Central Force at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফাইল লোপাট আটকাতে পৌঁছল পুলিশও, চলছে তল্লাশি

central force at nabanna for securing govt files and documents during assembly election 2026

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীলবাড়ি দখলের পথে বিজেপি। এই আবহে আঁটাসাঁটো করা হল নবান্নের নিরাপত্তা। নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force at Nabanna)। নবান্নের যে ক’টা ঢোকা ও বেরনোর গেট রয়েছে, সেই সমস্ত জায়গায় মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নবান্নের পাহারায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনকি, নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের অনুমান, প্রশাসনিক মূল ভবন বা অন্যান্য সরকারি দফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে যাতে কেউ ঢুকতে বা বেরোতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী

মূলত নবান্ন মন্দিরতলা এলাকা ও হাওড়া কমিশনারেটের অধীনে পড়ে। কিন্তু নবান্নের ভিতরে পাহারায় থাকেন কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সের কর্মীরা। এই মুহূর্তে যাঁরা নবান্নে কর্মরত ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকে বেরনোর সময়ে ব্যাগ চেক করা হচ্ছে। কেউ কোনও সরকারি ফাইল নিয়ে বের হচ্ছেন কিনা, সেটা দেখা হচ্ছে। তবে কার নির্দেশে চেকিং চলছে, তা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ প্রত্যেকেই। ১৩ ও ১৪ তলা, মূলত যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বসে থাকেন, রাজ্যের সচিবালয়, সেটা ডিরেক্টর অফ্ সিকিউরিটির অধীনে এতদিন পর্যন্ত ছিল। ভোট ঘোষণার পর থেকেও একই ধারা বজায় ছিল। বেলা গড়াতে যখন তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আসনের ব্যবধান অনেকটাই বাড়তে শুরু করে, তখনই সূত্র মারফত খবর পাওয়া যায়, নবান্নের সমস্ত গেটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

ফাইলপত্র সুরক্ষিত রাখতেই এই পদক্ষেপ

একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, শিক্ষা, রেশন থেকে পুরনিয়োগ – বিভিন্ন দুর্নীতি মামলার তদন্ত চালাচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেইসব তদন্ত সংক্রান্ত নথি সুরক্ষিত রাখতেই নবান্নের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য সুবীর সাহা দাবি করেছেন, নবান্ন, বিভিন্ন সচিবালয়, ডিরেক্টরেটের বিভিন্ন ফাইল সরানো হচ্ছে বলে তাঁদের কাছে খবর এসেছে। বিভিন্ন ডিজিটাল ফাইল মুছে ফেলা হচ্ছে। নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে ফাইল। আর সেই কাজটা একশ্রেণির রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি, পুলিশও পৌঁছেছে নবান্নে। সূত্রের খবর, চিটফান্ড থেকে শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি, আরও কিছু কেলেঙ্কারি হয়েছে কি না, তা দেখার জন্য ফাইলপত্র খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার বদলের মুহূর্তে সেই সব ফাইল যাতে সরিয়ে ফেলা না যায়, নবান্ন এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস থেকে যাতে কিছু বের করে নিয়ে না নেওয়া যায়, কিছু যাতে নিয়ে ঢোকা না যায়, তার জন্যই সতর্কতামূলক ভাবে এই ব্যবস্থা।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share