Tag: Siliguri

Siliguri

  • Ramkrisha Mission: জমির মালিক মিশনই, তবুও কেন গ্রেফতার হলনা প্রদীপ? প্রশ্ন পুলিশের বিরুদ্ধে

    Ramkrisha Mission: জমির মালিক মিশনই, তবুও কেন গ্রেফতার হলনা প্রদীপ? প্রশ্ন পুলিশের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে (Ramkrisha Mission) হামলার তদন্তে আজবকাণ্ড! ১৫ বছরের আগে অন্যত্র চলে যাওয়া মহারাজের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। এই মহারাজের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে হামলায় প্রধান অভিযুক্ত প্রদীপ রায়। আবার শিলিগুড়ি ডিসিপি সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, মূল অভি যুক্ত প্রদীপ ‘বেপাত্তা’। তবে কেন তার বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে লঘু ধারা? উত্তর দিতে পারেনি পুলিশ। অপরদিকে মিশনের হামলায় অভিযুক্ত যাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাদের আজ আদালতে তোলা হলে, বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলে, “আমাদের ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে”।

    পুলিশের বক্তব্য (Ramkrisha Mission)

    বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, “১৯ মে মাঝ রাতে সাড়ে তিনটে নাগাদ প্রদীপ রায় আরও ১০-১২ জন মিশনে (Ramkrisha Mission) ঘরে ঢুকে হামলা করে। মিশনের কর্মীদের ভয় দেখানো হয় এবং মারধর করে মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজও নষ্ট করে দেওয়া হয়। প্রদীপ রায় একটি কেস করেছে। তার দাবি, রামকৃষ্ণ মিশনের জমির মালিক সে। উত্তরাধিকার সূত্রে টুকা সিংয়ের কাছ থেকে এই জমি পেয়েছে প্রদীপ। কিন্তু তদন্তে জানা গিয়েছে, এই টুকা সিং অনেক আগে জমি বিক্রি করে দিয়েছে হরদুয়াল সিং গিল বলে এক ভদ্রলোকের কাছে। সে আবার বিক্রি করেছে এসকে রায়ের কাছে। এসকে রায় আবার জমিদান করেছে রামকৃষ্ণের কাছে। ফলে আদলাতের নির্দেশ অনুযায়ী জমির মালিক রামকৃষ্ণ মিশনই। তবে ল্যান্ড রেকর্ড অনুযায়ী জমি রয়েছে টুকা সিংয়ের নামেই। মিউটেশন হয়নি।”

    অধরা মূল অভিযুক্ত!

    রামকৃষ্ণ মিশনে (Ramkrisha Mission) হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা। কেন গ্রেফতার করা হয়নি প্রশ্ন করলে পুলিশ তার উত্তর ঠিক করে দিতে পারেননি। অথচ সেই মিশনের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে। এমনকি এফআইআর কপিতে ১৫ বছর আগে জলপাইগুড়ি থেকে চলে যাওয়া স্বামী অক্ষয়ানন্দ মহারাজের নাম রয়েছে। তিনি বর্তমানে প্রয়াগেরাজে থাকেন। তাঁর বিরুদ্ধে কীভাবে এফআইআর করল পুলিশ? আবার মিশনের পক্ষ থেকে যে এফআইআর করা হয়েছে সেখানে অভিযুক্তের নামের প্রদীপ রায়ের নাম থাকলেও, অস্ত্র আইনের মামলা রুজু করেনি পুলিশ। সবটা মিলিয়তে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠেছে অনেক।

    গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের বক্তব্য

    রামকৃষ্ণ মিশনে (Ramkrisha Mission) হামলা থাকার সন্দেহে যে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে আজ বুধবার তাদের আদালতে তোলা হয়েছে। অভিযুক্তদের বক্তব্য, “আমাদের জোর করে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা নির্দোষ। আমারা কেউ হামলার সঙ্গে যুক্ত নই।

    আরও পড়ুনঃহাজি নুরুলের নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূলের আদি-নব্যের গোষ্ঠী সংঘর্ষ! উত্তাল হাড়োয়া

    ঘটনা কী ঘটেছিল?

    শিলিগুড়ির ‘সেবক হাউস’ নামে একটি বাড়িতে শনিবার ১৯ মে রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ ৩৫ জনের একটি বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রামকৃষ্ণ মিশনের (Ramkrisha Mission)  ঘরে ঢুকে হামলা করে। একই সঙ্গে সন্ন্যাসীদের উপর চড়াও হয়। এরপর মিশনের সন্ন্যাসীদের শারীরিক ভাবে নিগ্রহ করে বাড়ি থেকে বাইরে করে দেওয়া হয়। একই ভাবে পাঁচ সন্ন্যাসী ও বাড়ির নিরাপত্তারক্ষীদের তুলে নিয়ে গিয়ে নিউজলপাইগুড়ি রেলস্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ফলে পরিস্থিতি ব্যাপক উত্তাল হয়ে ওঠে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Attack On Ramakrishna Mission: মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পরেই রামকৃষ্ণ মিশনে হামলা, সাধুদের প্রাণে মারার হুমকি

    Attack On Ramakrishna Mission: মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পরেই রামকৃষ্ণ মিশনে হামলা, সাধুদের প্রাণে মারার হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল বিরোধিতার অভিযোগে বিভিন্ন মিশন-সংঘের সাধুদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ঠিক পরে পরেই হামলা হল শিলিগুড়ির রামকৃষ্ণ মিশনে (Attack On Ramakrishna Mission)।

    রামকৃষ্ণ মিশনে দুষ্কৃতীদের দাপাদাপি (Attack On Ramakrishna Mission)

    আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হল জমি দখলের চেষ্টাও। প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হল আশ্রমের সন্ন্যাসীদের। কেড়ে নেওয়া হল মিশনের নিরাপত্তারক্ষীদের মোবাইল। ভেঙে ফেলা হল সিসিটিভি ক্যামেরা। ন্যক্কারজনক এই ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির সেবক রোডের শালুগাড়ায় রামকৃষ্ণ মিশনের সেবক হাউসে। এক ভক্তের দান করা জমিতেই গড়ে উঠেছে আশ্রম। দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে থেকে সাধন-ভজন করেন সন্ন্যাসীরা। রবিবার গভীর রাতে জমি মাফিয়া প্রদীপ রায় তিরিশ-চল্লিশ জন দুষ্কৃতীর একটি দল নিয়ে গিয়ে আশ্রমে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। মিশনের তরফে ভক্তিনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    সরব প্রধানমন্ত্রীও 

    রামকৃষ্ণ মিশনের (Attack On Ramakrishna Mission) মতো একটি প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় সরব হয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার রাজ্যে এসে এই পরিস্থিতির জন্য তিনি আঙুল তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে। তাঁর মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে রামকৃষ্ণ মিশন ও ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘকে আক্রমণ করেছেন, তার জেরেই এই ঘটনা। রাজ্যের এখনও বেশ কয়েকটি আসনে নির্বাচন বাকি। তার আগে হাওয়া যাতে গেরুয়া পালে ঘুরে না যায়, তাই মুখ খুলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতার দাবি, তাঁর অভিযোগ কেবল নির্দিষ্ট কয়েকজন সাধুর বিরুদ্ধে।

    তৃণমূলের পিঠ বাঁচানোর এই দাবিতে অবশ্য ভবি ভুলছে না। রামকৃষ্ণ মিশনের মতো নিরপেক্ষ একটি প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানোর নিন্দা করেছে বিজেপি। পদ্ম-পার্টির দাবি, ভোট ব্যাঙ্ক ধরে রাখতে এবং নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়কে খুশি করতেই তৃণমূল নেত্রীর এই বাক্যবাণ নিক্ষেপ। যার জেরে হামলা হয়েছে মিশনে। রামকৃষ্ণ মিশনে হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মেজাজ হারান শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব।

    আর পড়ুন: “তৃণমূলের কাছে রিপোর্ট কার্ড নেই, আছে রেটকার্ড”, চাকরি চুরি নিয়ে মমতাকে তোপ মোদির

    রামকৃষ্ণ মিশন কিংবা ভারত সেবাশ্রম সংঘের মতো প্রতিষ্ঠান নানা বিপদে আপদে পাশে থাকেন বিপন্নদের। সংসার-বন্ধন ছিন্ন করে মানবসেবাকেই যাঁরা জীবনের ব্রত করেছেন, ভোট কুড়োতে তাঁদেরই আক্রমণ করে বসলেন তৃণমূল সুপ্রিমো! বিশিষ্ট মহলের সিংহভাগেরও মতে, তৃণমূল নেত্রীর এহেন আক্রমণ স্রেফ ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্রয়েই রাজ্যে দুষ্কৃতীদের এত বাড়বাড়ন্ত। তাই যেই তিনি মঠ-মিশন-সংঘকে নিশানা করেছেন, তখনই জমি দখলে নেমে পড়েছে মাফিয়ারা (Attack On Ramakrishna Mission)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Siliguri: ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে, চিকিৎসার গাফিলতি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Siliguri: ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে, চিকিৎসার গাফিলতি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যুতে চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন স্বাস্থ্য কর্তারা। রাজ্যের তৃণমূল সরকার মাতৃত্বকালীন মৃত্যু কমিয়ে আনার জন্য বার বার কৃতিত্বের দাবি করে। এভাবে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যুতে রাজ্য সরকারের সেই দাবি জোর ধাক্কা খেয়েছে বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরবঙ্গের একমাত্র রেফারেল সেন্টার ৫৫ বছরের উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। 

     প্রশ্নের মুখে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Siliguri)

    উত্তরবঙ্গ (Siliguri) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে  দীর্ঘদিন ধরে নানান অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তারদের দিয়ে চলছে প্রসূতি বিভাগ। অনেক সময় নার্সরা প্রসব করান। দুপুরের পর থেকে সিনিয়র ডাক্তারদের দেখা মেলে না। গত ১ মে থেকে ১৫ মে পর্যন্ত ১০ জন প্রসূতির মৃত্যুতে এই অভিযোগগুলিই সামনে চলে এসেছে। দু’সপ্তাহে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যুতে চিকিৎসায় অবহেলার দিকটি দেখছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে থেকেই অভিযোগ শুনবে সিবিআই, চালু হল অস্থায়ী শিবির

    কী বলছে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ

    হাসপাতালের (Siliguri) অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার (মেডিক্যাল) ডাঃ নন্দন কুমার বন্দোপাধ্যায় বলেন, ১৫ দিনে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু উদ্বেগজনক। যে দশজন মারা গিয়েছেন তাদের মধ্যে  ইসলামপুর থেকে ২ জন,   জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ২ এবং ফাঁসিদেওয়া, মাটিগাড়া ও শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল থেকে একজন করে প্রসূতি সঙ্কটজনক অবস্থায় রেফার হয়ে এসেছিলেন। এদের কারও কিডনির, কারও হার্টের সমস্যা এবং অন্যান্য জটিলতা  ছিল। তাই তাদের প্রয়োজনীয় সব রকম  চিকিৎসার পরিষেবা দেওয়ার পরও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের ফেসিলিটি নোডাল অফিসার ডাঃ সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, প্রসূতিদের শুরুতেই দেখা উচিত, কারও কিডনির অসুখ, লিভারের সমস্যা রয়েছে কিনা বা অন্য কোনও জটিল রোগব্যাধিতে আক্রান্ত কিনা প্রসূতিরা সেটা প্রথমেই নির্ণয় করা প্রয়োজন। চিকিৎসার একদম নীচু স্তরে যাতে প্রসূতিদের এই দিকগুলির ওপর নজর দেওয়া হয় সে নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ওয়াকিবহাল করা হবে।

     প্রসূতিদের চিকিৎসায় গাফিলতি?

    রাজ্যের তৃণমূল সরকার দাবি করে, ব্লক থেকে জেলা, সব সরকারি হাসপাতালে পরিকাঠামোর উন্নয়ন করে এবং সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখজনকভাবে কমিয়ে আনা হয়েছে। গর্ভবতী মহিলাদের প্রথম থেকেই সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীরা দেখভাল করেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেন। প্রসূতিদের অহেতুক রেফারও বন্ধ করা হয়েছে। তাহলে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যে ১০ জন প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে তাদের সঙ্কটজনক অবস্থায় রেফার করা হল কেন? শুরুতে  চিকিৎসা ও অন্যান্য ব্যবস্থায় গাফিলতি ছিল?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: জেরক্সের দোকানে সক্রিয় জাল আধার-ভোটার কার্ড চক্র, সিমবক্স উদ্ধারে জঙ্গি যোগ!

    Siliguri: জেরক্সের দোকানে সক্রিয় জাল আধার-ভোটার কার্ড চক্র, সিমবক্স উদ্ধারে জঙ্গি যোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে (Siliguri) ফের জাল আধার ও ভোটার কার্ড তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম সাব্বির আলি। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকার ফুলবাড়ির জোটিয়াকালিতে একটি জেরক্সের দোকানে পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ ও গোয়েন্দা শাখা অভিযান চালায়। সেখান থেকে বেশকিছু জাল আধার ও ভোটার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স  সহ এই নকল নথি তৈরির সামগ্রী উদ্ধার হয়। এই দোকান থেকে তিনটি সিমবক্স পাওয়া গিয়েছে। যা ভাবিয়ে তুলেছে পুলিশকে।

    সিম বক্স উদ্ধারে জঙ্গি যোগ! (Siliguri)

    শিলিগুড়ি (Siliguri) শহর  লাগোয়া ভারত-নেপাল সীমান্ত দিয়ে বারবার অনুপ্রবেশকারীদের গ্রেফতারের ঘটনায় শিলিগুড়িতে জাল আধার ও ভোটার কার্ড তৈরির দিকটি অনেক আগেই সামনে এসেছে। এজন্য গ্রেফতারও হয়েছেন একাধিক ব্যক্তি। তার পরেও যে শিলিগুড়িতে জাল আধার কার্ড ভোটার কার্ড তৈরি চক্র নিষ্ক্রিয় করা যায়নি তা প্রমাণ হল বৃহস্পতিবার ফুলবাড়িতে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা জানিয়েছে, অপরাধমূলক কাজের জন্য সিম বক্স ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক টেলিফোন করা হয়। সিম বক্সে টেলিফোন করা হলে তা ধরা পড়ে না। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত কাছে থাকায়  গোয়েন্দাদের প্রাথমিক অনুমান জোটিয়াকালি থেকে সিম বক্সে বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হত।  জঙ্গি কার্যকলাপের দিকটিও অস্বীকার করছে না রাজ্য গোয়েন্দা পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে এই সিম বক্সের কারবার চলে আসাটা উদ্বেগজনক বলে মনে করছে গোয়েন্দা পুলিশ।

     কী বলছে পুলিশ?

    পুলিশ জানিয়েছে, দেশের নিরাপত্তার কারণে জানা দরকার, ধৃত  সাব্বির আলি সিম বক্স কেন বসিয়েছিল, কোথা থেকে সে পেয়েছে এবং এর মাধ্যমে কে বা কারা কোথায় কোথায় ফোন করত। আন্তর্জাতিক বিষয়ে এসব জানার জন্য সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো এবং আর্মি-ইন্টেলিজিন্সের সাহায্য প্রয়োজন। তাই তাদেরকে গোটা বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    প্রশ্ন উঠেছে রাজ্য পুলিশ ও গোয়ান্দাদের ভূমিকা নিয়ে

    জাল আধার ও ভোটার কার্ড তৈরি ঘটনার সঙ্গে সিম বক্সের কারবার  সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় রাজ্য পুলিশ ও গোয়েন্দাদের নজরদারি ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, এই সীমান্ত এলাকায় যে ধরনের নজরদারি থাকা প্রয়োজন তা নেই। সেই সুযোগেই দিনের পর দিন জাল আধার, ভোটার কার্ড তৈরির পাশাপাশি সিম বক্স বসিয়ে এই কারবার চলছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: তৃণমূলের মদতেই নদীর চর বিক্রি করছে জমি মাফিয়ারা! রুখে দিলেন বিজেপি বিধায়ক

    Siliguri: তৃণমূলের মদতেই নদীর চর বিক্রি করছে জমি মাফিয়ারা! রুখে দিলেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদীর চর দখল করে প্লট বানিয়ে বিক্রি করছে তৃণমূল আশ্রিত জমি মাফিয়ারা। প্রতিবাদে রুখে দাঁড়ালেন এলাকার বিজেপি বিধায়ক। শিলিগুড়ি (Siliguri) শহর লাগোয়া ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ি বিধানসভার অন্তর্গত হাতিয়াডাঙ্গার চন্দননগর এলাকায় সাহু নদীর চর দখলে যুক্ত তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ধাক্কা খেয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ।

    কী নির্দেশ ছিল মুখ্যমন্ত্রীর? (Siliguri)

    এই এলাকা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে মিনি সচিবালয় উত্তরকন্যায় (Siliguri) বসে বছর তিনেক আগে মুখ্যমন্ত্রী এখানে জমির মাফিয়া রাজ বন্ধ করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিছুদিন পুলিশ দৌঁড়ঝাপ করে কয়েকজন জমিয়া মাফিয়াকে গ্রেফতার করেছিল। কিন্তু, তাতে জমি হাঙরদের শায়েস্তা করা যায়নি। খোদ মুখ্যমন্ত্রীর দলের নেতারাই জমি দখলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। সাহু নদীর চর দখলের ঘটনায় সেটাই প্রমাণ হল বলে মনে করেন ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে ১০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন অনুপ মাঝি

    কোথায় কীভাবে দখল হচ্ছে নদীর চর?

    ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ির বিধানসভা এলাকার ডাবগ্রাম – ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতিয়াডাঙার পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে সাহু নদী। এক সময় সারা বছর নদীতে ভালো জল থাকত। চর দখল হতে হতে সেই নদী নর্দমায় পরিণত হয়েছে। বদলে যাচ্ছে নদীর গতিপথ। হাতিয়া ডাঙার চন্দননগরে (Siliguri) প্রায় পাঁচ বিঘা নদীর চর হঠাৎ করে ঘেরা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পার্শ্ববর্তী গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য শাকালু রায়ের নেতৃত্বে এই চর দখল চলছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজনকে মন্দির বানানোর কথা বলে দলে টানেন ওই তৃণমূল নেতা। একটি ছোট মন্দির তৈরির কাজও শুরু করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন,  একটা ছোট মন্দির গড়ার জন্য বিঘার পর বিঘা নদীর চর ঘেরা হয়েছে কেন? অন্য এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত কেন এখানে এসে মন্দির বানাবেন?

     রুখে দাঁড়ালেন বিজেপি বিধায়ক  

    বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, জমি গিলতে গিলতে তৃণমূলের জমি মাফিয়া নেতাদের পেট বড় হয়ে গিয়েছো। তাই নদীর চরও রেহাই পাচ্ছে না। গোটা এলাকায় নদীর চর দখল হয়ে গিয়েছে। এখানেও মন্দির বানানোর নাম করে তৃণমূলের জমি হাঙরররা নদীর চর দখল করে প্লট বানিয়ে বিক্রি করবে। গোটা বিষয়টি পুলিশ ও বিডিও’কে জানিয়েছি। কাজ বন্ধ হয়েছে। এই নদীর চর দখল হতে দেব না।

    কী বলছেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

    তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য শাকালু রায় বলেন, মন্দির বানানো হচ্ছে। তাতে কেন বাঁধা দেওয়া হচ্ছ? অনেকদিন থেকেই এই নদীর চর দখল করে অনেক বাড়ি ঘর তৈরি হয়েছে। সেগুলি কেন ভাঙা হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: গরমে  ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    Siliguri: গরমে ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র গরমের মধ্যে শুক্রবার থেকে আগামী ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শহর শিলিগুড়ি (Siliguri)। পুরসভার তরফে বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে সে কথা জানানো হয়েছে। ফলে, চরম দুর্ভোগের আশঙ্কা শহরবাসীর। পুর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছেন পুরবাসী।

    কেন জল সঙ্কট? (Siliguri)

    তিস্তা মহানন্দা ক্যানেল থেকে শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল নেওয়া হয়। গত পুজোর আগে সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে গজলডোবার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। শুক্রবার থেকে সেই বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হবে। বাঁধ মেরামত করার জন্য গজলডোবা ব্যারেজের সব স্লুইস গেট খুলে জলস্তর নামানো হয়েছে। এই তাই বাঁধ মেরামত চলাকালীন তিস্তা থেকে আর জল পাওয়া যাবে না।

      মেয়র কী সাফাই দিলেন?

    মেয়র গৌতম দেব বলেন, গজলডোবায় তিস্তা ব্যারেজে বাঁধ মেরামতির কাজ করতেই হবে।  না হলে এই বর্ষায়  বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসে যাবে। প্রচুর মানুষ  ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে। সেই বিপর্যয় এড়ানোর জন্যই এই বাঁধ মেরামত করা হচ্ছে। তবে, মানুষ যাতে নির্জলা না থাকে তারজন্য শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিভিন্ন এলাকায় ২১ টি জলের ট্যাঙ্ক রাখা থাকবে। পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের তরফে ১ লক্ষ জলের পাউচ বিলি করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি দেখা দিত না। বামেরা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার সময় শিলিগুড়ির পানীয় জল প্রকল্পের বিকল্প জলাধার তৈরি করেনি। বিকল্প জলাধার থাকলে এধরনের পরিস্থিতির জন্য আগাম জল ধরে রেখে তা দিয়ে সমস্যার সমাধান করা যেত।

    আরও পড়ুন: “নৈহাটিতে সব থেকে বেশি ভোটে হারবে তৃণমূল,” ঘোষণা অর্জুনের

    জল সঙ্কটের জন্য দায়ী তৃণমূল, বলছে  বিজেপি

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপি কাউন্সিলর অমিত জৈন এই পরিস্থিতির জন্য মেয়রের অযোগ্যতাকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, গত একমাস ধরে শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জলের সঙ্কট চলছে। ভোট নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্য মেয়র ও তাঁর কাউন্সিলররা কাজ করেননি। সেই ব্যর্থতাকে আড়াল করতে তিস্তা বাঁধ মেরামতকে অজুহাত করা হচ্ছে। ছ’মাস আগে কেন বাঁধ মেরামত করা হল না? কেন্দ্রীয় সরকার অম্রুত-২ প্রকল্পে শিলিগুড়ি পুরসভার জল প্রকল্পের জন্য টাকা অনুমোদন করেছে। সেই টাকা পেয়েও মেয়র কাজ শুরু করতে পারেনি। একাধিকবার টেন্ডার ডেকেও বিডার পাওয়া যায়নি। ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।  গৌতম বাবু ১০ বছর মন্ত্রী ছিলেন। তাহলে তিনি নিজের শহরের জন্য পানীয় জল প্রকল্পের ব্যাপারে উদ্যোগ নেননি কেন? আসলে রাজনীতি, দলবাজি করার করতে গিয়ে তিনি  শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল সমস্যাকে জটিল করেছেন। তার জেরে এখন তীব্র গরমে শহরবাসীকে জলকষ্টে থাকতে হচ্ছে।  তিনদিনের মধ্যে যদি শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল সরবরাহ স্বাভাবিক না হয়, তাহলে আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাস্তায় নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: “ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    Siliguri: “ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে ভোটের ৭২  ঘণ্টার মধ্যে রক্ত ঝরল শিলিগুড়িতে। অভিযোগ, বিজেপির হয়ে ভোটে কাজ করা ও জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেওয়ার কারণে তৃণমূলের হাতে  গুরুতরভাবে আক্রান্ত হলেন বিজেপি বুথ সভাপতি সহ ছ’ জন কর্মী। এর মধ্যে দু’জন মহিলা রয়েছেন। আক্রান্তদের শিলিগুড়ি (Siliguri) জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার রাতে মাটিগাড়া ব্লকের কলাইবক্তিয়ারিতে এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগে এফআইআর করে আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে রবিবার রাতেই মাটিগাড়া থানায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার মাটিগাড়া ব্লক বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসিপি, হেড কোয়ার্টার তন্ময় সরকার বলেন, হামলার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী হয়েছিল? (Siliguri)

    মাটিগাড়া -নকশালবাড়ি বিধানসভা এলাকায় কলাইবক্তিয়ারিতে  বিজেপির স্থানীয় বুথ সভাপতি নন্দকিশোর ঠাকুরকে বিজেপির হয়ে কাজ করতে বারণ করেছিল তৃণমূল। সেই নিষেধ অমান্য করে এলাকায় তাঁরা প্রচার করেছিলেন। এমনকী ভোটের দিন বুথের কাছে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়েছিলেন। ভোট শেষ হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপির বুথ সভাপতিসহ ছ’জন বিজেপি কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা চালায় দুস্কুতিরা। দু’জন মহিলা সহ ছয়জন গুরুতর জখম হয়েছেন। এই ঘটনায় সরাসরি তৃণমূলকে দায়ী করেছে বিজেপি। বিজেপির শিলিগুড়ি (Siliguri) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরুণ মন্ডল বলেন, তৃণমূল নেতা স্থানীয় তৃণমূল নেতা কৈলাশ মণ্ডল ও তাঁর দলবল ভোটের আগে থেকেই আমাদের বুথ সভাপতি  নন্দকিশোর ঠাকুরকে হুমকি দিচ্ছিল। রবিবার সকালে বাড়ি গিয়ে নন্দকিশোরকে  প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে মাটিগাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। রাতেই প্রাণঘাতি হামলা চালায় তৃণমূল নেতা কৈলাশ মণ্ডল ও তাঁর দলবল। আক্রান্ত বিজেপি নেতা নন্দকিশোরবাবু বলেন, ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূল। আমার পাশাপাশি দু’জন মহিলা সহ আমাদের ছ’জন কর্মী গুরুতর জখম হন। এর প্রতিবাদে সোমবার আমরা মাটিগাড়া বনধের ডাক দিয়েছি। মানুষ তাতে সাড়া দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: তৃতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলতে রাজ্যে আসছেন মোদি-যোগী

    তৃণমূলের দালাল পুলিশের মদতেই এই ঘটনা, বললেন রাজু বিস্তা

    বিজেপির দার্জিলিং লোকসভা আসনের প্রার্থী ও বিদায়ী সাংসদ রাজু বিস্তা এই ঘটানার জন্য পুলিশের নিষ্ক্রিয়তাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, রবিবার সকালে পুলিশকে অভিযোগ জানানোর পর ব্যবস্থা নেওয়া হলে এই ঘটনা ঘটত না। পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে। সকালে অভিযোগ পেয়েও এই ঘটনা ঘটানোর জন্য পুলিশ নিশ্চুপ হয়ে বসেছিল। তৃণমূলের এই সন্ত্রাস এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ তদন্ত করার দাবি জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recrutment Scam: “আমি যে যোগ্য কেউ তা বিশ্বাস করবে না”, চাকরি হারিয়ে আক্ষেপ চন্দননগরের কার্তিক ধারার

    SSC Recrutment Scam: “আমি যে যোগ্য কেউ তা বিশ্বাস করবে না”, চাকরি হারিয়ে আক্ষেপ চন্দননগরের কার্তিক ধারার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা সেলুন চালিয়ে সংসার চালান। বাম আমলে প্রাথমিকে চাকরি পান। কিন্তু, হাইস্কুলের চাকরি পেয়ে হুগলির কার্তিক ধাড়া এসে ওঠেন শিলিগুড়িতে। ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি প্রাথমিকের চাকরি ছেড়ে হাইস্কুলে যোগ দেন। ৭ বছরের বেশি সময়ের নিশ্চিত চাকরি ছেড়ে, বাড়ি ছেড়ে এসেছিলেন শিলিগুড়ি। এসএসসির নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) মামলায় হাইকোর্টের রায়ে এবার গেল সেই চাকরিও। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল কার্তিকের। দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

    প্রাইমারির চাকরি ছেড়ে হাইস্কুলে যোগ দিয়েছিলেন (SSC Recruitment Scam)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কার্তিকবাবুর বাড়ি হুগলির চন্দননগরে। বাড়িতে বয়স্ক বাবা-মা। বাবার সেলুন আছে। কার্তিক গ্র্যাজুয়েশন করার পর বাবা বলেছিলেন, এবার একটু কাজের খোঁজ করতে। সেলুন চালিয়ে আর তিনি একা এত কিছু টানতে পারছিলেন না। কার্তিকবাবু টিউশন করে এম কম করেন। পরে, ফর্ম ফিলআপ করে হরিপালে প্রাইমারি স্কুলে চাকরি পান তিনি। ২০১১ সালে চাকরিতে যোগদান করেন তিনি। পরে, এডুকেশনে আবার এম.এ করেন। কমার্সে দু’বার নেট ক্লিয়ারও করেছেন তিনি, দাবি পরিবারের সদস্যদের। ইচ্ছা ছিল কলেজেও পড়ানোর। বিভিন্ন পরীক্ষার ফর্ম ফিলআপ করতেন তিনি। ২০১৬তে এসএসসির ফর্ম বেরোল। লিখিত পরীক্ষায় বসলেন তিনি। ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন, ভাইভা সবেতেই  পাশ করে ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রাথমিকের চাকরি ছেড়ে হাইস্কুলে যোগ দেন। প্রাথমিকের প্রায় সাড়ে সাত বছরের চাকরি ছেড়ে এসএসসি দিয়ে হাইস্কুলে পড়াতে শিলিগুড়ি এসেছিলেন তিনি। সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগের (SSC Recruitment Scam) গোটা প্যানেল বাতিল করে দেওয়ার পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

    আরও পড়ুন: ১৭টি বিভিন্ন উপায়ে নিয়োগে দুর্নীতি করেছে এসএসসি! কী বলল হাইকোর্ট?

    আমি যে যোগ্য কেউ তা বিশ্বাস করবে না

    কার্তিক বলেন, “তালিকায় নিশ্চয়ই কিছু গোলমাল হয়েছে। তা নিয়ে কোনও বক্তব্য নেই। কিন্তু, যারা কিছু করেনি, তাদের কথা কোর্ট একবারও ভাবল না। আমার তো মাথাই কাজ করছে না, কী করব। এখন মনে হচ্ছে আগের প্রাইমারি চাকরিটা না ছাড়লে আজ আমার এরকম অবস্থা হতো না। পরিবারের চিন্তা, সঙ্গে আবার লোনও নিয়েছেন। বাড়ি থেকে আমাকে ফোনও করেছে। তাঁরা ভয় পাচ্ছেন, আমি যদি কিছু করে বসি। খুব বড় ধাক্কা। আমরা যারা যোগ্য, তাদের কাছে তো এই রায় মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো। সবাইকে বাতিল করে দিল, তাতে তো আমরাও খাদে পড়লাম। কী করব তো বুঝতেই পারছি না। এবার লোকজনও অন্য চোখে দেখবে। আমি যে যোগ্য কেউ তো বিশ্বাসই করবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “বাংলায় আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই,” বিস্ফোরক রাজনাথ সিং

    Rajnath Singh: “বাংলায় আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই,” বিস্ফোরক রাজনাথ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী গৌরীশংকর ঘোষের সমর্থনে জলঙ্গিতে জনসভা করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি বাংলায় তিনটি সভা করেন। প্রথম সভা মুর্শিদাবাদে। দ্বিতীয় সভা মালদা উত্তর এবং তৃতীয় জনসভা শিলিগুড়িতে। এদিন মুর্শিদাবাদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিভিন্ন ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা করেন।

    সন্দেশখালির ঘটনা মানবতার জন্য লজ্জার (Rajnath Singh)

    এদিন রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, “বাংলা অরাজকতার পরিবেশ। বাংলায় আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। সন্দেশখালির যে ঘটনা তা মানবতার জন্য লজ্জার। এই বাংলায় শিক্ষা, রেশন, আবাস যোজনায়, চাকরি ক্ষেত্রে সর্বত্র দুর্নীতি। এখানে মমতাদি গরিবকে আবাস যোজনা দেওয়ার কথা বলছেন, কিন্তু আবাস যোজনা ক্ষেত্রেও ভয়াবহ দুর্নীতি হয়েছে।  মমতাজি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে লালসা দেখাচ্ছেন। কিন্তু, আপনি বাংলার মানুষক কেন্দ্রের আয়ুষ্মান প্রকল্প চালু করতে দেননি, যেখানে গরিব মানুষ ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্য পরিষেবা পাবেন। মমতাদি, আপনার পাপের ঘড়া ভরে গিয়েছে, এবার আপনার পতন। আপনি যতই মানুষকে ভুল বোঝান না কেন মানুষ আপনার এই মিথ্যা প্রতিশ্রুতি শুনবে না।”

    আরও পড়ুন: “গোর্খারা ন্যায় বিচার পাবে”, সভায় যেতে না পেরে ফোনে বার্তা দিলেন অমিত শাহ

    নাগরিকত্ব আইন কার্যকরী হবে

    রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, “আমাদের সরকার বাংলায় ইন্ডাস্ট্রি রিসোর্ট বানানোর জন্য পয়সা দিয়েছে, চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার সেন্টারের জন্য পয়সা দিয়েছে, সত্যজিৎ এওয়ার্ড ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন সেন্টারের জন্য পয়সা দেওয়া হয়েছে, সেই পয়সা কোথায় গেল?” তিনি আরো বলেন, “২০২২ সালের ৩০ শে ডিসেম্বর আমাদের প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে এসে বন্দে মাতরম ট্রেন উদ্বোধন করেন। সেই দিনই ৭৮০০ কোটি টাকার যোজনার শিলান্যাস করেন। প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন করার জন্য অন্তর থেকে তৈরি আছেন। কিন্তু, মমতাদির এ বিষয়ে কোনও চিন্তা নেই।” রাজনাথ সিং এই জনসভা থেকে মমতাদির উদ্দেশ্যে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যদি কাউকে বিশ্বাস করে তিনি হচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি। তাঁকে সকলেই ভালোবাসেন এবং সম্মান করেন।” তিনি বলেন, “আমরা বলেছিলাম ধর্মের কারণে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানে যাদের হেনস্তা করা হয়েছে, সারা ভারতে এলে এক নাগরিকত্ব আইন করে দেওয়া হবে। আর মমতাদি, আপনি বলছেন আমি পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব আইন করতে দেব না।” এরপর জনসভা থেকে হুংকার দিয়ে তিনি বলেন, “মমতাদি ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গে আসছে। নাগরিকত্ব আইন এই পশ্চিমবঙ্গে কার্যকরী করবই । দুনিয়ায় এমন কোনও শক্তি নেই এই নাগরিকত্ব আইন করতে বাধা দেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: “নাম নেই, আমি নাকি মরে গিয়েছি”! ভোট দিতে পারলেন না বৃদ্ধা, অভিযোগে তোলপাড়

    Dhupguri: “নাম নেই, আমি নাকি মরে গিয়েছি”! ভোট দিতে পারলেন না বৃদ্ধা, অভিযোগে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল সাতটা নাগাদ ভোট দিতে গিয়েছিলেন। দেড় ঘণ্টা হয়ে গেলেও ভোট দিতে পারেননি। এরপর প্রিসাইডিং অফিসার বলেন, আপনার নাম বাতিল হয়ে গিয়েছে। এবছর কিছু হবে না। পরে দেখা যাবে। তিনি কাকে যেন ফোন করলেন, তবু কিছুই হল না। ঠিক এমনই অভিযোগ করলেন ধূপগুড়ির (Dhupguri) একজন বৃদ্ধা ভোটার। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। জীবিত ভোটার খাতায় কলমে ‘মৃত’!

    ভোট দিতে গিয়ে দেখেন ভোটার ‘মৃত’ (Dhupguri)

    এদিন জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) লোকসভা কেন্দ্রের ধূপগুড়ি (Dhupguri) পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বৈরাতিগুড়ি হাইস্কুলে ভোট কেন্দ্রে যান বাসন্তী দাস। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ১৫/১৮৬ নম্বর বুথে ভোট দিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তিনি নাকি খাতায় কলমে মৃত। তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ হয়ে গেছে। কাঁদতে কাঁদতে এই ভোটার বলেন, “আমাকে বলেছে আমি নাকি মরে গেছি। আমার নাম কেটে দিয়েছে ওরা। ভোট দিতে দেবে না বলে মৃত দেখিয়ে দিল।”

    ভোটারের বক্তব্য

    ধূপগুড়ির (Dhupguri) ভোটার বাসন্তী দাস বলেন, “প্রিসাইডিং অফিসার আমাকে বলেছেন, তাঁর কিছু করার নেই। ভোটার তালিকায় নাম নেই। ডিলিট হয়ে গেছে। তাই ভোট দিতে পারবেন না। তাই ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই আমাকে।” বৃদ্ধার ছেলে উজ্জ্বল দাস এই প্রসঙ্গে বলেন, “মা একা ভোট দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওখানে বলে তোমার নাম নেই। তুমি মৃত। মা বাইরে এসে আমাদের জানায়। ফের কথা বললে জানায়, নামের জায়গায় মৃত লেখা আছে। আমরা পরে বুঝে নেব। মা প্রায় দেড় ঘণ্টা ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারপরেও ভোট দিতে পারেননি। আমরা তো প্রতিবার এখানেই ভোট দিই। এবারে কী হল জানি না।”

    আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে তৃণমূল নেতা সুনীলের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ! ভোট শুরুর প্রথম দিনেই কী বার্তা দিলীপের?

    ভক্তিনগর এলাকায় একই ঘটনা ঘটেছে

    অন্যদিকে একই ভাবে খাতায় কলমে মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৪ নং ওয়ার্ডের বাল্মীকি বিদ্যাপীঠ স্কুলে। জানা গিয়েছে ভক্তিনগর এলাকার বাসিন্দা গোবিন্দ রায় নির্ধারিত সময়ে ভোট দিতে আসেন। লাইনে দাঁড়িয়ে তিনি যখন বুথে ঢোকেন তখন জানতে পারেন তালিকায় তাঁর নাম নেই। তিনি নাকি মৃত! তবে প্রশ্ন হচ্ছে যে ব্যক্তি নিজের পায়ে হেঁটে ভোটার লাইনে আসেন সেই ক্ষেত্রে কী করে তিনি মৃত হতে পারেন। এদিন গোবিন্দ রায় বলেন, “সকাল সকাল এসে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। বুথে পৌঁছাতেই জানতে পারি তালিকা অনুযায়ী আমি মৃত। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ভোট দিয়েছে। শুধু আমি ভোট দিতে পারলাম না।” বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের ভোটার নন। এমন সন্দেহ হলেই নাম বাদ দিয়ে দিচ্ছে প্রশাসন।

    ভোটের দিনেই অশান্তি

    প্রসঙ্গত এরকম একাধিক অভিযোগ উঠেছে তিন কেন্দ্রেই। বহু মানুষ ভোট দিতে পারেননি। এমনকি বিরোধী দলের এজেন্টকেও বসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। শাসক দল তৃণমূলের নেতারা বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ব্যাপক মারধর এবং অশান্তি করেছে খবর উঠে আসছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিজেপি অভিযোগ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনে। ধুপগুড়িতে (Dhupguri) জীবিত ভোটার এখন মৃত। ঘটনায় চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে। কোচবিহারের (Coochbehar) বিজেপি প্রার্থী (BJP) নিশীথ প্রামাণিক ভোট দিয়েই অভিযোগের সুরে বক্তব্য রেখে বলেন, উদয়ন গুহ যেখানে যাচ্ছেন অশান্তি পাকাচ্ছেন। সংবাদ মাধ্যমের গাড়িতেও হামলা করানো হচ্ছে। মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না। শুধু কোচবিহারে নয়, উত্তরবঙ্গের অন্যান্য কেন্দ্রেও উঠেছে রিগিং ও অনিয়মের অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share