Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh Concert Vandalized: সংস্কৃতির ঠাঁই নেই ইউনূসের বাংলাদেশে! ছায়ানট, উদীচীর পর হামলা জেমসের কনসার্টে

    Bangladesh Concert Vandalized: সংস্কৃতির ঠাঁই নেই ইউনূসের বাংলাদেশে! ছায়ানট, উদীচীর পর হামলা জেমসের কনসার্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বাংলাদেশে শিল্প-সংস্কৃতির কোনও ঠাঁই নেই। চলছে শুধু মৌলবাদীদের তাণ্ডব। শুধু ভারতীয় নয়, এবার বাংলাদেশি শিল্পীরাও হামলার মুখে। ইসলামি কট্টরপন্থীদের কাছে সঙ্গীত নাকি ‘হারাম’। এর আগে তাই বাংলাদেশে ছায়ানট থেকে উদীচীতে হামলা হয়েছে। এবার ফরিদপুরে জনপ্রিয় গায়ক জেমসের কনসার্টে হামলা হল। এই হামলায় অন্তত ৩০ জন জখম হয়েছন বলে জানা গিয়েছে।

    জেমসের অনুষ্ঠানে ইট বৃষ্টি

    পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলা বিদ্যালয়ের ১৮৫ তম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে গিয়েছিলেন জেমস ও তাঁর ব্যান্ড। সেখানে হঠাৎ হামলা চালায় কিছুজন। ছোড়া হয় পাথর। আহত হয় বেশ কয়েকজন। এরপরই অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, একদল মানুষ জেমসের অনুষ্ঠান দেখার জন্য স্কুলের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছিল। বাধা দিতেই ইট পাথর ছুঁড়তে শুরু করে। এরপর হামলাকারীরা ঢুকে সোজা জেমসের স্টেজ দখল করার চেষ্টা করে, এমনটাই দাবি আয়োজকদের। ইট বৃষ্টি থেকে কোনওমতে রক্ষা পান জেমস।

    জেমসের কনসার্ট বাতিল

    অনুষ্ঠানের শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য বেনজীর আহমেদ তাবরিজ বলেন, নগর বাউল জেমসের গান শুনতে আসা বহিরাগত দর্শকরা গান শুনতে স্কুল ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারায় তারা বাইরে থেকে ইট ছোড়ায় জেমসের সংগীতানুষ্ঠান স্থগিত করা হয়। এতে কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শামীমসহ ২৫-৩০ জন আহত হন বলেও জানান তারা। গুরুতর আহত অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং কয়েকজনকে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, বহিরাগতদের ঢুকতে না দেওয়ায় হালকা বিশৃঙ্খলা হয়েছে। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শেষ পর্যন্ত জেমসের কনসার্ট বাতিল করা হয়েছে।

    মঞ্চ দখল করে সেখানে ভাঙচুর কেন

    ঘটনাটিকে ‘হালকা’ করে দেখানোর জন্য আয়োজকদের তরফ থেকে পরে গভীর রাতে দাবি করা হয়, অনুষ্ঠানস্থলে না ঢুকতে পেরেই নাকি এই হামলা করে বিক্ষুব্ধ জনতা। যদিও অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে দুটো বড় স্ক্রিনে জেমসের গান দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এদিকে, যদি অনুষ্ঠানস্থলে ঢোকাই উদ্দেশ্য হবে, তাহলে মঞ্চ দখল করে সেখানে ভাঙচুর কেন হয়? এই আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক বাংলাদেশির দাবি, এটা জামাতপন্থীদের হামলা ছিল। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-অগস্টের সেই ‘বিপ্লবে’ জেমস শেখ হাসিনার বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছিলেন। তবে ‘স্বাধীন’ বাংলাদেশে এবার তাঁর কনসার্ট পণ্ড হল।

    সাংস্কৃতিক কর্মী থেকে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আক্রমণ

    ২৬ ডিসেম্বর শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফরিদপুরের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে স্কুলে জেমসের নগর বাউল ব্যান্ডের সংগীত পরিবেশনের কথা ছিল। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে স্কুল চত্বর ছিল সরগরম। এরই মাঝে ঘটে অপ্রীতিকর ঘটনা যার ফলে বন্ধ হয়ে যায় জেমসের কনসার্ট। বাংলাদেশে বর্তমান পরিস্থিতিতে একের পর সাংস্কৃতিক কর্মী থেকে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উপর আক্রমণ হওয়ার ঘটনায় চারিদিকে নিন্দার ঝড় উঠেছে। জুলাই আন্দোলনের পরই জলের গানের সঙ্গীত শিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে কয়েকদিন আগে হাদির হত্যাকাণ্ডের পর ছায়ানট, উদিচীর মত সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। আক্রমণের শিকার প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের মত বাংলাদেশের প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমও। আর এবার অশান্ত বাংলাদেশের কট্টরপন্থীদের টার্গেটে জেমসের কনসার্ট। কট্টরপন্থিদের নিশানায় এবার বাংলার রকস্টার জেমস। হামলাকারীদের মূল দাবি ছিল কোনও ধরনের সঙ্গীত অনুষ্ঠান বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না।

    উদ্বিগ্ন জেমসের ভারতীয় ভক্তরাও

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ‘বহিরাগত’ তাণ্ডবে আহত অন্তত ১৫ থেকে ২৫ জন ছাত্র। জানা গিয়েছে, হামলা চালালেও শেষপর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কাছে বাধা পেয়ে অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন ওই আক্রমণকারীরা। শিল্পীর শারীরিক কোনও ক্ষতি হয়নি। অনুষ্ঠানস্থলে আক্রমণের ভিডিও আপলোড করে দীপ হালদার নামের একজন এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, জমায়েত করা ওই ব্যক্তিরা চায় না বাংলাদেশে কোনও সঙ্গীত বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হোক। সমাজমাধ্যমে তিনি আরও লিখেছেন, শিল্পী কোনওমতে ওই অঞ্চল ছেড়ে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। ভারতীয় পরিচালক অনুরাগ বসুর ‘লাইফ ইন আ মেট্রো’ চলচ্চিত্রে ‘আলবিদা’ গান গেয়েছিলেন জেমস। হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন তাঁর ভারতীয় ভক্তেরাও।

    সমালোচনার ঝড় সাংস্কৃতিক মহলে

    ঘটনাটি সামনে এনে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “ছায়ানটের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সংগীত, নাটক, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংস্কৃতির মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রগতিশীল চেতনা গড়ে তোলার জন্য তৈরি উদীচীও ভস্মীভূত হয়েছে। আজ জিহাদিরা প্রখ্যাত শিল্পী জেমসকে মঞ্চে উঠতে দেয়নি।” তসলিমা নাসরিন আরও উল্লেখ করেন, কয়েকদিন আগে আলী আকবর খানের নাতি শিল্পী সিরাজ আলি খান ঢাকায় এসেও কোনও অনুষ্ঠান না করেই ভারতে ফিরে গিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, শিল্পী, সংগীত ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নিরাপদ না হলে তিনি আর বাংলাদেশে ফিরবেন না। একইভাবে, ওস্তাদ রশিদ খানের পুত্র আরমান খানও সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে অস্বীকার করেছেন বলে জানান তসলিমা। উল্লেখ্য, জেমস বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় গায়ক-গীতিকার ও সুরকার। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। হিন্দি ছবির ‘গ্যাংস্টার’ ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ র মত একাধিক ছবিতে তিনি একের পর এক জনপ্রিয় গান শ্রোতাদের উপহার দিয়েছেন। তাঁর কনসার্টে হামলার ঘটনা বাংলাদেশে মৌলবাদী শক্তির বাড়বাড়ন্তের জলন্ত ইঙ্গিত করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সমালোচকদের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ । তাঁদের মতে, আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো হচ্ছে।

  • Trump-Zelensky Meet: রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে আলোচনা, রবিবার ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জেলেনস্কি

    Trump-Zelensky Meet: রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে আলোচনা, রবিবার ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জেলেনস্কি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নববর্ষের আগেই রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে (Trump-Zelensky Meet) বসতে চলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। প্রায় চার বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতেই এই বৈঠক হওয়ার কথা। জেলেনস্কি জানান, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার আগ্রাসনের মাধ্যমে শুরু হওয়া যুদ্ধ থামলে কোন কোন এলাকা কার নিয়ন্ত্রণে থাকবে এই বিষয়টিই আলোচনার মূল কেন্দ্র। বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি, এই সংঘর্ষ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ। তবে, রবিবার এই বৈঠকের আগে শনিবার ভোরে কিয়েভে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

    ভূখণ্ডের প্রশ্নই প্রধান

    দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনায় সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভূখণ্ডের প্রশ্ন। জেলেনস্কি কিয়েভে সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে তৈরি হওয়া ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার খসড়া প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পূর্ণ। তিনি আরও বলেন, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা সংক্রান্ত একটি চুক্তিও প্রায় চূড়ান্ত। অতীতে সোভিয়েত-পরবর্তী সময়ে দেওয়া নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি কার্যত ব্যর্থ হওয়ায় এই বৈঠক কিয়েভের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলেনস্কি (Trump-Zelensky Meet) জানান, যুক্তরাষ্ট্র ১৫ বছরের জন্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নিশ্চয়তার একটি চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে। যা পুনরায় নবীকরণ করা যাবে। তবে ইউক্রেন আরও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি চায়, যাতে ভবিষ্যতে রুশ আগ্রাসন রোখা যায়। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের কথা ঘোষণা করে জেলেনস্কি বলেন, নতুন বছরের আগেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব। এক হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে জেলেনস্কি সাংবাদিকদের জানান, “সংবেদনশীল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। ডনবাস এবং জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র – এই দু’টি বিষয় অবশ্যই আলোচনায় থাকবে। পাশাপাশি আরও অনেক প্রসঙ্গ নিয়েও কথা হবে।”

    ওয়াশিংটনের হাতেই নিয়ন্ত্রণ

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে (Russia Ukraine war talks) মার্কিন মধ্যস্থতায় যে শান্তি প্রক্রিয়া চলছে (Ukraine peace plan), তার নিয়ন্ত্রণ যে শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের হাতেই, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির (Volodymyr Zelensky) সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের ঠিক আগেই (Trump Zelensky meeting) ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, তাঁর অনুমোদন ছাড়া জেলেনস্কির হাতে কার্যত কিছুই নেই। তবে রবিবারের বৈঠক ভাল হবে বলেই আশাবাদী ট্রাম্প। পাশাপাশি তিনি জানান, শীঘ্রই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, “আমি পুতিনের সঙ্গে খুব শিগগিরই কথা বলব, যতবার দরকার পড়বে, কথা হবে।”

    গণভোট করতে রাজি ইউক্রেন

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ইউক্রেনে রাশিয়ার (Russia Ukraine War) পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ থামাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে চেষ্টা চালাচ্ছে, তারই অঙ্গ এই আলোচনা। জেলেনস্কি জানান, ওয়াশিংটনের প্রস্তাবিত ২০ দফার শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে গণভোট করতে তিনি রাজি, তবে শর্ত একটাই। রাশিয়াকে অন্তত ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে হবে, যাতে ইউক্রেন সেই গণভোটের প্রস্তুতি নিতে এবং তা আয়োজন করতে পারে। বৈঠকের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হল ইউরোপের বৃহত্তম জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ। যুদ্ধের শুরুর দিকেই এই কেন্দ্র দখল করে নেয় রাশিয়া। রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ জানান, ইউক্রেনের ২০ দফা পরিকল্পনা মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচিত প্রস্তাবের সঙ্গে মিলছে না। যদিও তিনি ইন্টারফ্যাক্সকে বলেন, শান্তি আলোচনায় একটি ‘টার্নিং পয়েন্ট’-এ পৌঁছনো সম্ভব।

    মস্কোর অবস্থান বেশ কড়া

    অন্যদিকে মস্কোর অবস্থান বেশ কড়া। রাশিয়া চায়, ইউক্রেন পূর্ব ডোনেৎস্ক অঞ্চলের সেই অংশগুলি থেকেও সেনা সরিয়ে নিক, যেগুলি প্রায় চার বছরের যুদ্ধে এখনও পুরোপুরি দখল করতে পারেনি রুশ বাহিনী। রাশিয়ার লক্ষ্য, সম্পূর্ণ ডনবাস অঞ্চল, ডোনেৎস্ক ও লুহানস্ক, নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনা। ইউক্রেনের অবস্থান সম্পূর্ণ উল্টো। কিভ চায়, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতেই সংঘর্ষ বন্ধ হোক। এই টানাপড়েনের মাঝেই আপসের পথ খুঁজতে আমেরিকা প্রস্তাব দিয়েছে, ইউক্রেন যদি ওই এলাকা ছাড়ে, তাহলে সেখানে একটি ‘ফ্রি ইকোনমিক জোন’ গঠন করা হবে। যদিও এই অর্থনৈতিক অঞ্চল কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ক্রেমলিন সূত্রে জানানো হয়েছে, পুতিনের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তবে মার্কিন প্রস্তাবগুলি নিয়ে মস্কোর অবস্থান কী, তা প্রকাশ করা হয়নি। মস্কো দাবি করেছে, আলোচনায় “ধীর কিন্তু স্থির অগ্রগতি” হচ্ছে। তবে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল ডনবাস থেকে উভয় পক্ষের সেনা প্রত্যাহারের জেলেনস্কির প্রস্তাব নিয়ে রাশিয়া এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

    যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রস্তাব

    হোয়াইট হাউস প্রস্তাব দিয়েছে, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে একটি কার্যত নিরস্ত্রীকৃত অঞ্চল গঠন করা হবে, যেখানে উভয় পক্ষ সেনা মোতায়েন করবে না। এতে বিতর্কিত এলাকার আইনগত মালিকানা প্রশ্নটি আপাতত এড়ানো যাবে। তবে অঞ্চলগত দাবি এবং জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে মতবিরোধ এখনো সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে আছে। রাশিয়া ইতোমধ্যে জানিয়েছে, ডনবাস থেকে ইউক্রেনীয় সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহার না হলে তারা অঞ্চলটি দখল করে নেবে। সর্বশেষ প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ–৫-এর আদলে ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একই সঙ্গে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর সদস্যসংখ্যা ৮ লাখে বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে—যা রাশিয়ার আপত্তির অন্যতম কারণ।

  • Syria: সিরিয়ায় শুক্রবারের নামাজে বোমা বিস্ফোরণে মৃত ৮, আহত ১৮

    Syria: সিরিয়ায় শুক্রবারের নামাজে বোমা বিস্ফোরণে মৃত ৮, আহত ১৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিরিয়ায় (Syria) শুক্রবারের নামাজের সময় মসজিদে এক বোমা হামলায় ৮ জন নিহত, ১৮ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। যদিও মাত্র একবছর আগে কট্টর ইসলামপন্থীরা এই দেশের ক্ষমতা দখল করেছিল। এরপর থেকে এটি একটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে দ্বিতীয় বিস্ফোরণ (Bomb blast)। জুন মাসে দামাস্কাসের একটি গির্জায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় ২৫ জন নিহত হবার ঘটনা ঘটেছিল। কট্টরপন্থীদের সরকার এলেও শান্তিতে নেই সিরিয়া।

    হোমস সাম্প্রদায়িকতার কেন্দ্রবিন্দু (Syria)

    রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা জানিয়েছে, হোমস শহরের (Syria) ওয়াদি আল-দাহাব পাড়ায় ইমাম আলী বিন আবি তালিব মসজিদের ভিতরে একটি বিস্ফোরণ (Bomb blast) ঘটেছে। ওই দেশের স্বাস্থ্য দফতর সব রকম সুবিধা পৌঁছে দিতে ঘটনাস্থলে ডাক্তার এবং মেডিক্যাল টিমকে সতর্ক করেছে। প্রাথমিক ভাবে কমপক্ষে আটজন নিহত এবং ১৮ জন আহতের সংখ্যা জানা গিয়েছে। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জুম্মার নামাজের সময় মসজিদটিকে লক্ষ্য করে একটি সন্ত্রাসী বিস্ফোরণ হয়েছে। উল্লেখ্য, এই সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের আবহ যখন চরমে ছিল, সেই সময় হোমস ছিল তীব্র সাম্প্রদায়িক সহিংসতার একেবারে কেন্দ্রবিন্দু।

    পুঁতে রাখা বিস্ফোরকে বিস্ফোরণ

    সানা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে মসজিদের (Syria) ভেতরে পুঁতে রাখা বিস্ফোরক ডিভাইসের কারণেই বিস্ফোরণটি (Bomb blast) ঘটেছে। এলাকার একজন বাসিন্দা, নিজের নিরাপত্তার ভয়ে নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “প্রথমে একটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। পরে আশেপাশের সকলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার কেউ বাড়ি থেকে বের হতে সাহস পাচ্ছে না এবং আমরা অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন শুনতে পাচ্ছি।”

    ২০২৪ সালে আসাদের পতনের পর থেকে হোমস প্রদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের লক্ষ্য করে অপহরণ এবং হত্যার ঘটনা বার বার সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে। গত মাসের শেষের দিকে, হোমস এবং অন্যান্য অঞ্চলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নতুন করে হামলার প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ আলাউইট উপকূলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিল।

    জাতীয় তদন্ত কমিশন জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত গত একবছরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কমপক্ষে ১,৪২৬ জন সদস্য নিহত হয়েছে। আবার সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস পর্যবেক্ষণকারীরা নিহতের সংখ্যা ১,৭০০ জনেরও বেশি বলে জানিয়েছে।

  • US Strike on ISIS: খ্রিস্টানদের ওপর আক্রমণের জের! নাইজেরিয়ায় আইএস জঙ্গিঘাঁটিতে বিমান হামলা আমেরিকার

    US Strike on ISIS: খ্রিস্টানদের ওপর আক্রমণের জের! নাইজেরিয়ায় আইএস জঙ্গিঘাঁটিতে বিমান হামলা আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খ্রিস্টানদের ওপর ধারাবাহিক হামলার প্রতিবাদে নাইজেরিয়ায় (Nigeria) আইএস জঙ্গিদের ঘাঁটির (ISIS Camp) উপর মার্কিন সেনাবাহিনী (US Army) একাধিক ‘প্রাণঘাতী’ বিমান হামলা (Airstrike) চালাল। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে একথা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President Donald Trump)। তিনি জানান, তাঁর নির্দেশেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম নাইজেরিয়ায় (North-West Nigeria) সক্রিয় আইএস জঙ্গিদের লক্ষ্য করে এই হামলা হয়।

    একাধিক নিখুঁত হামলা আমেরিকার

    ট্রাম্পের অভিযোগ, এই ইসলামি জঙ্গিরা মূলত খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নিরীহ মানুষদের নিশানা করে হত্যা করছিল। হোয়াইট হাউসের (White House) দাবি অনুযায়ী, নাইজেরিয়ায় সাম্প্রতিক হিংসা এমন মাত্রায় পৌঁছেছিল, যা বহু দশক এমনকী শতাব্দী ধরে দেখা যায়নি। ট্রাম্প আরও বলেন, আগেই তিনি এই জঙ্গি গোষ্ঠীকে সতর্ক করেছিলেন। তাঁর কথায়, “আমি তাদের জানিয়েছিলাম, খ্রিস্টানদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হলে তার ভয়াবহ পরিণতি হবে – আর সেটাই হয়েছে।” প্রেসিডেন্টের দাবি, অভিযানে ‘একাধিক নিখুঁত হামলা’ চালানো হয়েছে, যা মার্কিন সেনার (US Army) ক্ষমতার পরিচয় বহন করে। পেন্টাগনকে ‘ডিপার্টমেন্ট অফ ওয়ার’ (Dept of War) বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমেরিকার সেনাবাহিনীই কেবল এমন নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম। এই বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানও স্পষ্ট করেন। তিনি লেখেন, “আমার নেতৃত্বে আমেরিকা কখনওই উগ্র ইসলামিক সন্ত্রাসবাদকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেবে না।” পোস্টের শেষে তিনি মার্কিন সেনাদের শুভেচ্ছা জানান এবং বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, “ঈশ্বর আমাদের সেনাবাহিনীকে আশীর্বাদ করুন-মেরি ক্রিসমাস।”

    নাইজেরিয়ান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে হামলা

    বহু বছর ধরে আইএসআইএস গোষ্ঠী এবং বোকো হারাম-সহ চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর হিংসার কবলে নাইজেরিয়া। বিশেষ করে দেশটির উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে জঙ্গিদের প্রভাব খুব বেশি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের অধীনে নাইজেরিয়াকে “বিশেষ উদ্বেগের দেশ” হিসেবে মনোনীত করেছে। নভেম্বরে ট্রাম্প বলেছিলেন, খ্রিস্টানদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগের পর তিনি পেন্টাগনকে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের পরিকল্পনা শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে, স্টেট ডিপার্টমেন্টও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িত নাইজেরীয় এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের আফ্রিকা কমান্ড (AFRICOM) হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ২৫ ডিসেম্বর নাইজেরিয়ার সোকোতো রাজ্যে এই হামলা চালানো হয় এবং তা নাইজেরিয়ান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ নাইজেরিয়ার সরকারের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও সামরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে অভিযানটি সম্ভব হয়েছে।

    ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার অঙ্গীকার

    নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু বড়দিনের দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত একটি বিবৃতি ও চিঠিতে ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার অঙ্গীকার করেছেন। টিনুবু তাঁর বিবৃতির সঙ্গে সংযুক্ত একটি চিঠিতে বলেছেন, “আপনাদের রাষ্ট্রপতি হিসেবে, আমি নাইজেরিয়ায় ধর্মীয় স্বাধীনতাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে এবং বিভিন্ন ধর্মের সকল মানুষকে হিংসা থেকে রক্ষা করার জন্য আমার ক্ষমতার মধ্যে সবকিছু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” নাইজেরিয়ার বিদেশ মন্ত্রকও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার কথা স্বীকার করেছে। তারা জানায়, আন্তর্জাতিক আইন ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান রেখেই এই সমন্বয় করা হয়েছে।

     

     

     

     

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে আবারও গণপিটুনির ঘটনা, রাজবাড়ীতে হিন্দু যুবক অমৃত মণ্ডল নিহত

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে আবারও গণপিটুনির ঘটনা, রাজবাড়ীতে হিন্দু যুবক অমৃত মণ্ডল নিহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ফের হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন করা হল। এবার ঘটনাস্থল রাজবাড়ি। মৃত যুবকের নাম অমৃত মণ্ডল। তিনি এলাকায় সম্রাট নামেও পরিচিত ছিলেন। বুধবার রাত এগারোটা নাগাদ পাংশা উপজেলার হোসেনডাঙ্গা পুরাতন বাজার এলাকায় ২৯ বছরের ওই যুবককে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। কয়েকদিন আগেই ময়মনসিংহের ভালুকায় ২৭ বছর বয়সী হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকেও খুন করেছিল মৌলবাদীরা। সেই রেশ এখনও কাটেনি। তার মধ্যেই এই ঘটনা সামনে এল।

    বাংলাদেশে হিন্দু নিধন চলছেই

    পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অমৃত মণ্ডলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হয়েছিল, যার জেরে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং গণপিটুনির ঘটনা ঘটে। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। পুলিশ রেকর্ড অনুযায়ী, অমৃত মণ্ডল স্থানীয় একটি গ্রুপের নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন, যা ‘সম্রাট বাহিনী’ নামে পরিচিত ছিল। তিনি রাজবাড়ী জেলার হোসেনডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা অক্ষয় মণ্ডলের ছেলে। প্রসঙ্গত, মহম্মদ ইউনূসের জমানায় বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার সবথেকে বেশি বেড়েছে। শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পরই সেখানে কার্যত হিন্দু নিধন শুরু হয়। বহু সংখ্যালঘুর বাড়িতে অত্য়াচার করে মৌলবাদীরা, লুটপাট চালায়। মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনাও সামনে এসেছিল। সম্প্রতি পোশাক কারখানার শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে খুন করেছিল উগ্রপন্থীরা। সেই ঘটনার ফের পুনরাবৃত্তি।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

    ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় এখনও কোনও গ্রেফতারের খবর পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, এক সপ্তাহের ব্যবধানে এটি বাংলাদেশে দ্বিতীয় গণপিটুনির ঘটনা। এর আগে ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি কারখানায় কর্মরত দীপু চন্দ্র দাসকে ইসলাম সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে মারধর করা হয়, যার ফলে তার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর তার মরদেহের সঙ্গে অবমাননাকর আচরণের অভিযোগ ওঠে, যা দেশজুড়ে ক্ষোভ ও নিন্দার জন্ম দেয়। পরপর দুটি ঘটনায় দেশে গণপিটুনি ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন মহল থেকে দ্রুত বিচার ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানানো হচ্ছে।

  • Pakistan’s Gaza Troop: গাজায় সেনা পাঠাবে পাকিস্তান! ইসলামাবাদের প্যালেস্টাইন নীতি প্রশ্নের মুখে

    Pakistan’s Gaza Troop: গাজায় সেনা পাঠাবে পাকিস্তান! ইসলামাবাদের প্যালেস্টাইন নীতি প্রশ্নের মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক “স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স”-এ (ISF) পাকিস্তানি সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা দেশটির ভেতরে ও মুসলিম বিশ্বে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচিত এই পরিকল্পনায় যুদ্ধ থামার পর গাজার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন তদারকির কথা বলা হয়েছে। তবে সমালোচকদের মতে, এর বাস্তব প্রভাব হবে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ ও ইজরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থের অনুকূলে গাজাকে “শান্ত” রাখা—যা পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের প্যালেস্টাইন-সমর্থক অবস্থানের সঙ্গে একেবারেই বেমানান।

    ফের বিশ্বাসভঙ্গ করল পাকিস্তান!

    পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে কখনও ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়নি। এমনকি পাকিস্তানের পাসপোর্টে ইজরায়েলে ভ্রমণ নিষিদ্ধ। পাক সংসদও সম্প্রতি গাজায় ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের নিন্দা জানিয়ে প্যালেস্টাইনের প্রতি “ঐতিহাসিক ও অটল সমর্থন” পুনর্ব্যক্ত করেছে। এই প্রেক্ষাপটে গোপনে “স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স”-এ (ISF) যোগ দেওয়ার আলোচনা পাকিস্তানের নীতিগত অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের ভেতরে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, ইজরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে হামাস নিরস্ত্রীকরণে ভূমিকা রাখা হলে তা শান্তিরক্ষার চেয়ে ইজরায়েলের কৌশলগত লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হবে। জনমত পাকিস্তানে ব্যাপকভাবে প্যালেস্টাইনপন্থী ও ইজরায়েল-বিরোধী হওয়ায় এই উদ্যোগকে “বিশ্বাসভঙ্গ” বলেও আখ্যা দেওয়া হচ্ছে।

    পাক রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া

    আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়াও নেতিবাচক। ইরান, তুরস্ক ও কাতারসহ কয়েকটি প্রভাবশালী মুসলিম দেশের নীতিনির্ধারকেরা পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সমালোচকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তানকে মুসলিম বিশ্বের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে। দেশীয় রাজনীতিতে প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র। ইসলামি দলগুলো সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি) যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনাকে “প্যালেস্টাইনকে অধীনস্থ করার ষড়যন্ত্র” বলে অভিহিত করে প্রতিবাদে নেমেছে। সরকারি কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মুখে সংঘর্ষের খবরও আসে; পরবর্তীতে ব্যাপক ধরপাকড়, গ্রেফতার ও নানা নিষেধাজ্ঞার অভিযোগ উঠেছে। জামায়াতে ইসলামী সংসদে এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে যে কোনো সমঝোতা প্যালেস্টাইনের অধিকার ক্ষুণ্ণ করবে বলে সতর্ক করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সংসদীয় আলোচনা ছাড়া সিদ্ধান্ত নেওয়াকে অগ্রহণযোগ্য বলেছেন।

    রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকট

    সমালোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির। সমালোচকরা দাবি করছেন, অর্থনৈতিক সহায়তা ও আন্তর্জাতিক সুবিধার বিনিময়ে এই পরিকল্পনায় এগোনোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কিছু প্রতিবেদনে সেনা মোতায়েনের জন্য অর্থনৈতিক দরকষাকষির অভিযোগও তোলা হয়েছে, যদিও এসব দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়। আরও বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে ঋণ-সহজীকরণ বা নতুন তহবিলের আশ্বাস এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে। সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি একটি শান্তিরক্ষামূলক অবদান। তবে বিরোধীদের চোখে, এই পদক্ষেপ পাকিস্তানের প্যালেস্টাইন নীতিকে দুর্বল করবে, অভ্যন্তরীণ ঐক্যে ফাটল ধরাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। গাজায় সেনা পাঠানোর প্রশ্নটি এখন পাকিস্তানের জন্য এক বড় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকট হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

  • Dni Gabbard: ইসলামপন্থী মতাদর্শ সম্পর্কে কড়া সতর্কবার্তা আমেরিকার ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালকের

    Dni Gabbard: ইসলামপন্থী মতাদর্শ সম্পর্কে কড়া সতর্কবার্তা আমেরিকার ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামপন্থী মতাদর্শ (Islamist Ideology) সম্পর্কে কড়া সতর্কবার্তা দিলেন ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড (Dni Gabbard)। আমেরিকায় একটি হাইপ্রোফাইল রক্ষণশীল সমাবেশে ভাষণ দেন তিনি। সেখানেই গ্যাবার্ড এই হুমকিকে পাশ্চাত্য স্বাধীনতার সঙ্গে মৌলিকভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ-র বার্ষিক আমেরিকা ফেস্ট সম্মেলনে উপস্থিত শ্রোতাদের উদ্দেশে গ্যাবার্ড বলেন, “এই ইসলামপন্থী মতাদর্শ থেকে আসা হুমকি নানা রূপে প্রকাশ পায়। আমরা যখন বড়দিনের দিকে এগোচ্ছি, ঠিক এই মুহূর্তে জার্মানিতে এই হুমকির কারণে বড়দিনের বিভিন্ন বাজার বাতিল করা হচ্ছে।”

    গ্যাবার্ডের বক্তব্য (Dni Gabbard)

    দেশটির ১৮টি গোয়েন্দা সংস্থার তত্ত্বাবধানে রয়েছন গ্যাবার্ড। তিনি বলেন, “এই মতাদর্শের সঙ্গে আমেরিকার স্বাধীনতার সরাসরি সংঘাত রয়েছে। যখন আমরা ইসলামবাদের হুমকি—এই রাজনৈতিক মতাদর্শ—নিয়ে কথা বলি, তখন সেখানে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা বা নাগরিক স্বাধীনতার কোনও অস্তিত্বই থাকে না।” গ্যাবার্ডের এই মন্তব্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সম্প্রদায়ের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে রয়েছেন। এটি একটি এমন পদ, যেখানে সাধারণত প্রকাশ্য বক্তব্যে, বিশেষ করে দলীয় রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে, প্রকাশ্য আদর্শগত অবস্থান এড়িয়ে চলা হয়।

    আমেরিকা ফেস্ট

    টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ–র আমেরিকা ফেস্ট এখন রক্ষণশীল কর্মী, আইনপ্রণেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশে পরিণত হয়েছে, যেখানে জাতীয় নিরাপত্তা, অভিবাসন ও সাংস্কৃতিক বিষয়গুলিকে ক্রমেই একটি বৃহত্তর আদর্শগত সংগ্রামের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক হিসেবে নিজের সরকারি ক্ষমতাবলে গ্যাবার্ড এই মন্তব্যগুলি করেছেন বলে জানান ওডিএনআইয়ের এক মুখপাত্র। টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ–র প্রতিষ্ঠাতা চার্লি কার্ক সংগঠনটিকে রক্ষণশীল যুব আন্দোলনের একটি কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি নিয়মিতভাবে উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিত্বদের আমন্ত্রণ জানান, যাঁরা রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিতর্ককে আদর্শগত দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপন করেন (Dni Gabbard)।

    সতর্কবার্তা জারি

    কার্ক সেই প্রভাবকে সারা দেশের কলেজ ক্যাম্পাসগুলিতে ছড়িয়ে দেন। ধর্ম, ইসলামবাদ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, অভিবাসন এবং আমেরিকান সংস্কৃতি নিয়ে সরাসরি, তাৎক্ষণিক ও পূর্বপরিকল্পনাহীন বিতর্কে অংশ নিয়ে তিনি বিপুল সংখ্যক দর্শককে আকর্ষণ করতেন। এমনই এক অনুষ্ঠানে, উটাহ ভ্যালি ইউনিভার্সিটিতে, গত ১০ সেপ্টেম্বর তিনি হাজারো মানুষের খোলা মাইকে করা প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন, তখনই তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। আধুনিক রাজনৈতিক সক্রিয়তার উত্তপ্ত ও সংঘাতপূর্ণ চরিত্র রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বড় জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য হুমকির বিষয়ে কর্তৃপক্ষ ক্রমেই বেশি সতর্কবার্তা জারি করছে (Islamist Ideology)।

    সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ইউরোপের নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও ছুটির মৌসুমের বিভিন্ন আয়োজন ঘিরে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছেন। জার্মানি, ফ্রান্স ও বেলজিয়ামে ইসলামপন্থী অনুপ্রেরণায় সংঘটিত একাধিক প্রাণঘাতী হামলার পর অনেক ক্রিসমাস মার্কেটে পুলিশি উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে কিংবা সাময়িকভাবে সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে (Dni Gabbard)।

  • Tarique Rahman: ১৭ বছর পর দেশে খালেদার পুত্র তারেক রহমান, জানেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব

    Tarique Rahman: ১৭ বছর পর দেশে খালেদার পুত্র তারেক রহমান, জানেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান (Tarique Rahman)। দীর্ঘদিন লন্ডনে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকার পর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনি স্ত্রী জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছন। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে বরণ করে নিতে জড়ো হয়েছেন হাজারো বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থক। বিমানবন্দর সড়ক থেকে বনানী পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে পদযাত্রা করেন। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ঐতিহাসিক ও নির্ধারণী মুহূর্ত।”

    ২০০৮–২০২৫: নির্বাসনের জীবন

    ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে দেশ ছাড়ার পর থেকে তারেক রহমান (Tarique Rahman) লন্ডনে ছিলেন। ২০০৯ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তিনি দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং বিদেশ থেকেই দল পরিচালনা করে আসছিলেন। ২০১৫ সালে তিনি যুক্তরাজ্যে ‘হোয়াইট অ্যান্ড ব্লু কনসালট্যান্টস লিমিটেড’ নামে একটি বেসরকারি পিআর ও যোগাযোগ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেশে মানি লন্ডারিংসহ একাধিক মামলা ছিল, এমনকি শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগও ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে ২০২৪ সালে হাসিনা সরকারের পতনের পর সব মামলা থেকে তিনি খালাস পান, ফলে তাঁর দেশে ফেরার আইনি বাধা দূর হয়।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও প্রত্যাবর্তনের সময়

    তারেক রহমানের (Tarique Rahman) দেশে ফেরা এমন এক সময়ে হলো, যখন ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদায় নিয়েছেন এবং নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনা করছে। তবে, ইউনূসের আমলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (IRI) ডিসেম্বরের এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেতে পারে। একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামিও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে। ৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান—যিনি তারেক জিয়া নামেও পরিচিত—বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং তাঁকে দলের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    ব্যক্তিগত কারণও বড় ভূমিকা

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমানের (Tarique Rahman) দেশে ফেরার পেছনে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি তার মায়ের শারীরিক অসুস্থতাও বড় কারণ। বেগম খালেদা জিয়া কয়েক মাস ধরে গুরুতর অসুস্থ। শেখ হাসিনা সরকার পতনের আন্দোলন থেকে উঠে আসা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এনসিপির মুখপাত্র খান মুহাম্মদ মুরসালিন বলেন, “চাপ ও হুমকির মুখে তারেক রহমানকে নির্বাসনে যেতে হয়েছিল। তার প্রত্যাবর্তন প্রতীকী ও তাৎপর্যপূর্ণ।” তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্রের পথে আমরা তাঁর সঙ্গে থাকব।”

  • Demolition Of Hindu Deitys: এবার মূর্তি ভাঙার অভিযোগ কাম্বোডিয়ায়, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Demolition Of Hindu Deitys: এবার মূর্তি ভাঙার অভিযোগ কাম্বোডিয়ায়, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মূর্তি ভাঙার (Demolition Of Hindu Deitys) অভিযোগ কাম্বোডিয়ায় (Cambodia)। সেখানে একটি বিষ্ণুমূর্তি ভাঙা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা গিয়েছে একটি ব্যাকহো লোডার দিয়ে বিষ্ণু মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। মূর্তি ভাঙছে সে দেশের সেনাবাহিনী। বুধবার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, এই ধরনের অশ্রদ্ধাজনক কাজ বিশ্বজুড়ে অনুসারীদের অনুভূতিতে আঘাত করে এবং এমন ঘটনা ঘটা উচিত নয়।

    কী বললেন রণধীর জয়সওয়াল?

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা সম্প্রতি নির্মিত একটি হিন্দু ধর্মীয় দেবমূর্তি ভাঙচুর সংক্রান্ত খবর দেখেছি। এই মূর্তিটি ছিল বর্তমানে থাই–কম্বোডিয়া সীমান্ত বিরোধ প্রভাবিত একটি এলাকায়।” তিনি জানান, হিন্দু ও বৌদ্ধ দেবদেবীরা এই অঞ্চলের মানুষের কাছে পূজিত হন। এগুলি আমাদের সাধারণ সভ্যতাগত ঐতিহ্যের অংশ। প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি রোধ করতে ভারত দুই দেশকে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আলাপ-আলোচনা ও কূটনীতির পথ অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে। জুলাই মাসে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি হলেও, চলতি মাসে ফের শুরু হয়েছে সংঘাত।

    কাম্বোডিয়ার বক্তব্য

    প্রেহ ভিহেয়ারের (কাম্বোডিয়ার রাজধানী) মুখপাত্র লিম চ্যানপানহা জানান, মূর্তিটি কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডের মধ্যেই আন সেস এলাকায় অবস্থিত ছিল (Cambodia)। তিনি বলেন, “২০১৪ সালে নির্মিত বিষ্ণু মূর্তিটি সোমবার ভেঙে ফেলা হয়। এটা থাইল্যান্ড সীমান্ত থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে অবস্থিত ছিল। বৌদ্ধ ও হিন্দুধর্ম অনুসারীদের দ্বারা পূজিত প্রাচীন মন্দির ও মূর্তিগুলির ধ্বংসের আমরা তীব্র নিন্দা করি (Demolition Of Hindu Deitys)।”

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সাফ কথা, আঞ্চলিক দাবি সত্ত্বেও, এই ধরনের অসন্মানজনক কাজ বিশ্বজুড়ে ভক্ত ও অনুগামীদের অনুভূতিতে আঘাত করে। তাই এই ধরনের কাজ করা উচিত নয়। আর কোনও প্রাণহানি, সম্পত্তি এবং ঐতিহ্যের ক্ষতি এড়াতে আমরা আবারও উভয় পক্ষকে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার এবং কূটনীতির ওপর ভরসা রাখার অনুরোধ করছি। শান্তি পুনরুদ্ধার করার আহ্বানও জানাচ্ছি (Demolition Of Hindu Deitys)।

  • Osman Hadi Killed: হাদি হত্যার রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন মৃতের ভাই ওমর

    Osman Hadi Killed: হাদি হত্যার রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন মৃতের ভাই ওমর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই ভরদুপুরে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রকাশ্যে গুলি করা হয় বাংলাদেশি ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদিকে (Osman Hadi Killed)। এর পর সিঙ্গাপুর হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর কয়েক দিন পর তাঁর ভাইয়ের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরের একটি গোষ্ঠী আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিল (Yunus Regime)।

    হাদিকে খুব কাছ থেকে গুলি (Osman Hadi Killed)

    ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর গড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় তাঁর। হাদির হত্যাকাণ্ডের জেরে ফের হিংসা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বাংলাদেশে। উত্তেজিত জনতা একাধিক প্রথম শ্রেণির সংবাদপত্র ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা চালায়। হাদির ভাই শরিফ ওমর হাদি ঢাকার শাহবাগে এক প্রতিবাদ সমাবেশে সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগেন। তিনি বলেন, “আপনারাই ওসমান হাদিকে হত্যা করেছেন। আর এখন এই ঘটনাকে ইস্যু করে নির্বাচন ভণ্ডুল করার চেষ্টা করছেন!”

    ওমরের অভিযোগ

    ওমর বলেন, “ওসমান চেয়েছিলেন ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং নির্বাচনী পরিবেশে কোনও ধরনের বিঘ্ন ঘটতে দেওয়া যাবে না।” তিনি বলেন, “খুনিদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুন, যাতে নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সরকার এখনও পর্যন্ত কোনও চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি তদন্তের ফল আমাদের সামনে তুলে ধরতে পারেনি। যদি ওসমান হাদির মৃত্যুর ন্যায়বিচার না হয়, তাহলে আপনাকেও (ইউনূসকে) একদিন বাংলাদেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হতে হবে।” ওমরের অভিযোগ, তাঁর ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। কারণ তিনি কোনও সংস্থা বা কোনও বিদেশি প্রভুর কাছে মাথা নত করেননি (Osman Hadi Killed)।

    ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের দাবি করেন, ওসমানের হত্যাকাণ্ড জুলাই অভ্যুত্থানের অর্জন এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ধ্বংসের লক্ষ্যে করা একটি ‘গভীর ষড়যন্ত্রে’র অংশ। তাঁর অভিযোগ, দেশের ভেতরে সক্রিয় আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং ‘ফ্যাসিস্ট সহযোগীরা’ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। জাবের আরও দাবি করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের তদন্তের মাধ্যমে সরকার যেন খুনিদের জনসমক্ষে হাজির করে। অন্যথায়, তারা আন্দোলন আরও তীব্র করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিক্ষোভকারীরা জানান, ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকবেন এবং আন্দোলন চালিয়ে যাবেন (Osman Hadi Killed)।

    ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা ২৫ ডিসেম্বর। তাঁরা কোনও কর্মসূচি পালন করবেন না। ওমরদের আশা, তারেক রহমান তাঁদের আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতি জানাবেন (Yunus Regime)।”

LinkedIn
Share