Brahmos: ভারত-ভিয়েতনাম কৌশলগত মৈত্রী, ৫,৮০০ কোটি টাকার ব্রহ্মোস চুক্তিতে সিলমোহর দিতে দিল্লি আসছেন প্রেসিডেন্ট তো লাম

india vietnam strategic partnership president to lam arrives in delhi to seal 5800 crore brahmos deal

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে। ভারতের তৈরি শক্তিশালী ‘ব্রহ্মোস’ (Brahmos) সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল কেনার লক্ষ্যে ৫,৮০০ কোটি টাকার ($700 Million) একটি বিশাল প্রতিরক্ষা চুক্তির পথে এগোচ্ছে ভিয়েতনাম। এই লক্ষ্যেই একটি উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত মিশনে ভারত সফরে আসছেন ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লাম (To Lam)।

উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Brahmos)

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তিটি সম্পন্ন হলে তা হবে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম মাইলফলক। এর আগে ফিলিপিন্স ভারতের থেকে ব্রহ্মোস কেনার চুক্তি করলেও, ভিয়েতনামের এই সম্ভাব্য চুক্তির আর্থিক মূল্য এবং কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেশি। মূলত সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতেই ভিয়েতনাম (To Lam) ভারতের এই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির (Brahmos) ওপর আস্থা রাখছে।

কেন এই সফর গুরুত্বপূর্ণ?

কৌশলগত ভারসাম্য: দক্ষিণ চিন সাগরে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ভারত ও ভিয়েতনামের এই ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা (Brahmos)  সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

মেক ইন ইন্ডিয়া: ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ব্রহ্মোস (Brahmos)  ক্ষেপণাস্ত্রের বিশ্ববাজারে চাহিদা বাড়ছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন হলে ভারতের ‘প্রতিরক্ষা রফতানি লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হবে।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক: প্রেসিডেন্ট তো লামের এই সফরে কেবল প্রতিরক্ষা নয়, বরং মহাকাশ গবেষণা, সাইবার নিরাপত্তা এবং বাণিজ্যিক আদান-প্রদান নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের বিশেষত্ব

ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রটি বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলগুলির (Brahmos) মধ্যে অন্যতম। এটি জল, স্থল এবং আকাশ—তিনটি মাধ্যম থেকেই উৎক্ষেপণ করা যায়, যা ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে কয়েক গুণ শক্তিশালী করে তুলবে।

প্রেসিডেন্ট তো লামের এই ভারত সফরকে ঘিরে নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে প্রস্তুতি তুঙ্গে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ৫,৮০০ কোটি টাকার চুক্তি কেবল অস্ত্রের লেনদেন নয়, বরং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে (Indo-Pacific Region) শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় দুই দেশের একজোট হওয়ার একটি জোরালো বার্তা। ফলে ভারতের প্রতিরক্ষা সুরক্ষার ক্ষেত্রে স্বদেশী অস্ত্র বিদেশের বাজারে বিরাট চাহিদা সৃষ্টি করেছে বলেই মনে করছেন অনেকে। এই রফতানি প্রতিরক্ষা দফতরের  বড় সাফল্য।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share