Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Police Recruitment: রাজ্যে আরও ৯ হাজার পুলিশ নিয়োগ! সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে থানা চলবে না, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Police Recruitment: রাজ্যে আরও ৯ হাজার পুলিশ নিয়োগ! সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে থানা চলবে না, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবীপক্ষে নবনিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের (Police Recruitment) হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে নভেম্বরের মধ্যে আরও নয় হাজার পুলিশ কর্মী নিয়োগের ঘোষণাও করেন তিনি ৷ তাঁর দাবি, দু’বছরের মধ্যে পুলিশের সংখ্যায় উত্তরপ্রদেশকে ছাপিয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গ। এদিন তিনি জানান, আগের সরকারের তৈরি করা আইনি জটিলতা কাটিয়েই এই নিয়োগ সম্ভব হয়েছে। বিধানসভায় অধিবেশন বসিয়ে ওবিসি জট মুক্ত করেছে বর্তমান সরকার। সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের আইনি বাধা কাটাতে সরকারি আধিকারিকদের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। এদিন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ার ডাক দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “রাষ্ট্র প্রথম, এটা মাথায় রেখে কাজ করবেন। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদেরকে তাড়াবেন। সমস্ত অবৈধ কাজ থেকে দূরে থাকবেন।” বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান ও চিন সীমান্তের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শুধু একা আর্মি বিএসএফ লড়বে না। আপনাকেও প্রয়োজন হলে লড়তে হবে।”

    নিয়ম মেনে নিয়োগ হবে

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি কথা দিলাম আরও সাড়ে চার বছর এই সরকার আছে। কোথাও এতটুকু ত্রুটি হবে না। নিয়ম মেনে নিয়োগ হবে।” রাজ্যে সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে থানা চালানোর কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশে প্রতি এক লক্ষ মানুষে পুলিশের গড় ১৫৫ জন। উত্তরপ্রদেশে সেই সংখ্যা ২০০। আর পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে কম, মাত্র ১০৫ জন। এই ঘাটতি মেটাতে আগামী নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে নয় হাজার নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারির ঘোষণা করেন তিনি। পাশাপাশি ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতা পুলিশের চার হাজার কনস্টেবল নিয়োগ সম্পন্ন হবে। পিএসসি-র মাধ্যমে ৬৫০ জন ক্লার্ক এবং ১ হাজার ১৩১ জন এসআই নিয়োগের প্রক্রিয়াও দ্রুত শেষ করা হবে।

    রাজ্য পুলিশকে বিশেষ প্রশিক্ষণ

    মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আমি কথা দিয়ে গেলাম, পশ্চিমবঙ্গ উত্তরপ্রদেশের উপরে যাবে। দু’বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ উত্তরপ্রদেশের থেকেও পুলিশের সংখ্যায় বেশি থাকবে।” পুলিশ কর্মীদের বকেয়া ডিএ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়েও এদিন বড় ঘোষণা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, পুরনো পুলিশ কর্মীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া ২০ শতাংশ ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে পুজোর আগেই তাঁরা মোট ৩৮ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। আগামী ১৫ অক্টোবর তাঁদের অগ্রিম বেতনও দেওয়া হবে। রাস্তায় কর্মরত পুলিশদের জন্য হিডকো এবং এনকেডিএ-র তহবিল থেকে ২০ হাজার রেনকোট, ছাতা ও গামবুটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কর্মীদের রেশন ভাতা ১৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হয়েছে। সপ্তম পে কমিশন কার্যকর করতে প্রবীণ আইএএস অফিসার নবীন প্রকাশের নেতৃত্বে কমিটি গঠনের কথাও জানান তিনি। রাজ্যের ভৌগোলিক অবস্থানের কথা মাথায় রেখে পুলিশকে আরও দক্ষ করতে বিশেষ প্রশিক্ষণের ঘোষণাও করেন তিনি। আগামী দিনে অসমের লাচিত বরফুকান পুলিশ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং গুজরাটের রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্য পুলিশের কর্মীদের প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে।

  • Poonch Landmine Blast: ভারতে অনুপ্রবেশের ছক বানচাল? পুঞ্চে বিস্ফোরণে মৃত্যু লস্কর কমান্ডার-সহ ৪ পাকিস্তানি জঙ্গির

    Poonch Landmine Blast: ভারতে অনুপ্রবেশের ছক বানচাল? পুঞ্চে বিস্ফোরণে মৃত্যু লস্কর কমান্ডার-সহ ৪ পাকিস্তানি জঙ্গির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC) পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার সময় ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে মৃত্যু হল চার পাকিস্তানি জঙ্গির। নিহতদের মধ্যে রয়েছে লস্কর-ই-তৈবার এক শীর্ষ কমান্ডার বলে জানা গিয়েছে। সোমবার কৃষ্ণা ঘাঁটি সেক্টরের সাতওয়াল-নাকি এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের দিক থেকে একদল সন্দেহভাজন ব্যক্তি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করছিল। সেই সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করেছে বাহিনী।

    কারা নিহত? সামনে লস্কর কমান্ডারের নাম

    প্রাথমিক সূত্রে নিহত চারজনকে পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের (PoJK) পুঞ্চ জেলার হাজিরা তেহসিলের মান্ডলা, মদরপুর এলাকার বাসিন্দা বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের নাম মহম্মদ ইশতিয়াক, মহম্মদ ফয়জান, মহম্মদ ওয়াকাস এবং মহম্মদ আসিম। নিহতদের মধ্যে মহম্মদ ফয়জান লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার বলে দাবি করা হয়েছে। সোমবার নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন এলাকায় বিস্ফোরণের পরই ঘটনাটি ঘিরে নিরাপত্তা মহলে তৎপরতা শুরু হয়।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ সাতওয়াল-নাকি এলাকা?

    পুঞ্চের কৃষ্ণা ঘাঁটি সেক্টরের সাতওয়াল-নাকি এলাকাকে দীর্ঘদিন ধরেই অনুপ্রবেশের সম্ভাব্য পথ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অতীতেও এই রুট ব্যবহার করে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা হয়েছে বলে নিরাপত্তা সূত্রে দাবি। ফলে এই অঞ্চলে যে কোনও সন্দেহজনক গতিবিধি সেনাবাহিনীর কাছে বিশেষ গুরুত্ব পায়।

    নিয়ন্ত্রণরেখার এই অংশে পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি, ঘন জঙ্গল এবং দুর্গম পথ নজরদারির ক্ষেত্রে বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এই ধরনের ভূপ্রকৃতি কাজে লাগিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা হলে সন্দেহভাজনদের গতিবিধি শনাক্ত করা এবং দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

    প্রাথমিক বিবরণ অনুযায়ী, একটি ভিডিও ফুটেজে (সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে পাঠানি পোশাক পরা অবস্থায় জঙ্গলের মধ্যে চলাফেরা করতে দেখা গিয়েছে। তাঁদের কাছে পিস্তল ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। তারা আইইডি পুঁতে রাখার চেষ্টা করছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে ফুটেজের সত্যতা, সময় এবং বিস্ফোরণের সঙ্গে তার সম্পর্ক স্বাধীন ভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

    বিস্ফোরণের পর দেহ নিয়ে যাওয়ার দাবি

    বিস্ফোরণের পর পাকিস্তানি সেনার সদস্যরা নিহত সন্দেহভাজনদের দেহ সংগ্রহ করে নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে নিয়ে গিয়েছেন বলে কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাক সেনার ৬৬ ফ্রন্টিয়ার ফোর্সের সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, অতীতেও এই অঞ্চলে পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিম (BAT)-এর ছয় থেকে সাতজন সদস্য একই ধরনের ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে বর্তমান বিস্ফোরণের সঙ্গে অতীতের সেই ঘটনার প্রকৃতি ও পরিস্থিতির মিল কতটা, তা স্পষ্ট নয়।

    নিয়ন্ত্রণরেখায় কেন গুরুত্বপূর্ণ ল্যান্ডমাইন?

    নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে একাধিক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা রয়েছে। তারই অংশ হিসেবে সামনের দিকের বিভিন্ন এলাকায় ল্যান্ডমাইন বসানো থাকে। সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের পথগুলিতে সন্দেহভাজনদের চলাচল বাধাগ্রস্ত করা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে তোলাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

    তবে ল্যান্ডমাইন সব সময় নির্দিষ্ট জায়গায় স্থির থাকে না। ভারী বৃষ্টিতে মাটি ধুয়ে গেলে বা ভূমিক্ষয় ঘটলে কিছু মাইন মূল অবস্থান থেকে সরে গিয়ে অন্যত্র চলে আসতে পারে। ফলে যেখানে আগে বিস্ফোরক থাকার কথা ছিল না, সেখানেও বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়। সীমান্তবর্তী এলাকায় সেনা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা।

    নিরাপত্তা বাড়াল বাহিনী, নজরদারিতে নিয়ন্ত্রণরেখা

    বিস্ফোরণের পর সংশ্লিষ্ট সেক্টরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সন্দেহজনক গতিবিধির উপর নজর রাখছে নিরাপত্তাবাহিনী। জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গি কার্যকলাপ দমন এবং অনুপ্রবেশ রুখতে তল্লাশি ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানও চালানো হচ্ছে।

    পুঞ্চের ঘটনাটি সীমান্ত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আনছে। প্রথমত, পরিচিত অনুপ্রবেশের রুটগুলিতে নজরদারি অব্যাহত রাখা জরুরি। দ্বিতীয়ত, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে থাকা ল্যান্ডমাইনও ভারী বৃষ্টি ও ভূমিক্ষয়ের কারণে নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

    মেন্ধরেও উদ্ধার দুটি পুরনো ল্যান্ডমাইন

    পুঞ্চের ঘটনাটির পাশাপাশি সোমবার মেন্ধর সেক্টরের বাসোনি এলাকায় সীমান্তের বেড়ার কাছে আরও দুটি পুরনো ল্যান্ডমাইন শনাক্ত করেন ভারতীয় সেনার জওয়ানরা। সূত্রের খবর, রাস্তা বা চলাচলের পথ নির্মাণের কাজ চলাকালীন সকাল ৮টা ২৫ মিনিট এবং দুপুর ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরক দুটি নজরে আসে।

    এরপর সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে সেগুলি নিষ্ক্রিয় করেন। এই ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন এলাকায় পুরনো বিস্ফোরক থেকে তৈরি হওয়া ঝুঁকির বিষয়টি।

    বিশেষ করে বর্ষার সময়ে ভারী বৃষ্টিতে মাটি সরে যাওয়া, ভূমিক্ষয় এবং জলস্রোতের কারণে ল্যান্ডমাইন স্থানচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সীমান্তবর্তী এলাকায় নির্মাণকাজ, টহলদারি এবং নজরদারির সময় বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

  • West Bengal Bar Council: বার কাউন্সিলের নির্বাচনেও বিজেপির দাপট! ‘রাষ্ট্রবাদের জয়’ বললেন শুভেন্দু

    West Bengal Bar Council: বার কাউন্সিলের নির্বাচনেও বিজেপির দাপট! ‘রাষ্ট্রবাদের জয়’ বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বার কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলির নির্বাচনেও বিজেপির দাপট। সভাপতি, সহ-সভাপতি এবং বার কাউন্সিল (West Bengal Bar Council) অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি-তিনটি পদেই বিজেপি-সমর্থিত প্রার্থীদের জয়ের কথা জানিয়ে ‘রাষ্ট্রবাদের জয়জয়কার’ বলে মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিন নির্বাচিতদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে তাঁর দাবি, রাজ্যে এখন আর তৃণমূলের কোনও অস্তিত্বই অবশিষ্ট নেই। রাজ্য বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হলেন সমীর পাল। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে পর্যূদস্ত করে বিপুল জনমত নিয়ে বিজেপি বাংলায় প্রথমবারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে। দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনেও বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। সেই জয়ের ধারাই ওয়েস্ট বেঙ্গল বার স্টেট কাউন্সিলের অফিস বেয়ারার নির্বাচনেও বজায় রইল। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    কোন কোন পদে জয়ী

    গত মার্চে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচন হয়েছিল। শুভেন্দুর দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, সেই পর্বে বিজেপি ও তাদের সমর্থক আইনজীবী সংগঠনগুলির পক্ষে মাত্র তিন জন জয়ী হয়েছিলেন। বাকি আসনগুলিতে জয় পেয়েছিলেন তৃণমূল,কংগ্রেস এবং অন্যান্য শিবিরের প্রার্থীরা। কিন্তু এবারের নির্বাচনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদেই বিজেপি-সমর্থিত প্রার্থীদের জয় হয়েছে। সভাপতি পদে ১৮-৮ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন সমীর পাল। সহ-সভাপতি পদে ১৭-৯ ভোটে জয়ী হয়েছেন অজয় চৌবে। বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শিলিগুড়ির বর্ষীয়ান আইনজীবী অরুণ সরকার। ওই পদেও ভোটের ব্যবধান ছিল ১৭-৯। এই ফলকে সামনে রেখেই আইনজীবী মহলে নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধির দাবি করছে বিজেপি শিবির। পুজোর ছুটির পর বার কাউন্সিলের নতুন সদস্যদের নিয়ে বৈঠকের কথাও এদিন জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এক হাজারেরও বেশি সদস্য রাজ্য বার কাউন্সিলে আছেন। কাজের পরিকল্পনা নতুন সদস্যদের নিয়ে করা হবে। সেই কথাও এদিন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী

    রাজ্যে বিরোধীদের নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

    ফল ঘোষণার পর তৃণমূলকে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, ওরা এখন একাধিক ভাগে বিভক্ত। তাঁর কথায়, “তৃণমূল তো এখন ত্রিখণ্ডিত। একদল নতুন পার্টিতে জয়েন করেছেন আর একটি দল দু’ভাগে বিভক্ত হয়েছে। নাম, নিশান, পতাকা নেই।” বার কাউন্সিলের এই ফলকে রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রবণতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বিধানসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনেই একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ফলতা, রিষড়া, নন্দীগ্রাম এবং বার কাউন্সিলের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “দেখুন রাষ্ট্রবাদের জয়জয়কার। এখানে সব একমুখী। একদম সেম ট্রেন্ড।” বিধানসভা ভোটের ফল নিয়ে যাঁরা আগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন, কটাক্ষের সুরে তাঁদের ‘শোক রাত্রি’ পালনের পরামর্শও দিয়েছেন। রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদলের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তৃণমূল এখন নন্দীগ্রামে প্রার্থী পর্যন্ত দিতে পারে না। পাঁচ মাস আগে যে তৃণমূল প্রার্থী রেজিনগরে ৪৭ হাজার ভোট পেয়েছিলেন, এখন তিনি মাত্র ছ’হাজার ভোট পাচ্ছেন। কংগ্রেসের জেতা লোকসভা আসনও হাতছাড়া হচ্ছে। যারা একসময় ব্রিগেডে সভা করার দম্ভ দেখাত, তারা এখন ৫০০ লোক জড়ো করতে তারামণ্ডলের গলিপথ খোঁজে!

  • West Bengal Dengue: পুজোয় ডেঙ্গির চোখরাঙানি, রক্ত ও প্লেটলেটের আকাল রুখতে আগাম প্রস্তুতি রাজ্যের

    West Bengal Dengue: পুজোয় ডেঙ্গির চোখরাঙানি, রক্ত ও প্লেটলেটের আকাল রুখতে আগাম প্রস্তুতি রাজ্যের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাঙালির প্রাণের উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ডেঙ্গির চোখ রাঙানি রয়েছে। বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ মারাত্মক। উৎসবের দিনগুলোতে ডেঙ্গি আক্রান্তের হয়রানি বাড়িয়ে দেয়। কর্মী সঙ্কটের জেরে একদিকে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। আরেকদিনে সমস্যা বাড়ায় রক্তের আকাল। পুজোর দিনগুলোতে সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কে অনেক সময়েই রক্ত পাওয়া যায় না। বিশেষত ডেঙ্গির চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় প্লেটলেটের মতো উপাদান পাওয়া আরও মুশকিল হয়ে যায়। ফলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। তবে বিগত কয়েক বছরের এই হয়রানির ছবি এবার পাল্টে দেওয়ার জন্য আগাম কয়েকটি পরিকল্পনা নিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর‌। নিবিড় যোগাযোগেই এবার ডেঙ্গি ‘অসুর’-কে বধ করার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।

    কেন ডেঙ্গি নিয়ে বাড়তি পরিকল্পনা?

    স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা জানিয়েছেন, রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বিশেষত সাম্প্রতিক তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, শহরের তুলনায় গ্রামে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। রাজ্যের ১৪টি পঞ্চায়েত এলাকায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে বাড়তি উদ্বিগ্ন প্রশাসন। গোটা রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ন’হাজার ছাড়িয়েছে। মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার জেলায় ক্রমশ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে‌। ফলে, আগামী কয়েক মাস জরুরিভিত্তিতে ডেঙ্গি মোকাবিলার কাজ চলছে।
    তবে গত কয়েক বছরের ডেঙ্গি পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা থেকেই পুজোর মরশুমে বাড়তি পরিকল্পনা নিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন।‌ স্বাস্থ্য ভবনের এক কর্তা জানান, গত কয়েক বছরে দূর্গাপুজোর দিনগুলোতে ডেঙ্গি আক্রান্তদের চিকিৎসা নিয়ে অনেক সময়েই জটিলতা দেখা যেত। অভিযোগ পাওয়া যেত, এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়ার জন্য রোগী ও তাঁর পরিজনদের ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। আবার রক্তের আকাল নিয়েও একাধিক অভিযোগ উঠেছিলো। বিশেষত অষ্টমী, নবমীর পুজোর রাতে ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের অভাব এবং তার জন্য রোগীর পরিবারের ভোগান্তির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এবার তাই আগাম প্রস্তুতি।
    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও মৃত্যু মিছিল যাতে শুরু না হয়, সে নিয়ে প্রশাসন যথেষ্ট তৎপর। প্রথম থেকেই রোগ চিহ্নিত করার দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। উৎসবের দিনগুলোতে যাতে বাড়তি বিপদ তৈরি না হয় তাই আগাম প্রস্তুতি। ডেঙ্গি আক্রান্তের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় রক্তের যাতে সঙ্কট না হয়, সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

    ডেঙ্গি রোগীর হয়রানি রুখতে কোন পরিকল্পনা রাজ্যের?

    উৎসবের মরশুমে নিবিড় যোগাযোগেই এবার ডেঙ্গি ‘অসুর’-কে কাবু করতে চায় স্বাস্থ্য প্রশাসন।

    কলকাতার সঙ্গে জেলার হাসপাতালের যোগাযোগ!

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের সমস্ত হাসপাতাল বিশেষত জেলার হাসপাতালগুলোর সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি জটিল হলে অনেক সময়েই রোগীকে অন্য হাসপাতালে পাঠাতে হয়। সেক্ষেত্রেও যাতে রোগীর কোনো অসুবিধা না হয়, সেই জন্য হাসপাতালগুলো নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখবে‌‌। চিকিৎসার জন্য এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল ঘুরে বেড়ানোর হয়রানি কমবে।

    হাসপাতালের নিজেদের মধ্যে আগাম পরিকল্পনা!

    দূর্গা পুজোর সময়ে অনেক স্বাস্থ্য কর্মী এবং চিকিৎসক ছুটিতে থাকেন। তাই আগাম বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ কোন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মী দায়িত্বে থাকবেন, সে সম্পর্কে আগেই পরিকল্পনা করা হবে। নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি হবে। যাতে রোগীর কোনো সমস্যা না হয়‌। নিজেদের মধ্যে উৎসবের দিনগুলোর দায়িত্ব ভাগ নিয়ে আগেই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করতে হবে।

    স্বাস্থ্য ভবনের জরুরি নম্বরের সাহায্য!

    উৎসবের দিনগুলোতেও ডেঙ্গি রোগীর হয়রানি কমাতে স্বাস্থ্য ভবন চব্বিশ ঘণ্টা খোলা থাকবে। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্য ভবনের জরুরি নম্বর দেওয়া থাকবে। তাঁদের সঙ্গে রোগীর পরিবার ও সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় সাহায্য পাবেন।

    কোথায় কী প্রয়োজন তার আগাম তালিকা তৈরি!

    ডেঙ্গি প্রবণ এলাকা মোটামুটি সনাক্ত করা গিয়েছে। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহের রিপোর্ট থেকেই আন্দাজ করা গিয়েছে, রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। সেই‌মতো সেই সমস্ত এলাকার হাসপাতালেও বাড়তি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সেখানে প্রয়োজনীয় রক্ত রয়েছে কিনা, সেদিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গির চিকিৎসায় যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেটাও দেখা হচ্ছে।

    কেন রক্ত নিয়ে বাড়তি পরিকল্পনা?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি চিকিৎসায় অত‌্যন্ত প্রয়োজনীয় হলো প্লেটলেট। অর্থাৎ রক্ত হলেই চলবে না। রক্তের উপাদান ভাগ করে রাখতে হবে। লোহিত কণিকা, শ্বেত কণিকা এবং প্লেটলেট, এই তিনটে উপাদানে রক্তকে ভাগ করে সংরক্ষণ করা হয়। রক্তের একটি নির্দিষ্ট উপাদান প্লেটলেট। এটাই ডেঙ্গির চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। কিন্তু গত কয়েক বছরে দেখা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর সময়ে রাজ্য জুড়ে রক্তের আকাল দেখা যায়। বিশেষত উপাদান ভাগ করা রক্তের আরও বেশি আকাল হয়। গত কয়েক বছরে এই সময়ে রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গির দাপট থাকে। তাই প্লেটলেটের চাহিদাও হয় মারাত্মক। তবে, সেই মতো ব্লাড ব্যাঙ্কে প্লেটলেট পাওয়া যায় না। সময় মতো রক্তের জোগান দিতে না পারার জেরে, বড় বিপদ ও ঘটে যায়। তাই রক্ত বিশেষত উপাদান ভাগ করা রক্তের জোগানের দিকে বাড়তি নজরদারি।

    কীভাবে রক্তের চাহিদা পূরণের পরিকল্পনা হয়েছে?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন ব্লাড ব্যাঙ্কে কতখানি রক্ত মজুত রয়েছে, সেই নিয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। নিয়মিত চাহিদা কোথায়, কতখানি সেটাও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যাতে চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জোগান বজায় রাখ যায়। তাছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের উপাদান বা কম্পোনেন্ট ভাগ করার পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। যাতে প্লেটলেটের চাহিদা পূরণ হয়।
    পাশপাশি বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে এমন বিশেষ কিছু আধুনিক যন্ত্র রাখা হয়েছে, যাতে রক্তদাতার থেকে রক্ত সংগ্রহ করে দ্রুত রক্তের উপাদান বিভাজন করে, প্লেটলেট আলাদা করা যায়‌। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতেও প্লেটলেটের সমস্যা হবে না।
    তাছাড়া, ব্লাড ব্যাঙ্কগুলোর নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে, কোথায় ঘাটতি আছে সেটা যেমন স্পষ্ট হবে, তেমন রোগীর পরিজনদের ও স্পষ্ট তথ্য দেওয়া যাবে। এতে হয়রানি ও সময়ের অপচয় কমবে। চিকিৎসাও দ্রুত করা যাবে।

  • Ramayana Release Date: বিশ্বজুড়ে একই দিনে মুক্তি পাবে রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’, ঘোষণা নির্মাতাদের

    Ramayana Release Date: বিশ্বজুড়ে একই দিনে মুক্তি পাবে রণবীর কাপুরের ‘রামায়ণ’, ঘোষণা নির্মাতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু প্রতীক্ষার অবসান। রণবীর কাপুর (Ranbir Kapoor’s Ramayana) অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত পৌরাণিক ছবি ‘রামায়ণ’-এর প্রথম পর্বের (Ramayana Release Date) মুক্তির দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলেন নির্মাতারা। আগামী ৫ নভেম্বর, ২০২৬ বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে ৬ নভেম্বর এবং ভারতে ৮ নভেম্বর ছবি মুক্তির সম্ভাবনার কথা শোনা গিয়েছিল। তবে এবার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একই দিনে ছবি মুক্তির কথা জানিয়েছেন নির্মাতারা। ছবির প্রযোজক নমিত মালহোত্রা এবং পরিচালক নীতেশ তিওয়ারির এই মহাকাব্যিক প্রজেক্ট ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রবল আগ্রহ। সম্প্রতি নবরাত্রির শুভ সূচনায় ছবির নির্মাতারা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টার প্রকাশ করে মুক্তির দিন ঘোষণা করেন। পোস্টারে দেখা গিয়েছে রণবীর কাপুর, সাই পল্লবী, যশ এবং রবি দুবেকে। নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, আগামী ২০ অক্টোবর, বিজয়া দশমীর দিন থেকে ছবির প্রথম পর্বের অগ্রিম টিকিট বুকিং শুরু হবে। অর্থাৎ, দুর্গাপুজোর উৎসবের আবহেই শুরু হয়ে যাবে বহু প্রতীক্ষিত এই ছবির টিকিট কাটার পালা।

    বাল্মীকি রামায়ণের আধারে তৈরি মহাকাব্যিক ছবি

    মহর্ষি বাল্মীকি রচিত রামায়ণের কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে ‘রামায়ণ’। বিশাল বাজেট, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণশৈলীর সমন্বয়ে ছবিটিকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম উচ্চাকাঙ্ক্ষী পৌরাণিক প্রজেক্ট হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। ছবিটি দুটি পর্বে মুক্তি পাবে। নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত এই ছবির প্রযোজনায় রয়েছে নমিত মালহোত্রার প্রাইম ফোকাস স্টুডিওজ, ডিএনইজি এবং যশের মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশনস। ছবির সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সুরকার হ্যান্স জিমার এবং ভারতের অস্কারজয়ী সুরকার এ আর রহমান। আইম্যাক্স প্রযুক্তিতে নির্মিত ছবিটি একাধিক ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাষায় মুক্তি পাওয়ার কথা। হিন্দি, ইংরেজি, বাংলা-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার পাশাপাশি তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম, জাপানি, ম্যান্ডারিন, বাহাসা ইন্দোনেশিয়া, থাই এবং আরবি ভাষাতেও ছবিটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    ছবির প্রথম পর্ব মুক্তি পাবে ৫ নভেম্বর

    ছবির অভিনয়শিল্পীদের তালিকাও যথেষ্ট আকর্ষণীয়। রামচন্দ্রের ভূমিকায় রণবীর কাপুর এবং সীতার ভূমিকায় সাই পল্লবীকে দেখা যাবে। যশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন সানি দেওল, রবি দুবে, রাকুল প্রীত সিং, অরুণ গোভিল, কাজল আগরওয়াল, বিবেক ওবেরয়, শোভনা, কুণাল কাপুর, লারা দত্ত, শিবা চাড্ডা, ইন্দিরা কৃষ্ণন, অনুপম খের-সহ একাধিক পরিচিত অভিনেতা। ছবির প্রথম পর্ব মুক্তি পাবে ৫ নভেম্বর, ২০২৬। অন্যদিকে, দ্বিতীয় পর্বটি ২০২৭ সালের দীপাবলিতে মুক্তি পাওয়ার কথা। ভারতীয় মহাকাব্যকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে নতুনভাবে তুলে ধরার এই উদ্যোগ কতটা সাফল্য পায়, এখন সেদিকেই নজর চলচ্চিত্রপ্রেমীদের। বিশ্বজুড়ে একই দিনে মুক্তি এবং দশেরায় অগ্রিম বুকিং শুরুর ঘোষণায় ‘রামায়ণ’ নিয়ে প্রত্যাশা আরও বাড়ল বলেই মনে করছে চলচ্চিত্র মহল।

  • Record DCR Collection: পাথরের রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড বীরভূমের! একদিনেই ৩.৪৪ কোটি আয়

    Record DCR Collection: পাথরের রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড বীরভূমের! একদিনেই ৩.৪৪ কোটি আয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাথরের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়ল বীরভূম (Birbhum Stone Revenue)। পাথরের ডিসিআর (DCR) খাতে একদিনে ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় করল প্রশাসন। শুধু তাই নয়, প্রশাসনিক সূত্রে খবর, অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনেই ৩২ কোটির বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই সাফল্য প্রসঙ্গে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari On Birbhum Stone Revenue)। তাঁর দাবি, রাজস্ব ফাঁকি রোধ এবং সরকারি কোষাগারের আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

    বীরভূম জেলা প্রশাসনের সাফল্য

    রাজনৈতিক পালাবদলের পর বীরভূমে বালি এবং পাথর খাদানগুলিতে পূর্বতন সরকারের নানা দুর্নীতির খবর প্রকাশ্যে উঠে এসেছিল। ইতিমধ্যেই সেখানকার পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের সম্পত্তির হদিস নিয়ে মামলা চলছে। এমতাবস্থায় বীরভূমের পাথরের ডিসিআর (DCR) খাতে নয়া ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়ল সেখানকার জেলা প্রশাসন। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর ফেসবুকে বীরভূমে পাথরের রাজস্ব আদায়ের একটি রিপোর্ট পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন যে, “আজ বীরভূম জেলা প্রশাসনের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য আপামর পশ্চিমবঙ্গবাসীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। গতকাল, নবরাত্রির প্রথম দিনেই, পাথরের ডিসিআর থেকে সর্বমোট ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা এক দিনে আদায়ের সর্বকালীন রেকর্ড।”

    আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী

    বিগত সরকারের দুর্নীতির কথা তুলে ধরে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন যে, “গত বছর আগের সরকারের আমলে পুরো অক্টোবর মাসে এই খাতে আদায় হয়েছিল মাত্র ৩ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা। কিন্তু চলতি অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনেই আদায় হয়েছে ৩২ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা। পাথরের রাজস্ব থেকে মাসে ১০০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা আমরা এবার ছাড়িয়ে যাব বলে আমি আশাবাদী। রাজস্ব ফাঁকি রোধ ও সরকারি কোষাগারের আয় বৃদ্ধিতে এই সাফল্যের জন্য বীরভূম জেলা প্রশাসন ও ভূমি দফতরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। স্বচ্ছ প্রশাসন, রাজস্ব আদায়ে শৃঙ্খলা এই আমাদের অঙ্গীকার।” বীরভূমের এই সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেছেন ওই জেলার বিধায়ক তথা রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কথা দিয়েছিলাম, শুধু পাথরের রাজস্ব থেকেই মাসে ১০০ কোটি টাকা আদায় করে দেব। অক্টোবরে আমরা তা ছাড়িয়ে যাব। আর একবার ধন্যবাদ জেলা প্রশাসন এবং ভূমি দফতরকে একদিনে এ যাবৎকালের রেকর্ড রাজস্ব আদায় করার জন্য।”

     

     

     

  • Jantar Mantar Protest: দিল্লিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা, প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত হল তিনটি বিকল্প স্থান

    Jantar Mantar Protest: দিল্লিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা, প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত হল তিনটি বিকল্প স্থান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভ কর্মসূচির জায়গা হিসেবে যন্তর-মন্তরকে (Jantar Mantar Protest) ডি-নোটিফাই করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দিল্লিতে এই এলাকায় আর বিক্ষোভ দেখানো যাবে না। বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য তিনটি জায়গাকে চিহ্নিত করল কেন্দ্র। দিল্লির যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের নির্ধারিত স্থান হিসেবে বাতিল করার কথা জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। পরিবর্তে রাজধানীর তিনটি পৃথক এলাকায় বিক্ষোভের জন্য নতুন স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী দিনে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। চলতি বছর, ২৮ এপ্রিল দিল্লি পুলিশের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করে প্রতিবাদস্থল হিসাবে যন্তর মন্তরকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। এ বার সেই নির্দেশিকায় বদল আনল অমিত শাহের অধীনে থাকা দিল্লি পুলিশ। যন্তর মন্তরের কাছে রয়েছে বেশ কিছু সরকারি দফতর। মনে করা হচ্ছে, তার আশপাশে যাতে প্রতিবাদ কর্মসূচি না হয়, তাই এই পদক্ষেপ।

    দিল্লি পুলিশের বিশেষ নির্দেশিকা

    ১১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে জারি করা এক নির্দেশ অনুযায়ী, নতুন নির্ধারিত স্থানগুলি হল পুরনো দিল্লির রামলীলা ময়দান, পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড এবং উত্তর দিল্লির বুরাড়ি গ্রাউন্ড। যন্তর মন্তর থেকে এই স্থানগুলির দূরত্ব যথাক্রমে প্রায় ৩ কিলোমিটার, ১৩.৫ কিলোমিটার এবং ৪৪ কিলোমিটার। দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমারের স্বাক্ষরিত এই নির্দেশে ২৮ এপ্রিল, ২০২২-এর পূর্ববর্তী নির্দেশ আংশিক সংশোধন করা হয়েছে। ওই নির্দেশে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, নতুন তিনটি স্থানে বিক্ষোভ ও জমায়েত পরিচালনার জন্য সংশোধিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) পরে প্রকাশ করা হবে। দিল্লি পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারের প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘‘কমিটির সুপারিশ মোতাবেক যন্তর মন্তর আর প্রতিবাদস্থল থাকছে না। প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ কর্মসূচি করার জন্য এ বার তিনটি স্থান নির্ধারিত হয়েছে— রামলীলা ময়দান, বুরারি মাঠ এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি মাঠ।’’ ওই তিনটি স্থানে প্রতিবাদ কর্মসূচি করতে হলে কী ভাবে অনুমতি নিতে হবে, বা কী কী করতে হবে, তা নিয়ে শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে নির্দেশিকা (এসওপি)।’’

    শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে সরব সিজেপি

    যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া নিয়ে কক্‌রোচ জনতা পার্টি (CJP) এবং দিল্লি পুলিশের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। সোমবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার বাইরে এসে সিজেপি-র নেতারা বিক্ষোভের জন্য নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণার দাবি জানান। দলের বক্তব্য, তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের পরিকল্পনার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশকে জানিয়েছিলেন এবং পুলিশ সেই বার্তা গ্রহণও করেছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বিক্ষোভের তারিখ জানানো হয়নি। অনুমতি না দেওয়ার কারণও তাদের স্পষ্ট করে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। সিজেপি-র প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, বিক্ষোভের তারিখ জানানোর জন্য পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর না এলে দল মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। সম্প্রতি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযানে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও তুলেছেন দাস। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীদের বাসের ভিতরে মারধর করা হয়েছে। পাশাপাশি, দলের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে কথা বলতে ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ এবং অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ এড়িয়ে গিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দাসের কথায়, “ভারত সরকার নিজের নাগরিকদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ চালাচ্ছে।” তবে দল শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চালিয়ে যাবে বলেও তিনি জানান।

    কেন যন্তর মন্তর-এ সভা নয়

    অন্যদিকে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে INDIA জোটের সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে প্রস্তাবিত মিছিলকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তার কড়াকড়ি এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের উপর বিধিনিষেধ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী নেতারা। যদিও দিল্লি পুলিশের নির্দেশে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের স্থান হিসেবে বাতিল করার কারণ হিসেবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গঠিত একটি কমিটির সুপারিশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সিজেপি-র দাবির বা ইন্ডি জোটের প্রস্তাবিত মিছিলের সরাসরি যোগসূত্র নির্দেশে স্পষ্ট করা হয়নি। তবে রাজধানীতে একের পর এক প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার আবহে এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    যন্তর মন্তর বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে শুনানি

    যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বন্ধ করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা একটি মামলার শুনানি মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, দিল্লি হাই কোর্টে হওয়ার কথা। আবেদনকারীর আইনজীবীর যুক্তি ছিল, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ বন্ধ করা হলেও বিকল্প কোনও স্থান নির্ধারণ করা হয়নি। এ ছাড়াও, ১০ ও ১১ অক্টোবর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ কর্মসূচি সংক্রান্ত পৃথক একটি মামলাও মঙ্গলবার শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে আদালত জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করেনি। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিষয়টি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিবেচনাধীন এবং শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হলফনামা চেয়েছে। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প স্থান নির্ধারণের সিদ্ধান্তকে ঘিরে আগামী দিনে আইনি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

     

     

     

     

     

     

  • Durga Puja Weather Update: পুজোতেও বৃষ্টি, নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! পঞ্চমী থেকে দশমী কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    Durga Puja Weather Update: পুজোতেও বৃষ্টি, নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! পঞ্চমী থেকে দশমী কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকের আওয়াজ শোনা গিয়েছে। মহালয়া এবং প্রতিপদে শহরের বেশ কিছু পুজো প্যান্ডেলের উদ্বোধন হয়ে গিয়েছে। পুজোর আনন্দে মেতে উঠতে ধীরে ধীরে পথে বাড়ছে মানুষের ঢল। প্যান্ডেল হপিং, সাজগোজ থেকে শুরু করে রেস্তরাঁয় জমিয়ে খাওয়া দাওয়া- দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) পাঁচদিনের প্ল্যানিং করে ফেলেছে বাঙালি। কিন্তু এই উৎসাহে জল ঢালতে প্রস্তুত আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Forecast)। বঙ্গোপসাগরে ফের ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ (Rain Forecast)। মঙ্গলবারই দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নতুন নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এরফলে পুজোর দিনগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Durga Puja Weather) দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    কীভাবে দানা বাঁধছে এই নিম্নচাপ

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মালাক্কা প্রণালীর উপর একটি ঊর্ধ্ব বায়ুমণ্ডলীয় ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯.৪ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত এবং অত্যন্ত সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই ঘূর্ণাবর্তটি প্রবেশ করতে চলেছে আন্দামান সাগরে। এর জেরেই আগামী ১৩ অক্টোবর নাগাদ দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর আনুষ্ঠানিকভাবে তৈরি হতে পারে নতুন নিম্নচাপ অঞ্চলটি। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, নিম্নচাপটির অভিমুখ তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের দিকে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে বুধবার চতুর্থী থেকে আবহাওয়ায় পরিবর্তন হতে পারে। সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলা বাড়লে মেঘের আনাগোনা বাড়বে। এ দিন উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে এক-দু’টি জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে শুকনো আবহাওয়া থাকবে।

    পঞ্চমী থেকে অষ্টমীর আবহাওয়া

    পঞ্চমী: দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, দুই মেদিনীপুর জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ষষ্ঠী (১৬ অক্টোবর): এই দিন দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হুগলির বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির দেখা মিলতে পারে।

    সপ্তমী: উত্তর ও দক্ষিণ দুই বঙ্গেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাহাড়ের কোলে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার এক-দু’টি জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রপাতের সম্ভাবনা আছে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হুগলি জেলার বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে।

    অষ্টমী: মহাষ্টমীর দিনে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং জেলার দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রপাত হতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতে আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। আর দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে, উপকূল ও সংলগ্ন জেলা যেমন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।

    ছাতা সঙ্গে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ

    নবমী ও দশমীতে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে, উৎসবের দিনগুলিতে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শন এবং প্যান্ডেল হপিংয়ের সময় ছাতা সঙ্গে রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে বলে পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

  • Olympics 2036: ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্নপূরণে এগিয়ে চলেছে ভারত, জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Olympics 2036: ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্নপূরণে এগিয়ে চলেছে ভারত, জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মাটিতে বিশ্বের বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের স্বপ্নের কথা ফের জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শারোদৎসবের প্রাক্কালে ক্রীড়া উৎসবের কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী। জানালেন , ২০৩৬ সালের অলিম্পিক গেমস (Olympics 2036) আয়োজনের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে ভারত। রবিবার (১১ অক্টোবর) চেন্নাইয়ে জয়গোপাল গারোদিয়া হিন্দু বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত যখন ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন আমরা ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্ন নিয়েও এগিয়ে চলেছি।”

    সম্ভাব্য আয়োজক শহর আমেদাবাদ

    ভারত প্রথমবারের মতো অলিম্পিক গেমস আয়োজনের জন্য সক্রিয়ভাবে উদ্যোগী হয়েছে। এই লক্ষ্যে গুজরাটের আমেদাবাদকে সম্ভাব্য আয়োজক শহর হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমসও এই শহরেই আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির কথায়, আন্তর্জাতিক স্তরের বড় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো আরও উন্নত করা এবং তরুণ খেলোয়াড়দের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

    কমনওয়েলথ আয়োজনের অভিজ্ঞতা

    আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) সঙ্গে বর্তমানে ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজন নিয়ে আলোচনায় রয়েছে মোট সাতটি দেশ। ভারত ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে জার্মানি, হাঙ্গেরি, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং তুরস্ক। আইওসি ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে আগ্রহী দেশগুলির মধ্যে থেকে সম্ভাব্য আয়োজকদের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করতে পারে। ২০৩৬ সালের অলিম্পিকের চূড়ান্ত আয়োজক দেশের নাম ২০২৯ সালে ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আইওসি প্রেসিডেন্ট কার্স্টি কোভেন্ট্রিও জানিয়েছেন, যে দেশই অলিম্পিক আয়োজন করুক, ক্রীড়াবিদদের অভিজ্ঞতা ও স্বার্থকে সমস্ত প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে রাখতে হবে। আসন্ন ২০২৮ সালের অলিম্পিক হবে লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং ২০৩২ সালের আসর বসবে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে। ভারতের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পরিকাঠামো, আয়োজনের সক্ষমতা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির মাধ্যমে এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের অভিজ্ঞতা ২০৩৬ সালের অলিম্পিকের দাবিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • CJP and Delhi Police: ‘অমানবিক আচরণের’ অভিযোগ খারিজ! দীপকের দাদির মৃত্যুসংবাদ দেওয়ার ভিডিও প্রকাশ দিল্লি পুলিশের

    CJP and Delhi Police: ‘অমানবিক আচরণের’ অভিযোগ খারিজ! দীপকের দাদির মৃত্যুসংবাদ দেওয়ার ভিডিও প্রকাশ দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিজেপির (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দিদার মৃত্যুসংবাদ তাঁকে জানানোর সময় দিল্লি পুলিশ ‘অমানবিক আচরণ’ করেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছিল। প্রমাণ দেখিয়ে সেই অভিযোগ খারিজ করল দিল্লি পুলিশ। অভিযোগের জবাবে একটি ভিডিও প্রকাশ করে পুলিশের দাবি, দীপকে-কে সংবেদনশীলতার সঙ্গেই দুঃসংবাদটি জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি, তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ এবং প্রয়োজনে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা সাংবাদিক বৈঠকে অভিযোগ করেছিলেন, প্রতিরোধমূলক হেফাজতে থাকা অভিজিৎকে তাঁর দিদার মৃত্যুর খবর জানানোর সময় পুলিশ অমানবিক আচরণ করেছে। এমনকি, সেই মুহূর্তের ভিডিও রেকর্ড করাকেও তিনি পুলিশের অসংবেদনশীলতার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।

    দিল্লি পুলিশের দাবি

    সিজেপির অভিযোগের পরই পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করেন দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (DCP) নেহা যাদব। সেখানে প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, এক মহিলা পুলিশকর্মী শান্তভাবে দীপককে তাঁর দাদির মৃত্যুর খবর জানাচ্ছেন। কিছুটা সময় দেওয়ার পর তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে চান কি না, কিংবা বাড়ি ফেরার জন্য বিমানযাত্রার ব্যবস্থা-সহ কোনও সাহায্য প্রয়োজন কি না। পুলিশের দাবি, দীপক সেই প্রস্তাবগুলি প্রত্যাখ্যান করেন। ডিসিপি নেহা যাদবের বক্তব্য, “অভিজিৎ দীপকের দাদির মৃত্যুর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ আধিকারিকরা তাঁর কাছে গিয়ে বিষয়টি জানান এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার প্রস্তাব দেন। বিমানযাত্রা, ফোনে কথা বলা কিংবা অন্য কোনও সাহায্যের প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা সংবেদনশীলতার সঙ্গে জানতে চাওয়া হয়। তাঁকে একাধিকবার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি রাজি হননি।”

    কেন সিজেপি-কে বিক্ষোভের অনুমতি নয়

    এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে দিল্লিতে সিজেপি-র প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেন ডিসিপি যাদব। তাঁর দাবি, অতীতে বিক্ষোভের অনুমতি ও প্রশাসনিক নির্দেশিকা মেনে চলার ক্ষেত্রে সিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ ছিল। বিশেষত, প্রশ্নপত্র ফাঁস-বিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন হিংসা, পাথর ছোড়া এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি পুলিশের। ডিসিপি-র কথায়, “আগে অনুমতি দেওয়া হলেও তাঁরা আইন মেনে চলেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের জমায়েত থেকে ব্যাপক পাথর ছোড়া, অগ্নিসংযোগ ও হিংসার ঘটনা ঘটে এবং সরকারি সম্পত্তির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়।” তিনি আরও জানান, জনপথে প্রস্তাবিত অবস্থান-বিক্ষোভের ক্ষেত্রে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ না করা, অতীতের নিয়মভঙ্গের অভিযোগ এবং তৎকালীন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনা করেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।

    বিমানবন্দর থেকে আটক, পরে মুক্তি

    উল্লেখ্য, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে দিল্লিতে অনুমতিহীন বিক্ষোভের আশঙ্কায় বিমানবন্দর থেকে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। তাঁদের হেফাজতে রাখা হয়েছিল। পরদিন, অর্থাৎ ১১ অক্টোবর, এক বছরের বন্ড জমা দেওয়ার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে শান্তিভঙ্গ হতে পারে, এমন কোনও কার্যকলাপে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকারও তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

LinkedIn
Share