Attempt to Rape: মহিলাকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করা বা পোশাক খোলা ধর্ষণের চেষ্টার সামিল, বলল সুপ্রিম কোর্ট

touching-a-woman-in-an-offensive-manner-or-untying-her-pajama-bottoms-is-an-attempt-at-rape-supreme-court-has-made-it-clear

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারীকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করা বা পাজামার ফিতে খোলা ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সম্প্রতি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করেছে। যৌন অপরাধ সংক্রান্ত আইনি ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একটি বড় দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে শীর্ষ আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কোনও মহিলার শরীরের গোপনাঙ্গ স্পর্শ করা বা জোরপূর্বক তার পাজামার ফিতে খোলার চেষ্টা করা কেবল ‘শ্লীলতাহানি’ নয়, বরং এটি ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ (Attempt to Rape) হিসেবে বিবেচিত হবে।

আদালতের পর্যবেক্ষণ (Attempt to Rape)

সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতিদের একটি মামলার রায়ে বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, যদি কোনও অভিযুক্তের আচরণ থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে তার উদ্দেশ্য যৌন সঙ্গম স্থাপন করা। তাহলে সেই কাজকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার সাথে ৫১১ ধারা অর্থাৎ ধর্ষণের চেষ্টা যুক্ত করে মামলা দায়ের করে বিচার করতে হবে। ধর্ষণ এবং শ্লীলতাহানির (Attempt to Rape) মতো সংবেদনশীল মামলায় এই আদেশ কার্যকর হবে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, নারীর মর্যাদা এবং শারীরিক অখণ্ডতা রক্ষা করা আইনের প্রধান লক্ষ্য। পাজামার ফিতে খোলা বা অন্যায়ভাবে স্পর্শ করাকে খাটো করে দেখার অবকাশ নেই, কারণ এটি অপরাধীর চূড়ান্ত যৌন লালসা চরিতার্থ করার একটি প্রাথমিক ও সরাসরি পদক্ষেপ।

ঘটনার প্রেক্ষাপট

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়টি এসেছে একটি পুরনো মামলার প্রেক্ষিতে। এক অভিযুক্ত অপর আরেক মহিলার পায়জামার ফিতে খুলে তাকে যৌন হেনস্থা (Attempt to Rape) করার চেষ্টা করেছিল। এরপর সওয়াল জবাবের পর নিম্ন আদালত এবং হাইকোর্টের রায়ের পর্যালোচনার পর শীর্ষ আদালত এই কঠোর অবস্থান নেয়। নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে এই রায় ভীষণ ভাবে প্রাসঙ্গিক।

পার্থক্য নিরূপণ

আদালত স্পষ্ট করেছে ‘শ্লীলতাহানি’ (Outraging Modesty) এবং ‘ধর্ষণের চেষ্টা’র মধ্যে একটি সূক্ষ্ম রেখা রয়েছে। যদি অভিযুক্তের পদক্ষেপ অপরাধ সম্পন্ন করার বা ধর্ষণ করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়, তবে সেটি কেবল শ্লীলতাহানির (Attempt to Rape) ধারায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। তখন তা ধর্ষণের ধারায় যুক্ত হবে। এই রায়ের ফলে এখন থেকে এই ধরণের অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের আরও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আগে অনেক ক্ষেত্রে এই ধরণের অপরাধকে কেবল শ্লীলতাহানি হিসেবে দেখা হতো, যাতে শাস্তির মেয়াদ কম ছিল।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share