Tag: bangla news

bangla news

  • Siddharth Majumdar: রাজ্যে পালাবদলের পর শিক্ষা প্রশাসনে বড় রদবদল, পদত্যাগ করলেন এসএসসি চেয়ারম্যান ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি

    Siddharth Majumdar: রাজ্যে পালাবদলের পর শিক্ষা প্রশাসনে বড় রদবদল, পদত্যাগ করলেন এসএসসি চেয়ারম্যান ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর প্রশাসনিক স্তরে পরিবর্তনের হাওয়া এবার শিক্ষা দফতরেও। সরকারি বিভিন্ন বিভাগে চুক্তিভিত্তিক বা বর্ধিত মেয়াদে কর্মরত আধিকারিকদের ইস্তফা দেওয়ার পালা অব্যাহত। সেই ধারায় সোমবার পদত্যাগপত্র জমা দিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার (Siddharth Majumdar) এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় (Ramanuj Ganguly)। উল্লেখ্য এই দফতরগুলিতে তৃণমূলের শাসনে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। শিক্ষক নিয়োগে প্রচুর পরিমাণে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগে সরব হয়েছিল আমজনতা।

    শিক্ষা দফতরে সংস্কারের পথে নতুন সরকার (Siddharth Majumdar)

    বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা দফতরকে ঘিরে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় নতুন বিজেপি সরকার এই বিভাগে আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। প্রশাসনিক স্তরে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে শিক্ষা দফতরের পরিকাঠামো পুনর্গঠন করাই এখন এই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সূত্রের খবর, দফতরের কার্যপ্রণালীতে গতি আনতে এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তি গড়ে তুলতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    ইস্তফা দিলেন সিদ্ধার্থ ও রামানুজ

    সিদ্ধার্থ মজুমদার

    এসএসসি দফতরে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছিলেন প্রাক্তন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতির জটিল আবহে ২০২২ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ মজুমদার (Siddharth Majumdar)। তাঁর কার্যকালেই নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় সচল করার চেষ্টা হয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তৎকালীন সরকার তা ছয় মাস বৃদ্ধি করেছিল। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সোমবার তিনি শিক্ষা সচিবের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান।

    রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়

    মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দীর্ঘকালীন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় (Ramanuj Ganguly)। গত সপ্তাহেই তাঁর তত্ত্বাবধানে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। এরপরই তিনি ব্যক্তিগত কারণ দর্শিয়ে মুখ্যসচিবের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

    আঞ্চলিক ও স্থানীয় স্তরেও পরিবর্তনের জোয়ার

    কেবল শীর্ষ পদেই নয়, এসএসসির আঞ্চলিক কার্যালয়ের চেয়ারম্যানরাও একে একে পদত্যাগ করতে শুরু করেছেন। পাশাপাশি, রাজ্যের প্রতিটি স্কুল ও কলেজের পরিচালনা সমিতির (Governing Body) মেয়াদ পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদসহ বিভিন্ন স্তরে যাঁদের পদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে বা যাঁদের বয়সসীমা পেরিয়ে গিয়েছে, তাঁদের দ্রুত সরিয়ে নতুন ও যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে নবগঠিত সরকার। শিক্ষা ক্ষেত্রে শুদ্ধিকরণ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই ‘অ্যাকশন’ নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

  • Suvendu Adhikari: ‘বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় সিন্ডিকেটরাজ খতম করবে’, শাহি-প্রতিশ্রুতি পূরণের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় সিন্ডিকেটরাজ খতম করবে’, শাহি-প্রতিশ্রুতি পূরণের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিন্ডিকেটরাজকে উল্টো করে ঝুলিয়ে দেব।” পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে এসে এমনই হুঙ্কার দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি কথা দিয়েছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় সিন্ডিকেটরাজ (Syndicate Raj) খতম করবে। শাহের সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলা থেকে সিন্ডিকেটরাজ বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপ করলেন তিনি।

    দুর্নীতিমুক্ত বঙ্গ গড়ার নির্দেশ (Suvendu Adhikari)

    সোমবার বিধায়ক ও জেলাশাসকদের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, রাজ্যকে দুর্নীতিমুক্ত করে তুলতে হবে। কোনওরকম দুর্নীতিই বরদাস্ত করা হবে না। সেই লক্ষ্যেই প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকে তিনি এমন নির্দেশ দিয়েছেন বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। এদিনের বৈঠকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বীরভূমের জেলাশাসককে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, “আপনার জেলায় বেশি করে নজর দিন।” অতীতে এই বীরভূম থেকেই বেশি বালিপাচার, গরুপাচারের মতো অভিযোগ উঠেছে। তাই ওই জেলায় বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ। তিনি বলেন, “১০০ দিনের কাজের টাকা যাঁরা পাচ্ছেন, তাঁরা কি আদৌ যোগ্য বা বৈধ? তা খতিয়ে দেখুন। আসলে অনেকেই আছে যারা কাজ না করে জবকার্ড তৈরি করে নিয়ে টাকা তোলে।”

    গরুপাচার নিয়ে ‘তুর্কি’ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ 

    গরুপাচার নিয়েও জেলাশাসকদের কড়া নির্দেশ দেন বিজেপির ‘তুর্কি’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশও দেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “আজ (সোমবার) থেকেই অবৈধ গরু পাচার বন্ধ করতে হবে।” পাচার রুখতে, দুর্নীতিমুক্ত সরকার গড়তে এই পদক্ষেপ ছাড়াও জেলাশাসকদের প্রতিনিয়ত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করার নির্দেশও দেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়ে দেন, এদিন থেকেই তা শুরু করতে হবে (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ, রাজ্যে গরুপাচার একেবারেই বন্ধ করতে হবে। বর্ডার বা রাজ্য সড়ক-কোথাও যেন এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আর না আসে, তা সুনিশ্চিত করতে হবে পুলিশ সুপারদের।

    কয়লা-বালি পাচার রোধে ফরমান

    কয়লা ও বালি পাচার রুখতে নয়া মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, এই সব বেআইনি কারবার এবং প্রোমোটারির ক্ষেত্রে ‘সিন্ডিকেট রাজ’ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে ব্যবসা বা বাড়ি তৈরির কাজ করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি জমি দখল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, সরকারি জমি রক্ষা করতে হবে। কোনও বেআইনি নির্মাণ মেনে নেওয়া হবে না। রাজ্যবাসীকে দুর্নীতিমুক্ত সরকার উপহার দিতে চায় রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। সচিবদের পর এবার ডিএমদেরও শুভেন্দু মনে করিয়ে দেন, ‘দুর্নীতিমুক্ত হবে এই সরকার।’ যেখানেই দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, সেখানেই তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নিয়ে বন্ধ করতে হবে কাজ (Suvendu Adhikari)।

    কাজ দ্রুত চালু করার নির্দেশ

    নির্বাচনের কারণে আদর্শ আচরণবিধি চালু ছিল দীর্ঘ দিন। তাই আটকে গিয়েছে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, বিধায়করা শপথ নিলেই জেলাশাসকরা যেন তাঁদের সঙ্গে এবং জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। আটকে থাকা কাজ দ্রুত চালু করার নির্দেশও দেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। এদিনের (Syndicate Raj) বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দেন, জেলাস্তরের প্রতিটি কাজের খবর সরাসরি নবান্নে পৌঁছবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে যাতে রাজনীতির রং না লাগে এবং প্রকল্পের টাকা সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছয়, সেটাই যে রাজ্যের নয়া সরকারের লক্ষ্য, তাও জানিয়ে দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

     

  • Suvendu on Mamata-Abhishek Security: শুভেন্দুর প্রথম বড় নিরাপত্তা সিদ্ধান্ত! মমতা পাচ্ছেন বিশেষ সুরক্ষা, কমছে অভিষেকের নিরাপত্তা

    Suvendu on Mamata-Abhishek Security: শুভেন্দুর প্রথম বড় নিরাপত্তা সিদ্ধান্ত! মমতা পাচ্ছেন বিশেষ সুরক্ষা, কমছে অভিষেকের নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকেই একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার নবান্নে ধারাবাহিকভাবে একাধিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। প্রথমে প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক, তারপর জেলাশাসক এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। শীর্ষ পুলিশকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে আলোচনা করেন শুভেন্দু। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে রাজনীতিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেখানে তিনি নির্দেশ দেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্তমান নিরাপত্তা বলয় একই রকম বহাল থাকবে। তবে একইসঙ্গে, মুখ্যমন্ত্রী এও জানান, যাঁদের বাস্তবিক নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই, তাঁদের জন্য অপ্রয়োজনীয় নিরাপত্তা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র প্রভাব বা মর্যাদা প্রদর্শনের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয় কেন করা হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এই সিদ্ধান্তের জেরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মমতার নিরাপত্তায় গুরুত্ব

    প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন, যাতায়াত এবং জনসভা বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁকফোকর বা গাফিলতি যেন না থাকে, সে বিষয়েও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করছে। বিশেষ করে ভোটপর্বের পর শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথের খুনের ঘটনায় রাজ্যের হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। শুভেন্দুর স্পষ্ট নির্দেশ ছিল— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা নিয়ে কোনওরকম ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী। ওঁর নিরাপত্তা একই রকম বহাল থাকবে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যাতে কোনো রকম শিথিলতা বা ওঁর প্রতি কোনো অসম্মান না হয়, তা দেখার জন্য আমি প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি। এই সম্মান ওঁর প্রাপ্য।’’

    অভিষেকের নিরাপত্তায় কাটছাঁট

    অন্যদিকে, একই সময়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা বলয়ে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, তাঁর জন্য বরাদ্দ অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিশেষ পাইলট কারের সুবিধা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ হিসেবে যে নিরাপত্তা প্রটোকল প্রযোজ্য, ভবিষ্যতে অভিষেকের ক্ষেত্রেও সেই ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ‘জেড প্লাস’ নিরাপত্তা বলয়ে ছিলেন অভিষেক। তবে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই তাঁর নিরাপত্তা ধাপে ধাপে কমানো শুরু হয়। সোমবার বিকেলেই এই সংক্রান্ত প্রশাসনিক নির্দেশিকা জারি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুধু অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী নয়, পাইলট কারের সুবিধাও তুলে নেওয়া হচ্ছে। এতদিন অভিষেকের সঙ্গে পাইলট কার চলতে দেখা গেলেও সরকারি নির্দেশের পর আর সেই সুবিধা থাকবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনেই তাঁর নিরাপত্তা পুনর্গঠন করা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে দাবি।

    শুভেন্দুর ইতিবাচক বার্তা

    ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই অভিষেকের নিরাপত্তা বলয়ে কাটছাঁট শুরু হয়। তৃণমূল সরকারের আমলে কড়া নিরাপত্তায় মোড়া থাকত ক্যামাক স্ট্রিট এলাকা। কিন্তু সরকার বদলের পর প্রথমেই তাঁর দফতরের সামনে থেকে পুলিশ প্রহরা তুলে নেওয়া হয়। পরে বাড়ির সামনের নিরাপত্তাও কমানো হয়। শান্তিনিকেতনে তাঁর বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় পুলিশের স্ক্যানার-সহ অন্যান্য নিরাপত্তা সরঞ্জাম। শুধু অভিষেক নন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের নিরাপত্তাতেও পরিবর্তন আসে। ১৮৮এ, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তাঁর বাড়ির সামনে থাকা অতিরিক্ত নিরাপত্তা কমানো হয়। রাজ্যে পালাবদলের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর বাড়ির গলির মুখে থাকা ‘সিজার্স ব্যারিকেড’ সরিয়ে দেওয়া হয়, পরে লালবাজারের তরফেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করা হয়। রাজনৈতিক মতভেদ থাকা সত্ত্বেও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি শুভেন্দু অধিকারীর এই সম্মান প্রদর্শনকে ইতিবাচক বলেই দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। প্রশাসনিক স্তরে এই নির্দেশ জারি করে তিনি যেমন সৌজন্য ও পরম্পরার বার্তা দিয়েছেন, তেমনই স্পষ্ট করেছেন যে রাজ্যে ভিভিআইপি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পক্ষপাতের কোনও স্থান থাকবে না।

  • CEO Manoj Agarwal: নবান্নে রদবদল, রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, দিল্লিতে বিশেষ দায়িত্বে দুষ্মন্ত নারিয়ালা

    CEO Manoj Agarwal: নবান্নে রদবদল, রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, দিল্লিতে বিশেষ দায়িত্বে দুষ্মন্ত নারিয়ালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক দিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবার পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক শীর্ষপদে বড়সড় রদবদল ঘটল। রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব (Chief Secretary) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ১৯৯০ ব্যাচের অভিজ্ঞ আইএএস আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। এতদিন তিনি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO Manoj Agarwal) গুরুদায়িত্ব পালন করছিলেন। অন্যদিকে, বিদায়ী মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে দিল্লির পশ্চিমবঙ্গ ভবনের প্রধান রেসিডেন্ট কমিশনার পদে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।

    প্রশাসনিক সমীকরণের ইঙ্গিত (CEO Manoj Agarwal)

    সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকেই পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর (CEO Manoj Agarwal) ঠিক পাশেই আসীন ছিলেন মনোজ আগরওয়াল। বিকেলেই নবান্নের কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতর থেকে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    দক্ষ আমলাদের ওপর আস্থা

    বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবে মনোজ আগরওয়ালের ভূমিকা এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ নির্বাচন পরিচালনার প্রশংসা শোনা গিয়েছিল প্রশাসনিক মহলে। জল্পনা ছিল যে, রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল ঘটলে মনোজ আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal)  এবং সুব্রত গুপ্তর মতো দক্ষ আমলারা প্রশাসনের মূল স্রোতে ফিরে আসবেন। শনিবারই অবসরপ্রাপ্ত আইএএস সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। সোমবার মুখ্যসচিব (Chief Secretary) হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মনোজ আগরওয়াল। প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনায় তাঁদের ভূমিকার কারণেই নতুন সরকার এই অভিজ্ঞ আধিকারিকদের ওপর আস্থা রাখছে।

    দিল্লি মিশনে দুষ্মন্ত নারিয়ালা

    ১৯৯৩ ব্যাচের আইএএস আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে অতিরিক্ত মুখ্যসচিব (Chief Secretary) পদমর্যাদায় দিল্লির পশ্চিমবঙ্গ ভবনের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং রাজ্যের বকেয়া পাওনা আদায়ের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতেই এই অভিজ্ঞ আমলাকেই বেছে নিয়েছে বর্তমান বিজেপি সরকার।

    আগামীর লক্ষ্য

    নতুন মুখ্যমন্ত্রীর এই ‘কোর টিম’ গঠনের ধরণ থেকে স্পষ্ট যে, শুভেন্দু প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আধিকারিকদের প্রাধান্য দিচ্ছেন। একদিকে উপদেষ্টা হিসেবে প্রবীণ সুব্রত গুপ্ত এবং অন্যদিকে মুখ্যসচিব (Chief Secretary) হিসেবে কর্মদক্ষ মনোজ আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal)— এই দুই স্তম্ভের ওপর ভর করেই নতুন সরকার তাদের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে আগ্রহী।

  • Bangladesh: ‘৪০ কোটি মুসলিম ক্ষুব্ধ হলে টিকবে না হিন্দুরা’, ভারতকে হুমকি বাংলাদেশি ইসলামপন্থী মোল্লার, ভাইরাল ভিডিও

    Bangladesh: ‘৪০ কোটি মুসলিম ক্ষুব্ধ হলে টিকবে না হিন্দুরা’, ভারতকে হুমকি বাংলাদেশি ইসলামপন্থী মোল্লার, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে চরম উস্কানিমূলক মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) এক কট্টরপন্থী ইসলামি নেতা (Islamist Leader)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভাইরাল ভিডিওতে ওই নেতাকে ভারতকে লক্ষ্য করে সরাসরি হুমকি দিতে দেখা গেছে। হুমকি দিয়ে বলেন, “পাকিস্তান এবং ভারতীয় মুসলিমদের সহায়তায় মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই ভারত দখল করা সম্ভব।”

    কী বলা হয়েছে ভিডিওতে (Bangladesh)?

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে নিজেকে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা’ নামক একটি উগ্রপন্থী সংগঠনের (Islamist Leader) নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় ভাষণ দিচ্ছিলেন। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “ইনশাআল্লাহ, ভারতে হামলা হবেই। আমরা পাকিস্তানকে ডাক দেব। ভারত দখল করতে আমাদের তিন ঘণ্টাও সময় লাগবে না। ভারতের ২৬টি রাজ্যকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে এবং ভারতের মুসলিমরাই এর জন্য যথেষ্ট।”

    হিন্দু ও ভারতীয় নেতাদের লক্ষ্য করে হুমকি

    হুমকির সুর আরও চড়িয়ে ওই কট্টর মোল্লা নেতা (Islamist Leader) বলেন, “যদি ৪০ কোটি মুসলিম একবার রেগে যায়, তবে ভারতের হিন্দুরা আর টিকে থাকতে পারবে না।” ভারতের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতার নাম উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, তাঁদের মুসলিমদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তাঁর নিশানায় ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নায়েব সিং সাইনি, পশ্চিমবঙ্গের নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    সীমান্ত নিরাপত্তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর

    এই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের মতো সীমান্ত রাজ্যগুলিতে যেখানে অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর (Islamist Leader) বিষয়, সেখানে এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে (Bangladesh) উগ্রপন্থী ভাবধারার প্রসার এবং ভারত-বিরোধী প্রচার প্রতিবেশী দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে এই ভাইরাল ভিডিও বা ওই নেতার মন্তব্যের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার বা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের একাংশ এই ধরনের চরমপন্থী বক্তৃতার বিরুদ্ধে কঠোর কূটনৈতিক ব্যবস্থা এবং অনলাইন প্রচারের ওপর কড়া নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

  • Chandranath Rath Murder Case: চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় মোড়, তদন্তভার নিল সিবিআই, গঠন বিশেষ সিট

    Chandranath Rath Murder Case: চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় মোড়, তদন্তভার নিল সিবিআই, গঠন বিশেষ সিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের (Chandranath Rath Murder Case) তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে নিল সিবিআই। রাজ্য পুলিশের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই মামলার তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে সিবিআই তদন্তের (CBI Investigation) দায়িত্ব গ্রহণ করছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই মামলার তদন্তে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিক পঙ্কজ কুমার সিং।

    সিবিআই সিট গঠন

    সিবিআই সূত্রে খবর, দিল্লি, পটনা, রাঁচি, ধানবাদ ও লখনউ-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে মোট সাতজন অভিজ্ঞ অফিসারকে নিয়ে গঠিত হয়েছে এই বিশেষ টিম। কলকাতা জ়োনের যুগ্ম নির্দেশকের তত্ত্বাবধানে কাজ করবে দলটি। তদন্তের প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আরও আধিকারিক যুক্ত করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই মধ্যমগ্রাম থানার পাশাপাশি সিআইডি-র হাতে থাকা সমস্ত নথি দ্রুত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    গ্রেফতার তিন অভিযুক্ত

    উল্লেখ্য, গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। তদন্তে জানা গিয়েছে, তাঁর গাড়ির সামনে আচমকা একটি চারচাকা গাড়ি এসে দাঁড়ায়, ফলে তাঁর গাড়ি থেমে যায়। ঠিক সেই সময় দুই দিক থেকে বাইকে চেপে আসে হামলাকারীরা এবং চন্দ্রনাথ ও তাঁর চালককে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চন্দ্রনাথের। গুরুতর জখম চালক এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম ময়ঙ্করাজ মিশ্র, ভিকি মৌর্য ও রাজ সিং। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের মধ্যে অন্তত একজন পেশাদার শুটার। ময়ঙ্ক ও ভিকিকে বিহারের বক্সার জেলা থেকে এবং রাজকে উত্তরপ্রদেশের বালিয়া থেকে ধরা হয়েছে। আদালত ধৃতদের ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

    ৮ থেকে ৯ জন জড়িত!

    প্রথমে মামলার তদন্তে রাজ্য পুলিশ একটি সিট গঠন করেছিল, যেখানে এসটিএফ ও সিআইডি-র আধিকারিকরাও যুক্ত ছিলেন। সেই টিমই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, গোটা ঘটনায় মোট ৮ থেকে ৯ জন জড়িত থাকতে পারে। খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি ঝাড়খণ্ড থেকে আনা হয়েছিল বলেও সন্দেহ। ওই গাড়ি থেকে বালি টোল প্লাজ়ায় অনলাইনে পেমেন্টের সূত্র ধরেই অভিযুক্তদের হদিশ মেলে বলে জানা গিয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত, ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং একাধিক সূত্রের ভিত্তিতে বিহার ও উত্তরপ্রদেশে অভিযান চালানো হয়েছিল। এবার এই বহুচর্চিত হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্বে সিবিআই।

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন, দিলীপ-অগ্নিমিত্রারা কে কোন দফতরে?

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন, দিলীপ-অগ্নিমিত্রারা কে কোন দফতরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার নবনির্বাচিত মন্ত্রিসভার পাঁচ সদস্যের দফতর বণ্টন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিগ্রেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করেছিলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল-সহ মোট ৫ জন। সোমবার তাঁদের দফতর ভাগ করে দেওয়া হয়। পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণীসম্পদ দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতর এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক সামলাবেন ক্রীড়া ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর। খাদ‍্য ও সরবরাহ দফতর গিয়েছে অশোক কীর্তনিয়ার হাতে। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্বে ক্ষুদিরাম টুডু। রাজ্য সরকারের একটি সূত্র জানাচ্ছে, বাকি সব দফতর আপাতত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর অধীনে থাকবে।

    কার হাতে কোন দফতর

    ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে ১৫ বছরের তৃণমূল সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছে। তৃণমূলের হাত থেকে ক্ষমতা গিয়েছে বিজেপির (West Bengal BJP Govt) কাছে। রাজ্যের দায়িত্বে এবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের একদা ঘনিষ্ঠ শুভেন্দু অধিকারী। এদিনই শুরু হয়েছে দপ্তর বণ্টন প্রক্রিয়া। তৃণমূল সরকারের শেষ উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী ছিলেন উদয়ন ঘোষ। বিজেপির সরকারে সেই দায়িত্বে উদয়নের চির প্রতিদ্বন্দ্বি নিশীথ প্রামাণিক। রেশন দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিত্ব খোয়াতে হয়েছিল তৃণমূল সরকারের তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পরবর্তীতে সেই দায়িত্ব পেয়েছিলেন রথীন ঘোষ। এবার খাদ্য দফতরের ভার পেলেন মতুয়া সমাজের প্রতিনিধি অশোক কীর্তনিয়া। বঙ্গ বিজেপির প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ কোন দফতরের দায়িত্ব পান, সেদিকে নজর ছিল সকলেরই। জানা যাচ্ছে, তিনটি দফতরের ভার তাঁর কাঁধে। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর, প্রাণী সম্পদ বিকাশ, কৃষি বিপণন। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের দায়িত্ব, পুর বিষয়ক দফতরও দেখবেন তিনিই। ক্ষুদিরাম টুডুর দায়িত্বে আদিবাসী উন্নয়ন, অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ, সংখ্যালঘু উন্নয়ন, মাদ্রাসা বোর্ড এডুকেশন। বাকি সব গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব তথা স্বরাষ্ট্র বা পুলিশ, অর্থ, স্বাস্থ্য, কৃষি, তথ্য ও সম্প্রচার ইত্যাদি দফতরের দায়িত্ব আপাতত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছেই রইল।

    ব্যস্ত দিন নবান্নে

    প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুর ১২টায় নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছিলেন শুভেন্দু। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর মন্ত্রিসভার পাঁচ সদস্য। মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা এবং প্রশাসনিক আধিকারিকেরাও ছিলেন ওই বৈঠকে। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, তাঁর মন্ত্রিসভা চলবে সুশাসন এবং সুরক্ষার পথে। একই সঙ্গে বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ যে পথে এগোচ্ছে, পশ্চিমবাংলাতেও সেই পথেই এগোবে বলে জানান তিনি। এদিন নবান্নে একাধিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। মঙ্গলবারও নতুন সরকারের ব্যস্ত দিন। এদিন বিধানসভায় প্রথমে প্রোটেম স্পিকার নির্বাচন ও সব বিধায়কের শপথ এ সপ্তাহে হয়ে যাওয়ার কথা। তার পর মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করা হবে।

  • Sujit Bose Arrested: গ্রুপ সি ও ডি কর্মী থেকে গাড়ির চালক, ঝারুদার নিয়োগেও কারচুপি! পুর-দুর্নীতিতে ইডির জালে সুজিত

    Sujit Bose Arrested: গ্রুপ সি ও ডি কর্মী থেকে গাড়ির চালক, ঝারুদার নিয়োগেও কারচুপি! পুর-দুর্নীতিতে ইডির জালে সুজিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Municipality Recruitment Scam) গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose Arrested)। সোমবার প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টার জিজ্ঞাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। ওএমআর শিটে কারচুপি থেকে অযোগ্যদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া, এরকম একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    কীভাবে ইডির জালে সুজিত

    ২০২৩ সালে নিয়োগ মামলায় অয়ন শীলকে (Ayan Shil) গ্রেফতার করেছিল গোয়েন্দারা। অয়নের বাড়িতেই পুর নিয়োগ দুর্নীতির হদিশ পায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এরপর ইডি সল্টলেক সেক্টর ফাইভে সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোঁরায় তল্লাশি চালায়। গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়, কোনও খাবার টেবিল, কিচেন ছাড়াই রেস্তোরাঁ কীভাবে চলছে? সেই রেস্তোঁরার আড়ালে কালো টাকা সাদা করতেন মন্ত্রী, দাবি ইডির আধিকারিকদের। এখানেই শেষ নয়, তারাতলায় সুজিত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছিল তিন কোটি টাকা।

    কী কী অভিযোগ সুজিতের বিরুদ্ধে

    দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ৩২৯ জন অযোগ্য প্রার্থীর নিয়োগ হয়েছিল। গ্রুপ সি (group c) ও গ্রুপ ডি কর্মী (group d) নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গেই দেখা যায় গাড়ির চালক, ঝারুদার, স্বাস্থ্য কর্মীর নিয়োগেও দুর্নীতি রয়েছে। অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর শিটে কারচুপি করা হয়েছিল এই নিয়োগে, এমনই দাবি ইডির। সংশ্লিষ্ট পুরসভার তৎকালীন চেয়ারম‍্যান পাঁচু রায়কে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁর বিরুদ্ধেও চার্জশিট দেওয়া হয়। অভিযোগ পাঁচু রায় ও সুজিত বসুর মাধ‍্যমে অয়ন শীলের সংস্থার সাহায্যে ওএমআর শিটে নম্বর বিকৃত করা হয়েছিল। এমনকী, নিয়োগ সংক্রন্ত মৌখিক পরীক্ষার ক্ষেত্র শূন্য পেলেও পাঁচু ও সুজিতের নির্দেশে অযোগ্যদের চাকরি পাকা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

    শুধু সুজিতই নয়, অভিষেকই আড়ালে

    তবে, শুধু সুজিতই নয়, এরপর আরও বড় বড় চোর ধরা পড়বে। বাদ যাবেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Abhishek Banerjee), সুজিত বসুর গ্রেফতারের পর এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং (Arjun Singh)। রোলের দোকান থেকে সুজিত কীভাবে কোটি টাকার মালিক হলেন, সেই অঙ্কটাও বুঝিয়েছেন তিনি। অর্জুন সিংয়ের দাবি, “আগুন লাগাতেন ফিরহাদ হাকিম, আর আগুন নেভাতেন সুজিত বসু। টাকা কালেকশন করে একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরেকদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছত। এটাই তো সবাই জানে।” অর্জুন সিং আরও বলেন, “আরও সব চোররা ধরা পড়বে। ৬২টি পুরসভার চেয়ারম্যানের জেলে যাওয়া উচিত। সবাই তাঁরা চাকরি চুরিতে জড়িত রয়েছেন। এটা শুরু হয়েছে। শেষ হবে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত যাবে। চিন্তার কোনও কারণ নেই।”

  • Ayushman Bharat: আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা, যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি কীভাবে করবেন জানেন?

    Ayushman Bharat: আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা, যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি কীভাবে করবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যেক ভারতীয়দের সাধারণ স্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের অন্যতম যুগান্তকারী প্রকল্প হলো ‘আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা’ (AB-PMJAY)। এই প্রকল্পের অধীনে দেশের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলো বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস বা বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পেয়ে থাকে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের (BJP Bengal) পর এবং রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক তৎপরতায় এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে রাজ্যে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ অনুমতি দিয়েছেন। উল্লেখ্য, বিগত মমতা সরকার এই কেন্দ্র সরকারের প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে দেয়নি। এখন থেকে রাজ্যের কোনও মানুষ আয়ুষ্মান ভারতের (Ayushman Bharat) সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে না।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কী (Ayushman Bharat)?

    আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) হলো বিশ্বের বৃহত্তম সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প। এর মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রায় ৫০ কোটি মানুষকে অর্থাৎ ১০ কোটিরও বেশি পরিবার উন্নত মানের চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা। এই কার্ডের মাধ্যমে নথিভুক্ত সরকারি (BJP Bengal) ও তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে জটিল অস্ত্রোপচার থেকে শুরু করে ক্যানসার বা হৃদরোগের মতো ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসা বিনামূল্যে করা সম্ভব।

    কারা এই সুবিধার আওতায় আসবেন? (যোগ্যতা)

    এই প্রকল্পের (Ayushman Bharat) সুবিধা পাওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট মাপকাঠি রয়েছে। মূলত ২০১১ সালের আর্থ-সামাজিক ও জাতিগত জনগণনার (SECC) তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। তবে সাধারণ অর্থে নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন।

    (গ্রামীণ এলাকার জন্য)

    • ● গ্রামীণ এলাকায় যাদের শুধুমাত্র একটি কাঁচা ঘর (মাটির দেওয়াল ও চাল) আছে, তারা পাবেন সুবিধা।
    • ● পরিবারে ১৬ থেকে ৫৯ বছর বয়সি কোনও সক্ষম প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য না থাকলে আবেদনের যোগ্য।
    • ● পরিবারের প্রধান যদি একজন মহিলা হন, সেখানে কোনও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্য না থাকে।
    • ● তফশিলি জাতি (SC) বা তফশিলি উপজাতি (ST) ভুক্ত পরিবার পাবেন সুবিধা।
    • ● ভূমিহীন পরিবার, যাদের আয়ের প্রধান উৎস কায়িক শ্রম তারা পাবেন।
    • ● পরিবারে যদি কোনও বিশেষভাবে সক্ষম (দিব্যাঙ্গন) সদস্য থাকেন ও দেখাশোনা করার মতো কোনও সুস্থ সদস্য না থাকে।

    শহুরে এলাকার জন্য কী যোগ্যতা লাগবে?

    • ● রাস্তার হকার, মুচি বা ফেরিওয়ালা।
    • ● পরিচারিকা (Domestic workers)।
    • ● আবর্জনা সংগ্রহকারী (Ragpickers)।
    • ● নির্মাণ শ্রমিক, প্লাম্বার, রাজমিস্ত্রি, রং মিস্ত্রি।
    • ● রিকশাচালক বা পরিবহণ শ্রমিক।
    • ● দোকানের কর্মচারী, ঝাড়ুদার বা মালি।

    নতুন সংযোজন (৭০ উর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিক)

    • ● ২০২৪-২৫ সালের আপডেট অনুযায়ী, ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সি দেশের সমস্ত প্রবীণ নাগরিক এই সুবিধার আওতায় আসবেন। এক্ষেত্রে তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা যাই হোক না কেন, তারা আলাদাভাবে ৫ লক্ষ টাকার কভারেজ পাবেন।

    কারা এই সুবিধা পাবেন না

    • ● যাদের নিজস্ব পাকা বাড়ি আছে।
    • ● যাদের বাড়িতে টু-হুইলার, থ্রি-হুইলার বা ফোর-হুইলার (গাড়ি)
    • ● যাদের বাড়িতে কৃষি যন্ত্রপাতি (যেমন ট্রাক্টর) আছে।
    • ● সরকারি চাকরিজীবী বা মাসে ১০,০০০ টাকার বেশি আয় করেন এমন পরিবার।
    • ● যাদের কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের লিমিট ৫০,০০০ টাকার উপরে।
    • ● যারা আয়কর (Income Tax) জমা দেন।

    পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারতের প্রাসঙ্গিকতা

    দীর্ঘদিন যাবৎ পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) এবং রাজ্য সরকারের ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে বিতর্ক ছিল। তবে সাম্প্রতিক প্রশাসনিক (BJP Bengal) রদবদলের পর, কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি দ্রুত বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাজ্যবাসী যাতে সর্বভারতীয় স্তরের এই চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এখন কেবল রাজ্যের গণ্ডিতে নয়, বরং ভিনরাজ্যের বড় বড় হাসপাতালেও ৫ লক্ষ টাকার বিমার সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

    অনলাইনে আবেদন ও কার্ড সংগ্রহের পদ্ধতি

    প্রযুক্তিগত উন্নতির ফলে এখন ঘরে বসেই আয়ুষ্মান ভারত কার্ড বা ‘গোল্ডেন কার্ড’ (Golden Card)-এর জন্য আবেদন করা সম্ভব:

    ১> পোর্টাল ভিজিট: প্রথমে আয়ুষ্মান ভারতের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (beneficiary.nha.gov.in) অথবা ‘Ayushman App’ ডাউনলোড করতে হবে।

    ২> লগ-ইন: আবেদনকারীকে তাঁর মোবাইল নম্বর দিয়ে ওটিপি-র (OTP) মাধ্যমে লগ-ইন করতে হবে।

    ৩>যোগ্যতা যাচাই: নিজের রাজ্য (West Bengal), জেলা এবং রেশন কার্ড নম্বর বা আধার নম্বর দিয়ে সার্চ করলে দেখা যাবে আপনার নাম তালিকায় আছে কি না।

    ৪> ই-কেওয়াইসি (e-KYC): যদি তালিকায় নাম থাকে, তবে আধার কার্ডের সাহায্যে বায়োমেট্রিক বা ওটিপি দিয়ে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে হবে।

    ৫> কার্ড ডাউনলোড: ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হওয়ার কিছু সময় বা কয়েক দিনের মধ্যে ডিজিটাল ‘আয়ুষ্মান কার্ড’ ডাউনলোড করা যাবে।

    এছাড়া নিকটবর্তী ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ (CSC) বা তালিকাভুক্ত হাসপাতালে গিয়েও আধিকারিকদের সহায়তায় এই কার্ড তৈরি করা যায়।

    এই বিমার মাধ্যমে আপনি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অনায়াসে চিকিৎসা করাতে পারবেন। আর সেটা বিনামূল্যেই সম্ভব হবে।

    কত টাকা পাওয়া যাবে?
    পরিবার পিছু প্রতি বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে বিমা মিলবে। সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এই টাকা মিলবে।

    সারা ভারতে হাসপাতালে ভর্তির সুবিধা
    এই বিমার অধীনে রয়েছে প্রচুর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল। সেই তালিকাভুক্ত হাসপাতালে ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাবে।

    হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে ও পরে খরচের কভারেজ
    যতদূর খবর, শুধু হাসপাতালে ভর্তির সময়ের খরচই নয়, বরং চিকিৎসা প্যাকেজ অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে এবং ছাড়া পাওয়ার পরের খরচও মিলতে পারে।

    গোটা পরিবার পাবেন?
    পরিবারের সমস্ত সদস্যেরা পেতে পারেন এই বিমার সুবিধা। এই প্রকল্পের সুবিধা সব বয়সিরা পাবেন। পরিবারের সদস্য সংখ্যা যতই থাকুক না কেন, এই কভারেজ মিলবে। আগে থেকে থাকা রোগগুলিতেও অপেক্ষা করতে হবে না। এমনিতেই মিলবে কভারেজ।

    বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা সুবিধা
    এই স্কিমে হাজার হাজার সার্জারি ও চিকিৎসা হবে। তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই।

    দেশজুড়ে পোর্টেবিলিটি সুবিধা
    এই স্কিমে অধীনস্ত ব্যক্তিরা নিজের রাজ্যের বাইরে ভারতের যে কোনও লিস্টেড হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে পারেন। বিনামূল্যেই মিলবে পরিষেবা।

    কোনও প্রিমিয়াম দিতে হবে?
    এই প্রকল্পের সম্পূর্ণ খরচ সরকার বহন করে। উপভোক্তাদের কোনও প্রিমিয়াম দিতে হয় না।

    কীভাবে মিলবে সুবিধা? 
    এই কার্ড নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। তাতেই মিলবে ক্যাশলেশের সুবিধা।

    ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাতে ভীষণ কার্যকরী

    স্বাস্থ্যই সম্পদ, আর সেই সম্পদ রক্ষায় ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) একটি মজবুত ঢাল হিসেবে কাজ করে। পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ নাগরিকরা এখন রাজ্যের বিজেপি শাসিত সরকার (BJP Bengal) এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সমন্বয়ে আরও উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন। বিশেষ করে যে সকল পরিবার ক্যানসার, কিডনি বা হার্টের রোগের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাতে অক্ষম, তাঁদের কাছে এই ৫ লক্ষ টাকার বিমা এক নতুন জীবনদানের সমান। সঠিক নথিপত্র দিয়ে দ্রুত আবেদন করে এই সরকারি সুরক্ষাকবচ গ্রহণ করা বর্তমান সময়ে প্রতিটি সচেতন নাগরিকের কর্তব্য।

  • Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক, বকেয়া ডিএ ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক, বকেয়া ডিএ ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সোমবার নবান্নে নবগঠিত সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার (Cabinet Meeting) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকের পর এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যের প্রশাসনিক সংস্কার এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক পদক্ষেপের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট বললেন, “পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন ও সুরক্ষার যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, তা দেশের অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যের উন্নয়নের ধারাকে অনুসরণ করেই এগিয়ে যাবে।” একই ভাবে ডিএ  ও সপ্তম পে কমিশন নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    মহার্ঘ ভাতা (DA) ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ঘোষণা

    রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবং সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অত্যন্ত ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন–

    • আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
    • ওই বিশেষ বৈঠকেই ডিএ (DA) এবং সপ্তম বেতন কমিশন সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
    • পূর্ববর্তী সরকারের বাজেট পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতির সমালোচনা করে তিনি স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দেন।

    উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন দেখা গেল।

    দুর্নীতি দমন ও নারী সুরক্ষা

    প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন, সুরক্ষা এবং ডবল ইঞ্জিন সরকারের যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, তা দেশের অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যের উন্নয়নের পথ অনুসরণ করেই এগোবে।রাজ্য সরকারের কর্মীরা কবে পাবেন বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, পরের সোমবার আবার বৈঠকে বসবে মন্ত্রিসভা। ওই দিনই ডিএ, সপ্তম পে কমিশন-সহ একাধিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” শুভেন্দু আরও বলেন, “রাজ্যে কোনোভাবেই নারী নির্যাতন ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। বিশেষ করে আর জি কর-সহ বিভিন্ন নারী নির্যাতনের ঘটনা এবং বিগত আমলের নিয়োগ বা অন্যান্য দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী সোমবারের বৈঠকে এই বিষয়গুলি নিয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।”

    মন্ত্রিসভার প্রথম দিনের সিদ্ধান্ত

    এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাঁচ পূর্ণমন্ত্রী— দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল, ক্ষুদিরাম টুডু, অশোক কীর্তনিয়া ও নিশীথ প্রামাণিক। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, “সরকার গঠনের পর পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় এখনই সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে যেসব নথিপত্র প্রস্তুত ছিল, তার ভিত্তিতে কয়েকটি জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

    কর্মচারী মহলে আশার আলো

    রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। এই পরিস্থিতিতে নবগঠিত সরকারের এই আশ্বাস কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। আগামী সোমবারের বৈঠকে যদি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং নতুন বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণা আসে, তবে তা হবে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসে এক বড় পদক্ষেপ।

    মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) পরিশেষে আশ্বস্ত করেন যে, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পূরণে তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষা করাই এই সরকারের মূল লক্ষ্য।

LinkedIn
Share