Author: pranabjyoti

  • Annapurna Bhandar Yojana: “‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্প থেকে কেউ বঞ্চিত হবেন না”, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

    Annapurna Bhandar Yojana: “‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্প থেকে কেউ বঞ্চিত হবেন না”, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ (Annapurna Bhandar Yojana) নিয়ে অবসান যাবতীয় জল্পনার। ১ জুন থেকে শুরু হচ্ছে ফর্মপূরণের (Form) কাজ। চলবে তিন মাস। এই প্রকল্পে আর্থিক অনুদান পেতে হলে ফর্ম পূরণ করতে হবে উপভোক্তাদের। বুধবার নবান্ন থেকে ফর্ম প্রকাশ করে রাজ্যে এই প্রকল্প সূচনার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, অনলাইন এবং অফলাইন দু’ভাবেই আবেদন করা যাবে। তৃণমূলের আমলে যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন, তাঁদের সকলকেই এই ফর্মপূরণ করতে হবে। যতদিন না অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত উপভোক্তারা লক্ষ্মীর ভান্ডারের আর্থিক সুবিধা পাবেন। কেউ যে বঞ্চিত হবেন না, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী।

    ফর্মের খুঁটিনাটি (Annapurna Bhandar Yojana)

    জানা গিয়েছে, বিডিও অফিস এবং পুরসভায় ফর্ম মিলবে। আবেদনকারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই সব তথ্য যাচাই করা হবে। মুখ্যসচিব এবং অর্থসচিবের নেতৃত্বে আধিকারিকরা এর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। যাঁরা আধারের কাজ করেন, ভোটার তালিকা তৈরির কাজে যাঁরা যুক্ত, তাঁরা এই কাজ করবেন। যাঁরা অনলাইন বা অফলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম পূরণে সাহায্য করবেন। সাহায্য করবেন বিধায়করাও। এই প্রকল্পে সুবিধা পাবেন কেবলমাত্র উপযুক্ত প্রাপকরাই। যে ফর্ম দেওয়া হচ্ছে, সেখানে উপভোক্তার পরিবার সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হবে। ওই পরিবারকে আরও একাধিক সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা দিতেই এই তথ্য চাওয়া হবে (Annapurna Bhandar Yojana)। ১৫, ১৬, ১৭ জুন ‘জনকল্যাণ শিবির’ হবে। সেখানেও ফর্ম পূরণে সাহায্য করা হবে। বর্তমানে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ পান ২ কোটি ২০ লাখ মহিলা। এসআইআরের পরে মৃত, ভুয়ো, স্থানান্তরিত এমন কমবেশি ৩০ লাখ উপভোক্তার নাম বাদ যাবে। আবার, নতুন আবেদনও জমা পড়বে।

    উপযুক্তদেরই টাকা দেওয়া হবে

    ধীরে ধীরে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারে’র উপভোক্তাদের ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’য় নথিভুক্ত করা হবে। তাই কাউকে তাড়াহুড়ো করে আবেদন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যতদিন না কোনও উপভোক্তা ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন, ততদিন তিনি লক্ষ্মীর ভান্ডার পাবেন (Form)।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম তালিকা ভেরিফায়েড। কিন্তু অনেক অভিযোগ এসেছে। ভুয়ো প্রাপক, অ-ভারতীয়দের বাদ দেওয়া হবেই। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে উপযুক্তদের টাকা দেওয়া হবে। এই স্কিম তাঁদেরই (Annapurna Bhandar Yojana)।”

    অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন যাঁরা

    তিনি বলেন, “অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পেতে এই ফর্ম পূরণ করতে হবে। অন্নপূর্ণা যোজনায় মহিলারা পাবেন ৩ হাজার করে টাকা। আয়কর দিলে প্রকল্পের সুবিধা মিলবে না। সিএএ (CAA)-তে আবেদনকারীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। সরকারি, আধা সরকারি চাকরি করলেও এই সুবিধা পাবেন না। ভারতীয় ছাড়া কাউকে অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতা নয়।” তিনি বলেন, “এসআইআরে ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারীরাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আধারযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতিমাসে টাকা ঢুকবে। অন্নপূর্ণা যোজনায় পরিচ্ছন্ন তালিকা হবে। ফর্ম পূরণের সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের ডিটেলসও নেওয়া হবে, যাতে কোনও অভিযোগ না ওঠে। যাঁরা প্রকৃতই পাওয়ার যোগ্য তাঁরা যেন পান, সেটা দেখতে হবে (Annapurna Bhandar Yojana)।”

     

  • TMC Inner Clash: তৃণমূলের পদ ছাড়লেন কাকলি, দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা পুরসভার আরও দুই কাউন্সিলরও

    TMC Inner Clash: তৃণমূলের পদ ছাড়লেন কাকলি, দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা পুরসভার আরও দুই কাউন্সিলরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতা খোয়াতেই টলোমলো হয়ে গিয়েছিল তৃণমূল নেত্রীর আসন (TMC Inner Clash)। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে রোজকার যে ভিড়টা দেখা যেত, সেই চেনা ছবিটাও তো দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আর দেখা যাচ্ছে না। রাজ্যে বিপুল জনাদেশ নিয়ে (Calcutta Municipal Corporation) বিজেপি নবান্নের কুর্সিতে বসতেই তৃণমূল নেত্রীর পাশ থেকে সরে গিয়েছে স্তাবকের দল। আক্ষরিক অর্থেই একা মমতা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছেন ‘নকল বুঁদি গড়’ রক্ষা করতে। তবে তিনি সেই ‘গড়’ কতদিন আগলে রাখতে পারবেন, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। কারণ, ছাব্বিশের নির্বাচনে দল খাদে পড়ে যেতেই তৃণমূল নেত্রীর পাশ থেকে সরে যেতে শুরু করেছেন এক এক করে বহু প্রবীণ নেতাও।

    পদ ছাড়লেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি (TMC Inner Clash)

    এই যেমন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তৃণমূলের টিকিটে জিতে সংসদে গিয়েছেন কাকলি। ইদানিং তিনিই শুরু করেছেন বেসুরো গাইতে। দিন তিনেক আগে কাকলি ছেড়েছিলেন জেলা সভাপতির পদ। এবার তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন-সহ সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে দলীয় নেতৃত্বকে চিঠি দিলেন কাকলি। কারণ, কাকলির ‘বিলম্বিত বোধদয়’! শুধু তা-ই নয়, তৃণমূল জমানায় রাজ্যে হওয়া একের পর এক কেলেঙ্কারি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। নাম না করে কাকলি আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূলেরই শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কাকলিকে তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে কল্যাণকে। তার জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় কাকলি লেখেন, “’৭৬ থেকে পরিচয়, ‘৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।”

    কাকলির বিলম্বিত বোধদয়!

    তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে কাকলি লিখেছেন, ‘দুর্নীতি থেকে আরজিকরকাণ্ড তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।’ বুধবার তিনি লেখেন, “আমার বিবেক আজ গভীরভাবে আলোড়িত। রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি-সহ একাধিক আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ ও অবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে।’ কাকলি জানান (TMC Inner Clash), ২০২৪ সালে আরজিকর মেডিকেল কলেজে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনাকে ‘সম্ভাব্য ধামাচাপার অভিযোগ’ সমাজকে স্তম্ভিত করেছে। তার অভিঘাত তিনি অনুভব করেছেন। তৃণমূলের সাংসদ লিখেছেন, ‘যে পদে থাকাকালীন মহিলা সাংসদের ওপর অন্য এক জন অশিক্ষিত, অভদ্র দলীয় সাংসদের অশালীন আচরণ বন্ধ করা যায় না বা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের সহযোগিতা-সহানুভূতি পাওয়া যায় না, তখন আর সে পদে থাকার মানে হয় না।”

    কাকলির নিশানায় আইপ্যাক

    ওই চিঠিতেই কাকলি চাঁদমারি করেছেন আইপ্যাককে। নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে এই সংস্থাই ছিল তৃণমূলের পরামর্শদাতা। তিনি জানান, আইপ্যাক নিয়ে নানা মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে। সেগুলিও তাঁকে বিচলিত করেছে (Calcutta Municipal Corporation)। কাকলি লিখেছেন, “যদি কোনও অস্বচ্ছ ও অগণতান্ত্রিক প্রভাব ক্রমশ সংগঠনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে, তবে তা দলের আদর্শ ও ঐতিহ্যের পক্ষে শুভ হতে পারে না বলেই আমি মনে করি।” তৃণমূলের এই প্রবীণ নেত্রী জানান, তিনি তৃণমূলের সাধারণ কর্মী। কোনও ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা অভিমান থেকে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেননি। দল, গণতন্ত্র এবং মানুষের প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকেই সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিলেন তিনি।

    পদ ছাড়লেন সুশান্ত-অরূপ

    এদিকে, মঙ্গলবারই কাউন্সিলরদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজ করতে। তৃণমূল সুপ্রিম সেই নির্দেশের পর ২৪ ঘণ্টাও পেরোয়নি, গুরুত্বপূর্ণ পদে ইস্তফা দিলেন কলকাতা পুরসভার দুই তৃণমূল কাউন্সিলর – সুশান্ত ঘোষ এবং অরূপ চক্রবর্তী। বুধবার ১২ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা দেন সুশান্ত। আর মিউনিসিপ্যাল অ্যাকাউন্টস কমিটির পদে ইস্তফা দেন অরূপ চক্রবর্তী (TMC Inner Clash)। সুশান্ত এবং অরূপ যথাক্রমে ১০৮ এবং ৯৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।

    বিজেপিকে ধন্যবাদ সুশান্তর

    সুশান্ত বলেন, “মানুষ যাঁদের ক্ষমতায় এনেছেন, তাঁদের কাজ করতে দেওয়া উচিত। দলের যেসব মন্ত্রী জেড প্লাস, ওয়াই প্লাস সিকিউরিটি নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন, গত কয়েকদিনে তাঁদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এঁদের জন্যই মমতার ধারে-কাছে ঘেঁষতে পারতাম না। বিজেপিকে ধন্যবাদ। ওদের জন্য আমাদের দলের অনেককে ঘরে ফেরাতে পেরেছি। বাকিদের ফিরিয়ে আনলে আমাদের দায়িত্ব শেষ।” তিনি বলেন, “২০২০ সালে আমার ওপর আক্রমণ হয়। ২০২৪ সালেও ফের আক্রমণ হয়। অবাক করা ব্যাপার হল, আমার সরকার ঠিক করে তদন্তটাও করেনি। অদ্ভুতভাবে মূল দুষ্কৃতীর জামিন হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে আইনজীবীর ব্যবস্থা করে বাকি অভিযুক্তদের আটকে রেখেছি। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, এই তদন্তটা দেখতে (Calcutta Municipal Corporation)।”

    কেষ্টু-বিষ্টুরা কোথায়?, প্রশ্ন অরূপের

    অরূপ বলেন, “মমতাদি-অভিষেক ছাড়া বাকি নেতৃত্ব কই? বাকি কেষ্টু-বিষ্টুরা কোথায়? যাঁদের কনভয়ের আগে চার-পাঁচটা করে গাড়ি থাকত? জনাদেশ আমাদের বিপক্ষে গিয়েছে। এটা আমাদের মানতে হবে। হার স্বীকার করতে হবে। ছাব্বিশের হার না মানা মানে বাকি সব জয় মিথ্যে হয়ে যায়। গণতন্ত্রে মানুষের রায়কে মান্যতা দিতেই হবে।” তিনি বলেন, “কেউ ক্ষমতায় সারাজীবন থাকে না। সিপিএম ভেবেছিল থাকবে, নেই। এখন আমরা নেই। মমতার বাড়িতে রবীন্দ্র-জয়ন্তী অনুষ্ঠানে যেসব সেলিব্রিটি ছিলেন, তাঁরা কোথায় (TMC Inner Clash)?” এদিন দুপুরে পুর-কমিশনার স্মিতা পাণ্ডের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন সুশান্ত-অরূপ। পরে তাঁরা পদত্যাগপত্র জমা দেন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ঘরে গিয়েও।

    জনাদেশ মাথা পেতে নিয়ে ৯ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সনের পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভার ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস। তিনি পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়ের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন (Calcutta Municipal Corporation)। ঘাসফুল শিবির সূত্রে খবর, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে দলের ভরাডুবির জেরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দেবলীনা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দলনেত্রী স্বয়ং গোহারা হারতেই আর ‘রিস্ক’ নেননি তিনি (TMC Inner Clash)।

     

  • Mamata Banerjee: হিন্দু ধর্ম নিয়ে বিরূপ মন্তব্য! এবার খোদ মমতার বিরুদ্ধেই দায়ের হল মামলা

    Mamata Banerjee: হিন্দু ধর্ম নিয়ে বিরূপ মন্তব্য! এবার খোদ মমতার বিরুদ্ধেই দায়ের হল মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নের গদি খোয়াতেই তৃণমূলের একের পর এক নেতার দিকে ধেয়ে আসছে বহুবিধ বাণ। দলের ছোট-বড় নেতার বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ। এবার টান পড়ল দলের মাথায়! আজ্ঞে হ্যাঁ। এফআইআর দায়ের হল (Controversial Remarks) তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে। টানা ১৫ বছর নবান্নের ঠান্ডা ঘরে ছিলেন মমতা। অভিযোগ, এই পর্বে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং রাজনৈতিক মঞ্চ হাজির হয়ে তিনি করেছেন একাধিক ‘বিতর্কিত’ মন্তব্য। তার জেরেই দায়ের হল মামলা। শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে যখন রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন পড়েছে, ঠিক তখনই বোমা ফাটালেন তৃণমূলেরই এক শীর্ষ নেতা। তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যের জেরে প্রকাশ্যে চলে এসেছে তৃণমূলের অন্দরে লুকোনো পুঞ্জীভূত ক্ষোভের আগুন।

    বিতর্কিত মন্তব্য মমতার (Mamata Banerjee)

    জানা গিয়েছে, রেড রোড এবং কলকাতার ধর্না মঞ্চে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। সেই অভিযোগ তুলেই শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন পদ্ম-কর্মী তথা পেশায় আইনজীবী রিঙ্কি চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আমি দুটি ঘটনা নিয়ে এফআইআর করেছি। একটি হল রেড রোড থেকে উনি বলেছেন, আমি এই গন্দা ধর্ম মানি না। কোন গন্দা ধর্ম উনি মানেন না? যে ধর্মকে গোটা বিশ্ব আইডিয়োলজি হিসাবে দেখে? যে ধর্মকে নিয়ে হাজারো মুনি-ঋষি চর্চা করেছেন যুগ-যুগান্তর ধরে? উনি সেই ধর্ম মানেন না?” রিঙ্কি বলেন, “আমার দ্বিতীয় অভিযোগ ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে উনি বলেছিলেন আমি আছি বলেই একটা বিশেষ সম্প্রদায় তোমাদের ১২টা বাজিয়ে দিচ্ছে না। কোন কমিউনিটি ঘিরে ধরছে না? কাদের ঘিরে ধরছে না? উনি তো মুসলমান-হিন্দু উভয় সম্প্রদায়েরই মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন? তাহলে একটা সম্প্রদায়কে খুশি করতে গিয়ে কেন আর একটি সম্প্রদায়কে হুমকি দিয়েছিলেন? একজন হিন্দু ভোটার হয়ে আমি ভয় পেয়েছি। আমি ওঁর এই মন্তব্য সমর্থন করি না। তাই অভিযোগ দায়ের করেছি।”

    আইনজীবী-অভিযোগকারিণীর বক্তব্য

    আইনজীবী-অভিযোগকারিণী বলেন, “২০২৫ সালে ঈদের ওই ঘটনার পর আমি শিলিগুড়ির প্রধাননগর থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তৎকালীন পুলিশ আধিকারিকরা আমার অভিযোগ নিতে (Mamata Banerjee) অস্বীকার করেন। তাঁরা আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। কটু কথা বলে থানা থেকে (Controversial Remarks) বের করে দেওয়া হয় আমায়।” রাজ্যে পালাবদলের পর শেষমেশ শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে পেরেছেন তিনি। রিঙ্কি জানান, আইনত যে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব, তার অপেক্ষায়ই রয়েছেন তিনি।

    কোন কোন ধারায় মামলা

    জানা গিয়েছে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। এই ধারাগুলি হল, ৩৫১ (অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন), ৩৫২ (শান্তি ভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে অপমান বা প্ররোচিত করা), ৩৫৩ (জনসাধারণের মধ্যে বিশৃঙ্খলা, ঘৃণা বা গুজব ছড়ানো), ৩৫৪ (কোনও ব্যক্তিকে ঈশ্বর বা ঐশ্বরিক শক্তির শাস্তির ভয় দেখিয়ে বা অপছন্দের পাত্র বানানোর হুমকি দিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনও কাজ করতে বাধ্য করা), ৩৫৬ (ফৌজদারি মানহানি), এবং ২৯৯ (যদি কোনও ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত বা বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্যে এমন কোনও কাজ, কথা, লেখা, চিহ্ন বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমের ব্যবহার করে—যার লক্ষ্য কোনও একটি (Mamata Banerjee) বিশেষ গোষ্ঠীর ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে অবমাননা করা এবং তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া)।

    তৃণমূলে শুরু কাদা ছোড়াছুড়ি

    এদিকে, হাতি (পড়ুন, তৃণমূল) গাড্ডায় পড়তেই, শুরু (Controversial Remarks) হয়ে গিয়েছে লাথালাথি। বিধানসভা নির্বাচনে ‘বুয়া’র সাধের দল মুখ থুবড়ে পড়তেই শুরু হয়ে গিয়েছে কাদা ছোড়াছুড়ি। দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা পেশায় আইনজীবী অত্রি শর্মা দলের মুখপাত্র। তিনি সরাসরি মমতার বিরোধিতা না করলেও, পরোক্ষভাবে তাঁর ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছেন। অত্রি বলেন, “ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের মন্তব্য করা একেবারেই উচিত হয়নি। আমরা যাঁরা সেই সময় থেকে আজও দলে নিষ্ঠার সঙ্গে রয়েছি, তাঁরাও কিন্তু মন থেকে এই বিষয়টি সমর্থন করতে পারিনি। তবে ভারতীয় সংবিধানে সবারই আইনি পথে অভিযোগ জানানোর পূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে জেলাস্তরের এক শীর্ষ নেতার এমন মন্তব্য থেকে এটা (Mamata Banerjee) স্পষ্ট যে, তৃণমূলের অন্দরে দীর্ঘদিন ধরেই ধিকি ধিকি করে জ্বলছিল অসন্তোষের আগুন। তৃণমূলের পদস্খলন হওয়ার পর সেই ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরিই উগরোতে শুরু করেছে আগুনে লাভা।

    ‘ভাতিজা’র আইনি ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা

    ‘বুয়া’র পাশাপাশি তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড তথা ‘ভাতিজা’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি ভবিষ্যৎ নিয়েও শুরু হয়ে গিয়েছে জল্পনা। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় উসকানিমূলক এবং উগ্রপন্থীদের মতো মন্তব্য করার অভিযোগে বিধাননগর সাইবার থানায় তাঁর বিরুদ্ধেও দায়ের হয়েছিল এফআইআর। সেই মন্তব্যের জন্য আদালতের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে ‘ভাইপো’কে। একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষনেতা হয়ে তিনি কীভাবে প্রকাশ্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে এমন হুমকি দিতে পারেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আদালত। সব (Controversial Remarks) মিলিয়ে নির্বাচনে হারের ঘা পুরোপুরি শুকোবার আগেই, তৃণমূলের (Mamata Banerjee) যে মাথাব্যথা শুরু হয়ে গিয়েছে, তা বলাই বহুল্য।

     

  • China Debt Crisis: আমেরিকাকে ছাপিয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী মিলবে না, দেনায় ডুবে যাচ্ছে চিন!

    China Debt Crisis: আমেরিকাকে ছাপিয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী মিলবে না, দেনায় ডুবে যাচ্ছে চিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৮ সালের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে চিন (China Economic)। এই ভবিষ্যদ্বাণী আদৌ বাস্তবসম্মত নয়। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে, কোভিড অতিমারির প্রথম ঢেউয়ের পর, ব্রিটিশ থিংক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর ইকনোমিক্স অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (Centre for Economics and Business Research) ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল যে ২০২৮ সালের মধ্যে চিন আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে (Debt Nightmare)। সংস্থাটি জানিয়েছিল, অতিমারির মোকাবিলায় চিনের ‘দক্ষ’ ব্যবস্থাপনা আগামী বছরগুলিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের তুলনায় তাদের প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে দেবে।

    কী বলছে সেই সংস্থা? (China Economic)

    পাঁচ বছর পরে এখন সেই একই সংস্থা বলছে, আগামী আরও অন্তত ১৫ বছরের আগে চিনের পক্ষে মার্কিন অর্থনীতিকে ছাপিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, চিন হয়তো কখনওই ওই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে না। কারণ তাদের অর্থনীতির সামনে রয়েছে গুচ্ছের পরিকাঠামোগত সমস্যা ও বাধা। গত সপ্তাহে বেজিংয়ে প্রকাশিত সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্যও দেখাচ্ছে, গতি হারিয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।

    কমে গিয়েছে ভোক্তা-চাহিদা

    এপ্রিল মাসে শিল্প উৎপাদন বছরে মাত্র ৪.১ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩ সালের মাঝামাঝির পর এটি সবচেয়ে দুর্বল বৃদ্ধি। খুচরো বিক্রি বেড়েছে মাত্র ০.২ শতাংশ, ২০২২ সালের পর সবচেয়ে খারাপ অবস্থার উদাহরণ এটি। বছরের প্রথম চার মাসে স্থায়ী সম্পদ বিনিয়োগ কমেছে ১.৬ শতাংশ। এর প্রধান কারণ সম্পত্তি উন্নয়ন খাতে ১৩.৭ শতাংশ পতন। ২০২১ সালে যে রিয়েল এস্টেট বুম ছিল, অতিমারির পর তা মুখ থুবড়ে পড়ে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কোটি কোটি চিনা নাগরিকের সঞ্চয়। তাই কমে গিয়েছে ভোক্তা-চাহিদা। কারণ অনেকেই এমন ফ্ল্যাটের ঋণে ডুবে রয়েছেন যে, তা বিক্রি করা যাচ্ছে না। আগে বাড়ির পরে গাড়ি কেনাটা ছিল চিনের মধ্যবিত্ত দের একটি বড় বিনিয়োগ ক্ষেত্র (China Economic)। কিন্তু এখন অনেকেরই গাড়ি কেনার সামর্থ্য নেই। মে মাসের শুরুতে চিনের গাড়ি নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, যাত্রিবাহী গাড়ির বিক্রি বছরে কমেছে ২৫.৫ শতাংশ — টানা ষষ্ঠ মাসের পতন। বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা বিওয়াইডির প্রচুর গাড়ি বিক্রি হয়নি। তাদের প্রথম ত্রৈমাসিকের মুনাফা ৫৫ শতাংশ কমে তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।

    ড্রাগনের দেশে হ্রাস পেয়েছে চাহিদা

    দেং শিয়াওপিংয়ের ১৯৮০ সালের সংস্কার এবং পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধানদের নীতির ফলে চিন কার্যত পরিণত হয়েছিল বিশ্বের কারখানায়। তাই কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেন, সৃষ্টি হয় বিপুল কর্মসংস্থানের (Debt Nightmare)। ড্রাগনের দেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা ও উদ্ভাবনের ওপর জোর দিয়েছেন। চিন এখন জাহাজ নির্মাণ, সৌর প্যানেল, উইন্ড টারবাইন, রোবোটিক্স ও বৈদ্যুতিক গাড়ির মতো বহু ক্ষেত্রে বিশ্বনেতা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রেও তারা এগিয়ে। তবে চিনের প্রবৃদ্ধি মূলত রফতানি-নির্ভর — আর এই মডেলই এখন হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। দেশের ভেতরে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় চাহিদা হ্রাস পেয়েছে, যদিও পণ্যের দর সস্তা। মনে রাখতে হবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনে অভ্যন্তরীণ ভোগব্যয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ৮০ শতাংশেরও বেশি চালিত করে। সেই তুলনায় ভারতে এই হার ৭০ শতাংশের কাছাকাছি। গত বছর চিনে এর পরিমাণ ছিল মাত্রই ৫২ শতাংশ (China Economic)।

    আইএমএফের বক্তব্য

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডার (IMF) জানিয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী সম্পত্তি সঙ্কট ও দুর্বল সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মানুষের খরচ করার আগ্রহ কমিয়ে দিয়েছে। আইএমএফ ২০২৬ সালের জন্য চিনের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪.৫ শতাংশ করেছে। চিনা সরকারও ১৯৯১ সালের পর সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে — ৪.৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ (Debt Nightmare)। খবরে প্রকাশ, রফতানির জন্য চিন এখনও নতুন নতুন কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। গত বছর তাদের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ১.১৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এতে বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ বাড়ছে এবং বিভিন্ন দেশ চিনের কাছে আমদানি বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছে। ইরান যুদ্ধ যদি বৈশ্বিক মন্দা সৃষ্টি করে, তাহলে চিনা পণ্যের চাহিদা কমবে। ফলে শিল্পখাত আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে ইতিমধ্যেই জিনপিংয়ের দেশে মূল্যহ্রাস শুরু হয়ে গিয়েছে। তাই ভবিষ্যতে আরও কম দামে জিনিস পাওয়ার আশায় কেনাকাটা করছেন না চিনারা (China Economic)।

    চিনা অর্থনীতির সামনে আরও বড় সমস্যা

    চিনা অর্থনীতির সামনে আরও দু’টি বড় সমস্যা রয়েছে – একটি হল বাজেট ঘাটতি, অন্যটি জনসংখ্যা সঙ্কট। সরকারি হিসেবে চিনের বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৪ শতাংশ। যদিও বিশ্লেষকদের দাবি, অন্যান্য গোপন বাজেট যোগ করলে তা পৌঁছে যায় ৯.১ শতাংশে। চিনের মোট ঋণ-জিডিপি অনুপাত ৩০০ শতাংশ ছাড়িয়েছে বলে অনুমান। ঋণের সুদ শোধের খরচ ২০১৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বেড়েছে ৩৪১ শতাংশ।এদিকে, চিনা জনসংখ্যা দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছে। ১৯৪৯ সালের পর জন্মহার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। আয়তনে এত বড় একটি দেশে গত বছর মাত্র ৭.৯২ মিলিয়ন শিশু জন্মেছে। আগামী দশকে চিনের জনসংখ্যা কমে যেতে পারে প্রায় ৬ কোটি। এতে ভোগব্যয় আরও কমবে, বাড়বে অর্থনৈতিক সঙ্কট (Debt Nightmare)।

    কমিউনিস্ট-শাসিত চিনেও শ্রমিক বিক্ষোভ!

    চিনের বিশাল তেল মজুত ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ তাদের কিছুটা সুরক্ষা দিয়েছে। যুদ্ধের কারণে এপ্রিল মাসে চিনের রফতানির পরিমাণ বেড়েছে ১৪.১ শতাংশ। এদিকে, তেল ও গ্যাসের দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির জেরে প্লাস্টিকের খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেক খেলনা কারখানা উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে, অনেকে আবার একেবারে ঝাঁপ ফেলে দিয়েছে। চাকরি খুইয়েছেন হাজার হাজার চিনা শ্রমিক (China Economic)। দক্ষিণ চিনে খেলনা কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভও দেখা গিয়েছে, যা চিনের মতো একটি নিয়ন্ত্রিত সমাজে বিরল নজির। চিন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তৈরি করছে ভবিষ্যতের পণ্য। নবায়নযোগ্য জ্বালানির চাহিদা বাড়লে লাভবানও হতে পারে চিন (Debt Nightmare)। তবে যেহেতু চিনা অর্থনীতি রফতানি-নির্ভর, তাই বিদেশের বাজারে তাদের প্রবেশ করতেই হবে। সমস্যা হল, অনেক দেশই চিনকে ভালো চোখে দেখে না। আফ্রিকায় বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করলেও, সেখানে চিনকে নয়া ঔপনিবেশিক শক্তি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এশিয়ান (ASEAN) দেশগুলিতেও চিনের সস্তা পণ্যের চাপে স্থানীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিনা কোম্পানিগুলি স্থানীয় কাঁচামাল কম ব্যবহার করে নিজেদের দেশ থেকে আমদানি করে। ফলে এসব দেশে চিনের (China Economic) বিরুদ্ধে অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে।

     

  • Suvendu Adhikari: বাংলার আমলা-সংস্কৃতির ভোল বদলালেন শুভেন্দু, পদ্ম-জমানায় ফিরল ‘আপনি’ সম্বোধন

    Suvendu Adhikari: বাংলার আমলা-সংস্কৃতির ভোল বদলালেন শুভেন্দু, পদ্ম-জমানায় ফিরল ‘আপনি’ সম্বোধন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের হাল ধরেছেন পদ্ম-নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী পদে তিনি বসেছেন সপ্তাহ দুয়েক হল। এর মধ্যেই নন্দীগ্রামের ‘ভূমিপুত্র’ (রাজনৈতিক মহলের একাংশ তাঁকে এই সম্বোধনই করেন) শুভেন্দু নবান্নে ফিরিয়ে এনেছেন বাংলার হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি (Bengal Bureaucratic Culture)। শুভেন্দু যে চেয়ারে বসেছেন, টানা ১৫ বছর ধরে তাতে বসেছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর প্রাক্তন সতীর্থ তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মা-মাটি-মানুষের দলের নেত্রী মমতা নবান্নেও ‘কলতলার কালচার’ শুরু করেছিলেন বলে অভিযোগ। সরকারি বিভিন্ন বৈঠকে তিনি আমলাদেরও ‘আপনি’র পরিবর্তে ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করতেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এহেন সম্বোধন শুনতে অভ্যস্ত না হলেও, শুনতে শুনতে সয়ে নিয়েছিলেন আইএএস-আইপিএস পরীক্ষা দিয়ে পাশ করা আধিকারিকরা। রাজ্যে বিজেপি জমানা শুরু হতেই বাংলার হারানো সংস্কৃতি ফেরালেন শুভেন্দু।

    নৈশভোজের আসরেও বদলের বার্তা (Suvendu Adhikari)

    ফেরা যাক খবরে। সোমবার সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলাদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের এক নৈশভোজের। আলিপুরের ‘সৌজন্য অডিটোরিয়ামে’ হওয়া এই ভোজসভাকে অনেকেই সাধারণ সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন না। প্রশাসনিক মহলের পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিনের সংঘাতমুখী প্রশাসনিক পরিবেশের পর নয়া বিজেপি সরকার রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও আমলাতন্ত্রের সম্পর্ককে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাইছে। কয়েকজন আধিকারিকের মতে, এহেন উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল আমলাদের এই বলে আশ্বস্ত করা যে, শুভেন্দুর প্রশাসন আরও প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা, সমন্বয় এবং কম প্রকাশ্য সংঘাতের মাধ্যমে পরিচালিত হবে (Suvendu Adhikari)।

    ‘তুই’, ‘তুমি’ কিংবা ‘আপনি’-র ফারাক

    শুভেন্দুর প্রশাসনিক শৈলীর সবচেয়ে আলোচিত দিকগুলির অন্যতম হল সরকারি আধিকারিকদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে তাঁর ভাষা ব্যবহার। নবান্ন সূত্রে খবর, নয়া মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের পরামর্শ দিয়েছেন এই বলে যে, সরকারি বৈঠকে যাতে আমলাদের ক্যাজুয়ালি সম্বোধন না করা হয়, বজায় রাখা হয় প্রশাসনিক মর্যাদা এবং প্রোটোকল (Bengal Bureaucratic Culture)। নয়া রাজ্য সরকারের এই ‘সাংস্কৃতিক’ পরিবর্তনটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে আমলাদের। কারণ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা প্রশাসনিক বৈঠকে প্রায়ই আধিকারিকদের ‘তুমি’ বলেই সম্বোধন করতেন (Suvendu Adhikari)। পদ্ম-জমানায় ইতি পড়েছে এই সংস্কৃতিতে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু সিনিয়র আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ‘আপনি’ ব্যবহার করছেন। ইংরেজিতে অবশ্য ‘তুই’, ‘তুমি’ কিংবা ‘আপনি’ সম্বোধন করতে ‘ইউ’ ব্যবহার করা হয়। তবে বাংলার সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটে এদের ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।

    আধিকারিকদের বিব্রত করত আগের সরকার

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তন কম ভীতিপ্রদ এবং আরও প্রাতিষ্ঠানিক প্রশাসনিক ভাবমূর্তি তুলে ধরার বৃহত্তর প্রচেষ্টারই অংশ (Bengal Bureaucratic Culture)। মমতার রাজত্বে আধিকারিকদের ট্যাঁ-ফোঁ করার অধিকার ছিল না বলেই অভিযোগ। তিনি নিজেকে  ‘আয়রন লেডি’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন, যিনি দুর্নীতি, প্রশাসনিক গাফিলতি ও শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা নিয়ে সরাসরি আধিকারিকদের প্রশ্ন করতেন (Suvendu Adhikari)। তাঁর অনেক প্রশাসনিক বৈঠক টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত হত। সেখানে প্রায়ই জেলাশাসক, পুলিশ আধিকারিক এবং আমলাদের প্রকাশ্যে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে দেখা যেত।

    আধিকারিকদের প্রকাশ্যে ভর্ৎসনা

    সব চেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলির একটি ঘটেছিল ২০২২ সালে, পুরুলিয়ার এক প্রশাসনিক বৈঠকে। সেখানে মমতা প্রকাশ্যে জেলাশাসক রাহুল মজুমদারকে ইটভাটা রাজস্ব সংগ্রহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আপনি জেলাটা কীভাবে চালাচ্ছেন?” বিষয়টি তদন্তের নির্দেশও দিয়েছিলেন। এই ধরনের ঘটনা তাঁর সরকারের সময় একাধিকবার ঘটেছে। ২০১৭ সালে উত্তর ২৪ পরগনার একটি প্রশাসনিক বৈঠকে টিটাগড় থানার তৎকালীন আইসিকে একটি জাহাজ নির্মাণ ইউনিটের দখলদারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে প্রকাশ্যে তিরস্কার করেছিলেন তৃণমূল পরিচালিত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী।

    শুভেন্দুর আশ্বাস

    মমতার স্তাবকদের মতে, এই ধরনের হস্তক্ষেপ ছিল জবাবদিহি নিশ্চিত করার শক্ত অবস্থান (Suvendu Adhikari)। তবে সমালোচকদের দাবি, প্রকাশ্যে বারবার ভর্ৎসনা প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। আধিকারিকদের দাবি, শুভেন্দু আমলাদের এই মর্মে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছেন যে তাঁরা নির্ভয়ে কাজ করতে পারবেন (Bengal Bureaucratic Culture)। সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী বিশেষভাবে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় দফতরগুলির মধ্যে মসৃণ সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়েছেন, বিশেষ করে বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্প রূপায়ণের কথা ঘোষণা করার পরে।

    তাই এই নৈশভোজকে এখন অনেকেই একটি প্রতীকী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, যার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে নতুন ধরনের আমলাতান্ত্রিক সংস্কৃতির সূচনা করার বার্তা দিতে চাইছে বিজেপি সরকার। তাদের দাবি, এই সংস্কৃতি প্রকাশ্য সংঘাতের পরিবর্তে পেশাদারিত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক সম্মান ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেবে (Suvendu Adhikari)।

     

  • Suvendu Adhikari: অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাছাড়া করতে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাছাড়া করতে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ রুখতে এবং অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাছাড়া করতে অল আউট খেলছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। দিন দুয়েক আগেই রাজ্যের সব জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের (Bangladeshi Immigrants) পাকড়াও করে হোল্ডিং সেন্টারে রাখার দাওয়াই দিয়েছিলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তার পরে রাজ্যের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত দুই জেলা মালদা এবং মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয় ১৪ অনুপ্রবেশকারীকে। তাঁদের ঠাঁই হয়েছে নবগঠিত হোল্ডিং সেন্টারে। এহেন আবহে অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশে এবার কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠক শেষে শুভেন্দু বলেন, “এঁদের চলে যাওয়া উচিত। ওই দেশের মুখপাত্র বলেছিলেন যে বাংলাদেশিদের ফেরত নেবেন। জলদি জলদি ভাগো। জলদি জলদি ভাগো। নাহলে এই সরকার যা করার করবে।”

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (Suvendu Adhikari) 

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা বলে দিয়েছি, বাংলাদেশের অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ধরে কোর্টে পাঠানোর কোনও দরকার নেই। আইনে নেই। সরাসরি পুলিশ নেবে এবং বিএসএফের হাতে হ্যান্ডওভার করবে। ভারত সরকার, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিএসএফের যে এগ্রিমেন্ট আছে, সেই অনুযায়ী, বাংলাদেশি প্রমাণ করে হস্তান্তর করে দেবে। আমাদের জেলে তিন মাস, ছ’মাস, কিংবা দু’বছর রেখে, আপনার চাল, আপনার ডাল, আপনার তেল, আপনার মাছ, আপনার ডিম, আপনার কাপড়, আপনার ওষুধ ওদের দেব কেন? ভারতীয়দেরই ক্ষতি হচ্ছে। আমাদের রাজ্যেরই ক্ষতি হচ্ছে। সেইজন্যই আইনটা এতদিন ছিল। ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে কেউ বা কারা ব্যবহার করেননি। আমরা ভোটব্যাঙ্কের বাইরে গিয়ে, দেশের স্বার্থে, রাজ্যের স্বার্থে এই আইন কার্যকর করছি (Suvendu Adhikari)।”

    হাকিমপুর চেকপোস্টে অনুপ্রবেশকারীরা

    প্রসঙ্গত, রবিবারই হোল্ডিং সেন্টার চালু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে দ্রুত তাঁদের নিজেদের দেশে ফেরানোর কথাও ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তার জেরেই ব্যাপক ভিড় উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেকপোস্টে। সেখানেই বাংলাদেশে ফেরত যাওয়ার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণছেন বাম-তৃণমূলের জমানায় পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে পড়া অনুপ্রবেশকারীরা। এঁদের অনেকেই কাজ করছিলেন রাজারহাট নিউটাউন এলাকায়। অনেকেই পাঁচ-সাত বছর ধরে ছিলেন এ রাজ্যে (Suvendu Adhikari)। অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হতেই এঁরা বাংলাদেশে ফিরে যেতে ভিড় করেছেন সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে। বিএসএফের কাছে আত্মসমর্পণের পর (Bangladeshi Immigrants) এঁদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে।

     

  • Amit Shah: ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন’ যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা শাহের

    Amit Shah: ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন’ যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ এবং অন্যান্য অনির্দিষ্ট কারণের ফলে হওয়া ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন’ (Demographic Shifts) যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মঙ্গলবার এই ঘোষণা করেন শাহ। তিনি এই বিষয়টিকে ভারতের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা, সামাজিক ভারসাম্য এবং আদিবাসী সমাজের সংরক্ষণের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন।

    কী লিখলেন শাহ? (Amit Shah)

    এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে তিনি জানান, গত বছরের স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্যানেল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শাহ লিখেছেন, “অনুপ্রবেশ এবং অন্যান্য কারণে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য যে কোনও দেশের কাছে অত্যন্ত গুরুতর চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য ১৫ অগাস্ট, ২০২৫-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি ‘হাই-লেভেল কমিটি অন ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জ’-এর কথা ঘোষণা করেছিলেন। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে সরকার এখন এই কমিটি গঠন করেছে।”

    কমিটির সদস্য কারা?

    শাহ জানান, এই কমিটির চেয়ারম্যান হবেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলেকর। সদস্য হিসেবে থাকবেন প্রাক্তন আইএএস অফিসার দুর্গা শঙ্কর মিশ্র, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার বালাজি শ্রীবাস্তব, অর্থনীতিবিদ শামিকা রবি এবং জনগণনা কমিশনার। তিনি বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ফরেনার্স-গ্রেড ওয়ান বিভাগের যুগ্মসচিব এই কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে কাজ করবেন।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই কমিটি অবৈধ অভিবাসন এবং অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণের ফলে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যে জনবিন্যাসের পরিবর্তন ঘটছে, তার একটি বিস্তৃত মূল্যায়ন করবে। ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রদায়ভিত্তিক অস্বাভাবিক জনসংখ্যা পরিবর্তনের ধরণ বিশ্লেষণ করে এজন্য একটি পরিকল্পিত ও নির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব করবে (Amit Shah)।

    সীমান্তবর্তী গ্রামে নিবিড় নজরদারি

    শাহের এই ঘোষণাটি হয়েছে এমন এক দিনে, যেদিন তিনি রাজস্থানের বিকানের জেলার বিএসএফের সাঞ্চু আউটপোস্ট পরিদর্শন করেন। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি জানান, অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং ড্রোনের মাধ্যমে মাদক পাচারের মতো নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে বিএসএফের কার্যক্ষেত্র বাড়িয়েছে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত (Amit Shah)। তিনি বলেন, “সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশের কারণে হওয়া জনবিন্যাস পরিবর্তনের (Demographic Shifts) বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে এবং সীমান্তবর্তী গ্রামের কার্যকলাপের ওপর নিবিড় নজরদারি চালাতে হবে।”

     

  • Bangladeshi: নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ‘হোল্ডিং সেন্টার দাওয়াই’, বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশির ভিড় হাকিমপুর চেকপোস্ট

    Bangladeshi: নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ‘হোল্ডিং সেন্টার দাওয়াই’, বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশির ভিড় হাকিমপুর চেকপোস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর লম্বা লাইন দেখা গিয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছের বিভিন্ন চেকপোস্টে (Bangladeshi)। ফের একবার সেই ছবিটাই দেখা গেল উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেক পোস্টে (Hakimpur Checkpost)। বাংলাদেশে ফিরতে এই চেকপোস্টে জড়ো হয়েছেন ভারতে অবৈধভাবে ঢুকে পড়া বাংলাদেশিরা। রবিবারই হোল্ডিং সেন্টার চালু করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে দ্রুত তাঁদের নিজেদের দেশে ফেরানোর কথাও ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তার জেরেই এই ভিড় সীমান্তের চেকপোস্টে।

    ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ (Bangladeshi)

    ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে তথ্য যাচাই, নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা, বা পুরানো তালিকা আপডেট করার জন্য নির্বাচন কমিশন এনুমারেশন ফর্ম ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে পরিবারের সকল সদস্যের নাম, বয়স, এবং ঠিকানার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সেই ফর্ম পূরণের শেষ দিন পেরিয়ে গিয়েছে বহু আগেই। তার পরেও অনেকেই থেকে গিয়েছিলেন পশ্চিমবাংলার আনাচে-কানাচে। দালালদের হাত ধরে বাংলাদেশ থেকে এরাজ্যে ঢুকেছে বহু বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা। বাম এবং তৃণমূলের শাসনে তারা জাল কাগজপত্র জোগাড় করে দিব্যিই বসবাস করছিল ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। এসআইআই-পর্ব শুরু হতেই ভারতের পাট চুকিয়ে বাংলাদেশে ফিরতে এক দফা সীমান্তে জড়ো হয়েছিলেন তাঁরা। এবার ফের সীমান্তে ভিড় করছেন তাঁরা। সৌজন্যে রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর ‘হোল্ডিং সেন্টার’ দাওয়াই।

    শ’য়ে শ’য়ে বাংলাদেশি হাকিমপুর চেকপোস্টে…

    এদিন হাকিমপুর চেকপোস্টে দেখা যায়, কাগজপত্র পরীক্ষা করে বাংলাদেশিদের দ্রুত ওপার বাংলায় ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছেন বিএসএফের কর্তব্যরত আধিকারিকরা। বিএসএফের ডাকের অপেক্ষায় লটবহর নিয়ে রাস্তার ধারে বসে রয়েছেন অনেক অনুপ্রবেশকারী (Bangladeshi)। এঁদের বেশিরভাগই কাজ করছিলেন রাজারহাট নিউটাউন এলাকায়। অনেকেই পাঁচ-সাত বছর ধরে ছিলেন এপার বাংলায়। অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হতেই এঁরা বাংলাদেশে ফিরে যেতে ভিড় করেছেন সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে। বিএসএফের কাছে আত্মসমর্পণের পর এঁদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে (Hakimpur Checkpost)।

    কী বললেন অনুপ্রবেশকারীরা?

    তাঁরা যে বৈধভাবে বাংলায় ঢোকেননি, সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে সেকথা কবুলও করেছেন বহু বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা। লাইনে দাঁড়ানো এমনই এক বাংলাদেশি বলেন, “সরকার আর রাখবে না, কী করব বলুন! সরকার চাইছে আমরা দেশে ফিরে যাই।” লাইনে দাঁড়ানো অনুপ্রবেশকারীদের কেউ ভারতে ঢুকে দোকানে কাজ করতেন, কেউ আবার করতেন পরিচারিকার কাজ (Bangladeshi)। সীমান্ত পেরিয়ে যেসব বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা ভারতে ঢোকে তাদের প্রায় সবাই দালাল ধরে আসে। এজন্য দালালদের দিতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা। সেই দালালরাই বাংলাদেশিদের ভিড়িয়ে দেয় এপার বাংলার বাসিন্দাদের ভিড়ে।

    ম্যাপিংয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি!

    জানা গিয়েছে, চেকপোস্টে অপেক্ষমান অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড কিংবা আধার কার্ড থাকলেও, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই। তাই এসআইআর-পর্বে ম্যাপিংয়ে তাঁদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। শুভেন্দু সরকারের হোল্ডিং সেন্টার দাওয়াইয়ের পরেই চাল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে ‘কাঁকর’। তাঁদের এই দুর্দশার জন্য কোনও অনুপ্রবেশকারী দুষছেন স্থানীয় নেতৃত্বকে। কেউ আবার আঙুল তুলেছেন পুলিশের দিকে। তবে হোল্ডিং সেন্টার চালু হতেই বাঙালির ভিড় থেকে পিলপিল করে বের হচ্ছেন অনুপ্রবেশকারীরা। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে তাঁরাই ভিড় করছেন হাকিমপুর চেকপোস্টে। নথিপত্র যাচাই করে তাঁদের তুলে দেওয়া হচ্ছে ওপার বাংলার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে (Bangladeshi)।

    শাহি বচন

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে রাজ্যে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলে গিয়েছিলেন, অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট করা হবে। ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার (Hakimpur Checkpost)। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লেই তাঁকে সরাসরি ডিপোর্ট করার বা বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার আগে তাঁদের রাখতে জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার চালু করার নির্দেশও জেলাশাসকদের দিয়েছিলেন তিনি। সেই মোতাবেক রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় চালু হয়ে গিয়েছে ওই সেন্টার। কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনেই চালু করা হয়েছে সেগুলি (Bangladeshi)।

    জিরো টলারেন্স নীতি

    অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে ডাবল ইঞ্জিন সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতিতে এগোবে, তাও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, “অনুপ্রবেশে জিরো টলারেন্স এই নীতি নিয়েই এগোবে আমাদের সরকার। আমরা ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট এই নীতির মাধ্যমে খুঁজে খুঁজে এক একজন অনুপ্রবেশকারীকে বাংলার বাইরে পাঠানোর ব্যবস্থা করব।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ধৃত বিদেশি নাগরিক এবং নিজের দেশে ফেরত যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করতে হবে। সেজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সেই মতো জেলাশাসকদের নির্দেশ দেয় শুভেন্দুর সরকার। তার পরেই রাজ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়ে যায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির কাজ (Bangladeshi)।

    সেই সেন্টারগুলিতে ইতিমধ্যেই ১৪ জন বাংলাদেশিকে রাখা হয়েছে। এঁদের মধ্যে মালদার ইংরেজবাজার হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে ৯ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে। আর বাকি পাঁচ অনুপ্রবেশকারীকে রাখা হয়েছে মুর্শিদাবাদের লালগোলায় তৈরি হোল্ডিং সেন্টারে (Hakimpur Checkpost)। লালগোলার বাহাদুরপুর পঞ্চায়েত লাগোয়া পদ্মা ভবনের ৩ তলায় তৈরি হয়েছে এই সেন্টার (Bangladeshi)।

     

  • Suvendu Adhikari: ওবিসি তালিকায় ‘জল’ কিনা, খতিয়ে দেখতে বিধায়কদের বিশেষ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: ওবিসি তালিকায় ‘জল’ কিনা, খতিয়ে দেখতে বিধায়কদের বিশেষ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলেছে জমানা। বদলে গিয়েছে শাসকের চেহারাও! বদলানো হচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত সদ্য প্রাক্তন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের নেওয়া একের পর এক তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়ে নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্তও (OBC Quota Row)। তৃণমূল সুপ্রিমোকে তাঁর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেই গোহারা হারিয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন বিজেপির তুর্কি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তার পরেই বাতিল করে দেওয়া হয়েছে মমতার সরকারের ওবিসি-নীতি।

    ওবিসি সংরক্ষণ বাতিলের কথা ঘোষণা (Suvendu Adhikari)

    মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য চালু থাকা ওবিসি সংরক্ষণ বাতিলের কথা ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। এবার ওবিসি তালিকায় জল মেশানো হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে বিধায়কদের বিশেষ নির্দেশ দিলেন পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার ২৬ জন বিধায়ককে নিয়ে নবান্নে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিলিগুড়ি, পুরুলিয়া, বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা-সহ একাধিক জেলার বিধায়কদের ডাকা হয়েছিল ওই বৈঠকে। সেখানেই তৃণমূল আমলের ওবিসি তালিকা পুনর্বিবেচনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অভয়ার মা তথা পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথও। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী ওই বৈঠকে সাফ জানিয়ে দেন, নতুন করে ওবিসি তালিকা তৈরি করতে হবে। আগের সরকার যেভাবে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের তালিকা তৈরি করেছিল, এবার আর তা হবে না। যেসব সম্প্রদায় প্রকৃতই এই তালিকায় থাকার দাবিদার, তারাই যেন জায়গা পায়। এই কাজে বিধায়কদের দেওয়া তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসরণ

    প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো আগের সরকারের তৈরি ওবিসি তালিকা বাতিল করে দিয়েছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। তাই ২০১০ সালে যে ৬৬টি সম্প্রদায় ওবিসি তালিকাভুক্ত ছিল, আপাতত তারাই ওই সুবিধা পাবে। পালাবদলের সরকার (Suvendu Adhikari) নতুন করে ওবিসি তালিকা তৈরি করবে। সূত্রের খবর, এ নিয়ে সমীক্ষার কাজ চলবে চার মাস ধরে। কাজ সরকারিভাবে হলেও, তদারকি করবেন বিধায়করা। এদিনের (OBC Quota Row) বৈঠকে এই বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

    ওবিসি তালিকায় ‘জল’!

    বাম জমানার শেষ পর্বে এবং তৃণমূল সরকারের প্রথম পর্বে ২০১০ সালের মার্চ থেকে ২০১২ এর মে মাসের মধ্যে রাজ্যে ৭৭টি সম্প্রদায়কে ওবিসির তালিকাভুক্ত করা হয়। বাম জমানায় ৪২টি মুসলিম সম্প্রদায়কে ঠাঁই দেওয়া হয়েছিল ওবিসি তালিকায়। এই সম্প্রদায়গুলিকে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে মামলা দায়ের হয়। তৃণমূল ক্ষমতায় এসে আরও ৩৫টি সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে। ২০২৩ সালে ওবিসি সংরক্ষণ আইন জারি করে এই ৭৭টি সম্প্রদায়কে তালিকাভুক্ত করা হয় (Suvendu Adhikari)। এর ফলে মোট ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত গোষ্ঠীর সংখ্যা গিয়ে পৌঁছয় ১৭৯-তে। ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যের ওবিসি তালিকায় ৬৬টি সম্প্রদায়কে রেখে ১১৩টি সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকাভুক্ত (OBC Quota Row) করার সিদ্ধান্ত খারিজ করে দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেই সেই মামলা প্রত্যাহার করে। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেয় ৭৭টি সম্প্রদায়কে (Suvendu Adhikari)।

     

  • Donald Trump: মুসলিম ও আরব দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে’ যোগ দেওয়ার আহ্বান ট্রাম্পের

    Donald Trump: মুসলিম ও আরব দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে’ যোগ দেওয়ার আহ্বান ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েকটি মুসলিম ও আরব দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে’ (Abraham Accords) যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। সোমবার এই আহ্বান জানান তিনি। ট্রাম্প একে তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির সঙ্গে যুক্ত বৃহত্তর আঞ্চলিক সমঝোতার অংশ হিসেবে তুলে ধরেন, জানিয়ে দেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান, প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হতে পারে। তিনি সৌদি আরব, কাতার, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর, জর্ডন এবং বাহরিন-সহ বিভিন্ন দেশকে একসঙ্গে ওই অ্যাকর্ডসে সই করার আহ্বান জানান।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য (Donald Trump)

    দীর্ঘ ওই পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা সুন্দরভাবে এগোচ্ছে! এটি সবার জন্যই একটি দারুণ চুক্তি হবে, না হলে কোনও চুক্তিই হবে না।” সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, “যদি কোনও সমঝোতায় পৌঁছনো না যায়, তাহলে আবার যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে যেতে হবে এবং গোলাগুলি আগের চেয়ে আরও বড় ও মারাত্মক হবে।” ট্রাম্পের দাবি, ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর সৌদি আরব এবং কাতারের অবিলম্বে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়া উচিত। পরে অন্যান্য দেশগুলোরও একে অনুসরণ করা উচিত। তাঁর ইঙ্গিত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সফলভাবে চুক্তি সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে ইরানও এই কাঠামোর অংশ হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, আব্রাহাম অ্যাকর্ডস বর্তমান সদস্য দেশগুলির জন্য আর্থিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ‘বিস্ফোরণ’ নিয়ে এসেছে। তিনি সদস্য দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, বাহরিন, মরক্কো, সুদান এবং কাজাখাস্তানের নাম করেন (Abraham Accords)।

    ট্রাম্পের দাবি

    ট্রাম্প বলেন, “আব্রাহাম অ্যাকর্ডস তাদের পক্ষে খুবই উপকারী হয়েছে। সবার জন্যই আরও ভালো হবে। এটি মধ্যপ্রাচ্যে প্রকৃত শক্তি, ক্ষমতা ও শান্তি নিয়ে আসবে।” তিনি জানান, ওই দেশগুলির অনেক নেতার সঙ্গে কথা বলে তিনি বুঝেছেন, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর তারা ইরানকেও আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের অংশ হিসেবে দেখতে সম্মানিত বোধ করবেন। ট্রাম্প একে এই অঞ্চলের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিগুলির একটি বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, তিনি তাঁর প্রতিনিধিদের আরও দেশকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    আব্রাহাম অ্যাকর্ডস

    আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হল ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত এক ঐতিহাসিক চুক্তি, যার মাধ্যমে ইজরায়েল এবং একাধিক আরব দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। জানা গিয়েছে, শনিবার ট্রাম্প (Donald Trump) কয়েকটি আরব ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নেতাদের সঙ্গে কনফারেন্স কলে আলোচনা করেছেন। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হলে তিনি আরও বিভিন্ন দেশকে ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়াতে চান। ট্রাম্পের এহেন প্রস্তাবের পর ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে কিছু সময়ের জন্য নীরবতা নেমে আসে, চুপ করে (Abraham Accords) যান সৌদি আরব, কাতার এবং পাকিস্তানের প্রধানরা। কারণ এই দেশগুলির সঙ্গে ইজরায়েলের আনুষ্ঠানিক কোনও কূটনৈতিক সম্পর্কই নেই (Donald Trump)।

     

LinkedIn
Share