Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Assembly Election 2026: শনি-সকালেও ভোটারদের লম্বা লাইন! মগরাহাট, ডায়মন্ড হারবারের ১৫টি বুথে চলছে পুনর্নির্বাচন

    Assembly Election 2026: শনি-সকালেও ভোটারদের লম্বা লাইন! মগরাহাট, ডায়মন্ড হারবারের ১৫টি বুথে চলছে পুনর্নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Pargana) দুই গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি বুথে নতুন করে ভোট (Repolling) গ্রহণ চলছে। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নির্দেশ মেনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় সকাল ৭টা থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে পুনর্নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026 Repolling)। ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত। মগরাহাট পশ্চিম (Magrahat Paschim) কেন্দ্রের ১১টি বুথে এবং ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) কেন্দ্রের ৪টি বুথে পুনর্নির্বাচন চলছে। ফলতার ক্ষেত্রে কোনও সিদ্ধান্তের কথা এখনও জানায়নি নির্বাচন কমিশন।

    কোথায় কোথায় চলছে পুনর্নির্বাচন

    মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের ১১টি বুথ যেমন উত্তর ইয়ারপুর এফপি স্কুল, নাজরা এফপি স্কুলের দু’টি বুথ এবং একতারা মালয়া এফপি স্কুলের দু’টি বুথের মতো একাধিক বুথে চলছে ভোটগ্রহণ। অন্যদিকে হাই-প্রোফাইল ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের ৪টি বুথে পুনর্নির্বাচন। বাগদা জুনিয়র হাই স্কুল এবং রায়নগর এফপি স্কুলের মতো বুথগুলিতে ফের লাইন দিয়েছেন ভোটাররা। শনিবার সকাল থেকেই সারিবদ্ধভাবে ভোট দিতে সামিল হতে দেখা গিয়েছে ভোটারদের। ১৫টি বুথে একই চিত্র দেখা গিয়েছে। নির্বিঘ্নেই চলছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। পুনর্নির্বাচনেও তৎপর কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ। বুথের সামনে কোনও জমায়েত করতে দেওয়া হচ্ছে না। এলাকায় জওয়ানরা টহল দিচ্ছেন।

    কেন এই পুনর্নির্বাচন

    কমিশন সূত্রে খবর, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার এবং পর্যবেক্ষকদের দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৯ এপ্রিল ভোটের দিন এই সব বুথ থেকে গোলমালের খবর এসেছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মগরাহাট পশ্চিম এবং ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের বেশ কিছু বুথে ২৯ এপ্রিলের ভোট বাতিল করা হয়েছে। যাবতীয় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তবেই পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছেন কমিশন। এখনও ফলতা বিধানসভার কোন‌ও বুথে রিপোলের অর্ডার দেওয়া হয়নি। তবে কমিশন সূত্রে খবর, ফলতার একাধিক বুথে গোলযোগের বিষয় নিয়ে স্ক্রুটিনির রিপোর্ট জমা পড়লে সেক্ষেত্রে তারপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফলতা বিধানসভার প্রায় ৩০টার বেশি বুথের সিসি ক্যামেরা খতিয়ে দেখা হয়েছে। কোথাও ইভিএমে টেপ লাগানো, কোথাও বুথের সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। আবার কোন‌ও বুথে ১০০ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পড়েছে। এই বিষয়গুলিই একাধিকবার খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তারপর সেই রিপোর্ট কমিশনের কাছে জমা দেবেন ফলতা বিধানসভার রিটার্নিং অফিসার, সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।

  • Kailash Mansarovar Yatra 2026: কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা শুরু হতে চলেছে আগামী জুন মাসে, আপনি কী যেতে চান, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া কীভাবে হবে জানুন

    Kailash Mansarovar Yatra 2026: কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা শুরু হতে চলেছে আগামী জুন মাসে, আপনি কী যেতে চান, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া কীভাবে হবে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বহুল প্রতীক্ষিত কৈলাস মানসরোবর (Kailash Mansarovar Yatra 2026) যাত্রা আগামী জুন মাস থেকে শুরু হতে চলেছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র এই তীর্থযাত্রা। ইতিমধ্যে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা এবং আনন্দ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে।

    ভারত ও চীন—উভয় দেশের সরকারের সমন্বয়ে আয়োজিত এই যাত্রাটি আধ্যাত্মিক শান্তির পাশাপাশি হিমালয়ের (Mount Kailash) অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাক্ষী হওয়ার এক অনন্য সুযোগ থাকে। যারা এই বছর যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তারা দ্রুত অফিসিয়াল পোর্টালে নজর রাখুন।

    জুন মাস থেকে শুরু হচ্ছে যাত্রা (Kailash Mansarovar Yatra 2026)

    প্রতি বছরের মতো এই বছরেও জুন মাস থেকে কৈলাস মানসরোবর যাত্রা (Kailash Mansarovar Yatra 2026) শুরু হওয়ার কথা। উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ পাস এবং সিকিমের নাথুলা পাস—এই দুটি প্রধান পথ দিয়ে যাত্রীরা তিব্বতের এই পবিত্র স্থানে পৌঁছাতে পারেন।

    আবেদনের যোগ্যতা (Eligibility)

    এই যাত্রায় অংশ নেওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়মাবলী রয়েছে। যা হল-

    ১. আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে।

    ২. যাত্রীর বয়স ১৮ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে হওয়া বাধ্যতামূলক।

    ৩. যাত্রীকে শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে হবে (বডি মাস ইনডেক্স বা BMI ২৫ বা তার কম হওয়া বাঞ্ছনীয়)।

    ৪. তীর্থযাত্রীদের (Mount Kailash) নির্বাচন করা হয় কম্পিউটারাইজড ড্র-এর (Computerized Draw) মাধ্যমে।

    রেজিসট্রেশন বা নিবন্ধন প্রক্রিয়া

    কৈলাস মানসরোবর যাত্রার (Kailash Mansarovar Yatra 2026) জন্য ভারতের বিদেশমন্ত্রক (Ministry of External Affairs) নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। আবেদন করার সময় বৈধ ভারতীয় পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক, যার মেয়াদ অন্তত ছয় মাস অবশিষ্ট থাকতে হবে।

    যাত্রার রুট বা পথ। সাধারণত দুটি পথ দিয়ে এই যাত্রা সম্পন্ন হয়:

    উত্তরাখণ্ড রুট: লিপুলেখ পাসের মাধ্যমে এই পথটি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং এবং ট্রেকিংয়ের ওপর নির্ভরশীল।

    সিকিম রুট: নাথুলা পাসের মাধ্যমে এই পথটি বয়স্কদের জন্য সুবিধাজনক, কারণ এখানে অধিকাংশ পথই মোটরগাড়িতে যাওয়া যায়।

    প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা

    নির্বাচিত হওয়ার পর যাত্রীদের (Kailash Mansarovar Yatra 2026) দিল্লিতে কঠোর স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। উচ্চতাজনিত অসুস্থতা (Altitude Sickness) মোকাবিলা করার মতো শারীরিক ক্ষমতা থাকলেই কেবল যাত্রার অনুমতি দেওয়া হয়। এছাড়া যাত্রীদের সাথে রাখতে হয় যথাযথ পরিচয়পত্র এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট।

    পৌরাণিক কাহিনী দ্বারা পরিবেষ্টিত মানসরোবর যাত্রা

    কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা (Kailash Mansarovar Yatra 2026) একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ধর্মীয় তীর্থযাত্রা, যেখানে কৈলাস পর্বতকে (Mount Kailash) ভগবান শিবের বাসস্থান হিসেবে পূজা করা হয়। এটি কেবল হিন্দুদের জন্যই নয়, জৈন ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্যও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব বহন করে। হিন্দু বিশ্বাসে এটিকে অন্যতম পবিত্র স্থান হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এটি সমৃদ্ধ পৌরাণিক কাহিনী দ্বারা পরিবেষ্টিত। পুরাণে শ্রুতি রয়েছে, এই পবিত্র স্থানটি ভগবান ব্রহ্মা তৈরি করেছিলেন এবং বিশ্বাস করা হয় যে এর জলে স্নান করলে মোক্ষ লাভ হয়।

    ভারত সরকারের তরফে এই বছর পবিত্র এই তীর্থযাত্রা জুন মাসে শুরু হতে চলেছে। যাত্রার পথ, নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে সরকারের ওয়েব সাইটে নজর রাখুন।

  • Weather Change Headache: হঠাৎ গরম, হঠাৎ ঠান্ডা! তাপমাত্রার রকমফেরে কেন বাড়ছে মাথার যন্ত্রণা?

    Weather Change Headache: হঠাৎ গরম, হঠাৎ ঠান্ডা! তাপমাত্রার রকমফেরে কেন বাড়ছে মাথার যন্ত্রণা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দিন কয়েক আগেও তাপমাত্রার পারদ ছিলো উর্ধ্বগামী। কিন্তু হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টির দাপটে গরম কিছুটা ব্যাকফুটে! তাপমাত্রার পারদ পতনে বদলে গিয়েছে আবহাওয়া। কিন্তু তাপমাত্রার এই ঘন ঘন পরিবর্তনে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। সাময়িক স্বস্তি পাওয়া গেলেও বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হঠাৎ করেই তীব্র গরম আবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তুলনামূলক ঠান্ডা আবহাওয়ায়, অনেকেই মাথার যন্ত্রণায় কাবু। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই তীব্র যন্ত্রণায় ভুগছেন।

    তাপমাত্রার রকমফেরে কেন মাথার যন্ত্রণা হয়?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে গেলে কিংবা হঠাৎ করেই তাপমাত্রার পতন হলে, মাথার যন্ত্রণা হতে পারে। বিশেষত, যারা মাইগ্রেনের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের ভোগান্তি বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে বায়ুচাপের পরিবর্তন হয়। দ্রুত বায়ুচাপের পরিবর্তন হলে মস্তিষ্কের রক্তনালীতেও পরিবর্তন হয়। মস্তিষ্কের রক্তনালীতে রক্তচাপের পরিবর্তন হলে মাথা যন্ত্রণা হতে পারে। হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে গেলে বা কমে গেলে শরীরে জলের পরিমাণের পরিবর্তন ঘটে। মাথা যন্ত্রণার সঙ্গে যার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। শরীরে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়লে মাথার যন্ত্রণা বাড়তে পারে। একটানা বৃষ্টি হলে বা বজ্রপাত হলে অনেকেই মাথার যন্ত্রণা অনুভব করেন। মাইগ্রেন কিংবা সাইনাসের সমস্যা থাকলে এই আবহাওয়ার পরিবর্তনে মাথা যন্ত্রণার ভোগান্তি বাড়ে।

    কীভাবে ভোগান্তি কমবে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয়ে খেয়াল রাখলে ভোগান্তি কমানো সম্ভব। তাঁরা ঘরোয়া উপকরণের উপরেই ভরসা করছেন। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, প্রতিদিন পর্যান্ত জল খাওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার রকমফের হলেও শরীরে জলের যাতে ঘাটতি না হয়, সেদিকে নজর জরুরি। শরীরে জলের পরিমাণ কমে গেলে মাথা যন্ত্রণার ঝুঁকি বাড়ে। তাই সে দিকে নজর রাখলে ভোগান্তি কমতে পারে।‌ পরিবর্তিত আবহাওয়াতেও যাতে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়, রক্তনালীতে বাড়তি চাপ না পড়ে, সেই জন্য নিয়মিত যোগাভ্যাসের উপরে গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, যোগ শরীরের রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে, হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এর ফলে মস্তিষ্কে বাড়তি চাপ তৈরি হয় না। তাই যোগাভ্যাস মাথার যন্ত্রণার ভোগান্তি কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। মাথার যন্ত্রণা হলে আদা কিংবা তুলসি পাতা দেওয়া চা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, আদা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। তাই মাথা যন্ত্রণার ভোগান্তি কমাতেও সাহায্য করে। আবার তুলসীও শরীরের জন্য বিশেষ উপকারি। তাই তুলসী পাতা বা আদা দেওয়া চা খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

    কখন বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তনে মাথা যন্ত্রণা স্বাভাবিক। এ নিয়ে বাড়তি আতঙ্কের প্রয়োজন নেই। তবে কিছু ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই আবহাওয়ার পরিবর্তন না হলেও প্রচণ্ড মাথা যন্ত্রণা হয়। তার সঙ্গে বমি, চোখে অন্ধকার হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। তেমন কিছু হলে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। স্ট্রোক কিংবা অন্যান্য জটিল রোগের উপসর্গ হিসাবেও মাথা যন্ত্রণা হয়। তাই যন্ত্রণা কতখানি তীব্র, সেটা বোঝা জরুরি। তাছাড়া, উচ্চ রক্তচাপ থাকলে মাথা যন্ত্রণা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। কারণ উচ্চ রক্তচাপ থাকলে হৃদরোগ কিংবা স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Assembly Election 2026: ইভিএমে টেপ থেকে বন্ধ ক্যামেরা! ডায়মন্ড হারবার-মগরাহাট-পশ্চিম ফলতায় একাধিক বুথে রিপোলের সুপারিশ

    Assembly Election 2026: ইভিএমে টেপ থেকে বন্ধ ক্যামেরা! ডায়মন্ড হারবার-মগরাহাট-পশ্চিম ফলতায় একাধিক বুথে রিপোলের সুপারিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Assembly Election 2026) দিন ফলতায় ইভিএমে টেপ লাগানো শুধু নয় একাধিক বুথে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ক্যামেরাও। রিপোল স্ক্রুটিনিতে উঠে আসছে এমনই কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, একাধিক বুথে ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেলেও ওয়েব কাস্টিংয়ের কন্ট্রোল রুমে আসেনি। কারণ, হিসাবে উঠে আসছে নেটওয়ার্ক সমস্যার কথা। তবে, সূত্রের খবর, নেটওয়ার্কের কারণে কন্ট্রোল রুমে ক্যামেরা বন্ধ সংক্রান্ত কোনও তথ্য আসেনি। ফলতার পাশাপাশি নজরে ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাট পশ্চিমও। মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি বুথে পুনর্নিবাচনের প্রস্তাব উঠেছে।

    ফলতায় বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত

    ফলতায় রয়েছে মোট ২৩৮টি বুথ। সূত্রের খবর, বেশ কিছু বুথে ১০০ শতাংশ ভোট পড়েছে। অনেক জায়গা থেকেই একাধিক অভিযোগ এসেছিল। সন্ধ্যায় তো গোটা ফলতা বিধানসভাতেই পুনর্নিবাচনের দাবি ওঠে। অভিযোগ এতটাই গুরুতর ছিল যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ফোন পেয়ে পরের দিন সরাসরি সেখানে চলেও যান বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। কমিশনের কর্তা প্রিসাইডিং অফিসারের খাতাও দেখেন। সেখানে দেখা যায় দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি রিপোর্ট পাঠান। সেখানে বলা হয়েছিল ইভিএম থেকে টেপ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বেলা ১টা পর্যন্ত আবার সেখানে প্রায় ৫৮ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে যায়। অর্থাৎ সেই সময় যাঁরা গিয়েছিলেন তাঁরা একটি দল ছাড়া আর কোনও অপশন পাননি বলেই মনে করা হচ্ছে। সে কারণেই পুনর্নিবাচনের দাবি জোরালো হচ্ছে। ফলতায় বুথের সংখ্যা প্রায় ৩০টি বলে জানা যাচ্ছে।সবকটিতেই পুনর্নির্বাচন হতে পারে। কারণ, শুরুতেই কমিশন বলেছিল ক্যামেরা যদি কোনওভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়, কালো কাপড় দিয়ে দেওয়া হলেই রিপোল হবে।

    সবদিক খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত

    ডামন্ড হারবারের অবজার্ভার ও রিটার্নিং অফিসার চারটি রিপোলের প্রস্তাব দিয়েছেন। এবার রিপোর্ট দেখে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। অন্যদিকে, ইতিমধ্যেই এগুলি ছাড়াও একাধিক বুথে পুনর্নিবাচনের সুপারিশও করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সুব্রত গুপ্ত বলেন, বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছে, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সমস্ত ফুটেজ পর্যবেক্ষণ শেষ হওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করে আগামীকাল সকালেই নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হবে। বিরোধী দলগুলো ইতিমধ্যেই অভিযোগ তুলেছে যে একাধিক বুথে ইভিএম ব্যবস্থাপনায় গুরুতর ত্রুটি ও সম্ভাব্য কারচুপি হয়েছে। তাদের দাবি, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং সাধারণ ভোটারদের আস্থা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। (EVM Tampering) অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা প্রতিটি অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে। শুধুমাত্র মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে নয়, বরং প্রযুক্তিগত প্রমাণ যেমন ওয়েবকাস্টিং ফুটেজ, ইভিএম লগ, এবং পর্যবেক্ষকদের রিপোর্ট বিশদভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। কমিশনের মতে, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

  • Assembly Election 2026: কলকাতার ৭টি স্ট্রং রুমের বাইরে ১৬৩ ধারা, ২৪ ঘণ্টা থাকবেন কমিশনের আধিকারিকরা

    Assembly Election 2026: কলকাতার ৭টি স্ট্রং রুমের বাইরে ১৬৩ ধারা, ২৪ ঘণ্টা থাকবেন কমিশনের আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট (Assembly Election 2026) শেষ। এবার পালা গণনার। জনমত এই মুহূর্তে ইভিএমে সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে উদ্যোগী হয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিরাপত্তা বাড়ছে স্ট্রং রুমের। স্ট্রং রুমের সামনে এ বার ২৪ ঘণ্টা থাকবেন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকরা। নজরদারিতে থাকবেন রিটার্নিং অফিসার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার মনোনীত একজন আধিকারিক। এতদিন থাকতেন পুলিশ বা পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, স্ট্রং রুমে যে ঢুকবেন তাঁকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুমতি নিয়ে তবেই ঢুকতে হবে। স্ট্রং রুমের ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর যে ঘেরাটোপ রয়েছে, সেখানে বাড়ানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা। পাশাপাশি স্ট্রং রুমে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-র ১৬৩ ধারাও জারি করা হচ্ছে। স্ট্রং রুমের নিরাপত্তার জন্য এই তিন পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

    নজিরবিহীন নিরাপত্তা বেষ্টনী

    ইভিএম, স্ট্রংরুম এবং গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এর আগে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হলেও, কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে সেই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রাথমিকভাবে মোতায়েন করা ২০০ কোম্পানির মধ্যে ছিল ১০০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ২০ কোম্পানি বিএসএফ, ১৫ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ১৫ কোম্পানি এসএসবি। প্রতিটি স্ট্রংরুমে ন্যূনতম ২৪ জন কেন্দ্রীয় জওয়ান পাহারায় রয়েছেন। রাজ্যের মোট ২০২টি স্ট্রংরুমে ইভিএম সংরক্ষিত রয়েছে এবং সেগুলির নিরাপত্তায় মোতায়েন রয়েছে মোট ৬০৭ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    ৭টি স্ট্রং রুমের বাইরেই ১৬৩ ধারা জারি

    কলকাতার ৭টি স্ট্রং রুমের বাইরেই জারি হয়েছে ১৬৩ ধারা। ৩০ এপ্রিল থেকে ৪ মে পর্যন্ত জারি থাকবে ১৬৩ ধারা। স্ট্রং রুমের ২০০ মিটারের মধ্যে কোনও জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় চার ঘণ্টা শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রের স্ট্রং রুমে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। মমতা জানান, রাজ্য পুলিশ নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে না পারলে সেটা তাদের দোষ। পুলিশ এখন আর তাঁর হাতে নেই। তার পরেই তিনি অভিযোগ করেন, ‘পোস্টাল ব্যালট এ দিক-ও দিক করা হচ্ছে।’

    ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে বসেছে গার্ডরেল

    ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রং রুমের ভিতরে ‘সন্দেহজনক গতিবিধির’ অভিযোগ তুলে তৃণমূলের দুই প্রার্থী ও এজেন্টরা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের গেটের বাইরে অবস্থানে বসেন। তৃণমূলের জমায়েতের খবর পেয়ে রাতে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে পৌঁছে যান দুই বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠকও। শুক্রবারই ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র ঘিরে বসেছে গার্ডরেল। অপ্রয়োজনীয় কোনও ব্যক্তি যাতে ঢুকতে না পারে, কড়া হাতে নিশ্চিত করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল থেকেই কেন্দ্রের বাইরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বেষ্টনী।

    কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কমিশন?

    ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রকে দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। বিধানসভা অভিযান বা নবান্ন অভিযানে যে ব্যারিকেড ব্যবহার করা হয় সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। তালা এবং শিকল দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। বাইরে প্রচুর কলকাতা পুলিশের আধিকারিক ও বাহিনী এবং ভেতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ছেয়ে দেওয়া হয়েছে। একটি গেট বানানো হয়েছে। এই গেট দিয়ে শুধুমাত্র নিজের পরিচয়পত্র দেখিয়ে এজেন্ট ও প্রার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন। তারপর আবার একজন অফিসার কথা বলে তাঁকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। একমাত্র সার্টিফায়েড রাজনৈতিক নেতাদের প্রবেশের অনুমতি আছে। আর কাউকেই ধরে কাছে আসতে দেওয়া হচ্ছে না। পরিচয় পত্র ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে আর লিখে রাখা হচ্ছে। স্কুলের ২০০ মিটারের মধ‍্যে স্থানীয়দের গাড়ি ছাড়া অন‍্যদের প্রবেশ নিষেধ রয়েছে। ২০০ মিটারের মধ‍্যে ঢুকতে হলে দেখাতে হচ্ছে পরিচয় পত্র।

    কমানো হল গণনা কেন্দ্রের সংখ্যা

    গতকালের তৃণমূলের তৈরি করা গণ্ডগোলের থেকে শিক্ষা নিয়ে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা আরও কমিয়ে ফেলছে নির্বাচন কমিশন। আগে ৮৭টি জায়গায় গণনা হওয়ার কথা থাকলেও, নতুন তালিকায় তা কমিয়ে ৭৭টি করা হয়েছে। তুলনামূলকভাবে ২০১৬ সালের নির্বাচনে ছিল ৯০টি এবং ২০২১ সালে ছিল ১০৮টি গণনাকেন্দ্র। কমিশন ইতিমধ্যেই জেলা ভিত্তিক গণনাকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে। রাজ্যে সবচেয়ে বেশি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। সূত্রের খবর, কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫টি ছোট গণনাকেন্দ্রকে একটি বড় কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একটি কেন্দ্রেই ১০টি বিধানসভা আসনের গণনা চলবে। পুরো এলাকাতেই সর্বক্ষণ চলবে সিসিটিভি-র নজরদারি। ইতিমধ্যেই গণনাকেন্দ্র ও ইভিএম রাখা স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে কমিশন।

    তৃণমূলের অভিযোগ ভিত্তিহীন

    শুক্রবার সকালে পুরুলিয়া জেলার দু’টি গণনাকেন্দ্র পরিদর্শনে যান রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালট নিয়ম মেনে এক্সচেঞ্জ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ম মেনে মেসেজ করা হয়েছে। তারপর রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের অভিযোগ ভিত্তিহীন।’

  • CRPF: ‘সিআরপিএফের ধাক্কায় মৃত্যু হাওড়ার বৃদ্ধের’! ভিডিও প্রকাশ করে অভিষেকের মিথ্যা অভিযোগ নস্যাৎ কমিশনের

    CRPF: ‘সিআরপিএফের ধাক্কায় মৃত্যু হাওড়ার বৃদ্ধের’! ভিডিও প্রকাশ করে অভিষেকের মিথ্যা অভিযোগ নস্যাৎ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধাক্কা মেরে অতীশিপর বৃদ্ধকে মেরে ফেলেছে সিআরপিএফ (CRPF)! এমন একটি গুরুতর অভিযোগে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সরব হয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjees)। একই ভাবে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। এবার নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের পাল্টা সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে মৃত্যুর আসল কারণ প্রকাশ্যে এনে তৃণমূল নেতাকে পাল্টা জবাব দিয়েছে। বিরোধীদের দাবি, ভোট আবহে অস্থিরতা এবং গুজব ছড়িয়ে মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলার ষড়যন্ত্র করছে তৃণমূল। ঘটনার প্রকৃত সত্যতা প্রকাশ্যে আসতেই প্রকট হয়ে গেল তৃণমূলের মানুষ ক্ষেপানোর ষড়যন্ত্র। ফের মুখ পুড়ল শাসকদলের।

    বুথের ভিতরের ভিডিও প্রকাশ (CRPF)

    নির্বাচনের দিন হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের একটি বুথে এক বৃদ্ধ ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjees) অভিযোগ করেন যে, লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী সিআরপিএফ ধাক্কা দিয়েছে তাই পরে যান বৃদ্ধ, এরপর পরিস্থিতির চাপে ওই ভোটারের মৃত্যু হয়েছে। আর এই ঘটনার জন্য নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরাই দায়ী করেছেন অভিষেক। তবে ঘটানা যে তা ঘটেনি, তা বলেই এরপর ওই বুথের ভিতরের ভিডিও প্রকাশ করে কমিশন। একই ভাবে এই তৃণমূল নেতার সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট দেখে বেশকিছু সংবাদ মাধ্যম সংবাদ পরিবেশনও করেছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই

    চিকিৎসকের রিপোর্ট ও প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ওই ভোটারের মৃত্যু হয়েছে শারীরিক অসুস্থতা বা হৃদরোগের কারণে। এর সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। কমিশন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করে এবং প্রাথমিক তদন্তের পর একটি ভিডিও তথ্য প্রকাশ করে বিবৃতি দেয়। ভিডিওতে কথাও দেখা যায়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CRPF) বুথের ভিতরে রয়েছেন। কমিশনের বক্তব্য-

    অসন্তোষজনক অভিযোগ

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjees) দাবিকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে কমিশন জানিয়েছে যে, ভোটারদের নিরাপত্তার জন্য বুথগুলিতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা (CRPF) ছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়কে ব্যবহার করা অনুচিত। বাহিনীর বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে যে মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা অপচেষ্টার প্রবণতা তৈরি হয়েছে তাও কমিশন অঙ্গিত দেয়।

    মনোবল ভাঙার চেষ্টা

    হাওড়ায় ভোটারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তোলা অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে কমিশন। কমিশনের মতে, এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক স্বাভাবিক মৃত্যু, যার পেছনে কোনও প্রশাসনিক ত্রুটি ছিল না। তৃণমূল নেতৃত্বের (Abhishek Banerjees) দাবি, কমিশন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত না করেই এই রিপোর্ট দিয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের তরফে বলা হয়েছে, ভুয়ো দাবি করে লোক ক্ষেপানোর কাজ করছেন মমতা-অভিষেক। পরাজয় নিশ্চিত জেনেই শাসকদল সাধারণ মানুষের মৃত্যুকে নিয়ে রাজনীতি করছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর (CRPF) মনোবল ভাঙার চেষ্টা চালাচ্ছে। কমিশন এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে চূড়ান্ত ময়না তদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করছে। তবে আপাতত কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা কোনও অভিযোগই ধোপে টেকেনি। তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের গালে সপাটে চড় পড়েছে।

  • West Bengal election 2026: ৪ মে সকাল ৮টা থেকে গণনা শুরু, কারা সরকার গড়বে স্পষ্ট হবে দুপুর ১২টার মধ্যেই?

    West Bengal election 2026: ৪ মে সকাল ৮টা থেকে গণনা শুরু, কারা সরকার গড়বে স্পষ্ট হবে দুপুর ১২টার মধ্যেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে  রাজ্যবাসী। গত ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল— দুই দফায় সম্পন্ন হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ (West Bengal election 2026)। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের সেই রায় এখন ইভিএম-বন্দি হয়ে স্ট্রংরুমে অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী সোমবার, ৪ মে সকাল ৮টা থেকে শুরু হতে চলেছে সেই বহুপ্রতীক্ষিত ভোট গণনা। কার হাতে উঠবে পশ্চিমবঙ্গের শাসনের  চাবিকাঠি, তার প্রাথমিক ইঙ্গিত সোমবার দুপুরের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) ইতিমধ্যে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

    গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি (West Bengal election 2026)

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) পক্ষ থেকে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে অভূতপূর্ব নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি জেলায় নির্ধারিত গণনা কেন্দ্রের চারপাশে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। স্ট্রংরুম (West Bengal election 2026) থেকে শুরু করে গণনা কক্ষ পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারি থাকবে। ভোটারদের ভোট প্রথমে ইভিএমে, তারপর ভিভিপ্যাটে জমা হয়। ইভিএমের দু’টি অংশ। এক, ব্যালট ইউনিট। দুই, কন্ট্রোল ইউনিট। সব বুথেই ইভিএম মেশিনের পাশে ছিল একটি ভিভিপ্যাট মেশিন। ভোটারেরা ইভিএমে বোতাম টিপে নিজের মত জানান। তবে তিনি যেখানে ভোট দিলেন, সেই প্রার্থীর নামেই ভোটটি সংরক্ষিত হল কি না, তা ভোটারেরা দেখতে পান ভিভিপ্যাট মেশিনে।

    স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা

    ভোটগ্রহণের (West Bengal election 2026) পর ইভিএমগুলি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ‘সিল’ করে নির্দিষ্ট স্ট্রংরুমে রাখা হয়েছে। গণনার দিন সকালে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সেই সিল খোলা হবে। কমিশন সব পক্ষকে সমানে রেখেই গণনার কাজ করবে বলে জানিয়েছে। যেহেতু এই ইভিএমে আগামী সরকার গড়ার ভোট বন্দি রয়েছে তাই তাকে সবদিক থেকে সুরক্ষিত রাখাই কমিশনের একমাত্র কাজ। ৪ ঘণ্টাই স্ট্রংরুমগুলির পাহারায় থাকে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আগে স্ট্রংরুমগুলির নিরাপত্তায় ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। ওই সংখ্যা আর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ২৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে।

    গণনা কক্ষের বিন্যাস

    প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের (West Bengal election 2026) জন্য আলাদা আলাদা গণনা কক্ষ বা হলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদি কোনও কক্ষ আকারে বড় হয়, তবে নিয়ম মেনে সেটিকে সুনির্দিষ্ট অংশে বিভক্ত করা হয়েছে। এককক্ষ থেকে অন্য কক্ষে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া বিধিনিষেধ। গণনায় প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতার মেলবন্ধন করবে কমিশন। এবারের নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন বেশ কিছু নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    গণনা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে থাকবে একটিই প্রবেশপথ। ঘরের দরজায় রয়েছে ‘ডবল লক সিস্টেম’। কে, কখন স্ট্রং রুমে ঢুকছেন, কখন বার হচ্ছেন, সবটাই লিখে রাখতে হচ্ছে লগবুকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সেই কাজ করছেন সবসময়। স্ট্রংরুমের পাশাপাশি ভোট গোনার জন্য আলাদা ভাবে গণনাকক্ষ তৈরি করা হেয়ছে। সেটিও নিরাপত্তার বলয়ে সুরক্ষিত থাকবে। প্রতিটি কক্ষের জন্য আলাদা প্রবেশ ও বাহির পথ থাকবে, সেটাই নিয়ম।

    কিউআর কোড যুক্ত পরিচয়পত্র

    গণনাকেন্দ্রে অবৈধ প্রবেশ রুখতে এবার কমিশন নতুন প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে। ভোট গণনা কর্মী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক এজেন্ট (West Bengal election 2026)— প্রত্যেকের পরিচয়পত্রে একটি সুনির্দিষ্ট কিউআর (QR) কোড থাকবে। তিন স্তরের যাচাই পর্ব পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে এই কোড স্ক্যান করার পরেই তবেই গণনাকক্ষে প্রবেশের অনুমতি মিলবে। গণনা কক্ষে থাকবেন রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, কাউন্টিং স্টাফ, টেকনিক্যাল স্টাফ, কাউন্টিং সুপারভাইজ়ার, কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তি ও অবজ়ার্ভার, দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী, প্রার্থী বা তাঁদের এজেন্ট।

    ভিডিও নজরদারি ও নিষেধাজ্ঞা

    নির্বাচন কমিশনের সাফ নির্দেশ, গণনাকেন্দ্রের (West Bengal election 2026) ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং ইভিএম বা ব্যালট পেপারের ছবি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে গোটা প্রক্রিয়াটি সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে থাকবে এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি ভিডিওগ্রাফি করা হবে।

    ভোট গণনার পর্যায়ক্রম

    সোমবার সকাল ৮টায় যখন গণনা শুরু হবে, তখন প্রথমেই গুরুত্ব পাবে পোস্টাল ব্যালট। সাধারণত প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের ঝোঁক বোঝা সম্ভব হয়। এরপর সকাল ৮টা ৩০ মিনিট নাগাদ শুরু হবে ইভিএম (EVM) মেশিনে জমা পড়া ভোটের গণনা। প্রতিটি রাউন্ডের শেষে রিটার্নিং অফিসার আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল (West Bengal election 2026) ঘোষণা করবেন, যা সরাসরি কমিশনের পোর্টালে আপলোড করা হবে।

    গণনার হিসাব রাখার জন্য মূলত দু’টি ফর্ম দেওয়া হয়। ফর্ম ১৭সি এবং ফর্ম ২০। ফর্ম ১৭সি-র প্রথম অংশ পূরণ করেন প্রিসাইডিং অফিসার। সেই অংশে থাকে— মোট কত জন ভোট দিয়েছেন, কত ভোট ইভিএমে রেকর্ড হয়েছে— গণনার সময় এটি ব্যবহার হয়। দ্বিতীয় অংশ পূরণ করেন গণনা পর্যবেক্ষক। এই অংশে থাকে নোটায় কত ভোট পড়েছে, প্রতিটি প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন। দ্বিতীয় অংশের ফলাফল প্রথম অংশের মোট ভোটের সঙ্গে মিলতেই হবে

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জনমানস

    পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের এই লড়াইয়ে এবার মূলত দ্বিমুখী বা ত্রিমুখী সংঘর্ষের চিত্র ফুটে উঠেছে। একদিকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস তাদের উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে চতুর্থবারের জন্য জনসমর্থন চাইছে, অন্যদিকে বিরোধী দল বিজেপি এবং বাম-কংগ্রেস জোট পরিবর্তনের ডাক দিয়ে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে। বুথ ফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোলগুলি ইতিমধ্যেই নানা ধরনের পূর্বাভাস দিয়েছে, তবে বাংলার সাধারণ মানুষের প্রকৃত রায় জানার জন্য সোমবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।

    ফলাফল ঘোষণার পর শান্তি ও শৃঙ্খলা

    ২০২৬ সালের এই বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal election 2026) শুধু একটি সরকার গঠনের লড়াই নয়, বরং রাজ্যের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণের এক অগ্নিপরীক্ষা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে যেন ফলাফল ঘোষণার পর শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা হয়। আগামী ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের ললাট লিখন স্পষ্ট হবে। জনগণের রায় যে পক্ষেই যাক না কেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ গণনা প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই গণতন্ত্রের জয়গান ঘোষিত হবে— এটাই কাম্য।

  • Jabalpur Tragedy: একটা লাইফ জ্যাকেটে সন্তানকে বুকে আগলে মা! জবলপুরের নৌকাডুবিতে মর্মান্তিক দৃশ্য

    Jabalpur Tragedy: একটা লাইফ জ্যাকেটে সন্তানকে বুকে আগলে মা! জবলপুরের নৌকাডুবিতে মর্মান্তিক দৃশ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোবার মুহূর্তেও সন্তানকে আগলে রেখেছিলেন মা। মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের কাছে বরগি বাঁধে পর্যটকবাহী ক্রুজ উল্টে যাওয়ার ঘটনায় সামনে এল এক অত্যন্ত হৃদয়বিদারক দৃশ্য। শুক্রবার সকালে উদ্ধারকারীরা যখন নর্মদা নদী থেকে এক মহিলা ও তাঁর চার বছরের সন্তানের নিথর দেহ উদ্ধার করেন, দেখা যায় মৃত্যুর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মা তাঁর সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টায় বুকের সঙ্গে শক্ত করে জাপটে রেখেছিলেন। একটি লাইফজ্যাকেট। সেই লাইফজ্যাকেটে চার বছরের সন্তানকেও ঢুকিয়ে নিয়েছিলেন। তার পর জাপটে ধরে রেখেছিলেন। শেষ সময়েও আলগা হয়নি মায়ের হাত। এই দৃশ্য উদ্ধারকারীদেরও কাঁদিয়ে দিয়েছে। শুক্রবার সকাল উদ্ধার হয়েছে ওই মহিলা ও তাঁর সন্তানের দেহ। মৃত মা ও শিশুটি দিল্লির বাসিন্দা। তাঁরা সপরিবারে নর্মদায় ভ্রমণে এসেছিলেন। চার জনের ওই পরিবারটিতে বাবা ও মেয়ে কোনওক্রমে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে নৌকাডুবি হয়েছে। সেই দুর্ঘটনায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ন’জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ওই মহিলা এবং তাঁর চার বছরের সন্তান। এখনও নিখোঁজ অনেকে। উদ্ধারকাজ চলছে। ঘটনাস্থলে রয়েছেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র লোধী। বিজেপি বিধায়ক আশিস দুবে। তিনি বলেন, ‘‘বেশির ভাগ পর্যটককেই উদ্ধার করা হয়েছে।’’ জানা গিয়েছে, জবলপুরের এই বাঁধটি পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ। বাঁধের জলে নৌকাসফরের বন্দোবস্ত আছে। ছোট ছোট ক্রুজ়ে করে পর্যটকদের ঘোরানো হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে একটি ক্রুজ নর্মদার মাঝ বরাবর যেতেই হঠাৎ ঝড় শুরু হয়ে যায়। নদীর জলের ঢেউ বাড়তে থাকে। জল উথালপাথাল করতে থাকে। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রচণ্ড বেগে হাওয়া চলছিল। বেশ কিছু ক্ষণ ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করার পর ক্রুজ়টি এক দিকে হেলে যায়। তার পর সেটি ধীরে ধীরে জলে তলিয়ে যায়।

    সবরকম সহায়তার আশ্বাস সরকারের

    স্থানীয়েরা কয়েক জনকে দড়ির সাহায্যে উদ্ধার করেন। তাঁদের পরনে লাইফজ্যাকেট ছিল। ক্রুজ়টির ছাদের দিক জলের নীচে চলে যায়। ফলে অনেকে লাইফজ্যাকেট পরে থাকা সত্ত্বেও ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সব যাত্রীকে লাইফজ্যাকেট দেওয়া হয়নি। কয়েক জন পেয়েছিলেন। তবে মৃতের আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ) এবং আরও কয়েকটি উদ্ধারকারী দল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১৭ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এখনও ৫ শিশু-সহ মোট ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ক্রুজটির ক্যাপ্টেন মহেশ প্যাটেল লাইফ জ্যাকেট পরে থাকায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব (Mohan Yadav) ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রাজ্য সরকার পূর্ণ সহানুভূতির সঙ্গে পাশে রয়েছে। নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকাজ শেষ হলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • West Bengal election 2026: ভোট মিটতেই উত্তপ্ত যাদবপুর! বিজেপি এজেন্টের বাড়িতে হামলা, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    West Bengal election 2026: ভোট মিটতেই উত্তপ্ত যাদবপুর! বিজেপি এজেন্টের বাড়িতে হামলা, দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন-পরবর্তী (West Bengal election 2026) বা নির্বাচনকালীন উত্তেজনার আবহে ফের অশান্তির খবর সামনে এল। এক বিজেপি এজেন্টের বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী অতর্কিতে হামলা চালায়। একইসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি কার্যালয়েও ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা ঘটেছে যাদবপুর বিধানসভার অন্তর্গত ১৫৩ নম্বর বুথ এলাকায়। বিজেপি এজেন্টের (Bengal BJP) অফিস ও বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    আক্রান্তের পরিচয় (West Bengal election 2026)

    অভিযোগকারী ব্যক্তি এলাকায় বিজেপির সক্রিয় কর্মী এবং বুথ এজেন্ট হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বসতবাড়িতে চড়াও হয়। বাড়ির সদস্যদের ভয় দেখানো এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। ৫৩ নম্বর বুথের বিজেপি এজেন্ট ছিলেন শান্তনু সরকার। গড়িয়ার পঞ্চসায়রে এই হল তাঁর নির্মাণ সংস্থার অফিস। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গাড়ির কাচ। শান্তনু সরকার বলেন, “আমার জন্য ওয়েট করছিল, বেরোলে মারবে। মিসেস-এর গাড়ির উপর ফার্স্ট বুথের ওখানে অ্যাটাক হয়।  রাতে খবর পাই আমার অফিসে অ্যাটাক হয়েছে। আমাদের এখানে কাউন্সিলর যিনি আছেন, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, উনিও উপস্থিত ছিলেন।”

    বিজেপির তরফে আরও অভিযোগ করা হয়েছে হামলাকারীরা নিজেদের পরিচয় লুকিয়ে রাখাতে সিসি ক্যামেরা ভেঙে দিয়েছে। পাশাপাশি তাঁর গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এখানেই শেষ নয় শান্তনু সরকারের স্ত্রীকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিজেপি কর্মী। এই ঘটনায় তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির (Bengal BJP) পোলিং এজেন্ট ও তাঁর স্ত্রী।

    কার্যালয়ে ভাঙচুর

    ভোটের (West Bengal election 2026) পরেই একসঙ্গে শতাধিক তৃণমূল দুষ্কৃতী আক্রমণ করে। বাড়ির পাশাপাশি স্থানীয় বিজেপি দলীয় কার্যালয়েও হামলা চালানো হয়। কার্যালয়ের ভেতরে থাকা নথিপত্র নষ্ট করা এবং আসবাবপত্র তছনছ করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় নেতৃত্বের।

    বিজেপির (Bengal BJP) পক্ষ থেকে এই ঘটনার জন্য সরাসরি শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দায়ী করা হয়েছে। এই ঘটনার পিছনে রয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর। তাদের দাবি, এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষ বা শাসকদল এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ব্যক্তিগত বিবাদ বা সাজানো ঘটনা বলে অভিহিত করেছে।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    ঘটনার পর থেকে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং এলাকায় নিরাপত্তা (West Bengal election 2026) জোরদার করা হয়েছে। তবে ঘটনার দায় অস্বীকার করে তৃণমূলনেত্রী বলেন কোনও কর্মী এই ঘটনায় জড়িত নয়। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযোগ পেয়েই বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে এসেছে। বিজেপির (Bengal BJP) দাবি নির্বাচন কমিশনকে তাঁরা বিষয়টি জানাবেন।

  • Suvendu Adhikari: ‘এক্সিট পোলের দরকার নেই, মানুষের ভোটে বিজেপি আসছেই’, মমতাকে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘এক্সিট পোলের দরকার নেই, মানুষের ভোটে বিজেপি আসছেই’, মমতাকে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পরিবর্তনের (Assembly Election 2026) ঢেউ উঠেছে এবং বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে। বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল দেখার প্রয়োজন নেই, প্র্যাকটিক্যাল পোল-এর উপর ভরসা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার, নন্দীগ্রামে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, হিন্দুরা জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছে এবং মুসলিম ভোটের একটি বড় অংশও (প্রায় ৮ শতাংশ) বিজেপির পক্ষে এসেছে। মানুষ রাজ্যে উন্নয়ন চায়, তাই বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। ২০১১ সালের থেকেও এবার পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে অনেক বেশি।

    তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নেই

    বুথ ফেরত সমীক্ষা বা তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে তৃণমূলের এজেন্ট খুঁজে না পাওয়া এবং গণনাকেন্দ্রে গণ্ডগোল করার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, ‘ভবানীপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টরা বসতে না চাওয়ায় ছোট ছোট ছেলেদের ২-৩ হাজার টাকা দিয়ে এজেন্ট হিসেবে বসানো হয়েছিল। গণনার দিনও তৃণমূলের লোকই খুঁজে পাওয়া যাবে না।’ তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইভিএম চুরির আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে, সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা তাদের দীর্ঘ ১৫ বছরের পুরনো অভ্যাস যা সহজে যাবে না।’ ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে বুথ ভিত্তিক পর্যালোচনা শেষ করেছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু জানান, তাঁরা গণনার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং তৃণমূলের কোনও বাধা কাজে আসবে না।

    কোনওরকম কারচুপি নয় মমতাকে, শুভেন্দু

    দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের ভোটগণনা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে চার ঘণ্টা ধরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ‘কোনও নিয়ম বহির্ভূত কাজ’ করতে পারেননি মমতা। শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘‘ভবানীপুর নির্বাচনী এলাকা-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোটার ভদ্রমণ্ডলীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী, মাননীয়াকে কোনওরকম বাড়তি সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে।’’ এর পরেই মমতাকে নিশানা করে শুভেন্দুর ‘আশ্বাসবার্তা’— ‘‘উনি যতই চেষ্টা চালান না কেন, কোনও রকম নিয়ম বহির্ভূত কাজ তিনি করতে পারেননি। উনি যতক্ষণ স্ট্রংরুম প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন, আমার ইলেকশন এজেন্ট অ্যাডভোকেট সূর্যনীল দাস নিজে উপস্থিত থেকে ওঁকে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছিলেন যাতে উনি কোনও অসৎ উপায় অবলম্বন করতে না পারেন।’’

LinkedIn
Share