থানকে আরও দৃঢ় করবে এবং ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করবে।

    “তোমারে বধিবে যে গোকুলে বাড়িছে সে…”! চিন-পাকিস্তানকে কি এই কথাই স্মরণ করাচ্ছে ভারত?

LinkedIn
Share