Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শনিবার সেশেলসে পৌঁছেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেশেলসের (Seychelles) প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে রাজধানী ভিক্টোরিয়ার ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেন পরিদর্শন করেন তিনি।

    ‘জোনাথন’কে খাওয়ালেন নিজে হাতে (PM Modi)

    সেখানে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের প্রবীণতম জীবিত স্থলচরপ্রাণী হিসেবে স্বীকৃত ১৯৪ বছর বয়সী বিশালাকার কচ্ছপ ‘জোনাথন’-সহ একাধিক দৈত্যাকার কচ্ছপকে নিজের হাতে খাবার খাওয়ান। এই মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বোটানিক্যাল গার্ডেন সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট হারমিনি একটি স্মারক চারা গাছও রোপণ করেন। উদ্যানের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সেখানকার বিরল উদ্ভিদ ও প্রাণিজগত সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। শনিবার বিকেলে সেশেলসের রাজধানী ভিক্টোরিয়ায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। দ্বীপরাষ্ট্রটির স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছিল সেশেলস। ভারত-সেশেলসের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্কের নিদর্শন হিসেবে প্রেসিডেন্ট হারমিনি নিজে মন্ত্রিসভার সদস্য ও শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বিমানবন্দরে মোদির অভ্যর্থনায় ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিশেষ আকর্ষণ ছিল গুজরাটের কচ্ছ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনা। এই সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার প্রশংসা করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “অসাধারণ সাংস্কৃতিক যোগসূত্র! সেশেলস বিমানবন্দরে কচ্ছের নৃত্য পরিবেশিত হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতিকে যেভাবে প্রবাসী ভারতীয়রা সংরক্ষণ ও উদ্‌যাপন করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।” উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য প্রবাসী ভারতীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন (Seychelles) প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “সেশেলসে পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞ। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সেশেলস ভারতের এক গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অংশীদার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন (PM Modi) উচ্চতায় পৌঁছবে বলেই আশা করছি।” পরে প্রেসিডেন্ট হারমিনির সঙ্গে বোটানিক্যাল গার্ডেনে যাওয়ার পথে তোলা একটি (Seychelles) ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে সেশেলস ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেনের পথে (PM Modi)।”

     

  • Pakistan: শোয়েব আখতারের ভাইয়ের জানাজায় লস্কর জঙ্গিদের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

    Pakistan: শোয়েব আখতারের ভাইয়ের জানাজায় লস্কর জঙ্গিদের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) জঙ্গি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির প্রভাব এবং তাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক মহলে (Terror Network Connections) নানা অভিযোগ রয়েছে। এবার পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা পেসার শোয়েব আখতারের (Shoaib Akhtar) পরিবারের একটি শোকানুষ্ঠান ঘিরে নতুন করে উসকে দিয়েছে সেই বিতর্ক। শোয়েবের বড় ভাই শাহিদ আখতারের (Shahid Akhtar) জানাজায় লস্কর-ই-তৈবার (LeT)-র একাধিক শীর্ষ নেতার উপস্থিতির ভিডিও এবং ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে জোরদার চর্চা।

    শোয়েব আখতারের ভাইয়ের মৃত্যু

    গত ২৪ জুন শাহিদ প্রয়াত হন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর জানান শোয়েব। তিনি “Returned to Allah” লিখে শোকপ্রকাশ করেন এবং জানাজার সময় এবং জায়গা সম্পর্কেও তথ্য ভাগ করে নেন। ইসলামাবাদে আয়োজিত ওই জানাজায় বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

    জানাজায় লস্কর নেতারা!

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিও এবং ছবিতে দাবি করা হয়েছে, জানাজায় উপস্থিত ছিলেন লস্কর-ই-তৈবার (LeT) ডেপুটি প্রধান সইফুল্লাহ কাসুরি (Saifullah Kasuri)। সূত্রের দাবি, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও (Pahalgam) জঙ্গি হামলার অন্যতম মূল ষড়যন্ত্রী তিনি। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান মার্কাজি মুসলিম লিগ (Pakistan Markazi Muslim League)-এর সভাপতি ইনাম-উর-রহমান কাম্বোহ (Inam-ur-Rehman Kamboh)-কে-ও। উল্লেখ্য, পাকিস্তান মার্কাজি মুসলিম লিগকে লস্কর-ই-তৈবার রাজনৈতিক শাখা হিসেবে দেখা হয়। সংগঠনটি গঠিত হয় জামাত-উদ-দাওয়া (JuD) এবং মিল্লি মুসলিম লিগের (MML) ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পর। এই দুই সংগঠনের সঙ্গেই রাষ্ট্রসঙ্ঘ ঘোষিত জঙ্গি হাফিজ সইদের (Hafiz Saeed) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ। ভিডিওতে আরও যাঁদের উপস্থিতির দাবি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন লস্করের ডেপুটি জেনারেল সেক্রেটারি আবদুল্লাহ তুর (Abdullah Toor), PMML-এর জোনাল জেনারেল সেক্রেটারি হাফিজ উমর (Hafiz Umar) এবং খিদমত কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ ভাট্টি (Amjad Bhatti)।

    পহেলগাঁও হামলার প্রসঙ্গ

    ভারতের দাবি মতো, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল (Pakistan) জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত জঙ্গি হামলায় ২৫ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছিল। হামলার দায় কবুল করেছিল ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (The Resistance Front বা TRF), যাকে ভারত লস্কর-ই-তৈবার প্রক্সি সংগঠন হিসেবেই চিহ্নিত করে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির অভিযোগ, সইফুল্লাহ কাসুরি এই (Terror Network Connections) হামলার অন্যতম মূল চক্রী। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাক সরকার।

    নতুন করে উঠছে প্রশ্ন

    জানাজায় লস্কর নেতাদের প্রকাশ্য উপস্থিতির ভিডিও সামনে আসার পর পাকিস্তানে জঙ্গি সংগঠনগুলির কার্যকলাপ এবং তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে উঠছে মেলা প্রশ্ন। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, এই ধরনের ঘটনা পাকিস্তানে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলির প্রভাব এবং তাদের স্বাধীনভাবে সক্রিয় থাকার বিষয়টিকেই সামনে তুলে ধরছে। এদিকে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া আর একটি ভিডিওয় সইফুল্লাহ কাসুরিকে দাবি করতে শোনা যায়, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তাঁকে বিভিন্ন সরকারি বৈঠক ও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানায় এবং সেনা সদস্যদের জানাজায় ইমামতি করার অনুরোধও করে। তবে এই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে, পাকিস্তানের মাটিতে একাধিক জঙ্গি সংগঠন নিরাপদ আশ্রয় ও কার্যকলাপের সুযোগ পেয়ে থাকে। পাকিস্তান অবশ্য (Terror Network Connections) বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, তারা সব (Pakistan) ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরোধী এবং জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে।

     

  • India-Venezuela: ভেনেজুয়েলার জন্য ভারতের ‘অপারেশন আমিস্তাদ’, পৌঁছল  সেনার ‘মেডিক্যাল টিম’ ও ‘ভীষ্ম কিউব’

    India-Venezuela: ভেনেজুয়েলার জন্য ভারতের ‘অপারেশন আমিস্তাদ’, পৌঁছল সেনার ‘মেডিক্যাল টিম’ ও ‘ভীষ্ম কিউব’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলার পাশে দাঁড়াল ভারত। ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দিতে ভারত শুরু করেছে ‘অপারেশন আমিস্তাদ’ (Operation Amistad)। স্প্যানিশ ভাষায় আমিস্তাদ শব্দের অর্থ ‘বন্ধুত্ব’। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এর মধ্যে দিয়ে ভারত-ভেনেজুয়েলার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি। প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) দু’টি সি-১৭ বিমান ভেনেজুয়েলায় পাঠানো হয়েছে। ওই বিমানে জরুরি ত্রাণসামগ্রী, ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে।

    মানবিক সহায়তা ভারতের

    মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে ইতিমধ্যেই ভেনেজুয়েলার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দল। বিখ্যাত ‘৬০ প্যারা ফিল্ড হসপিটাল’-এর ৪১ জন সেনা-মেডিক্যাল কর্মী রয়েছেন এই দলে। এর মধ্যে ৯ জন অভিজ্ঞ মিলিটারি মেডিকেল অফিসার (ডাক্তার)। এই দল দুর্যোগ কবলিত এলাকায় আপৎকালীন চিকিৎসা, ট্রমা ম্যানেজমেন্ট এবং অস্ত্রোপচারের মতো জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা দেবে। উল্লেখ্য, বুধবার মাত্র এক মিনিটের ব্যবধানে দু’টি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ভেনেজুয়েলা। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ২৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ১,৫০০ জনেরও বেশি। একাধিক বিল্ডিং ও পরিকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    কী বললেন এস জয়শঙ্কর?

    ‘অপারেশন আমিস্তাদ’ -এর বিষয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার ও ত্রাণকাজে সহায়তা করতেই বিশেষ অপারেশন শুরু করেছে ভারত। লেখেন, “ভারতীয় বায়ুসেনার দুটি C-17 বিমান জরুরি ত্রাণসামগ্রী নিয়ে রওনা দিয়েছে। রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ফিল্ড হাসপাতাল ইউনিট, ৩৫ টনেরও বেশি ত্রাণসামগ্রী, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং দুটি ভীষ্ম কিউব। এই কঠিন সময়ে ভেনেজুয়েলার সরকার ও জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। ভারতীয় সেনার এই মানবিক মিশন আরও একবার বিশ্বমঞ্চে প্রমাণ করল, যে কোনও আন্তর্জাতিক সংকটে বন্ধু দেশের পাশে সবার আগে দাঁড়াতে প্রস্তুত ভারত।

    উপহার অত্যাধুনিক ‘ভীষ্ম কিউব’

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে পাঠানো প্রায় ৬ টন জরুরি ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী নিয়ে যাচ্ছে বায়ুসেনার বিমান দুটি। তবে এই অভিযানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক মোবাইল হাসপাতাল ‘ভীষ্ম কিউব’ (BHISHM Cube – Bharat Health Initiative for Sahyog, Hita & Maitri)। ভারতের ‘আরোগ্য মৈত্রী প্রজেক্ট’-এর অধীনে এই মডিউলার চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেনেজুয়েলায় পাঠানো হচ্ছে। যেকোনও বড় বিপর্যয় বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে যেখানে স্থায়ী হাসপাতাল ধ্বংস হয়ে যায়, সেখানে এই ‘ভীষ্ম কিউব’ গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। একে খুব কম সময়ের মধ্যে খোলা জায়গায় একটি সম্পূর্ণ কার্যকরী ফিল্ড হাসপাতালে রূপান্তর করা যায়। এই মিনি হাসপাতালে পোর্টেবল ভেন্টিলেটর, পেশেন্ট মনিটর, ল্যাবরেটরি ডায়াগনস্টিক সরঞ্জাম, উন্নত অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি, নিজস্ব জেনারেটর এবং অক্সিজেন সাপোর্ট সিস্টেম রয়েছে। একসঙ্গে প্রায় ২০০ জন গুরুতর আহত রোগীকে ট্রমা কেয়ার ও জরুরি অস্ত্রোপচারের সুবিধা দিতে পারে এই ভীষ্ম কিউব।

    বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই উদ্যোগ ভারতের ‘বসুধৈব কুটুম্বকম্’ (সমগ্র বিশ্ব এক পরিবার) নীতির বাস্তব প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি ভারতের অন্যতম দূরপাল্লার মানবিক ত্রাণ অভিযান বলে জানানো হয়েছে। এই অভিযানের মাধ্যমে ভারত গ্লোবাল সাউথ-এর দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করছে, দুর্যোগ মোকাবিলায় অংশীদারিত্ব বাড়াচ্ছে এবং লাতিন আমেরিকায় মানবিক সহায়তা প্রদানে নিজের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করছে। প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, “মানবতার সেবায় ভারতের এই জীবনরক্ষাকারী উদ্যোগের অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত। ভীষ্ম কিউব মোতায়েন শুধু একটি পেশাগত সাফল্য নয়, এটি মানবসেবার এক অনন্য অভিজ্ঞতা।” সরকারের মতে, অপারেশন অমিস্তাদ প্রমাণ করেছে যে, সংকটের সময় ভারত একটি নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক অংশীদার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। সামরিক দক্ষতা, কূটনৈতিক দূরদর্শিতা এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সমন্বয়ে ভারত আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।

    বিপর্যয়ের সাক্ষী ভেনেজুয়েলা

    গত বুধবার প্রলয়ঙ্করী প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সাক্ষী হয়েছে ভেনেজুয়েলা (Venezuela Earthquake)। সাক্ষী থেকেছে গোটা বিশ্ব। এক মিনিটেরও কম ব্যবধানে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে সে দেশের বিস্তীর্ণ অংশ। এই যমজ ভূমিকম্পের (Twin Earthquakes) জেরে এ পর্যন্ত ৯০০-রও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনবিসি। উপগ্রহ চিত্রে (Satellite Photos) ধরা পড়েছে সেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের বুক কাঁপানো দৃশ্য, যেখানে মাইলের পর মাইল জুড়ে কেবলই ভেঙে পড়া ঘরবাড়ি আর উপড়ে যাওয়া রাস্তার ছবি দৃশ্যমান। ভেনেজুয়েলার এই চরম মানবিক সংকটে পাশে দাঁড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহল। বিপর্যয় মোকাবিলায় ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যেই তাদের বিশেষ অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল (Search-and-Rescue Teams) কারাকাসে পাঠাতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ে সরাসরি নেমেছে রাষ্ট্রপুঞ্জ (UN)। একটি বৈশ্বিক জরুরি তহবিলের মাধ্যমে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজের সামগ্রিক সমন্বয় সাধন করছে তারা। এই মুহূর্তে প্রশাসনের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে নিখোঁজ মানুষদের সংখ্যা। স্থানীয় সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজারের বেশি সংখ্যক মানুষের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁরা ভেঙে পড়া বাড়িঘর এবং চাঙড়ের নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন বলেই অনুমান করা হচ্ছে।

  • Canadian CSIS: কনিষ্কে বিস্ফোরক বসিয়েছিল কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা, কবুল করল কানাডা

    Canadian CSIS: কনিষ্কে বিস্ফোরক বসিয়েছিল কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা, কবুল করল কানাডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার গোয়েন্দা সংস্থা কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (Canadian CSIS) প্রথমবারের মতো কবুল করল যে, ১৯৮৫ সালের ২৩ জুন এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ (কনিষ্ক)-এ বিস্ফোরক বসিয়েছিল কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী (Khalistani) জঙ্গিরা। হামলার ৪০তম বর্ষপূর্তিতে জারি করা এক স্মারক বার্তায় সংস্থাটি জানিয়েছে, সেদিন বিমানটিতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে ৩২৯ জন যাত্রী সবাই নিহত হন, যাঁদের অধিকাংশই ছিলেন কানাডার নাগরিক। এটি এখনও পর্যন্ত কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা।

    ভারতের দাবিতে মান্যতা (Canadian CSIS) 

    সিএসআইএস জানিয়েছে, হামলার সময় সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার এক বছরেরও কম সময় পেরিয়েছিল এবং এই মর্মান্তিক ঘটনা তাদের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল। গত চার দশক ধরে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও মতাদর্শগত হিংসা থেকে কানাডাবাসীকে সুরক্ষিত রাখার প্রতিশ্রুতিও জানিয়ে দিয়েছে সংস্থাটি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এতদিন কানাডা সরকার বা সরকারি স্মরণবার্তায় খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হত না। তবে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছিল, এটি ছিল খালিস্তানি জঙ্গিদের সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। সম্প্রতি কানাডার গোয়েন্দা সংস্থার বার্তায় সেই অবস্থানেই কার্যত সিলমোহর পড়ল।

    খালিস্তানপন্থী উগ্রপন্থীই বড় হুমকি

    এদিকে, সাম্প্রতিক এক নিরাপত্তা মূল্যায়ন প্রতিবেদনে কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী উগ্রপন্থী সংগঠনগুলিকেও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব সংগঠন কানাডার মাটি ব্যবহার করে সহিংস জঙ্গি কার্যকলাপের প্রচার, অর্থ সংগ্রহ এবং হামলার পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছে (Canadian CSIS)। খালিস্তান ইস্যু দীর্ঘদিন ধরেই ভারত-কানাডা সম্পর্কের অন্যতম বিতর্কিত বিষয়। বিশেষ করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমলে এই বিরোধ তীব্র হয়, যখন তিনি খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগে’র কথা বলেছিলেন। তবে তাঁর ক্ষমতাচ্যুতির পর কানাডার অবস্থানে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে (Khalistani)। উল্লেখ্য, বাব্বর খালসা জঙ্গি সংগঠনকে এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ বিস্ফোরণের জন্য দায়ী করা হয় এবং ২০০৫ সালে ২৩ জুনকে কানাডা জাতীয় সন্ত্রাসবাদে নিহতদের স্মরণ দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করে (Canadian CSIS)।

     

  • Beijing Plane Crash: ১০৯ তলা বহতলে ধাক্কা! বেজিংয়ে ভেঙে পড়ল চিনা প্রযুক্তিতে তৈরি বিমান

    Beijing Plane Crash: ১০৯ তলা বহতলে ধাক্কা! বেজিংয়ে ভেঙে পড়ল চিনা প্রযুক্তিতে তৈরি বিমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের রাজধানী বেজিংয়ে বড় বিমান দুর্ঘটনা (Beijing Plane Crash)। শহরের সবচেয়ে উঁচু বিল্ডিং সিআইটিআইসি টাওয়ারে শনিবার ভেঙে পড়ে একটি বিমান। ওপর থেকে নিচে পড়তে পড়তে সোজা ওই বিল্ডিংয়ে ধাক্কা খায় বিমানটি। সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে এদিনের ঘটনার একাধিক ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, বিমানটির সঙ্গে ওই বিল্ডিংয়ের ধাক্কা লাগার পরেই মাটিতে পড়ছে ধ্বংসাবশেষ। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীও ঘটনার ভিডিও আপলোড করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা যায়, ১০৮ তলা সিআইটিআইসি টাওয়ারের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিমানের ধ্বংসাবশেষ

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে, চিনের ঘরোয়া প্রযুক্তিতে নির্মিত একটি ছোট বিমান বেজিংয়ের সর্বোচ্চ অট্টালিকা ১০৯ তলা সিটিক টাওয়ার (চায়না জুন)-এ আছড়ে পড়েছে। সংঘর্ষের জেরে ওই অট্টালিকার দুটি জানালা ভেঙে গিয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। চিনের অন্যতম উঁচু বিখ্যাত এই টাওয়ারে দুর্ঘটনার ঘটনায় হইচই বিশ্বজুড়ে৷ ভাইরাল ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ১,৭০০ ফুট উঁচু বাড়িটির উপর থেকে বিমানের ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়ছে। টাওয়ারের নীচের তলায় ঘন কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা যায় এবং চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে বিমানের ভাঙা অংশ। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার পর গোটা ভবনটি খালি করে দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কতজন হতাহত হয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়। জানা গিয়েছে, ওই বিল্ডিংটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সিআইটিআইসি গ্রুপের সদর দফতর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ঘটনাস্থলে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

    ভেঙে পড়ল চিনের ঘরোয়া প্রযুক্তিতে নির্মিত বিমান

    বিমানের গায়ে থাকা রেজিস্ট্রেশন নম্বর থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এটি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘সানওয়ার্ড এসএ ৬০১ অরোরা’ নামের একটি লাইট স্পোর্ট বিমান। এই বিমানটি তৈরি করে থাকে স্থানীয় একটি জেনারেল এভিয়েশন সংস্থা। ওই সংস্থার তরফে মূলত পাইলট প্রশিক্ষণ, ব্যক্তিগত জেট এবং আকাশপথে ছবি তোলার মতো পরিষেবা দেওয়া হয়ে থাকে বলে জানা গিয়েছে। তবে দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা চিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি। চিনের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কিছু ছবি ও ভিডিও সরিয়ে দেওয়া হলেও, সেগুলি দ্রুত অন্য প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলি থেকে জানা যায়, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি গাড়ির আকারের একটি ছোট বিমান।

     

     

     

     

     

     

  • PM Modi: মোদির সফরে নয়া মাত্রা পাবে ভারত-সেশেলস সম্পর্ক, পর্যটন-সামুদ্রিক নিরাপত্তায় একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    PM Modi: মোদির সফরে নয়া মাত্রা পাবে ভারত-সেশেলস সম্পর্ক, পর্যটন-সামুদ্রিক নিরাপত্তায় একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে পূর্ব আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সেশেলসে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর দুদিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরকে ঘিরে আশাবাদী পূর্ব আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সেশেলস। দেশটির বিদেশমন্ত্রী ব্যারি ফাউরে (Barry Faure) জানিয়েছেন, এই (Cyber Security Pacts) সফরের মাধ্যমে ভারত ও সেশেলসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং পর্যটন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, মহাকাশ, সাইবার নিরাপত্তা ও আইনি সহযোগিতা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সেশেলসের বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    ২৭ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেশেলসের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির (Patrick Herminie) আমন্ত্রণে তিনি সে দেশের জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফাউরে বলেন, “বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলেই আশা। শুধু সামুদ্রিক নিরাপত্তাই নয়, মহাকাশ সহযোগিতা, সাইবার নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক আইনি সাহায্যের মতো নতুন ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।” তিনি জানান, ভারত ও সেশেলসের মধ্যে বাণিজ্য এবং পর্যটনের ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। সেশেলসের প্রাকৃতিক সম্পদ ও রফতানি সক্ষমতা যেমন ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভারতের বিশাল পর্যটন বাজার ও ভোক্তা অর্থনীতিও সেশেলসের জন্য নয়া সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে (PM Modi)।

    মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা

    পর্যটনকে সেশেলসের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি উল্লেখ করে ফাউরে জানান, দেশটির মোট ডিডিপির(GDP) প্রায় ৩০ শতাংশই পর্যটন শিল্প থেকে আসে। বর্তমানে ভারতের মুম্বই থেকে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট চালাচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে দিল্লি-সহ ভারতের আরও বিভিন্ন শহর থেকে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর বিষয়েও আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাবের কারণে তাঁর এই সফর সেশেলসকে বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে আরও বেশি পরিচিত করে তুলবে। আমরা আশা করছি, ভারত থেকে পর্যটকের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে (PM Modi)।”

    বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতার অন্যতম কেন্দ্র

    সেশেলসের বিদেশমন্ত্রী জানান, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণ চালুর বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির ভারত সফরের সময় এই উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল। এই যোগাযোগ চালু হলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও সহজ ও গতিশীল হবে বলেই আশা সংশ্লিষ্টমহলের (Cyber Security Pacts)। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান কৌশলগত পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ফাউরে জানান, এই অঞ্চল এখন বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতার অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। প্রত্যাশিতভাবেই জলদস্যুদের উপদ্রব এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকিও ক্রমশ বাড়ছে।

    জলদস্যুদের উপদ্রব

    তিনি বলেন, “অতীতে আমরা জলদস্যুদের উপদ্রবের জেরে ব্যাপক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি। এখনও হরমুজ প্রণালী, ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরের বিভিন্ন ঘটনাবলি সরাসরি সেশেলসের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ভারত-সেশেলসের মধ্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভারত (PM Modi) মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, পর্যটন, সংযোগ ব্যবস্থা এবং (Cyber Security Pacts) সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দুই দেশের অংশীদারিত্ব পৌঁছতে পারে নয়া উচ্চতায়।

     

  • Azaan Controversy in Denmark: ‘যেন ইসলামাবাদের শহরতলি মনে না হয়’, লাউডস্পিকারে আজান নিষিদ্ধ করতে চলেছে ডেনমার্ক

    Azaan Controversy in Denmark: ‘যেন ইসলামাবাদের শহরতলি মনে না হয়’, লাউডস্পিকারে আজান নিষিদ্ধ করতে চলেছে ডেনমার্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামিকরণ ইস্যুতে ফের বিতর্ক ইউরোপে। মুখঢাকা বোরখা পরে জনসমক্ষে বেরোনোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল আগেই। এবার ইউরোপের দেশ ডেনমার্কে কোপ পড়তে চলেছে লাউডস্পিকারে শোনানো আজানে! ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডেলি মেল’-এ প্রকাশিত খবরে দাবি, ‘ক্রমবর্ধমান ইসলামিকরণ’ ঠেকাতে সম্প্রতি এমনই প্রস্তাব দিয়েছিলেন অভিবাসন মন্ত্রী মর্টেন বডস্কভ। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মেট্টে ফ্রেডরিকসেন ইতিমধ্যেই তাতে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন। ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহাগেনে আগে থেকেই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ আইনে লাউডস্পিকারে আজান দেওয়ার উপর বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। এবার গোটা দেশেই সেই ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে।

    আজানের আওয়াজ ডেনমার্কের সংস্কৃতি নয়

    ডেনমার্কের অভিবাসন মন্ত্রী মর্টেনের মন্তব্য, ‘‘ডেনমার্কের কিছু কিছু এলাকা এখন দেখে মনে হয়, যেন তা ইসলামাবাদেরই (পাকিস্তানের রাজধানী) কোনও শহরতলি। এমনটা হতে দেওয়া যায় না।’’ এর পরেই ডেনমার্কের বামপন্থী দল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস পার্টির ওই মন্ত্রীর মন্তব্য, “ডেনিশ ছাদগুলোর উপর দিয়ে আজানের শব্দ যাওয়া বাঞ্ছিত নয়।’’তিনি জানান আজানের আওয়াজ ডেনমার্কের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ নয়। ডেনমার্কের মানুষের যাতে মনে না হয়, তাঁরা ডেনমার্কের বদলে ইসলামাবাদে বসবাস করছেন।

    ডেনমার্কে আজান নিষিদ্ধ করার প্ল্যান

    ডেনমার্কে আজান (Azaan Controversy in Denmark) নিষিদ্ধ করার বিষয়টি এখনও প্রস্তাবের পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত মঞ্জুরি মেলেনি। ডেনমার্কের সংবিধানে সর্বজনীন ভাবে ধর্ম পালনে স্বাধীনতা দেওয়ার বিধান রয়েছে। তাই সরকারকে এ ক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা করতে হবে। ডেনমার্কের বিরোধী দল সহ সব পক্ষের সহমত দরকার। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক ইউরোপীয় দেশে অভিবাসন, হিজাব, ধর্মীয় পরিচয় এবং প্রকাশ্য ধর্মীয় কার্যকলাপ নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। বহু দেশের ডানপন্থী ও অভিবাসন বিরোধী দলগুলি দাবি করেছে, ব্যাপক অভিবাসন ইউরোপীয় সাংস্কৃতিক পরিচয়কে ক্ষুণ্ণ করছে। ডেনমার্কের অভিবাসন মন্ত্রীর বক্তব্য, সরকারের কঠোর অভিবাসন নীতির অংশ হিসেবে, ডেনমার্কে বসবাসের বৈধ অধিকার নেই এমন বিদেশিদের পর্যায়ক্রমে বহিষ্কার করা হবে।

    ইসলামিক অভিবাসন নিয়ে কড়া ডেনমার্ক

    ডেনমার্কের জনসংখ্যার প্রায় ৫ শতাংশ মুসলিম। সে দেশের সবচেয়ে বড় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় মুসলিমরাই। গত এক দশকে পশ্চিম এশিয়া থেকে ক্রমাগত মুসলিম শরণার্থীদের আগমন বাড়ছে বলে অভিযোগ তুলে সম্প্রতি অভিবাসন নীতি কড়া করার কথাও ঘোষণা করেছে প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডরিকসেনের সরকার। ঘটনাচক্রে, বছরখানেক আগেই ডেনমার্ক সরকার জনসমক্ষে ‘ইসলামিক পূর্ণ মুখঢাকা পর্দা’ (বোরখা) নিষিদ্ধ করার একটি আইন পাশ করেছে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে নির্দেশিকা পাঠিয়ে নমাজের জন্য কোনও ঘর আর বরাদ্দ না-রাখার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।

  • India Reopens Tourist Visas: বাংলাদেশিদের জন্য ফের চালু হচ্ছে ভারতের পর্যটন ভিসা, ২৮ জুন থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু

    India Reopens Tourist Visas: বাংলাদেশিদের জন্য ফের চালু হচ্ছে ভারতের পর্যটন ভিসা, ২৮ জুন থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ফের পর্যটন ভিসা (India Reopens Tourist Visas) চালুর কথা ঘোষণা করল ভারত। বৃহস্পতিবার ঢাকায় ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশে (Bangladeshi Citizens) ভারতের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী এই খবর জানান। তিনি বলেন, “২৮ জুন, রবিবার থেকে বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া আবারও শুরু হবে।” রাষ্ট্রদূত জানান, ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও স্বাভাবিক ও গতিশীল করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে বৈধ ভিসাধারী বাংলাদেশিরা আবারও পর্যটনের উদ্দেশ্যে ভারতে ভ্রমণ করতে পারবেন।

    বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা (India Reopens Tourist Visas)

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা দেওয়া সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে চিকিৎসা ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে মেডিকেল ও বিজনেস ভিসা দেওয়া হচ্ছিল। এবার সেই বিধিনিষেধ তুলে নিয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে পর্যটন ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া ফের চালু করা হচ্ছে।দীনেশ জানান, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী এবং খুলনায় অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে পর্যটন ভিসার আবেদন নেওয়া হবে। তিনি এও জানান, বাংলাদেশে দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্ত এলাকায় সফরের সময় ভিসা সংক্রান্ত বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ ও যাতায়াত অনায়াস করতেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ

    এদিন দুপুরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দীনেশ। এই সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয়পত্র পেশ করে বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব নেন (India Reopens Tourist Visas)। গত এপ্রিল মাসে ভারত সরকার দীনেশকে বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ করেছিল। তিনি ভারতের প্রথম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পেয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দীনেশ কংগ্রেস, জনতা দল, তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। চলতি মাসে স্ত্রী মিনাল ত্রিবেদীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন, “ভারত ও বাংলাদেশ দু’টি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক দেশ। দুই দেশের সহযোগিতা আরও (Bangladeshi Citizens) জোরদার হলে তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।” উল্লেখ্য, প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন (India Reopens Tourist Visas) দীনেশ।

     

  • US: হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মার্কিন কংগ্রেসম্যান স্যানফোর্ড বিশপের

    US: হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মার্কিন কংগ্রেসম্যান স্যানফোর্ড বিশপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে”। ভারতীয়-আমেরিকান সম্প্রদায়ের উদ্দেশে এমনই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন মার্কিন (US) কংগ্রেসম্যান স্ট্যানফোর্ড বিশপ (Sanford Bishop)। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি ধর্মীয় বিদ্বেষ ও হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের তীব্র নিন্দা করেন (Georgia Anti Hindu Resolution), এবং এই ধরনের ঘৃণামূলক কর্মকাণ্ড রোধে আরও বেশি সতর্কতা ও ঐক্যের আহ্বান জানান।

    ভারতীয়দের অসামান্য অবদান (US)

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয়-আমেরিকানদের অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন বিশপ। বলেন, “এই অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া, সম্মান জানানো এবং মূল্যায়ন করা উচিত। ঘৃণা ও হিংসা ছড়ানোর পরিবর্তে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা পালনকারী এই সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন।” বিশপ জানান, হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত সম্প্রদায়ের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি—এই দুই বিষয় পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। তাঁর মতে, আমেরিকায় হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের বৈষম্য, বিদ্বেষমূলক আচরণ এবং ঘৃণাজনিত অপরাধের মুখোমুখি হচ্ছে।

    হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ডাক

    ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার কড়া সমালোচনাও করেন তিনি। জানান, তাঁর নিজের রাজ্য জর্জিয়া হিন্দু-বিরোধী অপরাধ এবং বিদ্বেষ মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এর পরেই ওই মার্কিন কংগ্রেসম্যান বলেন, “আমাদের হিন্দুফোবিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে”। স্ট্যানফোর্ডের এহেন মন্তব্যে উপস্থিত ভারতীয়-আমেরিকানদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন বছরে আমেরিকায় হিন্দুদের মৌখিক আক্রমণ, অবমাননাকর মন্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হয়রানি এবং হিন্দুদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক প্রচারের ঘটনা বেড়েছে বলে বিভিন্ন সংগঠনের দাবি। এর পাশাপাশি মন্দির ও অন্যান্য হিন্দু উপাসনালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই ভারতীয়-আমেরিকানদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার মতো হুমকির মুখোমুখিও হতে হচ্ছে, যদিও তাঁরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম দক্ষ কর্মশক্তি এবং অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ (US)।

    হিন্দুফোবিয়াকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি জর্জিয়ার

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে জর্জিয়া হিন্দুফোবিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঘৃণাজনিত অপরাধ ও বৈষম্যের বিষয়টি রাজ্যের আইনগত কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করে (Georgia Anti Hindu Resolution)। এই উদ্যোগের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে Coalition of Hindus of North America। এই সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছে। রাজ্যের গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকারি বিভিন্ন দফতর হিন্দুফোবিয়াজনিত বৈষম্য ও বিদ্বেষমূলক ঘটনার নথিভুক্তকরণ এবং তদন্তের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবে। এই আইন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে কোয়ালিশন অব হিন্দুজ অব নর্থ আমেরিকা (CoHNA) জানিয়েছে, ‘সেনেট বিল ৩৭৫ শুধু ক্রমবর্ধমান হিন্দু-বিরোধী ঘৃণার প্রতিক্রিয়া নয়, এটি আমাদের সম্প্রদায় যে (Georgia Anti Hindu Resolution) এই দেশের অংশ, অবদানকারী এবং আইনের সমান সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য—তারও একটি শক্তিশালী স্বীকৃতি (US)।’

     

  • Pakistan: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে চলা সরকার বিরোধী আন্দোলন দমনে অমানবিক ব্যবহার ইসলামাবাদের!

    Pakistan: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে চলা সরকার বিরোধী আন্দোলন দমনে অমানবিক ব্যবহার ইসলামাবাদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া মোড় নিল পাক-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে)-এ চলা সরকার বিরোধী আন্দোলন। স্থানীয়দের অভিযোগ, আন্দোলন দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পর এবার ওই এলাকায় খাদ্য, জ্বালানি ও স্বাস্থ্যসেবার সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করছে ইসলামাবাদ (Pakistan)। ফলে সাধারণ মানুষের (POK) দুর্ভোগ চরমে। নিদারুণ যন্ত্রণা সয়েই কোনওক্রমে দিন গুজরান করছেন পিওকের বাসিন্দারা।

    নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যান চলে বাধা (Pakistan)

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাদ্যশস্য, জ্বালানি তেল ও ওষুধ-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যানবাহনকে পিওকেতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। তার জেরে আগে থেকেই চলা সঙ্কট আরও গভীর হয়েছে। যৌথ আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি) ঘোষিত অঞ্চলব্যাপী ধর্মঘটের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হলেও, আন্দোলনকারীদের দাবি—সরকার ইচ্ছাকৃতভাবেই পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো করে তুলছে। যদি পাক-প্রশাসন এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, আন্তর্জাতিক মহলের কাছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখানোর চেষ্টা করছে সরকার। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসন বাস্তব পরিস্থিতি আড়াল করতে তথ্য গোপন করছে।

    নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর গুলি

    এদিকে, আন্দোলনকারীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ চলবে। একই সঙ্গে তাঁরা রাষ্ট্রসঙ্ঘ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং বিদেশে বসবাসকারী  কাশ্মীরিদের কাছে বিষয়টি তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পাক নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সংঘর্ষে নিহত কয়েকজনের মরদেহও প্রশাসন সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। পিওকের এক বাসিন্দা জানান, নিরস্ত্র মানুষকে কাছ থেকে গুলি করা হয়েছে। তাই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে (Pakistan)।

    অস্থিরতার সূত্রপাত

    মূলত ১২টি আইনসভা আসনকে কেন্দ্র করে এই অস্থিরতার সূত্রপাত। এসব আসন জম্মু ও কাশ্মীর থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগ, ইসলামাবাদ এই আসনগুলিকে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে এবং নিজেদের পছন্দের সরকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। আন্দোলন তীব্র হওয়ার পর পাকিস্তান সরকার জেএএসিকে জঙ্গি সংগঠন বলে দেগে দেয়, এবং তাদের সমর্থকদের সন্ধানে অভিযান চালাতে শুরু করে। বিভিন্ন (POK) প্রতিবেদনে দাবি, এ পর্যন্ত সংঘর্ষ ও দমন-পীড়নের ঘটনায় অন্তত ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে (Pakistan)।

     

LinkedIn
Share