Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • US Embassy: বাংলাদেশে নির্বাচন ও গণভোটের আগে হিংসার সতর্কতা: নিরাপত্তা অ্যালার্ট জারি করল মার্কিন দূতাবাস

    US Embassy: বাংলাদেশে নির্বাচন ও গণভোটের আগে হিংসার সতর্কতা: নিরাপত্তা অ্যালার্ট জারি করল মার্কিন দূতাবাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Election) আসন্ন সাধারণ নির্বাচন এবং প্রস্তাবিত গণভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সম্ভাব্য হিংসার আশঙ্কায় ঢাকায় (US Embassy) অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সে দেশে অবস্থানরত নিজ নাগরিকদের জন্য একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে।

    অগ্নিগর্ভ হতে পারে বাংলাদেশ (Bangladesh Election)

    মার্কিন দূতাবাস (US Embassy) জানিয়েছে, রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে সংঘর্ষ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনের তারিখ যত ঘনিয়ে আসছে, জনসমাগমপূর্ণ স্থানে অস্থিরতা বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। ফলে মারামারি, সংঘর্ষে উত্তাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    নাগরিকদের জন্য পরামর্শ

    মার্কিন বিদেশমন্ত্রক (US Embassy) নাগরিকদের বড় ধরনের জমায়েত, বিক্ষোভ মিছিল এবং রাজনৈতিক সমাবেশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, স্থানীয় খবরের ওপর নজর রাখা এবং যাতায়াতের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    গণভোট ও নির্বাচন

    বাংলাদেশে (Bangladesh Election) বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচন এবং গণভোট নিয়ে যে টানাপোড়েন চলছে, তা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন। তাই আগে থেকেই গণভোট এবং নির্বাচন ঘিরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    সতর্কতামূলক পদক্ষেপ

    আমেরিকা দূতাবাসে (US Embassy) কর্মীদের চলাচলের ওপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করার কথা ঘোষণা করেছে। সেই সঙ্গে পরিস্থিতির অবনতি হলে দূতাবাসের কার্যক্রম সীমিত করার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশে (Bangladesh Election) নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাতময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই উত্তেজনার মাঝেই নতুন করে গণভোটের বিষয়টি সামনে আসায় রাজপথে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলের নজরে এসেছে এবার।

  • Daily Horoscope 31 January 2026: মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 31 January 2026: মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) মনের মতো পরিবেশ পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য জীবন খুব ভালো কাটতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলুন।

    ২) ব্যবসায় ভালো লাভের সময়।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) সতর্কভাবে চলাফেরা করুন।

    কর্কট

    ১) অভিনয়ের প্রতি অনুরাগ বাড়তে পারে।

    ২) আয়ের দিক থেকে দিনটি ভালো।

    ৩) ব্যবসায় লাভ।

    সিংহ

    ১) কোনও ভাল কাজ না হওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) নতুন চাকরির চেষ্টা করতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) রাজনীতির লোকেদের জন্য ভালো খবর আসতে পারে।

    ২) সারা দিন ব্যস্ত থাকতে হবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    তুলা

    ১) কাজ নিয়ে ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) পাওনা আদায় নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) নিজের বাক্যে সংযম রাখুন।

    বৃশ্চিক

    ১) কীটপতঙ্গ থেকে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) সংসারে ব্যয় কমানোর আলোচনা।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    ধনু

    ১) সকালের দিকে শরীরে আঘাত লাগতে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে শান্তি পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) কোনও আশা ভঙ্গ হতে পারে।

    ২) দূরে কোথাও ভ্রমণের আলোচনা হতে পারে।

    ৩) হতাশ হবেন না কোনওভাবে।

    কুম্ভ

    ১) অতিরিক্ত কথায় বাড়িতে বিবাদ।

    ২) শরীরে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) সাবধানে চলাফেরা করুন।

    মীন

    ১) শরীরে যন্ত্রণা হতে পারে।

    ২) প্রেমে বিরহ দেখা দিতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে শিখুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Smithsonians National Museum: ভারতের চুরি যাওয়া তিনটি ঐতিহাসিক ব্রোঞ্জ মূর্তি ফেরত দেবে স্মিথসোনিয়ানের ন্যাশনাল মিউজিয়াম

    Smithsonians National Museum: ভারতের চুরি যাওয়া তিনটি ঐতিহাসিক ব্রোঞ্জ মূর্তি ফেরত দেবে স্মিথসোনিয়ানের ন্যাশনাল মিউজিয়াম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্মিথসোনিয়ানের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ এশিয়ান আর্ট (Smithsonians National Museum) ভারত থেকে চুরি হওয়া তিনটি ঐতিহাসিক ব্রোঞ্জ মূর্তি (Three Historic Bronze Sculptures) ফেরত দেবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি-তে অবস্থিত স্মিথসোনিয়ানের ‘ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ এশিয়ান আর্ট’ (NMAA) ঘোষণা করেছে, “তামিলনাড়ুর বিভিন্ন মন্দির থেকে অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়া তিনটি ঐতিহাসিক ব্রোঞ্জ মূর্তি ভারত সরকারকে ফেরত দেওয়া হবে। দীর্ঘ গবেষণার পর নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে, এই মূর্তিগুলো কয়েক দশক আগে বেআইনিভাবে পাচার করা হয়েছিল।”

    মূর্তি তিনটির বিবরণ (Smithsonians National Museum)

    চুরি যাওয়া তিনটি মূর্তির মধ্যে ছিল-

    ১. শিব নটরাজ

    চোল আমলের (প্রায় ৯৯০ খ্রিস্টাব্দ) এই মূর্তিটি তামিলনাড়ুর তাঞ্জাভুর জেলার শ্রী ভব ঔষধেশ্বর মন্দির থেকে চুরি হয়েছিল। ২০০২ সালে নিউ ইয়র্কের ডরিস উইনার গ্যালারি থেকে মিউজিয়ামটি (Smithsonians National Museum) এটি কেনে, যদিও পরে জানা যায় গ্যালারিটি ভুয়া নথিপত্র ব্যবহার করেছিল।

    ২. সোমাস্কন্দ

    ১২তম শতাব্দীর চোল আমলের এই ব্রোঞ্জ মূর্তিটি মান্নারগুড়ির আলাত্তুর গ্রামের বিশ্বনাথ মন্দির থেকে নেওয়া হয়েছিল।

    ৩. সন্ত সুন্দরার ও পারাভাই

    ১৬তম শতাব্দীর বিজয়নগর সাম্রাজ্যের এই মূর্তিটি কাল্লাকুরিচি জেলার বীরসোলাপুরম গ্রামের শিব মন্দির থেকে পাচার হয়েছিল।

    গবেষণা ও প্রমাণ

    ২০২৩ সালে ফ্রেঞ্চ ইনস্টিটিউট অফ পন্ডিচেরির আলোকচিত্র সংগ্রহশালা থেকে প্রাপ্ত ছবির সাথে মিলিয়ে গবেষকরা নিশ্চিত হন যে, ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৯ সালের মধ্যে এই মূর্তিগুলো (Three Historic Bronze Sculptures) তামিলনাড়ুর মন্দিরগুলোতেই ছিল।

    আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI) এই প্রমাণগুলো খতিয়ে দেখে নিশ্চিত করেছে যে, মূর্তিগুলো ভারতের প্রাচীন সম্পদ সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করে বিদেশে নেওয়া হয়েছিল।

    ভারত সরকার এবং মিউজিয়ামের মধ্যে একটি বিশেষ সমঝোতা হয়েছে। সেই অনুযায়ী, ‘শিব নটরাজ’ মূর্তিটি দীর্ঘমেয়াদী ঋণের ভিত্তিতে আপাতত ওই মিউজিয়ামেই থাকবে। এর মাধ্যমে মিউজিয়ামটি দর্শকদের কাছে মূর্তির আদি ইতিহাস এবং এটি কীভাবে চুরি ও ফেরত আসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো—তার সম্পূর্ণ স্বচ্ছ চিত্র তুলে ধরবে।

    সাংস্কৃতিক-ঐতিহ্য সংরক্ষণে আমরা দায়বদ্ধ

    মিউজিয়ামের (Smithsonians National Museum) পরিচালক চেজ এফ. রবিনসন বলেন, “সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে আমরা দায়বদ্ধ এবং আমাদের সংগ্রহের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দীর্ঘ গবেষণার পর এই মূর্তিগুলো ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত মিউজিয়াম পদ্ধতির প্রতি আমাদের নিষ্ঠারই প্রমাণ।”

    এই পদক্ষেপটি ভারতের চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ (Three Historic Bronze Sculptures) পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে একটি বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে চোল আমলের ব্রোঞ্জ মূর্তিগুলো দক্ষিণ ভারতের ধাতুশিল্পের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন এবং এগুলো মন্দিরের ধর্মীয় শোভাযাত্রায় ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। বর্তমানে মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ এবং ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে মূর্তিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের হাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।

  • BJP Condemns Ansari’s Remark: ‘ঘজনি ভারতীয়’! হামিদ আনসারির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা বিজেপির

    BJP Condemns Ansari’s Remark: ‘ঘজনি ভারতীয়’! হামিদ আনসারির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির (BJP Condemns Ansari’s Remark) মাহমুদ ঘজনিকে নিয়ে করা মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সিআর কেশবন শুক্রবার বলেন, ঘজনিকে “বিদেশি আক্রমণকারী নন, ভারতীয়” বলে উল্লেখ করা ইতিহাসের নির্মম সত্যকে আড়াল করার শামিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কংগ্রেস নেতৃত্ব ও বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) কি এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

    কংগ্রেসের সমালোচনায় কেশবন

    এক্স (পূর্বতন টুইটার)-এ একটি ভিডিও শেয়ার করে কেশবন অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ইসলামিক আক্রমণকারীদের নৃশংসতা “সাদা রং” করে দেখাতে চাইছে। তাঁর দাবি, অষ্টম শতক থেকে শুরু হওয়া ইসলামিক আক্রমণগুলিতে পরিকল্পিতভাবে হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনাগুলিকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। তিনি বলেন, একাদশ শতকে মাহমুদ ঘজনি ১৭ বার ভারত আক্রমণ করেন, মথুরার মন্দির ধ্বংস করেন এবং সোমনাথ মন্দিরের জ্যোতির্লিঙ্গ ভেঙে দেন। কেশবনের প্রশ্ন, সোমনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণের বিরোধিতা করা নেহরুর কংগ্রেস কি এই ধরনের মন্তব্যে সম্মতি জানায়, যা সনাতন সংস্কৃতির ভিত্তি ধ্বংসের প্রচেষ্টাকে স্বাভাবিক করতে চায়?

    কংগ্রেস সবসময় হিন্দুবিদ্বেষীদের প্রশংসা করে

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির আরেক মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন। সংবাদসংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, “কংগ্রেস ইকোসিস্টেম সবসময় হিন্দুবিদ্বেষীদের প্রশংসা করে এবং তাদের অত্যাচারকে ধামাচাপা দেয়। হামিদ আনসারি (BJP Condemns Ansari’s Remark) বলছেন, ঘজনি নিষ্ঠুর ছিলেন না, তিনি নাকি ভারতীয়। যারা ভারত ভাঙার কথা বলে—শারজিল, ইয়াকুব, আফজল বা উমর—কংগ্রেস তাদের পাশেই দাঁড়ায়। এতে তাদের মানসিকতার হিন্দুবিদ্বেষ স্পষ্ট।” পুনাওয়ালা আরও অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থেকে পরিবারতন্ত্রকে সংবিধানের ঊর্ধ্বে রাখছেন। তিনি বলেন, “বিটিং রিট্রিট, উপরাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ, প্রধান বিচারপতির শপথগ্রহণ বা ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকা দেখায় যে রাহুল গান্ধীর কাছে ‘সংবিধান তন্ত্র’-এর চেয়ে ‘পরিবার তন্ত্র’ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

  • UGC: ইউজিসি-র ‘ইকুইটি’ নিয়মে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ, “ক্যাম্পাসে ভারতের ঐক্য প্রতিফলিত হওয়া উচিত”

    UGC: ইউজিসি-র ‘ইকুইটি’ নিয়মে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ, “ক্যাম্পাসে ভারতের ঐক্য প্রতিফলিত হওয়া উচিত”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট (Suprim Court) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (UGC) ২০২৬ সালের নতুন ‘ইকুইটি’ (সাম্য) সংক্রান্ত সার্কুলেশনের কার্যকারিতার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে। আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন পরিবেশ থাকা উচিত, যা ভারতের ঐক্য ও অখণ্ডতাকে তুলে ধরে। তাই বৈষম্য নয় সাম্যের বিষয়ে কোনও আপোষ থাকা উচিত নয়।

    পুরানো নিয়ম বহাল (UGC)

    ইউজিসির (UGC) নতুন ২০২৬ সালের নিয়মাবলি স্থগিত করে আদালত জানিয়েছে, আপাতত ২০১২ সালের ইউজিসির নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হবে। যাতে কোনো অভিযোগকারী প্রতিকারহীন না থাকেন, তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।

    বিভাজনমূলক আশঙ্কার ওপর গুরুত্ব

    প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ করেছেন, নতুন সার্কুলেশনের ভাষা অস্পষ্ট এবং অপব্যবহার হতে পারে। আদালত সতর্ক করে বলেছে, “এই নিয়মগুলো সমাজকে বিভক্ত করতে পারে এবং দেশের ওপর এর বিপজ্জনক প্রভাব পড়তে পারে।”

    জাতপাতহীন সমাজের লক্ষ্য

    আদালত (Suprim Court) প্রশ্ন তুলেছে, “স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর যেখানে আমরা একটি ‘জাতপাতহীন সমাজ’ (casteless society) গড়ার পথে এগিয়েছি, সেখানে এই ধরনের নিয়ম আমাদের পেছনের দিকে (regressive) নিয়ে যাচ্ছে কি না।” বিচারপতির কথায়, “আমেরিকার মতো বর্ণবিদ্বেষী আলাদা আলাদা স্কুল বা হোস্টেলের ব্যবস্থা ভারতে কাম্য নয়। হোস্টেলে সব সম্প্রদায়ের ছাত্ররা (UGC) একসাথে থাকে এবং সেখান থেকেই জাতীয় ঐক্য তৈরি হয়।”

    ইউজিসির অস্পষ্ট সংজ্ঞা

    নতুন সার্কুলেশন ৩(সি) ধারা নিয়ে আদালত আপত্তি তুলেছে, যেখানে ‘জাতিগত বৈষম্য’-এর সংজ্ঞাটি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণি যেমন এসসি, এসটি, ওবিসি (SC, ST, OBC) মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। আবেদনকারীদের দাবি ছিল, এই সংজ্ঞাটি বৈষম্যমূলক, কারণ এতে সাধারণ শ্রেণির (General Category) ছাত্রছাত্রীদের (UGC) সুরক্ষার কোনো উল্লেখ নেই।

    বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন

    সুপ্রিম কোর্ট (Suprim Court) সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে, প্রবীণ আইনজ্ঞ এবং পণ্ডিতদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হোক। এই কমিটি খতিয়ে দেখবে যে সামাজিক মূল্যবোধের ওপর এই নিয়মের প্রভাব কী হতে পারে।

    র‍্যাগিং-এর ইস্যু

    আদালত লক্ষ্য করেছে, যেখানে র‍্যাগিং ক্যাম্পাসের সবচেয়ে বড় সমস্যা, সেখানে এই নতুন সার্কুলেশনে র‍্যাগিং-এর বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া উত্তর-দক্ষিণ বা উত্তর-পূর্ব ভারতের ছাত্রছাত্রীদের (UGC) সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য নিয়েও যে বৈষম্য হয়, তার সমাধানের অভাব এখানে রয়েছে।

    প্রেক্ষাপট

    গত ১৩ জানুয়ারি ইউজিসি এই নতুন নিয়মগুলো ঘোষণা করেছিল, যেখানে প্রতিটি কলেজে ‘ইকুইটি কমিটি’ (UGC) এবং ২৪ ঘণ্টা হেল্পলাইন খোলার কথা বলা হয়েছিল। এর পরেই সাধারণ শ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে তীব্র প্রতিবাদের সৃষ্টি হয় এবং সুপ্রিম কোর্টে (Suprim Court) একাধিক পিটিশন জমা পড়ে। পরবর্তী শুনানি আগামী ১৯ মার্চ, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। ততদিন পর্যন্ত এই বিতর্কিত নিয়মের ওপর স্থগিতাদেশ বলবৎ থাকবে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে এক বছরে ৫২২টি সাম্প্রদায়িক হামলা, ৬১ জন অমুসলিম নিহত! মানবাধিকার চরম বিপন্ন

    Bangladesh: বাংলাদেশে এক বছরে ৫২২টি সাম্প্রদায়িক হামলা, ৬১ জন অমুসলিম নিহত! মানবাধিকার চরম বিপন্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh) হিন্দু, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে ২৯ জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তথ্য দিয়ে বলা হয়েছে, গত এক বছরে বাংলাদেশে ৫২২টিরও বেশি (Communal attacks) সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। সেই সঙ্গে ৬১টি খুনের ঘটনায় দেশের অভ্যন্তরে অমুসলিম সমাজের মধ্যে ব্যাপক ভয়ের বাতাবরণের ঘটনা ঘটেছে।

    ২৮টি ধর্ষণ, গণধর্ষণ এবং নারী নির্যাতন (Bangladesh)

    ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত (Bangladesh) একটি প্রতিবেদন অনুসারে, সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ৫২২টি ঘটনা (Communal attacks) ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬১টি খুন, ২৮টি ধর্ষণ, গণধর্ষণ এবং নারী নির্যাতনের ঘটনা। ৯৫টি ঘটনার মধ্যে রয়েছে ধর্মীয় স্থানে হামলা, দেব-দেবীর মূর্তি অবমাননা এবং ভাঙচুর। ২১টি ঘটনার মধ্যে রয়েছে জমি দখল। ১০২টি ঘটনার মধ্যে রয়েছে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা। আর ৪৭টি ঘটনার মধ্যে রয়েছে মৃত্যুর হুমকি এবং নির্যাতন।

    ৬৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত

    বাংলাদেশ (Bangladesh) মানবাধিকার কমিশন ২০২৫ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে সংখ্যালঘুদের হত্যার ঘটনা নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে গণপিটুনির ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে স্পষ্ট মত প্রকাশ করা হয়েছে। জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বিক্ষোভ চলাকালীন ৬৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। পরে এই সংখ্যা বেড়ে ১,৫০০-তে পৌঁছে গিয়েছিল।

    হিন্দু মেকানিককে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা 

    পরিষদের পক্ষে প্রতিবেদনে ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬ সালের ঘটনাটি আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। নরসিংদী জেলায় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের একটি দল কমপক্ষে ১২ জন বাংলাদেশি সাংবাদিককে আক্রমণ করে আহত করেছে। সাংবাদিকরা বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগদানের পর বাসে করে ঢাকায় ফিরছিলেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাও ঘটনাটির সত্যতা প্রকাশ্যে এনেছে। প্রতিবেদনে নরসিংদীতে একজন হিন্দু মেকানিককে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার মতো ঘটনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    সংখ্যালঘু সমিতির দাবি

    সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংখ্যালঘু সমিতি বাংলাদেশের (Bangladesh) ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ কিছু দাবিও জানিয়েছে। এরকম একটি দাবি হলো নির্বাচন কমিশনকে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যাতে সংখ্যালঘু ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে তাদের ভোট দিতে পারেন এবং সমতার অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

    নির্বাচনী প্রচারে ধর্ম বা সম্প্রদায়ের কোনও উল্লেখ নিষিদ্ধ করা উচিত। যেসব নেতা, প্রার্থী এবং দল তা করে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশনকে যেকোনো মূল্যে সংখ্যালঘুদের স্বার্থকে সুরক্ষিত করতে হব।

  • Economic Survey 2025-26: ইথানল ব্যবহারের কারণে ভারতে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকার অপরিশোধিত তেলে ব্যবহারে হ্রাস

    Economic Survey 2025-26: ইথানল ব্যবহারের কারণে ভারতে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকার অপরিশোধিত তেলে ব্যবহারে হ্রাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইকোনমিক সার্ভে (অর্থনৈতিক সমীক্ষা) ২০২৫–২৬ (Economic Survey 2025-26) অনুযায়ী, ভারতের ইথানল (Ethanol) মিশ্রণ কর্মসূচি দেশকে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে সাহায্য করেছে। আবার সেইসঙ্গে প্রায় ২৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেলের আমদানি কমিয়েছে।

    অপরিশোধিত তেলের আমদানি হ্রাস (Economic Survey 2025-26)

    সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, ইথানল-মিশ্রিত জ্বালানি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হয়ে উঠেছে। এই কর্মসূচির ফলে বহুমুখী সুবিধা পাওয়া গেছে, যার মধ্যে রয়েছে — অপরিশোধিত তেলের আমদানি হ্রাস, বৈদেশিক মুদ্রার বহির্গমন কমানো এবং ইথানল (Ethanol) উৎপাদনের কাঁচামাল সরবরাহকারী কৃষকদের আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি (Economic Survey 2025-26)।

    কাঁচামালের গণ্ডি পেরিয়ে খাদ্যশস্য

    ২০২৫ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত যে সাফল্যগুলি অর্জিত হয়েছে, তা পরিবহন জ্বালানিতে ইথানল মিশ্রণের ক্রমবর্ধমান মাত্রাকেই প্রতিফলিত করে। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে যে, মিশ্রণের লক্ষ্যমাত্রা ই-২০ (E20)-এর দিকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কর্মসূচি এখন প্রথাগত চিনি-ভিত্তিক কাঁচামালের গণ্ডি পেরিয়ে খাদ্যশস্য, বিশেষ করে ভুট্টা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এই বৈচিত্র্যকরণের ফলে ইথানল (Ethanol) মিশ্রণের গতি ত্বরান্বিত হয়েছে এবং অপরিশোধিত তেলের বিকল্প ব্যবহারের মাত্রা আরও বেড়েছে।

    ১১.৭ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে

    সমীক্ষায় আরও লক্ষ্য করা গিয়েছে, সরকার নির্ধারিত ইথানলের মূল্য এবং তেল বিপণন সংস্থাগুলির (OMCs) পক্ষ থেকে নিশ্চিতভাবে পণ্য ক্রয়ের প্রতিশ্রুতি উৎপাদন বৃদ্ধিতে মূল ভূমিকা পালন করেছে। ২০২২ থেকে ২০২৫ অর্থবর্ষের মধ্যে ভুট্টা-ভিত্তিক ইথানলের নির্ধারিত দাম বার্ষিক ১১.৭ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে (CAGR) বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কৃষক ও উৎপাদকদের উৎসাহিত করেছে।

    তবে একই সঙ্গে, সমীক্ষায় (Economic Survey 2025-26) সতর্ক করা হয়েছে, ইথানল মিশ্রণের ক্রমবর্ধমান মাত্রার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন। ইথানলের কাঁচামালের চাহিদার কারণে চাষাবাদের ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে, যা ফসলের বৈচিত্র্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কর্মসূচিটি যত পরিপক্ক হচ্ছে, জ্বালানি নিরাপত্তার লক্ষ্যের সঙ্গে কৃষি খাতের স্বার্থের ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

  • Vande Bharat Sleeper: এবার ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার তৈরির ঘোষণা ভারতীয় রেলের

    Vande Bharat Sleeper: এবার ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার তৈরির ঘোষণা ভারতীয় রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রীদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং প্রিমিয়াম দূরপাল্লার রেল পরিষেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখে ভারতীয় রেল (Indian Railways) এখন ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper) তৈরির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। সম্প্রতি দেশের প্রথম স্লিপার ভেরিয়েন্ট চালুর পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    গত ১৭ জানুয়ারি মালদা টাউন হয়ে হাওড়া ও কামাখ্যার মধ্যে চলাচলকারী ১৬ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি যাত্রীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। এই সাফল্যের ওপর ভিত্তি করেই রেল কর্তৃপক্ষ এখন অধিক যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ট্রেন তৈরির দিকে নজর দিচ্ছে।

    ব্যাপক যাত্রী ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি (Vande Bharat Sleeper)

    চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (ICF) ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের অধীনে এই নতুন ২৪ কোচের ট্রেনসেটটি বর্তমানে ডিজাইনের পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানের ৮২৩টি বার্থের পরিবর্তে নতুন এই ট্রেনে ১,২২৪টি বার্থ থাকবে (৪০১টি বেশি)। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এর প্রোটোটাইপ বা পরীক্ষামূলক সংস্করণ তৈরির লক্ষ্য রাখা হয়েছে। মোট ৫০টি রেক তৈরি করা হবে। এতে ১৭টি এসি ৩-টায়ার, ৫টি এসি ২-টায়ার, ১টি এসি ফার্স্ট ক্লাস কোচ এবং একটি পূর্ণাঙ্গ এসি প্যান্ট্রিকার (Indian Railways) থাকবে।

    আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা

    যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের (Vande Bharat Sleeper) জন্য এই ভেরিয়েন্টে থাকছে—

    • আর্গোনমিক বার্থ, রিডিং লাইট, মোবাইল ও ল্যাপটপ চার্জিং পয়েন্ট।
    • ওয়াই-ফাই, প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেম এবং ইনফোটেইনমেন্ট।
    • ভ্যাকুয়াম-অ্যাসিস্টেড টয়লেট এবং আধুনিক ইন্টিরিয়র।
    • দিব্যাঙ্গজনদের জন্য সুবিধা: বিশেষ টয়লেট (Indian Railways) এবং র‍্যাম্পের ব্যবস্থা।

    নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    ট্রেন সংঘর্ষ এড়ানোর অত্যাধুনিক কবচ (Kavach) প্রযুক্তির সর্বশেষ সংস্করণ। সিসিটিভি ও আন্তর্জাতিক মানের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা। ঘণ্টায় ১৬০ কিমি সর্বোচ্চ গতিবেগ এবং শব্দ নিরোধক ব্যবস্থা।

    পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি

    পরিবেশের কথা মাথায় রেখে এতে ‘রিজেনারেটিভ ব্রেকিং’, এলইডি লাইটিং এবং ভ্যাকুয়াম বায়ো-টয়লেট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া ট্রেনের (Indian Rail) রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ‘রিমোট কন্ডিশন মনিটরিং’ সিস্টেমও যুক্ত করা হবে।

    ২৪ কোচের এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper) ভারতীয় রেলের (Indian Railways) আধুনিকীকরণ এবং দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রীদের বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা প্রদানের এক বড় পদক্ষেপ। উল্লেখ্য যে, বিএইচইএল (BHEL) ইতিমধ্যেই এই ট্রেনের প্রপালশন সরঞ্জামের সরবরাহ শুরু করেছে।

  • India–EU FTA: ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থেকে কার কী প্রাপ্তি হল? কে কী সুবিধা পাবে? বিশ্লেষণ

    India–EU FTA: ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থেকে কার কী প্রাপ্তি হল? কে কী সুবিধা পাবে? বিশ্লেষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে এক ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (Free Trade Agreement), সংক্ষেপে এফটিএ (FTA), যাকে উভয় পক্ষই আখ্যা দিয়েছে “মাদার অফ অল ডিলস” বা ‘সবচেয়ে বড় বাণিজ্য চুক্তি’ হিসেবে।

    মঙ্গলবার ঘোষিত এই চুক্তিটি প্রায় দুই দশকের টালবাহানা করা আলোচনার পর বাস্তব রূপ পেয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক ভূ-অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। ভারত ও ২৭ দেশের ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে এই চুক্তি কার্যকর হলে প্রায় ২০০ কোটি মানুষের বাজার এক ছাতার নিচে আসবে। এর সম্মিলিত বাজারের পরিমাণ প্রায় ২৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বিশ্বের জিডিপির প্রায় ২৫ শতাংশ।

    ২০ বছর আগে যেখানে আলোচনা ভেঙে গিয়েছিল, সেখানে এখন ভারতের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০১৩ সালে ভারত তার অটোমোবাইল খাত খুলতে অনিচ্ছুক হওয়ায় আলোচনা থমকে যায়। তবে নতুন চুক্তির আওতায় ভারত ইউরোপীয় গাড়ির জন্য নিজস্ব বাজার খুলে দিয়েছে। ইউরোপ থেকে আমদানি হওয়া অধিকাংশ গাড়ির ওপর শুল্ক ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে নামানো হবে এবং ধাপে ধাপে তা ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে।

    চুক্তিতে কী কী অন্তর্ভুক্ত?

    এটি ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ও ব্যাপক বাণিজ্য চুক্তি যা পণ্য, পরিষেবা এবং বিনিয়োগ— তিন ক্ষেত্রকেই অন্তর্ভুক্ত করছে। ২০২৩ সালে ইইউ ভারতের জন্য জিএসপি (Generalised Scheme of Preferences) সুবিধা প্রত্যাহার করে নিয়েছিল, যার ফলে ভারতীয় রফতানিকারকদের ওপর বাড়তি শুল্কের বোঝা পড়েছিল। এখন নতুন চুক্তিতে ভারতের জন্য বস্ত্র, ওষুধ, যন্ত্রপাতি, ইস্পাত, পেট্রোলিয়াম পণ্য ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম খাতে বড় সুবিধা এনে দেবে। ইইউ ভারতকে ১৪৪টি পরিষেবা উপখাতে প্রবেশাধিকার দেবে, আর ভারত ইইউকে ১০২টি উপখাতে সুযোগ দেবে, যার মধ্যে আর্থিক পরিষেবা, সামুদ্রিক পরিবহণ ও টেলিযোগাযোগ খাত উল্লেখযোগ্য।

    বর্তমানে ভারত-ইইউ বাণিজ্যের চিত্র

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখনো ভারত ও ইইউ—উভয়েরই সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। তবে গত এক দশকে ভারত-ইইউ পণ্য বাণিজ্য দ্রুত বেড়েছে। ২০২০ সালে যেখানে এর পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৪ বিলিয়ন ডলার, সেখানে ২০২৪-২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৬ বিলিয়ন ডলারে। ফলে ইইউ এখন ভারতের সবচেয়ে বড় পণ্য বাণিজ্য অংশীদার।

    বর্তমানে ভারতের ইইউ-র সঙ্গে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে। ভারত ইইউতে রফতানি করে প্রায় ৭৫.৮৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, যেখানে আমদানি করে ৬০.৬৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। ইইউ মূলত যন্ত্রপাতি, পরিবহণ সরঞ্জাম ও রাসায়নিক পণ্য রফতানি করে। আর ভারত রফতানি করে রাসায়নিক, ধাতু, খনিজ পণ্য ও বস্ত্র। দুই পক্ষই ২০৩০ সালের মধ্যে এই বাণিজ্য ২০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে।

    ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পরিষেবা বাণিজ্যও বেড়েছে। ভারতীয় পরিষেবা রফতানি ২২.৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৪ বিলিয়ন ডলার এবং ইইউ-র রফতানি বেড়েছে ১৭ বিলিয়ন থেকে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে। মূলত ব্যবসায়িক পরামর্শ ও আইটি পরিষেবায় এই লেনদেন বেশি। বর্তমানে ইইউ-র মোট বাণিজ্যের মধ্যে ভারতের অংশ ২.৪ শতাংশ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ ১৭.৩ শতাংশ এবং চিনের ১৪.৬ শতাংশ। ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ৯.৩ লাখ ভারতীয় নাগরিক ইইউ দেশগুলোতে বসবাস করছেন। ইইউ জানিয়েছে, প্রায় ৬,০০০ ইউরোপীয় সংস্থা ভারতে কাজ করছে এবং প্রায় ১,৫০০ ভারতীয় সংস্থার উপস্থিতি রয়েছে ইউরোপে।

    ভারতের কী লাভ হবে?

    • ● ইইউ ভারতের ৯০ শতাংশ পণ্যের ওপর শুল্ক পুরোপুরি তুলে নেবে এবং সাত বছরের মধ্যে তা ৯৩ শতাংশে পৌঁছাবে।
    • ● তাৎক্ষণিকভাবে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে সামুদ্রিক খাদ্য (চিংড়ি ও হিমায়িত মাছ), রাসায়নিক, প্লাস্টিক ও রাবার, চামড়া ও জুতো, বস্ত্র ও পোশাক, ধাতু, রত্ন ও গয়না শিল্প।
    • ● প্রায় ৬ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে আংশিক শুল্কছাড় ও কোটা প্রযোজ্য হবে। এতে ইইউ-র গড় শুল্কহার ৩.৮ শতাংশ থেকে নেমে আসবে ০.১ শতাংশে।
    • ● মোটের ওপর দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ৯৯.৫ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে শুল্কছাড়ের সুবিধা পাবে।
    • ● তবে, ভারত এখনও ইস্পাত রফতানির কোটা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। বর্তমানে ইইউ ভারতকে বছরে ১৬ লাখ টন ইস্পাত শুল্কমুক্ত রফতানির অনুমতি দেবে, যা ভারতের বর্তমান রফতানির প্রায় অর্ধেক।

    ইইউ কী সুবিধা পাবে?

    • ● ভারত তাৎক্ষণিকভাবে ইইউ থেকে আমদানি হওয়া ৩০ শতাংশ পণ্যের ওপর শুল্ক তুলে নেবে। মোটের ওপর ইইউ-র ৯৬.৬ শতাংশ পণ্যের শুল্ক কমানো বা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে। এতে ইউরোপীয় সংস্থাগুলির বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ইউরো সাশ্রয় হবে।
    • ● গাড়ি ছাড়াও যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক ও ওষুধের ওপর ভারতের বিদ্যমান উচ্চ শুল্ক প্রায় পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে। বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তির পণ্যের ওপর শুল্ক প্রায় সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হবে।
    • ● ইইউ থেকে আমদানি হওয়া ওয়াইন ও মদের ওপর বর্তমান ১৫০ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ২০–৩০ শতাংশ (ওয়াইন), ৪০ শতাংশ (স্পিরিটস) এবং ৫০ শতাংশ (বিয়ার) করা হবে।
    • ● এছাড়া আর্থিক ও সামুদ্রিক পরিষেবায় ইউরোপীয় সংস্থাগুলিকে আরও বেশি প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে। শুল্ক প্রক্রিয়া সহজ করা হবে এবং মেধাস্বত্ব (Intellectual Property) সুরক্ষা আরও জোরদার করা হবে।
    • ● বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তি শুধু বাণিজ্য নয়, ভারত ও ইউরোপের কৌশলগত অংশীদারিত্বকেও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
  • World Leprosy Day 2026: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শিশু কুষ্ঠ রোগী! রাজ্যের জন্য কেন বাড়তি দুশ্চিন্তা?

    World Leprosy Day 2026: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শিশু কুষ্ঠ রোগী! রাজ্যের জন্য কেন বাড়তি দুশ্চিন্তা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রোগ নিরাময় সম্ভব। কিন্তু রোগীর সামাজিক হেনস্থা হয়ে উঠছে মূল চ্যালেঞ্জ। ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব কুষ্ঠ রোগ সচেতনতা দিবসে (World Leprosy Day 2026) তাই রোগ ও রোগ সংক্রান্ত ভ্রান্ত ধারণা রোধেই জোর দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে কুষ্ঠ রোগ শুধুই স্বাস্থ্য সমস্যা নয়। এই রোগ সামাজিক জটিলতাও তৈরি করে। তাই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি কুষ্ঠ নিয়ে যে সমস্ত ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে, সে সম্পর্কেও আরও বেশি আলোচনা জরুরি। যাতে ভুল ধারণা নষ্ট হয়। রোগীর সামাজিক হেনস্থা বন্ধ হয়। ভারতে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শিশু কুষ্ঠ রোগী। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal Child Leprosy Cases) সহ একাধিক রাজ্যে শিশুদের কুষ্ঠ রোগে আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। যা এই রোগের প্রবল উপস্থিতির জানান দিচ্ছে।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য?

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারত কুষ্ঠ মুক্ত হওয়ার পথে। তবে শিশুদের মধ্যে কুষ্ঠ রোগের উপস্থিতি বাড়তি উদ্বেগজনক। তথ্য অনুযায়ী, ভারতে নতুন করে কুষ্ঠ রোগে আক্রান্তদের মধ্যে ৪.৬৮ শতাংশ শিশু। যদি তুলনামূলক ভাবে শিশু আক্রান্তের সংখ্যা ২০১৪-১৫ সালের তুলনায় কম। তবুও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশু কুষ্ঠ রোগীর পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে সমাজে এই রোগের গভীর উপস্থিতি। তাই এ নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হয়।

    রাজ্যের জন্য কেন বাড়তি দুশ্চিন্তা?

    কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সাতটি রাজ্যে কুষ্ঠ রোগের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। আর সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। তাই এই রাজ্য নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে (West Bengal Child Leprosy Cases)। তথ্য অনুযায়ী, ভারতের মোট কুষ্ঠ আক্রান্তের ৭৩ শতাংশ রোগীই ভারতের এই সাত রাজ্যে থাকে। যাকে ‘উচ্চ প্রাদুর্ভাব’ রাজ্য হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্রে কুষ্ঠ রোগের প্রকোপ এখনো উদ্বেগজনক। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় কুষ্ঠ রোগ যথেষ্ট উদ্বেগজনক পরিস্থিতি।‌ বিশেষত সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পশ্চিম মেদিনীপুরের কুষ্ঠ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি (West Bengal Child Leprosy Cases)। শুধু মাত্র পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রতি বছর কমবেশি ৫৫০ জন নতুন করে কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। যার মধ্যে ৩০ জন শিশু। এছাড়াও ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়ার পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

    কীভাবে রোগ প্রতিরোধ সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কুষ্ঠ রোগ প্রকোপ কমানোর মূল হাতিয়ার সম্পূর্ণ চিকিৎসা করানো। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই রোগের চিকিৎসা করানো হয়। মাল্টি ড্রাগ থেরাপির মাধ্যমে এই রোগের সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী সম্পূর্ণ চিকিৎসা করান না। সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকলেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী চিকিৎসা বন্ধ করে দেন। এর ফলে জীবাণু সক্রিয় থাকে। সংক্রমণের ঝুঁকিও বজায় থাকে। চিকিৎসা সম্পূর্ণ করালে রোগ নির্মূল হওয়া সম্ভব। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শিশুদের কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। শিশুর ত্বকে কোনও বিশেষ‌ দাগ থাকলে, কোনও নির্দিষ্ট অংশে অনুভূতিহীন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তাড়াতাড়ি রোগ নির্ণয় হলে তবেই চিকিৎসা সম্ভব। দ্রুত স্বাভাবিক জীবন যাপন সম্ভব।

    কুষ্ঠ নিরাময়ে কোন দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কুষ্ঠ রোগের মূল চ্যালেঞ্জ সামাজিক হেনস্থা বন্ধ করা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, রোগ সম্পর্কে সচেতনতা (World Leprosy Day 2026) বৃদ্ধি জরুরি। পাশপাশি রোগীর সামাজিক হেনস্থা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। যাতে রোগী রোগ লুকিয়ে না রাখেন।‌ বিশেষত শিশুরা আক্রান্ত হলে , পরবর্তীতে যাতে তাদের কোনো রকম সামাজিক হেনস্থার সম্মুখীন না হতে হয়, সে দিকে প্রশাসনের নজরদারি জরুরি। কুষ্ঠ ব্যাকটেরিয়া ঘটিত অসুখ। এই রোগ কোনও বংশানুক্রমিক রোগ নয়। কোনো পাপের ফল কুষ্ঠ নয় (West Bengal Child Leprosy Cases)। জীবাণু সংক্রমণের দ্বারা এই রোগ হয়। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে থাকলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। সেই সম্পর্কে আরও বেশি সচেতনতা কর্মসূচি জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

LinkedIn
Share