India Canada Relation: “নতুন সুযোগের দরজা খুলবে” মুম্বইয়ে পৌঁছে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রশংসা কার্নির

india canada relation pm carney visit delhi mumbai said about india's economic growth

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি শুক্রবার সন্ধ্যায় মুম্বই বিমানবন্দরে নেমেছেন। কানাডার (India Canada Relation) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তাঁর প্রথম ভারত সফর। ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের তিক্ততা মিটিয়ে নতুন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ার লক্ষ্যে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই সফরে বাণিজ্য, জ্বালানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে উচ্চাভিলাষী দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলাই প্রধান লক্ষ্য। উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে তিনি মুম্বইয়ে পৌঁছন। এখানে তিনি ভারত ও কানাডার শীর্ষ শিল্পপতি, আর্থিক বিশেষজ্ঞ ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

কখন কোথায় যাবেন কার্নি

মুম্বইয়ে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে কার্নি (Carney visit India) একটি বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শুরু করবেন, যা আগামী নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় কার্নি বলেন, “ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি। আমরা মুম্বইয়ে পৌঁছেছি ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এবং এমন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে, যা কানাডার শ্রমিক ও ব্যবসার জন্য নতুন দরজা খুলে দেবে।” ১ মার্চ কার্নির নয়াদিল্লিতে যাওয়ার কথা। ২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। ওই বৈঠকে জ্বালানি, শিক্ষা, খনিজ নিরাপত্তা, বাণিজ্যিক সহযোগিতা এবং দু’দেশের জনগণের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সফর কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। এই সফরে শক্তি, খনিজ, পরমাণু সহযোগিতা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সম্পর্কের নতুন সমীকরণ

মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে টানাপোড়েনপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে কানাডা আরও শক্তিশালী, স্বনির্ভর ও স্থিতিশীল অর্থনীতি গড়ার দিকে জোর দিচ্ছে। কার্নি বলেন, “এক অনিশ্চিত বিশ্বে কানাডা এমন বিষয়গুলিতে মনোনিবেশ করছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণে। আমরা বাণিজ্য বৈচিত্র্য আনছি এবং ব্যাপক নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করছি, যাতে আমাদের শ্রমিক ও ব্যবসার জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়।” তিনি আরও বলেন, “দেশে স্থিতি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা বিদেশে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি।” কার্নির এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন সূচনার প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। কার্নির এই সফরকে ভারত-কানাডা সম্পর্কের (India Canada Relations) ‘রিসেট’ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তাঁর পূর্বসূরি জাস্টিন ট্রুডোর আমলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে, বিশেষ করে ২০২৩ সালে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের ভূমিকা নিয়ে কানাডার অভিযোগ ঘিরে। ভারত সেই অভিযোগ শুরু থেকেই জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share