Dhurandhar-2: “আয়ের অর্ধেক চাই”, ‘ধুরন্ধর-২’-র সাফল্যে অদ্ভুত দাবি পাকিস্তানের লিয়ারির বাসিন্দাদের

dhurandhar 2 people of pakistan's liyari wants share of earnings from the movie

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধুরন্ধর ব্লকবাস্টার। আর ধুরন্ধর ২- (Dhurandhar: The Revenge) আরও বড় হিট। বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে চলেছে আদিত্য ধরের এই ছবি। ইতিমধ্যেই ১৩০০ কোটির গণ্ডি পার করে গিয়েছে ধুরন্ধর-২ এর বক্সঅফিস কালেকশন। মার্কিন মুলুকেও ধুরন্ধর-২ সবথেকে হিট ভারতীয় সিনেমা। আর ভারতীয় সিনেমার এই সাফল্য দেখে, এবার আজব দাবি পাকিস্তানের বাসিন্দাদের। বিশ্বজুড়ে ধুরন্ধর ২ যে ব্যবসা করছে, সেই লাভের টাকা থেকে ভাগ চাই পাকিস্তানবাসীর। পাকিস্তানের লিয়ারির উপরে তৈরি ধুরন্ধর ও ধুরন্ধর ২-র গল্প। তাই সাফল্যের ভাগ দিতে হবে লিয়ারিবাসীকেও। ওমনই দাবি এলাকার বাসিন্দাদের।

ভারত টাকা দিলেই উন্নতি সম্ভব

রণবীর সিংয়ের সিনেমা ব্লকবাস্টার হিট হতেই লিয়ারির বাসিন্দারা সিনেমার লাভের টাকায় ভাগ চেয়ে বসলেন। তাদের দাবি, লিয়ারির রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ধুরন্ধর: দ্য় রিভেঞ্জ সিনেমার আয়ের ভাগ দেওয়া হোক তাদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিয়োয় লিয়ারির স্থানীয় বাসিন্দাদের বলতে শোনা যাচ্ছে যে সিনেমায় যেহেতু লিয়ারির নাম ও ব্যাকড্রপ ব্যবহার করা হয়েছে, তাই লিয়ারির বাসিন্দাদের লাভবান হওয়া উচিত। এক বাসিন্দা বলেই বসেন যে ভারত যদি টাকা দেয়, তাহলেই একমাত্র রাস্তাঘাটের উন্নতি সম্ভব। আবার অনেকে বলেন যে লিয়ারির জনগণের উন্নয়নের জন্য অন্তত কয়েকশো কোটি টাকা পাঠানো উচিত। যেহেতু পাকিস্তানে সত্যি লিয়ারি নামক জায়গাটি রয়েছে এবং সেখানকার গল্পের উপরে ভর করেই আদিত্য ধরের তৈরি এই দুই সিনেমা বিপুল আয় করেছে, তাই ধুরন্ধর-২ সাফল্যে তাদেরও ভাগ রয়েছে।

অন্তত ৫০০ কোটি লিয়ারির মানুষদের দিন!

সম্প্রতি, সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের লিয়ারির বাসিন্দারা ‘ধুরন্ধর ২’-এর সাফল্যে মুখ খুলেছেন। তাঁদের মতে, ‘‘যদি ১০০০ কোটি টাকা আয় করেন , তাহলে অন্তত ৫০০ কোটি লিয়ারির মানুষদের দিন। যদি আপনাদের আয়ের অর্ধেকও দেন, তাহলে এখানকার রাস্তাগুলো তৈরি হয়ে যাবে। বাচ্চারা এগুলোর উপর দিয়ে হাঁটলে পায়ে ফোস্কা পড়ে যায়।’’ ঘটনার সূত্রপাত ছবির চিত্রনাট্য ও চিত্রায়ণ নিয়ে। লিয়ারি এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ছবিটিতে তাঁদের এলাকা এবং সেখানকার সংস্কৃতিকে অত্যন্ত নেতিবাচকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তাঁদের দাবি, ‘ধুরন্ধর ২’ ছবিতে লিয়ারিকে অপরাধের মূল কেন্দ্র এবং সন্ত্রাসবাদের আখড়া হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা সেখানকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর চরম অপমানজনক প্রভাব ফেলেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একটি বাণিজ্যিক ছবি নিজের মুনাফার জন্য একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে না।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share