Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Nepal: দেশে ফিরলেন প্রাক্তন রাজা, রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ফের উদ্বেল নেপাল

    Nepal: দেশে ফিরলেন প্রাক্তন রাজা, রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ফের উদ্বেল নেপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ফের সরব নেপাল (Nepal)। শুক্রবার নেপালের প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে রাজধানীর বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাঁর সমর্থনে হাজার হাজার মানুষ বিমানবন্দরের বাইরে জড়ো হন (Restoration Of Monarchy)। তাঁরা রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানান। ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়, যদিও কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন কার্যালয় বিমানবন্দর এলাকা ও আশপাশে পাঁচজনের বেশি লোকের সমাবেশ নিষিদ্ধ করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

    নেপালে ফিরলেন জ্ঞানেন্দ্র (Nepal)

    জ্ঞানেন্দ্রকে তাঁর গাড়ির সানরুফ দিয়ে উচ্ছ্বসিত জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে দেখা যায়। এই সময় দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম পরিহিত শত শত পুলিশ সদস্য বিমানবন্দরের প্রধান প্রবেশপথে ভিড় করা সমর্থকদের নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছিলেন। “আমাদের দেশকে রক্ষা করতে রাজা জ্ঞানেন্দ্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে।” এমন স্লোগান দেন রাজতন্ত্রপন্থীরা। প্রাক্তন রাজা কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণ করলে তাঁরা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দেন। প্রবীণ নেতা কমল থাপার নেতৃত্বাধীন রাজতন্ত্রপন্থী রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টির কর্মী-সমর্থকরা এবং নবরাজ সুবেদী ও চিকিৎসক দুর্গা প্রসাইয়ের নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন রাজভক্ত সংগঠনের সদস্যরা শুক্রবার সকাল থেকেই বিমানবন্দর এলাকায় জড়ো হন। বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডুতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রসাই জানান, তাঁরা ৫ মার্চের সাধারণ নির্বাচনের আগেই রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চান। তাঁর দাবি, দেশে হিন্দু রাজা পুনর্বহাল করার দাবি নিষ্পত্তি না হলে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয় (Nepal)।

    রাজপ্রাসাদ ছাড়েন জ্ঞানেন্দ্র

    ২০০৬ সালে ব্যাপক গণবিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেন্দ্রকে তাঁর কর্তৃত্ববাদী শাসন ছাড়তে বাধ্য করা হয়। দু’বছর পর সংসদ রাজতন্ত্র বিলুপ্তির পক্ষে ভোট দেয় এবং জ্ঞানেন্দ্র রাজপ্রাসাদ ছেড়ে সাধারণ নাগরিকের (Restoration Of Monarchy) জীবনযাপন শুরু করেন। ২০০৮ সালে নেপালে রাজতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হলেও গত বছর অর্থনৈতিক সঙ্কট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে পুনরায় রাজতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ দেখা যায়। গত বছর বিমানবন্দরে একই ধরনের এক সমাবেশে আনুমানিক ১০ হাজার সমর্থক অংশ নিয়েছিলেন। আর একটি রাজতন্ত্রপন্থী সমাবেশ সহিংসতার রূপ নিলে দু’জন নিহত এবং অনেকে আহত হন।

    রাজনৈতিক অচলাবস্থা

    জ্ঞানেন্দ্র নিজে রাজতন্ত্র পুনর্বহালের আহ্বানে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে আগামী মাসে গুরুত্বপূর্ণ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সব বিক্ষোভ হচ্ছে। সর্বশেষ নির্বাচনে জ্ঞানেন্দ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি প্রায় ৫ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছিল। এদিকে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি শুক্রবার জনগণকে দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আগামী মাসের নির্বাচন বিশেষ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং সফলভাবে আয়োজনের জন্য সমাজের সব শ্রেণির সহযোগিতা প্রয়োজন।” টাপলেজুং জেলার সদর দফতর পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, “এই নির্বাচন দেশের নতুন পর্যায়ে উত্তরণের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হবে।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা (Restoration Of Monarchy) থেকে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি করতে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Nepal)।” প্রসঙ্গত, নেপালে চলতি বছরের ৫ মার্চ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

  • Vickash Ramkissoon: শিকড়ের টান! গায়ানার পার্লামেন্টে হিন্দিতে আগুন ভাষণ সাংসদের, সমাজ মাধ্যমে প্রশংসার বন্যা

    Vickash Ramkissoon: শিকড়ের টান! গায়ানার পার্লামেন্টে হিন্দিতে আগুন ভাষণ সাংসদের, সমাজ মাধ্যমে প্রশংসার বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিকড়ের টান! গায়ানার পার্লামেন্টে (Guyana Parliament) হিন্দিতে আগুন ভাষণ সাংসদের। সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার বন্যা। গায়ানার জাতীয় সংসদে এক নজিরবিহীন ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী বিকাশ রামকিসুন (Vickash Ramkissoon) বিরোধী দলের এক সদস্যের হিন্দি ভাষা সংক্রান্ত কটাক্ষের বিপরীতে অনর্গল হিন্দিতে জবাব দিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। গায়ানার মতো দেশের সংসদে শুদ্ধ হিন্দিতে এমন প্রত্যয়দীপ্ত ভাষণ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

    সরাসরি হিন্দিতে বিতর্ক করব

    ঘটনাটি ঘটে যখন বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য দাবি করেন, রামকিসুন হিন্দি ভাষার একটি শব্দও বোঝেন না। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে রামকিসুন (Vickash Ramkissoon) হিন্দিতেই পাল্টাবান ছুড়ে দেন। তিনি সরাসরি বিরোধী সদস্যের নাম উল্লেখ করে তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, “আমি এই মুহূর্তেই তাঁকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি, তিনি যে কোনও স্থান বা যে কোনও ইস্যু ঠিক করুন, আমি সেখানে গিয়ে কোনও কাগজ বা নোট ছাড়াই সরাসরি হিন্দিতে বিতর্ক করব।” একই ভাবে বিকাশ রামকিসুন তাঁর শান্ত অথচ দৃঢ় ভাষায় আরও বলেন, “হিন্দি দক্ষতার কোনও প্রমাণের প্রয়োজন নেই। আমাদের দল সমমর্যাদায় বিশ্বাসী এবং তিনি সেই ঐতিহ্যই অনুসরণ করেন।”

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা লাভ বিকাশ রামকিসুন

    উল্লেখ্য গায়ানায় বিশাল সংখ্যক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ বসবাস করেন। যাদের পূর্বপুরুষরা কয়েক দশক আগে ভারত থেকে সেখানে গিয়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন। যদিও ইংরেজি সেদেশের সরকারি ভাষা, তবুও ইন্দো-গায়ানিজ সম্প্রদায়ের মধ্যে হিন্দি আজও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভাষা।

    বিকাশ রামকিসুন (Vickash Ramkissoon) বর্তমানে গায়ানার কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৫ সাল থেকে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগে তিনি ব্যাঙ্ক এবং আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা লাভ করেছেন। এই ঘটনার ভিডিওটি গায়ানার ভারতীয় হাই কমিশনের পক্ষ থেকেও শেয়ার করা হয়েছে এবং এটি বর্তমানে ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভাইরাল হয়েছে।

  • India Chile Trade Deal: রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার! সেই লাতিন দেশের সঙ্গে চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত

    India Chile Trade Deal: রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার! সেই লাতিন দেশের সঙ্গে চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার পর ভারত (India) এখন আর একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে (India Chile FTA)। এই চুক্তিটি প্রচলিত বাণিজ্যের সীমা ছাড়িয়ে বহুমাত্রিক সুবিধা এনে দিতে পারে। নয়াদিল্লি বর্তমানে লাতিন আমেরিকার দেশ চিলির সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনায় রয়েছে। চিলিকে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিচ গত বছর দ্বিপাক্ষিক আলোচনা এগিয়ে নিতে ভারত সফর করেন। চুক্তিটি (India Chile Trade Deal) সম্পন্ন হলে ভারতের উৎপাদন, প্রতিরক্ষা এবং মহাকাশ গবেষণা খাতে কৌশলগত সুবিধা মিলবে বলেই আশা সংশ্লিষ্ট মহলের।

    গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ চিলি (India)

    দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত চিলি লিথিয়াম, তামা এবং কোবাল্ট-সহ গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। এসব সম্পদ ইলেকট্রনিক্স, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং সৌরশক্তি শিল্পের জন্য অপরিহার্য। বিশেষ করে চিন একতরফাভাবে রেয়ার আর্থ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর ভারতের শিল্পোন্নয়ন ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এসব কাঁচামালের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে (India Chile Trade Deal)। এই প্রেক্ষাপটে ভারত একাধিক দেশের সঙ্গে আলোচনা শুরু করলেও চিলির সঙ্গে আলোচনা প্রায় দু’দশক আগে শুরু হয়। ২০০৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের আলোচনা শুরু হয় এবং ২০০৬ সালে একটি প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তিতে কিছু নির্দিষ্ট পণ্যে শুল্ক ছাড় দেওয়া হলেও তা পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে পরিণত হয়নি। বর্তমানে যে আলোচনা চলছে, তাতে একাধিক খাতে সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এগোনো হচ্ছে। উভয় দেশ ডিজিটাল পরিষেবা, বিনিয়োগ এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (India) (MSME) খাতে অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

    পীযূষ গোয়েলের ইঙ্গিত

    কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে চিলির সঙ্গে একটি বিস্তৃত বাণিজ্য চুক্তি শিগগিরই স্বাক্ষরিত হতে পারে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারত-চিলি বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩.৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে (India Chile FTA)। এর মধ্যে ভারতের রফতানির পরিমাণ ছিল ১.১৫ বিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ছিল ২.৬০ বিলিয়ন ডলার। ভারত প্রধানত যানবাহন, ওষুধ, রাসায়নিক পণ্য, ইস্পাতজাত সামগ্রী, বস্ত্র, চামড়াজাত পণ্য, রাবার এবং জুতো রফতানি করে। অন্যদিকে চিলি তামা, আয়োডিন, আখরোট, কিউই এবং আপেলের মতো পণ্য সরবরাহ করে, যা ভারতের শিল্প কাঁচামাল ও কৃষিপণ্যের সরবরাহকে শক্তিশালী করে। ভারতীয় কোম্পানিগুলি ইতিমধ্যেই উদীয়মান এই অংশীদারিত্বের সুফল নিতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে শুরু করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কোল ইন্ডিয়া সম্প্রতি চিলিতে একটি পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যা বিরল মৃত্তিকা ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজের গবেষণা ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই পদক্ষেপ ভারতের বিদেশে সরাসরি  খনিজ সম্পদ সুরক্ষিত করার কৌশলগত অভিপ্রায়কে নির্দেশ করে। বেসরকারি খাতও এ ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখাচ্ছে (India Chile Trade Deal)। আদানি গ্রুপ-সহ বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী বিশেষ করে খনি ও পরিকাঠামো খাতে চিলিতে বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখছে।

    আলোচনা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, তখন প্রস্তাবিত ভারত–চিলি চুক্তিকে (India Chile Trade Deal) একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করতে, সীমিত উৎসের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, উন্নত (India Chile FTA) উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করতে পারে (India)।

  • Bangladesh: তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা দেওয়ায় মোদিকে ধন্যবাদ বিএনপির

    Bangladesh: তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা দেওয়ায় মোদিকে ধন্যবাদ বিএনপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে জয়ের পর তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিএনপি (BNP)। দলের নেতারা বলেছেন, ঢাকা আওয়ামী-পরবর্তী যুগে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে তারেক রহমানের সরকার বাংলাদেশ-ভারতের (Bangladesh) সম্পর্ক জোরদার করবে।

    নির্বাচনী বিজয় ও নতুন নেতৃত্ব (Bangladesh)

    বাংলাদেশে (Bangladesh) সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে জয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে তারেক রহমান এখন দেশের হাল ধরতে প্রস্তুত। হাসিনাকে বিতারিত করার পর বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতি অত্যন্ত বেহাল হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু হিন্দু নির্যাতন এবং ভারত বিরোধিতার স্বর জামাত এবং কট্টরপন্থীরা ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক তালানিতে নিয়ে গিয়েছে। এখন তারেক রহমান সেই ক্ষতে কতটা প্রলেপ দিতে পারে, সেটাই দেখার।

    ভারতকে ধন্যবাদ

    বিএনপি (BNP) নেতা তারেক রহমান এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি নতুন এবং শক্তিশালী সম্পর্কের সূচনা হবে। উল্লেখ্য, ইউনূসের রাজত্বে ভারত বিরোধিতা, উত্তরপূর্ব ভারতকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি, লাগাতার হিন্দু নির্যাতন মারাত্মক আকার নিয়েছে। এখন নির্বাচনের পর দায়িত্বশীল সরকার গঠন হলে এই কালো মেঘ কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার

    বিএনপি নেতৃত্ব নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, “এই জয় বাংলাদেশের (Bangladesh) জনগণের জয় এবং এর মাধ্যমে দেশে পুনরায় গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে আমরা শক্তিশালী সম্পর্ক চাই। দলের তরফে আমরা ভারতকে ধন্যবাদ জানাই। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক আরও বড় গতি পাবে। দুই দেশের যোগদান আমাদের সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে।”

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক

    বিএনপির তরফে আরও বলা হয়, তারেক রহমান ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন এবং আশ্বস্ত করেছেন যে বাংলাদেশের মাটি কোনোভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নতাবাদী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

    আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা

    বিএনপি (BNP) আশা করছে যে, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারত একটি গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh) অর্থনৈতিক উন্নয়নে অংশীদার হিসেবে কাজ করবে। দীর্ঘ সময় পর ক্ষমতায় ফেরার পর বিএনপি ভারতের সঙ্গে তাদের পূর্বের তিক্ততা কাটিয়ে একটি ইতিবাচক কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিয়েছে।

  • Bangladesh: “বাংলাদেশে হিন্দুরা আর এক দশকও বাঁচবে না”, চরম আশঙ্কা প্রকাশ মার্কিন হিন্দু সংগঠনগুলির

    Bangladesh: “বাংলাদেশে হিন্দুরা আর এক দশকও বাঁচবে না”, চরম আশঙ্কা প্রকাশ মার্কিন হিন্দু সংগঠনগুলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুরা আর এক দশকও টিকবে না বাংলাদেশে (Bangladesh)। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতা (US Lawmakers Hindu Group) ও হিন্দু সংগঠনগুলোর উদ্বেগ প্রকাশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিন্দু সংগঠন এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের জীবন এবং সম্পত্তির সুরক্ষা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশে নির্বাচনের পর নতুন সরকারের কাছে সংখ্যালঘুর সুরক্ষার আবেদন করেছে। এই নিয়ে একটি বিক্ষোভ হয় আমেরিকাতে।

    অস্তিত্ব রক্ষার সংকট (Bangladesh)

    ওয়াশিংটন ডিসির রোবার্ন হাউস অফিসের সামনে কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর যে ভাবে আক্রমণ করছে তার তীব্র বিরোধিতা করে। এদিন এই বিক্ষোভের কর্মসূচিতে কংগ্রেসনাল ব্রিফিং কোয়ালিশন অফ হিন্দুস অফ নর্থ আমেরিকা, হিন্দু অ্যাকশন এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলি ছিল। মার্কিন আইনপ্রণেতা (US Lawmakers Hindu Group) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।

    মার্কিন কংগ্রেসের উদ্বেগ

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে (Bangladesh) জাতীয় নির্বাচনের পর যে নতুন সরকার গঠন হবে তারা যেন সংখ্যালঘু এবং হিন্দুদের সুরক্ষার বিষয়ে দায়িত্বশীল হন। গত দুই বছরে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন চরম আকার নিয়েছে। বেশ কয়েকজন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য (US Lawmakers Hindu Group) বাংলাদেশ সরকারকে হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হওয়া হিংসাকে বন্ধ করতে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    নিপীড়নের অভিযোগ

    প্রতিবেদনে বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং শারীরিক নির্যাতনের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী তুলে ধরা হয়েছে। কংগ্রেসনাল ব্রিফিংয়ে তরফে এদিন বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে হাসিনাকে বিতারিত করার পর যেদিন থেকে মহম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু নির্যাতন মারাত্মক আকার নিয়েছে। হিন্দুদের বাড়ি ঘর, লুট, ধর্ষণ, খুন, হত্যা, মন্দির ভাঙচুর সহ একাধিক বহু ঘটনায় হিন্দু জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় মার্কিন মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার রক্ষায় ব্যাপক ভাবে সক্রিয় হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের দাবি

    হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন (HAF) সহ বিভিন্ন গোষ্ঠী জোরালো দাবি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বিশেষ করে মার্কিন প্রশাসন বাংলাদেশে (Bangladesh) মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। উত্তর আমেরিকার হিন্দু জোটের সদস্য জগন্নাথ (US Lawmakers Hindu Group) বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন ভাবে আরও তথ্য গ্রহণ করতে হবে। হিন্দুদের সম্পর্কে নীরবতা পালন করলে আগামীদিনে অস্তিত্ব রাখা নিয়েই প্রশ্ন চলবে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, কট্টরপন্থীরা হিন্দুদের বেঁচে থাকার সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে। কট্টর ইসলামি সগঠন অতিসক্রিয় ভাবে হিন্দুদের উপর দমন নিপীড়ন চালাচ্ছে।”

    জনসংখ্যার হ্রাস

    আলোচনায় উঠে এসেছে যে, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যার হার আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক স্তরে চাপ বাড়াতে আমেরিকায় (US Lawmakers Hindu Group) এই প্রতিবাদ বলে মনে করা হচ্ছে। সংখ্যালঘুর অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের উপর চাপ বৃদ্ধি করতে মার্কিন আইন প্রণেতারা সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জীবন সম্পত্তি রক্ষায় যাতে কাজ করেন সেই কথাই এদিনে আলচানায় উঠে আসে।

     

  • Bangladesh Election: একসঙ্গে কাজ করার কৌশলী বার্তা! বাংলাদেশে বিপুল জয়ের জন্য তারেককে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Bangladesh Election: একসঙ্গে কাজ করার কৌশলী বার্তা! বাংলাদেশে বিপুল জয়ের জন্য তারেককে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথা মেনেই প্রতিবেশী দেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে (Bangladesh Election) বড় ব্যবধানে জয়ী হতে চলেছে বিএনপি। গণনায় এমন ইঙ্গিত স্পষ্ট হতেই বিভিন্ন দেশ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছোচ্ছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে। শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে প্রথমে ইংরেজি এবং পরে বাংলায় একটি পোস্ট করে তারেককে ‘আন্তরিক অভিনন্দন’ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আবার একসঙ্গে কাজ করার বার্তাও দিয়েছেন মোদি। দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের নতুন রেকর্ড গড়তে চলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) ও তার মিত্ররা। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ইতিমধ্যেই ২১১টি আসনে জয়লাভ করে জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Two-thirds Majority) নিশ্চিত করেছে।

    অভিনন্দন বার্তায় কী লিখলেন মোদি

    শুক্রবার সকালে সমাজ মাধ্যমে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপি-র নির্ণায়ক জয়ে নেতৃত্বে দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।” ভারত-বাংলাদেশ বহুমুখী সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে তারেককে একসঙ্গে কাজ করারও আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি লেখেন, “আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ককে মজবুত করার জন্য এবং অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি আপনার সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছি।” একই সঙ্গে মোদি লেখেন, “গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে ভারত তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।” ‘ঐতিহাসিক বিজয়ে’র জন্য তারেককে ধন্যবাদ জানিয়েছে আমেরিকাও। শুক্রবার সকালে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের তরফ থেকে সমাজমাধ্যমে বাংলা এবং ইংরেজিতে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়েছে, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা।”

    কৌশলী পদক্ষেপ মোদির

    ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পর থেকেই আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে ‘রাজনৈতিক আশ্রয়ে’ রয়েছেন। গণহত্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত। বারবার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে প্রত্যর্পণের দাবি করলেও এ বিষয়ে নয়াদিল্লি একেবারে নিশ্চুপ। এমনকী বাংলাদেশে নির্বাচনী আবহেও দিল্লি থেকে নানা রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন হাসিনা। এসবের পর নির্বাচনে বিএনপি-র জয়ের আভাস পেয়েই মোদির বার্তা কৌশলী পদক্ষেপ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিএনপি-র

    প্রত্যাশিতভাবেই বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৯৯টি আসনের সংসদে জাদুসংখ্যা পেরিয়েছে খালেদা জিয়ার দল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে। আর বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন তারেক। সংসদে বিরোধী দলের আসনে জামাত-ই-ইসলামি। শুক্রবার ভোররাতে নির্বাচন কমিশন এই ফল ঘোষণা করেন।নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবারের ভোটে অংশ নিতে পারেনি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ।

    বিপুল ভোটে জয়ী তারেক

    বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন হয়েছে বৃহস্পতিবার। শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত রয়েছে। সরকার গঠনের জন্য কোনও দল বা জোটকে ১৫১টি আসনে জিততে হতো। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান দু’টি আসনেই (ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬) জয়ী হয়েছেন। ৭৭ হাজার ভোটে বগুড়া-৬ আসনে বিপুল জয় খালেদা-পুত্র তারেক রহমানের। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পেয়েছেন ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৯১৩ ভোট। এই আসনে তারেকের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মহম্মদ আবিদুর রহমান। ইতিমধ্যেই বিএনপি-র তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে ‘বিপুল সংখ্যক আসনে’ নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। শুক্রবার প্রয়াত খালেদা জিয়ার স্মৃতিতে, দেশবাসীর প্রতি শুভকামনায় বিএনপি-র তরফে বিভিন্ন মজসিদে প্রার্থনা করা হবে। তাদের তরফে বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করার অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপি-র তরফে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তারা জয় উপলক্ষে কোনও বিজয়মিছিল বা সভা করছে না।

    ভারত-বিরোধিতা কাজে এল না

    লাগাতার ভারত-বিরোধিতা অস্ত্র কাজে এল না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুমকি, বিরোধী মন্তব্যের পরও বাংলাদেশ ভোটে জিততে পারলেন না ছাত্রনেতা সারজিশ আলম। নিজের কেন্দ্র পঞ্চগড়-১ আসনে গোহারা হারলেন তিনি। এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। এবারের ভোটে জামাতের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করেছে জুলাই আন্দোলন থেকে উঠে আসা ছাত্রদের দল এনসিপি। তাঁদের প্রার্থীরা মোটের উপর ভালো ফল করলেও সারজিশের হারে প্রমাণ, তাঁর আগাগোড়া ভারত বিরোধী মনোভাব অন্তত জনসমর্থন টানতে পারেনি।

    গণভোটের গণনা

    দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সারা দেশ থেকে আসা বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, দলটি ইতিমধ্যেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় আসন নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশে চলছে গণভোটের গণনা। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা’র (বাসস) খবর অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৭টা পর্যন্ত গণভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৮ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৭টি এবং না ভোট পড়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৫৬টি। এ বারই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি ঘোষণা না হলেও সংসদ নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ক্ষমতা আসতে চলেছে বিএনপি। এ বার গণভোটের যে ইঙ্গিত মিলছে তাতে স্পষ্ট, হ্যাঁ ভোট এগিয়ে অনেকটাই।

  • Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন। তাই ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে যৌথভাবে অনুসন্ধান, উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পুনর্ব্যবহারের চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India) করছে ভারত (Critical Minerals Deals)। খনন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশ্বের বহু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহে আধিপত্য এবং উন্নত খনন ও প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির কারণে চির-প্রতিদ্বন্দ্বী চিনের ওপর ভারতের অতিরিক্ত নির্ভরতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই পরিস্থিতি কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভারতের জ্বালানি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    কোন কোন দেশের সঙ্গে আলোচনা (Critical Minerals Deals)

    তবে আবিষ্কার থেকে উৎপাদন পর্যায়ে পৌঁছতে খনিশিল্পে সময় লাগে বিস্তর। শুধু অনুসন্ধান কাজই পাঁচ থেকে সাত বছর পর্যন্ত চলে এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা খনি প্রতিষ্ঠায় গিয়ে শেষ হয় না। সূত্রের খবর, “অনুরোধ এসেছে এবং আমরা ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের সঙ্গে আলোচনা করছি। অন্যদিকে কানাডার সঙ্গে চুক্তিটি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।” সূত্রের মতে, এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারতের খনিমন্ত্রক। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মার্চের শুরুতে ভারত সফর করতে পারেন এবং ইউরেনিয়াম, জ্বালানি, খনিজ এবং এআই সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। কানাডার প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগ জানুয়ারি মাসে এক বিবৃতির দিকে ইঙ্গিত করে জানিয়েছে, উভয় পক্ষ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে রাজি হয়েছে (India)।

    মন্তব্য করেনি কোনও দেশই

    নয়াদিল্লিতে ব্রাজিলের দূতাবাস, ভারতের খনিমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। নেদারল্যান্ডসের দূতাবাসের তরফেও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মন্তব্য করতে চায়নি ফ্রান্সের দূতাবাসও। ভারত বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সন্ধান জোরদার করেছে এবং ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পেরু ও চিলির সঙ্গে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে, যার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে (Critical Minerals Deals)। ভারতের এই আন্তর্জাতিক তৎপরতা এমন একটা সময়ে বাড়ছে, যখন গত মাসে ওয়াশিংটনে জি-৭ ও অন্যান্য বড় অর্থনীতির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে চিন থেকে ‘রেয়ার আর্থ’ নির্ভরতা কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে (India)। ২০২৩ সালে ভারত লিথিয়াম-সহ ২০টির বেশি খনিজকে “গুরুত্বপূর্ণ” বলে চিহ্নিত করেছে, যা তার জ্বালানি রূপান্তর এবং শিল্প ও পরিকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য (Critical Minerals Deals)।

     

  • Bangladesh Election 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন হাসিনা?

    Bangladesh Election 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন হাসিনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার শেষ হল বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Election 2026)। এই নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) এবং তাঁর দল আওয়ামি লিগকে। এদিন ভোট শেষের পর তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া, ‘এই নির্বাচন অসাংবিধানিক’। এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন তিনি। ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগও তুলেছেন বাংলাদেশের দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, “অবৈধ ও অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূস আয়োজিত আজকের তথাকথিত নির্বাচন ছিল মূলত সুপরিকল্পিত একটি প্রহসন। জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সংবিধানের চেতনাকে উপেক্ষা করে আওয়ামি লিগকে বাদ দিয়ে এবং ভোটারবিহীনভাবে একটি প্রতারণামূলক নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে।”

    হাসিনার বক্তব্য (Bangladesh Election 2026)

    তিনি আরও বলেন, “১১ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যা থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গুলিবর্ষণ, ভোট কেনাবেচায় অর্থের ব্যাপক ব্যবহার, ব্যালট পেপারে সিল মারা এবং ফলাফলের শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এই প্রহসন শুরু হয়। ১২ ফেব্রুয়ারির সকাল থেকে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত কম। রাজধানী-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বহু ভোটকেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে ভোটারশূন্য ছিল।” তাঁর দাবি, “এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিল করতে হবে, খুনি-ফ্যাসিবাদী ইউনূসের পদত্যাগ চাই, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী-সহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি এবং সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, আওয়ামি লিগের কার্যকলাপের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে, জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে হবে (Bangladesh Election 2026)।”

    ভারতের প্রতিক্রিয়া

    এদিকে, ভারতের ক্ষেত্রে, ঢাকার পক্ষ থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও হস্তক্ষেপের ধারণা এড়াতে ভারত কোনও সরকারি পর্যবেক্ষক পাঠায়নি। সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সরকারি মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। তবে (Sheikh Hasina) আমরা বাংলাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক পাঠাইনি (Bangladesh Election 2026)।”

     

  • Bangladesh Election 2026: “আজ এক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন”, নির্বাচন প্রসঙ্গে বললেন ইউনূস

    Bangladesh Election 2026: “আজ এক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন”, নির্বাচন প্রসঙ্গে বললেন ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ এক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন। আমরা সারাদিন এই জন্মদিন উদ্‌যাপন করব।” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশ উঠে দাঁড়ানোর পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর, দেশটি আজ, বৃহস্পতিবার আবারও তার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ইউনূস ঢাকার গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেন। এর পরেই তিনি বলেন, “এটি একটি মহা আনন্দের দিন।”

    গণঅভ্যুত্থানের পর এটি প্রথম নির্বাচন (Bangladesh Election 2026)

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর এটি প্রথম নির্বাচন, যা দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসন কালের অবসান ঘটায়। সমালোচকদের মতে, তাঁর শাসন ছিল কঠোর ও কর্তৃত্ববাদী। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি আবর্তিত হয়েছে তাঁর নেতৃত্বেই। তরুণদের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে। তার পরেই দেশান্তরিত হন হাসিনা। ইউনূস বলেন, “আজকের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ অতীতকে প্রত্যাখ্যান করেছে। অতীতে যত দুঃস্বপ্ন ছিল, আমরা তা সম্পূর্ণভাবে পরিত্যাগ করেছি। আজ থেকে প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ পেয়েছি।” বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলে বিকেল পর্যন্ত। অন্তর্বর্তী প্রশাসন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে ভোট হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ। ইউনূস নাগরিকদের তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটেও অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

    মহা আনন্দের দিন

    তিনি বলেন, “সমগ্র বাংলাদেশ বদলে যাবে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি আমার জন্য এক মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্যই এটি আনন্দের দিন। এটি মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান এবং নতুন স্বপ্নের সূচনা। আজকের এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য সেটিই।” দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি মূলত দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির দ্বারা প্রভাবিত ছিল- শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামি লিগ এবং প্রয়াত খালেদা জিয়া ও বর্তমানে তাঁর ছেলে তারেক রহমানের বিএনপি। এদিনের নির্বাচনে আওয়ামি লিগকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।বিএনপি ৩০০টির মধ্যে ২৯২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি আসনগুলি ছোট সহযোগী দলগুলির সঙ্গে ভাগ করেছে। এই দলের নেতা খালেদা পুত্র তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অন্যতম প্রধান দাবিদার।

    জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট

    বিএনপির মুখোমুখি হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নিষিদ্ধ থাকা এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন নীতির জন্য দীর্ঘদিন বিতর্কিত এই দলটি গত বছরের অস্থিরতার পর শক্তি অর্জন করেছে। তারা ২২৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। আর তাদের সহযোগী দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি, যা গণঅভ্যুত্থানে জড়িত তরুণ কর্মীদের দ্বারা গঠিত, লড়ছে ৩০টি আসনে। এই জোট জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দলের প্রধান শফিকুর রহমানের। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। ওই যুদ্ধে অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারান। বর্তমান পরিস্থিতিতেও সেই সংগ্রামের প্রতিধ্বনি শোনা যায়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনার নির্দেশে পরিচালিত সরকারি দমনপীড়নে ১,৪০০ জন নিহত হন। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে অনুপস্থিত অবস্থায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

     

  • Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগের রাতে বুধবার বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলভীবাজার জেলায় ২৮ বছর বয়সি এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়ছে। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজকে টার্গেট করেছে কট্টরমৌলবাদীরা। লাগাতর হিন্দুদের হত্যা, ধর্ষণ, বাড়িতে আগুন দিয়ে দেশে ভয়ভীতির বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছে। জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগে এই হত্যা প্রমাণ করে মহম্মদ ইউনূসের (Hindu Murder) রাজত্বে আইন শৃঙ্খলা কতটা ভেঙে পড়েছে। ভোটের পরে কী পরিস্থিতি দাঁড়ায় তাই এখন দেখার।

    হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত হিন্দু ব্যক্তির নাম রতন সাহুকার, তিনি চম্পা এলাকার একজন চা বাগানের (Bangladesh) শ্রমিক ছিলেন। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে একাধিক গভীর আঘাত ছিল এবং মৃতদেহ উদ্ধারের সময়ও ক্ষত থেকে রক্ত ​​ঝরছিল বলে জানা গেছে। সাহুয়াকারের সহকর্মীরা খুনের অভিযোগ তুলেছেন এবং ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর চলমান অস্থিরতা এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হামলার ধারাবাহিকতার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড সর্বশেষ। এই সপ্তাহের শুরুতে, আরেকটি পৃথক ঘটনায় আরও একজন হিন্দু ব্যক্তি নিহত হন। সোমবার রাতে, ময়মনসিংহে ৬২ বছর বয়সি চাল ব্যবসায়ী সুসেন চন্দ্র সরকারকে রাত ১১টার দিকে তাঁর দোকানের ভেতরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে লুট করা হয়েছে দোকানের টাকা।

    এখনও পর্যন্ত ৬১টি হত্যাকাণ্ড

    কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশে (Bangladesh) গণতান্ত্রিক শাসনকে প্রত্যাবর্তনের জন্য যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তার আগে লাগাতার হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাগুলি চূড়ান্ত মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠনগুলি।

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুরা সংখ্যালঘু, যাদের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ। দেশের মোট ১৭ কোটি জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ হিন্দু। মুসলিমরা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯১ শতাংশ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বলেছে, ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে সাম্প্রদায়িক হিংসার ২,০০০ এরও বেশি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে ৬১টি হত্যাকাণ্ড (Hindu Murder), নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ২৮টি ধর্ষণ ও গণধর্ষণ সহ এবং ভাঙচুর, লুটপাট এবং মন্দিরে অগ্নিসংযোগ মতো ৯৫টি আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে চরম অবহেলা করার অভিযোগও করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ।

LinkedIn
Share