Tag: Siliguri

Siliguri

  • Sukanta Majumdar: ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যকে নিলামে চড়িয়েছেন’, কেন বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যকে নিলামে চড়িয়েছেন’, কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যকে নিলামে চড়িয়েছেন। আর শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে সার্কাস চলছে। বুধবার সন্ধ্যায় শিলিগুড়িতে একথা বলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মাটিগাড়ায় নাবালিকা ছাত্রীর খুনের ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    মাটিগাড়ায় নিহত নাবালিকা ছাত্রীর বাড়িতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)

    মাটিগাড়ায় নাবালিকা ছাত্রীর খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি আগেই সরব হয়েছে। রাজ্যপালও ওই ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। বুধবার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। জানা গিয়েছে, এই ছাত্রী খুনের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নকশালবাড়ির হাতিঘিষায় আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। গত ১৫ অগাস্ট হাতিঘিষায় ছ’ জন মিলে এক আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণ করে। লজ্জা ও ভয়ে বিষয়টি সেই নাবালিকা গোপন রেখেছিল। কিন্তু, দিনের পর দিন তার চালচলনে পরিবারের লোকদের সন্দেহ হয়। জিজ্ঞেস করতেই সেই নাবালিকা কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা ঘটনা জানায়। তার পর গত মঙ্গলবার বাগডোগরা থানায় পরিবারের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এদিন পর পর দুটি ঘটনা নিয়ে সুকান্ত বলেন, আদিবাসী নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনা পুলিশ কেন সময়মতো জানতে পারেনি। কেন মাটিগাড়ায় নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হচ্ছে?

    মুখ্যমন্ত্রীকে কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহিলা হওয়ার পরও নাবালিকাদের ধর্ষণ, খুন করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যকে নিলামে চড়িয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বের কী  অবস্থা! কোথাও গোর্খা সম্প্রদায়ের মেয়ে, কোথাও আদিবাসী, রাজবংশী মেয়েদের ধর্ষণ, খুন করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর সচেতন হওয়া উচিত। নাহলে ক্ষোভ,  আক্রোশ এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়বে। এদের বিশেষ সম্প্রদায়কে দিয়ে টার্গেট করানো হচ্ছে। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চক্রান্ত। আর এর বিরুদ্ধে গোর্খা, আদিবাসী, রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টি আছে।

    শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটকে নিয়ে কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, প্রদীপের নীচে অন্ধকার। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হচ্ছে। গত ১৫ অগাস্ট হাতিঘিষায় আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এতদিন পুলিশ তা জানতো না? একের পর এক মহিলাদের উপর যদি এই ধরনের আক্রমণ হয, তাহলে পুলিশ কমিশনারেট কী করছে? কমিশনারেট কী করতে রয়েছে, ঠান্ডা ঘরে বসে বসে মাইনে পাওয়ার জন্য, নাকি তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের সঙ্গে যোগসাজশ করে অপরাধ সংঘটিত করতে সাহায্য করার জন্য? এটা কমিশনারেট চলছে না, সার্কাস হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘কন্যারাই সুরক্ষিত না হলে কন্যাশ্রী সফল হবে কীভাবে?’ কেন বললেন রাজ্যপাল?

    CV Ananda Bose: ‘কন্যারাই সুরক্ষিত না হলে কন্যাশ্রী সফল হবে কীভাবে?’ কেন বললেন রাজ্যপাল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় নৃশংসভাবে খুন হওয়া ছাত্রীর পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যপাল। রবিবার দুপুরে মাটিগাড়ায় ওই ছাত্রীর বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। প্রায় আধঘণ্টা তিনি মৃত ছাত্রীর বাবা ও মায়ের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এভাবে এই ছাত্রীকে খুনের ঘটনায় তিনি যে ব্যথিত এবং রাজ্যে কন্যা তথা মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তার ইঙ্গিত এদিন রাজ্যপালের বক্তব্যে পাওয়া গিয়েছে। রাজ্যের কন্যাশ্রী প্রকল্পে সাফল্য নিয়েও প্রশ্নের সুর শোনা গিয়েছে রাজ্যপালের বক্তব্যে।

    কী বললেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    এদিন বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) সোজা চলে যান মাটিগাড়ায় ওই মৃত নাবালিকা ছাত্রীর বাড়িতে। সেখান থেকে বেরিয়ে রাজ্যপাল শিলিগুড়ি স্টেট গেস্ট হাউসে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। রাজ্যপাল বলেন, মাটিগাড়ার ওই নাবালিকা ছাত্রীকে যেভাবে খুন করা হয়েছে তাতে আমি বাকরুদ্ধ। অত্যন্ত নিষ্ঠুর ঘটনা। বাংলায় কোনও কন্যার উপর এমন ঘটনা হওয়া উচিত নয়। পরিবারের পাশে আমি থাকব। কন্যা আছে বলেই কন্যাশ্রী। কন্যারাই  যদি সুরক্ষিত না হয় তাহলে কন্যাশ্রী সফল হবে কিভাবে? কন্যাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আশা করব, দোষী দ্রুত উপযুক্ত শাস্তি পাবে।

    রাজ্যপাল চলে যেতেই প্রশ্ন উঠল, মুখ্যমন্ত্রী কেন এলেন না?

    রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) ওই ছাত্রীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেই এলাকাবাসী প্রশ্ন তোলেন, এক নাবালিকা ছাত্রীকে নির্মমভাবে খুন করার পরও মুখ্যমন্ত্রী কেন শিলিগুড়িতে এলেন না? এদিন রাজ্যপাল এসে ওই ছাত্রীর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরবতা নিয়ে মুখর হন স্থানীয় নাগরিকরা। সকলেরই প্রশ্ন, এরকম ঘটনার পরও কেন মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা হয়েও একবারের জন্য ওই ছাত্রীর বাবা- মা’র সঙ্গে দেখা করতে এলেন না। এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে থাকা বিজেপির দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, মণিপুর নিয়ে বেশি ব্যথিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই, সেখানে তিনি তাঁর প্রতিনিধি দল পাঠান। সেখানে কলকাতা থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে শিলিগুড়িতে এক নাবালিকা ছাত্রীকে নির্মমভাবে খুন করার ঘটনা মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যথিত করেনি,তাই তিনি এখনও আসেননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়ির ছাত্রী খুনে ১২ ঘণ্টা বনধ, কেমন সাড়া মিলল পাহাড়ে?

    Siliguri: শিলিগুড়ির ছাত্রী খুনে ১২ ঘণ্টা বনধ, কেমন সাড়া মিলল পাহাড়ে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির (Siliguri) মাটিগাড়ায় নাবালিকা ছাত্রীকে যৌন হেনস্থা করে খুনের প্রতিবাদে শনিবার পাহাড়ে ১২ ঘন্টার বনধ সর্বাত্মক ছিল। ছাত্রী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার মহম্মদ আব্বাসের কঠোর শাস্তির দাবিতে এদিন পাহাড়বাসী  ১২ঘণ্টার বনধ স্বতস্ফুর্ত ভাবে সমর্থন করেন।

    পাহাড়ে বনধে কেমন প্রভাব পড়ল?

    ২০১৭ সালে পাহাড়ে শেষ বনধ হয়েছিল। গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে যেভাবে বনধে পাহাড়ের সব কিছু বন্ধ থেকেছে এদিনও সেই ছবি দেখা গিয়েছে। এদিন  পাহাড় বনধের ডাক দিয়েছে গোর্খা সেবা সেনা। শনিবার সকাল থেকেই সেই বনধের প্রভাব দেখা গেল, গোটা পাহাড় জুড়ে। শুনশান ছিল পাহাড়ের রাস্তা। পাহাড়ের মানুষ স্বতস্ফূর্তভাবে এই বনধকে সমর্থন করায় পাহাড়ে থাকা পর্যটকদের এদিন হোটেলে কাটাতে হয়েছে। বিকালের দিকে দার্জিলিংয়ের ম্যালে কিছু পর্যটক ঘুরে বেড়ান। এদিন সকাল থেকেই শুনশান পাহাড়ের রাস্তা কয়েকটি গাড়ি চলাচল করলেও বন্ধ রয়েছে দোকানপাট। শিলিগুড়ি (Siliguri) লাগোয়া সুকন্যাতেও এদিন বনধ সর্বাত্মক ছিল। সেখানেও ছাত্রী খুনের ঘটনার প্রতিবাদ করেন বাসিন্দারা। এনজেপি স্টেশনে নেমে এদিন আর পর্যটকরা পাহাড়ে যেতে পারেননি। সেরকম পাহাড় থেকেও এদিন কেউ সমতলে আসতে পারেননি। ফলে, পাহাড়বাসীর উপর নির্ভর শিলিগুড়ির বাজারগুলি এদিন ফাঁকাই ছিল।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    দার্জিলিংয়ের বিজেপি বিধায়ক নীরজ জিম্বা বলেন, যেভাবে নাবালিকা ছাত্রীকে খুন করা হয়েছে তার সর্বত্র প্রতিবাদ হওয়া দরকার। এধরনের ঘটনাকে প্রশ্রয় দিলে আগামীদিনে সামাজিক বিপর্যয় দেখা দেবে। তাই খুনির কঠোর শাস্তির দাবিতে এদিনের বনধে পাহাড় সাড়া দিয়েছে। দার্জিলিঙয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, ছাত্রী খুনের প্রতিবাদে সর্বস্তরের মানুষ নিন্দায় সরব হয়েছে। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একবারের জন্যও শিলিগুড়িতে এলেন না। অথচ তিনি মণিপুরে যাওয়ার সময় পান। এদিন পাহাড়বাসী বনধে সাড়া দিয়ে তাতে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার অবনতিরও প্রতি (Siliguri) বাদ করেছেন।

    কী বললেন শিলিগুড়ির মেয়র? (Siliguri)

    শিলিগুড়ি (Siliguri) কর্পোরেশনের মেয়র গৌতম দেব বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তাকে নিন্দা জানানোর আমাদের ভাষা নেই। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছি। অনেক আন্দোলন সংগঠিত হয়েছে। তবে, বনধ করে সাধারণ মানুষের আরও বেশি অসুবিধা হয়। এতে মানুষের মনে ক্ষোভ তৈরি হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ধর্ষণে বাধা পেয়ে স্কুল ছাত্রীকে খুন, ধৃতের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল শিলিগুড়ি আদালত চত্বর

    Siliguri: ধর্ষণে বাধা পেয়ে স্কুল ছাত্রীকে খুন, ধৃতের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল শিলিগুড়ি আদালত চত্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশ প্রশাসনের উপর ভরসা হারিয়ে স্কুল ছাত্রীর খুনিকে নিজেই শাস্তি দিতে আদালতে পুলিশের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন হতভাগ্য মা। না পেরে কাঁদতে কাঁদতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মেয়ের খুনির ফাঁসি চাইলেন তিনি। একই দাবিতে বিভিন্ন সংগঠনের মহিলাদের বিক্ষোভে মঙ্গলবার উত্তাল হল শিলিগুড়ি (Siliguri) আদালত চত্বর। এদিন বিকালেও ধৃত যুবককে আদালত থেকে নিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। সেই একই দাবিতে বিভিন্ন সংগঠনের মহিলা সদস্যরা পুলিশের গাড়ি আটকে রাস্তা অবরোধ করে। শেষে উত্তেজিত জনতাকে সরাতে পুলিশ লাঠি চালায় বলে অভিযোগ।

     ঠিক কী ঘটেছিল? (Siliguri)

    সোমবার স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে শিলিগুড়ির (Siliguri) মহকুমা মাটিগাড়া এলাকার একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রী খুন হয়। জঙ্গলে ঘেরা পরিত্যক্ত একটি ঘরে সেই ছাত্রীর মাথা থেঁতলানো মৃতদেহ উদ্ধার হয়। অভিযুক্ত যুবক এই ছাত্রীর পথ আটকায়। রাস্তাটি ফাঁকা ছিল বলে  তাকে রাস্তার পাশে টেনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। বাধা পেয়ে তাকে খুন করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে অপরাধীকে চিহ্নিত করে সোমবার গভীর রাতে মাটিগাড়া লেলিন কলোনি থেকে মহম্মদ আব্বাস নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ওই যুবককে নিয়ে আদালতে ঢোকার মুখেই পুলিশকে একদল মহিলা ও মৃত ওই ছাত্রীর মায়ের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। অন্যদের সঙ্গে ওই ছাত্রীর মাও পুলিশের গাড়ি ঘিরে ধরে ধৃত যুবককে  হাতে তুলে দেওয়ার জন্য চিৎকার করতে থাকেন। ততক্ষণে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারী মহিলাদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। প্রতিরোধ ঠেলে পুলিশ ধৃত যুবককে আদালতের লকআপে ঢুকিয়ে দেয়। তখন কাঁদকে কাঁদতে মৃত ছাত্রীর মা বলেন, আমার একটাই সন্তান ছিল। আমার সাদাসিধা মেয়েকে যে মেরেছে তাকে আমি মারতে চাই। এই পুলিশের উপর আমার ভরসা নেই। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই, আমার মেয়ের খুনির ফাঁসি দিন। 

    মুখ্যমন্ত্রীর রাজত্বে স্কুল ছাত্রীরাও নিরাপদ নয়, সরব আদালত চত্বরে বিক্ষোভকারী মহিলারা

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন নারী শক্তি নামে একটি সংগঠনের সদস্যরা। সংগঠনের সভানেত্রী প্রতিমা যোশী বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহিলা হওয়ার পরও কেন মহিলাদের নিরাপত্তা নেই? কেন একজন নাবালিকা ছাত্রী স্কুল থেকে নিশ্চিন্তে বাড়িতে ফিরতে পারবে না। দুষ্কৃতীদের হাতে নির্মমভাবে প্রাণ হারাতে হবে? ধৃত যুবককে শিক্ষা দিতে এদিন আমরা শিলিগুড়ি (Siliguri) আদালত চত্বরে জমায়েত হয়েছিলাম।

     কী বলছে পুলিশ?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসিপি অভিষেক গুপ্তা বলেন, মাটিগাড়ার ওই এলাকায় সিসিটিভির ফুটেজ দেখে এবং কিছু সূত্র মারফত আমরা অপরাধীকে চিহ্নিত করি। রাত দুটো নাগাদ তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জেরায় জানা গিয়েছে, ধর্ষণের চেষ্টায় বাধা পেয়ে ওই যুবক নাবালিকা ছাত্রীকে মাথা থেঁতলে খুন করেছে। এখন জেরা করে খুনের রহস্য উন্মোচন করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ভোটার তালিকায় কারচুপি রুখতে শিলিগুড়িতে বৈঠক বিজেপির, কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হল?

    Siliguri: ভোটার তালিকায় কারচুপি রুখতে শিলিগুড়িতে বৈঠক বিজেপির, কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্য লোকসভা নির্বাচন। তার আগেই রাজ্যের শাসকদল ভোটার তালিকায় যাতে কারচুপি করতে না পারে তারজন্য নজরদারি চালাবে বিজেপি। এজন্য বিশেষ অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভোটার চেতনা মহাঅভিযান।’ রবিবার বিজেপির শিলিগুড়ি (Siliguri) সাংগঠনিক জেলা কার্যালয়ে উত্তরবঙ্গে বিজেপির ৯টি সাংগঠনিক জেলাকে নিয়ে এই বিষয়ে বৈঠক হয়। এই বৈঠক উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা দলের পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজকুমার চাহার, বিধায়ক দীপক বর্মন, বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি সঞ্জয় সিংহ, উত্তরবঙ্গের সব বিজেপি বিধায়ক এবং উত্তরবঙ্গের জেলা সভাপতিরা।

    ‘ভোটার চেতনা মহাঅভিযানে’ কী কী করা হবে? (Siliguri)

    বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি সঞ্জয় সিং বলেন, আমরা মানুষের মধ্যে ভোটার তালিকায় নাম তোলার ব্যাপারে সচেতনতা প্রচার করব। এমন অনেক ভোটার রয়েছেন তাদের ভোটার কার্ড থাকলেও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে। আবার অনেকে মারা গিয়েছেন, তাদের ভোটার তালিকায় নাম থেকে গিয়েছে। এই সংযোজন ও সংশোধন করার পাশাপাশি খুঁজে বের করা হবে বয়স হওয়া সত্বেও কারা এখনও ভোটার তালিকায় নাম তোলেননি। কেননা প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমন ঘটনা দেখা যায় যে, বহু মানুষ নানান ঝামেলার কারণে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান না। অনেকে জানে না কোথায় কীভাবে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হয়। আমরা এই দিকটিতে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা আনার জন্য এই ‘ভোটার চেতনা মহাঅভিযান’ কর্মসূচি নিয়েছি। আগামী ২৫ ও ২৬ অগাস্ট উত্তরবঙ্গে আমাদের ৯টি সাংগঠনিক জেলায় বুথ স্তর পর্যন্ত এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে অভিযান চলবে। এদিন শিলিগুড়িতে (Siliguri) সাংগঠনিক বৈঠকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    ভোটার তালিকায় কারচুপি প্রসঙ্গে কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি  সঞ্জয় সিং বলেন, সরকারিভাবে যারা ভোটার তালিকা সংশোধন ও সংযোজনের কাজ করেন তাঁরা অনেক জায়গাতেই যান না। ঠিক মতো বাড়ি বাড়ি পৌঁছন না। এতে ভোটার তালিকার বাইরে থেকে যান অনেকে। আবার মারা গিয়েও অনেকের নাম ভোটার তালিকায় জ্বলজ্বল করে। বিজেপির শিলিগুড়ি (Siliguri) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরূপ মণ্ডল বলেন, ভোটার তালিকায় রাজ্যের শাসক দল প্রভাব খাটিয়ে কারচুপি করে থাকে। দেখা গিয়েছে সরকারিভাবে যারা ভোটার তালিকার কাজ করেন তাদের বেশিরভাগই রাজ্যের  শাসক দলের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা বা সদস্য। তাই আমরা এব্যাপারে মানুষকে সচেতন ও সতর্ক করে তুলতে এই অভিযান চালিয়ে যাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: এলাকায় দাদাগিরি! শিলিগুড়িতে আতঙ্কিত ব্যবসায়ীদের পাশে বিজেপি বিধায়ক

    Siliguri: এলাকায় দাদাগিরি! শিলিগুড়িতে আতঙ্কিত ব্যবসায়ীদের পাশে বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাথায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার হাত রয়েছে। আর সেই সাহসেই প্রকাশ্যে এক ব্যক্তির  দাদাগিরি চালাচ্ছে এলাকায়। আর তার দাদাগিরি অত্যাচারে অতিষ্ঠ শিলিগুড়ির (Siliguri) শক্তিগড় এলাকার ব্যবসায়ীরা। এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলার, পুলিশ এবং শিলিগুড়ির মেয়র সবাইকে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। চরম আতঙ্কে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

    ঠিক কী অভিযোগ? 

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভায় তৃণমূলের বোর্ড ক্ষমতায় রয়েছে। এই পুরসভারই এক তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত গোবিন্দ দাস নামে এক ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে মূলত অভিযোগ, শক্তিগড় এলাকায় টাকা না দিয়ে দোকান থেকে জিনিসপত্র সে তুলে নিয়ে যায়। রাতে বাড়ি ফেরার সময় মহিলা ব্যবসায়ীর পিছু নিয়ে অশ্লীল গালাগালাজ এবং প্রাণনাশেরও হুমকি দেয়। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রশাসনের এই নীরবতায় অভিযোগ উঠেছে ওই ব্যক্তির পিছনে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বের প্রশ্রয় রয়েছে। গোবিন্দ দাস নামে ওই ব্যক্তি দিনের পর দিন এই কাণ্ড ঘটিয়ে চলায় ব্যবসায়ীরা এখন দোকান খুলতে ভয় পাচ্ছেন।

    কী বলছেন ব্যবসায়ীরা? (Siliguri) 

    সোমা সেনগুপ্ত নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, রাতে আতঙ্কে থাকি। ওই ব্যক্তি বহুদিন ধরেই এমন ঝামেলা করছে। গত বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে ফেরার সময় একই ঘটনা ঘটায়। বৃহস্পতিবার এনজেপি থানায় অভিযোগ দায়ের করি গোবিন্দ দাস নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শনিবার মেয়রকে জানালে তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু,  কোনও ব্যবস্থা হয়নি। উল্টে শনিবার রাতেই আমার বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে গিয়েছে সে। শিলিগুড়ির (Siliguri) শক্তিগড় পিডব্লুইডি মোড় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক পার্থ ঘোষ বলেন, অনেকদিন ধরেই এই ঘটনা ঘটছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় জানানোর পরও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

    আতঙ্কিত ব্যবসায়ীদের পাশে বিজেপি

    রবিবার ওই এলাকার ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ান বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়। এদিন দুপুরে তিনি ওই এলাকায় গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। সোমা সেনগুপ্তের কাছ থেকে সম্পূর্ণ ঘটনা শুনে শিখা দেবী বলেন, গোটা রাজ্যে এই গুন্ডারাজ চলছে। শাসকদলের মদত রয়েছে বলেই পুলিশও ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। একজন মহিলা ব্যবসায়ী দোকান করে রাতে বাড়ি ফিরতে পারছেন না। রাস্তায় পিছু করে অশ্লীল গালাগালি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু,তৃণমূলের মদতে এই গুন্ডাগিরি চালতে দেব না।

    তৃণমূলের মেয়র ও কাউন্সিলার কী বললেন?

    তৃণমূল কাউন্সিলার মৌসুমী মণ্ডল  বলেন, গোটা বিষয়টি শোনার পর আমি পুলিশে জানিয়েছি। পুলিশ কেন ব্যবস্থা নেয়নি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরাও চিন্তিত। শনিবার টক টু মেয়র ফোন ইন লাইভ অনুষ্ঠানে মেয়র সোমাদেবীর অভিযোগ শুনে তাঁকে বলেছিলেন, এই ধরনের ঘটনা কখনই কাম্য নয়। পুলিশকে বলব যাতে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়ির বিধান মার্কেটে ২৪ ঘণ্টা বনধ ডাকলেন ব্যবসায়ীরা, আন্দোলনের পাশে বিজেপি

    Siliguri: শিলিগুড়ির বিধান মার্কেটে ২৪ ঘণ্টা বনধ ডাকলেন ব্যবসায়ীরা, আন্দোলনের পাশে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোকানের মালিকানার দাবিতে বুধবার সকাল থেকে শিলিগুড়ির (Siliguri) বিধান মার্কেটে শুরু হয়েছে ২৪ ঘণ্টার ব্যবসা বনধ। এখানেই রয়েছে হংকং মার্কেট। পাহাড়, জঙ্গল ঘুরতে এসে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা একবারের জন্য হলেও হংকং মার্কেটে আসেন বিদেশি পণ্য কেনার জন্য। কিন্তু এদিন হঠাৎ করে বাজার বন্ধ থাকায় অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যান। দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনের পরও দোকানের মালিকানা না পেয়ে এদিন ব্যবসা বনধ ডাকার পাশাপাশি প্রতিবাদ মিছিল করেন ব্যবসায়ীরা। এই মিছিলে পা মেলান সমস্ত ব্যাবসায়ী ও কর্মচারীরা। সুবিশাল মিছিল বিধান মার্কেট থেকে শুরু হয়ে শহরের মূল রাস্তা পরিক্রমা করে।

    কেন এই ব্যবসা বনধ?

    দেশভাগের পর উদ্বাস্তু হয়ে আসা মানুষের পুনর্বাসনের জন্য শিলিগুড়িতে (Siliguri) এই বাজার তৈরি করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়। সেই মতো এই বাজারের নামকরণ করা হয় বিধান মার্কেট। কিন্তু, এতদিন পরেও বংশানুক্রমে ব্যবসা করে আসা ১৬২০ জন ব্যবসায়ী দোকানের মালিকানা তথা জমির সত্ত্ব পাননি। দোকানের মালিকানার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চালিয়ে আসছেন বিধান মার্কেটের ব্যাবসায়ীরা। রাজ্যের শাসক দল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আশ্বাস দিলেও পরবর্তীতে তা বাস্তবায়িত হয়নি। শিলিগুড়ি- জলপাইগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’র (এস জে ডি) সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেও ব্যবসায়ীরা দোকানের মালিকানা পাননি। অবশেষে ধর্মঘটের পথে হাঁটেন ব্যাবসায়ীরা। বিধান মার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির সম্পাদক বাপি সাহা বলেন, এরপরেও এসজেডিএ যদি আমাদের দাবি পূরণ না করে তাহলে আমরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।

    ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের পাশে বিজেপি

    এদিকে শিলিগুড়ির (Siliguri) বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা ও তাঁর দল। দোকানের মালিকানা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোথায় সমস্যা হচ্ছে সেবিষয়ে তিনি বিধান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সবরকমভাবে ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে রাজু বিস্তা রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে  প্রশ্ন তোলেন, পশ্চিমবঙ্গে যদি রোহিঙ্গাদের পাট্টা দেওয়া হয়, তাদের ভারতের পরিচয়পত্র দেওয়া হয়, তাহলে বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কেন দোকানের পাট্টা দেওয়া হবে না?

    কী বলছে এসজেডিএ?

    এসজেডিএ-র চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, এদিনই বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ীদের আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছে। তারা এলে আলোচনা করে গোটা বিষয়টি রাজ্য সরকারকে জানানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: টোটো জনজাতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে উদ্যোগ শিলিগুড়ি ডাক বিভাগের, কী করা হচ্ছে?

    Siliguri: টোটো জনজাতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে উদ্যোগ শিলিগুড়ি ডাক বিভাগের, কী করা হচ্ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলুপ্ত প্রায় টোটো জনজাতি ও তাঁদের সংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে  তুলে ধরতে এগিয়ে এল ভারতীয় ডাক বিভাগ। তাঁরা টোটোদের ইতিহাস ও জীবনযাত্রা নিয়ে প্রকাশ করল স্পেশাল কোস্টাল কভার। শুক্রবার সন্ধ্যায় শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রধান ডাকঘরে এটি প্রকাশ করেন উত্তরবঙ্গ ও সিকিমের পোস্ট মাস্টার জেনারেল অখিলেশ কুমার পাণ্ডে। উপস্থিত ছিলেন টোটো সম্প্রদায়ের সমাজ কর্মী ধনিরাম টোটো। এই স্মরণীয় মুহুর্তের সাক্ষী থাকতে আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট ব্লকের ছোট্ট গ্রাম থেকে টোটো সম্প্রদায়ের অনেকে এসেছিলেন।

    কেন শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রধান ডাকঘরের উদ্যোগে স্পেশাল কোস্টা কভার?

    শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার জেনারেল বলেন, ডাক টিকিট সংগ্রহ করার মতো এই কোস্টাল কভারও সংগ্রহ করা হয়। এর আন্তর্জাতিক চাহিদা রয়েছে। সেকারণেই টোটো জনজাতিকে নিয়ে এই কভার করা হয়েছে যাতে বিশ্বের দরবারে বিলুপ্তপ্রায় এই জনজাতি পৌঁছে যেতে পারে। এর মধ্য দিয়ে টোটো সংস্কৃতির ব্যাপক পরিচিতি ঘটার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নও ঘটবে। এই স্পেশাল কভারে টোটো জনজাতির ছবি, তাঁদের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রা তুলে ধরা  রয়েছে।

    কেমন আছে টোটোপাড়া?

    আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট ব্লকের এই দূর্গম এলাকায় টোটোপাড়া। মোট ৪১০ টি পরিবার রয়েছে। মোট জনসংখ্যা ১৬৪০।  এর মধ্যে ৮৪০জন পুরুষ। ধনিরাম টোটো বলেন, অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও টোটোপাড়ার মূল সমস্যার সমাধান হয়নি। রাস্তাঘাট নেই। টোটো জনজাতির ইতিহাস সংরক্ষণেরও কোনও উদ্যোগ নেই। এজন্য টোটো জনজাতি নিয়ে একটা মিউজিয়াম তৈরি করাটা খুব জরুরি। স্কুলেরও প্রয়োজন রয়েছে।

     ভারতীয় ডাক বিভাগের এই উদ্যোগ নিয়ে কী বলছে টোটোপাড়া?

    ধনিরাম টোটো বলেন, এটা আমাদের অত্যন্ত গর্বের বিষয়। শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রধান ডাকবিভাগের এই উদ্যোগে টোটোপাড়া ও আমাদের সম্পর্কে গোটা বিশ্বের মানুষ আরও  ব্যাপকভাবে জানতে পারবে। কেননা সবাই আমাদের টোটোপাড়ায় যায় না। আমাদের সব থেকে বড় সমস্যা রাস্তাঘাট নেই। পাহাড়ের দুর্গম এলাকা দিয়ে আমাদের চলাফেরা করতে হয়। শিক্ষার ক্ষেত্রে স্কুলের সমস্যা রয়েছে। রাস্তা ও স্কুলের ব্যাপারে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে কথা হয়েছে। বড় সেতু তৈরি করে রাস্তা কেন্দ্রীয় সরকারই তৈরি করতে পারবে। টোটোপাড়ায় হিন্দি ও ইংরেজিতে একলব্য স্কুল করার জন্যও প্রস্তাব দিয়েছি। টোটো জনজাতির ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য একটি মিউজিয়াম তৈরির কথাও বলেছি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: শিলিগুড়ির অবৈধ নির্মাণ নিয়ে সৌরভ চক্রবর্তী -গৌতম দেবের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    TMC: শিলিগুড়ির অবৈধ নির্মাণ নিয়ে সৌরভ চক্রবর্তী -গৌতম দেবের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের সঙ্গে ফের সংঘাতে শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (এসজেডিএ) চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী! তৃণমূল (TMC) পরিচালিত শিলিগুড়ি পুরসভা এলাকায় বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে এসজেডিএ’র অভিযানে নামার সিদ্ধান্তে  এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    দীর্ঘদিনের ঠাণ্ডা লড়াই থেকে কি এই সংঘাত?

    অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে শিলিগুড়ি পুরসভার থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আর বিল্ডিং প্ল্যান পুরসভায় অনুমোদন করে। তাই সমান্তরালভাবে পুরসভা এলাকায় এসজেডিএ’র অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযানে নামার সিদ্ধান্তে গৌতম দেবের সঙ্গে সৌরভ চক্রবর্তীর দীর্ঘ দিনের ঠান্ডা লড়াই  দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। কেননা এই লড়াইয়ের কথা তৃণমূল (TMC) সহ রাজনৈতিক মহলে কমবেশি সকলেরই জানা। এই লড়াই চরমে ওঠে কয়েক মাস আগে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গ সফরকালে সৌরভ চক্রবর্তীকে সরিয়ে রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন দফতর থেকে গৌতম দেবকে এসজেডিএ’র চেয়ারম্যান করার নির্দেশ জারি করেছিলেন। তার কয়েকদিন বাদে রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন দফতর সেই নির্দেশিকা সংশোধন করে সৌরভ চক্রবর্তীকে এসজেডিএ’র চেয়ারম্যান পদে বহাল রেখে নতুন নির্দেশিকা জারি করে। উত্তরবঙ্গের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেদিন সৌরভ চক্রবর্তীর নিজের শহর আলিপুরদুয়ারে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ছিলেন। সৌরভ সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অভিষেককে দিয়েই তার চেয়ারম্যান পদ রক্ষা করেছিলেন। এতে সৌরভ চক্রবর্তীর ধারণা হয়, গৌতম দেব প্রভাব খাটিয়ে তাঁকে সরিয়ে এসজেডিএর চেয়ারম্যান হতে চেয়েছিলেন। এই ঘটনায় এই দুই তৃণমূল নেতার মধ্যে পুরানো ঠান্ডা লড়াই আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

    কী বললেন এসজেডিএ -র চেয়ারম্যান?

    শিলিগুড়িতে এসজেডিএ দফতরে বসে সৌরভ চক্রবর্তী সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, শিলিগুড়ি পুরসভায় এলাকাতেও আমরা অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযানে নামব। শিলিগুড়ি পুরসভা এলাকা থেকে আমাদের কাছে অবৈধ নির্মাণ নিয়ে অভিযোগ আসছে। যদিও সৌরভ চক্রবর্তী এতে লড়াইয়ের কিছু দেখছেন না। তিনি বলেন, পুরসভা বিল্ডিং প্ল্যান পাশ করে ঠিক কথা। কিন্তু ইউসি দেয় এসজেডিএ। তাই আমরা অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযানে নামতেই পারি।

    কী বললেন গৌতম দেব?

    গৌতম দেব প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেন, এসজেডিএ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা আমার জানা নেই। আর যদি এসজেডিএ এধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েও থাকে তাহলে তা আমাকে চিঠি দিয়ে বা মৌখিকভাবেও জানাইনি। কাজেই যে বিষয়টা এখনও কিছুই জানিনা তা নিয়ে আমি  মন্তব্য করব না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ওটি থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হল রোগীকে, কাঠগড়ায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    Siliguri: ওটি থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হল রোগীকে, কাঠগড়ায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে দিতে না পারায় এক গরিব রোগীকে অপারেশন থিয়েটার থেকে ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডেরও সুবিধা পাওয়া যায়নি। তৃণমূল নেতার অনুরোধেও কোনও কাজ হয়নি। বুধবার শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ, হাসপাতালের কর্তাব্যক্তিদের একাংশের মদতে দালালরাজ চলছে অর্থোপেডিক বিভাগে।

    কেন এই অভিযোগ?

    শিলিগুড়ির (Siliguri) শান্তিনগর বউবাজারের বাসিন্দা মন্তেশ্বর বর্মন ডান পায়ে আঘাত নিয়ে গত ২৪ জুলাই  উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর জামাই লিটন রায় বলেন, ভর্তির পরের দিন সিনিয়র ডাক্তার শ্বশুরমশাইকে দেখেন। তারপর ডাক্তার ও নার্স একটি স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে বলেন, এই জিনিসগুলি কিনে আনতে হবে। কোথায় থেকে কিনবো তারজন্য একটি ফোন নম্বরও লিখে দেন তাঁরা। শুধু লিটন রায় নয়। এখানে ভর্তি প্রতিটি রোগীর আত্মীয়ের একই অভিজ্ঞতা। সকলেরই অভিযোগ, হাসপাতালের ঠিক করা ব্যক্তির কাছ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে আনতে হয় মোটা টাকা দিয়ে। কোনও বিল পাওয়া যায় না। দামেও ছাড় মেলে না। জোরাজুরি করলে দুর্ব্যবহার করা হয়। লিটন রায় বলেন, হাসপাতালের থেকে দেওয়া ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে এক ব্যক্তি  অগ্রিম ছ’হাজার টাকা জমা দিতে বলেন। তিনি জানান, আরও টাকা লাগবে। অস্ত্রোপচারের পর হিসেব করে তা দিতে হবে। আমাদের টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নেই বলতেই ওই ব্যক্তি দুর্ব্যবহার করেন। তারপর তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের দ্বারস্থ হই। তৃণমূল নেতার সঙ্গে আলোচনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর অপারেশন করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। হাসপাতাল থেকে বিনা পয়সায় অপারেশন করার কথা বলা হয়েছিল। সেই মতো বুধবার ওটিতে শ্বশুরমশাইকে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুরের দিকে সরঞ্জাম কিনে দেওয়া হয়নি বলে ওটি থেকে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, ফোন করে দামে কিছুটা ছাড় দেওয়ার অনুরোধ করায় ওই ব্যক্তিকে দুর্ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসা সরঞ্জাম না দেওয়ার  হুমকি দেন তাঁরা। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল অভিভাবকহীন অবস্থায় চলছে। এখানে অব্যবস্থা দেখার কেউ নেই।

    কী বললেন হাসপাতাল সুপার?

    হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, অর্থোপেডিক সার্জারির প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম অনেকদিন ধরে সরবরাহ নেই। আমাদের এখানে ফেয়ার প্রাইস শপেও এধরনের সরঞ্জাম বিক্রি করা হয় না। তাই রোগীদের শিলিগুড়ি (Siliguri) জেলা হাসপাতালের ফেয়ার প্রাইস শপ থেকে কিনে আনতে বলা হয়। এক্ষেত্রে ঠিক কী হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share