ECI: পাঁচ রাজ্যের ভোটে বাংলার স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ২৫ আধিকারিককে পর্যবেক্ষক করল কমিশন

Election commission mamata Banerjee gyanesh kumar

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে পাঁচ রাজ্যের ভোট। এই রাজ্যগুলি হল পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি। তাই এই রাজ্যগুলিতে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। এই রাজ্যগুলির ভোট প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষকের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ২৫ জন প্রবীণ আধিকারিকও রয়েছেন (ISP)। এর মধ্যে ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস। এই পঁচিশ জনের তালিকায় রয়েছেন হাওড়া পুলিশ কমিশনার প্রবীণ ত্রিপাঠি এবং আসানসোলের কমিশনারেরও। এই তালিকায় ঠাঁই হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনারও। কেবল স্বরাষ্ট্রসচিব নয়, ওই তালিকায় নাম রয়েছে উলগানাথান, সঞ্জয় বনশল এবং শুভাঞ্জন দাসেরও। ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি তাঁদের ট্রেনিং নেওয়ার সময় ধার্য করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক (ECI)

কমিশন কেন এই তালিকা প্রকাশ করল, তাও জানিয়ে দিয়েছে তারা। কমিশনের দাবি, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগের জন্য রাজ্য সরকারের অন্তত পাঁচবার অফিসারদের তালিকা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনও উত্তর না মেলায় কমিশন নিজেই পর্যবেক্ষকদের তালিকা চূড়ান্ত করে প্রকাশ করেছে। সূত্রের খবর, এ নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (ECI)।পর্যবেক্ষকদের তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের তরফে একটি নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ব্যাচভিত্তিক তালিকাভুক্ত সমস্ত আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের জন্য বাধ্যতামূলক ব্রিফিং বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।

কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশিকা

নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, ব্রিফিং বৈঠকে কোনও আধিকারিকের অনুমোদিত অনুপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে নির্বাচন কমিশন। এমন ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হয়নি। কমিশনের এই নির্দেশ কার্যকর করতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোটিশ সার্ভ করার কথাও বলা হয়েছে। ই-মেইল, সরাসরি যোগাযোগ বা অন্য যে কোনও উপলদ্ধ মাধ্যম ব্যবহার করে নোটিশ পৌঁছে দিতে হবে এবং তা অবশ্যই আধিকারিকের স্বীকৃতি-সহ গ্রহণ করাতে হবে। নোটিশ সার্ভ করার পর প্রত্যেক আধিকারিকের কাছ থেকে পাওয়া স্বীকৃতিপত্র সংযুক্ত করে একটি লিখিত নিশ্চিতকরণ রিপোর্ট কমিশনের কাছে পাঠাতে হবে। সেই রিপোর্ট ই-মেইলের মাধ্যমে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে, যাতে কমিশন বিষয়টি পর্যালোচনা করতে পারে (ISP)।

প্রসঙ্গত, এই ব্রিফিং বৈঠকের জন্য ব্যাচভিত্তিক মিনিট-টু-মিনিট প্রোগ্রাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। অ্যানেক্সার-১, ২ এবং ৩-এ সংযুক্ত সেই কর্মসূচির বিস্তারিত সমস্ত সংশ্লিষ্ট আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের জানিয়ে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সেই ১৯৫২ সাল থেকে ব্যাচ ধরেই তালিকা তৈরি করে কমিশন (ECI)।”

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share