S Jaishankar: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে আর্মেনিয়ার জনগণকে ধন্যবাদ জয়শঙ্করের, জানুন আসল কারণ

India evacuates nationals from iran s jaishankar thanks armenia

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান থেকে ৫৫০ জন ভারতীয় নাগরিককে নিরাপদে সরিয়ে আনতে সাহায্য করায় আর্মেনিয়ার (Armenia) জনগণকে ধন্যবাদ জানালেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

কী লিখেছেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)

এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে জয়শঙ্কর লেখেন, “ইরান থেকে ৫৫০-রও বেশি ভারতীয় নাগরিককে নিরাপদে সরিয়ে আনতে সাহায্য করায় আর্মেনিয়ার সরকার ও জনগণকে ধন্যবাদ। এই কঠিন সময়ে সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।” এর আগে জম্মু-কাশ্মীর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন জানায়, বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরানে আটকে পড়া ৭০-এরও বেশি ভারতীয় ছাত্র, যাদের অধিকাংশই জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা, উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে আর্মেনিয়া ও দুবাই হয়ে নিরাপদে ভারতে ফিরে এসেছেন।

নিরাপদে দেশে ফিরছে ভারতীয় ছাত্ররা

সংগঠনটি জানিয়েছে, এই অঞ্চলে যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার অবনতির জন্য এই ছাত্ররা ইরানে আটকে পড়েছিল। বর্তমানে তারা নিরাপদে দেশে ফিরছে। এই ব্যাচের অধিকাংশ ছাত্র আর্মিয়া ইউনিভার্সিটি অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস, তেহরান ইউনিভার্সিটি অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস এবং ইরানের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। ফ্লাইটে ওঠার আগে তারা ইরানের বিভিন্ন শহর থেকে বাসে করে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আর্মেনিয়ায় পৌঁছয় এবং ইয়েরেভানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উদ্ধার অভিযানে পাঠানো বিমানে ওঠে। নয়াদিল্লি, ইয়েরেভান এবং তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এই উদ্ধার অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে খবর।

ইজরায়েলি এয়ারফোর্সের বক্তব্য

এদিকে, সংঘাত তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করতেই ইজরায়েলি এয়ারফোর্স তেহরানের মেহেরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানি নেতৃত্বের ব্যবহৃত একটি বিমান ধ্বংস করেছে। এই ঘটনা তাদের কৌশলগত চলাচলের ওপর বড় আঘাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে (S Jaishankar)। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে বিমানবাহিনী জানিয়েছে, “তারা তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে ইরানি শাসকগোষ্ঠীর নেতার বিমান ধ্বংস করেছে।” এই বিমানটি ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেই, অন্য শীর্ষ আধিকারিক এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক ও কূটনৈতিক মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হত। ইজরায়েলি এয়ারফোর্স জানিয়েছে, এই বিমানটি সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং তথাকথিত ‘অ্যাক্সিস’ দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ফলে এই অভিযানটি বিশেষভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল তেহরান ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাহত করতে।

হাইপ্রোফাইল হামলা

সামরিক আধিকারিকদের মতে, “এই বিমান ধ্বংসের ফলে ইরানি নেতৃত্ব ও তাঁদের মিত্র দেশগুলির মধ্যে সমন্বয়, সামরিক শক্তি গঠন এবং পুনর্গঠন সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (Armenia)।” এই গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট ধ্বংসের মাধ্যমে ইজরায়েল দাবি করেছে, তারা ইরানি শাসনের সামরিক ও কূটনৈতিক নেটওয়ার্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করেছে এবং আর একটি কৌশলগত সম্পদ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই হাইপ্রোফাইল হামলাটি একটি বৃহত্তর ও তীব্র বিমান অভিযানের অংশ ছিল। ইজরায়েলি এয়ারফোর্স জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিম ও মধ্য ইরানে ২০০-রও বেশি টার্গেটে হামলা চালানো হয়েছে, যার মধ্যে ছিল (Armenia) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, প্রতিরক্ষা দফতর এবং অপারেশনাল সদর দফতর (S Jaishankar)।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share