Tag: Siliguri

Siliguri

  • Suvendu Adhikari: শিলিগুড়িতে শুভেন্দুর সভার ভবন অমিল, মিলল না পুলিশি অনুমতি

    Suvendu Adhikari: শিলিগুড়িতে শুভেন্দুর সভার ভবন অমিল, মিলল না পুলিশি অনুমতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। আগামী মঙ্গলবার কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভা। আর সেদিনই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী শিলিগুড়িতে পালটা সভা করবেন। কিন্তু, শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভার জন্য ভবন দিতে চাইছে না কেউ। এমনটাই অভিযোগ শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষের। পুলিশি অনুমতিও নেই। এদিকে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামের সামনে – মুখ্যমন্ত্রীর সভার দিন ধরনা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন শংকর ঘোষ। পুলিশ সেই কর্মসূচির অনুমতিও দেয়নি।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভার অনুমতি পাওয়া নিয়ে কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১২ডিসেম্বর শিলিগুড়িতে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সভার আয়োজনের মূল দায়িত্ব শংকর ঘোষেরই। শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়কের অভিযোগ, অন্তত ১০টি ভবনে যোগাযোগ করা হলে তাঁদের মালিকেরা বলছেন, আপনাদের ভবন দিতে পারব না। নিষেধ রয়েছে। চোখ রাঙানো হচ্ছে। কেউ অন্য যুক্তি দিচ্ছেন। তৃণমূল রয়েছে এ সবের পিছনে।’ শংকর দাবি করেন, ‘বাড়ির মালিকেরা আমাদের বলছেন, তাঁদের সমস্যা বুঝতে চেষ্টা করার। কাউকে বিব্রত করতে চাই না। ‘ এদিন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক ধরনা কর্মসূচির অনুমতি না পাওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেন, ‘সভার নামে স্টেডিয়ামকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। যেখানে রাজ্য সরকার ও পুরনিগমের তরফে অনেকদিন ধরেই বহুবার বলা হয়েছে স্টেডিয়ামের মাঠে কোনও অনুষ্ঠান করা যাবে না, সেই মাঠেই মুখ্যমন্ত্রীর সভা কী করে হয়, মেনে নেওয়া যায় না।’ শুধুমাত্র ১৪৪ ধারা বিরোধী দল বা সাধারণ মানুষদের জন্য, শাসকদলের জন্য কেন হয় না, তারও প্রশ্ন তোলেন বিধায়ক। করছে

    এর আগেও শুভেন্দুর একাধিক সভায় পুলিশ অনুমতি দেয়নি

    প্রসঙ্গত, বিজেপির সভার অনুমতি নিয়ে সবসময় সমস্যা তৈরি  করছে প্রশাসন। সম্প্রতি ধর্মতলায় একুশের সভাস্থলে অমিত শাহের জন সভার জন্য প্রথমে বিজেপি পুলিশি অনুমতি পায়নি। শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে বিজেপি সভা করার অনুমতি পায়। এর ক’দিন আগে পূর্ব মেদিনীপুরের তাঁর খেজুরিতে স্থানীয় প্রশাসন দিন শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সভার অনুমতি না দেওয়ায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে অনুমতি পায় বিজেপি। বাঁকুড়ার কোতুলপুরেও দু’দফায় বাধা পাওয়ার পরে আদালতের অনুমতি নিয়েই মিছিল ও পথসভা করেন শুভেন্দু। শেষ পর্যন্ত শিলিগুড়িতে কী হয় হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়িতে একই দিনে মমতা-শুভেন্দু! বিজেপি কর্মীদের হাত-পা ভাঙার নিদান গৌতমের

    Siliguri: শিলিগুড়িতে একই দিনে মমতা-শুভেন্দু! বিজেপি কর্মীদের হাত-পা ভাঙার নিদান গৌতমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির (Siliguri) মাটিতে একই দিনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভা হতে চলেছে। স্বাভাবিকভাবেই দুই হেভিওয়েট নেতার সভা ঘিরে শিলিগুড়ির রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। যুযুধান দুই রাজনৈতিক দলের সভা ঘিরে গন্ডগোলের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজনৈতিক মহল। ১২ ডিসেম্বর শিলিগুড়িতে বিজেপি এবং তৃণমূলের সভা, পাল্টা সভা হতে চলেছে। যা নিয়ে জেলাজুড়ে শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ফুটবল লিগের খেলা বন্ধ করে মমতার সভা, প্রতিবাদে বিজেপি (Siliguri)

    বুধবার শিলিগুড়ি (Siliguri) পৌঁছে কার্শিয়াং যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে আগামী ৭ তারিখ অবধি পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এরপর আগামী ৮ তারিখ কার্শিয়াং, ১০ তারিখ আলিপুরদুয়ারে, ১১ তারিখ বানারহাটে এবং ১২ তারিখ শিলিগুড়িতে সভা করবেন। শিলিগুড়ির এই সভা নিয়েই যত প্রশ্ন। কারণ, এখন শিলিগুড়ি স্টেডিয়ামে লিগের খেলা চলছে। আর তা চলাকালীন খেলা বন্ধ করে স্টেডিয়ামে মমতার সভা করতে গিয়ে মাঠ খুঁড়ে নষ্ট করা হচ্ছে বলে বিরোধীদে অভিযোগ। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েই ওই দিন শিলিগুড়িতে পাল্টা সভার ডাক দিয়েছে বিজেপি। সেই সভায় হাজির থাকবেন শুভেন্দু অধিকারী। যাত্রাপথে মুখ্যমন্ত্রীকে কালো পতাকা দেখানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। ওই দিন বিজেপির সভায় আসবেন শুভেন্দু অধিকারী। আজই এ নিয়ে আবেদন করা হবে। অনুমতি মিলবে না ধরে নিয়েই আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে বিজেপি।

    বিজেপি কর্মীদের হাত-পা ভাঙার নিদান গৌতমের

    মেয়র গৌতম দেব বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর সভার পর মাঠ ঠিক করে দেওয়া হবে বলেছিলাম। খেলাধূলো আমার হৃদয়ে রয়েছে। তবে এটাকে নিয়ে রাজনীতি করা নিন্দাজনক। বিজেপির অধিকার আছে বিক্ষোভ দেখানোর। তবে তা কীভাবে মোকাবিলা করতে হয় জানি। আমরা হাতে চুড়ি পরে বসে নেই। হাত-পা ভেঙে দেব।’

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি নেতা শঙ্কর ঘোষ বলেন, এটা মুখ্যমন্ত্রীর গা জোয়ারি মনোভাব প্রকাশ পায়। এর আগে এই স্টেডিয়ামে (Siliguri) গায়ক অরিজিৎ সিংয়ের গানের অনুষ্ঠানের সময় প্রতিবাদ করেছিলাম। তখন বলেছিলাম খেলা ছাড়া আর কোনও অনুষ্ঠান হবে না। এখন শুনছি তৃণমূলের প্রধান স্টেডিয়ামের মাঠে এসে কর্মসূচি করছেন। যদি সেটা হয় আমি নিজে এর প্রতিবাদ করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: মা ও মেয়ের দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্যকর তথ্য, অপহরণ ও খুনের হুমকি দিতেন তৃণমূল নেতা!

    Siliguri: মা ও মেয়ের দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্যকর তথ্য, অপহরণ ও খুনের হুমকি দিতেন তৃণমূল নেতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে (Siliguri) মা এবং মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় নাম জড়াল স্থানীয় তৃণমূল নেতার। মৃতদেহ উদ্ধার হওয়া ঘর থেকেই সুইসাইড নোট মেলে। তাতেই তৃণমূল নেতার নাম পাওয়া গিয়েছে। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

    সুইসাইড নোটে কী রয়েছে? (Siliguri)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩ ডিসেম্বর শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের শিলিগুড়ি (Siliguri) শান্তিনগর এলাকায় একই বাড়ি থেকে জোড়া দেহ উদ্ধার হয়। শোওয়ার ঘরের বিছানার উপর এক তরুণীর দেহ মেলে। মায়ের দেহ উদ্ধার হয় ঝুলন্ত অবস্থায়। ঘটনার তদন্তে নেমে সুইসাইড নোট পায় পুলিশ। সেখানে আত্মহত্যার কারণ হিসাবে রয়েছে জমি সংক্রান্ত সমস্যার কথা। সেখানে তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা কমিটির অন্যতম সম্পাদক প্রসেনজিৎ রায়ের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তৃণমূল কর্মী সুনীল দাস, সুজিতকুমার ঘোষ, সুভাষ দাস, প্রদীপকুমার চৌধুরীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ওই চিঠির উপর ভিত্তি করে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে।

    বাড়িতে লোক পাঠিয়ে হুমকি দিতেন তৃণমূল নেতা, সরব মৃতের স্বামী

    মৃতের স্বামী সাধন সরকারের অভিযোগ, বছরখানেক আগে প্রসেনজিতের কাছ থেকে একটি জমি কিনেছিলাম। সেই জমি প্রসেনজিৎ নিজেই ডিসপুট ল্যান্ড তৈরি করে আরও টাকা চান আমার কাছে। এ নিয়ে সমস্যা চলছিল। অনেক দিন ধরে প্রসেনজিৎ তাঁর দলবলকে ওই বাড়িতে পাঠাতেন। ওই লোকজনের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকত। বার বার টাকার চাপ দেওয়া হয়। দেওয়া হয় প্রাণে মারার হুমকিও। বাড়িতে বিবাহযোগ্য মেয়ে ছিল। এ নিয়ে আমার স্ত্রী বেশ কয়ে কয়েক মাস ধরেই চিন্তিত ছিল। মাঝে আমাকে আমার স্ত্রীকে অপহরণ বা তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হবে বলে হুমকি দেওয়া হত। এগুলো সহ্য করতে না পেরে ওরা নিজেদের শেষ করে দিয়েছে। আর প্রসেনজিতের মতো বড় নেতার সঙ্গে লড়াইয়ের ক্ষমতা আমার নেই। থানায় জানিয়েছি ঠিকই। কিন্তু, আদৌ কোনও লাভ হবে কি না জানা নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ‘বিজেপি বেশি বাড়াবাড়ি করলে হাত-পা ভেঙে দেব’, নিদান দিলেন গৌতম দেব

    Siliguri: ‘বিজেপি বেশি বাড়াবাড়ি করলে হাত-পা ভেঙে দেব’, নিদান দিলেন গৌতম দেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি বেশি বাড়াবাড়ি করলে হাত-পা ভেঙে দেব। নিদান দিলেন শিলিগুড়ি মেয়র গৌতম দেবের। শিলিগুড়ির (Siliguri) কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা করা নিয়ে প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিজেপি। সেইসঙ্গে শিলিগুড়িতে সিন্থেটিক ট্র্যাক সহ আধুনিক নতুন স্টেডিয়াম তৈরির দাবি জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। রবিবার বিজেপির এই প্রতিবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে শিলিগুড়ির মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেব বলেন, বিজেপি বিক্ষোভ দেখাতে পারে। আমরাও চুড়ি পড়ে বসে নেই। বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিজেপির হাত পা ভেঙে দেব।

    ফুটবল লিগের খেলা বন্ধ করে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রীর সভা!

    চলতি সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরে আসছেন। শিলিগুড়িতে (Siliguri) তাঁর একটি প্রশাসনিক সভা রাখা হয়েছে। সেই সভা করার জন্য কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে ফুটবল লিগ বন্ধ করে তার প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে সোমবার থেকে। খেলা বন্ধ করে এ ধরনের অনুষ্ঠানকে মেনে নিতে পারছেন না বিজেপির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। এর আগেও কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে গর্ত করে মুখ্যমন্ত্রীর সভা করার জন্য মঞ্চ তৈরি হয়েছিল। তাতে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। তারপর ফের খেলা বন্ধ করে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে এ ধরনের অনুষ্ঠান মেনে নিতে পারছে না শিলিগুড়ির ক্রীড়া মহল। বিজোপি বিধায়ক এনিয়ে এদিন প্রতিবাদ মিছিল করেন। তার প্রেক্ষিতেই ওই হুমকি দেন গৌতম দেব।

     মুখ্যমন্ত্রীর সভা করা নিয়ে মেয়র কী সাফাই দিলেন?

    গৌতম দেব বলেন, আমরাও খেলাধূলো ভালোবাসি। মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠান তাই বিকল্প কোথাও খেলাধূলার আয়োজন করার প্রস্তাব যদি শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা ক্রীড়া পরিষদ দেয় আমরা সহযোগিতা করব। কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী সভার জন্য তাদের ছেড়ে দিতেই হবে। আর স্টেডিয়াম সংস্কারের কাজ আমরা শুরু করেছি। কয়েকদিন পরে হলেও খেলোয়াড়দের মাঠ ছাড়তে হবে সেই কাজের জন্য।

    কী বললে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামেকে এভাবে প্রশাসনিক বৈঠকের নামে রাজনৈতিক কর্মসূচির  জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে করেন বিজেপি বিধায়ত শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, বারবার এটা হচ্ছে। কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়াম খেলার জন্য। খেলা বন্ধ করে মুখ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠান কখনই কাম্য নয়। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • ED: ‘জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এজেন্ট উত্তরবঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে!’ ইডি-কে চিঠি দিলেন বিজেপি বিধায়ক

    ED: ‘জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এজেন্ট উত্তরবঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে!’ ইডি-কে চিঠি দিলেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিতে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জেলে রয়েছেন। কিন্তু, শিলিগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গে তাঁর এজেন্টরা কেন এখনও ইডির (ED) আতশকাচের তলায় এল না। কীভাবে তাঁরা বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন? এই প্রশ্নে শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গে তদন্তে আসার জন্য ইডিকে চিঠি দিলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক বিজেপির শঙ্কর ঘোষ। সেই চিঠিতে উত্তরবঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রধান এজেন্ট হিসেবে বিমল রায়ের নাম উল্লেখ করেছেন। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যে অভিযোগে জেলে রয়েছেন, তার দোসর হিসেবে শিলিগুড়ির বিমল রায়কে ইডি তদন্তে ছাড় দিতে পারে না বলে দাবি বিজেপি বিধায়কের।

    কে এই বিমল রায়?

    জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতারের পর রেশন দুর্নীতি নিয়ে শিলিগুড়ির বিমল রায়ের নাম বিভিন্ন মহল থেকে উঠে এসেছে। শিলিগুড়ির মাটিগাড়া ব্লকের পাথরঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা বিমল রায় রেশন ব্যবসার নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠেছিলেন। শিলিগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গে রাজ্যের খাদ্য দফতর তথা রেশন ব্যবস্থার তিনিই ছিলেন শেষ কথা। নিজের পরিবারের জন্য রেশনের একাধিক লাইসেন্স রয়েছে তাঁর। অভিযোগ, রেশন ডিলারশিপ ও ডিস্ট্রিবিউটরের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর পছন্দ-অপছন্দ শেষ কথা হয়ে উঠেছিল। খাদ্য দফতরে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগেও বিমলবাবু শেষকথা ছিলেন। তাঁর ইচ্ছেতে রাতারাতি রেশন কার্ড তৈরি হয়েছে। খাদ্য দফতরের আধিকারিকদের কাছে বিমল রায় ছিলেন ‘রায় সাহেব’। রায় সাহেবের ভয়ে সকলেই তটস্থ থাকতেন। 

    ইডিকে কেন উত্তরবঙ্গে আহ্বান বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের? (ED)

    বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, শিক্ষা, গরু পাচার, শিক্ষক সহ বিভিন্ন দফতরে নিয়োগ দুর্নীতি, খাদ্য দফতরে একের পর এক দুর্নীতিতে জেলে রয়েছেন তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা। শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গেও তাদের এজেন্টরা রয়েছেন। এদের মাধ্যমে এখান থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা কলকাতায় চলে যেত। সেই টাকা রিয়েল এস্টেট থেকে শুরু করে ক্র্যাশার, পর্যটন ব্যবসায় খাটানো হয়েছে। বিমল রায় সেরকমই একজন প্রভাবশালী এজেন্ট। তাঁর নিজের ও তাঁর পরিবারের নামে দুটি রেশন ডিলার ও একটি ডিস্ট্রিবিউটরের লাইসেন্স রয়েছে। খাদ্য দফতরের নিয়ম অনুযায়ী যা অবৈধ। তাহলে বিমল রায় কীভাবে এই লাইসেন্সগুলি পেয়েছিলেন, এই প্রশ্নের উত্তরেই রয়েছে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর রেশন দুর্নীতির সঙ্গে বিমল রায়ের ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকার দিকটি। কিন্তু, আমরা আশ্চর্যের সঙ্গে দেখতে পাচ্ছি, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হওয়ার পর এখনও বিমল রায় ও অন্যান্য এজেন্টরা বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তদন্তের স্বার্থে অবিলম্বে ইডির (ED) শিলিগুড়ি সহ  উত্তরবঙ্গে আসা দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: রাজ্যে ফের ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল যুবকের, আতঙ্ক

    Dengue: রাজ্যে ফের ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল যুবকের, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতেও ঘাতকের রূপ নিল ডেঙ্গি (Dengue)। বুধবার সকালে শিলিগুড়ি পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের এক যুবকের মৃত্যু হয়। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই যুবকের মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গির উল্লেখ রয়েছে। শিলিগুড়ি পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তাদের দাবি, এবছর শিলিগুড়িতে ডেঙ্গিতে এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Dengue)

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭ নভেস্বর, মঙ্গলবার ২৭ বছর বয়সী ওই যুবককে এখানে ডেঙ্গি শক সিনড্রোম নিয়ে ভর্তি করানো হয় একটি নার্সিংহোমে। পাঁচদিন ধরে জ্বর ছিল। তার আপার ইন্টেস্টিনাল ব্লিডিং হচ্ছিল। হাসপাতালের সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, প্লেটেলেট কমে যাওয়ায় দুই ইউনিট প্লেটলেট দেওয়া হয়। আমরা তাঁকে বাঁচানোর সবরকম চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। এদিন সকালে ডেঙ্গি শক সিনড্রোমে সেই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শিলিগুড়ি পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য দুলাল দত্ত বলেন, যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। তবে এবার প্রথম থেকেই শিলিগুড়ি পুরসভা ডেঙ্গি প্রতিরোধের কাজে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে। গত জানুয়ারি মাস থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ৪২৩ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুর ঘটনা এদিনই প্রথম ঘটল। তবে এবার শিলিগুড়ি শহরে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গতবারের মতো ব্যাপক আকার নেয়নি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    ২৭ বছর বয়সের ওই যুবকের মৃত্যুতে শিলিগুড়ি শহরে ডেঙ্গি (Dengue) সংক্রমণের প্রকৃত চেহারা প্রকাশের দাবি তুলেছে বিজেপি। পুরসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপি কাউন্সিলার অমিত জৈন বলেন, শহরে অনেকদিন থেকেই ডেঙ্গি ব্যাপক আকার নিয়েছে। সেই তথ্য গোপন রেখে মেয়র সহ তৃণমূল পরিচালিত বোর্ড উৎসব নিয়ে ব্যস্ত। তাই অক্টোবর মাসেই দেড়শোরও বেশি মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রন্ত হয়েছেন। পুজোর সময়ে ভেক্টর কন্ট্রোল টিম (ভিসিটি) কাজ করেনি। মশা নিধনে ফগিং, স্প্রে হয়নি। সকলে উৎসব নিয়ে ব্যস্ত থাকায় অক্টোবর মাসে শিলিগুড়ি শহরের ডেঙ্গি ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে। নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে ডেঙ্গির প্রকৃত চিত্র সামনে আনছে না পুরসভা। এদিন ডেঙ্গিতে এক যুবকের মৃত্যু হলেও তা আড়াল করার প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক কী বললেন?

    দার্জিলিং জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ তুলসী প্রামাণিক বলেন, ওই যুবক ডেঙ্গিতে (Dengue) মারা গিয়েছে, তা এখনই  নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। কারণ তার যে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল, তার প্রকৃত কারণ জানতে হবে। অন্য কোনও কারণে রক্তক্ষরণ হয়ে থাকতে পারে এবং সেই অবস্থাতে সে ডেঙ্গি আক্রান্ত হতে পারে। তাই ওই যুবকের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: উত্তরকন্যায় প্রতারণাচক্রের হদিশ! চাকরির টোপ দিয়ে টাকা হাতিয়ে গ্রেফতার এক কর্মী

    Siliguri: উত্তরকন্যায় প্রতারণাচক্রের হদিশ! চাকরির টোপ দিয়ে টাকা হাতিয়ে গ্রেফতার এক কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে (Siliguri) রয়েছে উত্তরবঙ্গের শাখা সচিবালয় উত্তরকন্যা। আর সেখানেই প্রতারণা চক্রের হদিশ মিলল। চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল সেখানকারই এক নিরাপত্তাকর্মীকে। এই ঘটনায় জড়িত আরও এক নিরাপত্তাকর্মী পলাতক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিলিগুড়ি জুড়ে। শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Siliguri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা হল মইনুর রহমান ও বিষ্ণুপদ গুপ্ত। দু’জনেই শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরকন্যা সংলগ্ন ফুলবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। দু’জনেই উত্তরকন্যায় বেসরকারি সংস্থার অধীন নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করে। অভিযোগ, উত্তরকন্যায় কাজ করার সুযোগ নিয়ে শিক্ষত বেকার ছেলেমেয়েদের চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল অভিযুক্তরা। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নামে উত্তরকন্যা ফাঁড়ির পুলিশ। বুধবার উত্তরকন্যা থেকে গ্রেফতার করা হয় বিষ্ণুপদকে। কয়েক বছর ধরে ওই দু’জন নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করছে উত্তরকন্যায়। জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ির তিনজন যুবতীর কাছ থেকে মইনুল রহমান কিছু টাকা নেয় শিলিগুড়ি শহরে কোনও একটি নার্সিংহোমে চাকরির দেওয়ার নাম করে। টাকা নিতেই যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় মইনুল। পরে, ফোন করে তিনজনকে অন্য এক নিরাপত্তারক্ষী বিষ্ণুপদ গুপ্তর সঙ্গে সচিবালয়ে দেখা করার কথা বলে মইনুল। তিন যুবতী সেখানে পৌঁছনোর পর বিষ্ণুপদ তাঁদের কাছে ফের টাকার দাবি করে ও বাড়ি চলে যেতে বলে। এতে যুবতীদের সন্দেহ হয়, তাঁরা প্রতারণার শিকার হয়েছেন। পরবর্তীতে বিষয়টি উত্তরকন্যার আধিকারিকদের জানালে তাঁরা এনজেপি থানার পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ বিষ্ণুপদকে গ্রেফতার করে। তবে, মূল অভিযুক্ত মইনুল পলাতক। তার খোঁজ করেছে পুলিশ।

    প্রতারিতদের কী বক্তব্য?

    প্রতারিতরা বলেন, ‘আমাদের বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি দেবে বলে একজন টাকা নেয়। তারপর উত্তরকন্যায় আরেকজনের কাছে পাঠায়। সেও টাকা দাবি করে। কিন্তু কোথায় ইন্টারভিউ হবে, তা জানায়নি। এতেই আমাদের সন্দেহ হয়। তখন আমরা পুলিশকে জানাই।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিক্ষায় নয়া দুর্নীতি, কলেজে কলেজে ছাত্র সংসদই নেই, তোলা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা!

    Siliguri: শিক্ষায় নয়া দুর্নীতি, কলেজে কলেজে ছাত্র সংসদই নেই, তোলা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষাক্ষেত্রে আরও এক বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ। ২০১৭ সাল থেকে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলিতে ছাত্র সংসদ নেই। অথচ গোটা রাজ্যে লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে অবৈধভাবে ইউনিয়ন ফি বাবদ টাকা আদায় করছে বিভিন্ন কলেজ। কয়েকশো কোটি টাকার এই দুর্নীতির অভিযোগে প্রমাণ সহ রাজ্যপালের দ্বারস্থ হল এবিভিপি’র উত্তরবঙ্গ শাখা (Siliguri)।

    কেন অবৈধ ছাত্র সংসদ ফি? (Siliguri)

    এবিভিপির উত্তরবঙ্গ শাখার রাজ্য সম্পাদক শুভব্রত অধিকারী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ হয়ে রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে কোনও বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছাত্র সংসদ নেই। কাজেই কলেজগুলিতে ছাত্র সংসদের কোনও ভূমিকাও নেই। যার অস্তিত্ব নেই, তার নামে টাকা তোলা যায় না। কিন্তু আমরা প্রমাণ সংগ্রহ করেছি, উত্তরবঙ্গ (Siliguri) সহ রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে স্টুডেন্ট ইউনিয়ন ফি বাবদ ১০০ থেকে ২৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে। এটা পুরোপুরি অবৈধ। শিক্ষাক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকার এই দুর্নীতি নিয়ে আমরা রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছি। মঙ্গলবার প্রমাণ সহ তাঁকে বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।

    সরব শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক (Siliguri)

    শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, রাজ্যে ভুরি ভুরি দুর্নীতির মধ্যে এও এক বড় দুর্নীতি। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের কোনও বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হচ্ছে না। কিন্তু দু’-একটি ক্ষেত্র ছাড়া বিভিন্ন কলেজে (Siliguri) ছাত্র সংসদ তহবিলে টাকা নেওয়া হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে। ছাত্র সংসদ নেই, তাহলে এই টাকা কেন তোলা হচ্ছে, কোথায়ই বা যাচ্ছে তা, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হবে। এভাবে কোটি কোটি টাকা তোলা হচ্ছে। এর সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্ব জড়িত বলে অভিযোগ করেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক। অবৈধভাবে এই টাকা তোলার বিষয়টি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নজরেও আনবেন বলে জানান শঙ্কর ঘোষ। তিনি তাঁর অভিযোগের স্বপক্ষে শিলিগুড়ি বাণিজ্য মহাবিদ্যালয়ের একটি রসিদ তুলে ধরেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, স্টুডেন্ট ইউনিয়ন ফান্ডে আড়াইশো টাকা নেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন অধ্যক্ষ? (Siliguri)

    এব্যাপারে শিলিগুড়ি বাণিজ্য মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ রঞ্জন সরকারের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করে তাঁকে পাওয়া যায়নি। হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ করেও তাঁর কোনও বক্তব্য মেলেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: দুর্নীতিতে আকণ্ঠ ডুবে! নিজেকে ‘বালু-মুক্ত’ করতে আপ্রাণ চেষ্টা রেশন ডিলারের

    Siliguri: দুর্নীতিতে আকণ্ঠ ডুবে! নিজেকে ‘বালু-মুক্ত’ করতে আপ্রাণ চেষ্টা রেশন ডিলারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর শিলিগুড়ির (Siliguri) এক শীর্ষ তৃণমূল নেতা তাঁর বাড়ির ড্রইং রুম থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পেল্লাই ছবি রাতারাতি নামিয়ে আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলেছিলেন। এবার রেশন দুর্নীতিতে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু) গ্রেফতার হতেই শিলিগুড়ির সেই রেশন ডিলার নিজেকে ‘বালু-মুক্ত’ করতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। রেশন দুর্নীতিতে আকণ্ঠ ডুবে থাকা সেই রেশন ডিলারের সঙ্গে তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা, প্রাক্তন মন্ত্রীও এখন বিনীদ্র রজনী কাটাচ্ছেন। রেশন দুর্নীতিতে ইডির তদন্তে ডাক পড়ার আতঙ্ক গ্রাস করেছে তাঁদের।

    উত্তরবঙ্গে নানা ব্যবসায় রেশন-দুর্নীতির টাকা?

    রেশন দুর্নীতির টাকা শিলিগুড়ি থেকে ডুয়ার্সে ছড়িয়ে পড়েছে। আত্মীয়, ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নামে  নানা ধরনের ব্যবসায় সেই টাকা লগ্নি করেছেন বনমন্ত্রী। এনিয়ে এতদিন চাপা গুঞ্জন ছিল। কিন্তু জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হতেই সেই গুঞ্জন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। শিলিগুড়িতে (Siliguri) রেশন দুর্নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে মাটিগাড়ার ব্লকের সেই রেশন ডিলারের নাম জোরালো ভাবে উঠে আসছে।অভিযোগ, তাঁকে সামনে রেখে শিলিগুড়িতে অনেক তৃণমূল নেতা, উত্তরবঙ্গের প্রাক্তন মন্ত্রী দু’হাত ভরে টাকা কামিয়েছেন, বনমন্ত্রীর সিন্ডিকেটে যোগ দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায় কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। শিলিগুড়ি, ডুয়ার্স ও পাহাড়ে রিসর্ট, বালি খাদান, ক্র্যাশার, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় রেশন দুর্নীতির টাকা খাটানোর অভিযোগ উঠে এসেছে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে। তিনি গ্রেফতার হতেই  সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের মুখেও এখন এই চর্চা।

    শিলিগুড়ির (Siliguri) দেবনগর টাউনশিপের নাম কেন উঠছে?

    উঠে এসেছে শিলিগুড়ির শিবমন্দিরের কাছে দেবনগর টাউনশিপের নাম। স্থানীয়দের দাবি, বনমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ মহম্মদ ফারুখ ওরফে রাহুল দেব বিঘার পর বিঘা জমি কেনেন। সেই জমি কেনার সময় উপস্থিত ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়র এক আত্মীয়। সেই দেবনগর প্রজেক্টের সাইন বোর্ডে একটি সংস্থার নাম থাকলেও সেখানে কোনও ঠিকানা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর কিছুই লেখা নেই। যে মোবাইল নম্বর দেওয়া রয়েছে, সেখানে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। স্থানীয়দের দাবি, রেশন দুর্নীতির টাকায় এই প্রকল্পের সঙ্গে তৃণমূলের অনেক নেতাই জড়িত (Siliguri)।
    পছন্দের কোনও শিল্পপতিকে সামনে খাড়া করে বনমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের একাধিক রুগ্ন ও বন্ধ থাকা চা-বাগানেও রেশন দুর্নীতির টাকা লাগিয়েছেন। এই সিন্ডিকেটে তৃণমূলের একাধিক নেতা রয়েছেন বলে অভিযোগ।

    বিজেপি কী বলছে? (Siliguri)

    বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অরুণ মণ্ডল বলেন, আমাদের প্রশ্ন, কোনও মন্ত্রী বা তৃণমূল নেতা কেন্ত্রীয় এজেন্সির তদন্তে গ্রেফতার হতেই তাদের দুর্নীতির ইতিহাস বেরিয়ে আসছে। তাহলে রাজ্যের পুলিশ ও গোয়েন্দারা এতদিন কী করেছে। আমরা তো বারবার বলে আসছি তৃণমূল দলটাই চোর। পুলিশ তৃণমূলের দলদাস হওয়ায় সব দেখে-বুঝেও ঘুমিয়ে থাকছে। কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা চুরির পাশাপাশি গরু ও কয়লা পাচারের টাকায় তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তি ভরে উঠেছে। সেই টাকা কালীঘাটে যাচ্ছে। একশো দিনের কাজ প্রকল্পেও দেখা যাবে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের টাকা চুরি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বনমন্ত্রীর গ্রেফতারের পরই সাফারিতে বন্ধ করা হল কাজ! রেশনের পর বন দফতরেও কি দুর্নীতি?

    Siliguri: বনমন্ত্রীর গ্রেফতারের পরই সাফারিতে বন্ধ করা হল কাজ! রেশনের পর বন দফতরেও কি দুর্নীতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির অভিযোগে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হতেই উত্তরের বনকর্তাদের একাংশের চোখেমুখে দুশ্চিন্তার মেঘ জমতে শুরু করেছে। বনমন্ত্রী গ্রেফতার হওয়ার পরপরই শিলিগুড়িতে (Siliguri) বেঙ্গল সাফারি বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ আচমকা বন্ধ রাখায় খাদ্য দফতরের পর বন দফতরেও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের দুর্নীতি নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। রবিবার হঠাৎ করে সাফারি কর্তৃপক্ষ কর্মীদের এই কাজ বন্ধ রাখার কথা জানায়। সোমবার কোনও শ্রমিক বা ঠিকাদারের লোক কাজে আসেনি। লায়ন এনক্লোজার সহ কিছু কাজ বন্ধ রাখার এই কথা জানাজানি হতেই দুর্নীতি নিয়ে নানা ধরনের গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

    স্থানীয় ঠিকাদাররা কী বলছেন? (Siliguri)

    স্থানীয় ঠিকাদারদের বক্তব্য, শিলিগুড়ির (Siliguri) বেঙ্গল সাফারি এনক্লোজার থেকে বাউন্ডারি, রাস্তা সবই তাদের হাতে তৈরি। কিন্তু, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বনমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে তাঁরা আর কোনও কাজ পাচ্ছেন না। নানা অজুহাত ও যুক্তি দেখিয়ে বড় বড় সব কাজ কলকাতার ঠিকাদার সংস্থাকেই দেওয়া হচ্ছে। তবে, বন দফতরের অন্যান্য ছোটখাট কাজে যুক্ত থাকায় বিল পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে, এই আশঙ্কায় কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন না। এক ঠিকাদার নরেশ শৈব বলেন, ‘বেঙ্গল সাফারি স্থানীয় ঠিকাদারদের হাতে তৈরি হলেও বিগত কয়েক বছর ধরে বড় কোনও কাজ আমরা পাচ্ছি না। ই টেন্ডারের নামে নানা কারচুপি করে কলকাতার ঠিকাদার সংস্থা সেই কাজ পাচ্ছে।’ অভিযোগ, এভাবে স্থানীয় ঠিকাদারদের ব্রাত্য করার ক্ষেত্রে কাটমানির বিষয় রয়েছে। বনমন্ত্রী কাটমানির জন্য তাঁর পছন্দের ঠিকাদার সংস্থাকে সব বড় বড় কাজের বরাত দিয়েছেন।

    বেঙ্গল সাফারির কর্মীদের কী বক্তব্য?

    সাফারির কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সাফারি ও উত্তরবঙ্গের বন দফতরের কাজ তদারকি করার জন্য বনমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি শিলিগুড়িতে (Siliguri) বাড়ি ভাড়া করে থাকতেন। প্রায়শই তিনি বেঙ্গল সাফারিতে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ দেখতে আসতেন। বন দফতরের সঙ্গে যুক্ত না হলেও সেই ব্যক্তি সাফারিতে এলে এখানকার আধিকারিকরা তাঁকে খুশি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন। ডিরেক্টরের ঘরে তার অবাধ যাতায়াত ছিল। বনমন্ত্রী গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে এরকম আরও অনেক ঘটনা ও অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। আর এটাই এখানকার বন কর্তাদের একাংশের দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে। কেননা, খাদ্য দফতর ছেড়ে বন দফতরে এসেও নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছিলেন বনমন্ত্রী। রেশন দুর্নীতির তদন্তে ইডির আতশ কাঁচের নীচে বন দফতর যুক্ত হলে তাদের না হয়রান হতে হয়।

    কী বলছে সাফারি কর্তৃপক্ষ?

    যদিও বেঙ্গল সাফারির ডিরেক্টর কমল সরকার লায়ন এনক্লোজার সহ কিছু প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, পুজোর সময় শ্রমিকরা ছুটিতে থাকায় কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। শ্রমিকরা এলে আবার কাজ হবে। বনমন্ত্রী গ্রেফতার হলেও টেন্ডার হয়ে যাওয়া প্রকল্পের কোনও কাজ বন্ধ হবে না। সরকারি নিয়মেই তা চলবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share