মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে মনোনয়নপত্র (West Bengal elections 2026) জমা দিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার শুভেন্দু যখন মনোনয়নপত্র দাখিল করতে যান, তখন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও ছিলেন তাঁদের সঙ্গে।
মনোনয়নপত্র জমা শুভেন্দুর (West Bengal elections 2026)
হলদিয়ার মহকুমাশাসকের দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর দাবি, এদিন রোড শোয়ে জনসমাগম এবং আবেগ দেখে মনে হয়েছে, ভোটাররা তাঁকে এখনই ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘‘ধর্মেন্দ্রজি রোড-শো দেখে বলছিলেন, ‘ইস বার তিন গুণ হোগা।’ আসলে মানুষ চাইছেন এখনই গিয়ে ইভিএমের বোতাম টিপে দেন। মনে হচ্ছে যেন আগামিকালই ভোট। মানুষ আর এক মুহূর্তও অপশাসন চাইছেন না।’’ শুভেন্দু নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়ক। একুশের নির্বাচনে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী, তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘২০২১ সালে ভোটের পাটিগণিতের হিসেবে নন্দীগ্রাম কঠিন ছিল। তখন নন্দীগ্রামে ৬৪ হাজার মুসলিম ভোট ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের ভুল বুঝিয়েছিলেন। তিনি সিএএ-কে এনআরসি বলেছিলেন। এখন মুসলিমরা বুঝে গিয়েছেন। তাঁরা এ-ও বুঝে গিয়েছেন, মোদিজি আছেন। অতএব (Suvendu Adhikari) সুশাসন-সুরক্ষা তাঁরা পাবেন। মুসলিমরা ওদের (তৃণমূলের) চক্করে আর পড়ছেন না। আর হিন্দুরা আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে গিয়েছে। তাই নন্দীগ্রাম জয় এখন আরও সহজ (West Bengal elections 2026)।’’
‘ভবানীপুরেও লড়াই কঠিন নয়’
নন্দীগ্রামের পাশাপাশি শুভেন্দু এবার লড়ছেন কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেও। এই কেন্দ্রে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। শুভেন্দু বলেন, “ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে লড়াইও আমার কাছে কঠিন নয়। এসআইআরের পরে ভবানীপুর তো বিজেপিই হয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, ‘‘আমি জেতার পরে ভবানীপুরে বিজেপি এই প্রখমবার জিতবে, এমনটা নয়। ২০১৪ সালে যখন মোদিজি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, তখন (Suvendu Adhikari) দক্ষিণ কলকাতায় তথাগত রায় প্রার্থী হয়েছিলেন। তখন ভবানীপুর বিধানভায় বিজেপির লিড ছিল ২ হাজার। ওখানে অনুপ্রবেশকারী, ভুয়ো ভোটারদের ভর করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটে জিততেন। এসআইআরের পর আর সেটা আর সম্ভব নয় (West Bengal elections 2026)।’’

Leave a Reply