Suvendu Adhikari: রাজ্যের সব অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, স্থায়ী ভবন তৈরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

suvendu-adhikari-announces-free-electricity-permanent-icds-centres

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মাসিক ভাতা পাঁচ হাজার টাকা বৃদ্ধির পর এবার রাজ্যের সমস্ত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে আয়োজিত ‘অঙ্গন মিলন সেবা’ (ICDS Centres) অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা করেন তিনি। ভাড়াবাড়িতে চলা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিকে সরকারি স্থায়ী ভবনে স্থানান্তরিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং শিশু ও প্রসূতিদের পুষ্টির উন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন শুভেন্দু।

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের উন্নয়নে শুভেন্দুর সরকার (Suvendu Adhikari)

মুখ্যমন্ত্রী জানান, অগাস্ট মাস থেকেই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মাসিক ভাতা পাঁচ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে দেশের প্রায় ৩৮টি নামী সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বছরে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন তাঁরা। শিশুদের পুষ্টি এবং গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের খাবারের বরাদ্দ বৃদ্ধির কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ঘোষণা, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের খাবারের দৈনিক বরাদ্দ ছ’টাকা থেকে বাড়িয়ে আট টাকা করা হয়েছে। গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের খাবারের বরাদ্দ ১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪ টাকা করা হয়েছে (Suvendu Adhikari)।

স্থায়ী ভবনের ঘোষণা

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। শুভেন্দু জানান, বর্তমানে রাজ্যের প্রায় ১৯ হাজার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ভাড়াবাড়িতে চলছে। আগামী দিনে এই কেন্দ্রগুলিকে সরকারের নিজস্ব স্থায়ী ভবনে স্থানান্তরিত করা হবে। সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অর্থও বরাদ্দ করা হয়েছে। এদিকে, অনুষ্ঠানে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি বলেন, “শিশুদের জীবনের প্রথম গুরু হলেন এই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরাই (ICDS Centres)। শৈশবেই খুদেদের নৈতিক শিক্ষা ও যত্নের দায়িত্ব তাঁরা কাঁধে তুলে নেন। বস্তুত, দেশের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রয়েছে তাঁদেরই হাতে (Suvendu Adhikari)।”

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share