Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Bengal Elections 2026: ‘‘ঝালমুড়ি আমি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল তৃণমূলের লেগেছে’’, কৃষ্ণনগরের সভা থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ মোদির

    Bengal Elections 2026: ‘‘ঝালমুড়ি আমি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল তৃণমূলের লেগেছে’’, কৃষ্ণনগরের সভা থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার ভোটের দিন রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ তাঁর দু’টি জনসভা রয়েছে। প্রথম সভা বেলা সাড়ে ১২টায় কৃষ্ণনগরে। মোদির দ্বিতীয় জনসভা মথুরাপুর। তার পরে বিকেলে হাওড়ায় রোড শো রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

    কমিশনের প্রশংসা…

    কৃষ্ণনগরের সভা থেকে নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘‘আজ পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোট চলছে। আমি সকলকে ভোটারকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। সকলে গণতন্ত্রের উৎসব পালন করতে হবে।’’ তার পরেই মোদি বলেন, ‘‘আমি যত দিন রাজনীতিতে এসেছি, বলতে পারি গত ৫০ বছরে প্রথম এমন নির্বাচন হচ্ছে, যেখানে সবচেয়ে কম হিংসার ঘটনা ঘটছে। আগে তো লোককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে বলত আত্মহত্যা করেছে। আমি নির্বাচন কমিশনকে অভিনন্দন জানাই।’’

    ‘‘ভয় থেকে মুক্তি পেতে ভোট’’

    মোদি বলেন, ‘‘আমি দেখতে পাচ্ছি ভয় দূর হচ্ছে। ভয় থেকে মুক্তি পেতে ভোট দিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গবাসী। আমি সব জায়গা দেখতে পাচ্ছি, সকলেই বলছেন পাল্টানো দরকার।’’ কৃষ্ণনগরের সভা থেকে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের অভিনন্দন জানালেন মোদি। তাঁর কথায়, ‘‘রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করছেন। তাঁদের সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ভোটদানের হার সব রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে।’’

    ‘‘…ঝাল তৃণমূলের লেগেছে’’

    কৃষ্ণনগরের সভা থেকে আবার ঝালমুড়ির প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘৪ মে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিজয়োৎসব হবে। মিষ্টি দেওয়া হবে, দেওয়া হবে ঝালমুড়িও। তবে আমি শুনেছি, ঝালমুড়ি কিছু লোককে জোর ধাক্কা দিয়েছে। ঝালমুড়ি আমি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল তৃণমূলের লেগেছে।’’ মোদি বলেন, ‘‘আমি এ বার বাংলায় অনেক জায়গায় ঘুরেছি। দেখেছি মানুষ তৃণমূলের নেতা, বিধায়ক, মন্ত্রীদের কাজে অতিষ্ঠ। সেই কারণে অনেক জেলার অনেক জায়গায় খাতাই খুলতে পারবে না তৃণমূল।’’

    জনতা শঙ্খে ফুঁ দিচ্ছে…

    মোদি বলেন, ‘‘১৫ বছর আগে বামেদের বিরুদ্ধে জনতা কেবল ফুঁ দিয়েছিল। কিন্তু এ বার তৃণমূলের জঙ্গলরাজের বিরুদ্ধে জনতা শঙ্খে ফুঁ দিচ্ছে। আমরা ভোটে লড়ছি না। এ বারের ভোট জনতা লড়ছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘সরকারি কর্মচারীরা ভয় থেকে বেরিয়ে এসে ভোট দিচ্ছেন। চিকিৎসকেরা ভাল ব্যবস্থার জন্য ভোট দিচ্ছেন। আইনজীবীরা ভোট দিচ্ছেন ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য। শিক্ষক ভয়মুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ভোট দিচ্ছেন। জনতার সেবা করার জন্য ভোট দিচ্ছে পুলিশ।’’

    অনুপ্রবেশ নিয়ে নিশানা তৃণমূলকে

    কৃষ্ণনগরের সভা থেকে তৃণমূলকে নিশানা করেন মোদি। তিনি দাবি করেন, তৃণমূল যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা পূরণ করতে ব্যর্থ। তাঁর কথায়, ‘‘তৃণমূলের লোক কেবল লুট করতে ব্যস্ত।’’ মোদি বলেন, ‘‘অত্যাচারী, দুর্নীতিবাজদের কোনও জায়গা হবে না পশ্চিমবঙ্গে। কেউ ছাড় পাবে না। বিচার করবে আইন। লুটের টাকা সকলে ফেরত পাবেন।’’ মোদি বলেন, ‘‘অনুপ্রবেশ বড় সমস্যা।’’ অনুপ্রবেশের জন্য আবার একবার তৃণমূল সরকারকে দুষলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এ-ও বলেন, ‘‘সীমান্তের সুরক্ষা তখনই সম্ভব যখন পুলিশ, সেনা, বিএসএফ এবং নাগরিকেরা একসঙ্গে কাজ করবে। ৪ মে-র পর সুরক্ষার নতুন গ্যারান্টি শুরু হবে।’’

    মতুয়াদের অভয় দিলেন মোদি…

    মোদি বলেন, ‘‘মতুয়াদের তৃণমূলকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনাদের কেউ হাত লাগাতে পারবে না।’’ তিনি আরও বলেন, শরণার্থীদের ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। যাঁরা ধর্মীয় বিভাজনের কারণে ভারতে এসেছেন তাঁদের সঙ্গে মোদী রয়েছে। মোদীর প্রতিশ্রুতি, ‘‘৪ মে-তে বিজেপি সরকার তৈরি হওয়ার পর পরই সিএএ দিয়ে নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজের গতি আরও বাড়বে।’’

    মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে সরব…

    আবার মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে সরব হলেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তৃণমূল চায় না সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বাড়ুক। কংগ্রেসের সঙ্গে মিলে সংসদে ওই বিল আটকে দিয়েছে তৃণমূল।’’ মোদি বলেন, ‘‘প্রতি ব্লকে মহিলা থানা হবে। রাস্তায় সুরক্ষার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা হবে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মহিলাদের উপস্থিতি বাড়ানোর পদক্ষেপ করা হবে। মাতৃশক্তি ভরসা কার্ডের মাধ্যমে বছরের ৩৬ হাজার টাকা মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।উচ্চশিক্ষার জন্য মেয়েদের সাহায্য করা হবে। শিশুদের লালনপালনের জন্য অতিরিক্ত ৩৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে।’’

  • Gujarat ATS: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জঙ্গি নেটওয়ার্ক! আরএসএস কর্মীদের টার্গেট, গুজরাটে বড় চক্রান্ত ভেস্তে দিল এটিএস

    Gujarat ATS: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জঙ্গি নেটওয়ার্ক! আরএসএস কর্মীদের টার্গেট, গুজরাটে বড় চক্রান্ত ভেস্তে দিল এটিএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে গুজরাট এটিএস ( Gujarat Anti-Terrorist Squad)। ধৃতরা হল—ইরফান কালেখান পাঠান (২২), পাটন জেলার সিদ্ধপুরের বাসিন্দা এবং মুরশিদ জাহিদ আখতার শেখ (২১), মুম্বইয়ের সাকিনাকা এলাকার বাসিন্দা। তদন্তকারীদের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এরা চরমপন্থী মতাদর্শ ছড়াচ্ছিল এবং যুবকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিল। আরএসএস স্বয়ংসেবকদের টার্গেট করে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এই দুই যুবককে।

    ডিজিটাল নজরদারিতে বড় সাফল্য

    এটিএস জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে সন্দেহজনক কার্যকলাপের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছিল। সেই সময় ইরফান পাঠানের কার্যকলাপ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষায় হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে আইএসআইএস-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, পাঠান ও তার সহযোগীরা ‘গাজওয়া-এ-হিন্দ’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি বিস্তৃত জঙ্গি নেটওয়ার্ক তৈরির পরিকল্পনা করছিল। বিভিন্ন রাজ্য থেকে যুবকদের নিয়োগ করে অস্ত্র চালনা ও বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তদের ডিভাইস থেকে উদ্ধার হওয়া কথোপকথনে রাজনৈতিক নেতা এবং আরএসএস-এর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের টার্গেট করার পরিকল্পনার ইঙ্গিত মিলেছে।

    বিদেশি যোগাযোগ ও অর্থের খোঁজ

    এটিএসের দাবি, পাঠান পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে অস্ত্র পাচারের জন্য আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করছিল। সম্ভাব্য অর্থের উৎস ও বিদেশি সাহায্যের দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে মুরশিদ শেখের নাম সামনে আসে। গুজরাট এটিএস ও মহারাষ্ট্র পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে মুম্বই থেকে আটক করা হয়। তার মোবাইল থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও কথোপকথন উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ষড়যন্ত্র (ধারা ৬১) এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা (ধারা ১৪৮)। আদালত দু’জনকেই ১১ দিনের এটিএস হেফাজতে পাঠিয়েছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত আরও ব্যক্তিদের খোঁজে তদন্ত চলছে।

  • Bangladesh Hindu Attack: ফের হিন্দুহত্যা! ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বাংলাদেশে মন্দির কর্মীর রহস্যমৃত্যু

    Bangladesh Hindu Attack: ফের হিন্দুহত্যা! ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বাংলাদেশে মন্দির কর্মীর রহস্যমৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাংলাদেশে এক হিন্দুর রহস্যমৃত্যু (Bangladesh Hindu Attack)। কক্সবাজার সদর উপজেলার একটি পাহাড়ি এলাকা থেকে তিন দিন ধরে নিখোঁজ এক মন্দির পরিচর্যাকারীর দেহ উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার বিকেলে স্থানীয়দের নজরে আসে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ব্যক্তির দেহ। মৃত ব্যক্তির নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি সাতকানিয়ার বাসিন্দা এবং খুরুশখুল ইউনিয়নের পুলিশশোরা ঘোনা নাগ পঞ্চমী মন্দিরে পরিচর্যাকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নয়নকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ।

    গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মিলল দেহ

    পুলিশ সূত্রে খবর, পরিবারের পক্ষ থেকে বহু খোঁজাখুঁজির পর সোমবার রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নয়ন দাস নিখোঁজ বলে একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার স্থানীয় বাসিন্দা ও মন্দিরের সহকর্মীরা আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালান। অবশেষে বুধবার প্রায় ৩০-৩৫ জনের একটি দল মন্দিরের পূর্বদিকে একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নয়নের দেহ দেখতে পায় এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। দেহের গলায় একটি কাপড় পেঁচানো ছিল বলে জানা গিয়েছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামিউদ্দিন জানিয়েছেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না এটি হত্যা না আত্মহত্যা। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।”

    পরিবারের দাবি খুন

    মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, নয়নকে হত্যা করে পরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তাঁর কথায়, দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। কক্সবাজার পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জনি ধর জানান, পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল রাতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি নয়ন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে, আত্মহত্যা নয়, নয়নকে খুনকরা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের শনাক্ত করতে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এর আগে হাসিনা পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু নিধন যজ্ঞ চলেছে।

  • Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিন বাংলার মহিলা ভোটারদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেটাও আবার বাংলা ভাষায়। একই সঙ্গে ভোট দিতে এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানালেন যুবসমাজকেও। আজ, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে নির্বাচন। মোদি লিখলেন,‘সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। বিশেষ ভাবে তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

    ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন

    আজ প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিনই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের প্রচারে কৃষ্ণনগর এবং মথুরাপুরে দু’টি জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। তার পরে হাওড়ায় একটি রোড শো-ও করার কথাও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগে ভোর হতেই বাংলার মানুষকে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সকলকে উৎসাহিত করেছেন। এ দিন প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টায়। অতিরিক্ত গরমে বেলা বাড়ার আগেই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন মানুষ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথ খোলা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭ জন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আয়তনের নিরিখে সবচেয়ে ছোট বিধানসভা কেন্দ্র হলো শিলিগুড়ি (৪১.৯ বর্গ কিলোমিটার)। সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটার সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ (১ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটার) এবং সবচেয়ে বড় পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর (২ লক্ষ ৯৬ হাজারের বেশি ভোটার)। আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিধানসভা ভোট রয়েছে তামিলনাড়ুতেও। দক্ষিণের এই রাজ্যটিতে এক দফাতেই ভোট হচ্ছে। সে রাজ্যের ২৩৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪,০২৩ জন প্রার্থী।

    সুরক্ষিত বাংলা গড়তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) শুরু হতেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন অমিত শাহও (Amit Shah)। আজ বাংলায় প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। এবারের নির্বাচন রাজ্যের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের সরকারই বাংলার ডেমোগ্রাফি পরিবর্তনকারী অনুপ্রবেশকারী, সিন্ডিকেট ও কাটমানি রাজ থেকে রাজ্যকে মুক্তি দিতে পারে। বাংলার মা ও বোনেদের জন্য একটি সুরক্ষিত বাংলা গড়তে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিতে আহ্বান অমিত শাহের। সকল ভোটার, বিশেষ করে যুবসমাজ, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ভোট দিয়ে, জলপান করতে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জনসভা থেকে ঘোষণা করেছিলেন আগেই। সত্যি সত্যিই ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গেই থাকছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রথম দফার ভোটে দলের ওয়ার রুমে থাকবেন তিনি। সল্টলেকে বিজেপির দফতরে বসেই নজর রাখবেন ভোটে।

  • West Bengal Elections 2026: ৩.৬ কোটি ভোটারের রায় আজ! শুরু প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, ১৫২ আসনে ভাগ্য পরীক্ষা ১,৪৭৮ প্রার্থীর

    West Bengal Elections 2026: ৩.৬ কোটি ভোটারের রায় আজ! শুরু প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, ১৫২ আসনে ভাগ্য পরীক্ষা ১,৪৭৮ প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে রাজ্যের বিভিন্ন বুথে ভোট নেওয়া হচ্ছে, যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এই দফায় ১৬টি জেলার মোট ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর—এই জেলাগুলির ভোটাররা আজ তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করছেন।

    ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩১০ ভোটার…

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া শেষে এই দফায় মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৭১। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ৮৪ লক্ষের বেশি, মহিলা ভোটার প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষ, এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৪৬৫ জন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ট্রাইবুনালে অনুমোদিত আরও ১৩৯ জন ভোটার যুক্ত হওয়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩১০।

    ১,৪৭৮ প্রার্থীর ভাগ্যপরীক্ষা…

    এই দফায় ৫৫টি রাজনৈতিক দলের মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে ১,৩১১ জন পুরুষ এবং ১৬৭ জন মহিলা। কোচবিহার দক্ষিণ, ইটাহার ও করণদিঘি কেন্দ্রে সর্বাধিক ১৫ জন করে প্রার্থী লড়ছেন, অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা কেন্দ্রে প্রার্থী সংখ্যা সবচেয়ে কম—মাত্র ৫ জন। সংরক্ষণের দিক থেকে ৩৪টি আসন তফসিলি জাতি এবং ১৫টি আসন তফসিলি উপজাতির জন্য নির্দিষ্ট। আয়তনে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র শিলিগুড়ি এবং সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটারের সংখ্যার বিচারে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে প্রায় ২.৯৬ লক্ষ ভোটার থাকায় এটি সবচেয়ে বড়, আর মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জে প্রায় ১.৬১ লক্ষ ভোটার থাকায় সেটি সবচেয়ে ছোট।

    ৪৪,৩৭৬টি বুথ, ৫ লক্ষাধিক ভোটকর্মী…

    ভোটগ্রহণ পরিচালনার জন্য প্রায় ৫ লক্ষ কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। মোট ৪৪,৩৭৬টি বুথে ভোট হচ্ছে, যার মধ্যে ৪১,৪১৮টি মূল বুথ এবং ২,৯৫৮টি সহায়ক বুথ। মহিলা পরিচালিত বুথের সংখ্যা ৫,৬৪৪টি, পাশাপাশি প্রতিবন্ধীদের দ্বারা পরিচালিত ২টি বুথও রয়েছে। ২০৭টি মডেল পোলিং স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে এবং প্রায় ৬৪ হাজার ভিভিপ্যাট ও ৬০ হাজার ব্যালট ও কন্ট্রোল ইউনিট ব্যবহার করা হচ্ছে। গড়ে প্রতিটি বুথে প্রায় ৮১৩ জন ভোটার রয়েছে। ভোর সাড়ে ৫টা থেকে মক পোল শুরু হয়ে সকাল ৭টা থেকে মূল ভোটগ্রহণ চলছে।

    ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাহিনী রয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ৫ লক্ষ কর্মী দায়িত্বে রয়েছেন। প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট নিশ্চিত করতেই এই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই ১৫২টি আসনের মধ্যে ৯২টি জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ৫৯টি বিজেপি। ফলে এবারের প্রথম দফার ফলাফল রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

  • Amit Shah in Bengal: টানা সাত দিন বাংলায় থাকবেন শাহ! দ্বিতীয় দফার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে রাত জেগে বৈঠক

    Amit Shah in Bengal: টানা সাত দিন বাংলায় থাকবেন শাহ! দ্বিতীয় দফার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে রাত জেগে বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৭ এপ্রিল, সোমবার পর্যন্ত কলকাতাতেই থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Bengal)। মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপির একটি সূত্রে এ কথা জানা গিয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে যে যে রাজ্যেই বিজেপি সরকার গঠিত হয়েছে, সেখানে বিকাশ হয়েছে। এবার বাংলার পালা। বাংলায় পরিবর্তন (Assembly Election 2026) আনতে, ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়তে বদ্ধপরিকর বিজেপি। বঙ্গ জয়ের লক্ষ্যে এবার আর কোনও ফাঁক রাখতে নারাজ গেরুয়া শিবির। তাই ভোটের ময়দান ছেড়ে এখনই দিল্লি ফেরার কোনও পরিকল্পনা নেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। বিজেপি সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার প্রচারের শেষ দিন অর্থাৎ আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাতেই থাকছেন শাহ। আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) যখন প্রথম দফার ভোট হবে, তখনও শাহ রাজ্যেই থাকবেন।

    দ্বিতীয় দফার ভোটের রণকৌশল নিয়ে বৈঠক

    দ্বিতীয় দফার ভোটের রণকৌশল নিয়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে বিজেপির নিউ টাউনের দফতরে বৈঠক করেন শাহ (Amit Shah in Bengal)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন যে সব এলাকায়, সেখানকার জেলা সভাপতি, জেলা ইনচার্জ এবং প্রবাসী জেলা ইনচার্জদের নিয়ে বৈঠকে বসেন তিনি। চারটি সাংগঠনিক জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতারা বৈঠকে ডাক পেয়েছিলেন, যার অধীনে রয়েছে ১৩টি সাংগঠনিক জেলা। এ ছাড়া শাহের সঙ্গে ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব দেব, সুনীল বনসল এবং অমিত মালব্য। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ বৈঠক শুরু করেন শাহ। বৈঠক শেষ হয় ১২টা ৫ নাগাদ।

    শাহের নজরে কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কী পরিস্থিতি

    পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট আগামী ২৯ এপ্রিল। সোমবার সেখানে প্রচারের সময়সীমা শেষ হচ্ছে। বিজেপি সূত্রে খবর, ওই ১৩টি জেলায় যত বিধানসভা আসন রয়েছে, সেগুলির প্রতিটির বিষয়ে আলাদা আলাদা করে হিসেব নিয়েছেন শাহ (Amit Shah in Bengal)। কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কী পরিস্থিতি, কতটা সংখ্যালঘু ভোট, এসআইআর-পরবর্তী পরিস্থিতি কেমন, কোনটায় জেতার পরিস্থিতি রয়েছে, কোনটায় সে পরিস্থিতি নেই— সে সব তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে নেন শাহ। তাঁর নিজের কাছেও সে সংক্রান্ত রিপোর্ট রয়েছে। কিন্তু যাঁরা সরেজমিনে এলাকাগুলি সামলাচ্ছেন, তাঁদের উপলব্ধি জানেন বিজেপির চাণক্য।

    উত্তরবঙ্গ শেষ, এবার টার্গেট দক্ষিণ

    ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গের প্রচার পর্ব সাঙ্গ করেছেন অমিত শাহ। এবার তাঁর পুরো নজর বাকি থাকা ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রের ওপর। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে (BJP South Bengal Strategy) পদ্ম শিবিরের জমি শক্ত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। দিল্লি থেকে মাঝপথে রাজ্যে ফিরে আসার পর থেকেই শাহ চষে বেড়াচ্ছেন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা। কিন্তু সূত্রের খবর, আগামী কয়েকটা দিন তিনি মূলত দক্ষিণবঙ্গেই ফোকাস করতে চলেছেন তিনি। কেবল জনসভা বা রোড শো নয়, পর্দার আড়ালে সাংগঠনিক বৈঠকেও জোর দিচ্ছেন শাহ।

    বুধ সকালেও প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

    বুধবার সকালেও স্বস্তিতে নেই গেরুয়া শিবির। সকাল হতেই একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন অমিত শাহ। নির্বাচনের আগের এই শেষ মুহূর্তের টিপস প্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কোন কেন্দ্রে কী সমস্যা, বা তৃণমূলের পাল্টা কী চাল দেওয়া যেতে পারে, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। নিচুতলার কর্মীদের সক্রিয়তা এবং বুথ স্তরের সংগঠন নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন শাহ। বেশ কিছু কেন্দ্রে প্রবাসীদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে যাতে সমন্বয় সাধনে কোনও ত্রুটি না থাকে।

    বাংলার লড়াই-এর গুরুত্ব

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এভাবে টানা ১৫ দিন একটি রাজ্যে পড়ে থাকা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এর থেকে স্পষ্ট যে, ২০২৬-এর বাংলার লড়াইকে (Assembly Election 2026) বিজেপি কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিটি জনসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের নিরাপত্তার খাতিরেই বাংলায় পরিবর্তন দরকার। যেভাবে বাংলায় দুর্নীতি হয়েছে, সিন্ডিকেট রাজ সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ট করে তুলেছে, অনুপ্রবেশ এত বেড়েছে যে পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্বই সঙ্কটে পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সিল করে বাংলা ও দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে বের করা দরকার। এর মুক্তি একটাই, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার গঠন।

     বাংলায় পরিবর্তন আসবেই

    বুধবারও, পশ্চিমবঙ্গে ভোটপ্রচার (Assembly Election 2026) করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Bengal)। আজ তাঁর জোড়া জনসভা রয়েছে। প্রথম সভা হুগলির সপ্তগ্রামে। তারপর উত্তর ২৪ পরগনার, হাবড়ায়। প্রসঙ্গত, ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নকে ঘিরে আয়োজিত কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে শাহ ঘোষণা করেছিলেন, ভোটের প্রচারে নিজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে তিনি টানা ১৫ দিন বাংলায় থাকবেন। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, “এই নির্বাচনে বাংলায় পরিবর্তন আসবেই।” বাংলার মানুষের সামনে এক সুবর্ণ সুযোগ। এবার বিজেপি ক্ষমতায় এলে মেধার ভিত্তিতে প্রতি বছর এক লক্ষ যুবককে চাকরি দেওয়া হবে। বাংলায় শিল্প-হাব গড়ে তুলে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে, বলে জানান শাহ। বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে গেলে বিজেপি-ই একমাত্র পথ। সেই পথ প্রশস্ত করতেই আগামী সাতদিন বাংলায় থাকতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির চাণক্য অমিত শাহ।

     

  • Pahalgam Terror Attack: ‘সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না ভারত’, পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে কড়া বার্তা মোদির

    Pahalgam Terror Attack: ‘সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না ভারত’, পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে কড়া বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত কখনওই কোনও ধরনের সন্ত্রাসের সামনে মাথা নত করবে না। সন্ত্রাসবাদীদের জঘন্য পরিকল্পনা কখনওই সফল হবে না। পহেলগাঁও সন্ত্রাসের বর্ষপূর্তিতে দেশবাসীকে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীদের হামলার নিহত পর্যটকদের স্মরণ করে বুধবার সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘‘গত বছর এই দিনে পহেলাগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় হারিয়ে যাওয়া নিরীহ প্রাণগুলিকে স্মরণ করছি। তাঁদের কখনওই ভোলা যাবে না। এই যন্ত্রণার সঙ্গে লড়াই করা শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির কথা ভাবছি, কী ভীষণ ক্ষতির সঙ্গে যুঝছেন তাঁরা।’’ বুধবার বৈসরণ উপত্যকার একাংশ-সহ জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র খুলে দেওয়া হয়েছে। পহেলগাঁও সন্ত্রাসের পর থেকে সেগুলি বন্ধ ছিল।

    শোক ও দৃঢ় সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ

    নয় নয় করে এক বছর পার পহেলগাঁও হামলার। ২০২৫ সালে ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় ২৬ জন হিন্দু পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধেছিল, আড়াআড়ি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গিয়েছিল আন্তর্জাতিক মহলও। এতদিন পরও সেই দিনটি স্মরণ করে শিউড়ে ওঠেন সকলে। সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ করে মোদি লিখেছেন, ‘‘একটি জাতি হিসেবে, আমরা শোক ও দৃঢ় সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ। ভারত কোনও রকমের সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না। জঙ্গিদের চক্রান্ত সফল হবে না কখনও।’’ একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনরায় স্পষ্ট করেন।

    ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র খুলে দেওয়া হল

    অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁও শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই সবুজ বিস্তীর্ণ তৃণভূমি বৈসরনে শুধু পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ায় চড়ে পৌঁছোনো যায়। যাকে ভালবেসে ভ্রমণপিপাসুরা ‘মিনি সুই‌ৎজারল্যান্ড’ বলে থাকেন। গত বছর ২২ এপ্রিল সন্ত্রাসবাদী হামলার পরে উপত্যকার প্রায় ৫০টির বেশি পর্যটনস্থল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ২০২৬ সালের মার্চে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে টিউলিপ বাগান-সহ ১২টি পর্যটনস্থল খুলে দেওয়া হয়েছিল। বুধবার আরও ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র উন্মুক্ত করা হল ভ্রমণার্থীদের জন্য। পহেলগাঁও থেকে বৈসরণ উপত্যকাগামী হাঁটাপথে বুধবার কিছু পর্যটক গিয়েছিলেন। তাঁদের সুরক্ষার জন্য গোটা এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করেছিল কেন্দ্রীয় আধাসেনা। চিহ্নিত এলাকার বাইরে পর্যটকদের যাওয়ার উপর ছিল কড়া বিধিনিষেধ।

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতীয় সেনার

    পহেলগাঁও হামলা এবং পরবর্তী সিঁদুর অভিযানকে স্মরণ করে মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিল ভারতীয় সেনা। সেনার পোস্টে প্রতিবেশী দেশকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়— কিছু সীমা কখনওই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। তার পরিণতি হয় ভয়ানক। পহেলগাঁওয়ের বর্ষপূর্তিতে পাকিস্তানের নাম না করেই সেনার তরফে দেওয়া হয় কঠোর বার্তা। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে একটি কার্ড পোস্ট করেছে ভারতীয় সেনা। সেখানে লেখা হয়েছে— “কিছু সীমা লঙ্ঘন করা উচিত নয়।” তার ঠিক নিচেই লেখা, “ভারত কখনও ভুলবে না।” এইসঙ্গে পোস্টের ক্য়াপশানে লেখা হয়েছে— “যখন মানবতার সীমা লঙ্ঘন করা হয়, তার পরিণতি হয় ভয়ানক। তাই কিছু সীমা কখনওই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। বিচার অবশ্যই পাওয়া যায়। ভারত ঐক্যবদ্ধ।”

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক

    পহেলগাঁও হামলায় নিহতদের স্মরণে লিডার নদীর তীরে কালো মার্বেল দিয়ে একটি স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয়েছে। সেই স্মৃতিসৌধে হামলায় নিহতদের নাম খোদাই করা রয়েছে। বুধবার স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য সভার আয়োজন করা হয়। পর্যটকরাও নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সেখানে। হামলার বার্ষিকী উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে সর্বত্র। লিডার নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এই স্মৃতিস্তম্ভ আজ দেশের কাছে এক বেদনাদায়ক স্মৃতি এবং একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক।

    ভারতীয় সেনার হামলায় বিপর্যস্ত জঙ্গিরা

    ২০২৫ সালে ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা হামলা চালায়। ধর্ম জিজ্ঞেস করে করে পর্যটকদের খুন করা হয়েছিল পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে। এই হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছিলেন। এর মধ্যে ২৫ জন পর্যটক। একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী টাট্টুঘোড়াওলা। এই হামলার জবাবে সিঁদুর অভিযানে চালায় ভারতীয় সেনা। পাক ভূখণ্ডে ঢুকে জঙ্গিঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর পরেই ভারত-পাক যুদ্ধ শুরু হয়। এই জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।

    অপারেশন মহাদেব

    হামলার পর ভারতীয় সেনা শুরু করে ‘অপারেশন মহাদেব’। দাচিগাম ও মহাদেব রিজ সংলগ্ন দুর্গম পার্বত্য এলাকায় টানা ৯৩ দিন ধরে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা খতিয়ে দেখা হয়। শেষ পর্যন্ত হামলার মূল তিন জঙ্গিকে খতম করতে সক্ষম হয় সেনা। ভারতীয় সেনা জানায়, “ভারতের বিরুদ্ধে যে কোনও হামলার জবাব নিশ্চিত। ন্যায়বিচার হবেই।” পহেলগাঁও হামলার পর ‘অপারেশন মহাদেব’ ও ‘অপারেশন সিঁদুর’—দুটি পদক্ষেপই দেখিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ভারতের কৌশল স্পষ্ট, দ্রুত প্রতিক্রিয়া, নিখুঁত আঘাত এবং কোনওরকম আপস নয়। ভারত সরকার ও সেনার বার্তা স্পষ্ট,“ভারত ঐক্যবদ্ধ, মানবতার সীমা লঙ্ঘিত হলে জবাব হবে নির্ণায়ক।”

  • R-37M Missile: পাকিস্তান-চিনকে টেক্কা দিতে ভারতের বড় চাল! রাশিয়া থেকে আসছে ‘কুঠারের ফলা’, দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধে বড় বদলের ইঙ্গিত

    R-37M Missile: পাকিস্তান-চিনকে টেক্কা দিতে ভারতের বড় চাল! রাশিয়া থেকে আসছে ‘কুঠারের ফলা’, দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধে বড় বদলের ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে যেতে চলেছে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধের সমীকরণ। ‘বন্ধু’ ভারতকে নিজেদের সেরা অতি-দবরপাল্লার আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ‘আর-৩৭এম’ দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে রাশিয়া। এই মর্মে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না করা হলেও, বিভিন্ন সূত্রের মতে নয়াদিল্লির হাতে এই অস্ত্র এলে, খেলা একেবারে ঘুরে যাবে। কারণ, এমন ক্ষেপণাস্ত্র চিনের কাছেও নেই। রুশ সংবাদসংস্থার দাবি, প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের এই সম্ভাব্য চুক্তি ভারতীয় বায়ুসেনাকে এমন একটি অস্ত্র দেবে, যা শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ বিমানকে শত শত কিলোমিটার দূর থেকে হুমকির মুখে ফেলতে সক্ষম। খবর অনুযায়ী, আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যেই এই ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ শুরু হতে পারে। এতে বোঝা যাচ্ছে, ভারত দেশীয় আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র অ্যাস্ট্রা মার্ক-২ ও মার্ক- প্রকল্পের জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত যুদ্ধক্ষমতা বাড়াতে চাইছে।

    চিনা ‘পিএল-১৫’ ক্ষেপণাস্ত্রের জবাব রাশিয়ার ‘আর-৩৭এম’

    এই সিদ্ধান্তের সময়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ২০২৫ সালের মে মাসে হওয়া “অপারেশন সিঁদুর” সংঘর্ষে ভারতের ‘বিয়ন্ড ভিজুয়াল রেঞ্জ’ বা দৃষ্টিসীমার বাইরে সক্ষমতার একটি বড় দুর্বলতা সামনে এসেছিল। ভারতের সামরিক মহলের মতে, পাকিস্তানের জে-১০সি এবং জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান যদি পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত থাকে, তাহলে তারা ভারতের সুখোইয়ের বর্তমান আক্রমণ সীমার বাইরে থেকেই ভারতীয় বিমানের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ‘আর-৩৭এম’ ক্ষেপণাস্ত্রকে একটি অন্তর্বর্তী সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভারতের দীর্ঘ-পাল্লার আকাশ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত পুনর্গঠনে সাহায্য করবে এবং একই সঙ্গে দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য সময় দেবে। রাশিয়ায় আরভিভি-বিডি নামে পরিচিত এবং বকলমে “অ্যাক্সহেড” নামে খ্যাত এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত অ্যাওয়াক্স, মিড-এয়ার রিফুয়েলার ট্যাঙ্কার এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমান ধ্বংসের জন্য তৈরি।

    আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির কথা ঘোষণা করেনি দিল্লি বা মস্কো

    এটি ভারতীয় বায়ুসেনার মিশনের পরিধিও বাড়াবে— শুধু শত্রু যুদ্ধবিমান ধ্বংস নয়, বরং তাদের আকাশভিত্তিক কমান্ড ও কন্ট্রোল ব্যবস্থাকে ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতাও তৈরি করবে। এর ফলে বড় কৌশলগত প্রভাব পড়তে পারে, কারণ পাকিস্তান ও চিন— দুই দেশই এখন নেটওয়ার্ক-ভিত্তিক সেন্সর, অ্যাওয়াক্স এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ওপর ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে উঠছে। যদিও মস্কো বা নয়াদিল্লি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির কথা ঘোষণা করেনি, বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে রাশিয়া ইতিমধ্যেই রফতানির অনুমোদন দিয়েছে। এই চুক্তি ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণে রাশিয়ার ভূমিকা আরও মজবুত করবে, বিশেষ করে যখন পশ্চিমি দেশ ও দেশীয় সংস্থাগুলির প্রতিযোগিতা বাড়ছে। ভারতের জন্য এটি শুধু একটি নতুন অস্ত্র নয়, বরং পাকিস্তান ও চিনের বিরুদ্ধে দ্রুত দীর্ঘ-পাল্লার প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধের ভারসাম্য ভবিষ্যতে নির্ভর করবে—কে আগে শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বিমান শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারে, তার ওপর।

    আকাশভিত্তিক কমান্ড নেটওয়ার্ক ধ্বংসের জন্য তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র

    • ● ‘আর-৩৭এম’ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা দীর্ঘ-পাল্লার কার্যকর এয়ার-টু-এয়ার (আকাশ থেকে আকাশ) ক্ষেপণাস্ত্র। রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, আদর্শ পরিস্থিতিতে এর পাল্লা প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
    • ● ভারতের সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমানে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর কার্যকর পাল্লা প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার হতে পারে, যা এখনও অধিকাংশ পশ্চিমি ও এশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে বেশি।
    • ● এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় মাক ৬ বা শব্দের চেয়ে ৬ গুণ দ্রুত (প্রায় ৭,৪০০ কিমি/ঘণ্টা) গতিতে পৌঁছাতে পারে, ফলে শত্রুপক্ষের প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় খুব কম থাকে।
    • ● প্রায় ৪.২ মিটার লম্বা এবং প্রায় ৬০০ কেজি ওজনের এই ক্ষেপণাস্ত্রে ৬০ কেজির উচ্চ-বিস্ফোরক ওয়ারহেড থাকে, যা বড় আকারের বিমান ধ্বংসের জন্য তৈরি।
    • ● এর গাইডেন্স সিস্টেমে রয়েছে ইনর্শিয়াল ন্যাভিগেশন, মাঝপথে ডেটা-লিঙ্ক আপডেট এবং শেষ পর্যায়ে অ্যাক্টিভ রেডার হোমিং—যার ফলে লক্ষ্যবস্তু চলন্ত থাকলেও তা ট্র্যাক করা সম্ভব।
    • ● এছাড়া এতে “লফটেড ট্র্যাজেক্টরি” ব্যবহার করা হয়—অর্থাৎ ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রথমে উপরে উঠে তারপর লক্ষ্যবস্তুর দিকে নেমে আসে, ফলে শক্তি সঞ্চয় হয় এবং পাল্লা বাড়ে।
    • ● এই বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে এটি বিশেষভাবে কার্যকর অ্যাওয়াক্স ও ট্যাঙ্কারের মতো দূরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ বিমানের বিরুদ্ধে।
    • ● এই ধরনের বিমান সাধারণত যুদ্ধক্ষেত্রের অনেক পিছনে অবস্থান করে, ‘আর-৩৭এম’ সেই দূরত্ব থেকেই তাদের আঘাত করতে সক্ষম।
    • ● ফলে পাকিস্তান ও চিনকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বিমান আরও পিছনে সরিয়ে নিতে হতে পারে, যা তাদের রাডার কভারেজ ও সমন্বয় ক্ষমতা কমিয়ে দেবে।

    সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে সংযোজন: ভারতের দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি

    • ● ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হল— আর-৩৭এম দ্রুত সুখোই-৩০এমকেআই বিমানে সংযোজন করা সম্ভব।
    • ● বর্তমানে ভারতের কাছে ২৭০টিরও বেশি সুখোই-৩০এমকেআই রয়েছে, ফলে আংশিক সংযোজন হলেও বড় পরিসরে ক্ষমতা বৃদ্ধি হবে।
    • ● রাশিয়ার সুখোই-৩০এসএম-এ ইতিমধ্যেই এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে, ফলে প্রযুক্তিগত ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম।
    • ● সংযোজনের জন্য মূলত সফটওয়্যার আপডেট দরকার হবে—যেমন রেডার, মিশন কম্পিউটার ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা—বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন নয়।
    • ● ভারত এই ক্ষেপণাস্ত্র সংযোজনকে সুখোই-৩০ আধুনিকীকরণ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করতে চাইছে, যেখানে প্রথম পর্যায়ে ৮৪টি বিমান আপগ্রেড করা হবে।
    • ● প্রতিটি আপগ্রেড করা বিমানে অন্তত দুটি আর-৩৭এম বহন করা সম্ভব হবে, যদিও মিশ্র অস্ত্র বিন্যাসে আরও বেশি বহন করা যেতে পারে।
    • ● কিছু বিশ্লেষণ অনুযায়ী, একটি সুখোই-৩০এমকেআই সর্বোচ্চ ৬ থেকে ৮টি আর-৩৭এম বহন করতে সক্ষম হতে পারে, সঙ্গে স্বল্প-পাল্লার আত্মরক্ষামূলক অস্ত্রও থাকবে।

    আকাশযুদ্ধের ভবিষ্যৎ: “ফার্স্ট-ডিটেক্ট, ফার্স্ট-শুট”

    ফলে, আর-৩৭এম শুধু একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র নয়, বরং ভারতের জন্য দ্রুতগতিতে দীর্ঘ-পাল্লার আকাশ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনর্গঠনের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। এর ফলে ভারত-পাকিস্তান-চিন ত্রিভুজে আকাশযুদ্ধের ভারসাম্য নতুনভাবে নির্ধারিত হতে পারে। আর-৩৭এম অন্তর্ভুক্তি দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধকে নতুন দিকে নিয়ে যেতে পারে। ভবিষ্যতে লড়াই শুধুমাত্র যুদ্ধবিমানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না— বরং নির্ভর করবে কে আগে শত্রুপক্ষের “চোখ ও কান” অর্থাৎ অ্যাওয়াক্স ও সাপোর্ট প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস করতে পারে। অর্থাৎ, আকাশযুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে “ফার্স্ট-ডিটেক্ট, ফার্স্ট-শুট” কৌশল—এবং সেই প্রতিযোগিতায় ভারত বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে।

  • Weather Update: ঘামছে কলকাতা, পশ্চিমে তাপপ্রবাহ, উত্তরে বৃষ্টি! ভোটের দিন ছয় জেলায় তীব্র গরমের সতর্কতা

    Weather Update: ঘামছে কলকাতা, পশ্চিমে তাপপ্রবাহ, উত্তরে বৃষ্টি! ভোটের দিন ছয় জেলায় তীব্র গরমের সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ক্রমশ বাড়ছে গরম। হাওয়া অফিসের বুলেটিন বলছে, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহ ও অস্বস্তিকর গরমের পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, হিমালয়ের পাদদেশ সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে এবং বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে গরম ও আর্দ্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। চলতি মরসুমের প্রথম তাপপ্রবাহ হয়েছে আসানসোলে। মঙ্গলবার সেখানে তাপমাত্রা ছিল ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে মঙ্গলবার রাজ‍্যে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা ছিল পানাগড়ে— ৪৩.৮ ডিগ্রি। বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা ছিল ৪৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    ভোটের দিন গরম হাওয়া

    বৃহস্পতিবার, প্রথম দফার ভোট রয়েছে যে ১৬টি জেলায়, তার মধ্যে ছ’টিতেই গরমের জন্য রয়েছে হলুদ সতর্কতা। অর্থাৎ ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে বেশ বেগ পেতে হতে পারে ভোটারদের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ প্রার্থীরা সে জন্য বার বারই সকালে ভোট দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। মঙ্গলবার কলকাতার আলিপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দমদমে ছিল ৩৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণবঙ্গে আসানসোল, বাঁকুড়া, পানাগড় ছাড়াও শ্রীনিকেতন, সিউড়ি, পুরুলিয়ায় দিনের তাপমাত্রা ছাড়িয়েছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি। শ্রীনিকেতনে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সিউড়িতে ৪২.২ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল দিনের তাপমাত্রা। ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে দিনের তাপমাত্রা ছিল ডায়মন্ড হারবার, দিঘা, কাঁথি, হলদিয়া, সাগরদ্বীপ, বসিরহাট। দক্ষিণবঙ্গের বাকি সব জেলায় মঙ্গলবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। বুধবারও দক্ষিণের জেলায় গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে।

    কলকাতায় তাপমাত্রা

    আগামী সাত দিন রাজ্যে তাপমাত্রার কোনও হেরফের হবে না। রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলির কিছু অংশে আগামী সাত দিন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকতে পারে। প্রথম দফার ভোট রয়েছে সেখানেই। দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব এবং উপকূলীয় জেলাগুলির কিছু অংশে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকতে পারে। উপকূলীয় জেলাগুলিতে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৮০ থেকে ৯৫ শতাংশ। রাজ্যের মধ্যভাগের জেলাগুলিতে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৭৫ থেকে ৮৫ শতাংশ। ফলে ভ্যাপসা গরম ভোগাবে। আজ বুধবার কলকাতায় দিনের আকাশ আংশিক মেঘলা। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩৬ডিগ্রী এবং ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা

    প্রথম দফায় ভোট রয়েছে উত্তরবঙ্গের সব জেলায়। সেখানে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙে হালকা বৃষ্টির পাশাপাশি ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেখানে রয়েছে সতর্কতা। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারেও রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। বৃহস্পতিবার, ভোটের দিন দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙ, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া।

  • Assembly Elections 2026: ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হওয়া নামের তালিকা প্রকাশ করল কমিশন! কতজন প্রথম দফায় ভোট দেবেন?

    Assembly Elections 2026: ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হওয়া নামের তালিকা প্রকাশ করল কমিশন! কতজন প্রথম দফায় ভোট দেবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন (Assembly Elections 2026)। নিষ্পত্তি হওয়া ভোটারদের মধ্যে যাঁরা ‘পাশ’ করলেন, তাঁরা প্রথম দফায় ভোট দিতে পারবেন। ২২ এপ্রিল ভোর রাতে প্রকাশ করা হয় ট্রাইবুনালের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা নামের সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট। ভোটাররা এপিক নম্বর দিয়ে জানতে পারবেন, তাঁদের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে কি না। কী দেখে বোঝা যাবে নাম ‘অ্যাডজুডিকেশনে’ আছে, তালিকায় তাও স্পষ্ট করেছে কমিশন। যে বুথগুলিতে কোনও নামের নিষ্পত্তি নেই সেখানে ক্লিক করলেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই বুথে ট্রাইবুনালের মাধ্যমে কোনও নিষ্পত্তি হওয়া নামের তালিকা নেই। যোগ হওয়া নতুন নাম ও ডিলিটেড বা বাদ যাওয়া নাম দুটি তালিকাই প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশনের সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বলছে, মাত্র ১৩৬ জনকে ট্রাইবুনালে পাশ হয়ে প্রথম দফায় ভোট দেওয়ার অধিকার পেলেন। আবার ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হওয়া নামের মধ্যে ২ জন ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছেন।

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনেই কাজ

    রাজনৈতিক দলগুলি আজ (বুধবার) সাপ্লিমেন্টারি তালিকা পেয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রথম দফায় রাজ্যের ১৫২টি আসনে নির্বাচন। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ট্রাইবুনাল যত জনের নামের নিষ্পত্তি করবে, তার মধ্যে যাঁদের নাম বাদ যাবে না, তাঁরা প্রথম দফায় ভোট দিতে পারবেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে বিবেচনাধীন তালিকায় ছিল ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম। বিবেচনাধীনের তালিকায় থাকা যে ভোটারদের নাম বিচারকদের নির্দেশে ভোটার তালিকায় ওঠেনি, তাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করেন। সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ১৪২ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে নির্দেশ দিয়েছিল, ট্রাইবুনাল ২১ এপ্রিল পর্যন্ত যাঁদের নামের নিষ্পত্তি করবে, তার মধ্যে যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে, তাঁরা প্রথম দফায় ভোট দিতে পারবেন। আর ২৭ এপ্রিল ট্রাইবুনাল যাঁদের নামের নিষ্পত্তি করবে, তার মধ্যে যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে, তাঁরা ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট দিতে পারবেন।

    কোথআয় দেখা যাবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা

    অনলাইনে একাধিক ওয়েবসাইটে দেখা যাবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। ceowestbengal.wb.gov.in – এই ওয়েবসাইটে দেখা যাবে এই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। এ ছাড়াও আপনার ফোনে থাক ECI Net অ্যাপের মাধ্যমেও আপনি এই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা দেখতে পাবেন। তবে ট্রাইবুনালে কতজনের নাম যোগ হয়েছে, কতজনের নাম বাদ গিয়েছে তা এখনও পর্যন্ত জানায়নি কমিশন। যাবতীয় পরে জানানো হবে বলে, কমিশন সূত্রে খবর।

LinkedIn
Share