Tag: bangla news

bangla news

  • West Bengal BJP: ট্রামের ‘পুনর্জন্ম’ কলকাতায়, অত্যাধুনিক বিদেশি মডেলে গড়াবে ঐতিহ্যের চাকা!

    West Bengal BJP: ট্রামের ‘পুনর্জন্ম’ কলকাতায়, অত্যাধুনিক বিদেশি মডেলে গড়াবে ঐতিহ্যের চাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নব কলেবরে ফিরতে চলছে কলকাতার ঐতিহাসিক ট্রাম পরিষেবা (Kolkata Tram)। অন্তত এমনই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার (West Bengal BJP)। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন প্রশাসন জানিয়েছে, প্রায় দু’বছর আগে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের নেওয়া ট্রাম পরিষেবা প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে এবার আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির ট্রাম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারের দাবি, এশিয়ার প্রাচীনতম চলমান ট্রাম নেটওয়ার্ককে শুধুমাত্র ঐতিহ্যের নিদর্শন হিসেবে নয়, বরং পরিবেশবান্ধব ও কার্যকর গণপরিবহণ ব্যবস্থার একটি অংশ হিসেবে পুনর্গঠন করা হবে।

    তৃণমূল জমানায় ট্রামের কফিনে শেষ পেরেক (West Bengal BJP)

    উল্লেখ্য, তৃণমূল জমানায় গত কয়েক বছরে ধাপে ধাপে কলকাতার ট্রাম পরিষেবা সঙ্কুচিত করা হয়েছিল। একের পর এক রুট বন্ধ হওয়া, একাধিক ট্রাম ডিপোকে বাস ডিপোয় রূপান্তর, বিভিন্ন সেতুতে ট্রাম চলাচলে নিষেধাজ্ঞা—সব মিলিয়ে একসময় শহরের বিস্তীর্ণ অংশে ছড়িয়ে থাকা ট্রাম নেটওয়ার্ক সীমিত হয়ে পড়ে। ২০২৪ সালে তৎকালীন তৃণমূল সরকার কার্যত অধিকাংশ ট্রাম পরিষেবা বন্ধ করে শুধুমাত্র ময়দান-এসপ্ল্যানেডের একটি ছোট ঐতিহ্যবাহী রুট পর্যটনের উদ্দেশ্যে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তৎকালীন পরিবহণ দফতরের যুক্তি ছিল, কলকাতার ব্যস্ত ও সংকীর্ণ রাস্তায় ধীরগতির ট্রাম যানজটের অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে। পাশাপাশি মূল্যবান ডিপো জমি অন্য কাজে ব্যবহারের সম্ভাবনাও বিবেচনায় ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের নেওয়া সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র জনমত গড়ে ওঠে। ঐতিহ্য সংরক্ষণকর্মী, পরিবেশবিদ, নাগরিক সংগঠন এবং বহু নিয়মিত যাত্রী ট্রাম বন্ধের বিরোধিতায় সোচ্চার হন। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক মামলা দায়ের হয়। আদালত ট্রাম পরিষেবার ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি পরামর্শদাতা কমিটিও গঠন করে এবং ট্র্যাক সংরক্ষণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয়। এমনকি বিটুমিনের নীচে চাপা পড়ে যাওয়া ট্রামলাইন পুনরুদ্ধারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

    ছবি বদলাচ্ছে বিজেপির আমলে

    নয়া বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে ট্রাম পুনরুজ্জীবনের বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং জানান, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন শহরে ব্যবহৃত আধুনিক ট্রামের আদলে কলকাতায় নতুন প্রজন্মের ট্রাম চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই কিছু প্রস্তাব এসেছে এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে (Kolkata Tram)। পরিবহণ দফতরের মতে, দীর্ঘদিন অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ডিপোয় পড়ে থাকা পুরানো ট্রামগুলির অধিকাংশই প্রায় অচল হয়ে গিয়েছে। সেগুলি সংস্কার করতে হলে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন। পরিষেবাও তেমন মিলবে না। তাই বিদেশ থেকে হালকা, শক্তি-সাশ্রয়ী এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নতুন ট্রাম আমদানির পরিকল্পনা করা হচ্ছে (West Bengal BJP)। সরকারি সূত্রে খবর, নতুন ট্রামগুলিতে উন্নতমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আধুনিক যাত্রীসুবিধা এবং জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি থাকবে। শুধু তাই নয়, এগুলি বর্তমান ট্রাফিক ব্যবস্থার সঙ্গে পাল্লাও দিতে পারবে।

    পদ্ম সরকারের পরিকল্পনা

    বর্তমানে কলকাতায় মাত্র দু’টি রুটে ট্রাম চলাচল করছে—এসপ্ল্যানেড থেকে শ্যামবাজার এবং এসপ্ল্যানেড থেকে গড়িয়াহাট। ভবিষ্যতে কোন কোন রুট ফের চালু করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষাও করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ঐতিহাসিক এসপ্ল্যানেড-খিদিরপুর রুটকে। ময়দানের সবুজ পরিবেশ ঘেঁষে চলা এই রুট বহু বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের কাছে সমান জনপ্রিয়। এছাড়া ট্রামলাইন, ডিপো এবং সংশ্লিষ্ট পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণের পাশাপাশি কলকাতা মেট্রোর সঙ্গে সাযুজ্য রেখে বহুমুখী গণপরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সরকারের মতে, এতে শহরের পরিবহণ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে, এবং ইতিবাচক প্রভাব পড়বে দূষণ কমানোর ক্ষেত্রে।

    ‘চলন্তিকা’ ফেরাতে বিজেপি সরকারের উদ্যোগ

    ১৮৭৩ সালে যাত্রা শুরু করা কলকাতার ট্রাম পরিষেবা ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শহরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। একসময় এটি ছিল কলকাতার অন্যতম প্রধান গণপরিবহণ ব্যবস্থা। নয়া উদ্যোগের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করে ভবিষ্যৎমুখী পরিবহণ ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্যের পালাবদলের সরকার (West Bengal BJP)।

    ট্রামওয়েজ ইউজার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির বক্তব্য

    অবসরপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী, ট্রাম অনুরাগী তথা কলকাতা ট্রামওয়েজ ইউজার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেবাশিস ভট্টাচার্য এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, “নাগরিকদের সর্বসম্মত অভিমত হল, কলকাতা ট্রামওয়েজের অন্তর্ঘাতের কাহিনি দুর্নীতি থেকেই শুরু হয়েছিল এবং সেখানেই শেষ হয়েছে। ট্রাম ডিপোগুলি বিশাল এবং সেগুলি রয়েছে শহরের প্রধান রাস্তাগুলির পাশে, গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে। ব্রিটিশরা মূলত ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ট্রাম ব্যবস্থার সম্প্রসারণের জন্য বিশাল পরিমাণ জমি কিনেছিল।” তিনি জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টও বিচক্ষণতার সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছে, ট্রাম ডিপোগুলিতে (Kolkata Tram) কেন বহুতল ভবন রয়েছে? শহর পরিকল্পনাবিদরা এই ভেবে উদ্বিগ্ন যে, একবার জমি বিক্রি হয়ে গেলে ভবিষ্যতে রেললাইনের পাশে ট্রাম ডিপো পুনর্নির্মাণের আর কোনও সুযোগ থাকবে না।

    কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    বছর তিনেক আগে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ট্রাম পরিষেবা (West Bengal BJP) এবং তার সঙ্গে জড়িত সম্পত্তি রক্ষার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। মামলার শুনানিতে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ট্রামডিপো একের পর এক বন্ধ হয়ে যাওয়াকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দিয়েছিলেন। শহরের এই ঐতিহ্যবাহী পরিবহণ ব্যবস্থা সংরক্ষণে জোর দিয়ে ট্রামওয়েজের জমি এবং সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশও জারি করেছিল আদালত। উল্লেখ্য, হাইকোর্টে মামলাটি দায়ের করেছিলেন জনৈক সুলগ্না মুখোপাধ্যায়। আরটিআইয়ের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, ট্রামওয়েজের একাধিক জমি ও সম্পত্তি বিক্রির প্রক্রিয়া চলছে। তার পরেই তিনি দ্বারস্থ হন হাইকোর্টের। আদালত জানিয়েছিল, সরকারি জমি বিক্রির আগে নিশ্চিত করতে হবে যে তা সরকারি কাজ বা সাধারণ মানুষের কোনও প্রয়োজনেই আর ব্যবহারযোগ্য নয়। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না করে সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেছিল আদালত। ট্রামওয়েজের জমি যখন বেসরকারি সংস্থাকে বিক্রি করা হয়েছিল, তখন কেউ কেন প্রতিবাদ করেননি, সেই প্রশ্নও তুলেছিল হাইকোর্ট।

    আদালতের সেই পর্যবেক্ষণের পরে (Kolkata Tram)ও, তৃণমূলের রাজত্বে দৈন্যদশা ঘোচেনি ট্রামের। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই পরিসর ছোট হয়ে এসেছিল শহর কলকাতার এই পরিবেশ বান্ধব যানের। রাজ্যে পালাবদল হতেই ফের স্বমহিমায় ফিরতে চলছে (West Bengal BJP) ট্রাম।

    আজ্ঞে হ্যাঁ, নব কলেবরে!

     

  • Superfoods for Children: দিনভর পড়াশোনা, টিউশন, খেলাধুলা! ক্লান্তি দূর করে স্কুলপড়ুয়াদের এনার্জি বাড়াবে এই ৭ সুপারফুড

    Superfoods for Children: দিনভর পড়াশোনা, টিউশন, খেলাধুলা! ক্লান্তি দূর করে স্কুলপড়ুয়াদের এনার্জি বাড়াবে এই ৭ সুপারফুড

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভোর থেকে রাত, দিনভর থাকে নানান কাজ! পড়াশোনার পাশাপাশি ছবি আঁকা, গান শেখা কিংবা সাঁতার-ক্যারাটের মতো খেলা চলে। একদম রুটিন মেনে। তাই স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে বাড়ছে ক্লান্তি। শরীর ও মনে এর গভীর প্রভাব পড়ছে। তাই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্কুল পড়ুয়াদের বাড়তি যত্ন জরুরি। বিশেষত তাদের খাবারের দিকে বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন। তাঁরা জানাচ্ছেন, স্কুল পড়ুয়াদের শারীরিক বিকাশে বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন। তাদের ঠিকমতো শারীরিক বিকাশ না হলে পরবর্তীতে একাধিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাবে। এছাড়াও মানসিক স্বাস্থ্যেও গভীর প্রভাব পড়ে। মনঃসংযোগ নষ্ট হতে পারে। অতিরিক্ত ক্লান্তি স্মৃতিশক্তিতেও প্রভাব ফেলে। তাই স্কুল পড়ুয়াদের পাতে নিয়মিত এমন কিছু খাবার থাকা জরুরি, যাতে তাদের শরীর ও মন ভালো থাকে। দিনভরের ধকল নিতে সক্ষম হয়।

    কোন খাবারে ভরসা রাখছেন পুষ্টিবিদেরা?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুর পাতে এমন খাবার দিতে হবে, যা সহজেই হজম হবে। কিন্তু তার পুষ্টিগুণ পর্যাপ্ত থাকবে। এমন একাধিক সব্জি এবং ফল নিয়মিত শিশুকে দেওয়া যেতে পারে, যাতে তার শরীরের সমস্ত চাহিদা পূরণ হয়।

    পালং শাক!

    পুষ্টিকর সব্জির তালিকায় প্রথমেই থাকছে পালং শাক। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাক সপ্তাহে অন্তত তিন দিন খাওয়া উচিত। পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ভিটামিন কে সহ একাধিক ভিটামিন। ভারতের অসংখ্য শিশু আয়রনের অভাবে ভোগে। আয়রনের ঘাটতি শিশুর ক্লান্তি বোধ বাড়িয়ে দেয়। রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমিয়ে দেয়। তাই আয়রন সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খাওয়া উচিত। এছাড়া ভিটামিন শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ জরুরি। তাই পালং শাকের মতো ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া প্রয়োজন।

    গাজর!

    স্কুল পড়ুয়াদের পাতে নিয়মিত গাজর থাকা প্রয়োজন বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতের অধিকাংশ শিশুর দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যা দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। চোখ ভালো রাখতে গাজর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিয়মিত সব্জি হিসাবে কিংবা স্যালাডের সঙ্গে গাজর খাওয়া যেতে পারে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, গাজর বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ একটি সব্জি। তাই গাজর খেলে দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের সমস্যা কমতে পারে।

    ফুলকপি এবং মিষ্টি আলু!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, মজবুত পেশি এবং স্নায়ু সক্রিয় রাখার জন্য ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি।‌ ভিটামিন, আয়রনের পাশপাশি শিশুর পাতে নিয়মিত ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যাতে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। তাই ফুলকপি এবং মিষ্টি আলুর মতো সব্জি নিয়মিত শিশুকে খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফুলকপি এবং মিষ্টি আলু ভিটামিন এ, সি, কে এবং ফাইবার সমৃদ্ধ দুটো সব্জি। তাই এগুলো নিয়মিত খেলে অন্ত্র, লিভার ভালো থাকবে। আবার পেশি ও স্নায়ুর সচলতা বাড়বে। পাশপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে। ফলে শিশুর সহজে ক্লান্তিবোধ হবে না।

    পেয়ারা, কলা, আমের মতো ফলে বাড়বে খেলাধুলার এনার্জি!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ শিশুই সাঁতার, ক্রিকেট কিংবা ক্যারাটের মতো নানান ধরনের খেলার সঙ্গে যুক্ত। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধূলা চালানোর জন্য বাড়তি এনার্জি জরুরি। শরীরে এনার্জির ঘাটতি দেখা দিলে মস্তিষ্কে গভীর প্রভাব পড়বে। মনে রাখার ক্ষমতা কমবে। তার সঙ্গে দক্ষতাও কমবে। ফলে শিশুর আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরতে পারে। তাই স্কুল পড়ুয়াদের যাতে বাড়তি এনার্জি পাওয়া যায়, এমন কিছু খাবার নিয়মিত খাওয়া উচিত। পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, পেয়ারা, কলা এবং আমের মতো ফল নিয়মিত খেলে সহজেই বাড়তি এনার্জি পাওয়া যেতে পারে। কলা কার্বোহাইড্রেট এবং পটাশিয়ামের জোগান দেয়। পেয়ারার থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সি। আম কার্বোহাইড্রেটের পাশপাশি ভিটামিন সি ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ফল। তাই এই তিন ফলের মধ্যে যেকোনো একটা ফল নিয়মিত খেলেই শরীরে এনার্জির ঘাটতি দেখা দেবে না।

    কেন সব্জি ও ফলে বাড়তি গুরুত্ব?

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে অন্যতম বড় সমস্যা স্থুলতা। বিশেষত শিশুদের অতিরিক্ত ওজন দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি করছে। শিশুদের ওবেসিটির হার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। আর তাই সুস্থ দীর্ঘ জীবন‌ যাপনের জন্য প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। শিশুদের নিয়মিত এমন কিছু খাবার দেওয়া প্রয়োজন, যা মেদ তৈরি করবে না। বরং পুষ্টির জোগান দেবে। অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়া বিশেষত চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়ার জেরেই স্থূলতার সমস্যা বাড়ছে। প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়ার প্রবণতাই শিশুর সুস্থ জীবনের পরিপন্থী হয়ে উঠছে। তাই প্রোটিনের পাশপাশি শিশুর ভিটামিন, ফাইবার, আয়রন এবং পটাশিয়ামের মতো উপাদানের চাহিদা মিটছে কিনা সেদিকে নজর রাখাও জরুরি।‌ কারণ সেগুলোর ঘাটতি হলে সুস্থ জীবন যাপন সম্ভব নয়। আর তাই ভরসা রামধনু মেনুতে। অর্থাৎ, প্রতিদিন খাবারে নানান রঙের সব্জি থাকবে‌। অর্থাৎ , ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে গাজর, বিট, পালং শাক, কুমড়ো, পটলের মতো নানান রঙের সব্জি থাকবে। যাতে শরীরে প্রয়োজনীয় খনিজ এবং ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হয়। তবেই সুস্থ দীর্ঘ জীবন সম্ভব।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Daily Horoscope 26 June 2026: দুপুরের পরে কোনও ভালো খবর আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 26 June 2026: দুপুরের পরে কোনও ভালো খবর আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

      মেষ

    ১) ব্যবসায় সুখবর আসতে পারে।

    ২) প্রেমের বাধা কেটে গিয়ে সুখের সময় আসতে চলেছে।

    ৩) দিনটি অনকূল।

    বৃষ

    ১) অনিচ্ছা সত্ত্বেও এমন কিছু কাজ করতে হতে পারে, যা নিয়ে পরে অনুতাপ হবে।

    ২) ভালো কাজে সময় ব্যয় হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে।

    মিথুন

    ১) নতুন ব্যবসা নিয়ে সংশয় বাড়তে পারে।

    ২) সকাল থেকে কোনও জটিল সমস্যার ভিতর পড়তে হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    কর্কট

    ১) কোনও বন্ধুর উপকার করতে গিয়ে বিপদে পড়তে পারেন।

    ২) সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায় শান্তির পরিবেশ পেতে পারেন।

    ২) কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ আপনার কাজে আসবে।

    ৩) ধর্মস্থানে যাত্রা করতে পারেন।

    কন্যা

    ১) কোনও ভালো জিনিস আপনার হাতে নষ্ট হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত পরিশ্রমের মূল্য পাবেন না।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) দুপুরের পরে কোনও ভালো খবর আসতে পারে।

    ২) ব্যবসা ভালো চলবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায় চাপ বৃদ্ধির সঙ্গে লাভও ভালো হবে।

    ২) সন্তানদের জন্য চিন্তা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) কাজে সাফল্য আসবে।

    ধনু

    ১) শুভকাজ থাকলে সেরে ফেলুন।

    ২) সতর্ক না থাকলে কর্মক্ষেত্রে সম্মানহানির যোগ।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মকর

    ১) শত্রুভয় কাজ করতে পারে।

    ২) গৃহনির্মাণের পরিকল্পনা সফল হতে পারে।

    ৩) সবাই প্রশংসা করবে।

    কুম্ভ

    ১) নতুন বন্ধু হতে পারে।

    ২) চাকরির পদোন্নতিতে বিদেশযাত্রার যোগ।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) সকালের দিকে ভ্রমণের ইচ্ছা বাড়তে পারে।

    ২) কারও কাছে অপদস্থ হতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • India Reopens Tourist Visas: বাংলাদেশিদের জন্য ফের চালু হচ্ছে ভারতের পর্যটন ভিসা, ২৮ জুন থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু

    India Reopens Tourist Visas: বাংলাদেশিদের জন্য ফের চালু হচ্ছে ভারতের পর্যটন ভিসা, ২৮ জুন থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ফের পর্যটন ভিসা (India Reopens Tourist Visas) চালুর কথা ঘোষণা করল ভারত। বৃহস্পতিবার ঢাকায় ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশে (Bangladeshi Citizens) ভারতের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী এই খবর জানান। তিনি বলেন, “২৮ জুন, রবিবার থেকে বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া আবারও শুরু হবে।” রাষ্ট্রদূত জানান, ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও স্বাভাবিক ও গতিশীল করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে বৈধ ভিসাধারী বাংলাদেশিরা আবারও পর্যটনের উদ্দেশ্যে ভারতে ভ্রমণ করতে পারবেন।

    বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা (India Reopens Tourist Visas)

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা দেওয়া সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে চিকিৎসা ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে মেডিকেল ও বিজনেস ভিসা দেওয়া হচ্ছিল। এবার সেই বিধিনিষেধ তুলে নিয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে পর্যটন ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া ফের চালু করা হচ্ছে।দীনেশ জানান, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী এবং খুলনায় অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে পর্যটন ভিসার আবেদন নেওয়া হবে। তিনি এও জানান, বাংলাদেশে দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্ত এলাকায় সফরের সময় ভিসা সংক্রান্ত বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ ও যাতায়াত অনায়াস করতেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ

    এদিন দুপুরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দীনেশ। এই সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয়পত্র পেশ করে বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব নেন (India Reopens Tourist Visas)। গত এপ্রিল মাসে ভারত সরকার দীনেশকে বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ করেছিল। তিনি ভারতের প্রথম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পেয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দীনেশ কংগ্রেস, জনতা দল, তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। চলতি মাসে স্ত্রী মিনাল ত্রিবেদীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন, “ভারত ও বাংলাদেশ দু’টি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক দেশ। দুই দেশের সহযোগিতা আরও (Bangladeshi Citizens) জোরদার হলে তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।” উল্লেখ্য, প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন (India Reopens Tourist Visas) দীনেশ।

     

  • US: হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মার্কিন কংগ্রেসম্যান স্যানফোর্ড বিশপের

    US: হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মার্কিন কংগ্রেসম্যান স্যানফোর্ড বিশপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে”। ভারতীয়-আমেরিকান সম্প্রদায়ের উদ্দেশে এমনই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন মার্কিন (US) কংগ্রেসম্যান স্ট্যানফোর্ড বিশপ (Sanford Bishop)। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি ধর্মীয় বিদ্বেষ ও হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের তীব্র নিন্দা করেন (Georgia Anti Hindu Resolution), এবং এই ধরনের ঘৃণামূলক কর্মকাণ্ড রোধে আরও বেশি সতর্কতা ও ঐক্যের আহ্বান জানান।

    ভারতীয়দের অসামান্য অবদান (US)

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয়-আমেরিকানদের অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন বিশপ। বলেন, “এই অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া, সম্মান জানানো এবং মূল্যায়ন করা উচিত। ঘৃণা ও হিংসা ছড়ানোর পরিবর্তে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা পালনকারী এই সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন।” বিশপ জানান, হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত সম্প্রদায়ের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি—এই দুই বিষয় পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। তাঁর মতে, আমেরিকায় হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের বৈষম্য, বিদ্বেষমূলক আচরণ এবং ঘৃণাজনিত অপরাধের মুখোমুখি হচ্ছে।

    হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ডাক

    ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার কড়া সমালোচনাও করেন তিনি। জানান, তাঁর নিজের রাজ্য জর্জিয়া হিন্দু-বিরোধী অপরাধ এবং বিদ্বেষ মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এর পরেই ওই মার্কিন কংগ্রেসম্যান বলেন, “আমাদের হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে”। স্ট্যানফোর্ডের এহেন মন্তব্যে উপস্থিত ভারতীয়-আমেরিকানদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন বছরে আমেরিকায় হিন্দুদের মৌখিক আক্রমণ, অবমাননাকর মন্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হয়রানি এবং হিন্দুদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক প্রচারের ঘটনা বেড়েছে বলে বিভিন্ন সংগঠনের দাবি। এর পাশাপাশি মন্দির ও অন্যান্য হিন্দু উপাসনালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই ভারতীয়-আমেরিকানদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার মতো হুমকির মুখোমুখিও হতে হচ্ছে, যদিও তাঁরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম দক্ষ কর্মশক্তি এবং অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ (US)।

    হিন্দুফোবিয়াকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি জর্জিয়ার

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে জর্জিয়া হিন্দুফোবিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঘৃণাজনিত অপরাধ ও বৈষম্যের বিষয়টি রাজ্যের আইনগত কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করে (Georgia Anti Hindu Resolution)। এই উদ্যোগের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে Coalition of Hindus of North America। এই সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছে। রাজ্যের গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকারি বিভিন্ন দফতর হিন্দুফোবিয়াজনিত বৈষম্য ও বিদ্বেষমূলক ঘটনার নথিভুক্তকরণ এবং তদন্তের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবে। এই আইন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে কোয়ালিশন অব হিন্দুজ অব নর্থ আমেরিকা (CoHNA) জানিয়েছে, ‘সেনেট বিল ৩৭৫ শুধু ক্রমবর্ধমান হিন্দু-বিরোধী ঘৃণার প্রতিক্রিয়া নয়, এটি আমাদের সম্প্রদায় যে (Georgia Anti Hindu Resolution) এই দেশের অংশ, অবদানকারী এবং আইনের সমান সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য—তারও একটি শক্তিশালী স্বীকৃতি (US)।’

     

  • Kolkata Thunder Lightning: মুহূর্তে অন্ধকার শহর, তারপর তাণ্ডব! কলকাতায় নজিরবিহীন বজ্রপাতের নেপথ্যে কোন রহস্য?

    Kolkata Thunder Lightning: মুহূর্তে অন্ধকার শহর, তারপর তাণ্ডব! কলকাতায় নজিরবিহীন বজ্রপাতের নেপথ্যে কোন রহস্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই ছিল অস্বস্তিকর ভ্যাপসা গরম। কিন্তু দুপুর গড়াতেই যেন আচমকা বদলে গেল প্রকৃতির মেজাজ। মুহূর্তের মধ্যে কালো মেঘে ঢেকে গেল আকাশ, তারপর শুরু হল ঝোড়ো হাওয়া, প্রবল বর্ষণ এবং একের পর এক বিকট শব্দে বজ্রপাত। বৃহস্পতিবারের কলকাতা যেন সাক্ষী থাকল প্রকৃতির এক বিরল ও রুদ্র রূপের। সাম্প্রতিক অতীতে এত ঘনঘন এবং এত তীব্র বজ্রপাতের অভিজ্ঞতা খুব কমই হয়েছে মহানগরবাসীর। আকাশ চিরে পরপর বিদ্যুতের ঝলকানি এবং কানফাটানো বজ্রধ্বনিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বহু মানুষ। শহরের বহুতল আবাসন থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট— সর্বত্রই অনুভূত হয় বজ্রপাতের তীব্রতা।

    ঝড়-বৃষ্টিতে কার্যত থমকে শহর

    বৃহস্পতিবার দুপুরের এই আকস্মিক দুর্যোগে কলকাতার স্বাভাবিক জনজীবনে বড়সড় প্রভাব পড়ে। ধর্মতলা, পার্ক স্ট্রিট, ময়দান, এসপ্ল্যানেড, কলকাতা হাইকোর্ট চত্বর-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বজ্রপাতের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পরিবেশ। মুষলধারে বৃষ্টির কারণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়। অফিসফেরত মানুষ, পথচারী ও নিত্যযাত্রীরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে বাধ্য হন। বহু এলাকায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। শুধু কলকাতাই নয়, এই ঝড়-বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। বিভিন্ন জেলায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টিপাতের খবর মিলেছে।

    কেন এত তীব্র বজ্রপাত? ব্যাখ্যা আবহাওয়া দফতরের

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের মতে, বর্তমান পরিস্থিতির নেপথ্যে কাজ করছে একাধিক সক্রিয় আবহাওয়াজনিত সিস্টেম। বর্তমানে উত্তর বিহার থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি সক্রিয় নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এই অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার উপর দিয়ে বিস্তৃত হয়েছে। একই সময়ে রাজস্থান থেকে গাঙ্গেয় বঙ্গ পর্যন্ত মৌসুমী অক্ষরেখাও সক্রিয় রয়েছে। এর পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় একটি শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। আবার বঙ্গোপসাগরের উপরও এই মরশুমের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় হয়েছে। এই সমস্ত আবহাওয়াগত উপাদানের সম্মিলিত প্রভাবে সমুদ্র থেকে বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প স্থলভাগে প্রবেশ করছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প এবং দিনের তাপমাত্রাজনিত অস্থিরতার ফলে দ্রুত তৈরি হচ্ছে বিশালাকার কিমিউলোনিম্বাস (Cumulonimbus) বা বজ্রগর্ভ মেঘ। এই মেঘ থেকেই উৎপন্ন হচ্ছে প্রবল বজ্রঝড় এবং ঘনঘন বজ্রপাতের ঘটনা।

    কী সতর্কতা মেনে চলবেন?

    আবহাওয়া দফতরের পরামর্শ অনুযায়ী—

    • ● বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, ছাদ বা গাছের নিচে দাঁড়াবেন না।
    • ● মোবাইল ফোন চার্জে লাগিয়ে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।
    • ● বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতব বস্তু থেকে দূরে থাকুন।
    • ● ঝড় শুরু হলে পাকা বাড়ি বা নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করুন।
    • ● অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন।

    সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে হলুদ সতর্কতা

    গত কয়েকদিন ধরে চলা দফায় দফায় বৃষ্টি এবং ঝড়ের কারণে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। তবে আবহাওয়া দফতরের মতে, আপাত স্বস্তির মাঝেও দুর্যোগের আশঙ্কা এখনও কাটেনি। সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সোমবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এই পরিস্থিতির জন্য জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।

    বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে—

    • ● উত্তর ২৪ পরগনা
    • ● দক্ষিণ ২৪ পরগনা
    • ● পূর্ব বর্ধমান
    • ● পশ্চিম বর্ধমান
    • ● বীরভূম
    • ● মুর্শিদাবাদ
    • ● নদিয়া
    • ● পুরুলিয়া
    • ● বাঁকুড়া
    • ● ঝাড়গ্রাম
    • ● পূর্ব মেদিনীপুর

    এই জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে প্রবল বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক

    দক্ষিণবঙ্গে যেখানে মূল উদ্বেগ বজ্রপাত ও ঝড়বৃষ্টি, সেখানে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে অতিভারী বৃষ্টির কারণে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় আগামী কয়েকদিনে ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ২০ সেন্টিমিটারও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস। অতিভারী বর্ষণের ফলে তিস্তা, তোর্সা, বালাসন-সহ একাধিক পাহাড়ি নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জল জমা, নদী উপচে পড়া এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা প্রবল হয়েছে। এই পরিস্থিতির জন্য উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় লাল ও কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

    উত্তাল সমুদ্র, মৎস্যজীবীদের সতর্কবার্তা

    শুধু স্থলভাগ নয়, বঙ্গোপসাগরও বর্তমানে উত্তাল অবস্থায় রয়েছে। উত্তর ওড়িশা উপকূল এবং পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে। যারা ইতিমধ্যেই গভীর সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের দ্রুত নিরাপদ বন্দরে ফিরে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের স্পষ্ট বার্তা, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে বজ্রঝড় ও বৃষ্টির এই অস্থির আবহাওয়া বজায় থাকবে। ফলে পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষকে।

  • Pakistan: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে চলা সরকার বিরোধী আন্দোলন দমনে অমানবিক ব্যবহার ইসলামাবাদের!

    Pakistan: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে চলা সরকার বিরোধী আন্দোলন দমনে অমানবিক ব্যবহার ইসলামাবাদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া মোড় নিল পাক-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে)-এ চলা সরকার বিরোধী আন্দোলন। স্থানীয়দের অভিযোগ, আন্দোলন দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পর এবার ওই এলাকায় খাদ্য, জ্বালানি ও স্বাস্থ্যসেবার সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করছে ইসলামাবাদ (Pakistan)। ফলে সাধারণ মানুষের (POK) দুর্ভোগ চরমে। নিদারুণ যন্ত্রণা সয়েই কোনওক্রমে দিন গুজরান করছেন পিওকের বাসিন্দারা।

    নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যান চলে বাধা (Pakistan)

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাদ্যশস্য, জ্বালানি তেল ও ওষুধ-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যানবাহনকে পিওকেতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। তার জেরে আগে থেকেই চলা সঙ্কট আরও গভীর হয়েছে। যৌথ আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি) ঘোষিত অঞ্চলব্যাপী ধর্মঘটের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হলেও, আন্দোলনকারীদের দাবি—সরকার ইচ্ছাকৃতভাবেই পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো করে তুলছে। যদি পাক-প্রশাসন এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, আন্তর্জাতিক মহলের কাছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখানোর চেষ্টা করছে সরকার। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসন বাস্তব পরিস্থিতি আড়াল করতে তথ্য গোপন করছে।

    নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর গুলি

    এদিকে, আন্দোলনকারীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ চলবে। একই সঙ্গে তাঁরা রাষ্ট্রসঙ্ঘ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং বিদেশে বসবাসকারী  কাশ্মীরিদের কাছে বিষয়টি তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পাক নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সংঘর্ষে নিহত কয়েকজনের মরদেহও প্রশাসন সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। পিওকের এক বাসিন্দা জানান, নিরস্ত্র মানুষকে কাছ থেকে গুলি করা হয়েছে। তাই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে (Pakistan)।

    অস্থিরতার সূত্রপাত

    মূলত ১২টি আইনসভা আসনকে কেন্দ্র করে এই অস্থিরতার সূত্রপাত। এসব আসন জম্মু ও কাশ্মীর থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগ, ইসলামাবাদ এই আসনগুলিকে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে এবং নিজেদের পছন্দের সরকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। আন্দোলন তীব্র হওয়ার পর পাকিস্তান সরকার জেএএসিকে জঙ্গি সংগঠন বলে দেগে দেয়, এবং তাদের সমর্থকদের সন্ধানে অভিযান চালাতে শুরু করে। বিভিন্ন (POK) প্রতিবেদনে দাবি, এ পর্যন্ত সংঘর্ষ ও দমন-পীড়নের ঘটনায় অন্তত ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে (Pakistan)।

     

  • Asian Relay Championship: চিনের মাটিতে চিনকে হারিয়ে সোনা জিতল ভারতের মহিলা ৪x১০০ মিটার রিলে দল

    Asian Relay Championship: চিনের মাটিতে চিনকে হারিয়ে সোনা জিতল ভারতের মহিলা ৪x১০০ মিটার রিলে দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান রিলে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এ দুরন্ত সাফল্য পেল ভারত। চিনের ঘরের মাঠে চিনকে হারিয়ে মহিলাদের ৪x১০০ মিটার রিলেতে সোনার পদক জিতে নিল ভারতীয় দল। রবিবার প্রতিযোগিতার শেষ দিনে এসএস স্নেহা, সুদেষ্ণা শিভাঙ্কর, তামান্না এবং অভিজ্ঞ অ্যাঙ্কর শ্রাবণী নন্দা এই সাফল্য ছিনেয়ে আনেন। ভারতীয় কোয়ার্টেট ৪৩.৮৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে মরশুমের সেরা পারফরম্যান্স উপহার দেয়। ভারতের ঠিক পিছনেই ৪৪.০৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে রুপো জেতে চিন। মাত্র দুই শতাংশ সেকেন্ডের ব্যবধানে ৪৪.১১ সেকেন্ড সময় করে ব্রোঞ্জ পায় থাইল্যান্ড। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ের পর ফটো ফিনিশে নির্ধারিত হয় পদকজয়ীদের স্থান।

    তামান্না ও স্নেহার জোড়া সাফল্য

    রিলে দৌড়ে গতি যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে কম নয় ব্যাটন বিনিময়ের নিখুঁততা। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের কোচ মার্টিন ওয়েন্সের তত্ত্বাবধানে ভারতীয় দল একাধিক নিখুঁত ব্যাটন এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে চিনের শক্তিশালী দলকে পিছনে ফেলে দেয়। এই জয়ের ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। চ্যাম্পিয়নশিপে তামান্না এবং স্নেহা দু’জনেই দুটি করে পদক জিতেছেন। এর আগে তাঁরা পুরুষদের ২০০ মিটার জাতীয় রেকর্ডধারী অনিমেষ কুজুর এবং প্রণব গুরাভের সঙ্গে মিশ্র ৪x১০০ মিটার রিলেতে ৪১.২৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন। ভারতের তৃতীয় পদক আসে মিশ্র ৪x৪০০ মিটার রিলেতে। তীর্থেশ পি শেট্টি, এমআর পুভাম্মা, ভারত শ্রীধর এবং নীরু পাঠকের দল ৩:১৭.০৬ মিনিট সময় নিয়ে রুপো জয় করে। তবে ৪x৪০০ মিটার বিভাগে মহিলা দল ৩:৩৪.৮৮ মিনিট সময় নিয়ে চতুর্থ এবং পুরুষ দল ৩:০৫.৩৩ মিনিট সময় নিয়ে পঞ্চম স্থানে শেষ করে। এই দুই বিভাগেই সোনা জেতে ভিয়েতনাম।

    ‘লক্ষ্য এশিয়ান গেমস’

    চলতি বছরের শেষদিকে জাপানে অনুষ্ঠিত হতে চলা এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা। ৩৫ বছর বয়সি শ্রাবণী নন্দা মনে করেন, এই সোনাজয় দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে। তিনি বলেন, “পরিষ্কার ও ডোপমুক্ত থেকে প্রতিযোগিতা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং পুরো মনোযোগ প্রতিযোগিতায় রাখা যায়। আমাদের মানসিকতা বদলাতে হবে। ‘ড্রাগ ছাড়া সম্ভব নয়’—এই ধারণার বদলে ‘ড্রাগ ছাড়াই সফল হওয়া যায়’—এই বিশ্বাস গড়ে তুলতে হবে।”শ্রাবণী বলেন, “এই মরশুমে আমার প্রধান লক্ষ্য এশিয়ান গেমস। আমি সেরাটা দেওয়ার আশায় আছি।” উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের এশিয়ান রিলে চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজক হিসেবে চণ্ডীগড়ের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তার আগে চিনের মাটিতে সোনা জিতে ভারতীয় স্প্রিন্টাররা মহাদেশীয় অ্যাথলেটিক্সে নিজেদের শক্তির পরিচয় আরও একবার তুলে ধরলেন।

  • West Bengal BJP: বিতর্ক নয়, বাজেটের সাফল্য পৌঁছে দিতে হবে মানুষের কাছে, বিজেপি বিধায়কদের কড়া বার্তা নেতৃত্বের

    West Bengal BJP: বিতর্ক নয়, বাজেটের সাফল্য পৌঁছে দিতে হবে মানুষের কাছে, বিজেপি বিধায়কদের কড়া বার্তা নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের (West Bengal BJP) বিভিন্ন জনকল্যাণকামী পদক্ষেপ এবং সাম্প্রতিক বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি (Budget Benefits) সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার ওপর বিশেষ জোর দিল পদ্ম-দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সম্প্রতি দলীয় বিধায়কদের নিয়ে আয়োজিত দু’দিনের বিশেষ বৈঠকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়ানোর বদলে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের প্রচারেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

    ‘ডুজ অ্যান্ড ডোন্টজে’র পাঠ (West Bengal BJP)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে নেতৃত্ব পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ডিম ছোড়া, দলীয় কার্যালয় দখল কিংবা কোনও ধরনের উসকানিমূলক কার্যকলাপ বিজেপি সমর্থন করে না। তার বদলে সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত, বাজেটের ঘোষণা এবং প্রশাসনিক সাফল্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিধায়কদের। বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য ডিএর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে চালু থাকা ১৮ শতাংশ ডিএর সঙ্গে আরও ২০ শতাংশ বাড়িয়ে মোট হার ৩৮ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার কথা। এর পাশাপাশি নয়া কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এক লাখ চাকরি সৃষ্টির পরিকল্পনার কথাও বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত মানুষের কাছে তুলে ধরতে পারলে সরকারের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হবে।

    বিধায়কদের সতর্ক-বার্তা

    বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় নেতা সুকান্ত মজুমদার, সুনীল বনসল, অমিত মালব্য এবং অমিতাভ চক্রবর্তী-সহ একাধিক শীর্ষ নেতা। বৈঠকে নবনির্বাচিত বিধায়কদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রথমবার নির্বাচিত বিধায়কদের বিধানসভা ও সাংগঠনিক কাজের বিভিন্ন দিক সম্পর্কেও শিখিয়ে-পড়িয়ে নেওয়া হয় (West Bengal BJP)। দল এবং সরকারের ভূমিকার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা, সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা এবং শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে রাজনৈতিক কাজ পরিচালনার প্রয়োজনীয়তার কথাও মনে করিয়ে দেন পদ্ম নেতারা। কোথাও যাতে তোলাবাজি বা অনিয়মের অভিযোগ না ওঠে, সেই বিষয়েও (Budget Benefits) বিধায়কদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে খবর (West Bengal BJP)।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘আপনাদের পাপের ফল’’! তারাতলাকাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর, মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ সাহায্য, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা পিএমও-রও

    Suvendu Adhikari: ‘‘আপনাদের পাপের ফল’’! তারাতলাকাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর, মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ সাহায্য, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা পিএমও-রও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বুধবার তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ভেঙে পড়ার ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে৷ আহত কমপক্ষে ২০ জন৷ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মৃতদের পরিবার প্রতি রাজ্যের তরফে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেন। এছাড়া আহতদের দেওয়া হবে ১ লক্ষ টাকা। ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর দফতরেরও। পিএমও-র তরফে জানানো হয়েছে, মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে।

    ‘‘ভগবানের দূত…’’

    বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় বিধানসভায় গোটা দুর্ঘটনার বিবরণ দেন শুভেন্দু অধিকারী। বিবৃতি পাঠ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘গতকাল দুপুর ১২টা ০৭ মিনিটে কলকাতা পুর-এলাকার তারাতলায় একটা নির্মীয়মাণ বিল্ডিং ভেঙে পড়ে। বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটে। পরিবারের পাশে সমবেদনা, বিদেহী আত্মার অমরত্ব প্রার্থনা করি। এসএসকেএম হাসপাতালে যারা ভর্তি তাদের পাশে আছি৷’’ এদিন বিধানসভার বিবৃতিতে উদ্ধারকাজে মন্ত্রী থেকে আধিকারিক থেকে সেনা, সকলের ভূমিকার কথা বিশদে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ শুভেন্দু জানান, ‘‘প্রথমে কলকাতা পুলিশ, ফায়ার ব্রিগেড ও স্থানীয় জনগণ হাত লাগান। একটা কাটার মেশিন নেই। একটা আধুনিক যন্ত্রপাতি নেই।সেনা কাজ করছে। বিহার রেজিমেন্ট সব আধুনিক যন্ত্র নিয়ে এসে কাজ করছে। আর ভগবানের দূত হিসাবে কাজ করেছে এনডিআরএফ৷ বন্দর, ডিএমজি, সিভিল ডিফেন্স সবাই একযোগে কাজ করেছে। সবাই আমরা সাপোর্ট করছি৷ উদ্ধারকার্য এখনও চলছে।’’

    ‘‘৯ জনের মৃত্যু’’

    উদ্ধারাভিযান নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘বুধবার রাতভর কাজ চলেছে। এখনও কাজ চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম যান ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ ও পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এরপর পৌঁছন দমকল মন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরা। আমি প্রথম থেকেই মনিটরিং করছিলাম। তবে গেলে উদ্ধারকাজে বাধা তৈরি হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পর বিকেলে যাই। হাসপাতালেও গিয়েছি। আহতদের সঙ্গে কথা হয়েছে।” এদিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছিল। ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকিরা চিকিৎসাধীন। তবে এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাঁদের উদ্ধারের কাজ এখনও চলছে।’’ এর সঙ্গেই ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করবে রাজ্য সরকার। আহতদের ১ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘‘অর্থ দিয়ে মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হয় না। সেটা স্বীকার করেও দায়িত্বশীল সরকার তার দায়িত্ব পালনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।’’ এ দিনই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের (PMO) তরফেও আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছে পিএমও। আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে।

    ‘‘আপনাদের পাপের ফল..’’

    তবে, তারপরেই তীক্ষ্ণ আক্রমণ শানান বিরোধী তৃণমূলের বিরুদ্ধে৷ দুর্নীতি থেকে অব্যবস্থা৷ মুখ্যমন্ত্রীর কথায় দফায় দফায় উঠে আসে বিগত সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ৷ বিরোধীদের বিঁধে শুভেন্দু বলেন, ‘‘এই যে মাননীয় চিফ হুইপ অপোজিসন, আখরুজ্জামান সাহেব আমি বলার আগে উঠে পড়েছিলেন৷ একটু কেয়ারফুলি শুনুন, যে ক’টা লোক আছেন আপনারা৷ এই বিল্ডিং প্ল্যানটা গত ১৭ জানুয়ারি আপনারা দিয়েছিলেন৷ সব বের করছি আমরা৷’’ তারপরেই শুভেন্দুর তোপ, ‘‘এ আপনাদের পাপের ফল৷ সব জায়গায় টাকা নিতে নিতে এই সিটি অফ জয়কে, এবং বৃহত্তর কলকাতাকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছেন আপনারা৷’’

    ‘‘কাউকে ছাড়া হবে না’’

    মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, গার্ডেনরিচ থেকে শুরু করে একাধিক ঘটনা ঘটলেও তা থেকে কোনও শিক্ষা নেয়নি পূর্বতন সরকার৷ কোনও সংশোধন আসেনি প্রক্রিয়ায়৷ উদ্ধারকাজে সেনা এবং এনডিআরএফ-কে কোনও দিন ডাকা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি৷ গার্ডেনরিচে মুর্শিদাবাদের ১৪ জন চাপা পড়ে মারা গিয়েছিল বলে জানান শুভেন্দু৷ একজনকেও সেই সময় জীবিত উদ্ধার করা যায়নি৷ বিরোধী তৃণমূলের চিপ হুইপ আখরুজ্জামান সাহেবের উদ্দেশ্যে শুভেন্দু বলেন, ‘‘কী করেছেন আপনারা? একটাকেও তো ছাড়ার কোনও সিন নেই৷ আপনার প্রাক্তন মেয়রের সই আছে এতে৷ কাউকে ছাড়া হবে না৷ ইঞ্জিনিয়ার যাদের নাম আছে তাদের ছাড়া হবে না। ৫ জনকে গ্রেফতার করেছি। আসগরকে খুঁজছি। চাইব যাতে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে পারি৷ কালি’কে খুঁজে বার করছি। ক্যামাক স্ট্রিটে ২০০ কোটি জমা দিয়েছে। সব জানি।’’ সবশেষে শুভেন্দু জানান, এরপরে আগামী ১ মাস সব নির্মীয়মাণ কাজ বন্ধ থাকবে৷ সবকিছু অডিট করা হবে৷

    গঠিত সিট, এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার ৫

    তারাতলার ঘটনার তদন্তে গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল। সেই দলে রয়েছেন গোয়েন্দা বিভাগের এসিপি জয়সূর্য মুখোপাধ্যায়। গোয়েন্দা দপ্তরের হোমিসাইড বিভাগের অফিসার ইনচার্জ দেবাশিস দত্ত। গোয়েন্দা বিভাগের ইন্সপেক্টর হিরক দলপতি, গুণ্ডাদমন শাখার ইন্সপেক্টর সরফরাজ আহমেদ। তারাতলা থানার সাব-ইন্সপেক্টর মানস ভট্টাচার্য, ও তারাতলা থানার সাব-ইন্সপেক্টর কুশল মণ্ডল। তারাতলা কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম গুলজার হোসেন (সুপার ভাইজার অয়ন ট্রেডার্স), কমল সামন্ত (লোহার কাঠামো প্রস্তুতকারক), শম্ভুনাথ শম্ভুনাথ বেহেরা (যিনি জমি লিজ নিয়েছিলেন), দিবারক ভাণ্ডারি (শ্রমিক সরবরাহকারী ও ট্রাইমেক্স ঠিকাদার), আবদুল হামিদ (কেএমসি-তে নির্মাণ পরিকল্পনা অনুমোদনের জন্য মধ্যস্থতাকারী)। ঘটনায় আরও কারও গাফিলতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীদল। প্রয়োজনে তাঁদেরও গ্রেফতার করা হবে।

LinkedIn
Share