মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ। এই আবহে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) সংঘটিত পূর্বতন হিংসার স্মৃতি উসকে দিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করল ভারতীয় জনতা পার্টি। গত বছর ওয়াকফ বিল নিয়ে সৃষ্টি হিংসায় প্রাণ হারানো হরগোবিন্দ দাস এবং চন্দন দাসের পরিবারের সদস্যরা এবার বিজেপির হয়ে ময়দানে নেমেছেন।
স্বজনহারাদের লড়াই (West Bengal Elections 2026)!
শামসেরগঞ্জের (West Bengal Elections 2026) ধুলিয়ানে গত বছর ওয়াকফ কেন্দ্রিক গোলমালে নৃশংসভাবে খুন হন বাবা হরগোবিন্দ ও ছেলে চন্দন দাস। এই নির্বাচনে তাঁদের বিধবা স্ত্রীরা বিজেপির নির্বাচনী কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের উপস্থিতি প্রচারের ময়দানে (Murshidabad) এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে।
পদ্ম শিবির এই হত্যার ঘটনাকে ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি’ এবং ‘তোষণ নীতির ফল’ হিসেবে বর্ণনা করছে। নিহতদের পরিবারের মাধ্যমে তারা ভোটারদের কাছে হিন্দু সামাজের নিরাপত্তার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
আবেগ ও ন্যায়বিচার
নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) জনসভাগুলোতে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বিচারের দাবি জানাচ্ছেন। তাঁদের কান্নায় ভেজা আবেদনকে সামনে রেখে বিজেপি সাধারণ মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলায় ওয়াকফ বিতর্ক এবং সেই সংক্রান্ত হিংসার শিকার পরিবারগুলোকে প্রচারে নামানো বিজেপির একটি অত্যন্ত সুচিন্তিত রাজনৈতিক কৌশল। এর মাধ্যমে তারা মূলত হিন্দু সুরক্ষা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার ইস্যুটিকে জনমানসে বড় করে তুলে ধরতে চাইছে।
ভোটদাতাদের মনে প্রভাব ফেলবে
তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য এই প্রচারকে ‘লাশের রাজনীতি’ বলে পাল্টা আক্রমণ করেছে। শাসক দলের মতে, বিজেপি একটি দুঃখজনক ব্যক্তিগত ঘটনাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে। অন্যদিকে, জেলাজুড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে প্রচার চালালেও, হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসের পরিবারের এই সক্রিয় উপস্থিতি ভোটদাতাদের মনে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা।

Leave a Reply