Nandigram By Election: দুর্গাপুজোর আগেই ভোটপুজো! নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের

bye election 2026 suvendu adhikari reaction on nandigram and rejinagar poll

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর আগেই ভোটপুজোর (Nandigram By-election) আয়োজন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর সহ একাধিক আসনে ভোটের দিন ঘোষণা করার পরেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। ভোটের দিন ঘোষণা হতেই বিজেপি শিবিরের প্রস্তুতি ও জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিধাননগরের পার্টি অফিসের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, সাধারণ মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করার জন্য সবরকম চেষ্টা করছেন এবং আগামী উপনির্বাচনে অত্যন্ত ভাল ফলাফল করবে দল। নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগের ফলে এবং রেজিনগর কেন্দ্র থেকে হুমায়ুন কবীরের ইস্তফার কারণে এই দুই আসন খালি ছিল।

৯ অক্টোবর ভোটগণনা

নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক পরিসংখ্যান তুলে ধরে শুভেন্দু ব্যাখ্যা করেন, সেখানে বিজেপির ভোট ৭০ শতাংশ। অন্যদিকে, রেজিনগরে ছবিটা কিছুটা ভিন্ন হলেও সেখানেও সমস্ত প্রতিকূলতা পেরিয়ে জয়ের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই কেন্দ্রের ফলাফল আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে। নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের তিনটি রাজ্যের মোট পাঁচটি বিধানসভা এবং একটি লোকসভা আসনে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ শেষে আগামী ৯ অক্টোবর ভোটগণনা ও চূড়ান্ত ফলপ্রকাশ করা হবে। অর্থাৎ মহালয়ার আগেই সম্পন্ন হবে ভোট-উৎসব।

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট-আয়োজন

নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গিয়েছে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। প্রার্থীরা ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজেদের মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন। এর পর ১৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন স্ক্রুটিনি বা পরীক্ষা এবং ১৯ সেপ্টেম্বর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে আদর্শ আচরণবিধি বা মডেল কোড অব কন্ডাক্ট পুরোপুরি কার্যকর হয়ে গিয়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এবার অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ করেছে। প্রতিটি বুথেই ইভিএম (EVM) এবং ভিভিপ্যাট (VVPAT)-এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভোটারদের শনাক্তকরণের জন্য সচিত্র ভোটার কার্ডকে প্রধান পরিচয়পত্র হিসেবে রাখা হলেও, পাশাপাশি আধার কার্ড, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো মোট বারোটি বিকল্প নথি দেখিয়েও ভোটাধিকার প্রয়োগ করা যাবে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share