Bangladesh: তারেককে ভারতে আমন্ত্রণ মোদির, সম্পর্কের মাত্রা পরিবর্তনের ইঙ্গিত

modi invites tariq to India, signals change in level of relations

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী রূপে শপথ গ্রহণ করবেন তারেক রহমান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং উপস্থিত না থাকতে পারলেও বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি মোদির চিঠি নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছেন। চিঠিতে মোদি তারেককে (Tarique Rahman) ভারতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ভারত চাইছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের কিছু সময়ের পরেই যেন ভারত সফরে আসেন এই বিএনপি নেতা।

সম্পর্কের বিরাট অবনতি হয়েছিল (Bangladesh)

ঢাকার (Bangladesh) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যেতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী মোদি। অবশ্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তিনি দিল্লি এবং মুম্বইতে একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশেষ ভাবে ব্যস্ত থাকবেন। তবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর গত দেড় বছরের বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের বিরাট অবনতি ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস নিজেও কট্টর ভারত বিরোধিতা করে পাকিস্তান এবং আইএসআই-এর সঙ্গে সম্পর্ক সুগম্য করেছেন। তাই বিএনপি সরকার গড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের দ্রুত উন্নতি চায়। তারেক রহমানকে সেই জন্য নির্বাচনের পরে মোদি স্বয়ং অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছিলেন। উল্লেখ্য, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। ভারত সব সময়েই বাংলাদেশে স্থায়ী সরকার গঠনের পক্ষে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে।

চুক্তি সম্পন্ন হলে দুই দেশের সম্পর্ক ভালো হবে

শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করে তারেক রহমান বলেছেন, “কোন একটি দেশের (Bangladesh) সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কের পথে পা বাড়াবো না। আমাদের বিদেশনীতি হবে স্বাধীন এবং সাবলক। সরকারের বিদেশনীতির মূলমন্ত্র হবে সবার আগে দেশ (Tarique Rahman)।”

তবে ভারতের কাছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। উপমহাদেশে শান্তি এবং সুরক্ষা বজায় রাখতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও মজবুত করা প্রয়োজন। ইউনূসের শাসনের কালা অধ্যায়কে দ্রুত কাটাতে চায় ভারত। এই জন্য দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে বিশেষ বৈঠক করা একান্ত প্রয়োজন। তবে তারেক রহমান ভারত সফরে আসলে দুই দেশের মধ্যে একাধিক বিষয়ে চুক্তিকে বাস্তবায়ন করা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন। তারমধ্যে হল গঙ্গার জল বণ্টন চুক্তি। গত ৩০ বছর আগে এই চুক্তি হয়েছিল এবং এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। ২০২৬ সালে ফের আরেকবার চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে হবে। ইতিমধ্যে দুই দেশের অফিসার এবং ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে ইতিমধ্যে কথাবার্তা হয়েছে। অভিজ্ঞ মহল অবশ্য মনে করছে, দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হলে সম্পর্কের মাত্রা ভালো হবে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share